Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ

    মিনা ফারাহ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৬. নারী খাদকেরা

    (কাজের মেয়ে, সাধুসন্ত ও পীর ফকির)

    ক. নরখাদক নয়। নারীখাদক। পুরুষ, যারা অনেকেই নারীদেহ থেকে নিজেকে আলাদা করে ভাবতে চায় না। পারেও না। কোনও না কোনওভাবে নারীদেহ তাকে উপভোগ করতেই হবে। তা সে যে-কোনও বয়সী হোক না কেন। মেয়ে। থেকে মায়ের বিভিন্ন বয়সী নারীদেহের প্রতি পুরুষের বিভিন্ন ধরনের বিকার থাকে। ছোটবেলায় মেয়েদের শরীরে পুরুষের এই বিকারের বিচরণ এত দেখেছি যে, তার সামান্য ক’টির উল্লেখই যথেষ্ট হবে বলে মনে হয়। এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া কঠিন, যে বাড়ির পুরুষ কাজের মেয়ের মশারির তলায়, ঢোকেনি! ক’জন। পুরুষ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে যে তারা কোনও না কোনও অজুহাতে, কাজের মেয়ের শরীর ছোঁয়নি! এমনকি নাবালিকার স্তনের কুঁড়ি আর সদ্য ফোঁটা প্রত্যঙ্গে জননেন্দ্রিয় ছলে-বলে-কৌশলে একবারও তার হাত ছোঁয়ানোর চেষ্টা করেনি এমন পুরুষ ক’জন আছেন বলা কঠিন! আমার বিশ্বাস, সংখ্যায় তারা নিতান্তই অঙ্গুলিমেয়।

    একাধিক পুরুষের খবর জানতাম যারা একই বাড়িতে মা-মেয়ে দুজনকেই ভোগ করেছে। দেহ না দিলে ওদের চাকরি যাবে। কাজের মেয়েরা যারা অকাল বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা কিংবা যৌনজীবনে অতৃপ্ত, তাদের অনেকেই স্বেচ্ছায় না হলেও পেটের তাগিদে তাদের প্রভুদের সঙ্গে গোপন জীবনযাপনে অংশ নেননি এর সংখ্যা নিরূপণ করা বেশ কঠিন। আর যারা বাধ্য হয়ে দেহদানের মতো কুকর্মে লিপ্ত হয় তাদের বেশির ভাগই দুর্বলচিত্ত, অভাবী কিংবা বিপদগ্রস্ত নারী। ওরা জীবন সংগ্রামে অর্থের প্রয়োজনে অনন্যোপায়। তবে অধিকাংশই জোর-জবরদস্তি, লুকিয়ে-চুরিয়ে, গোপনে, আড়ালে-আবডালে বাড়ির কর্তা ব্যক্তিদের হাতে নাবালিকা ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য অপরাধে অপরাধী। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এমন ঘটনা প্রতিপত্তির জোরে কখনওই বাইরে জানাজানি হয় না।

    ছোটবেলায় আমার সমবয়সী কাজের মেয়ে যাদের নাম ছিল আকলি-রেনু-বুড়ি লতা ওদের মুখেও শুনেছি শহরের ছোটলোক-বড়লোক, একই বাড়িতে বাবা ছেলেদের মতো নষ্ট পুরুষদের গল্প। একই বাড়িতে কিংবা একই ঘরে মালিক, মালিকের ছেলে, কর্মচারী, প্রতিবেশী, অতিথি যে যেভাবে পারছে, করছে। ওদের সকলেরই চাহিদা তো স্রেফ একটি নারীর দেহপিণ্ড! ঘরে বৌ থাকলেও যা, নাথাকলেও একই রকম। আর বছরের পর বছর বা আজীবন, গ্রামে বৌ রেখে শহরে কাজ করতে এলে তো কথাই নেই। ওরা তো অতি সঙ্গত কারণেই যাবে। এটাই পুরুষের ধর্ম। ওদের নারীরাও জানে যে, এটাই সক্ষম পুরুষালির বড় পরিচয়। এবং এসব কাজের জন্যে বাড়ির নিরীহ কাজের মেয়েটিই সবচেয়ে সুলভ এবং নিরাপদ হিসেবে গণ্য হয়। উপরন্তু তুলনামূলকভাবে সস্তাও বটে। মা না হলে, মেয়ে। মেয়ে না হলে মা। অদল-বদলের একটা আলাদা স্বাদ। কচি-বুড়ো সবরকমের।

     

     

    গ্রামের সুবিধে অতিরিক্ত। সেখানে রয়েছে ঝোঁপ-ঝাড়, পাটক্ষেত, গাছের আড়াল। রয়েছে অন্ধকার সঙ্গে নির্জনতা। কাজের শেষে সবাই ঘুমোতে গেলে ওরা যে যার সুবিধেমতো বেরিয়ে আসে। পা টিপে টিপে গীতার বাবা ঢেকে রেনুর মায়ের মশারির ভেতরে। রেনুর মা সব কাজশেষে নারকেল তেলের কৌটো নিয়ে অপেক্ষা করে বসে থাকে। শুষ্ক যোনিতে পুরুষাঙ্গটিকে তেল না খাওয়ালে কষ্ট হয়। কিংবা রেনুর মা যখন গভীর ঘুমে। মাত্র নতুন কাজে এসেছে। আর গীতার বাবা পা টিপে টিপে এসেই রেনুর মায়ের মশারি তুলে বলছে, চোপ, একটা কথাও কইবা না। কইলেই …, বলে বিশ টাকার নোটটি হাতে গুঁজে দিয়েই, স্তনে মুখ গুঁজে দেয়। আর রেনুর মাও স্বতশ্চল হয়ে যান্ত্রিকভাবে দু’পা বিযুক্ত করে দেয়। আর পুরুষটি প্রবিষ্ট হয় যোনিতে। রেনুর মা জানে কখন কি তার করণীয়। অবস্থা বুঝে। কারণ এই জীবন তার অজানা নয়।

    প্রধানত অসহায়, গরিব, অশিক্ষিত বাপ-মায়ের মেয়েরাই পুরুষের এই নিষ্ঠুরতার শিকার। গ্রামে, শহরে, রাজধানীতে। পুরুষগুলোর নিরাপত্তা এই যে ওরা সহজেই নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারে। বিছানা ছাড়া মাত্রই ওদের আর ধরা যায় না। ওদের অপকর্মের তাৎক্ষণিক কোনও চিহ্ন থাকে না। পেট ফোলাফুলির ব্যাপারটাও নেই ওদের। ওটা শুধু মেয়েদেরই। অনেক বাড়িতেই দেখা যায় কাজের মেয়েটা, বলা নেই কওয়া নেই তিন মাসের পোয়াতি। সে শুয়ে থাকে আর ওয়াক ওয়াক করে। জানাজানি হওয়ার আগেই স্বয়ং মালিকের আত্মঘাতী পরনির্ভরশীল, স্বার্থপর স্ত্রী নিজেই বাচ্চা নষ্ট করার ব্যবস্থা করে দেয় স্বামীর দুর্নাম ঘোচাতে। কেননা পরনির্ভরশীল নারী, স্বামীর অর্থনৈতিক শক্তির কাছে শৃঙ্খলিত নির্বোধ প্রাণীর মতো। দিনকে ওরা রাত করে দেয়, রাতকে দিন বানাতেও ওদের জুড়ি নেই। কখনো কখনো এধরনের অনেক পোয়াতির অকাল মৃত্যুর সংবাদ প্রকাশও হয় না। হলেও তা ভূতের আছর হিসেবেই প্রচারিত হয়। সঙ্কীর্ণ পুরুষশাসিত সমাজ ব্যবস্থার মাহাত্ম এরকমই।

     

     

    মধ্যবয়সী কর্তার এই বিলাসিতার বিষয়টি প্রথমে জানে বাড়ির গিন্নিমা। পরে পাশের বাড়ি। তারপরে পাড়াসুদ্ধ। সবশেষে আস্ত গাঁয়ের লোক। তবে অনেক সময় অনেক মুখরা স্বভাবের কাজের মেয়েগুলোকে বাগে আনা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কাজ থেকে অব্যাহতি পেলে তারা নিজেরাই এধরনের কুৎসা রটিয়ে মালিকপক্ষকে বিপাকে ফেলতে সচেষ্ট হয়। মধ্য বয়সী পুরুষদের এরকম সঙ্কটময় যৌনজীবনের বিড়ম্বনা নতুন কোনও ঘটনা নয়। এসব কুকীর্তির সংবাদ বেশিদিন চাপাও থাকে না।

    একা এবং সুযোগ পেলেই নাগালের মেয়েগুলোর স্তন টেপাটেপি করতে যেন আর তর সয় না কামার্ত পুরুষগুলোর। তা সে দুই বছরই হোক ষোল বছরই হোক। আদর করার নাম করে ঘরের দরজা বন্ধ করে কোলে বসিয়ে নিয়ে নিজেদের পুরুষাঙ্গটি ঘষতে থাকে অপ্রাপ্ত বয়সীর যোনিদেশে। মেয়ের বয়সী শিশুটির হাফ প্যান্টের ফাঁকে পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে কতই না রক্ত ঝরায়! অসহায় শিশুটির কিছুই বলার থাকে না; অনভ্যস্ত ব্যথায় চোখের জল ঝরানো ছাড়া। শিশুটির ফুলে ওঠা রক্তাক্ত, বিক্ষত যৌনাঙ্গ মায়ের চোখ এড়িয়ে যায়। সুযোগ পেলেই আদর করার ছলে, চাচা, মামা, নানা, অমুক ভাই ওরা মেয়েদের টেনে নিয়ে যায় একলা ঘরে। ছোটবেলার কত অভিজ্ঞতা। ক’টা বলবো? মনে পড়ে বুলবুলির মায়ের কথা। অকাল বিধবা। মাথাভর্তি কালো চুল। গড়িয়ে পড়া যৌবন। সাদা ধুতির নিচে পরিপুষ্ট স্বাস্থ্যের বর্তুল স্ফীতি হাঁটার সময় জোয়ারের জলের মতো দু’পাশে ডাইনে-বাঁয়ে দোলে। সুযোগ পেলে বুলবুলির মা নিজেই দালানের পেছনে যেত বাড়ির মালিকের সঙ্গে। আর বুলবুলি যেত কর্মচারী ছোঁড়ার সঙ্গে পায়খানায় প্রায় প্রতিদিনই। যথানিয়মে একদিন বুলবুলির মায়ের পেট ফুলে ওঠে। জানতে পেরে মালিকের বৌ তাকে নিয়ে যায় কবিরাজের কাছে। বুলবুলিরও পেট ফোলে। যায় পীর-ফকিরের কাছে। এ-রকম এক গোলমেলে পরিস্থিতিতে বুলবুলির মায়ের মৃত্যু সংবাদ কোনও সংবাদই হলো না। আপদ গ্যাছে। মা নেই তাই মেয়ের কথা কে বলবে! বুলবুলির পেট হলে তের বছরের বুলবুলি, মেয়ের মা হয়। জীবন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে যোব বছর বয়সে বুলবুলি, পৃথিবীর সবচেয়ে পুরানো এবং সহজ কাজ খুঁজে পেতে বেশ্যা খাতায় নাম লেখায়।

     

     

    খ. গ্রামের ফকিরগুলোকে কাজ দিতে চাইলে ওরা কিছুতেই রাজি হয় না। যদি বলা হয়, ‘জোয়ান বেডি কাম কর না কিল্লাই!’ বিরক্ত হয়ে মুখটা ঘুরিয়ে ভিক্ষের অপেক্ষা না করেই চলে যায়। দিনের বেলায় এদিক-ওদিক ঘুরে ফিরে। ভিক্ষে করাটাই ওরা স্বাধীন পেশা হিসেবে সম্মানজনক মনে করে। আর রাত্রিবেলায় শহরের এর-ওর হাত ধরে চলে যায় অন্ধকারে। কেউ চালার তলে। কেউ গাঙিনার পারে, কেউ পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ির বিশাল দেয়ালের ওপারে। গ্রামে এগুলো কোনও ব্যাপারই নয়।

    ‘ভাত জোটে না। আবার পেড হইছে! ক্যান হইছে! আগে মনে থাকে না? ক এইডার বাপ কেডা।’ বিলকিস উত্তর দেয় না। ওর মুখ-চোখ ভাঙা। পেটটা মাটির দিকে ঝুলছে। মনে হয় এক্ষুণি প্রসব হয়ে যাবে। ভাত নিয়ে সে চলে যায়। এক সপ্তাহ পর ফিরে আসে বাচ্চা কোলে নিয়ে। আমরা উৎসুক হয়ে বাচ্চা দেখি। কাপড় দিই। দুধ দিই। দুধ না থাকলে কেনার পয়সা দিই। দিই আর অবাক হয়ে দেখি। দেখি শহরের অনেক ভিখিরির কোলের বাচ্চাগুলো যতই বড় হয় ওদের চেহারাগুলো ততই ধীরে ধীরে মনে হয় দীনু কাকা, নান্টু, বিন্দু, মিজান, মিন্টু ওদের মতো হয়। মকবুল যতই বড় হয় ততই ওর নাক-চোখ-ঠোঁট হয় চেয়ারম্যানের মতো। বিলু যতই বড় হয় দেখতে হয় আমার আপন কাকার মতো; অবিকল একই চেহারার।

     

     

    ফকিরনিকে ধমকে জিজ্ঞেস করি। বলি, কাউরে কমু না। সে আমার কথার কোনও উত্তর দেয় না। শুধু বিস্মিত চোখ অন্যদিকে ফিরিয়ে রাগ রাগ চেহারা করে তাকিয়ে থাকে। থেকে বলে, ভাত দিলে দ্যান। খালি খালি, এতো কথা জিগান ক্যান …।

    গ. একবার আমাদের গ্রামে এক সাধু আস্তানা গাড়লেন। এসেছেন তিনি পাবনা থেকে সর্বরোগের নিরাময় করতে পারবে বলে ঘোষণা দিলে মানুষের ঢল নামে তার আস্তানার দিকে। পয়সার বিনিময়ে তিনি ঝাড়-ফুক, তাবিজ-জলপড়া ইত্যাদি দেন। মেয়েদের নিয়ে যান একলা ঘরে। একা, তাদেরকে সেখানে হিফাজতশেষে, স্বামীদের কপালে দেন লক্ষ টাকা আয়ের ফু-দোয়া-তাবিজ-কবজের গ্যারান্টি। নিঃসন্তান পিতামাতাকে দেখান ন্যূনতম পাঁচটি সন্তানের স্বপ্ন। মৃতপ্রায় রোগীকে দেখান গোলাপি জীবনের স্বপ্ন। আর তিনি নিজে হতে থাকেন বিত্তশালী। বাড়তে থাকে তার আস্তানা। বাড়ে ভিড়।

    রোগী মরে যায়। সেসব নিঃসন্তান মহিলাকে দেখে ডাক্তার বলেন তার জরায়ুই নেই তো সন্তান ধারণ করতেন কি করে! আর যে মেয়েদের তিনি একা একা একলা ঘরে নিয়ে হিফাজত করেছিলেন, তাদের প্রত্যেকের পেটের পরবর্তী সস্তানের আদল সেই সাধুরই। আর গরিব পুরুষেরা বড়লোক হতে চেয়ে দক্ষিণা দিয়ে দিয়ে নিঃস্ব হতে থাকে। না দিলে বাবা-ভোম ভোলানাথ ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে অভিশাপ দেন। তাকে ভয় পাবে না এমন সাধ্য কার! তার অস্ত্র ধর্ম। ধর্মের দোহাই। সন্দেহ, যৌন অপকর্মকে উতরিয়ে যায়। ধর্ম, যৌন অপকর্মকে উতরিয়ে। যায়, মন্দির-মসজিদ-মাদ্রাসা-গির্জা-পেগোডায়, যায় ধর্মবোধের দোহাই দিয়ে। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে তখন ধর্মচর্চা হয়ে ওঠে মানবজীবনের একটি অন্যতম অলঙ্কার। আর সেই সুযোগে চলে যাবতীয় যৌন অপকর্ম।

     

     

    পুরুষদের মধ্যে এই যৌনতার বিকার সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর। এবং বিশেষ করে নাবালিকাদের জন্যে তো প্রচণ্ড দুঃসংবাদ। ধর্ষণ এবং অন্যান্য যৌন অপকর্মের জন্যে বিকারগ্রস্ত পুরুষগুলো, অপেক্ষায় থাকে। এবং যে-কোনও সুযোগই তারা লুফে নেয়। অনেক সময় এই অতিরিক্ত যৌন ইচ্ছা তাদের নিজেদের জীবনেও অসহনীয় সঙ্কটে রূপ নেয়। ফলে সৃষ্টি হয় বিবিধ সামাজিক সমস্যা। তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলেই শুরু হয় ত্রাস। এবং এরকম বিকারগ্রস্ত পুরুষদের এই ত্রাসের সংবাদ সহসাই শোনা যায়, লোকমুখে বা মিডিয়ায় সাবধানতার বাণী হিসেবে। পৃথিবীজুড়ে সবখানেই রয়েছে ধর্ষক। ওদের জন্যে অগণিত নারীর জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। ধর্ষণ, একটি ভয়াবহ প্রক্রিয়া। যে ভুক্তভোগী, শুধু সেই জানে তার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা।

    পুরুষদের এই সঙ্কট পতিতালয়ের কারণে অনেকটা প্রশমিত হয়ে যায়। কিন্তু যারা পতিতালয়ে যায় না বা যাওয়ার সাহস পায় না সমস্যা তাদের নিয়ে। এবং এই সমস্যা মূলত মধ্যবয়স্ক পুরুষদের বেলায় অধিক প্রযোজ্য, যে বয়সে বিকারের অবস্থা থাকে তুঙ্গে। আমাদের ক্ষয়িষ্ণু, ধুকে ধুকে মরা পুরোনো সমাজের অযাচিত নিয়মকানুন আর কিছু অযৌক্তিক বাধ্যবাধকতা, সেকচ্যুয়াল ব্যাপারগুলোকে কোণঠাসা এবং অশ্লীল করে, ধর্মবোধ এবং সমাজবোধকে প্রতিষ্ঠার কারণে এই চরম মূল্য। আর তাছাড়াও, দারিদ্র্য-অশিক্ষা-পরনির্ভরতা-নারী নির্যাতন পুরুষতান্ত্রিক সমাজ, এসবের মূল্য দিতে ভাগ্যহীনা মেয়েদের চেয়ে উত্তম শিকার, কি আর হতে পারে সে আমার জানা নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }