Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ

    মিনা ফারাহ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৮. কত অজানারে!

    দুঃখ-সুখ

    সংসারী মানুষের সুখ-দুঃখ থাকবেই। আর তা নির্ভর করে চাহিদার ওপর। সন্ন্যাসীদের ওসব বানানো বালাই নেই কারণ ওদের দাম্পত্য নেই। গৃহীর আছে। গৃহীর জীবনে, হয় দুঃখ, না হয় সুখের। এই করে করে শেষে পরমায়ু ভেসে যায় স্রোতের মতন। আর এই পরমায়ু কিছু আঁচলের তলে না কিছুর প্রভাবে, গৃহীর দুঃখ সুখ আমৃতুও প্রভাবিত হয়। এবং প্রভাবিত করেও। এবং তার মানে খুঁজে কোনদিনও পাওয়া যায় না। মানুষ তার আগেই মরে যায়। তবে বেঁচে থাকা অবস্থায়। মানুষের জীবনে সঙ্কটের কোনও শেষ নেই। তবে সমাধান, সুখ, ভালোলাগা সমস্ত কিছুর শেষ আছে এবং এরা উল্কার মতন। এই আছে এই নেই। সুখ! মনে করতে হয়। কতক্ষণ! স্মৃতিতে জেগে থাকে। অতিথির মতো, ওহ! এসেছিলেন। তিনি এসেছেন! বেশ তবে।

    আমি সর্বাণী রায়। ব্যর্থ দাম্পত্য শেষে আজ বিধবা। অলস দুপুরে হা-হুঁতোশ বসে আজ অতীত সুখের মুহূর্তগুলো আমিও স্মরণ করছি। হ্যাঁ, তিনি এসেছিলেন। নিশ্চয়ই এসেছিলেন তিনি! তবে এসে বিশেষ বসেননি। এতই দেমাকি তিনি যে এসেই চলে যেতেন। অহঙ্কারী অধ্যাপিকা শাশুড়িসমেত। ভীষণ দেমাকি আর অস্থির প্রকৃতির। জোয়ারের চেয়েও, ঘূর্ণির চেয়েও, বিদ্যুৎচমকের চেয়েও দ্রুত। তিনি কমেট। একশ’ বছরে একবার উদয় হন। অস্ত যাওয়ার আগে দান করে যান প্রচণ্ড স্বর্গীয় আলো। দুধে ধোয়া চৈত্রের খাঁ-খাঁ রোদ্দুরের আলো। …তখন আমার সমস্ত পৃথিবীটা পাল্টে যেতো। তখন আমি স্পষ্ট দেখতে পেতাম আমার মস্তিষ্কের ভেতরে স্নায়ুস্থল যা আমার সহসা চঞ্চল অন্ধকার মনটাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এবং সেই আলোর স্মৃতি মনে করে আমি আজও স্পষ্ট দেখতে পাই সেই স্বর্গ, আমার স্বর্গীয় অনুভূতি। তখন আমার কাউকে ভালো লাগে না আর। সুখ এমনই। জ্যোৎস্নার আলপনায় বোয়া আলো। নীরবে চলে যায়। এবং আমি এই তাৎক্ষণিক সুখে আরও অধিক বিভ্রান্ত হই। ভাবি এইতো সে। এই তো। আমি ভুল বুঝি। ভাবি তিনি চলে যাবেন না। কিছুতেই না। কারণ তিনি আমার জন্যেই এসেছেন। তিনি থাকবেন। এই সঘন সুন্দর শ্যামলিমায় মহিমান্বিত তিনি কখনোই আর যাবেন না। কিন্তু…চলে যান। তিনি চলে যান। চাঁদের আলোর মতোই তিনিও, ধরা দিয়েও না দিয়ে সব নিয়ে নিভে যান। তবুও, আবার উদয় হবেন এই আশায় মানুষ অপেক্ষায় রয়। আমি এস রায়। আমিও, সেই আশাতেই, হাঁ-মুখো বসে রই।

    তিনি যান অসুখী মানুষদের ঘরে ঘরে তার যেখানে কর্মব্যস্ততা। বিশেষ করে পৃথিবীতে ধর্ম আসার লগ্ন থেকে। নেই বলেই তো তাকে পাওয়ার এমন তীব্রতা। থাকলে হতো না। এই কান্না! আহা! বটে! তিনি এলেন তবে? এলেন যদি, তবে কেন। তিনি এমন ক্ষণজীবী!

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বিনামূল্যে বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Books

     

    যা যাচিত, যাহা কাম্য, পৃথিবীতে সেই-ই হয় ক্ষণজীবী। যা চাই না, তা লেগে থাকে যার প্রয়োজন নেই, সেই-ই চোখের সামনে। যাহা চাই তাহা পাই না। সুখ তাদেরই একজন। সুখ! আছে বলে কোনও কথা নেই। ছিল, সেই-ই স্মৃতি। সেই সুখের স্মৃতি আগলে থাকা। অনুভবে তাকে পাওয়া। এইটুকুর নামই সুখ।

    স্বামী স্ত্রী সন্তান নিয়ে গড়ে ওঠে একটি পরিবার। জীবিত অবস্থায় একজনের বিরুদ্ধে অন্যের সর্বক্ষণ অভিযোগ। কিন্তু হঠাৎ একজন ইহজগৎ ছেড়ে চলে গেলে সেখানে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়, সকল কষ্ট উপেক্ষা করে বড় হয়ে দেখা দেয় তখন তার অতীতের যা কিছু সুখ। তার সঙ্গে কিঞ্চিৎ মধুর স্মৃতি বড় হয়ে দাঁড়ায়। সব মন্দ তুলে রেখে ভালো। সুখ অতীতের। যখন তিনি বেঁচে ছিলেন। মনে হবে মাতালটা যখন বেঁচে ছিল তখন তার উপস্থিতি সহসাই এনে দিতো অভিযোগ আর কলহ। আর তার মৃত্যুর পর সব ছাপিয়ে শুধু তার বেঁচে থাকার মধুর স্মৃতিই সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হয়ে দাঁড়ায়। মনে হয়, না হয়, পেটাতো! না হয় মদ খেয়ে গভীর রাতে এসে ছিন্নভিন্ন করতে শরীর। ক্রোধে আক্রোশে ঘৃণায় না হয় ফালাফালা করতো এই না খাওয়া দুর্বল দেহটুকু। তবুও তো মাতালটা বেঁচে ছিল! দিন শেষে বাড়ি ফিরে এই যে পেটাতো, তবুও তো চিৎকার করে জানাতাম বেঁচে আছি। আর আজ এই নিঃসঙ্গতার উপকূলে এত নির্জনতা মনে হয়, মৃত্যু। কাঁদি মনে করে। তখন বাবা বেঁচে। ভাইবোন সব এক ঘরে, এক সঙ্গে বড় হচ্ছি। মার মাথা ভর্তি কালো চুল। ভরা যৌবন তার। ক’টি শিশু আমরা হাঁসের মতো কৌতূহলে চষে বেড়াই পুকুর পাড় থেকে সি এন্ড বি রাস্তার ওপাশে কাঁচা ট্যানারির দুর্গন্ধ ঘরে। কাঁদি কৈশোরবেলার সুখে। মনে হয় বিয়ের রাত্রির কথা। চিত্ত উথলে ওঠে সুখে। বাসর রাতের স্মৃতি যখন তিনি বলেছিলেন আমাকে তোমার পছন্দ হয়েছে! তোমাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। আমি এক ভীত মেষশাবকের মতো, স্তব্ধ। মনে আছে তিনি হেসে, আমাকে তার বুকে অনেক্ষেণ চেপে ধরে বসে বসে কি যেন সব বলছিলেন। আর আমি ক্রমশ শীতল থেকে তাপিত আগুন হচ্ছিলাম। তারপরই সব উধাও। কি যেন হলো। তিনি চলে গেলেন চিরদিনের জন্যে। আমি নিরন্তর একা! সুখের মুহূর্তগুলো এমনই ক্ষণিক হলো। এমনই অপার্থিব। নশ্বর।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের
    বিনামূল্যে বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বই

     

    সুখ শুধু সময়ের গায়ে তীব্র আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করে চলে যায়। আর সেই ক্ষত আগলে বসে আমরা বাকি জীবন সুখের আক্ষেপ করে করে শুধুই দুঃখ পোহাই। জীবটা শুধু দুঃখসার।

    সুখের সীমানা যদি হয় পুকুরের তল, দুঃখ তবে অতল সমুদ্র। সুখ যদি হয় জলাশয় হঠাৎ বৃষ্টি, দুঃখ তবে বৃষ্টির অভাবে তাপিত স্থবির জলাশয়।

    কৈশোর ও যৌবনের কত অজানা

    কিছু কিছু বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া, কৈশোর বা যৌবনের প্রারম্ভে মনে যে বসন্তের আঁচড় লাগে তাকে বড়ই স্থায়ী বলে ভাব হয়। জীবন মুহুর্মুহু রঙ বদলায়। নীল-হলুদ-খয়েরি। কৈশোর ও তারুণ্যের শরীরে বসন্ত খুঁজে পায় তার নিকেতন। এই বসন্তের রঙ সবুজ, লাল, নীল, কমলা।…মন হয় রঙধনু। প্রিয়ার কণ্ঠের সাতনরী। বা কমলার কোয়ার মতো তার ঠাসা পুরু এক জোড়া অর্ধচন্দ্র ঠোঁট। এই তো কৈশোর। এর মানেই কণ্ঠস্বর ভাঙা। মানেই বয়োসন্ধির আয়োজন। স্বপ্নে জাগরণে রতি সুখ। কিশোরের ঠোঁটে গোফের রেখা। কিশোরীর বক্ষে এক জোড়া পর্বত চূড়ার আগাম আবছা আভা। কিংবা নাইকুন্ডুলীর নিচের অমসৃণ উপত্যকায় মাতৃত্বের ফাটলে মাসিক শিশুর লাল রঙের চিৎকার। শরীরে ইলেকট্রিক শকের মতো সুখ যন্ত্রণা যা মাথা থেকে পা অবধি কালো পশমাবৃত উপকূল বেয়ে নেমে যায় কত রিক্টার স্কেলে কে জানে! ভেজে নিম্নভূমি। ভেজে পুরুষ। ভেজে নারী। সব ভালো। সব ভালো লাগে। তখন সবকিছুই ভালো লাগে যখন স্বপ্নসুখে আমূল উত্তাল হয় পুরুষ, হয় নারী। এই মধুক্ষণে মনে হবে পৃথিবীর সব অন্যায় ক্ষমার যোগ্য। মানুষই দেবতা। সব মানুষ, দেবতা। মনে হবে পৃথিবীর সব সুখ শুধু শরীরভিত্তিক।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    অবৈধ কাম

    নিষিদ্ধ বলে যা অশ্লীল। অবৈধ বলে যা লোভনীয়। অবৈধ কাম! যদিও সামাজিক নয় কিন্তু সুখের তাড়না রতির তাড়নাকেও ছাড়িয়ে যায়। ফলে রতির সুখ সম্পূরক হয়ে দাঁড়ায় অন্য অন্য সার্বিক সুখভোগের। কিসের বৈধতা! রতির তাড়না মানে কী, কোনও বৈধ-অবৈধতা? এই সুখের পেছনে শুধু সুখানুভূতি ছাড়া চাওয়া-পাওয়া নেই বলে সুখের স্থায়িত্ব প্রগাঢ়। কিন্তু যখনই রতি সুখকে বৈধতা দিতে বিবাহ বন্ধনে তাকে আবদ্ধ করা হয়, চাওয়া-পাওয়া তখন রতি সুখের চেয়েও অন্যদিকে প্রাণ পায়। দাম্পত্যের সুখ, ক্ষণজীবী। এখানে থাকে সংসার সন্তান সমাজ ও সংস্কার। এই চার স’ মিলে ক্রমাগত। উৎপাটন করতে থাকে সুখের সকল চাষাবাদ।

    আমি সর্বাণী রায়

    প্রেমের বিষয়ে পৃথিবীতে অবৈধতার প্রশ্ন, প্রশ্নই থেকে যাক। কেননা প্রেমের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক আমার সাধ্যে সাহসে কুলোবে না। আমি সর্বাণী রায়। প্রেম আমি খুব ভালো করে চিনি। কারণ আমি প্রেম করেছি। একাধিকবার। একাধিক জন। তার মানে একাধিক ব্যক্তিত্ব আমায় প্রেমের অনুভূতি দিয়েছেন। সে অর্থে আমার অভিজ্ঞতা ফেলনা নয়। প্রেমের অনুভূতি দিয়েছেন। সে অর্থে আমার অভিজ্ঞতা ফেলনা নয়। প্রেমের ব্যাপারে প্রতিটি ব্যক্তিত্ব আসে যার যার নিজস্বতা নিয়ে। প্রেমে, একেকজনের চাওয়া, প্রকাশ, রুচি, অভ্যেস, সংস্কার ভিন্ন যেমন কোনও কোনও মানুষের কাছে প্রেমের অনুভূতিই সব। কেউ, শরীর। কারো শরীরই সব, কারো অনুভব। কারো দুটোই আবার কেউ প্রেমই বোঝে না। কেউ বোঝে স্বর্গীয় আলোকে। কেউ কেউ হতাশায় শুধু রিক্ত ও ক্লান্ত হতে হতে। এবং এও সত্য যে-যে-কোনও প্রেম, ব্যাখ্যার ঊর্ধ্বে। বৈধ-অবৈধতার বিতর্কের ঊর্ধ্বে। পরকীয়া, সেও প্রেম। প্রকৃত প্রেম। হৃদয়ে নব-যৌবন। স্বামী-স্ত্রী, সেও। লেসবিয়ান হোমো বাইসেক্যুয়াল ওরাও প্রেম করে।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা
    বুক শেল্ফ

     

    প্রেম অনন্য। প্রেম ছাড়া মানুষ বাঁচে না। যে বেঁচে আছে, সে সত্যিই বেঁচে নেই। সে অন্ধকার। নিয়তই মানসিক ও শারীরিক নিষ্ঠুরতার চাবুকে বিধ্বস্ত। সে নিয়ত মরে যেতে চায়।

    মানুষের বিচিত্র জীবনে বিচিত্র সব ঘটনা ঘটে। আমি সর্বাণী। আকাল বিধবা। তবে এখন অবৈধ প্রণয়। পরকীয়া কি আমি তা বুঝি না। এই মুহূর্তে বুঝতে চাইও না। বুঝি, প্রেম। বুঝি প্রেম বদলে যায়। এক মানুষ থেকে, অন্য মানুষে। এক দেহ থেকে অন্য দেহে। যেতেই পারে। কারণ বিষয়টা বহুমাত্রিক। আমরা ক’জন জানি যে প্রেমের রয়েছে নিজস্বতা, যা মানুষের নিজস্বতার উর্ধ্বে। সুতরাং সমাজ, পরকীয়া বলে যাকে সহজেই ভুল বোঝে, বুঝে তাকে কঠোর সব প্রাচীন অবাস্তব শাস্তির কাছে আজও হেনস্তা করে, বাস্তবে তা প্রমাণ করে কতিপয় ব্যক্তি –তাদের বীর্য ও সমাজে, বুদ্ধির নিরক্ষরতা।

    প্রেম পাল্টায়। তার মানেই পরকীয়া নয়। স্রেফ প্রণয়। সে অর্থে পরকীয়া আসলেই পরকীয়া নয়। বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী পরবর্তীকালে অধিকাংশ সময়েই তারা শরীর, যা মিটে গেছে। তা সত্ত্বেও দাম্পত্যের সীমানা। এর বাইরে গেলেই অবৈধ। এবং যে প্রেম শুকিয়ে যায়, সঙ্কটে, বিচ্যুত বিধ্বস্ত দাম্পত্য সে, বিকল্প খুঁজে নেয় অন্য মানুষে, অন্য শরীরে, যেখানে প্রেম আছে। শরীরের প্রকৃত সুখ আছে। আছে দুস্থ রতি ও কামনার স্থলে, স্বর্গময় সুখভোগ। যা থেকে শরীরসর্বস্ব প্রেমবিহীন স্বামী-স্ত্রী বিচ্যুত বহুদিন। সংস্কার চৌকাঠ পেরোলে তা, অবৈধ কেন হবে?.খুব সঙ্গতভাবেই প্রেম শুকিয়ে গেলে, পরকীয়ার প্রশ্ন আসে। সমাজের অন্যদের মতেই এটাও জীবনের অঙ্গ। না চাইলেও বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান। অনেকের জন্যে পরকীয়াই একমাত্র উপাদান। কারণ, ঘরে ঘুণধরা দুটি সম্পর্ক যা শুধু দুটি, থাম।

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    Library
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ই-বই
    নতুন উপন্যাস
    বিনামূল্যে বই

     

    প্রেম শুকিয়ে যায় কেন তার কি কোনও হিসেব আছে? সমমনা না হলে শরীর কদিন ধরে রাখবে দুটো উল্টো মনের মানুষ! পা যায় তখন ঘরের বাইরে। হাত বাড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হয় নিষিদ্ধ ফুল। সেই দুর্গন্ধ ব্লাউজ সেই বিবর্ণ পেটিকোট যার গন্ধে, পেট উগরে বমি আসে। সেই অমসৃণ উপত্যকা যার চামড়ায় নাক ঘষলে নাকে উঠে আসে তীব্র গন্ধ, যা মোটেও পরিচ্ছন্ন নয়। অথচ ঘরে পরিচ্ছন্নতা রেখে অপরিচ্ছন্ন নিষিদ্ধ পরিবেশে পতিতার আড্ডা তার শরীর সমাজের সব কঠিন প্রশ্ন, প্রশ্ন এড়িয়ে সত্য হয়ে দাঁড়ায়। কিসের এত প্রশ্ন যখন নারী তার পুরুষের পুরুষ বৃন্তের শৈথিল্যে মানসিক যুদ্ধে পরাস্ত। যখন সে মাসের পর মাস অনুপস্থিত। স্বামী যখন প্রবাসে। স্ত্রী যখন প্রবাসে। যখন ঘরের চেয়ে সুখ টানে পতিতালয়! স্ত্রী নয়। যখন পতিতাই উজ্জীবিত করে তার প্রয়োজনীয় সৃষ্টিশীল মনমানসিকতা! যখন পরকীয়ার তীব্রতা বৈবাহিক বন্ধনকে ছাড়িয়ে যায়। যখন তার নিষ্ঠুরতা, অমনোযোগ, আকর্ষণ করে অন্য প্রেম। যখন তার হাতের তলে সে ফোটে না বসন্ত মহিমায়! অসম মনমানসিকতা যখন দু’জনের মধ্যে ফুটে বের হয়, দূরত্বে। যখন দূরত্ব এত দীর্ঘ হয়, যা অতিক্রম করে দু’জনে আর পৌঁছতে পারে না দু’জনের কাছাকাছি তখন, যখন একটি ছোট বিছানায় পিঠ ফিরিয়ে শোয় দু’জন মানুষের মধ্যেকার দু’হাত ফাঁকে, অনন্ত ফাঁক! হাহাকার। হাজার হাজার মাইল ফাঁক। যখন তার তারুণ্য তুঙ্গে। আর অপরপক্ষ শীতল। যখন সে কণিকায়, মল্লিকা দেখে। সে দেখে অরূপে, শিশির। যখন দোহের মিলনে সৃষ্ট সন্তান সংসার দশ বছরশেষে তাকেই হঠাৎ মনে হবে আগন্তুক, এবং পরম তিতিক্ষার আবেগ প্রেম মাধুর্য বসন্ত, নতুন করে মেলে দেবে তার কুঁড়ি, খুঁজে নেবে প্রেমের প্রকৃত সম্ভার, অন্যজনে! যা নতুন! যা যাচিত! যা স্বর্গীয়! যা জীবনে কখনো এর আগে ঘটেনি বা এমন সৌরভে, মহিমায় ফেটেনি!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    অনলাইন বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    বিনামূল্যে বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    মধ্য বয়সের নিঃসঙ্গতা

    যখন অপরপক্ষ মারা যায় বা চলে যায়, বিচ্ছেদ রচনা করে! যখন সমাজ ও ব্যক্তি দুটি প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায় নৈতিক ও মানসিক প্রশ্নে! যখন সত্মা বা সৎপিতা কিংবা গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড ইত্যাদি জাতীয় সম্পর্ক কোনওরকমেই সন্তানের হৃদয়ে গ্রহণযোগ্য নয়, তখন! কিংবা কন্যার বিবাহ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় অমন দ্বিতীয়বার বিবাহিত নষ্ট বিধবা মায়ের চরিত্রের কারণে!

    মধ্য বয়সে, বা যে-কোনও বয়সে, যে-কোনও কারণে মানুষ একা হয়ে গেলে, সমাজ সন্তান সংসার ও সংস্কার যখন তাকে সেই অবস্থাতেই বিশুদ্ধ বিধবা নারী বা বিপত্নীক পুরুষ দেখতেই অধিক উদ্গ্রীব থাকে তখন ব্যক্তির জীবনে নিঃসঙ্গতায় যে মৃত্যুর চেয়েও অধিক নিষ্ঠুর অন্ধকার নেমে আসে, এবং সেই অন্ধকার থেকে সৃষ্ট হতাশায় আসল মৃত্যুর প্রত্যাশা, সেই কি ভালো?

    তার পাঁজরের তলে রুদ্ধ হয়ে আসা শ্বাস, রাতের অন্ধকারে তার স্নায়ুযুদ্ধ, নিঃসঙ্গতায় ভেঙে আসা বুকে, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর স্পর্শ প্রেম আদর ভালোবাসাহীনতায় সৃষ্ট মানসিক শুষ্কতা, প্রত্যহ হারিয়ে যেতে থাকা মানসিক উজ্জীবন! তার প্রতিদিন! তার নিষ্ঠুর রাত্রি! সৃষ্টিশীলতা!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার
    পিডিএফ
    অনলাইন বুক
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    একটি হাতের ছোঁয়া! একটু ছোঁয়া। পাশে এসে বসা। শরীরে স্নেহের আঙুল। তৃষিত, এক জোড়া ঠোঁটের কি করুণ সুধাপান পিঠে হাত রেখে, পায়ে পা ঘষে। মনন্তরের ক্ষুধায় কাঙাল শরীরের, কি নিবিড় বিনিময়!

    কোনটি ভালো? নিঃসঙ্গতা ক্যান্সারের চেয়েও কঠিন ব্যামো। দীর্ঘ-দীর্ঘ দিন বিধবা বা বিপত্নীকদের দ্রুত মানসিক ভারসাম্যহীনতার পরিসংখ্যান সে কথাই কি প্রমাণ করে ছাড়েনি? কেন জানবো না যে পঁয়ত্রিশের পর যে-কোনও নারী, বা পঁয়তাল্লিশের পর যে-কোনও পুরুষ মানসিক ভারসাম্যহীনতার মুখোমুখি দাঁড়ায়! জীবনের অর্ধেকের বেশি সময় ইতোমধ্যেই চলে গেছে। নতুন করে দেখার পাওয়ার চাওয়ার কিছু নেই। জীবনের রঙ সব জলে গেছে। জীবনের সুখ সব ঝরে গেছে। ফিকে আকাশ। সমুখে তাকিয়ে শুধুই পড়ন্তবেলার সূর্য ছাড়া কিছু নেই। আর নতুন কোনও ভোর হবে না এই বয়সের পর। যা হবে তা অস্ত। এবং এর সঙ্গে যখন জমা হয়, মধ্য বয়সের নিঃসঙ্গতা সেখানোই সমূহ সর্বনাশ। মধ্য বয়সের মন এবং শরীর যখন নদীর টলটলে জল, যখন জলের উৎস সরোবর থেকে সৃষ্ট ঝরনাধারা বাধাপ্রাপ্ত হয়। তখন সে নদীর কি দশা?

    বার্ধক্যে নিঃসঙ্গতা

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    মৃত্যুর চেয়েও ভয়ঙ্কর। অন্ধকার আকাশের চেয়েও, কালো। বার্ধক্যে যারা বিধবা বা বিপত্নীক তাদের নিঃসঙ্গতার কষ্ট যৌবনের নিঃসঙ্গতার চেয়ে আরো গভীর কালো। এবং শুধু সেই বোঝে, যার এ দশা হয়। বার্ধক্যে একটা সঙ্গীর প্রত্যাশা সবকিছু ছাড়িয়ে যায়। একজন কথা বলার সঙ্গীর বিকল্প নেই তাকে ডাক্তার, ওষুধ কাউন্সিলিং থেকে দূরে রাখতে। একজন রক্তমাংস, যৌবনে তাকে যত নয় প্রয়োজন তার উপস্থিতি, বার্ধক্যে যা লক্ষগুণ অধিক যাচিত।

    কর্মবিহীন জীবন যখন সঙ্গীবিহীনতার সঙ্গে যুক্ত হয় তখন সে ঘোলা নরকের মুখোমুখি। জীবন তখন বোঝ। তার বেঁচে না থাকা, সমান। বেঁচে থাকাটাই অপচয়। ঈশ্বরকে সে মাথা কুটতে কুটতে দোষ দিয়ে বলবে কেন সে বেঁচে আছে! কেন? কি পাপ করেছে সে! মনে হবে। বোঝ। সার্বক্ষণিক পাথরের পাহাড়, পাহাড়, পাঁজরের তলায় চেপে বসে শুধু কষ্টই দেয়। যার তলায় চাপা পড়ে থাকে, রুদ্ধশ্বাস। কখনো যা পুরোপুরি বের হয় না, মনে হয় কে যেন তার গলা টিপে তাকে চব্বিশ ঘণ্টাই শুধু কষ্ট দিচ্ছে। তার কষ্ট হয় হাঁটতে, বসতে, শুতে, খেতে, বলতে, নিশ্বাসে, প্রশ্বাসে…।

    যদি কেউ ভুল করেও ভাবে বার্ধক্যে, পুনর্বিবাহ বা বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা অসামাজিক এবং নিন্দনীয়, তবে সে জীবন সম্পর্কে কিছুই জানে না। বরং বার্ধক্যে বিধবা ও বিপত্নীক হয়ে দ্রুত তাদের পুনর্বিবাহ বা স্থায়ী বন্ধুত্ব, যৌবনের কারণের চেয়ে এতটুকুও কম নয়, যখন মানুষ পরনির্ভরশীল। প্রায় বৃদ্ধ। এবং অপরের বিরক্তি। সেই বোঝা বিরক্তির জন্যে তাকে চাই যে নিজেও অন্যের বোঝা বিরক্তি। সঙ্গীবিহীন বার্ধক্য=ওষুধ+মানসিক অসুখ+অভিযোগ। অতএব বার্ধক্যের সঙ্কট, এই পুরুষ বোঝ বিরক্তি+নারী বোঝা বিরক্তি=সমাধান। অর্থাৎ মাইনাসে মাইনাসে প্লাস (- – = +) বিছানায়, শূন্যতার বদলে উষ্ণ ওম। ঘরে নিস্তব্ধতার বদলে, কোলাহল। টেবিলে একাকিত্বের বদলে মুখোমুখি নিশ্বাস। এতে সমাজেরই-বা কি সমস্যা, সংস্কারেরই-বা বলার কী? সমাজ কি মানুষের প্রকৃত সঙ্কট, জানে? জানলে, ছিছিক্কারে কেন ভরে ওঠে বাতাস, যখন কোনও বৃদ্ধ বিধবা বা বিপত্নীকের বিয়ে হয়! কেন সন্তানেরা তাদেরকে এত দ্রুত ত্যাগ করে? কেন আত্মীয়েরা ঘৃণায় মুখে দেখে না? কেন পড়শিরা ঘরে ঘরে রটিয়ে দেয় কোন দুশ্চরিত্র বা দুশ্চরিত্রার গল্প! কেন শ্বশুড়বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়, কারো ছেলের বৌ ছেনাল বাপের জন্যে? অলস দুপুর কেন অলস থাকে না, কেন বৃদ্ধ ছেনালের গল্পে। নিঃসঙ্গতার নরক সংবাদ কি কেউ রাখে?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বিনামূল্যে বই
    বুক শেল্ফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কমিকস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    বার্ধক্যে নিঃসঙ্গতার সঙ্কট, যতটুকু জানি, যা ভাবি, তার চেয়েও গভীর। অন্ধকারে কত পথ হাঁটা যায়? চেনা পথটুকুও, অন্ধকারে ভুল হবে।

    কেই-বা বুঝতে চায় বয়স্কদের সমস্যা! সে সময়, কার আছে? তবুও বুঝতে হয় যে বার্ধক্যে মানুষ আরো বেশি অসহায় আর পরনির্ভরশীল। অনেক বেশি বাঁচাল। হরমোনের শুষ্কতায় শরীরে ও মনে তারা অনেক বেশি জটিল। তাদের মৃত্যু দুয়ারে। বিরক্তি লাগে, দেখলে এড়িয়ে যেতে হয়, মুরুব্বির চেয়েও তারা অধিক বোঝ। কোন পুত্রবধূর সংসারে ওরা ওষ্ঠাগত প্রাণ। হায় খোদা কেন বেঁচে আছে, মরে না কেন? মনে হয়! মেকি আদর। মেকি ভদ্রতা। মেকি সম্মান। মেকি সব মেকি। যাচিতের চেয়ে তারা বরং অযাচিত। কার সময় আছে! ওষুধ পথ্য খেলো কি খেলো না, এত কে দেখে? গু-মুতের কাপড় কে ধোবে? কেন এসব অতিরিক্ত বালাই! খেয়ে কাজ নেই? সংসার নেই। স্ত্রী নেই? স্বামী নেই! ছেলেমেয়ে নেই? এই প্রশ্নগুলো, প্রশ্ন যা যথেষ্ট সামাজিক। কিন্তু কেউ এর সমাধান খুঁজে নিলে তা ‘অসামাজিক।’ হয়, ‘অযাচিত’ বা ‘ছেনাল’।

    এবং দেখা গেছে সবশেষে এই অসামাজিক ও অযাচিত দু’জনই শেষ পর্যন্ত দু’জনকে বাঁচিয়ে রাখে। সন্তান নয়, আত্মীয় নয় এই দু’জনই শুধু দু’জনের, যারা অযাচিত, যারা অসামাজিক। যে সঙ্কট সমাজ বোঝে না তার উত্তর এই অযাচিত দু’জন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বই পড়ুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বিনামূল্যে বই
    PDF
    অনলাইন বুক
    অনলাইন বই

     

    ওরা শিথিল ওরা শীতল। ওরা ফানি, ওদের চাওয়া, যৌবনের লিঙ্গ যোনির চাওয়া-পাওয়া থেকে ভিন্ন। ওরা সঙ্গী।

    তা সত্ত্বেও বার্ধক্যে, শুষ্ক নারী আর শিথিল পুরুষ, দুই পাটি দাঁত খুলে রেখে বিছানায় ওরাল সেক্স আর সুগন্ধ ভেসেলিন বিকল্প নিয়ে ওরাও যে মাতে না অবিনশ্বর। আনন্দে, কে বলে? যে বলে সে ঘুণ কাঠ। ঘুণে খাওয়াই নয়, অন্ধও বটে। প্রেম বার্ধক্য ঠেকায়। মৃত্যু দূরান্বিত করে। প্রেম ভালোবাসা, পরকীয়া অউর, নো। পরকীয়া=পেয়ার জিন্দেগি হ্যাঁয়। যে-কোনও বয়সে। যে-কোনও সমাজে। এখানে সবাই, মানুষ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }