Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ

    মিনা ফারাহ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. নীলাঞ্জনা মেয়েটি

    শনিবারের রাত। উইক এন্ডের পার্টি নাইট। ম্যানহাটানের ইটালিয়ান বারে পলাশ যে টেবিলটায় বসে, ঠিক তার উল্টোদিকেই, সুনয়না এক শ্বেতাঙ্গিনী মদের গ্লাসটা ডান হাতের তিন আঙুলে ধরে হালকা সিপ দিতে দিতে ওর দিকে বেশ কয়েকবার তাকিয়ে মুচকি হাসলো। পাশেই হাতের চামড়ায় আঁকা লাল-কালো জোড়া ঘোড়ার টাটু! স্লিভলেস কালো গেঞ্জি পরা ঘাড় অবধি কালো চুলের তরঙ্গ। স্বাস্থ্যবান এই সাদা পুরুষটি মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড, নাকি শুধু বারের ক্ষণকালীন কোম্পানি, পলাশ তা নিশ্চিত নয়। তবে খুব ভালো লাগছে মেয়েটির তাকানোর ভঙ্গিটি। সুন্দরী আর কাকে বলে। এককথায়, অপূর্ব। গলার দু’পাশে কলার বোন দুটো তীরের মতো খাড়া। চিবুকের মাঝখানে গাঢ় তিল। গালে টোল। কালো স্কিনটাইট গেঞ্জির ভেতর দিয়ে হাতের মুঠির মাপে সুডোল একজোড়া স্তনের উঁকিঝুঁকি। জিনসের প্যান্ট আর গেঞ্জির মাঝখানে ছ’আঙুল মাপের মেদবিহীন সমতল নাভিমূল। মেনিকিওরড হাতের আঙুলে দু’রঙের নেইল পলিশ দিয়ে ডিজাইন করা নোখ। ক্ষীণ কটিদেশ। কাম জাগানো ভারি নিতম্ব আর পাকা কামরাঙার মতো রসালো পুরু দুটো ঠোঁট। সব মিলিয়ে তন্বী মেয়েটির তত শরীরে যাদুকরী সৌন্দর্য। এত সুন্দরী মেয়ের তো পুরুষের অভাব হওয়ার কথা নয়। টেবিলের সামনে দিয়ে যেতে যেতে প্রায় সবাই এই গভীর নীল চোখের নীলাঞ্জনার দিকে একটু হলেও আড়চোখে তাকাচ্ছে। কিন্তু সোনালি চুলের এই নীলাঞ্জনা কেন শুধু তার দিকেই তাকিয়ে মুচকি হাসছে! আবারো! হ্যাঁ, সে আবারো দু’বার তিনবার তাকিয়ে মুচকি হাসলো! পলাশ মদের গ্লাস হাতে, একা বসে। সেও তাকিয়ে দেখছে, নীলাঞ্জনা মেয়েটির মতিগতি। এইতো আবার সে তাকালো! আড় চোখে, না তেরচা চোখে বোঝার উপায় নেই।

    সমস্ত দিন ক্যাব চালিয়ে শরীর ক্লান্ত হলেও শুধু রোববার রাতেই সে বারে মদ খেতে আসে। কোনওদিন দল বেঁধে। কোনও দিন একা। আজ রাতে সে একা। বারে। এসে মদ খেতে আড্ডা দিতে ভালো লাগে। লাইট আর ওয়েস্টার্ন মিউজিকের এ্যাফেক্টে মন চাঙ্গা মচমচে মুড়ির মতো হয়ে যায়। মনে হয়, গান আর মদের এই। পৃথিবীটাই আলাদা। বলা চলে, ক্ষণিকের বেহেশত। প্রবাসের নিঃসঙ্গতা ভোলার বেহেশত। এ বেহেশত দেশে যেতে না পারায় রিতা এবং ছোট দুটো মেয়ের বেদনাবিধুর আর্তনাদের বাইরের বেহেশত। এ বেহেশত রুমনোকে ভুলে যাবার …।

    ম্যারেড ব্যাচেলর, জেনুইন ব্যাচেলর, উইন্ডো ব্যাচেলর, সব ধরনের বাংলাদেশি ক্যাবি ব্যাচেলর, বন্ধুগুলোর সাথে বারে উইক এন্ডে বসে প্রবাসী পলাশেরা আড্ডা দেয়। সারা সপ্তাহ ওরা নিজের শরীরের চামড়া পিটিয়ে, হাড্ডি মাংস খুইয়ে পরিবারের দায়িত্ব পালন করে। দেশে প্রায় সবারই পরিবার আছে। পরিবার থাকলে স্বপ্ন আছে। ওরা পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে এ দেশে থাকে। বাবার জন্যে কমোডসহ দালান বাড়ি। দশ বিঘে বন্ধকী জমি ছাড়িয়ে অতিরিক্ত আরো বিঘে দশেক কেনা। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাকে যৌতুকের রসদ জোগানো। জামাইয়ের জন্যে লার্জ স্ক্রিন টিভি, ডিভিডি, রোলেক্স ঘড়ি। বেকার দুটো ভাইয়ের বিয়ে। ওরা অর্থাৎ পলাশ নামের এই তরুণ যুবকগুলো পরিবারের স্বপ্ন পুরো করতে স্টুডেন্ট ভিসা, ভিজিটর ভিসা, বিজনেস ভিসা, ডিপ্লোমেট ভিসা ইত্যাদি নিয়ে নিউইয়র্কের এই মেট্রোপলিটন শহরে এসে অধিকাংশই ইল্লিগ্যাল, লিগ্যাল ক্যাব ড্রাইভার কিংবা নির্মাণ কর্মী ইত্যাদি হতে বাধ্য হয়। ওদের পাঠানো অর্থ দিয়ে পরিবারের অবস্থা ভালো হয়। দেশে আর কোনও অভাব-অভিযোগ থাকে না। তবে চাহিদাটা স্থায়ী। পলাশ এবং ওরা দেশে বাবা-মা ভাই-বোন-স্ত্রী-সন্তান-বন্ধু-আত্মীয় পরিচিতদের এই অন্তহীন চাওয়ার ফাঁদে আটকা পড়ে, আটকে গেছে হলুদ রঙের ট্যাক্সিগুলোর ড্রাইভার সিটে। দূর থেকে যাত্রীরা হাত দেখিয়ে বলে ট্যাক্সি! পলাশ এবং ওরা প্রতিদিন বারো ঘণ্টা মিডটাউনে ওদের ডাকে সাড়া দিয়ে এভাবেই কাটিয়ে দেয়। যতবার যাত্রী বদলায়, ততবার টিপস। দিনশেষে খাইখরচা বাদে থাকে দেড় থেকে দুশো ডলার। অর্থাৎ ষাট দিয়ে গুণ দিলে দিনে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা। এমন বেহেশত কি বেহেশতেও আছে? শাহীন বলে, না। পলাশ এবং ওরা মোল্লাদের খোতবার বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ করে বলে, বেহেশত যদি কোথাও থাকে তাহলে সেটা আছে আমেরিকাতেই।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা ভাষা
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা উপন্যাস
    বুক শেল্ফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    পলাশ বিবাহিত। দেশে আছে দুই মেয়ে এবং স্ত্রী। এক ভাই, তার স্ত্রী এবং ছেলেমেয়ে। তিন বোন তাদের স্বামী এবং ছেলেমেয়েরা, গ্রামের বাড়ি ভোলা, বরিশাল। নদী-নালার শহর। পলাশের বাবা রিটায়ার্ড পোস্টাল ক্লার্ক। মা ধর্মভীরু গৃহিণী।

    পলাশ এসেছিল লায়ন্স ক্লাবের মেম্বার হিসেবে কনভেনশনে যোগ দিতে। দেশে অনার্সসহ বি.এসসি পাস করে দর্জির কাজ কিংবা কিন্ডারগার্টেনের বাচ্চাদের অ-আ শেখাতে সে রাজি হলো না বলে বাবা অসন্তুষ্ট। তিনি বললেন একটা কিছু করে টাকা তো আনতে হবে! বাচ্চা পড়াতে দোষ কী? বাচ্চা তো বাচ্চা। ওরা তো কাঁদবেই। পলাশ সেসব কিছুই করবে না। রাগ করে বাবা একদিন বললেন, বাড়ি থেকে বের হয়ে যা। বেকার হারামজাদা। যে অবধি কাজ করে টাকা আয় না করতে পারবি তদ্দিন। বাড়ির কথা ভুলেও মনে করবি না। এরপর পলাশ প্রায় মরিয়া হয়ে উঠলে একলোক তাকে লায়ন্স ক্লাবের মাধ্যমে ভিসার খবর দিলো। দু’লক্ষ টাকা হলে আমেরিকার ভিসা পাওয়া যাবে। পলাশ বাড়ি ফিরে বাবা-মা-স্ত্রীকে বুঝিয়ে বললো দু’লক্ষ টাকার কথা।

    পলাশ এবং তার পরিবার জানে পলাশ আমেরিকাতে গিয়ে ইল্লিগ্যাল হয়ে যাবে এবং অন্য আরো অনেকের মতো আর হয়তো দেশে নাও ফিরতে পারে। জেনেশুনেই পলাশকে প্লেনে তুলে দিলো ভিসার জন্যে নগদ দু’লক্ষ টাকায় জমি বিক্রি করে। সে নিউইয়র্কে এসে উঠলো এক বন্ধুর বাড়িতে।

     

    আরও দেখুন
    Library
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    বাংলা গল্প
    বাংলা ভাষা

     

    পলাশ, ওর বন্ধুর ওখানে থাকা অবস্থাতে প্রায় দু’মাস পর ব্রুকলিনের একটা বাংলাদেশি গ্রোসারি স্টোরে কাজ পেলো। মিট কাটারের চাকরি। গরুর বিশাল দেহ কাটা ওর কাজ নয়। দু’চারদিন পরই সে চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে অন্য চাকরি খুঁজে নিলো। এভাবেই সে গ্রোসারি স্টোর, নির্মাণ, রেস্তরা বিভিন্ন জায়গায় কাজ পরিবর্তন করতে থাকলো। কোনওটাই ওর ভালো লাগছে না। ইতোমধ্যেই নিউইয়র্কের অনেক বাংলাদেশির সাথে পরিচয় হলো। অধিকাংশই বললো ট্যাক্সি চালানোর কথা। চালাবে কি করে! ওর তো লাইসেন্স নেই! পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে ভুয়া আন্তর্জাতিক লাইসেন্স আনিয়ে সে গেল ওয়াশিংটনে। সেখানে দু’শ ডলার দিলে কুড়িটি গত্যাধা আররি প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় মোটর ভেহিকল ডিপার্টমেন্টে। নিজেকে আররি ভাষাভাষী বলে পরিচয় দিয়ে, সেগুলো মুখস্থ করে পরীক্ষায় পাস করলো। তারপর ভুয়া গ্রিনকার্ড হলো। ধরা পড়লে জেল। পলাশ ফেইক গ্রিনকার্ডটি তোশকের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে, যদি কখনো কাজে লাগে। এতসব ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আজ পার্টি, কাল বিয়ের দাওয়াত, পরশু সোসাইটির মিটিং এই করে এরই মধ্যে পলাশের অনেক বন্ধু-বান্ধব জুটে যায়। নিঃসঙ্গতা কাটাতে উইকএন্ডে এ-বাড়ি সে-বাড়ি করতে করতে হঠাৎ করে একদিন বন্ধুত্ব হয়ে গেল রুমনোর সঙ্গে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা

     

    রুমনো ওরফে রুমা, বাংলাদেশের মেয়ে। ডিভোর্সি। একটা ট্রাভেল এজেন্সিতে সেলস গার্লের চাকরি করে। রুমনো স্মার্ট, সুন্দরী। মজিদ সাহেবের বিয়ের পার্টিতে রুমনো যেচে এসে পলাশের হাতে একটা পেপার প্লেট দিয়ে বললো”খাবেন না? সবাই খাচ্ছে!” পলাশ নড়েচড়ে উঠলো। হঠাৎ এত সুন্দরী চকমকে একটা মেয়ে এসে খেতে বলছে! আসলে পলাশ তখন দেশে ওর স্ত্রী রিনার কথা ভাবছিল। চোখে দু’ফোঁটা জল। মুছতে না পেরে গিলে খেল। ”নিন, ধরুন। ঐ যে কত সব খাবার পড়ে আছে। কি ভাবছেন এত!” বলে রুমনো পলাশের প্লেটটা নিয়ে চোখ দিয়ে বড়শির মতো ওকে টেনে নিয়ে গেল। কি খাবেন বলুন!’ পলাশ অবাক হয়ে মেয়েটার স্বতঃস্ফূর্ততা আর স্মার্টনেস দেখে। ‘কি নাম আপনার?’ ‘পলাশ। পলাশ রায়হান।’ ‘বৌ ছেলেমেয়ে!’ পলাশ ঢোক গিলে হঠাৎ কি ভাবলো। তাৎক্ষণিক উত্তরে বললো, ‘নেই। কেউই নেই।‘ রুমনো মুচকি হেসে খাবারের প্লেটটা হাতে দিয়ে বললো, ”যাবার আগে একবার দেখা করে যাবেন, কেমন!”

    রূপের কি বাহার কি মাদকতা মেয়েটির সমস্ত শরীর আর চেহারায়! কত কমনীয় সে! কে সে!”ওহ ভুলেই গেছি। পরিচয় দিচ্ছি। আমার নাম রুমনো। এই নিন আমার কার্ড।” বলে, মেয়েটি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেল। কার্ডটা হাতে নিয়ে পলাশ খাবার প্লেট হাতে বাড়ির কোণায় গিয়ে বসলো, একা। রিনার মুখটা আর মনে এলো না। অপরূপা সুন্দরী, রহস্যময়ী, স্মার্ট রুমনো নামের এই মেয়েটিকে ভালো করে জানতে হবে। কার্ডটা প্যান্টের পকেটে ভালো করে ঢুকিয়ে রেখে তাকিয়ে রইলো ভিড়ের মধ্যে। রুমনো বেশ ক’বার তাকালো ওর দিকে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বইয়ের
    অনলাইন বুক
    Library
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    রাত গম্ভীর হলো। বিয়ের পার্টিতে রুমনোকে সে শুধু আরেকবার দেখছিল খুব তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যেতে। কি এতো তাড়াহুড়ো করে চলে এলেন কেন! কার্ডটা দিয়ে কোথায় উধাও হলেন। কত খুঁজলাম! পরদিন ঘুম থেকে উঠেই পলাশ রুমনোকে ফোন করলো। সারারাত সে ছটফট করেছিল এই সকালটুকুর জন্যে।

    –ব্যাগ খুলে দেখি চাবি নেই। ভাবলাম, ঘরের দরজায় হয়তো ভুলে ফেলে এসেছি। সর্বনাশ! ভেবে, ভয়ে ছুট দিলাম। কিন্তু কি জানেন! পরে দেখি চাবিটা ব্যাগেই পড়েছিল। হাউ সিলি! থাক, অন্য কথা বলি। গতকাল আপনাকে দেখলাম খুব একা একা। স্ত্রী বাচ্চা নেই বললেন, কিন্তু বান্ধবী! রুমনো পলাশকে সুধোয়।

    –বন্ধু আছে। কিন্তু বান্ধবী নেই। আপনার!

    –সবই আছে। আবার কেউ-ই নেই। একা। খুব একা। কাউকে ভালোলাগে না। স্বামী ছিল। মনের মতো কোনদিনই মেলেনি, মিশ খায়নি। তাই ডিভোর্স হয়ে গেছে।

    পলাশের হার্ট ডাব লাব ডাব ডাব করতে শুরু করলো। একদিন আসুন আমার গরিবালয়ে। খুব খারাপ অবস্থা। এলে বসতে দিতে পারবো।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Books
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    PDF

     

    –বেশ ভালো। ঠিকানা দিন। টেলিফোন নম্বর?

    –সত্যিই আসবেন!

    –‘বাহ! না আসার কি আছে। বললে কাজশেষে আজ বিকেলেই আসতে পারি। কাজের পর কি করছেন? আমি ফ্রি।’ পলাশ চমকে উঠলো। প্রস্তুতির অভাব ছিল মনে। চট করে বলতে পারলো না। বললো ‘কাল আসুন। আসবেন?’ মনে মনে ভাবলো একদিন সময় হাতে থাকা ভালো। একটু ভাবা যাবে। একটা অপরিচিত সুন্দরী মেয়েকে চট করে এভাবে আসতে বলাটা যে রিস্কি, অন্তত সে ভাবনার সময়টুকু পাওয়া যাবে। মন না চাইলে মানাও করে দেয়া যাবে। মুহূর্তের জন্যে ভাবলো সে। ওকে, কাল আসবো। ঠিকানাটা লিখে নিচ্ছি বলুন।

    –রুমনো ফরিদপুরের মেয়ে। এখানে একটা এপার্টমেন্টে একজনের সঙ্গে রুম শেয়ার করে থাকে। সিটির চাকরি করে। স্বামী কলকাতায় গিয়ে ডিভোর্সের পর সে আবার বিয়ে করেছে। রুমনো আমেরিকায় চলে আসে সমীর বাবুর সাথে ডিভোর্সের পর। রুমনো আলট্রা মডার্ন। কিন্তু সমীর চ্যাটার্জি ঠিক তার উল্টোটা। ভারিক্কি আর আধ্যাত্মিক ধরনের পুরুষ। মন মেজাজে রক্ষণশীল। তাই বিয়ে ভেঙে গেল মাত্র তিন বছরের মাথায়। এ দেশে রুমনোকে অনেকেই বিয়ের প্রস্তাব দিলেও সে প্রত্যেকটি প্রস্তাবই নাকচ করে দিয়ে বলেছে ভালো আছি। স্বাধীন জীবন। নাক গলাবার কেউ নেই। তাই বিয়ের কথা বললেই হো-হো করে হাসে এই দারুণ অহঙ্কারী মেয়েটি। কিন্তু পলাশের এক ডাকেই সে চলে গেল পরদিন সোজা ওর এপার্টমেন্টে। কেন! ভেবে নিজেও সে অবাক হয়।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ই-বই
    Books
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার

     

    –আসুন। গরিবের ছোট ঘর। মনে কিছু নেবেন না কিন্তু।

    –এতো আদিখ্যেতার কোনও দরকার নেই। আমারটা দেখলে নিজেরটাকে গরিব বলবেন না। বলতে বলতে রুমনো পলাশের ঘরে ঢুকলো। পলাশের মনে হলো সে যেন নির্ঘাত স্বর্গ থেকে আসা এক অপ্সরী। দু’জনে ড্রয়িং রুমে বসে গল্প বলতে শুরু করলো।

    –চা খাবেন?

    –আপনি! খাবেন! চা খাবেন!

    –খাবো, বসুন। বানিয়ে আনছি।

    –আপনি বসুন। আমি বানিয়ে আনছি। বলুন টি ব্যাগ কোথায়! চিনি! দুধ!

    –দেখিয়েই যদি দিতে হয় তার চেয়ে বরং নিজে তৈরি করাই কি ভালো নয়। হাসতে হাসতে পলাশ বললো, আবহাওয়াটা একটু হালকা করতে।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    Library
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    একসময় দুজন দুজনের জীবনের গল্পে মেতে উঠলো। সেই দিনের পর থেকে নিঃসঙ্গ দু’জনের মধ্যে দ্রুত গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্ব একদিন ভালোবাসায় রূপ না নিয়ে পারলো না। তিন মাস পর রুমনো পলাশের সঙ্গে একই এপার্টমেন্টে মুভ করলো। তারপর থেকে ওরা একসাথে এক এপার্টমেন্টে স্বামী-স্ত্রী জীবন যাপন শুরু করে। এমনি করে পলাশ, রিনার কথা ভুলেই যায়।

    –আবার বিয়ের কথা কখনো ভাবিনি। যদি চাও তাহলে নতুন করে ভাববো পলাশ!

    –কি দরকার রুমনো! এমনিই ভালো আছি। তুমিই বলেছ। নাক গলাবার কেউ নেই! ফ্রি! বিয়ে হলেই বলবো এটা করো। ওটা করো। এখন তুমি যা ইচ্ছে করতে পারো। তখন পারবে না।

    –পলাশ তুমি তো অবিবাহিত। কোনওদিন হয়তো পালিয়ে যাবে। নিশ্চয়ই তোমার বিয়ের ইচ্ছেটা মরে যায়নি। বললো রুমনো।

    –‘বলেছি তো পালিয়ে যাবো না। হলো তো!’ রুমনোর মাঝে মাঝেই ভয় হয়। ভয় হয় পলাশ একদিন সত্যি সত্যি চলে যাবে। তাই এরকম প্রায়ই সে পলাশকে হুট করে কথায় কথায় বিয়ের কথা বলে ফেলে, প্রতিবারই প্রত্যাখ্যাত হয়ে লজ্জা পায়। কিন্তু ওর গোপন ইচ্ছেটা কিছুতেই মন থেকে যায় না। পলাশকে ও প্রাণ থেকে ভালোবাসে। শিশুর মতো।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Books
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    গ্রন্থাগার

     

    পলাশ বিবাহিত, রুমনো সেকথা জানে না। কিছুদিন পর পলাশ এক কাপ কফি নিয়ে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ভাবছে রিনার কথা। বাচ্চাদের কথা। রুমনোর কারণে তাকে লুকিয়ে ফোন করতে হয়। রুমনো, শুনলে কষ্ট পাবে। কিন্তু আর কতদিন এভাবে! রিনা ওর স্ত্রী। রুমনো তাহলে, কে! বান্ধবী! এই বন্ধুত্ব কি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের চেয়েও গভীর নয়! দু’জন একসাথে থাকছে। স্বামী-স্ত্রীর মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে। রাতে জড়িয়ে ধরে ঘুমোচ্ছে। শরীর খারাপ লাগলে স্ত্রীর কোমলতা দিয়ে শিয়রে বসে রুমনো রাত জাগে। এই সম্পর্ক কি মেকি? ভাবতে ভাবতে পলাশ এসে ধড়াস্ করে শুয়ে পড়লো চারপেগ নির্জলা হুইস্কি খেয়ে।

    এমনি করেই আরো দু’বছর পার হয়ে যায়। রুমনো যদি চলে যায়! তার চেয়ে বরং ওকে বলাটাই ভালো নয় কি! রুমনোকে সে ছেড়ে থাকতে পারবে না। রিনাকে সে কি দোষে ডিভোর্স দেবে! বরং রুমনোকে সব কথা খুলে বলবে। বলবে, রুমনো–কে সে রিনার চেয়েও বেশি ভালোবাসে। নিশ্চয়ই সে তা বুঝবে।

    –কি ভাবছো! চোখে জল কেন! এ কি, পলাশ!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    পিডিএফ
    বাংলা গল্প
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    –তোমাকে একটা কথা বলা প্রয়োজন।

    –বলো। হাতে চায়ের কাপটা কেঁপে উঠলো। ‘বলো, কি বলবে?’

    –বলছি। চলো ভেতরের ঘরে গিয়ে বসি।

    –রুমনো, আমার অপরাধ নিও না। আর পারছি না, না বলে থাকতে। তোমার মতো সুন্দর মনের মানুষ আমি জীবনে কাউকেই দেখিনি। তোমার মতো ভালোও কাউকে দেখিনি। লোকে তোমাকে ভুল বুঝে, বুঝুক। আমি কিন্তু জানি, তুমি ভালো। খুব ভালো।

    –রুমনো আমি বিবাহিত। দেশে আমার স্ত্রী এবং দুই মেয়ে আছে। রুমনো পলাশের কথার কোনও উত্তর দিলো না।

    –কি কিছু বলছে না যে! রুমনো! কিছু বলো! বলো আমি নষ্ট! খারাপ।

    –‘কি বলবো বল। সবই ঠিক আছে।’ বলেই রুমনো গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেল।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা গল্প

     

    সেই রাতেই মিডটাউনের ক্রসিংয়ে বিরাট এক গাড়ি এক্সিডেন্টে রুমনো মাতাল অবস্থায় মারা গেল। ওর মৃত্যু নিয়ে পত্রপত্রিকায় হৈ-চৈ। পুলিশ এসে পলাশকে মর্গে নিয়ে গেল। দেহ সনাক্ত দাহন ইত্যাদি সব পলাশই করেছিল। দাহনের আগে বিয়ের কাজটুকু ফিউনারেল হোমেই পলাশ মন্দির থেকে ব্রাহ্মণ ডেকে এনে সম্পন্ন করলো। ওকে শাখা সিঁদুর পরিয়ে দিলো। রুমনো হিন্দু, পলাশ নয়। কিন্তু ওর কাছে বিয়েটা ভীষণ জরুরি মনে হলো। রুমনোর ইচ্ছা ছিল পলাশের স্ত্রী হওয়ার। এই ইচ্ছে সে অপূর্ণ রাখবে না। কিছুতেই না। হলই-বা বিয়েটা এক মৃতের সঙ্গে। তবুও সে, তার। রুমনোর মৃত্যু ওকে শূন্য করে দিয়েছে। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই বারে যাতায়াত। তারপর থেকে যথেষ্ট সুযোগ পেলেও আর কোনও মেয়ের সঙ্গে সে বন্ধুত্ব করতে রাজি নয়। এই আগুনের তাপে একবার সে শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু ঐ যে মেয়েটি মুচকি হাসছে! দেখতে স্বর্গের অপ্সরীর মতো। দেখেই ইচ্ছে হচ্ছে জড়িয়ে ধরে ওর কামরাঙা ঠোঁটে চুমু খেতে।

    –‘হাই’! মেয়েটা ওর টেবিলে এলো। ইংরেজিতে বললে, সেই থেকে কি এতো ভাবছো কি! তুমি কি ভারতীয়? ভারতীয় পুরুষদের আমার খুব ভালো লাগে। ওরা খুব ভালো। ওহ নামই বলা হয়নি। আমার নাম ডেলোরেস! তোমার নাম?

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বুক
    PDF
    বই পড়ুন
    বাংলা কবিতা

     

    –পলাশ। আমি ভারতীয় নই। বাংলাদেশি, কেমন।

    –খুব সুন্দর নাম। তোমার পাশে কি বসতে পারি?

    –হ্যাঁ, কিন্তু! কিন্তু তোমার সঙ্গে ঐ যেলোকটা এসেছে সে কিছু মনে করবে না? আমি কিন্তু কোনও ঝামেলা চাই না।

    না না। ওর সাথে পরিচয় বারে আসার পর। সে আমার কেউ নয়। জাস্ট কম্পোনি। ভেবেছিলাম চতুর, কিন্তু এক্কেবারে গাধা। এবার বলো তুমি কেন এত গম্ভীর। কি হয়েছে! জানো, তোমার চোখ দুটো ভীষণ বিষণ্ণ। সেই থেকে তোমার দু’চোখ আমাকে তাড়া করছে। তোমার চোখে কি যেন একটা রহস্য আছে। তুমি কি জান?

    –জানি। আরেকটি মেয়েও আমাকে বলেছিল। তার নাম রুমনো। যেচে এসে তোমার মতোই পাশে বসেছিল। একদিন ফুরুত করে কোথায় যেন পালিয়ে গেল। তা বলো তুমি কি জন্যে এসেছো?

    –এমনিই। না চাইলে চলে যাবো।

    –না-না বসো। মানে, তোমার মতো সুন্দরী মেয়ে ক্লাবে এতো সুন্দর ছেলেদের রেখে আমার পাশে…!

    –‘সিগ্রেট খাবে?’ বলে জাদুকরী হাসিতে দাঁড়ালো ডেলোরেস।

    –খাবো। আছে?

    –‘আছে। মার্লবরো। রেগুলার। এই নাও।’ বলে ঠাস করে লাইটার জেলে সিগ্রেটটা ধরিয়ে দিল। নিজেও একটা সিগ্রেট খেতে খেতে বললো, রুমনো কি তোমার স্ত্রী না বান্ধবী! পলাশ আঁতকে উঠলো। কি কঠিন প্রশ্ন। সর্বনাশ! একথা তো সে ভাবেনি কখনো! কি উত্তর দেবে? স্ত্রী? আমার স্ত্রীর নাম তো রিনা। কিন্তু যাকে সিঁদুর পরালাম! ছি! এসব কি ভাবছি? আমি কি পাগল হয়ে গেছি! একটা মানুষ ক’জনকে ভালোবাসে!

    –কি, বলবে সে!

    –স্ত্রী, রুমনো আমার স্ত্রী। হলো! কেন জানতে চাইছো? তোমার সাথে আমার সামান্য পরিচয়ে এতো কথা কেন জিজ্ঞেস করছো? তুমি খুব নাকগলাও।

    স্যরি, আমি এতো কিছু ভেবে বলিনি। ইটস ওকে। আমিই বরং স্যরি। আসলে কি জান। রুমনো মরে গেছে। আমার খুব কষ্ট হয় ওর জন্যে, তাই চেঁচিয়ে উঠেছি।

    –আমি খু-উ-ব দুঃখিত। যাচ্ছি।

    –না, তুমি বসো। তুমি বসে থাকবে। কিছুক্ষণ অন্তত। তোমাকেও আমার ভালো লেগেছে। অনেকটা রুমনোর মতোই তুমিও। রুমনো একদিন আমার জীবন জুড়ে এমনি করেই এসে বসেছিল…। তোমার মতোই সুন্দরী সে। কমনীয়। স্মার্ট। শুধু ওর চুলগুলো ছিল কালো এবং কোকড়ানো। বলে রুমনোর ছবিটা ওয়ালেট থেকে বের করে দেখালো।

    –অদ্ভুত সুন্দরী। আমি দুঃখিত যে সে বেঁচে নেই। তোমার দুর্ভাগ্য।

    –ডেলোরেস এবার তোমার কথা বল।

    এবার একটু পজ দিয়ে হাতের সিগ্রেটটা নিবিয়ে ফেলে বললো–আমি সুন্দরী এবং ধনী, কিন্তু নিঃস্ব। তাই বারে আসি। বন্ধুর খোঁজে। এক বছর ধরে প্রকৃত বন্ধু খুঁজছি। অনেকের সঙ্গে বসেই মদ খাই কিন্তু মনের মতো কাউকেই পাচ্ছি না, যাকে সত্যিকারের বন্ধু বলা যায়। ঐ যে লোকটার সঙ্গে মদ খেলাম, সে একটা স্টুপিড। পরিচয়ের পরেই বলে চু-উ-মু খাবে। আই হেইট হিম।

    –আমার বাবা-মা ডিভোর্সড। পোর্টোরিকো থেকে এখানে এসে ওয়াল স্ট্রিটে কাজ করেছি। সেখানে ট্রেনিং নিয়ে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং শিখেছি। এখন আমি ওয়াল স্ট্রিটে চাকরি করছি খুব উঁচু পদে। নাসডাক স্টকের সিম্বল নিয়ে টিভি-তে যে ফিতে নড়ে, আমি সেসবের দায়িত্বে। তুমি স্টক করো?

    –করি না। কিন্তু বুঝতে পারি তুমি কি বলছো। এই কাজ তো খুব গুরুত্বপূর্ণ। দাও আরেকটা সিগ্রেট দাও। তোমার কথা আরো বলো। ভালো লাগছে।

    বারে তখন জমজমাট আড্ডা পিং-পং টেবিলের জন্যে লাইন ধরে লোক। ড্যান্স ফ্লোরটা দারুণ মেতেছে। জোড়ায় জোড়ায়-যৌবনের তরঙ্গ পুরো বারটা জুড়েই। মধ্য বয়সের সব যুবক-যুবতী। যৌবন তরঙ্গে–উত্তাল সমুদ্রের জোয়ারের মতো শ্বেতশুভ্র ঢেউয়ের মতো আছাড়ি-পিছাড়ি খাচ্ছে জোড়ায়-জোড়ায়।

    –নাচবে! ডেলোরেস জিজ্ঞেস করলো।

    –নাচতে জানি না।

    –দেখিয়ে দেবো।

    –আরেক দিন, আজ না।

    –চলো প্লিজ! আমি তোমার সাথে নাচতে চাই। তোমার চোখ সুন্দর। আমি তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে ভাসতে চাই।

    –পরে যাবো, আরো বলো তোমার কথা। তোমার স্বামী-ছেলেমেয়ে।

    –আমি ডিভোর্সড। ছেলেমেয়ে নেই। মাতালটা শরীরের লোভে বিয়ে করে দু’বছর পরে অন্য মেয়ের সঙ্গে চলে গেল। আমি তখন গরিব। এতো সুন্দরীও ছিলাম না। আমি এই অবিচারের প্রতিশোধ নিয়েছি। এখন আমার অনেক টাকা। ম্যানহাটানে এপার্টমেন্ট। লোকটা ফিরে আসতে চায়। ইউ কিডিং! আমি খুউব ভালো আছি একা। কিন্তু নিঃসঙ্গতা মাঝে মাঝে কুরে কুরে খায়। আমি একজন ভালো সঙ্গীর অপেক্ষায় আছি পলাশ। যাই হোক এবার চলো নাচবো।

    –চলো। তবে আগেই বলেছি, আমি নাচতে জানি না।

    –বলেছি তো শিখিয়ে দেবো।

    ডেলোরেস হেসে পলাশের হাত ধরে টান দিল।

    ডি-জের নিয়ন্ত্রণে ড্যান্স ফ্লোরে তখন মাকারিনা বাজছে। ফ্লোরে সবাই ভীষণ মুডে। ডেলোরেস ওর পেন্সিল হিলের ওপর পাক দিয়ে পলাশের কোমরে হাত দিল। পলাশের ডান হাতটা নিজের বাম হাতে ধরে নিজের ডান হাত পলাশের কোমরের পেছনে দিয়ে ওকে ঘুরপাক খাওয়াতে থাকলো। পলাশ ওকে ফলো করলো। ডেলোরেস প্রতিটি স্টেপ ওকে ধরিয়ে দিল। আধ ঘণ্টার মধ্যে পলাশ ওর ডান পা বাম পা-তে ঠিকমতো বিট মিলিয়ে সবার সঙ্গে মাকারিনা নাচতে থাকলো। এবার ডি-জে স্লো ড্যান্সের মিউজিক দিলো। লাভ সং। ভীষণ স্লো। শুধু বুকে মাথা আর হাতে হাত রেখে ঢেউয়ের মতন দুলে দুলে নাচা ছাড়া করার কিছু নেই। পলাশের বুকে আচমকা ডেলোরেস ওর মাথা রাখতেই পলাশ, আঁতকে উঠে মনে মনে বললো, সর্বনাশ।

    –পলাশ, আমার নিঃসঙ্গতা ঘোচানোর জন্যে তোমার মতো সুন্দর আকর্ষণীয় সুপুরুষ আমি দু’বছর ধরে খুঁজছি। আমি কামার্ত! আমি রিক্ত! আমি … আমি …। জানো! আমার অনেক অর্থ। দেখো আমার কানের দুটো হীরের দাম পঞ্চাশ হাজার ডলার। আর শরীরে এখন দুশো হাজার ডলারের হীরে আছে। ব্যাংকে আমার লক্ষ লক্ষ টাকা। কিন্তু শান্তি নেই। আমি রাতের বেলায় কারো বুকে মাথা রেখে দু’বছর ঘুমোইনি। মাঝরাতে বুকের ভেতর নিঃসঙ্গ সমুদ্র গর্জে ওঠে। এই অর্থবিত্তের কি মূল্য, বলো! তুমি যদি চাও আমরা ডেইট করে দেখতে পারি যে, আমরা একজন আরেকজনকে ভালোবাসতে পারি কি, পারি না।

    পলাশ, এসবের কিছুই বুঝতে পারছে না। এতো দ্রুত সব ঘটছে। অথচ ডেলোরেসের মতো মেয়েকে ‘না’ বলাটাও বোকামো। সেতো একটা সোনার হরিণ!

    –ডেলোরেস বাড়ি যেতে চাই। মদ আর খাবো না। বমি আসছে।

    –আমার বাড়িতে চলো। যত্ন করবো।

    –না ডেলোরেস। নিজের বাসায় না ফিরলে রুমমেট দুশ্চিন্তা করবে।

    –ম্যানহাটানে-আমি তোমাকে যে একা ছাড়তেই চাই না। তুমি মাতাল। রাস্তায় পড়ে যেতে পারো।

    –ডেলোরেস আমি ভালো থাকবো। ভেবো না। আজ যাই।

    –ঘরে গিয়ে ফোন করবো।

    –হ্যাঁ।

    –এই নাও কার্ড। সব নম্বর দেয়া আছে। ফিরেই কল করবে, প্রমিজ! তোমার নম্বরটা!

    –‘নেই ডেলোরেস। রুমনো সেটা ওর চিতায় নিয়ে গেছে। আসি।’ বলে পা দুটো কোনরকম টেনে পলাশ হাঁটতে শুরু করে।

    ডেলোরেস তাকিয়ে দেখলো পলাশ সামান্য দুলছে। রাস্তায় বাতির নিচে এক কোণায় দাঁড়িয়ে হাতের কার্ডটা কয়েক সেকেন্ড পড়লো। ডেলোরেস রড্রিগ্যাজ। সিনিয়র কন্ট্রোলার। এস ই সি। সর্বনাশ! এই কার্ড যদি সত্যি ওর হয়ে থাকে তবে ও কত বড়মাপের মানুষ। কিন্তু পরিস্থিতির কাছে কত তুচ্ছ, অসহায়! এই মেয়ে তো সোনার হরিণ!

    না–না এ আগুনে আর ঝাঁপ দেয়া নয়। এবার পালাতে হবে। জীবন নিয়ে। রুমনো আমার সব নিয়ে গেছে।

    কার্ডটা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে দিয়ে একটা ট্যাক্সি ডেকে পলাশ দ্রুত বাড়ি ফিরে গেল। পরদিন রাতে সে রিনাকে ফোন করলো। বাবাকেও। সবাইকেই জানালো ওর দুর্বিষহ প্রবাস জীবনের কথা। ‘বাবা এবার দেশে ফিরতে চাই। আর পারছি না। কত বছর রিনা আর মেয়েদের দেখিনি। এবার ফিরে একসঙ্গে বাঁচতে চাই।’

    কি বলিস পলাশ! লোকেরা একটা আমেরিকার ভিসার জন্যে মরে যাচ্ছে। খবরদার! এই চিন্তাও করিস না। জানিস দেশের কি অবস্থা! বসে খেলে রাজার ভাণ্ডারও ফুরিয়ে যায়, তুই নিশ্চয়ই পাগল হয়ে যাসনি। দেশ, দেশ নেই। চুলোয় গেছে। সরকার একটা আস্ত জানোয়ার! একটা এঁটো শুয়োর! আমি গাজীপুরে দশ লক্ষ টাকার জমিতে সামান্য বায়না দিয়ে দিয়েছি। বাকি টাকা এক বছরের মধ্যেই লাগবে। ওসব চিন্তা মাথায় কিছুতেই জায়গা দিবি না। তুই দেখ কি ভাবে টাকাটা দ্রুত পাঠাতে পারিস। পাগল না হলে কি কেউ আমেরিকা থেকে ফিরে আসতে চায়। রিনাও নির্লিপ্ত রইলো।

    ‘না বাবা পাগল হয়ে যাইনি। তবে হবো। শিগগিরই হবো।’ বলে, পলাশ ফোন নামিয়ে আনমনা হাঁটতে হাঁটতে সেই বারে গেল।

    ভাবছে, বাবা-চাচা, স্ত্রী কেউই রাজি হলো না ওর দেশে ফিরে যাবার সিদ্ধান্তে।

    ইস! কার্ডটা থাকলে ডেলোরেসকে আজ একটা ফোন করা যেতো। বারে তিন আঙুলে মদের গ্লাস ধরে রাজ্যের ভাবনা মাথায় নিয়ে সে একা বসে আছে। ডেলোরসের কথা ঘুরেফিরে মনে পড়ছে। কিন্তু নম্বর নেই। ভাবলো, সেই বরং ভালো। কী প্রয়োজন এই মায়ার খেলার! ডেলোরেস ক্ষমা করো। তুমি সুখী হও। তোমার ইচ্ছে পূর্ণ হোক। তুমি কাউকে খুঁজে নাও। ভাবতেই ডি-জে লাইটটা কমিয়ে দিয়ে স্লো ড্যান্সের মিউজিক ছাড়লো। ফ্লোরে সে একা নাচতে থাকলো। আবছা আলো আঁধারে ওর চোখ গিয়ে পড়লো অন্য কোথাও। রিনা আর তার দুই মেয়ে। দৌড়ে আসছে ওকে দুয়ারে দেখে। কল্পনায় সে দেশে ফেরে। আবছা আলোয় নাটকীয়ভাবে খেলে যাচ্ছে ওর চোখের সামনে রিনা, মলি আর মেঘনার আলো-অন্ধকার মুখ।

    সেই ছায়ায়–ওরা সবাই ঘুরতে থাকলো দুয়ারের একটা গাছের নিচে। মাথার উপর পূর্ণিমার মস্ত চাঁদ। গাছে দুটো ফুল, ডালপালাগুলো সবুজ পাতায় ছাওয়া। ওরা ঘুরে ঘুরে নাচছে। এর মধ্যে ফুলকির মতো হঠাই কোত্থেকে ডেলোরেস এলো। পলাশ শুধু দুই বাহুতে ওকে জড়িয়ে নিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট ঘষলো। মুখে কেউ কোনও কথা বললো না। ফ্লোরে তখন, স্লো মিউজিক। দু’জনেরই চোখে অল্প জল–ক্লাবে নিভু নিভু সোনালি আলো। ডেলোরেস কখন থেকে যে ওর বুকে মাথা রেখে নাচছে, কিছুতেই সে মনে করতে পারছে না। একবার ভাবলো একি সত্যি! নাকি কল্পনা। হঠাৎ দু’চোখে কিছু একটা অনুভব হলো। ডে-লো-রে-স …।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }