Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ

    মিনা ফারাহ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২০. ভ্রান্তিপাশ

    রিমিকে এই বাড়ি থেকে চলে যেতে হবে। মিতু আসছে! মিতু, উত্তীয়র স্ত্রী! সুটকেস গোছাতে গোছাতে রিমির বুক ফেটে যাচ্ছে রাগে, দুঃখে। তাহলে উত্তীয়র সঙ্গে কাটানো এই সাত সাতটি বছর? এই সাত বছর কি এক্কেবারেই জলে গেল! এই যে প্রতিদিন সকালে উঠে কাজে যাওয়ার আগে সে উত্তীয়র জন্যে ময়দা ডলে ডলে কাই থেকে হাতে বেলা রুটি আগুনে সেঁকে, তাতে একটু ঘি-মধু মাখিয়ে খেতে দিতো, এই যে ময়লা আন্ডার গার্মেন্টসগুলোকে পর্যন্ত সে সাবান দিয়ে তার দু’হাতে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে দিয়েছে দিনের পর দিন এর কি কোনও মূল্যই থাকবে না। এমনকি ব্লাডপ্রেশারের বড়িগুলো পর্যন্ত নিয়মিত সে মুখে তুলে দিয়েছে। সেজন্যে এতটুকু কৃতজ্ঞতাও কী নেই? কত প্রশ্ন আজ রিমির মনে যার কোনও উত্তর, সামাজিক অর্থে তো দূরের কথা আজ যেন সবই অর্থহীন। মূল্য তো-নয়ই। পৃথিবীটাকে ওর কাছে মনে হচ্ছে এক বিরাট প্রহসন। আর মানুষগুলোকে অমানুষ। তাহলে মানুষের মনুষ্যত্ব, ধর্মবোধ, সবই কি গ্যাছে? রিমি কাঁদে তার নিজের জিনিসগুলো সুটকেসে ভরে। ভরতে ভরতে একসময় লুটিয়ে পড়ে কাঁদতে থাকে।

    মেয়ে মানুষের শরীর, যা না হলে উত্তীয় ঘরে না থেকে বেশ্যাপাড়ায় লুটাতো এই যে নিজেকে সে এত বছর ধরে অকাতরে বিলিয়ে গেল, সাত সাতটি বছর খুব কি কম কথা। সেই কৃতজ্ঞতায় ন্যূনতম সহানুভূতিও কি ওর প্রাপ্য নয়! স্রেফ হাত ঝেড়ে ফেলা! এ কি ধুলোকণা শুধু। দু’হাত দিয়ে ঝাড়ছে তো ঝাড়ছেই। যতক্ষণ না তার চিহ্ন এ-ঘর থেকে শেষ হয়ে যায়। ঝাড়ছে দেয়াল থেকে। ঝাড়ছে টেবিল থেকে। ঝাড়ছে বিছানা থেকে। রিমির পড়ে থাকা এতটুকু জিনিসও, যা সন্দেহের সামান্য চিহ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে। একটি চুলের ক্লিপ হঠাত্র উত্তীয় ড্রয়ার থেকে বের করে রিমির হাতে দিয়ে বললো, সর্বনাশ! এসব তুলে নিয়ে যাও! মিতু দেখলেই ভীষণ গণ্ডগোল লেগে যাবে। আর শোন শেষ মুহূর্তে সব। চেক করে নাও, যা যা আছে। লাস্ট মিনিট চেক।

    রিমি ভাবছে ওর জায়গায় পরদিন মিতুকে বসাবে উত্তীয়। সোজা এয়ারপোর্ট থেকে এনে বলবে, এই নাও তোমার সংসার বুঝে নাও। বুঝে নাও তোমার আদরের পরবাসী স্বামী রত্নটিকে। সেই রাতেই ওরা দু’জন একখাটে একসঙ্গে শোবে। অথচ এই খাটেই সে উত্তীয়র সঙ্গে কাটিয়ে দিল ব্যক্তিগত একান্ত জীবনের কত কত না উত্তাল, উচ্ছ্বাসভরা মুহূর্ত। কখনও সরবে, কখনও নীরবে। পরম সুখানুভূতিতে, যখন দু’জনের মাঝে অন্য কেউ ছিল না। এবং ভবিষ্যতে যে থাকবে কোনওদিন মনে হয়নি তাও। তখন ওরাই স্বামী স্ত্রী। ওরাই সব। উত্তীয়র যে দেশে কেউ আছে মনেই হলো না ওর ব্যবহারে না আচরণে। একদিনও না।

    সযত্নে সাজানো-গোছানো এই সংসার রিমির নিজের হাতেরই তৈরি। এই যে থালাবাসন পর্যন্ত তারই কেনা। উত্তীয়র এই শার্ট, এই গেঞ্জি, এই কলম ওরই দেয়া। মশলার হলুদ রঙ লেগে থাকা প্লাস্টিকের হাতা পর্যন্ত ওরই কেনা। কিন্তু আজকের পর থেকে ওর অস্তিত্বের সব-সবটুকু-এখান থেকে ধুয়েমুছে একাকার হয়ে যাবে। আসন্ন আগামী কাল-পরশু-তরশু… এই দিনগুলোর কথা ভেবে অচেনা নতুন এক জায়গায় মনে হয় ওর জীবনের একাকিত্বের কথা ভেবে রিমি ভয়ে গুটিশুটি হয়ে যায়। নতুন যে বাড়িতে সে যাবে আজ সেখানে অগ্রিম কিছু টাকা জমা দিয়ে এসেছে। বাকিটা দেবে ওঠার পর। এক বেডরুমের একটি ঘরে একটি বাঙালি মেয়ের সঙ্গে শেয়ারে থাকবে সে। সেখানে উত্তীয়বিহীন জীবন তার। যে জীবন ওর অচেনা, সে জীবনে কি করে সে অভ্যস্ত হবে? আদৌ হতে পারবে কি! রিমি ভাবতেও পারছে না আর। মাথাটা এবার লাটিমের মতো বনবন করে ঘুরছে। ওর এই চলে যাওয়া এ যে কতবড় অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ কে বলবে সে কথা! কিন্তু প্রথা, যা মানুষেরই তৈরি। প্রথার প্রতিকূল স্রোতের বিরুদ্ধে সে একা লড়বে কি করে! সে যে উত্তীয়র কিছু নয়! কেউ নয়! স্রেফ বান্ধবী যা সমাজের চোখে সম্পূর্ণ মূল্যহীন, অবান্তর। একসঙ্গে ওদের একটি নয়, দুটি নয়, সাত সাতটি বছর, এত সহজেই মূল্যহীন হয়ে পড়লো! এই যে এত আদর সোহাগ, হাসি-খুশি, কানে কানে গুনগুন সবই কি মিথ্যে। হায়রে জীবন! এত নিষ্ঠুরতার ভেতর মানুষ বেঁচে থাকে কি করে?

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    উত্তীয় থম মেরে চেয়ারে বসে দেখছিল সাত বছর একটু একটু করে, কি করে অতীত ইতিহাস হচ্ছে। পকেট থেকে পাঁচশ’ ডলার রিমিকে দিয়ে ভেজা ভেজা গলায় বললো, রেখে দাও। আর শোন, প্রয়োজনে যোগাযোগ করবে আমার কাজের জায়গায়। খুব জরুরি না হলে ফোন করবে না। জানই তো মালিক একটু অন্যরকম। বরং তোমার নতুন বাড়ির ফোন নম্বর আমাকে দিও। আমিই যোগাযোগ করবো। ওর কথা শুনে এবার সুটকেস গোছানো বাদ দিয়ে রিমি মাথা নিচু করে খাটের ওপর বসে রইলো। পুরো ব্যাপারটাই ওর মনে হচ্ছে, অন্যায়! হাত থেকে টাকাগুলো ওর মুখে ছুঁড়ে ফেলে বিস্ময়ভরা চোখ দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা উত্তীয়, এই কি শেষ! আমাদের সংসার সংসার খেলা! এই যে এতদিন প্রতিদিন তুমি আমার সবকিছু ছিলে! এই যে কাছ থেকে খবর নিতে, কেমন আছি! কোথায় আছি। কখন ফিরবো! এই যে আমার অসুখ হলে শিয়রে বসে মাথা টিপে দিতে। একটি রাতও গত সাত বছর ধরে এই যে আমাকে অন্য ঘরে ঘুমোতে দিলে না। কিন্তু আজ! এই সাত বছরের মানেটা কি একটু বুঝিয়ে বলবে! রিমি উত্তীয়র চোখের দিকে তাকিয়ে ভীষণ সব অস্থির প্রশ্ন তুলে বসে আছে।

    উত্তীয় যার একদিকে রিমি আর অন্যদিকে মিতু। একদিকে ধর্ম, অন্যদিকে পাপ! রিমির প্রশ্নের কোনও জবাব আছে কি? থাকলে সে দিতে পারছে না কেন? –উত্তর দাও। বলো! এই কি শেষ! উত্তীয় তার কি জবাব দেবে? বিয়ে হলে তার অধিকারই সবচেয়ে বড় হয়। সেই সত্য হয়। এই সত্যের বিরুদ্ধে কি জবাব সে রিমিকে দিতে পারে? বিস্ফারিত দুই চোখে দূরে তাকিয়ে, দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো–হা-রিমি …। এই-ই আমাদের শেষ। সংসার সংসার খেলার এখানেই সমাপ্তি।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গল্প
    সেবা প্রকাশনীর বই
    গ্রন্থাগার

     

    –দেখতেও আসবে না আমাকে!

    –উত্তীয় চুপ করে থাকে। কোনও কথা বলে না।

    –কি, কথা বলো! দেখতেও আসবে না, আমি কেমন আছি! বলো!

    –হ্যাঁ, মানে! বলছি তো সময়-সুযোগ পেলেই যাবো। জান তো ওরা আসছে, এখন থেকে আমাকে প্রতিটি পদক্ষেপ সাবধানে ফেলতে হবে, তুমি বোঝো না!

    –বুঝি-বুঝি–সব বুঝি উত্তীয়। না বোঝার কি আছে। বলে সে ওর দুই পা জড়িয়ে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। যেন সে তার স্বামীর সংসার ফেলে অন্য কোথাও যাচ্ছে। যেন ওর বুকে চিরকালের বিচ্ছেদ ব্যথা, সত্যি সত্যি স্বামীর মৃত্যুর চেয়েও যার আঘাত ঢের বেশি।

    আজ খালি তার গলা ছেড়ে বলতে ইচ্ছে করছে ”ন্যায়-অন্যায় জানি নে, জানি নে, জানি নে–শুধু তোমারে জানি, তোমারে জানি…” যে গান ওরা একসঙ্গে, পাশাপাশি শুয়ে গাইতে গিয়ে কেঁদে কেঁদে ভিজিয়েছে–একে অপরের বুকের সুগন্ধ, কত কত রাত! আগামীর বিচ্ছেদ আর বর্তমানের সুখের মাঝে, দুলতে দুলতে, কত-কত রাত!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    গ্রন্থাগার
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Library

     

    পৃথিবীতে কে কার কষ্ট বোঝে? সে সময়টুকুও কারই-বা আছে? মানুষ নিজেকে নিয়েই। বরং ব্যস্ত। যার যার নিজের ভালোমন্দ, নিজের স্বার্থ, সেখানে চুল পরিমাণ ছাড়া কেউ দিতে চায় না। কেউ না উত্তরীয়ও না। রিমির চেয়ে বেশি এই সত্য হাড়ে হাড়ে আর কে বুঝতে পারবে।

    –উত্তীয় আমি কিছুতেই যাবো না। আমার বুক ভেঙে আসছে। পারবো না আমি। আমি এখানেই থাকবো। যেমন ছিলাম।

    –কি পাগলামো করছো? তাড়াতাড়ি গুছিয়ে ফেল।

    –পাগলামো নয় উত্তীয়। এভাবে আজ কেন কথা বলছো? আমাকে উচ্ছিষ্টের মতো ফেলে দিচ্ছো কেন? মনে আছে–মাথায় ব্যথা পেয়ে একবার প্রায় মরতে বসেছিলে। বলেছিলে, তুমি না থাকলে যমও আমাকে ছাড়তো না। কথা দিচ্ছি তোমাকে ফেলবো না। তোমারই থাকবো। -হ্যা বলেছিলাম। কিন্তু সে তো তখন। বললো উত্তীয়। মানে? –মানে সেটা তখনকার একটি মুহূর্তের জন্যে প্রযোজ্য, একটা ইমোশন। কিন্তু আমাদের সমাজ আছে। তাকে তো মানতে হবে! তুমি থাকবে এ আর বেশি কথা কি! আমিও চাই তুমি থাকো। কিন্তু মিতু তা হতে দেবে না। এক পুরুষের ঘরে দুই নারী সম্ভব নয়, তুমিও জানো।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কমিকস
    বই
    গ্রন্থাগার

     

    –জানি, কিন্তু তবুও আমি যাবো না। আমি পারবো না উত্তীয়, তোমাকে ছেড়ে। আমি কিছুতেই পারবো না। আমি মানুষ তো! শুনবে, একদিন আমি আত্মহত্যা করছি। কে স্বামী, কে স্ত্রী, বুঝি না। মন্ত্র পড়িনি, কিন্তু আমাদের এই সম্পর্ক তারও ঢের ঢের ঊর্ধ্বে। আমি কি মিথ্যে বলেছি?

    –এখন ওসব কথা বলো না। যাও, তৈরি হয়ে নাও। তোমাকে নামিয়ে দিয়ে আমি কাজে যাব।

    একটা সময় এলো যখন উত্তীয় রিমিকে ধরে ধীরে ধীরে সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে নিয়ে গেল। সে এক দৃশ্য! গাড়িটা চলতে শুরু করলো। নতুন এক ঠিকানার উদ্দেশ্যে। আর গাড়িতে বসে এই নারী যে অন্য দশজনের মতো সাধারণ কোনও প্যাসেঞ্জার নয়, স্রেফ প্রথার শিকার, এক ভগ্ন হৃদয়। সে আড় হয়ে বসে রইলো। দু’চোখে অনিশ্চিত জীবনের মাঠ পার। প্রথার বিরুদ্ধে সে একা, নিরস্ত্র এবং নিরুপায়। সে নারী। পরকীয়া নারী।

    পরের দিন উত্তীয়র বৌ, ছেলেমেয়ে এলো। প্রায় আট বছর পর দেখা। রিমিকে নিয়ে মিতুর বড় বেশি কৌতূহল। সে বিষয়ে যে-কোনও প্রশ্ন উত্তীয় এড়িয়ে যায়। মিতু ঘরের প্রতিটি কোণা ঘুরে ঘুরে খোঁজে। রিমির কোনও চিহ্ন। কোনও গন্ধ। রঙ। উত্তীয়কে সে হিংস্র জন্তুর মতো ধরবে, সব সত্যি কথা ওর জিভ টেনে বের করে আনবে। যা সে এতকাল শুনে এসেছে, যা উত্তীয় নিজেও এতকাল টেলিফোনে অস্বীকার করে এসেছে।

     

    আরও দেখুন
    Books
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার
    PDF

     

    রিমির সঙ্গে উত্তীয়র সম্পর্ক বরং আট বছর পর স্বামীকে দেখার সুখের চেয়েও বড় হয়ে উঠলো। মিতুর গায়ের রোম পর্যন্ত দাঁড়িয়ে যাচ্ছে ঘরের প্রতিটি ইঞ্চিতে–পা দিতে দিতে। বারবার শুধু একই কথা। উত্তীয়, এবার প্রায় ধমকের সুরে বলে উঠলো, পাগল হয়ে গেলে নাকি? মাত্র এলে, আর এরই মধ্যে এ কি শুরু করেছ! দেখছো তো আমি ছাড়া বাড়িতে কেউই নেই। আর আমি তো তোমারই আছি যেমন ছিলাম। মাঝখানে কি হয়েছে সেসব কথা ভুলে যাও। তা সত্ত্বেও মিতুর মাথায় শুধু, রিমি।

    –ওই বেশ্যা, সেই হারামির বাচ্চা যে ওর স্বামীর বুকে শুয়েছে। স্বামীর পুরুষ ছুঁয়েছে। কোথায় সে! মিতুর একটাই কথা। কোথায় …!

    রাতের পর রাত তাকে যে কাঁদিয়েছে। বলো! কোথায়! উত্তীয় আদর করে কাছে টেনে নিয়ে বলে আট বছর পর দেখা হলো। আজ ওসব বাজে কথা থাক। উত্তীয় ওকে চুমু খেতে যায়, আর মিতুর দুই চোখ তখন কপালে। উত্তীয় এবার মাথায় হাত দিয়ে বসে। কিছুতেই সে পারছে না, মিতুর সঙ্গে। অন্য নারীর হাতে গোছানো এই ঘরে ঢুকেই মিতু বুঝতে পেরেছে, এই নিপুণ হাতের কাঁচের জানালার পর্দা কোনও পুরুষ কিনতে পারে না। এই বিছানার চাঁদর কোনও পুরুষের পছন্দের নয়। পরদিন সকালে এত সুন্দর গুছিয়ে রাখা মশলার পিরামিড কোনও পুরুষের কাজ নয়। গোছানো চাল-ডাল-মশলা! রান্নাঘরে গিয়েই মিতু ভীষণ ক্ষেপে গেল। পিরামিড ফেলে দিলো। জানালার পর্দা কাঁচি দিয়ে কুচি কুচি করে ফেলো। সব-সব ফেলে দেবে সে। কিছুই রাখবে না। উত্তীয়র বুকে ওর মাথার চুলের গন্ধ। উত্তীয়র রুমালে তার স্পর্শ। এবার মিতু পাগলের মতো চিৎকার শুরু করলো। দিন গিয়ে এমনি ঝড়-তুফান তুলে রাত এলো। আর সইতে না পেরে, ওকে থামাতে উত্তীয় প্রবাসের এই দ্বিতীয় দিনেই -ঠাস করে চড় কষালো মিতুর গালে। চড় খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে হঠাৎ কখন যেন বাধ্য শিশুর মতো সে ঘুমিয়ে গেলে পৃথিবীটা বড় শান্ত মনে হলো। উত্তীয় যেন এতক্ষণে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো, উফ! কি ভয়ঙ্কর।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কবিতা

     

    রিমিকে সে দু’সপ্তাহ দেখেনি। সাত বছরেও যা হয়নি। রিমিকে সে হৃদয়ের গভীরে অনুভব করছে তীব্রভাবে। স্মৃতি উত্তীয়কে কষ্ট দেয়। রিমির প্রসঙ্গে কোনও কথাই সে তুলতে চায় না। অনেক কষ্ট করে, অনেকটা মদ খেয়ে খেয়ে গোপনে সে রিমির কথা ভুলে থাকার চেষ্টা করছে। যা মিতু জানে না। মিতুকে ওর ভালো লাগছে না। মনে হচ্ছে যেন অচেনা এক অতিথি। অযাচিত। বরং না এলেই ভালো ছিল। মনে হচ্ছে পারলে ও এক্ষুণি রিমিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এমনটি লাগবে, সে ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি। উত্তীয়র কষ্টগুলো না জানে রিমি, না জানে মিতু।

    বিকেলবেলা, আনমনে বসে ভাবছে। হঠাৎ সেলিম এসে ওকে ডেকে বাইরে নিয়ে গেল। কানে কানে বললো রিমি খুব অসুস্থ। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। কেমন আছে?

    –ভালো নয় বিশেষ। তোর যাওয়া দরকার। উত্তীয়র মন চাইছে ওকে দেখতে যেতে। রিমি কেন অসুস্থ হলে কি পেলে ভালো হয়ে যাবে, সে খবর ওর চেয়ে ভালো এ বিশ্বভুবনে আর কে জানে! অস্থির চিত্ত, দুর্বল মন, প্রগাঢ় অনুভূতি নিয়ে সে মস্ত হাঁফ ছাড়ে। তার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয় সেলিমকে জানিয়ে দিল। গেলেই সর্বনাশ হবে। এই কষ্টের সংযম, নষ্ট হয়ে যাবে। সেলিম চলে গেল, ভীষণ রেগে। তারও ভালোলাগেনি এত নিষ্ঠুরতা।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    বাংলা গল্প
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    সংসারে মন বসে না। বাড়িতে ফিরতে ভালো লাগে না। মিতুকে ভালো লাগে না। মাতালকে মদ-ছাড়া করলে যা হয়। মাতাল অসুস্থ বোধ করে। সেদিন কাজ থেকে ফেরার পথে, ট্রেনে বসে মনে হলো বাড়ি না গিয়ে আজ হাসপাতালে রিমির কাছেই যাবে। রিমি অসুস্থ। গেলেই হাতের মুঠোয় তার প্রিয়তমা। গিয়ে বলবে, দেখো আমি ফিরে এসেছি। তোমার সাত বছর মিথ্যে নয়। তুমি সুস্থ হয়ে ওঠো। আমি তোমাকে স্নেহ দেবো। প্রেম দেবো। শুধু তুমি একবার সুস্থ হও। যেমন আমাকে তুমি একদিন সব দিয়েছিলে। এমনকি, মাতৃস্নেহ পর্যন্ত যখন আমি মরতে বসেছিলাম। যেদিন তুমি আমাকে তোমার দুই স্তনের মধ্যে খুঁজে, লেপ দিয়ে আমাকে জড়িয়ে, শরীরের সমস্ত ওম দিয়ে জ্বরের প্রচণ্ড কাঁপুনি থামিয়েছিলে! সেদিন তুমি আর তুমিতে ছিলে না। আজ আমিও তাই হবো। প্রলাপের মধ্যে আমাকে তুমি আর খুঁজো না। আমি স্বয়ং নিজেই এসেছি তোমার কাছে। চোখ খোল, রিমি! লক্ষ্মী! মানিক সোনা আমার! উত্তীয়র দু’পা কাঁপছে। ঠোঁট কাঁপছে। বুকের তলে, ভূকম্পন হচ্ছে প্রতিটি মুহূর্ত।

    উত্তীয়র দৃষ্টি প্রসারিত। চোখে দেখছে হাসপাতালের বেডে রিমি শুয়ে আছে। দশদিন হয়ে গেল। রিমি দশদিনেও চোখ খোলেনি। শুধু নাকি ঘুমের মধ্যে একবার দু’বার উত্তীয়’র নাম বলে কেঁদে উঠেছিল। আর হাসপাতালের ডাক্তারও কোনও এক ‘উত্তীয়’কে খুঁজছে। তাকে পেলে রোগী সেরে উঠবে। উত্তীয়র পৃথিবীটা চরম অশান্ত। ঝড়ে, ডালপালা ভাঙার মতো ওর সব ভেঙে ভেঙে পড়ছে। হৃদয় ভাঙছে! বিয়ে ভাঙছে। কাকে বাঁচাবে? রিমিকে সে ভালোবাসে। কিন্তু প্রথা, একজনকে দিয়েছে অপার ক্ষমতা, অধিকার! আর অন্যজনকে করেছে রিক্ত, ভিখিরি।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    ‘এফ’ ট্রেনের পরবর্তী স্টপ, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল। এখানেই রিমি ভর্তি হয়ে রয়েছে। নামবে কি নামবে না ভাবছে সে। সেলিম বলেছিল দয়া করে অন্তত একবার ওকে দেখে আসতে। সে জানে রিমির মাথায় হাত বুলোলেই রিমি জেগে উঠবে। রিমি ওর গন্ধ চেনে। রিমি ওর স্পর্শ চেনে। মৃত্যু মুহূর্ত হলেও ওর স্পর্শ একমাত্র রিমিই অনুমান। করতে পারে। কারণ তার নিখাদ প্রেম। এসব ভাবতে ভাবতে অজান্তেই ট্রেনটা কখন যেন হাসপাতালের স্টপ পার হয়ে ফোরটি সেকেন্ডের দিকে চললো। উত্তীয় আনমনা হয়ে তখনো ভাবছে, সে কি যাবে? গেলেই তো সব ওলট-পালট হয়ে যাবে তার বোতলে বোতলে মদ খেয়ে ভুলে থাকার সব প্রচেষ্টা, ব্যর্থ হবে।

    –নামবে কি নামবে না। নামবে কি-না, নামবে না। ওকে দেখলেই মনে হবে মিতু মিথ্যে। অনেক কষ্ট করে এই নতুন জীবনে সে অভ্যস্ত হতে যে যুদ্ধ করে চলেছে!

    হায়! এই সেই ভ্রান্তিপাশ! যাকে কবিগুরু পোস্টমাস্টার গল্পে উল্লেখ করেছিলেন, কি নিপুণভাবে। উত্তীয়, এই ভ্রান্তিপাশের কথা মনে করতে করতে ভুলে যায় কখন সে ট্রেনের লাস্ট স্টপে এসে পৌঁছয়। নিজেও সে সেকথা জানে না। স্টেশনের দিকে তাকিয়ে ওর চৈতন্য হয়। সেখান থেকে ওর বাড়ি অনেক অনেক পেছনে। ভুল করে সে অনেকটা পথ পেরিয়ে চলে এসেছে। আবার তাকে উল্টো ট্রেনে সেখানেই ফেরত যেতে হবে, যেতেই হবে। যে জায়গাটা সে ফেলে এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }