Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ

    মিনা ফারাহ এক পাতা গল্প296 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. দাম্পত্য, সমাজ, সংসার

    ১. মধ্য বয়সের নিক্তি

    বিশ্ব সংসারে আমাদের সৃষ্ট নানাবিধ সাংসারিক সামাজিক সঙ্কট যার দায়ভার পরবর্তীকালে আমাদেরই বইতে হয়। আমরা সৃষ্টি করি সংসার। তার কারণ আমরা সামাজিক জীব। সৃষ্টি করি সন্তান। সংসার ও সন্তান থাকলে থাকবে অর্থনৈতিক বিষয় আশয়গুলো। সংসারের ঘানিতে চাহিদা থাকে। থাকে দায়িত্ব। সেগুলো মেটাতেই হয়। আর থাকে দাম্পত্য, যা থাকলে তার সঙ্গে অবশ্যম্ভাবী থাকবে কলহ। থাকে অভিযোগ।

    স্বামী-স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়ি দেবর, ননদ, ননদাই, জেঠা, খুড়ো, তালতো ভাই, বেয়াই …। সব নিয়েই তো সমাজ! সমাজ আছে বলে আছে সামাজিকতা। পালন করলে অনেক বড়। না করলে কিছুই নয়। সমাজ বলে বিশাল এক বাধ্যবাধকতা আছে, যার কারণে চাইলেও ভালো থাকা থেকে, স্বাধীন জীবনযাপন থেকে পেছনে পড়ি, পিছিয়েও পড়ি। সংসারে কত রকম নিয়ম-যৌক্তিকতা। পালন না করলে, নেই। করলে অনেক কিছু। আবার না করলে–হায়-হায়! ও করলো না! কেন করলো না! নিশ্চয়ই কিছু হয়েছে! কেন কি হয়েছে! কি হয়েছে! খোঁজ! খোঁজ! ওর পেছনে কতগুলো ছিদ্র, কতবড় ঘা ওর গুহ্যদ্বারে। এটাই সত্যি এবং এর সবই আমাদের বোধের অক্ষমতা! দায়ভার। বোধ, যা বুদ্ধির উঁচু বা নিচু স্তরের, থার্মোমিটার।

    জীবনের সকল সঙ্কটের পুঞ্জীভূত ও পরিপূর্ণ মেঘ যে আকাশে, তার কেন্দ্রবিন্দু হয় আমাদের মধ্য বয়স! কেন এবং কি এই মধ্য বয়স? আর এই বয়সে কেন, অতীতের ফেলে আসা বা আগামীর আকণ্ঠ সঙ্কটের সকল ভার এসে মুখ থুবড়ে পড়ে? কিসের এ ভারসাম্যহীনতা এই ‘৪৫’-এ! প্লাস-ও মাইনাস, ফাঁইভ। মানুষ যদি গড়ে নব্বই বছর বাঁচতো, তবে ৪৫-কে বলা যেতো নিক্তির মধ্যস্থলের কাঁটা, যেখানে ডাইনে–বায়ে মিলে ওজনের একটা ভারসাম্যতার সৃষ্টি হয়। কিন্তু মানুষের গড়পড়তা আয়ু তো মাত্র ৫৫ থেকে ৭০। কিন্তু বাস্তবে ৪৫-এর আশপাশে ভিড়েই মানুষ প্রথমে নড়ে ওঠে তার সমগ্র অস্তিত্ব নিয়ে। তার অতীত তার ভবিষ্যৎ এবং তার বর্তমান। এবং এই ৪৫-এর প্রকৃত অর্থ হতে পারে মৃত্যুর সময় কতটা বাকি তার চেয়েও বরং জীবনের পথ কতটা পেরিয়ে এলাম। এবং ফেলে আসা পথের সকল ভুল-ভ্রান্তি ফিরে দেখা। অতীতের কত জানা-অজানার ভুল থেকে উদ্বুদ্ধ পরিতাপ। দাম্পত্য, শরীর, মন, সমাজ, সন্তান, অর্থ সম্পদ, ধর্ম সব ভারের প্রভাব এসে এখানেই ঘাঁটি গাড়ে। খুঁটি শক্ত হলে সে ভার টেকে। না হলে নড়ে যায়।

    ২. পাল্টানো জীবনের মোড়

    মধ্য বয়স, জীবনের মোড় পাল্টানোর শুরু এখান থেকেই। পথ পরিবর্তন, বিকল্প, বিচ্যুতি, বিধ্বস্ত, গড়ে ওঠা, সূর্যাস্ত, চন্দ্ৰাস্ত-এখানেই। সব এখানেই। যাকে ভালো লেগেছে এতকাল, সেই দাম্পত্য আর ভালো লাগে না। এখন ভালো লাগে অন্য একজনের ঠোঁট, কি চিবুকের গাঢ় তিল। কৃষ্ণকালো চোখ কিংবা তার শাড়ির আঁচলের পাটপাট ভাঁজ। আগে, সপিং মল না হলে মাতালের নেশা না জমার মতো গা বমি বমি লাগতো। আজকাল বরং শুনলে, গা বমি বমি লাগে। আগে লাগতো শহর, এখন গ্রাম। লাগতো গ্রাম, এখন শহর। আগে মাসে একবার সঙ্গমেই হাঁপিয়ে উঠতো আর ৪৫-এ পৌঁছে মনে হয় আহা কত প্রেম! কতরূপ তেরা মাস্তানা! কত কাভি কাভি মেরে দিল মে! মনে বসন্ত আর চোখে সবুজ। তার চোখে সে সুচিত্রা সেন। তার চোখে সে উত্তম কুমার। ওকেই মনে হয় রবীন্দ্রনাথ। মনে হয় কবি নজরুল। বিছানায় নিজেকে মনে। হতো জন্তু! এখন মনে হবে নপুংসক। আগে যেতো বেশ্যালয়; এখন মন্দির-মসজিদ। ক্লাব ছেড়ে দিয়ে হজ। মন্ত্রিত্বেও সুখ নেই। উল্টো মনে পড়ে মায়ের কবর। পেশার চেয়ে ভালো লাগে নেশা। মাছ ধরা, নৌবিহার। সন্তানকে মনে হবে অভিশাপ, মনে হবে বন্ধু। মুখ দিয়ে মিথ্যে বেরোত না। কিন্তু অসদাচরণ এমন পেয়ে বসলো যে টাকার লোভে বা পরকীয়ায় এক মিথ্যে লুকোতে সহস্র মিথ্যে। একসময় মিথ্যে বলতে বলতে মিথ্যেও আর রোচে না। টাকার লোভ–সেখানেও ক্লান্তি এসে যায়।

    অতীতের ছলচাতুরি প্রতারণা সে অভ্যেসেও মোড় ঘোরে। বা অতীতের সৎ-সাধু জীবন, ছলচাতুরি প্রতারণার প্রভাবে সিক্ত হয়। জীবনের রুপোর কাঠি-সোনার কাঠি, দিক পাল্টায়। যে নেশাখোর ঢোকে ঢোকে শ্বাসের সঙ্গে মদ গিলতো, তার ভালো লাগে শুষ্কতা। জীবনে যে ছোঁয়নি, প্রয়োজনে সে পচা পান্তার বাংলা গিলতে হরিজন পল্লী ছুটে যায়। ইচ্ছে হয় নতুন বন্ধনের। নব বন্ধুত্ব। কামনা হয় নব্য শরীর। বদল হয় দাম্পত্য রুচি। জাগে নতুন অনুভূতি পুরুষে, নারীতে। জাগে মাতৃত্বে। চেতনা হয়। অতীতের অবহেলা থেকে। নতুন দায়িত্ব কর্তব্যবোধ এসে শির উঁচু করে দাঁড়ায়, ক্ষতিপূরণ চেয়ে। সকল দায়িত্ব কর্তব্যবোধ পালন করতে গিয়ে নিজের প্রতি চরম অবহেলা। নিজেকে খুইয়ে, সংসার,অন্যের প্রভাবে নিজের সব খুইয়ে মানসিক ও বৌদ্ধিক যন্ত্রণা–সব এখানেই, এই ৪৫-এই। এখানে ভারসাম্যতার নিক্তি ডাইনে বায়ে দুলতে থাকে।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বই পড়ুন
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা
    গ্রন্থাগার সেবা
    গ্রন্থাগার

     

    আমাদের জীবনযাত্রা প্রভাবিত হয় মূলত আমাদের সমাজ দ্বারা। সমাজের প্রচলিত অনিয়ম। মরচে ধরা সমাজের সেকেলে অবিচার। শ্বশুর-শাশুড়িসহ একান্নবর্তী পরিবার আমাদের। কিন্তু পরিবারের নববধূটির ওষ্ঠাগত প্রাণ। তার ওপর চাপানো সংসারের সব দায়িত্ব। তার ওপর পরীক্ষা আর পরীক্ষা। সতীত্বের পরীক্ষা, মাতৃত্বের, জরায়ুর। সকলের চাহিদা তারই ওপর। তাকেই বিয়ের নামে এক পরিবার থেকে অন্য পরিবারে স্থান বিচ্যুত করা হয়, এবং এনে তাকে কঠিন শাস্তি ও পরীক্ষার আগুনের সামনে নিক্ষেপ করা হয়। দজ্জাল শাশুড়ি। ননদ সাক্ষাৎ এক যম। স্বামী একজন জল্লাদ। আর ঘরে বসে তছবিহ্ গুণতে গুণতে সব কিছুতে ইন্ধন যোগান শ্বশুর। সব-সবাই-সবকিছু অচেনা। অজানা। রিক্ত।

    অন্যদিকে স্ত্রীর প্রতারণা। যখন-তখন নারী স্বাধীনতার স্লোগান। মধ্য বয়সের জন্যে জমা হয়ে থাকে। ফোড়া, যেমন পুঁজ হতে হতে এক সময় ফেটে বেরোবেই। মধ্য বয়সে, অতীতের যত পুঁজ, বহুমুখী ফোড়ার মতো, ফেটে বের হবেই। পুঁজের সেই থলে খালি হলে, সে নতুন করে কি দিয়ে ভরবে পুঁজ না অমৃত, নির্ভর করে তার জীবনের আকাশে তখন চন্দ্রোদয় নাকি চন্দ্ৰাস্ত। যদি চন্দ্রোদয় হয় ভালো। যদি উল্টো হয়, তবেই ডুববে তরী। নিভবে বাতি।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বই
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    হেলে-খেলে অপচয় হয়েছে কত সময়! তখন অনুভব হয়নি। আজ হয়। ৪৫-এ হয়। অনুতাপ হয়। ফেলে এসেছে বলে অশ্রু হয়। অপচয় বলে গ্লানি হয়। নেই বলে আফসোস হয়। পাতা ওল্টাতে গিয়ে দেখে শূন্য হাত। যে গ্যাছে যা গ্যাছে। অতীতের সব–সব অতীত। নেই সে আর ফেরে না। আর ফিরবেও না। সে মৃত। অনুভূতি ফিরে এলো, কিন্তু সে নেই।

    ইচ্ছে হয় তাকেও কবর থেকে উঠিয়ে ভালোবাসতে। তার প্রতি সকল অবিচার, অন্যায়, ক্রোধ! তাকে রেখে পতিতালয়ে যাওয়া, সেজন্যে তার অশ্রু। তাকে অবজ্ঞা। তাকে দুঃখ দেয়। আজ কবরে বসে স্রেফ অশ্রু ছাড়া কিছু নেই।

    ইচ্ছে হয় তাকে কবর থেকে উঠিয়ে ভালোবাসতে। তার প্রতি সকল অবিচার, অন্যায়, ক্রোধ। তাকে রেখে পরকীয়া, সেজন্য স্বামীর অশ্রু, তাকে অবজ্ঞা। তাকে দুঃখ। দেয়। আজ কবরে বসে শুধু অশ্রু ছাড়া কিছু নেই। সবই ফিরে এসেছে। কিন্তু হায়, সে কোথায়? যার জন্য সমাজ ত্যাগ, পালিয়ে আসা যার হাত ধরে, তার সঙ্গে দশ বছর জীবনযাপনের পর, বিবাহ বিচ্ছেদ। পরকীয়া।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Books
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা বই
    বই পড়ুন

     

    দূরত্ব, নিঃসঙ্গতা –দু’জনকে আবার এক করে। দূরত্ব নিঃসঙ্গতা দু’জনকে দুই করে। মতামত, ব্যক্তিত্ব, ঐশ্বর্য, যোগ্যতা, মানুষকে দূর করে। মানুষকে এক করে। জীবনের ট্রেনের ৪৫ নম্বর প্লাটফর্মে পৌঁছে মল্লিকাঁদের প্রথম অনুভব হয় ছুটে পালিয়ে বাঁচতে। আর নয় স্বামী নামের এক দানবের অত্যাচার! এতকাল যাতে অভ্যস্ত, এখন তাতে বিদ্রোহ।

    ৩. সামাজিক অবকাঠামো

    আমাদের সামাজিক অবকাঠামো, নির্দেশ করে আমাদের মধ্য বয়সের ঋতু। শুষ্ক ঝোড় না বসন্ত। দুঃসংবাদ যে, আমাদের সামাজিক অবকাঠামোগুলো আধুনিকতার কাছে এতই অবৈজ্ঞানিক, এতই বাতিল বলে গণ্য হয়, যে কারণে আমাদের জীবন হয় দুর্বিষহ। তথাকথিত বিজ্ঞজনেরাও এই পঙ্কিলতার বৃত্ত থেকে বাইরে নয়। বরং যত বেশি বিজ্ঞ, ধর্মান্ধতা, সমাজন্ধতা, সংস্কারন্ধতা তত বেশি।

    গ্রামে-গঞ্জে মূলত একান্নবর্তী পরিবার ও নিরক্ষর বা স্বল্প শিক্ষিত পরিবার। নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবার। এই পরিবারগুলোতে ছেলের বৌয়ের অপমৃত্যুর হার অনেক। তার কারণ–একান্নবর্তী পরিবারের সকল কুসংস্কার। শাশুড়িজনিত কষ্ট, স্বামীর তাচ্ছিল্য ও অত্যাচার; এসব সংসারে একটা সুস্থ মানুষকে করে তোলে অসুস্থ। একান্নবর্তী পরিবার একটি অসুস্থ জায়গা, যেখানে সংসারের নামে চলে জল্লাদখানা। নারীর অধিকার, স্বাধীনতা কিভাবে হরণ করতে হয় জানতে হলে এখানে আসতে হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কবিতা

     

    একটা সমুদ্রে ঝরে যায় কত খড়কুটো, ডালপালা, ছেঁড়া কাগজ, কত হারানো মণিমাণিক্য। ভেসে যায় কত জেলে নৌকো, তারুণ্যের কত নৌবিহার! আর জীবন! সেতো পৃথিবীর সব-জল একত্র করলে, তার চেয়েও বড় সমুদ্র। অথচ এই সমুদ্রকে সঙ্কীর্ণ মনের মানুষেরা কল্পনা করে পুকুর। এখানে ঘটে-যাওয়া কোনও ব্যতিক্রমকে আমরা বলি অসামাজিক। আমরা কি আসলেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যে অন্ধ হয়ে যাইনি?

    কত সমস্যাই ঘটে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে। সুখ সে আর কতটুকু! হাসি সে আর কতক্ষণ! পূর্ণতা সেও ক্ষণজীবী! তাহলে!

    সামাজিক প্রতিবন্ধকতা আমাদের হাসি, সুখ, পূর্ণতাকে সীমাবদ্ধ করে দেয়। ফলে আমরা যথেষ্ট হাসতে পারি না, সুখী হতে পারি না, পূর্ণ হই না।

    ৪. দাম্পত্য দুঃখ-সুখ

    সার্বক্ষণিক বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে দাম্পত্য সুখ একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো। সকল সমস্যার মধ্যেও এই সুখটুকু যদি আমাদের থাকে, তাহলে অন্য সব অসুখ একসঙ্গে বয়ে নেয়া সহজ হয়। কিন্তু দাম্পত্যের এই সুখটুকুই বড় বেশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্মুখীন। এর কারণ ব্যাখ্যার অতীত। দু’জন দুই মানুষ। দুই মতবাদ। দুই ব্যক্তিত্ব। দুই ভালো-মন্দের। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিস্তর মতানৈক্য, বিবাদ, চরম হতাশা, নিষ্ঠুরতা সুখের বিরুদ্ধে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। দাম্পত্য ভাঙার কারণের শেষ নেই।

    এমতাবস্থায় কি করা উচিত যখন নপুংসক স্বামীর পাশে শুয়ে সখিনা, বছরের পর বছর অতৃপ্ততার কষ্ট পেয়ে বৃদ্ধ হলো! কিন্তু কোনদিনও কাউকে সে জানায়নি তার দুঃসহ কষ্ট! এই সমাজে এসব জানানোর কারণ নেই, ভাষাও নেই। নিরক্ষর সখিনার অর্ধেক জীবন কাটালো–অর্ধপাগল। পাগলা গারদ।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    পিডিএফ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    অন্যদিকে শিক্ষিত ও চালাক মেয়ে সূচনা–নপুংসক স্বামীর অগোচরে দীর্ঘ বছর ধরে গোপনে যৌনজীবন চালিয়ে গ্যাছে মিজানের সঙ্গে। মিজানের সমস্যা তার স্ত্রী পক্ষাঘাতে পঙ্গু। মানবিক কারণেই সে মুনমুনকে ডিভোর্স দেয়নি। কিন্তু তার যৌনজীবনেও সে কোনও সমঝোতা করেনি।

    সমস্যার কোনও সমাধান সমাজ করবে না। কিন্তু যদি কেউ বিকল্প খুঁজে নেয়, সমাজ তখন বৈরী হয়! দা-কুড়োলে। শ্বাস ও কণ্ঠনালিতে। তাহলে এই কথা বললে কি ভুল হবে যে, আমাদের সমাজ, সুস্থ সূচনার বদলে অসুস্থ সখিনা তৈরির প্রসূতিকাগার? আমাদের অসুস্থ সমাজ। ভাগাড়-সমাজ।

    দীপের পাশে শুয়ে মল্লিকা বিয়ের পনেরো বছর পরেও ভাবে শমসেরের কথা। দীপকে জড়িয়ে ভাবে তার শমসের। দীপকে খেতে দিতে দিতে ভাবে শমসেরকে দিচ্ছে। কারণ তুচ্ছ। সে শমসেরকে ভালোবাসতো। শমসের মুসলিম তাই, অন্ধ সমাজের কারণে ওদের প্রেম, প্রাণ পায়নি। দীপকে সে কখনো পরিপূর্ণ করে আপন ভাবতে পারে না।

    অতিরিক্ত কামুক স্বামীকে আটটি সন্তান দেয়ার পর মাসুদা ক্লান্ত। সে করিমের কাছে যেতেই চায় না। অনেক অনুনয়-নিষেধ সত্ত্বেও করিম ফের বিয়ে করে নিয়ে আসে জোবেদাকে। এতগুলো মাতৃত্বের এতদিনের বিবাহ, এত ত্যাগ স্বীকার! সবই কি বিফলে গেল, প্রশ্ন?

    পাশাপাশি রাতের বেলায় সতীনের ঘরের বাতাসে কামের গন্ধ মাসুদার মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে! শুলেই যুগল দৃশ্য ভাসে চোখে। এই কষ্ট সইতে না পেরে মধ্য বয়সে পৌঁছে মাসুদা ক্রমশ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। একদিন ইঁদুর মারা ওষুধ খেয়ে তার সন্তানগুলোকে মাতৃহীন করে দিয়ে –মনে ক্লান্ত মাসুদা ইহজগৎ ত্যাগ করলো।

    অকাল বিধবা হেমলতার সঙ্গে রাতের বেলায় ঘুমোত এগারো বছরের এক কিশোর। হেমলতা তাকে মহাভারত পুরাণের গল্প শোনাত। সজল–হেমলতা ছাড়া অন্য ঘরে ঘুমোবে না। বাবা-মায়ের নিষেধ সত্ত্বেও না। মায়ের তৃতীয় চোখ। বাবা। বললো স্রেফ অপত্য স্নেহ। সন্দেহ বাতিকগ্রস্ত মা বলে-না। একদিন গভীর রাতে উঁকি দিয়ে দেখলো সজল হেমলতার স্তনে মুখ দিয়ে। কারো শরীরেই কাপড় নেই। জানি, এর উত্তর নেই। তবে বিধবা হলেই যে রতি মরে যাবে, একথা ভুল। বিধবারা যাবে যাবেই। রতির তাড়না তাকে নিয়ে যায়। সন্তানের বয়সী থেকে গোয়াল ঘরে এমনকি ষাড়ও সই। রতির যন্ত্রণা এতই যন্ত্রণাদায়ক শতকরা পঁচানব্বই জন বিধবারই গোপন। যৌনজীবন থাকে এবং বিপত্নীকদের তো বটেই। এবং তা ভালো। তা মঙ্গলজনক। তা স্বাস্থ্যকর।

     

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বই

     

    স্ত্রীর মৃত্যুর এক মাসের মধ্যে ৭০ বছর বয়সে মি. শহীদুল্লাহ আবার বিয়ে করলেন। ছেলেমেয়েরা তাকে ত্যাগ করলো একই দিনে। মি. উল্লাহর যুক্তি ছিল আমার একজন সঙ্গী চাই। কথা বলার, পাশে বসার। তার প্রয়োজন কি যুক্তির বাইরে ছিল? প্রয়োজন কি সবসময় যুক্তি মানে? যুক্তির তলায়–মর্মবেদনা কি যুক্তি শাস্ত্রের চেয়েও মানবিক শাস্ত্র হতে পারতো না? মি. শহীদুল্লাহ দুঃখ করে বলেছিলেন, ওরা তো যার যার সংসারে সুখে আছে। ওরা কী জানে, আমার দিন কি করে কাটে?

    সমমনা নয় বলে বাবুল আর শাহীনা বিয়ের তৃতীয় বছর থেকে ভিন্ন বিছানায়। তারপর ডিভোর্স। সেই থেকে শাহীনা ভ্রান্তিপাশের শিকার। এক ভুল থেকে অন্য ভুল। এক পুরুষ ছেড়ে অন্য পুরুষ। ধোকার পর ধোকা। চরম দুঃখশেষে মুক্তি পেতে আসক্তির আশ্রয়। তারপর একদিন অনিবার্য আত্মহত্যা।

    রজঃনিবৃত্তি বা মেনোপজের তিন বছর আগে বিজয়া এমন জান্তব হয়ে উঠলো যে প্রতিরাতে ওর কামনা মেটাতে ওর স্বামীর হিমশিম অবস্থা। প্রতিরাতেই তার পুরুষ চাই। অপারক স্বামী তাকে ভুল বুঝলো। গোপনে শুরু হলো–বিজয়ার বিভিন্ন রকমের বিকার। সমকামী এবং উভকামিতার জীবন।

    শফিকের পতিতালয়ে যেতেই হবে। কারণ ঘরের পুরোনো মেয়েমানুষের শরীর বড় একঘেয়ে। হায়দার তা না করে পরকীয়া করতো। আর মুনীর? বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটা গরুর গোয়াল ছিল, সেখানে চারটি দুধেল গাভী ছিল। সে লুকিয়ে যেতো গাভীর কাছে। গাভীর শরীরে মেটাতো ওর কাম।

    মিশু, তরু, নদী ওদেরকে নষ্ট করার পর খেরু মামা তার দু’মাসের ভাগ্নীকেও ছাড় দিল না। একলা ঘরে এনে ওর প্যান্ট খুলে, না ফোঁটা ফুলে আঙুল প্রক্ষেপণ করে মেয়েটিকে সুযোগ পেলেই কাঁদাতো।

    ঘটনাক্রমে প্রদীপের সঙ্গে বেবীর মাত্র দু’বার যৌন সম্পর্ক হয়েছিল। প্রদীপ, বেবীকে যেভাবে নিয়েছিল, যে কারুকার্যে সে ফুটিয়ে তুলেছিল ওর নারীত্বের অলঙ্কারগুলো! বিছানায় বেবী নিজেকে মাত্র দু’বার যেভাবে আবিষ্কার করেছিল প্রদীপের সঙ্গে, সালমানের সঙ্গে তা দশ বছরে একবারও ঘটেনি। সালমান শুধু শরীর কিন্তু প্রদীপ বোঝে প্রেম। সেই থেকে বেবীর জীবন, সালমানের সঙ্গে কখনো আর এক হলো না।

    দাম্পত্য, নির্ভর করে সমস্যার গভীরতার ওপর। একে কেন্দ্র করে বিয়ে ভাঙে। বিয়ে গড়ে।

    ৫. জীবনের গলিত লাভা

    পরম-আয়ু। মানুষ কি পরমায়ুর হিসেব বোঝে? এই ‘পাটিগণিত’, মানুষ বোঝে কী? অফুরন্ত মনে হতে পারে, আয়ু। মনে হতেই পারে বেঁচে থাকবো সত্তর, আশি, নব্বই, একশ’ বছর। সেতো অনেক সময়।

    হ্যাঁ, চব্বিশ ঘণ্টায় একদিন হলে, সত্তর, আশি, নব্বই, অনেক অনেক সময়। মাঠ মাঠ সময়। মানুষের গড়পড়তা আয়ু ভূগোল বিশেষে ৫৫-৭০।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    Books
    বাংলা কমিকস
    বাংলা বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    শৈশব। কৈশোর। যৌবন। বার্ধক্য। শৈশব থেকে বার্ধক্য–মাঠ মাঠ সময়। সত্তর থেকে, দশ-কুড়ি-ত্রিশ এমনকি চল্লিশ বছর পরমায়ু ফুরিয়ে যাওয়া কিছুই নয়। এই ফুরিয়ে যাওয়া শেষেও অনেক সময় সামনে পড়ে থাকে। তাই বিচলিত হওয়ার কোন কারণ থাকে না।

    এমনকি জীবনের দুই-তৃতীয়াংশ সময় ফুরিয়ে গেলেও অনুভব হয় না–পরমায়ু। হয় না পঞ্চাশেও। মনে হয় অনেক সময় সামনে পড়ে আছে। ততদিনে তারুণ্যের ঝোঁক গেলেও, অস্তমিত যৌবনের আকাশে ছিটেফোঁটা যৌবনের রেশ লেগে থাকে। তখনও ইচ্ছে হয় কাম, ইচ্ছে হয় ভরা যৌবনের কিছু কিছু উন্মাদনা। মনে হয় অনেক সময় সামনে পড়ে আছে। পঞ্চাশেও লোভ-লালসা, চাহিদা, দায়িত্বের ভারে ভুলে যাই মৃত্যু হবে। আমাদের মৃত্যু হবে। মনে হয় আমরা মৃত্যুঞ্জয়ী। মাঠ-মাঠ সময় আছে, মনে হয়। আমরা হয়ে উঠি–আরো লোভী। বাড়াই বোঝ। জড়িয়ে পড়ি অধিক দায়িত্বে। দাম্পত্য, মধ্য বয়স, শরীর ততদিনে হয় বাধাগ্রস্ত। আমরা সেসব এড়িয়ে চলি। মাঠ মাঠ সময় আছে।

    বার্ধক্য আসেনি? মধ্য বয়সে, নাকের দু’পাশের মাংসে ঠোন বরাবর গভীর ভজ, এ কিসের আলামত! বার্ধক্য আসেনি? গালের দু’পাশ ভারি। শরীর তার হাল ছেড়ে দিয়েছে। নাইকুণ্ডলীর চারপাশে বালিশের মতো ফুলে ওঠা তলপেট, বার্ধক্য আসেনি এখনও? বয়স পঞ্চাশ তখন। মধ্য বয়স।

    বার্ধক্য! ষাটের পর? সত্তর হতে কত বাকি? সত্তরই যদি পরমায়ু হয় তবে মৃত্যুর ক’বছর বাকি? চল্লিশ, পঞ্চাশ! যেমন ছিল কৈশোর! ছিল যৌবনে? যখন দশ, বিশ, ত্রিশ বছর চলে যাওয়ার পরেও মনে হয়েছে, মাঠ মাঠ সময় আছে!

    ষাটের পর? সত্তর যদি পরমায়ু হয় তবে মৃত্যুর ক’বছর বাকি? পাটিগণিতের সোজা অঙ্ক তবে ৭০-৬০=১০। সেতো কৈশোরের ঠিক উল্টো। অর্থাৎ ৭০-১০=৬০।

    সুতরাং কৈশোরে ত্রিশ বছর চলে গেলে কিছু নয়। কিন্তু ষাটের পর প্রতিটি বছর। মৃত্যুর ঘড়ি আরেকটু স্পষ্ট বাজে। ষাটের পর, মৃত্যুঞ্জয়ী এবার মৃত্যুর ডাক শোনে। ষাটের পর। একেবারেই সময় নেই। মৃত্যু দুয়ারে। মৃত্যু বলছে, ওঠো, ওঠো তৈরি হয়ে নাও। আমেজ, একটা বছর, ষাটের শেষে, অতীতের দশ বছরের সমান। তবুও শোনে না।

    এইটুকু জীবন। কোথাও শান্তি নেই। জীবনের দুই-তৃতীয়াংশ শেষে, মধ্য বয়সে এসে মানুষ যখন শান্তি পাবে, তখনই জ্বলে ওঠে আগুন। পরমায়ু ফুরিয়ে যেতে থাকে। আমাদের তাতে ক্ৰক্ষেপ নেই। আমরা আগুনে জ্বলি জীবনের গলিত লাভায়।

    মরে যাই, পরমায়ু শেষে। ক্রাইসিস, মৃত্যুই যার একমাত্র উত্তর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }