Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. এইবার কাহিনি মুখ ফেরাবে কলকাতার দিকে

    এইবার কাহিনি মুখ ফেরাবে কলকাতার দিকে। বর্ধমানে মঞ্চ প্রস্তুত। আবির্ভূত হবেন দক্ষিণারঞ্জন। তিনি এখনও রাজা হননি। কলকাতার উচ্চ আদালতে আইন ব্যবসা শুরু করেছেন। আগেই বলা হয়েছে ছাত্র অবস্থায় তাঁর বিবাহ হয়েছিল হরচন্দ্র ঠাকুরের সুন্দরী কন্যা জ্ঞানদাসুন্দরীর সঙ্গে। তাঁর একটি মাত্র কন্যাসন্তান মুক্তকেশী। এই মেয়েটি হওয়ার পরই জ্ঞানদাসুন্দরীর মাথা খারাপ হয়ে গেল। দক্ষিণারঞ্জনের দাম্পত্য জীবন খুবই দুঃখের। ওদিকে বর্ধমানে আর একটি মেয়ের জীবনও তথৈবচ। তাঁর নাম মহারানি বসন্তকুমারী। পিতা পরাণবাবুর লোভের বলি। বৃদ্ধ রাজার কাছে মেয়েটিকে সমর্পণ করে ছেলের ভবিষ্যৎ তৈরি করলেন। যুবতী বসন্তকুমারীর কী হল তা দেখার দরকার নেই। বৃদ্ধ রাজা প্রয়াত, বসন্তকুমারীর জীবনে কিছুই জুটল না। বর্ধমানে বসন্তপঞ্চমীতে সেইসময় বিরাট উৎসব হত। এখনও হয়। বহু বড় বড় মানুষ নিমন্ত্রিত হতেন। একটি উৎসবে দক্ষিণারঞ্জনও নিমন্ত্রিত হলেন। তিনি সাদরে সেই নিমন্ত্রণ গ্রহণ করে কিছুদিনের জন্য বর্ধমানে গেলেন। মহাতাব চাঁদ তখনও সাবালক হননি। রাজকার্য চালাচ্ছেন কমলকুমারী আর তাঁর কুখ্যাত ভ্রাতা পরাণবাবু। বলা যায় পরাণবাবুই রাজা। দক্ষিণারঞ্জনের জীবনীকার মন্মথনাথ ঘোষ লিখছেন, মহারানি বসন্তকুমারী বিষয়ী পিতার স্বার্থসিদ্ধির জন্য নামে দুইদিনের জন্য মহারানি হইলেন বটে কিন্তু তাঁহার ন্যায় দুঃখিনী আর কে ছিল। আইনজ্ঞ দক্ষিণারঞ্জনের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই প্রেম। বসন্তকুমারী অতি সুন্দরী। দক্ষিণারঞ্জনও কিছু কম যান না। জীবনীকার লিখছেন, তেজচন্দ্র বসন্তকুমারীর নামে কিছু সম্পত্তি রাখিয়া গিয়াছিলেন। কিন্তু সেই বিষয়ের উপস্বত্বও তিনি ভোগ করিতে পাইতেন না। দক্ষিণারঞ্জনকে সদর আদালতের উঁকিল জানিয়া মহারানি বসন্তকুমারী তাঁহার সহিত গোপনে বিষয় উদ্ধারের পরামর্শ করিলেন। স্থির হইল, মহারানি বসন্তকুমারী কলিকাতায় আগমন করিয়া বিষয়ের জন্য সদর আদালতে আবেদন করিবেন। মহারানি কমলকুমারী তখন বর্ধমানের সর্বময়ী কত্রী। তিনি বসন্তকুমারীর সঙ্কল্পের কথা জানিতে পারিলে অনর্থ ঘটিবে এইজন্য মহারানী বসন্তকুমারী গোপনে দুইজন বিশ্বস্তা দাসী ও একজন পুরুষ আত্মীয় সমভিব্যাহারে বর্ধমান পরিত্যাগ করিলেন।

    দক্ষিণারঞ্জনের শত্রুর অভাব ছিল না। এবং তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রু ছিলেন টমাস এডওয়ার্ডস। তিনি ডিরোজিওর জীবনী লিখেছিলেন। বসন্তকুমারী ও দক্ষিণারঞ্জনের মধ্যে গভীর একটি প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল এই উৎসবের রাতেই। দুজনের মধ্যে বিষয়সম্পত্তি সম্পর্কে আলোচনাও হয়েছিল। সেই রাতের পর ঘন ঘন দেখা সাক্ষাৎ হওয়াও স্বাভাবিক। আর লোকমুখে সেটি পল্লবিত হয়েছিল। রাজবাড়ির মুচমুচে কুৎসা হিসেবে, ছোটরানির প্রেম। দক্ষিণারঞ্জন ধোয়া তুলসীপাতা ছিলেন না। আবার একজন জঘন্য চরিত্রহীন মানুষও নন। তাঁর শরীরেও বনেদি রাজরক্ত। এই টমাস সাহেব দক্ষিণারঞ্জনের। এই পর্বটিকে যেভাবে চিত্রিত করেছেন তার মধ্যে সত্যের চেয়ে মিথ্যাই বেশি। তিনি একটি সুযোগ নিয়ে সম্পূর্ণ বাজারে কাহিনি পরিবেশন করে গেছেন। সেই কাহিনিটির অনুবাদ এইরকম: মহারানি বসন্তকুমারী অতি অল্প বয়সে বিধবা ও লিতচরিত্র হন,তাঁহার দেওয়ান দক্ষিণারঞ্জনের সহিত অবৈধ প্রেমে আবদ্ধ হন এবং একদিন সুযোগ পাইয়া তাঁহার সহিত রাজবাড়ি ত্যাগ করেন। কিন্তু পথিমধ্যে রাজানুচরগণ কর্তৃক ধৃত হইয়া পুনরায় রাজপ্রাসাদে আনীত হন। কিছুকাল পরে মহারানি তাঁহার বিষয়সংক্রান্ত কোনও মোকদ্দমার জন্য কলিকাতায় আগমন করেন এবং দক্ষিণারঞ্জনের সহিত মহারানি বসন্তকুমারীর তথাকথিত বিবাহ হয়। মহারানি বসন্তকুমারী তাঁহার মৃত্যুকাল পর্যন্ত দক্ষিণারঞ্জনের সহিত সহধর্মিণীর ন্যায় বাস করিয়াছিলেন। দক্ষিণারঞ্জনের অসৎ চরিত্রের জন্য তাঁহার সতীর্থগণ তাঁহার সংস্রব পরিত্যাগ করিয়াছিলেন।

    ইম্পিরিয়্যাল লাইব্রেরির ভূতপূর্ব সুপারিন্টেন্ডেন্ট ইলিয়ট ওয়াল্টার ম্যাজও এডওয়ার্ডসের বই অবলম্বন করে লিখলেন, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায় যখন দেওয়ান ছিলেন সেইসময় যুবতী বিধবা রানির অনুগ্রহভাজন হন এবং অবশেষে তাঁহাকে লইয়া পলায়ন করেন। রাজবাটি হইতে প্রেরিত কয়েকজন অশ্বারোহী পলাতক দম্পতির পশ্চাদ্ধাবন করে এবং পথিমধ্যে দক্ষিণারঞ্জনকে গ্রেপ্তার করিয়া গুরু প্রহারে জর্জরিত করিতে আরম্ভ করে, তাহারা বোধহয় তাঁহাকে হত্যা করিত কিন্তু ঘটনাক্রমে এইসময় তিনজন ইউরোপীয় ধর্মপ্রচারক ডাকগাড়িতে কলিকাতা হইতে অন্যত্র যাইতে ছিলেন, ইঁহারা ভয় প্রদর্শন করাতে অশ্বারোহীরা দক্ষিণারঞ্জনকে ছাড়িয়ে দেয় এবং রানিকে লইয়া রাজবাড়িতে প্রত্যাবৃত্ত হয়। কিন্তু অনতিকাল পরে কোনও মোকদ্দমার জন্য রানি কলিকাতায় আগমন করেন এবং দক্ষিণারঞ্জনের সহিত মিলিত হন। যেরূপ প্যারিনগরে নেপোলিয়ান পোপ সপ্তম পায়াসকে তাঁহার অভিষেকক্রিয়া করিতে বাধ্য করিয়াছিলেন সেইরূপ হিন্দু আচারানুসারে বিধবা রানির বিবাহ অসম্ভব হইলেও দক্ষিণারঞ্জন তাঁহার এক বেতনভোগী ব্রাহ্মণের দ্বারা রানির সহিত বিবাহিত হইয়াছিলেন।

    দক্ষিণারঞ্জনের জীবনীকার মন্মথনাথ ঘোষ এই দুটি বিবরণই অস্বীকার করেছেন। প্রকৃত ঘটনাকে বিকৃত করা হয়েছে। এডওয়ার্ডস লোকটি বিশেষ সুবিধের ছিলেন না। তিনি যত বড় ঐতিহাসিক তার চেয়ে বেশি মিথ্যাবাদী। যে-কোনও প্রতিষ্ঠিত মানুষ সম্পর্কে কুৎসা রটনা করে বাজার গরম করতে ভালোবাসতেন। দক্ষিণারঞ্জন যখন লখনউতে ছিলেন তখন এই এডওয়ার্ডস তাঁর এবং অন্য আর একজন কমিশনারের নামে যাচ্ছেতাই অপপ্রচার করেছিলেন। দক্ষিণারঞ্জন তখন এডওয়ার্ডসকে তিরস্কার করে উপযুক্ত শাস্তি পাইয়ে লখনউ ছাড়তে বাধ্য করেছিলেন। সেই রাগ তিনি এই সুযোগে উগরে দিলেন। দ্বিতীয় কথা, কোন ভিত্তিতে তিনি দক্ষিণারঞ্জন সম্পর্কে যা তা লিখলেন তার কোনও উল্লেখ করতে পারেননি। একটি কথাতেই সেরে দিয়েছেন–জনশ্রুতি। বাঙালির স্বভাবই হল পরনিন্দা। যে-কোনও সামান্য ঘটনাকে পল্লবিত করে এমন পর্যায়ে পৌঁছে দেয় যখন তা আর প্রকৃত ইতিহাস না। হয়ে সুস্বাদু উপন্যাস হয়ে দাঁড়ায়। এডওয়ার্ডসের বর্ণনা পড়লেই বোঝা যায়, পুরোটাই তাঁর ইচ্ছাকল্পিত। দক্ষিণারঞ্জন যে কত বড় মানুষ, কত ভালো ভালো কাজ করেছেন তার কোনও উল্লেখ নেই। রানি বসন্তকুমারীর সঙ্গে তাঁর ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু দক্ষিণারঞ্জন একজন লম্পট এমন কথা তো ইতিহাস স্বীকার করবে না। একের পর এক মিথ্যা কথা বলেছেন। প্রথম, দক্ষিণারঞ্জন কখনও বর্ধমান রাজের দেওয়ান ছিলেন না। এডওয়ার্ডসের বইটি প্রকাশিত হয় ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে। তিনি লিখছেন, মহারানি বসন্তকুমারীর মৃত্যুকাল পর্যন্ত তিনি ও দক্ষিণারঞ্জন স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় বাস করিতেন। ঐতিহাসিক এডওয়ার্ডস খবরই রাখতেন না, কে আগে মারা গেছেন। দক্ষিণারঞ্জনের মৃত্যুর পর রানি বসন্তকুমারী ১৫/১৬ বছর জীবিত ছিলেন। সেই সময় দক্ষিণারঞ্জনের সতীর্থদের সঙ্গে তাঁর অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিল। দক্ষিণারঞ্জনের একজন বাল্যবন্ধুই তাঁর সংস্রব ত্যাগ করেছিলেন। তিনি কে তা সহজেই অনুমান করা যায়। সেই আচার্য কৃষ্ণমোহন। বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণারঞ্জন অল্পবয়সেই উত্তরাধিকার সূত্রে প্রচুর সম্পত্তি লাভ করেছিলেন। বিদ্যায় ও বুদ্ধিতে তাঁর বিখ্যাত সতীর্থদের চেয়ে কোনও অংশে কম ছিলেন না। ডেভিড হেয়ার, ডিরোজিও ও ডক্টর ডফ তাঁকে অসম্ভব ভালোবাসতেন। কৃষ্ণমোহনের এইটাই হয়েছিল গাত্রদাহ। এডওয়ার্ডস তাঁর গ্রন্থের ভূমিকায় যে স্বীকারোক্তি করেছেন সেইটিই তাঁর বিরুদ্ধে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। তিনি লিখছেন, I have to acknowledge with many thanks, the very kind manner in which I have been aided in this bit of work by the revd Krishna Mohun Banerjea, L.L. D. & C. & C.93 স্বীকারোক্তিটি দেখে দক্ষিণারঞ্জনের প্রকৃত বন্ধুরা বুঝতেই পেরেছিলেন কৃষ্ণমোহন পণ্ডিত ও জ্ঞানী ব্যক্তি হলেও অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ। দক্ষিণারঞ্জন ছিলেন তাঁর বিপদের বন্ধু ও আশ্রয়দাতা। সে কথা তিনি মনে রাখেননি। এর পরেও এডওয়ার্ডসের আর একটি উক্তি। তিনি লিখেছেন, দক্ষিণারঞ্জনের সঙ্গে পরিচয়ের আগেই রানির চরিত্র লন হয়েছিল। অসাধারণ সিদ্ধান্ত। রাজ অন্তঃপুরের অসূর্যম্পশ্যা। তিনি ঐতিহাসিক এডওয়ার্ডদের কৃপায় চরিত্রহীনা হলেন। ইচ্ছে। করলে মহারানি মানহানির মামলাও করতে পারতেন। কিন্তু উপায় ছিল না।

    জীবনীকার মন্মথবাবু সমস্ত অনুসন্ধান করে প্রকৃত যা ঘটেছিল তার একটি বিবরণ রেখে। গেছেন। দক্ষিণারঞ্জন কখনও বর্ধমান রাজের দেওয়ান ছিলেন না। বসন্ত পঞ্চমীতে বর্ধমানে তখন মহাউৎসব হইত এবং এখনও হইয়া থাকে। এইরূপ এক উৎসবে নিমন্ত্রিত হইয়া দক্ষিণারঞ্জন বর্ধমানে গমন করেন এবং কিছুকাল তথায় অবস্থিতি করেন। এরপরে যা লিখছেন তা সঞ্জীবচন্দ্রের লেখারই উদ্ধৃতি। পুনরুল্লেখের প্রয়োজন নেই। পরবর্তী অংশটি উল্লেখ করতেই হয় প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য। এখানেও বিশেষ কয়েকটি দিক পরপর তুলে। ধরলেই হবে। যেমন–১) তেজচন্দ্রবসন্তকুমারীর নামে কিছু সম্পত্তি রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিষয়ের উপস্বত্ব তিনি ভোগ করতে পাননি। ২) মহারানি কমলকুমারী তখন রাজপরিবারের সর্বময়ী কত্রী। ৩) তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন কুচক্রী ভ্রাতা। ৪) দক্ষিণারঞ্জন। সদর আদালতের উঁকিল। তিনি রাজ অতিথি। ৫) মহারানি বসন্তকুমারী গোপনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেন। উদ্দেশ্য বিষয়ের অধিকার অর্জনের উপায় বের করা। ৬) স্থির হল মহারানি বসন্তকুমারী কলকাতায় যাবেন, বিষয়ের জন্য সদর আদালতে আবেদন করবেন। ৭) বসন্তকুমারী জানতেন, কমলকুমারীর অনুমতি নিয়ে বর্ধমান ত্যাগ করা সম্ভব নয়। ৮) দক্ষিণারঞ্জনের সঙ্গে পরামর্শ করে স্থির হল বসন্তকুমারী গোপনে দুজন বিশ্বস্ত দাসী ও একজন পুরুষ আত্মীয়কে নিয়ে বর্ধমান ত্যাগ করবেন। দক্ষিণারঞ্জনও মহারানির অনুগমন করবেন।

    মহারানি বসন্তকুমারী দক্ষিণারঞ্জনের মধ্যে এক বিশ্বস্ত বন্ধুকে খুঁজে পেয়েছিলেন। রাজপরিবারে যাঁদের তিনি দেখেছিলেন তাঁরা কেউই যথেষ্ট শিক্ষিত ও উদার মানুষ ছিলেন না। বিষয়ই ছিল তাঁদের বিষয়। জমিদারি, খাজনা, লাঠালাঠি, মামলা-মোকদ্দমা এবং ভোগ। ইন্দ্রিয় বুদ্ধি প্রবল। সমাজ সংস্কার, দিঘি খনন, ফুলবাগান তৈরি, মন্দির প্রতিষ্ঠা–এইসব হল সামাজিক প্রতিপত্তি লাভের উপায়। ইংরেজ তত তাদের শাসন ক্ষমতায় স্থান দেবে না। তাই এইভাবে নিজেদের জন্য সম্মানের ব্যবস্থা করা। রাজপরিবারে পুরুষের চেয়ে নানা বয়সের মহিলার সংখ্যাই বেশি। বসন্তকুমারীর পিতা একেবারেই সুবিধের মানুষ ছিলেন না। জাল প্রতাপচাঁদ মামলার সূত্র ধরে তাঁর বদনাম সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। বসন্তকুমারী এক ক্যাপটিভ লেডি। অতি অসহায়। বালিকা থেকে যখন যুবতী হলেন তখন স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মধ্যে ভালোবাসা এল। দীর্ঘদেহী সুস্থ, সুন্দর এক রমণী। তিনি ভালোবাসতে চান এমন কোনও মানুষকে যাঁর মধ্যে প্রেম আছে, দায়িত্ববোধ আছে। শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান, উচ্চবংশীয়। কারণ তাঁর মধ্যে আভিজাত্য ছিল। দক্ষিণারঞ্জন ঈশ্বরপ্রেরিত, ডিরোজিওর প্রিয় ছাত্র। ধর্মবিশ্বাসী, উদার। সমাজসংস্কারক, শিক্ষার প্রসার বিশেষত স্ত্রী শিক্ষা ও স্বাধীনতার যাজ্ঞিক। বসন্তকুমারী যেন একটি দুর্গের আশ্রয় পেলেন। এখন প্রয়োজন রাজকারাগার থেকে মুক্তি। তিনি হয়তো পলাতকা, কিন্তু এমন নয় যে দক্ষিণারঞ্জন মধ্যযুগীয় কোনও ডন। জুয়ানের মতো তাঁকে অপহরণ করতে চেয়েছিলেন। বসন্তকুমারী একবারও বলেননি, আমি তোমাকে ভালোবাসছি বলেই রাতের অন্ধকারে পালাতে চাইছি। তাঁর প্রথম উদ্দেশ্য ছিল। চক্রান্তকারীদের হাত থেকে নিজের যোগ্য প্রাপ্যটুকু বুঝে নেওয়া। প্রথমবারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। দক্ষিণারঞ্জন কলকাতায় ফিরে গেলেন, এই আশ্বাস দিয়ে মামলা করব এবং তোমার প্রাপ্য আদায় করে দেব। এই তুমি কোনও সাধারণ মক্কেল নয়। সুন্দরী, স্বাধীনচেতা এক রমণী। বসন্তকুমারী যেমন এক নায়ককে দেখলেন, নায়কও দেখলেন এক সুযোগ্য নায়িকাকে। কর্মতৎপর এক মানুষ। সারা ভারত তাঁর কর্মক্ষেত্র। সুবক্তা, সুলেখক, সর্বোপরি সমাজদরদি এক মানুষ।

    দক্ষিণারঞ্জন কলকাতায় ফিরেই একটি মামলা দায়ের করলেন মহারানির হয়ে। সদর আদালত থেকে একটি আদেশনামা বের করলেন। যাতে বসন্তকুমারী বিনা বাধায় কলকাতায় এসে তাঁর মামলা পরিচালনা করতে পারেন। এই আদেশবলে বসন্তকুমারী রাজপরিবারের সমস্তরকমের অসভ্যতা পাশ কাটিয়ে কোনওরকম বাধা ছাড়াই কলকাতায় এলেন। দক্ষিণারঞ্জন তাঁর উঁকিল। বসন্তকুমারী তাঁর ক্লায়েন্ট। দক্ষিণারঞ্জনের সহানুভূতি ও সমবেদনা, মহারানির গভীর বিশ্বাস ও কৃতজ্ঞতা। দুটি নদীর দুটি ধারা মিলিত হয়ে তৈরি হল একটি সংগম। কোনওরকম দেরি না করে তাঁরা এই আলগা সম্পর্ককে একটি স্থায়ী মর্যাদা দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহী হলেন। সিদ্ধান্তটি সেকালের প্রেক্ষিতে ভয়ঙ্কর রকমের সাহসী এক ব্রাহ্মণ পুরোহিতকে আহ্বান করে হিন্দুমতে দুজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। দক্ষিণারঞ্জন আইন জানতেন, নিজের সমাজকে চিনতেন। এই অনুষ্ঠান যে যথেষ্ঠ আইনসিদ্ধ নয় তাও তিনি জানতেন। কারণ হিন্দু সমাজে অসবর্ণ বিধবাবিবাহ অসিদ্ধ। দক্ষিণারঞ্জন কলকাতার তদানীন্তন পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ বার্চকে সাক্ষী রেখে সিভিল ম্যারেজ করলেন। অর্থাৎ রেজিস্ট্রি হল। এই বিবাহ সম্পর্কে স্বয়ং রাজনারায়ণ বসু লিখছেন, দক্ষিণারঞ্জন বলিতেন যে, তিনি যেমন ধর্মসংস্কারক তেমনি সমাজসংস্কারক। রানি বসন্তকুমারীকে বর্ধমান হইতে কলিকাতায় আনিয়া কলিকাতার পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট বার্চ সাহেবের সম্মুখে Civil Marriage নামক বিবাহ করেন। ভাস্কর সম্পাদক গুড়গুড়ে পণ্ডিত তাহার সাক্ষী থাকেন। গুড়গুড়ে পরিতের প্রকৃত নাম গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য। লক্ষ্ণৌ অবস্থিতিকালে তিনি (দক্ষিণাবাবু) একদিন আমাকে বলিলেন যে তিনি বিধবাবিবাহ, অসবর্ণ বিবাহ ও সিভিল বিবাহ এককালে করিয়াছেন। তাঁহার ন্যায় সমাজসংস্কারক আর কে আছে? দক্ষিণারঞ্জন ব্রাহ্মণের সহিত ক্ষত্রিয় কন্যার বিবাহ ও বিধবাবিবাহ সম্পূর্ণরূপে হিন্দুশাস্ত্রানুমোদিত জ্ঞান করিতেন। আমি যখন লক্ষৌ-এ ছিলাম তাঁহার পূর্বে তাঁহার পুত্রবিয়োগ হইয়াছিল, কেবল পৌত্র বিদ্যমান ছিল। তিনি উইল না করিলেও এই পৌত্রের বিষয় পাওয়ার প্রতি তাঁহার কিছুমাত্র সন্দেহ ছিল না।

    গুড়গুড়ে পণ্ডিত, ডাঃ ডি গুপ্ত এবং দক্ষিণারঞ্জনের আরও কয়েকজন বন্ধুর স্বাক্ষরযুক্ত বিবাহ সম্বন্ধীয় দলিলটি মহারানি বসন্তকুমারী তাঁর মৃত্যুকাল পর্যন্ত সযত্নে রক্ষা করেছিলেন। মহারানি ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের কোনও একসময়ে পরলোকগমন করেন। দক্ষিণারঞ্জনের জীবনীকার লিখছেন, রাজনারায়ণ বসুর মতো মানুষ যখন এই কথা লিখছেন তখন ওই কটা সাহেবের কুৎসাপূর্ণ বর্ণনার যে-কোনও ভিত্তি নেই, শুধুমাত্র চরিত্র হননের উদ্দেশ্যেই করা তা সাব্যস্ত হল। দুজনেই বড় সুখে দিন কাটিয়েছিলেন একথা ভাবতেও ভালো লাগে। এই প্রসঙ্গে আর একটি কথা বলা দরকার, বিবাহের পর আদালতে রানির মোকদ্দমাটিও আপসে নিষ্পত্তি হল। কলকাতার কয়েকজন বিখ্যাত ব্যক্তি যেমন মতিলাল শীল, রমাপ্রসাদ রায় এবং আরও কয়েকজন মধ্যস্থতা করে দুটি ব্যবস্থা আদায় করে দিলেন–দক্ষিণারঞ্জনের বিবাহিত স্ত্রী মহারানি বসন্তকুমারী তাঁর সঙ্গে বাস করবেন। আর মহারানি তাঁর বিষয়ের উপস্বত্ব স্বরূপ বর্ধমান রাজকোষ থেকে আজীবন পাঁচশত টাকা মাসিক বৃত্তি পাবেন। বসন্তকুমারী মৃত্যুকাল পর্যন্ত এই মাসোহারা পেয়েছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }