Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর সভাকবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর

    মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর সভাকবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মূলাজোড়ে বসবাসের জন্য গঙ্গার তীরে একটি স্থান নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, কবি, আপনার প্রতিভার পক্ষে গঙ্গাতীরবর্তী এই স্থানটি উপযুক্ত হবে। অদ্ভুত যোগাযোগ। অন্তরালে কার শক্তি! দুই রাজার সংগমে আর এক কলকাতার রাজা। বর্ধমানের মহারাজার দেওয়ান রামদেব নাগ মূলাজোড়ে জমিদারি পেলেন কীভাবে! এদিকটা তো মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের জমিদারি? বর্গিরা তখন বাংলার ত্রাস। যা খুশি তাই করছে। ভয়ংকর এক আতঙ্ক। বর্ধমান তাদের টার্গেট। ওই পথেই পিল পিল করে ঢুকছে। সেই সময় বর্ধমানের মহারাজাধিরাজ তিলকচাঁদ রায়। বর্ধমান আর নিরাপদ নয়। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর বন্ধুস্থানীয়। কাউগাছি জায়গাটি কৃষ্ণচন্দ্রের খাস জমিদারিভুক্ত। বর্ধমানরাজ সেইখানে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করলেন।

    ইতিহাসের কত কী বলার থাকে। নায়ক তো একজনই–কাল। আবার কাল শব্দটির আর এক অর্থ–অতীত। অনেক সুতো গোটানো লাটাই হাতে অদৃশ্য মহানায়ক বসে আছেন। সুতো ছেড়েই যাচ্ছেন, ছেড়েই যাচ্ছেন। একশো, দুশো, পাঁচশো বছর কিছুই নয়। এই। সেদিন। অতীত কলকাতার রঙ্গমঞ্চে অভিনীত হত বঙ্গে বর্গি। সে কোন কাল?কত কাল?

    ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দ। প্রায় দশ বছর স্থায়ী বিকট এক উৎপাত। বর্ধমানের মহারাজা তিলোকচাঁদ তাঁর রাজ্য ছাড়তে বাধ্য হলেন। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের খাস পতিত জমিরই বিরাট একটা অংশ কাউগাছি। বেশ নিরাপদ। পশ্চিমে ভাগীরথী, পূর্ব দিকে ঘন জঙ্গল ঘেরা বর্তির বিল। দক্ষিণে একটি খাল–নোয়াই খাল, উত্তরে মুক্তাপুরের খাল। দুটি খালই ভাগীরথীর সঙ্গে সংযুক্ত। মূলাজোড়ের অধিবাসী রামদেব নাগ, জায়গাটির সন্ধান দিলেন। গড়ে উঠল বর্ধমান রাজের বিকল্প রাজধানী। অবশ্যই বিশাল ব্যাপার। হাতি, ঘোড়া, লোক-লস্কর, পাইক-বরকন্দাজ। স্থানটির চেহারা ফিরে গেল।

    বর্ধমান রাজপরিবার চিরকালই শিক্ষা ও সংস্কৃতির অনুরাগী পৃষ্ঠপোষক। কাউগাছিতে এসেই রাজমহিষী কৃষ্ণকুমারী জানতে পারলেন, পাশেই মূলাজোড় গ্রাম, সেখানে বাস করছেন বিখ্যাত কবি রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র। কৃষ্ণকুমারী আলোকিত রমণী, গুণী, ধর্মপ্রাণ। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্ৰ কবিকে ১৬ বিঘা জমি দান করেছিলেন! কৃষ্ণকুমারীর মনে হল লোক-লস্কর, অশ্ব গবাদি নিয়ে এই রাজপরিবারটি যেন কবির ঘাড়ে এক মহা উৎপাতের মতো এসে পড়েছে। কবির শান্তি নষ্ট করছে। ভারতচন্দ্র শুধু কবি নন, সাধক। তাঁকে আরও পরিসর দিতে হবে। তিনি যুগোত্তীর্ণ মানুষ। মহারানি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রকে একটি চিঠিতে অনুরোধ জানালেন, আপনার সাক্ষাৎপ্রার্থী। কথা আছে। জরুরি কথা। ভদ্র কৃষ্ণচন্দ্র এলেন। কৃষ্ণকুমারী ভারতচন্দ্রের প্রসঙ্গ তুলে বললেন, মহারাজ! ১৬ বিঘা পরিসর তাঁর পক্ষে যথেষ্ট নয়। আমরা পাশে এসে পড়ায় উৎপাত বেড়েছে। মূলাজোড় গ্রামটি আমাকে পত্তনি দিন। কৃষ্ণচন্দ্র খানিক চিন্তার পর বললেন, বেশ, ওই ষোলো বিঘা বাদ দিয়ে। আরও আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হল, কৃষ্ণচন্দ্র আনারপুরের গুস্তেগ্রামে কবিকে ১২১ বিঘা নিষ্কর ভূমি দান করবেন। কৃষ্ণকুমারী তখন নিজের নামে নয় তাঁদের অমাত্য রামদেব নাগের বেনামে পত্তনি পাট্টা সম্পাদন। করলেন। এই কাহিনিতে রামদেবের প্রবেশ এইভাবে। রাজারাজড়ার ব্যাপার। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়; আবার রাজায় রাজায় অনেক ভালো কাজও হয়।

    বর্ধমানের অস্থায়ী রাজধানী এক সময় আবার বর্ধমান ফিরে গেল। গোপীমোহন নির্মাণ করলেন কাঙ্ক্ষিত দেবালয়। মূলাজোড়ে শুরু হল আর এক ইতিহাস। ভট্টপল্লির পরেই মূলাজোড় হল সংস্কৃতচর্চার কেন্দ্র। গোপীমোহন স্থাপন করলেন সংস্কৃত কলেজ, গ্রন্থাগার, দাঁতব্য চিকিৎসালয়। সংস্কৃত কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ভট্টপল্লির প্রখ্যাত নৈয়ায়িক শিবরাম সার্বভৌম। তাঁকে ঘিরে গড়ে উঠল এক মহামণ্ডলী। ন্যায়শাস্ত্রের এই ধারা বিখ্যাত হল মূলাজোড় সম্প্রদায় নামে।

    ভট্টপল্লির নাম কয়েকবার করা হল। কোনও অদৃশ্য শক্তি কী ভট্টপল্লির এক নিষ্ঠাবান পরিবারকে পাথুরিয়াঘাটার ঠাকুর পরিবারের দিকে ঠেলছে? হয়তো তাই! ভাটপাড়ার এক প্রাচীন মুখোপাধ্যায় বংশ। কৌলীন্যে তাঁরা ফুলের মুখুটি। ভরদ্বাজ গোত্র। শ্রীহর্ষের বংশ, ফুলেমেল। বহুঁকাল আগে ভাটপাড়ায় বসতি স্থাপন করেছিলেন গঙ্গাধর ঠাকুর। পরপর একাধিক পুরুষ–গঙ্গাধর, রামভদ্র, শুকদেব, হৃদয়রাম, ভবানীশঙ্কর, ভৈরবচন্দ্র। ভৈরবচন্দ্রে স্থির হব। তাঁর সন্তান পরমানন্দ। অন্য নাম জগন্মোহন। ভৈরবচন্দ্রইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির। হিজলিকাঁথির লবণকুঠির সদর আমিন ছিলেন। এই জীবিকায় কোম্পানির আমলে বড়লোক হওয়ার অনেক সুযোগ ছিল। ভৈরবচন্দ্র তাই হলেন। অর্থের সঙ্গে সামাজিক প্রতিপত্তিও আসে। পার্সি ভাষায় তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য। লোকে রসিকতা করে বলতেন, মৌলবি মুখুজ্যে। তিনি কিন্তু অত্যন্ত নিষ্ঠাবান হিন্দু ছিলেন। তাঁর জীবনকালে মুখুজ্যেবংশের কুলভঙ্গ হয়নি। যা হল সব তাঁর মৃত্যুর পরে।

    ভৈরবচন্দ্রের পুত্র পরমানন্দ রূপবান এক যুবক। অন্যদিকে গোপীমোহন ঠাকুরের বড়ছেলে সূর্যকুমার। তাঁর দুই মেয়ে ত্রিপুরাসুন্দরী ও শ্যামাসুন্দরী। ঠাকুর পরিবারে নিয়ম ছিল সত্বংশে স্বাস্থ্যবান, রূপবান ছেলের সঙ্গে কন্যার বিবাহ দেওয়া। পরমানন্দের এক কাকা কলকাতায় যেতেন তাঁর কাজকর্মের জন্য। সেখানেই তাঁর বেশিরভাগ সময় থাকা। ঠাকুর পরিবারে তাঁর যাতায়াত ছিল। সূর্যকুমার একদিন পরমানন্দের খুল্লতাতকে বললেন, বড়মেয়ের বিয়ে দেব। সংশের সুচরিত্র ও সুপুরুষ একটি পাত্রের সন্ধান দিতে পারলে তোমাকে আমি পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দেব। পরমানন্দের খুড়ো সঙ্গে সঙ্গে একটি পরিকল্পনা ঠিক করে ফেললেন। পাঁচ হাজার টাকা কী কম কথা! আর পাত্র তাঁর চোখের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাঁর নাম পরমানন্দ। সমস্যা একটাই, তাঁর বিধবা জননী এই বিবাহ কিছুতেই সমর্থন করবেন না। কারণ কুলমর্যাদার হানি হবে। ঠিক আছে! কৌশল করতে। হবে। পরমানন্দের মাকে তিনি বললেন, কলকাতায় পার্বণ উপলক্ষে কালীঘাটে মহাসমারোহ হবে। পূজা-হোম-আমোদ-প্রমোদ। আমার খুব ইচ্ছে পরমানন্দকে একবার দেখিয়ে আনি। পরমানন্দের মা অতি সরল, তাঁর কোনও সন্দেহই হল না। তিনি বললেন, বেশ তো। খুড়োমশাই পরমানন্দকে নিয়ে সোজা চলে গেলেন সূর্যকুমারের বাড়িতে। বললেন, এই নিন পাত্র। পাঁচ হাজার টাকা পকেটে পুরে তিনি বিদায় নিলেন। সেকালের জমিদাররা যেভাবে জোর করে বিয়ে দিতেন সেই পদ্ধতিই শুরু হল। সেইদিনেই গায়ে হলুদ। বালক পরমানন্দ ভয়ে কাঁদতে শুরু করেছেন। সূর্যকুমার বহু মূল্য অলংকারাদি দিয়ে পরমানন্দকে ভুলিয়ে রাখলেন। সেই সন্ধ্যায় তড়িঘড়ি পরমানন্দের বিবাহ হল ত্রিপুরাসুন্দরীর সঙ্গে। যথাসময়ে পরমানন্দের আত্মীয়স্বজনরা সব জানতে পারলেন। ভাটপাড়া থেকে তাঁদের চলে আসতে হল কলকাতায়। ইতিমধ্যে ঠাকুর পরিবারের জাঁকজমক, ঐশ্বর্য, আদর-আপ্যায়নে তাঁরা মোহিত। পরমানন্দ হলেন কলকাতার ঠাকুর পরিবারের ঘরজামাই।

    কলকাতায় তাঁর নাম হল জগন্মোহন। পরমানন্দ আর কেউ বললেন না। নাম পরিবর্তনের ব্যাপারটাও খুব মজার। সেকালে এই ঠাকুর পরিবারের নিয়ম ছিল বাড়ির জামাইয়ের নাম বাড়ির মেয়েদের পছন্দ না হলে তাঁরা তা পালটে দিতেন। পরমানন্দ নামটি মহিলাদের পছন্দ হয়নি। তাঁর স্ত্রী স্বামীর নাম বলতে গিয়ে ভীষণ অস্বস্তি বোধ করতেন। পরমানন্দের মধ্যে পরমান্ন শব্দটি খুঁজে পাওয়া যায়। স্বামীর নাম উচ্চারণ করা অত্যন্ত দোষের। অতএব পরমান্ন বলা যায় না, নাম পালটাও। অতি সুন্দর পুরুষ পরমানন্দ, নাম রাখা হল জগন্মোহন।

    অনেক পরে এই পরিবারের একটি মামলায় আলিপুর কোর্টে সাক্ষ্য দিতে উঠেছিলেন মহারাজা স্যার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর। তিনি গোপীমোহন ঠাকুরের পঞ্চম পুত্র হরকুমার ঠাকুরের সন্তান। সাক্ষ্যদানকালে তিনি বলেছিলেন, আমার জ্যাঠামশাইয়ের নাম সূর্যকুমার ঠাকুর। আমি শুনেছি যাঁর নাম পরমানন্দ তাঁরই পরিবর্তিত নাম জগন্মোহন। জগন্মোহনের পিতার নাম ভৈরবচন্দ্রমুখুজ্যে। জগন্মোহনের ভাই ছিল কি না জানি না! তিনি বিবাহের আগে উচ্চবর্ণের কুলীন ব্রাহ্মণ ছিলেন। আমাদের ফ্যামিলির নিয়ম ছিল যে, ভালো কুলীন দেখে বিবাহ দেওয়া। ভৈরবচন্দ্রের সঙ্গে আগে আমাদের কোনও কুটুম্বিতা ছিল না। এই বিবাহে প্রথম হল। আমাদের ঠাকুরদার ফ্যামিলিতে নিয়ম ছিল, ভালো কুলীনের ছেলে এনে। আমাদের ফ্যামিলিতে বিবাহ দেওয়া এবং ভালো করে প্রভিশন করে দেওয়া। জগন্মোহনের সময় এইরকমই হয়েছিল। আমার পিতামহ গোপীমোহন ঠাকুর জীবিত থাকার সময় এই বিবাহ হয়।

    পরমানন্দের দুর্গাদাস নামে এক ভ্রাতা ছিলেন। খড়দহের বিখ্যাত গোস্বামী বংশেবিবাহ করে সেখানেই বাস করতেন। পরমানন্দ সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন। দুটি ভাষার গ্রন্থই পাঠ করতেন। লেখাপড়াতেই সমস্ত জীবন অতিবাহিত করেন। অসাধারণ সুন্দর হাতের লেখা। পুঁথি লিখতেন।

    সূর্যকুমারের কোনও পুত্রসন্তান হয়নি। দুটি কন্যা। পরমানন্দ প্রথমে ত্রিপুরাসুন্দরীকে বিবাহ করেছিলেন। সন্তান দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়। কালে এই দক্ষিণারঞ্জনই হয়ে উঠবেন ইতিহাস বিখ্যাত এক মানুষ। সূর্যকুমার অত্যন্ত বুদ্ধিমান মানুষ ছিলেন। একটি সওদাগরি ব্যাংকের প্রধান অংশীদার। পরিচালনার কাজে যথেষ্ট সাহায্য করতেন। পিতা গোপীমোহনের সমস্ত জমিদারির তত্বাবধান করতেন। এক ইউরোপীয়, নাম স্মিথ, একটি ডক ইয়ার্ড নির্মাণ করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। স্মিথ সাহেব একটি সমবায় স্থাপন করে গোপীমোহনের সাহায্য চান। তিনি প্রচুর অর্থ সেখানে বিনিয়োগ করেন। সূর্যকুমার এই সমবায়ের বেনিয়ান নিযুক্ত হন। পুরো পরিকল্পনাটাই ভেস্তে গেল। গোপীমোহনের সমস্ত টাকা জলে। সূর্যকুমার খুব অল্প বয়েসে মারা যান। মাত্র ত্রিশ বছর। ত্রিপুরাসুন্দরী পরমাসুন্দরী ছিলেন। তাঁর অনেক গুণ ছিল। দুর্ভাগ্য এই দক্ষিণারঞ্জনের জন্মের অল্পকাল পরেই তিনি মারা গেলেন। একেবারে শৈশবেই মাতৃহীন। পরমানন্দ সূর্যকুমারের দ্বিতীয় কন্যাশ্যামাসুন্দরীকে বিবাহ করলেন। শ্যামাসুন্দরীর স্নেহ ও যত্নে দক্ষিণারঞ্জনের কোনও সময়েই মনে হয়নি যে তাঁর মা নেই। দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভেই চারটি সন্তান কালিকারঞ্জন, বিশ্বরঞ্জন, নিরঞ্জন, সর্বরঞ্জন।

    এই কাহিনির নায়ক দক্ষিণারঞ্জন। কলকাতার বিখ্যাত রাজবাড়িতে যিনি বড় হচ্ছেন। পিতা জগন্মোহন জানতেন ইংরেজের ভারতে ইংরেজি না শিখলে ভবিষ্যতে কিছুই করা যাবে না। দক্ষিণারঞ্জন ভরতি হলেন হেয়ার সাহেবের স্কুলে। প্রাথমিক শিক্ষা এখানেই হল। এরপর হিন্দু কলেজ। ইংরেজরা এদেশে ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেননি। করেছিলেন কয়েকজন দূরদর্শী হিন্দু। কলকাতার কয়েকজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির দান ও আন্তরিক চেষ্টায়, সর্বোপরি ডেভিড হেয়ার ও স্যার হাইড-এর সহযোগিতায় স্থাপিত হয়েছিল হিন্দু কলেজ। ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে। এ দেশীয় যাঁরা এগিয়ে এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন মহারাজা স্যার

    যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, হরকুমার ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র। অন্যান্য যাঁরা ছিলেন তাঁরা হলেন। বর্ধমানের রাজা তেজচন্দ্র বাহাদুর, গোপীমোহন ঠাকুর, কালীপ্রসন্ন সিংহের পিতামহ জয়কৃষ্ণ সিংহ, স্যার রাধাকান্ত দেব বাহাদুরের পিতা গোপীমোহন দেব, আর গঙ্গানারায়ণ দাস। রাজা তেজচন্দ্র বাহাদুর ও দক্ষিণারঞ্জনের খুল্লমাতামহ চন্দ্রকুমার ঠাকুর হিন্দু কলেজে প্রথম গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হন। কার্যনির্বাহক সমিতির সদস্য হলেন গোপীমোহন দেব, জয়কৃষ্ণ সিংহ ও গঙ্গানারায়ণ দাস। জাস্টিস অনুকূল মুখোঁপাধ্যায়ের পিতা বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায় প্রথম। সম্পাদক। পরিদর্শক হিসাবে নিযুক্ত হলেন ডেভিড হেয়ার ও ডাক্তার হোরেস হেম্যান উইলসন।

    দক্ষিণারঞ্জনের তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, অসাধারণ মেধা আর অদ্ভুত অধ্যবসায়। শিক্ষকরা বিস্মিত হতেন। এই ছেলেটিকে হেয়ার সাহেব পুত্ৰাধিক স্নেহ করতেন। ডাক্তার উইলসনও তাঁর প্রশংসা করতেন। বিখ্যাত কৃষ্ণদাস পাল, বাগ্মী, স্বদেশহিতৈষী রামগোপাল ঘোষের জীবনচরিতে স্বীকার করেছেন নীচের ক্লাসে পড়ার সময় দক্ষিণারঞ্জন ও রামগোপাল ইংরেজিতে এতটাই পারদর্শী হয়েছিলেন যে প্রবন্ধ লিখতেন। আর ডাক্তার উইলসন সেইসব লেখা ওপরের ক্লাসের ছাত্রদের দেখিয়ে বলতেন, পড়ে দেখো, তোমাদের চেয়ে নীচের ক্লাসের দুই ছাত্র কী অসাধারণ লিখেছে। তোমরা এদের ধারে কাছে যেতে পারবে কি! দক্ষিণারঞ্জনের সঙ্গে যাঁরা পড়তেন পরবর্তীকালে তাঁরাও বিখ্যাত হয়েছিলেন। যেমন কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, রামগোপাল ঘোষের কথা তো বলাই হয়েছে। রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামতনু। লাহিড়ি, রাধানাথ শিকদার। তাঁদের মধ্যে অনন্য ছিলেন দক্ষিণারঞ্জন। পরবর্তী জীবনে সেই পরিচয় পাওয়া যাবে।

    দক্ষিণারঞ্জন হিন্দু কলেজে। আর সেখানে একজন অসাধারণ শিক্ষক–হেনরি লুই ভিভিয়ান। ডিরোজিও। তাঁর শিক্ষা প্রণালী ছিল অতি বিচিত্র। ছাত্রদের ওপর অসামান্য প্রভাব। বয়সে তিনি তরুণ, কিন্তু প্রতিভায় বিচ্ছুরিত। ডিরোজিও মনে করতেন, শুধু ভাষায় পারদর্শী হলে হবে না, বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করতে হবে। মেধার সঙ্গে হৃদয়ের যোগ ঘটাতে হবে। ছাত্রদের বলতেন, ভাবতে শেখো। এই দেশ প্রাচীন সংকীর্ণতা ও কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। এই অন্ধকার থেকে বেরোতে হবে। ডিরোজিও মনস্তত্ব ও নীতিশাস্ত্রে উন্নত ছিলেন। ছাত্রদের এই দুটি বিষয়ে জ্ঞান দেওয়ার চেষ্টা করতেন। ধৈর্য অসাধারণ। ছাত্রদের নিয়েই পড়ে থাকতেন।

    সেই সব ইউরোপীয় দার্শনিকদের কথা বেশি করে বলতেন যাঁদের চিন্তায় মানুষই প্রাধান্য পেত। এইসব দার্শনিক হলেন লক, রিড, স্টুয়ার্ট ব্রাউন প্রমুখ। ছাত্রদের তিনি পর্যবেক্ষণ শক্তি বাড়াতে বলেছিলেন। উৎসাহ দিতেন ডিবেটে। পাঠ্যপুস্তকের বাইরে অন্যান্য বই পড়তে বলতেন। সুযোগ পেলেই নিজের বাড়িতে বা অন্য জায়গায় তর্কসভার আয়োজন করে ছাত্রদের নিয়ে বসতেন। ছাত্ররাই ছিলেন তাঁর ধ্যান ও জ্ঞান। নিজে ছিলেন কবি। দীর্ঘ একটি কবিতার প্রথম কয়েকটি লাইন–

    অৰ্দ্ধস্ফুট পুষ্পদল সম, ধীরে ধীরে হয় বিকশিত
    তোমাদের সুকুমার চিত, হেরি আমি উৎসুক নয়নে;
    মানসিক শক্তিচয় যেন ছিল মন্ত্রমূর্হিত শয়নে,
    সুবৰ্ণ–শলাকা–স্পর্শে এবে ক্রমে ক্রমে হয় উদ্বোধিতা।

    ডিরোজিওর শিক্ষাপ্রণালী এতটাই অভিনব ছিল যে, গতানুগতিক শিক্ষকরা ধরতেই পারতেন না কী হচ্ছে। হিন্দু কলেজের শিক্ষকদের প্রতিমাসে প্রধান শিক্ষকের কাছে ছাত্রদের প্রগ্রেস রিপোর্ট জমা দিতে হত। ডিরোজিও এই ব্যাপারে বিশেষ উৎসাহী ছিলেন না। পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে ছাত্রদের আত্মবিকাশের দিকেই তাঁর নজর ছিল। সেই সময় প্রধান শিক্ষক ছিলেন ডি. আনসেলম। ডিরোজিওর রিপোর্ট তাঁর পছন্দ হত না। একবার তিনি এতটাই রেগে উঠলেন যে, ডিরোজিওকে প্রহার করার জন্য হাত ওঠালেন! ডিরোজিও পিছনে সরে গিয়ে সেই আঘাত থেকে নিজেকে বাঁচান। তাঁকে ঘিরে একটি ছাত্র গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল। তাঁরা ধর্ম ও সমাজ সংস্কারে সচেষ্ট হলেন।

    ডিরোজিও একটি ছাত্রসভা স্থাপন করেছিলেন। নাম দিয়েছিলেন, অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন। দক্ষিণারঞ্জন এই সভার সভ্য ছিলেন। ডিরোজিওর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন আর-এক বিদেশি–হেয়ার সাহেব। এই হেয়ার সাহেব দক্ষিণারঞ্জনকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। সাহেবের সংবর্ধনার জন্য ডিরোজিওর ছাত্ররা উৎসাহী হলেন। শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অনন্য প্রচেষ্টা সকলের মুখে মুখে। মাধবচন্দ্রমল্লিক তাঁর জোড়াসাঁকোর বাড়িতে একটি পরামর্শ সভা আহ্বান করলেন। আলোচনার বিষয়–ডেভিড হেয়ারের সংবর্ধনা। দুটি সভা হল। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দ ২৮ নভেম্বর প্রথম সভা। উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, ১৮৩১ সালের ৩০ জানুয়ারি দ্বিতীয় সভা। সভাপতি রসিককৃষ্ণ মল্লিক। দুটি সভাতেই বক্তৃতা করলেন কৃষ্ণমোহন, রসিককৃষ্ণ, দক্ষিণারঞ্জন, রাধানাথ শিকদার প্রমুখ কয়েকজন। সিদ্ধান্ত হল চাঁদা করে হেয়ার সাহেবের একটি তৈল চিত্র আঁকা ও সেই ছবি প্রতিষ্ঠিত হবে উপযুক্ত স্থানে।

    ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দ ১৭ ফেব্রুয়ারি। ডেভিড হেয়ারের জন্মদিন। হেয়ার স্কুলে তাঁর সংবর্ধনা। দক্ষিণারঞ্জনের নেতৃত্বে হেয়ারের অসংখ্য ছাত্র সেই সভায় মিলিত হলেন। সুন্দর একটি অভিনন্দন পত্র পাঠ করে তাঁর হাতে দেওয়া হল। দক্ষিণারঞ্জন অসাধারণ একটি বক্তৃতা দিলেন। এই বক্তৃতাতেই হেয়ার সম্পর্কে তাঁর বিখ্যাত উক্তি–আপনি আমাদিগকে জননীর ন্যায় স্তন্য দিয়াছেন।হেয়ার সাহেব মাথাটি ধীর ভাবে নাড়তে নাড়তে মুচকি মুচকি হাসতে লাগলেন। দক্ষিণারঞ্জনের চেষ্টায় চিত্রকর চার্লস পোট ডেভিড হেয়ারের সুন্দর একটি তৈলচিত্র সযত্নে আঁকলেন। ছবিটি হেয়ার স্কুলে আছে। ওই ছবির পাশে একটি বালকের প্রতিকৃতি। বালকটি আর কেউ নন, তাঁর প্রিয়তম শিষ্য দক্ষিণারঞ্জন।

    ডিরোজিও তখন হিন্দু সমাজের পক্ষে ভয়ংকর এক সমস্যা। তিনি যে সভা স্থাপন করেছিলেন সেই সভায় ধর্ম ও সমাজ সংস্কার নিয়ে অগ্নিগর্ভ সব আলোচনা হত। প্রথম সারির সদস্যরা, কৃষ্ণমোহন, রামগোপাল, দক্ষিণারঞ্জন আর রসিককৃষ্ণ। তাঁরাই প্রধানত আলোচনা করতেন। সমাজের কয়েকজন বিশিষ্ট ক্ষমতাবান ব্যক্তিও আসতেন–তদানীন্তন চিফ জাস্টিস স্যার এডওয়ার্ড রায়ান, লর্ড উইলিয়ামস বেন্টিঙ্কের প্রাইভেট সেক্রেটারি কর্নেল বেনসন, কর্নেল বিটসন, পরে অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল হয়েছিলেন, বিশপ কলেজের অধ্যক্ষ রেভারেন্ড ডরু এইচ মিল। তাঁরা এসে তরুণদের উৎসাহ দিতেন। তরুণরা অতি উৎসাহের ফলে হিন্দুধর্মের প্রতি ভয়ংকর অবজ্ঞা ও অশালীন আচরণ করতে শুরু করলেন। পারলে শাস্ত্র ও শাস্ত্রবিধিকে প্রকাশ্যে লাথি মারবেন, এইরকম একটা উচ্ছঙ্খলতা।

    পাদরিরা দেখলেন, এই হল খ্রিস্টধর্ম ঢোকাবার সুবর্ণ সুযোগ। উঠে পড়ে লেগে গেলেন ডাক্তার ডফ ও আর্চ ডিকন ডিয়্যালট্রি। তাঁরাও অতি উৎসাহে ধর্মপ্রচারকদের বলতেন, কলেজের পাশেই সকাল, সন্ধ্যা পথসভা করে হিন্দুধর্মকে গালাগাল দাও আর খ্রিস্টধর্মের জয়গান করো, একদিকে ডিরোজিওর ছেলেরা ও অন্যদিকে পাদরিরা। খেলা খুব জমে উঠল।

    পাদরিদের হিন্দুধর্ম-বিদ্বেষ ডিরোজিওর শিষ্যদেরও গ্রাস করল। ঘৃণার ওপর ঘৃণা–যেন ডবল ডোজ। তাঁদের আচার-আচরণে ভয়ংকর রকমের একটা উগ্রতা দেখা দিল। যা অবশ্যই ছেলেমানুষির শামিল। যার একটি হল–নিষিদ্ধ মাংস চ্যালেঞ্জ করে খাওয়া। এইরকম একটা জটিল সময়ে দক্ষিণারঞ্জন হিন্দু কলেজের পাঠ সমাপ্ত করলেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন। মায়ের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার সম্পত্তির অধিকারী হয়েছেন। অর্থের প্রতি অবশ্য তাঁর কোনও আসক্তি ছিল না। স্বদেশ কল্যাণে মুক্ত হস্তে দান করতেন। মাথায় ছিল একটি স্বদেশি সংবাদপত্রের প্রয়োজন। যার মাধ্যমে জাতির জাগরণ ঘটানো যেতে পারে। কুসংস্কার মুক্ত একটি ধর্মের পক্ষে প্রচার জোরদার করা যায়। তিনি নিজেই প্রকাশ করলেন একটি সাপ্তাহিক পত্র, নাম জ্ঞানান্বেষণ। ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে এই পত্রিকার প্রথম প্রকাশ। প্রায় তেরো বছর ধরে শিক্ষিত হিন্দু ছাত্রদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরিত হয়েছিল। সম্পাদক ছিলেন দুজন। দক্ষিণারঞ্জন ও রসিককৃষ্ণ মল্লিক। তেরো বছরের সময়কালে পালা করে এক-একজন সম্পাদক হয়েছিলেন–যেমন প্যারীচাঁদ মিত্র, তারিণী বন্দ্যোপাধ্যায়, রামগোপাল ঘোষ, রামচন্দ্র মিত্র ও হরমোহন চট্টোপাধ্যায়। সুপণ্ডিত গোবিন্দচন্দ্র বসাক মাঝে মাঝে প্রবন্ধ লিখতেন। প্রকাশের এক বছর পরে পত্রিকাটি হল দ্বিভাষী–ইংরেজি ও বাংলা। এই কাগজে প্রায়ই হিন্দুধর্মকে নানাভাবে আক্রমণ করা হত। হিন্দুধর্মের কুসংস্কারই ছিল আঘাতের লক্ষ্য। দক্ষিণারঞ্জনের পিতা জগন্মোহন নিষ্ঠাবান গোঁড়া হিন্দু। তিনি অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হলেন। পিতার সঙ্গে পুত্রের বাদানুবাদ। দক্ষিণারঞ্জন অভিমানে গৃহত্যাগ করলেন। কোথায় যাবেন! সার্কুলার রোডে গুরু ডিরোজিওর বাড়ির পাশে একটি বাড়ি ভাড়া করলেন। অর্থের তো অভাব নেই। দক্ষিণারঞ্জন পিতাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন, ভালোবাসতেন। বেশিদিন ছেড়ে থাকা সম্ভব হল না। পিতা-পুত্রের আবার মিলন ঘটল। এই সময় ডিরোজিও উইলসনকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে তাঁর প্রিয় ছাত্র দক্ষিণারঞ্জনের গৃহত্যাগের উল্লেখ আছে–দুই থেকে তিন মাস আগে দক্ষিণারঞ্জন আমাকে বলল, তার পিতার ব্যবহার ও আচরণ অসহ্য হয়ে উঠেছে। কিছুতেই সমর্থন করা যাচ্ছে না। অতএব বাড়ি ছাড়তেই হবে। আমি জানতুম কী ঘটেছে। এও জানতুম সে সত্য কথা বলছে। কিন্তু আমি বলেছিলুম, তোমার গৃহত্যাগ আমি সমর্থন করি না। পিতার ব্যবহার যাই হোক না, সন্তানের সহ্য করা উচিত। তোমার প্রতিবাদ ও আচরণ জগৎ সমর্থন করবে না। তিনি তো তোমাকে চলে যেতে। বলেননি। তুমি স্বেচ্ছায় তাঁকে পরিত্যাগ করবে কেন! মনে হয়েছিল দক্ষিণারঞ্জন আমার যুক্তি মানবে। দুঃখের বিষয় কিছু দিনের মধ্যেই সে ধৈর্য হারিয়ে যা ভেবেছিল তাই করল। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সে গৃহত্যাগ করল। অবাক হয়ে দেখলুম, আমারই এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া করে উঠে এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }