Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ

    মিনা ফারাহ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. কালসাপ

    রূপালি,

    ভালো আছিস আশা করছি। আমিও আছি। আমাদের তো ভালো থাকতেই হয়। নয় কী? নইলে জগৎ সংসারের এই ঘানি টানবে কে? সেদিন জানতে চেয়েছিলি রাজ আর আমার ব্যাপারে। জিজ্ঞেস করেছিলি, এসব কি শুনছি! তোদের নাকি ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে! তুই-ই বল, জীবনের মতো সূক্ষ্ম এতো গুরুত্ববহ ব্যাপারগুলোর উত্তর কি এত দ্রুত কোনও চাইনিজে বা কোনও ক্যাফেতে বসে চা খেতে খেতে দেয়া যায়? যায় না রে! রাগ করিস না, সেদিন তোর প্রশ্নের জবাব দিইনি বলে। বিচ্ছেদ, কখনোই সুখের নয়। তুই দেশে এসেছিলি বহু বছর পরে। তাই সেদিন আমার বিচ্ছেদের কথা বলে, তোকে বিষণ্ণ করতে চাইনি। তুই তো জানিস আমার এমন কোনও কথা নেই যা তোকে আমি বলতে পারি না।

    তোকে যা বলতে পারি, শুধু তোকেই পারি। অপেক্ষা ছিল সময়ের। সময়টা ঠিকঠাক না হওয়া অবধি, লিখতে বসতে পারিনি। যা বলার, গুছিয়ে, আজ মনে হলো এই সাত সকালের বৃষ্টি ঝরা বিষণ্ণ আকাশের দিকে চেয়ে, হ্যাঁ! আজই লেখার সময়।

    সময়, মন আর জীবন। এই তিনটে শব্দ গত দু’বছরে আমাকে সম্পূর্ণ নড়িয়ে দিয়েছে। আমার ভালো-মন্দ, দুঃখ-সুখ, ঘটনা-দুর্ঘটনা তিনরঙা ত্রিবেণীর জলের মতো সময়-মন আর জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে, বিচিত্র এক রঙ ধারণ করেছে, যেখানে আমি, রাজ এবং অসীম অনবরত একই আবর্তে পাক খেয়ে চলেছি।

    রাজীবের সঙ্গে আমার সম্পর্ক এখন কতটা মন্দ তার চেয়ে বড়, রাজের সঙ্গে আমার অতীতের সুন্দর দিনগুলো। রাজের মতো স্বামী দুর্লভ। ওর থেকে আমি কি পাইনি? তা সত্ত্বেও, পরবর্তী সময়ে একটা প্রশ্ন এসে উপস্থিত হলো। প্রশ্নটা হলো সময়ের সঙ্গে মানুষের মনের পরিবর্তন। আমি বিশ্বাস করি সময় মানুষের জীবনকে ধারণ করে। মানুষ, সময়কে ধারণ করে না। কিন্তু প্রথাভিত্তিক অধিকাংশ মানুষই ভাবে তার উল্টো। ফলে আমরা পিছলে পড়ি না শুধু, পিছিয়েও পড়ি। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমারও মধ্যে যে পরিবর্তন এসেছে তাকে আমি একেবারেই অস্বীকার করিনি। এবং করিনি বলেই, সেদিনের সেই আমি, আর আজকের এই আমি, এক নই। আমি সময়ের পরিবর্তনে বিশ্বাসী। এবং রাজের সঙ্গে শুধু নয়, পৃথিবীর সব প্রথাভিত্তিক মানুষের সঙ্গে আমার মূল ক্রাইসিস, এখানেই।

    আমি এই সমস্যার নাম দিয়েছি, সময়ের কালসাপ। যা সময়ের ব্যবধানে অনেক রকম খেলা দেখায়। কেউ কেউ তা বোঝে, অধিকাংশই বোঝে না। আমার মধ্যে এক শিল্পীর সম্ভাবনা যা এত কাল সুপ্তই ছিল, অনিলের সঙ্গে পরিচয়ের পর তা প্রথম আবিষ্কার করলাম। এক অন্য আমি। যেন নিজেকে দেখে নিজেই চমকে উঠি। ভাবি একি সত্যিই আমি! নাকি আমার প্রেতাত্মা। জীবনে এরকম অনেক আচমকা ঘটনা ঘটে যায়। তবে আমরা তা চিনতে ভুল করি। রাজ আমার এই হঠাৎ পরিবর্তনে চমকে ওঠে। আমার সঙ্গে ওর একান্ত পৃথিবীতে অনিলের উপস্থিতি ওকে ঈর্ষান্বিত করে তোলে। এবং রাজের এই চমকে ওঠাই স্বাভাবিক। এটা ওর দম্ভের রাজত্বে কুঠারাঘাত। আমাকে নিয়ে ওর একার রাজত্ব। একচ্ছত্র। কিন্তু তা সত্ত্বেও, প্রশ্ন থেকে যায়। প্রশ্ন, রাজের মধ্যে কেন এই সঙ্কীর্ণতা? ওতো আমার সঙ্গেই কাটিয়েছে, জীবনের অনেকটা সময়। তাহলে কেন এই, প্রথার বাড়াবাড়ি! এখন বুঝি সব মানুষের বোধ এবং ধারণ ক্ষমতা এক নয়। যদি হতো তাহলে সংসারে কেন এত বিচ্ছেদ, এই শান্তি হীনতা!

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    নতুন উপন্যাস
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বই

     

    রাজ একাধারে আমার জীবনে অনিলের উপস্থিতি এবং আমার সৃজনশীলতা দুটোকেই প্রত্যাখ্যান করলো। সেজন্যে দায়ী, রাজ। সেজন্যেই আমি আর অনিল আজ এক সমান্তরালে দাঁড়িয়ে। অনিল আর আমার একমাত্র ভাষা, এবং আমাদের একটি মাত্র ভাষা এবং তাহলো, শিল্প।

    অনিলের স্ত্রী অপর্ণা, পক্ষাঘাতে অসুস্থ। ভীষণ খিটখিটে, দজ্জাল এক মহিলা। দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় অনিলের জীবনটাকে সে এক আস্ত নরকে পরিণত করেছে। কিন্তু অসুস্থ বলে ইচ্ছে সত্ত্বেও ওর প্রতি কোনওরকম অমানবিকতাও অনিল দেখাতে পারে না। অপর্ণা বিশ্বাস করে অনিল ভুল পথে চলেছে। তাকে সে দেখতে চায় গৃহস্থ স্বামীর চরিত্রে। অপর্ণার সঙ্গে যন্ত্রণার জীবন অনিলের বৌদ্ধিক যন্ত্রণাকে তীব্র করেছে বলেই সে এতদিন উল্লেখযোগ্য কোনও কাজ করতে পারেনি। সুতরাং একথাই কি সত্য নয় যে সংসার সবার জন্যে নয়? তাহলে একথাই কি সত্য নয় যে সৃষ্টিশীল মানুষদের সংসারে জড়াতে নেই! কারণ সংসার, সময়কে ধরতে দেয় না। বুঝতেও দেয় না। সময়, দিনের আলো পরিবর্তনের মতো এসে মিলিয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সংসার শুধু বৃদ্ধি পায়। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা ওসব স্বীকার করতে শিখিনি। তার কারণ, সংসার যা তার নিজের সময় অনুযায়ী জীবনের সঠিক সময়কে ফেলে চলে যায়। সমুদ্রে জোয়ার আর তার তরঙ্গ যেমন, নির্ভর করে আকাশের চন্দ্র সূর্যের ক্ষণের ওপর, জীবনের তরঙ্গ তেমন নির্ভর করে, সময়ের জোয়ারের ওপর। সময়, দেয়। সময়, নেয়ও। সময় যেমন মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। তেমনি সবচেয়ে বড় অভিশাপও। সবচেয়ে বেশি সুন্দর, সর্বাধিক নরকও।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সাহিত্য
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    পারিবারিক জীবন বলে একটা কথা আছে। একটা নির্দিষ্ট সময়ে এই জীবনেরও একটা প্রয়োজন রয়েছে। এই সময়টুকুতে ওরা যৌথভাবে সৃষ্টি করে, সংসার এবং সন্তান। একসঙ্গে তারা উপভোগ করে তাদের এই সৃষ্টিকে। একসঙ্গে এই হেঁটে যাওয়ার সময়টা বড়জোর জীবনের পনেরো থেকে কুড়ি বছর, তবে অজস্র ফুল আর কাঁটা বিছানো পথ ধরে। যখন তাদের সন্তান-সন্ততিরা বড় হয়। তখন তাদের কিছু সামাজিকতা পালন করতে হয়। তখন তাদেরকে একে অপরের পরিপূরক স্বামী-স্ত্রী হতে হয়। তবে এখানে কিছু প্রথার নষ্টামো, কিছু ভণ্ডামো, কিছু-অতিরঞ্জিত ব্যাপার স্যাপারও থাকতে পারে, থাকবেও। বিয়ের প্রথম কুড়ি বছর পরেও গৃহস্থ প্রথাগত মানুষের বিশ্বাস করতে থাকে যে, আগামী কুড়ি বছরও একই সমতলে থাকবে। মানুষ যে বদলে যেতে পারে একথা তারা বুঝতেই চায় না। প্রকৃত সমস্যা এখানেই। বার্ধক্যে তার কৈশোর, থাকবে কি করে? আর ভরা বার্ধক্যে, যৌবন? সেও ভাবলো সাধারণ সবাই যা ভাবে।

    তারপরেও সংসারী মানুষগুলো কি সুখে আছে? দিনরাত তাদের হা-পিত্যেশের কি শেষ আছে? এই হলো না, সেই হলো না। এ অসুখ, সে অসুখ। টাকা নেই–দুঃখ আছে। সুখ নেই, টাকা আছে। কত রকমভাবে মানুষ যে সংসারে অসুখী, তার কি কোনও শেষ আছে! সংসারে অসুখী মানুষের যেমন শেষ নেই, তেমনই শেষ নেই তাদের চাহিদার। চাহিদা আর অসুখী মানুষেরা পাশাপাশি হাঁটে।

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বুক
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    শুধু চেয়ে চেয়েই এরা গরিব হয়। এবং এই চাওয়ার সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে এরা শত পেলেও যা পায়নি তারই খোঁজে আজীবন ভাসতে থাকে। কূল দেখা যায়। কিনারা দেখা যায়। তবু অসুখী মানুষেরা কূল-কিনারা পাওয়ার সুখ না নিয়ে, দুঃখ পেতে অকূলে ফিরে ফিরে আসে। ওদের চাওয়া, ওদের অসুখীপনার কোনও শেষ নেই। যেমন ছিল না রাজের। ওকে আমি সংসার দিয়েছি–সন্তান দিয়েছি। সামাজিকতা দিয়েছি, কুড়ি বছর একটানা। কিন্তু ওর মনে তবুও সুখ হলো না। যা দিয়েছি তা নয়। যা দিইনি বা দিতে পারিনি তার জন্য সারাক্ষণ সে অসুখী। অথচ যা আছে যতটুকু আছে তা কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় প্রচুর। তারপরেও যা নেই, সেটুকুর জন্যেই–ওর কাঙালপনা। সংসার থেকে আমার কিছুটা বিরতি ওকে করে তুলেছে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পৃথিবীর সবকিছুই আপেক্ষিক। সবকিছুই অস্থায়ী। রাজ আর আমার সম্পর্ক হয়ে গেল স্থায়ী থেকে অস্থায়ী। আমার বাবা-মায়ের সম্পর্ক ছিল স্থায়ী। কিন্তু বাবা যেদিন মাকে ছেড়ে চলে গেল, সেদিন ওদের সম্পর্কটা হয়ে গেল অস্থায়ী। বাবাকে হারিয়ে মা একা হলো। ছেলেমেয়েরা তখন কেউ কাছে নেই। মাকে এভাবে দেখে মনে হলো মানুষ কত অসহায়! বিয়ের মাধ্যমে মেয়েরা সংসার গড়ে তোলে, সন্তান সৃষ্টি করে, বহুজনকে ঘিরে যে রকম গড়ে ওঠে সে তেমনি, তাকে ঘিরে গড়ে ওঠে বহুজন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে, সেই মানুষই, যেমন আমার মা, আবার একা হয়ে ফিরে যায়, কুমারী জীবনের একাকিত্বে। যখন বাবা ছিল না। আমরা ছিলাম। যখন সংসার ছিল না। সময় বৃত্তাকারে ঘোরে। তাহলে বল, কেন এই দুঃখ পাওয়া! চলে তো একজন যাবেই প্রথমে। হয় রাজীব! না হয়, আমি! যদি সঙ্গেই না গেলাম, তবে সাময়িক এই হারানোর জন্য কেন এই দুঃখ পাওয়া!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গল্প
    বাংলা লাইব্রেরী
    গ্রন্থাগার

     

    জীবন যখন সাময়িক, তাহলে দুয়ে দুয়ে মিলে যদি চার হয়, দুয়ে দুয়ে বিয়োগ দিলে তো শূন্যও হয়। সংসারে দুয়ে দুয়ে কেন সবসময় যোগ দিতে হবে। যদি মেলাতেই হয় তাহলে দুয়ে দুয়ে বিয়োগ দিলেও তো মিলে যায়। অধিকাংশ মানুষ দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে সুখী। এবং এই চার যখন মিলে যায় তখন চাহিদা আরো বেড়ে যায়। কোটিপতি দাশবাবুর তেতলা প্রাসাদের আঙিনায় এখন গরু ঘাস খায়। মিত্র বাড়িতে আলোর বদলে আলেয়া জ্বলে। চৌধুরী বাড়িটা এখন মদ্যপদের স্বর্গ। তাহলে এত কিছু করে শেষ পর্যন্ত কি হলো! ‘চার’ না ‘শূন্য’। আমি তো দেখি শুধু শূন্যতা। সংসারে শূন্য মেলানো খুব সহজ! এবং তাতে শান্তি আসে। তা, না বুঝলো অনিল না বুঝলে রাজ। না বুঝেছিল আমার বাবা। মারা যাওয়ার মাত্র দু’বছর আগে মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন অন্য নারীর কাছে ‘৪’ মেলাতে। কিন্তু ‘৪’ তো আর মেলেইনি বরং উল্টো ‘শূন্য’ ঘরে এসে, মাকে হারিয়ে এক মহা শূন্যতায় নিমজ্জিত বাবা, অবশেষে গলায় কলস বেঁধে গাঙিনার জলে ডুবে মরে যায়।

    রূপালি তোকে আমি বোঝাতে পারবো না যে সমমনা সঙ্গী না হলে বিয়েটা কতবড় ব্যর্থতা! সমমনা না হলে প্রেম জাগে না। আর প্রেম না জাগলে শরীর জাগে না। অন্ধত্ব যে কারণে কষ্ট পাচ্ছে রাজ, পাচ্ছে অনিলের স্ত্রী। রাজের কষ্ট আমি বুঝি। দোষ রাজের নয়, দোষ আমারও নয়। দোষ, সময়ের। আসলে কি জানিস, সৃষ্টিশীল মানুষের সংসারে জড়াতে নেই। এই অনন্য মানুষগুলোর জন্যে সংসার একটি ভুল চৌরাস্তার মোড় যেখানে এসে সে কষ্ট দেয় নিজেকে, তার চারপাশের মানুষদেরকে। কুলিয়ে উঠতে না পেরে কত প্রতিভাই তো নষ্ট হয়ে গ্যাছে! কত সৃষ্টিই তো বৃথায় পর্যবসিত হয়েছে। ঘুম থেকে উঠে একজন অনন্য মানুষকে যখন অন্য দশটা মানুষের। অন্ন জোগানোর জন্য কাজে যেতে হয় তখনই সেই মানুষটির সর্বনাশের আর বাকি থাকে কি? তার প্রয়োজন নিরঙ্কুশ-অব্যাহত সময় এবং মন। দাম্পত্যে, গৃহস্থে পেলেও তা যথেষ্ট নয়।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বই পড়ুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    Library
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা উপন্যাস
    নতুন উপন্যাস

     

    যাই হোক, একটা সময় ছিল প্রথম যৌবনে, যখন ভাবাবেগ স্থান পেয়েছিল সবার ঊর্ধ্বে। সময়োচিত তখন তার সবটুকু করেছি। আমি আজ আমার নিজের জন্যে সময় ব্যয় করতে চাই। সেখানেই বিরোধ এবং সেজন্যেই আমাদের জীবনের মোড় ঘোরানোর সিদ্ধান্ত। কারণ আমি গতানুগতিক মেয়েদের মতো হতে পারি না, ভাবতে পারি না, চাইও না। যেমন আমি কিছুতেই বুঝতে পারি না আমাদের মেয়েদের সময়। অপচয়ের মাত্রা! শিক্ষিত মাস্টার্স ডিগ্রি পাস মেয়েগুলো যখন কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় শাড়ি-গয়না-রান্না-সিনেমা-রেস্টুরেন্ট-ফ্যাশনের। মতো আষাঢ়ে সব গল্পে মেতে ওঠে। নিজের সব সময়গুলোকে অপচয় করে সন্তানের জন্য। আর যখন এই মেয়েগুলো স্কুল থেকে ঘরে ফিরে সংসারের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তখন শিক্ষিত মেয়েদের পুরুষগুলো সব অফিস করছে। তখন আমার মনে প্রশ্ন জাগে-কেন ওদের সন্তান হয়? কেন সংসার হয়? মনে হয়, মরে যাক সেই ‘জরায়ু’। চুলোয় যাক ওদের ‘চুলো’। আবার ভাবি, ওরা তো নির্বোধ! কিন্তু নির্বোধই যদি হবে। তবে, ভার্সিটি পাস ওরা করলো কি করে! জানিস, আমি সত্যিই বিভ্রান্ত!

    মৃত্যুকেও কৌশলে ফেরানো যায়, সময়কে নয়। সময় ক্ষমাহীন এবং নিষ্ঠুর। যারা পরিবর্তন বুঝতে পারে, পেরে তাকে স্বাগত জানায় বৌদ্ধিক অর্থে তারা জীবিত। বাকিরা, মৃত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ই-বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    আমি এই মৃতদের দলে থাকবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যা শুনেছিস ঠিকই শুনেছিস। মনে রাখিস জীবন একটি সাময়িক পত্রিকার মতো। যতক্ষণ ছাপা হরফে চোখের সামনে থাকে, মানুষ পড়ে এবং যতক্ষণ চোখের সামনে থাকে, মনে রাখে। ভাঙা-গড়ার জোয়ারে জীবনের এই সাময়িক যাত্রাও ঠিক তাই। এতকাল তো কেবল গড়েইছি। না হয় এবার ভাঙলাম! দেখি না কি হয়। ভাঙায় যদি কিছু মেলে। শূন্য না হলে পূর্ণ হবো কি করে। জায়গা লাগবে তো! জীবন বৈচিত্র্য চায়। জীবন–সুধা চায়। মাধুরী–স্বর্ণলতা, চায়। জীবন, এমনি করে করেই তার বৈচিত্র্য, খুঁজে পায়। তার প্রকৃত ঠিকানা খুঁজে পায়। সন্ধান পায় সত্যের। যে সত্যের জন্যে তার জন্ম। সময় খুঁজে পায় তার পরিবর্তনের গতি, আরেক ধাপ বিবর্তনের। মধ্য বয়সে, যৌবন আর বার্ধক্যের সন্ধিক্ষণে এখন আমি এই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলেছি। আশা করি তোর উত্তর মিলবে।

    আদরের, তোরই মৌ

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }