Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প1027 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্রোণাচার্য – ৫

    ॥ ৫ ॥

    প্রশ্ন জাগে। প্রশ্ন জাগে—এত জায়গা থাকতে হস্তিনাপুরে কেন? হস্তিনাপুর কুরু রাজাদের রাজধানী। কুরুবংশের রাজারা বংশানুক্রমে পাঞ্চালদের শত্রু। আগে আগে এই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহও অনেক হয়েছে। কখনও ওঁরা যুদ্ধ জিতেছেন কখনও এঁরা। দ্রোণ যখন কুরু রাজধানীতে আসছেন, তখন পূর্ব রাজা শান্তনু বেঁচে নেই, তাঁর পুত্রেরাও অকালে স্বর্গত। শান্তনু কিংবা তাঁর বাবা প্রতীপের সময় থেকে পাঞ্চালদের সঙ্গে তেমন বড় কোনও যুদ্ধবিগ্রহ হয়নি বটে, কিন্তু দুই দেশের মধ্যে একটা চাপা উত্তেজনা সব সময়েই ছিল। দ্রোণ সেই উত্তেজনার সুযোগটুকু সদ্‌ব্যবহার করলেন আপন আনুকূল্যের জন্য। দ্বিতীয়ত, ক্ষত্রিয়ের বৃত্তি গ্রহণে দ্রোণের সংকল্প এখন দৃঢ়! পিতৃপিতামহের বৃত্তি, বিশেষত ব্রাহ্মণের বৃত্তি ত্যাগের পক্ষে পূর্ব পরিচিত পরিবেশ এবং আগের চেনা জায়গাটি কখনই সুবিধের হয় না। ফলে হস্তিনাপুর চলে আসাটা দ্রোণের ভবিষ্যৎ আশাপূরণের পক্ষে তথা নিজের অস্ত্র-সামর্থ্য প্রকাশের পক্ষে বেশি সুবিধেজনক জায়গা ছিল। সবচেয়ে বড় কথা, নতুন জায়গায় এলে প্রথমে একটা আশ্রয় দরকার হয়। নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে প্রাথমিক অবস্থানের সুযোগ পেলে খানিকটা অবশ্যই গুছিয়ে নেওয়া যায়, হস্তিনাপুরে দ্রোণের সেই সুযোগটাও ভালরকম ছিল। দ্রোণের অনুগতা পত্নী কৃপীর যমজ ভাই কৃপ এখানে থাকেন এবং তিনি পূর্ব রাজা মহারাজ শান্তনুর কৃপাধন্য। সবচেয়ে বড় কথা হল, কৃপ এবং কৃপী পঞ্চাল রাজবংশেই জন্মেছিলেন এবং যে কোনও কারণেই হোক, তিনি পঞ্চালে থাকেন না, হস্তিনাপুরে থাকেন। কুরুদের রাজবাড়িতে তাঁর মর্যাদা এবং সম্মান সুবিদিত। ফলে প্রাথমিকভাবে হস্তিনাপুরে থাকাটাই দ্রোণের পক্ষে সুবিধে।

    শুধু আশ্রয় এবং সুবিধেই নয়। সেই বাল্যবয়সে যে তাড়নায় তিনি অস্ত্রশিক্ষা করেছিলেন, যে ভাবনায় এক রাজপুত্রের সঙ্গে মেলামেশা করে রাজকীয় মর্যাদা এবং সুখের প্রত্যাশা করেছিলেন, সেই উচ্চাশা পূরণের সবচেয়ে সুযোগ থাকবে হস্তিনাপুরেই। অন্যদিকে পাঞ্চাল দ্রুপদ তাঁকে যে অপমান করেছেন, তার প্রতিশোধ নিতে হলেও হস্তিনাপুরই ছিল তাঁর আদর্শ বাসস্থান। আপন উচ্চাভিলাষ এবং প্রতিশোধস্পৃহা কার্যকর করার প্রয়াসে দ্রোণ এই প্রথম পদক্ষেপ নিলেন, যেখানে কোনও ভুল নেই।

    নিস্তব্ধ আক্রোশে পঞ্চালরাজ্যের প্রান্তবাহিনী গঙ্গানদী পেরিয়ে মহামতি দ্রোণ সপুত্র-পরিবারে হস্তিনাপুরে এসে পৌঁছোলেন শ্যালক কৃপাচার্যের বাড়িতে। ধনুর্বেত্তা আচার্য হিসেবে দ্রোণকে তখন সবাই চেনে। এমনকী তিনি যদি কৃপাচার্যের বাড়িতে না উঠে নিজেই হস্তিনাপুরের কুরুপ্রধানদের কারও সঙ্গে দেখা করে কর্মপ্রার্থী হতেন, তাতেও যে তাঁর খুব অসুবিধে হত, তা নয়। পিতামহ ভীষ্ম দ্রোণকে চিনতেন আগে থেকেই, দ্রোণ তাঁর কাছেও গেলেন না। তিনি বোধ হয় আর প্রার্থী হয়ে কারও কাছে, যেতে চান না। একবার পরশুরামের কাছে, একবার দ্রুপদের কাছে প্রার্থী হয়ে গিয়ে তিনি তাঁর অভীষ্ট লাভ করেননি। যে দারিদ্র্য তাঁকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল, সেই দরিদ্রতার কারণ দেখিয়ে অর্থলাভের জন্য প্রার্থী হওয়াটা আর তাঁর ভাল লাগছিল না। দ্রোণ এবার চলবেন একান্ত আপন পুরুষকারের নির্দেশে। তিনি পুরুষকার প্রদর্শন করবেন এবং সেই পথে কেউ যদি ডেকে নিয়ে যায়, তবেই তিনি সেখানে যাবেন। অর্থাৎ তাঁর শক্তি এবং অস্ত্রকৌশল অন্যেরা যাচনা করুক প্রার্থীর মতো—এইরকম কোনও ভাবনায় তিনি কৃপাচার্যের বাড়িতে অবস্থান আরম্ভ করলেন গোপনে, আত্মপরিচয় আপাতত প্রচ্ছন্ন রেখে—ভারদ্বাজো’বসত্তত্র প্রচ্ছন্নং দ্বিজসত্তমঃ।

    প্রচ্ছন্ন থাকলেও দ্রোণ কিন্তু কুরুরাজবাড়িতে প্রবেশের পথ খুঁজছিলেন অত্যন্ত সুকৌশলে। একটা সুবিধে তাঁর আগে থেকেই ছিল। তাঁর শ্যালক কৃপাচার্য পাণ্ডব কৌরবদের অস্ত্রশিক্ষায় নিযুক্ত হয়েছিলেন আগে থেকেই। কুরুবাড়ির প্রপিতামহ মহারাজ শান্তনু কৃপাচার্যকে লালন পালন করেছিলেন এবং এখনকার কুরুবাড়ির প্রধান পুরুষেরা কৃপাচার্যকে সম্মান করেন আচার্যের মর্যাদায়। গাঁয়েগঞ্জের একান্নবর্তী পরিবারের একেকজন শিক্ষিত অলস পুরুষ যেমন বাড়ির ছেলেপিলেদের প্রাথমিক শিক্ষার কাজে নিযুক্ত হতেন, কৃপাচার্যের অবস্থাও তেমনই। তিনি অলস নন বটে, কিন্তু সেই শান্তনুর আমল থেকে কুরুবাড়ির রাজপরিবারে থাকতে থাকতে তাঁর পদমর্যাদা যতই বাড়ুক, অস্ত্রগুরু হিসেবে তিনি এক নম্বরের ছিলেন না, অন্যদিকে কৌরব পাণ্ডবদের প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে আবার তিনি ছিলেন যথেষ্ট। প্রখ্যাত ধনুর্বিদ বীর হওয়ার দরুণ মহামতি ভীষ্ম কৃপাচার্যের অস্ত্র-ক্ষমতাও যেমন জানতেন, তেমনই তাঁর সীমাবদ্ধতার কথাও জানতেন।

    যাই হোক, যতদিন কৃপাচার্যের থেকে মহত্তর অস্ত্রগুরু না মেলে, ততদিন অন্তত তাঁর কাছেই কুরুবাড়ির ছেলেদের শিক্ষা হোক, এই কথা ভেবেই ছেলেদের ভার কৃপাচার্যের ওপর ন্যস্ত করেছিলেন ভীষ্ম। কৃপাচার্য তাঁদের যথাবুদ্ধি যথাসাধ্য শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছিলেন, এরইমধ্যে ছেলেরা সকৌতুকে লক্ষ করল যে, তাঁদেরই বয়সি একটি প্রায়-যুবক গৌরবর্ণ ছেলে কৃপাচার্যের বাড়িতে এসে থাকতে আরম্ভ করেছে। ছেলেটি ভারী সুন্দর এবং এই বয়সেই সে অস্ত্রবিদ্যার কৌশল অন্য বালকদের চেয়ে ভাল জানে। ছেলেটি ভারী সুন্দর, যথেষ্ট মিশুকে এবং অসুয়াহীন। সে নিজে যতটুকু অস্ত্রবিদ্যা শিখেছে, সেটুকু সে অন্য ছেলেদের শিখিয়ে দিতে একটুও কুণ্ঠিত হয় না। ফলত এমন ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটতে লাগল যে, কৃপাচার্যের শিক্ষাদান শেষ হয়ে গেছে, তিনি বাড়ি ফিরে এসেছেন, তখন সেই গৌরবর্ণ বালকটি কুরুবাড়ির কয়েকটি উৎসাহী ছেলেকে কৃপাচার্যের আরদ্ধ পাঠ আরও ভাল করে বুঝিয়ে দিতেন, বা অভ্যাস করাতেন। লক্ষণীয়, এই উৎসাহী ছেলেগুলির মধ্যে পাণ্ডব ভাইরাই প্রধানত কৃপাচার্য চলে গেলেও সেই পাঠশালায় থেকে যেতেন এবং এই অবসরেই তাঁদের আরও একটু ভাল করে অস্ত্রপাঠ বুঝিয়ে দিতেন সেই যুবকপ্রায় ছেলেটি, যাঁর আসল পরিচয়—তিনি দ্রোণপুত্র অশ্বত্থামা—ততো’স্য তনূজঃ পার্থান্‌ কৃপস্যানন্তরং প্রভুঃ। অস্ত্রাণি শিক্ষয়ামাস…।

    তখনও অন্যেরা কেউ তাঁর পরিচয় জানে না। পূর্ব পরিকল্পনা মতো কৃপ কিংবা অশ্বত্থামা কেউই দ্রোণের আগমনসংবাদ বা অশ্বত্থামার প্রকৃত পরিচয় পাণ্ডব কৌরব কারও কাছেই প্রকাশ করেননি—নাবুধ্যন্ত চ তং জনাঃ। পাণ্ডব ভাইরা ভাবতেন—কৃপাচার্যের কোনও আত্মীয় এসেছেন বাড়িতে, হয়তো কিছুদিন থাকবেন, হয়তো বা চলেও যাবেন। সত্যি কথা বলতে কী, তাঁদের এ ব্যাপারে খুব একটা কৌতূহলও ছিল না। কিন্তু দ্রোণের দিক থেকে তাঁর সযত্ন পদক্ষেপগুলি লক্ষ করুন। পুত্র অশ্বত্থামা কুরু রাজবাড়ির একাংশের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, তিনি কিন্তু বাধা দিচ্ছেন না। অন্যদিকে রাজবাড়ির এই ছেলেগুলিকে শিষ্য হিসেবে পেলে তাঁর অর্থলাভ এবং মর্যাদা লাভের যে অফুরান সুযোগ আসবে, সেটা তিনি জানতেন বলেই তিনি একটা উপযুক্ত সময় খুঁজছিলেন, যে সময় তিনি সকলকে হতচকিত করে দিয়ে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।

    সেই সুযোগ এসেও গেল। পাণ্ডব-কৌরবেরা একদিন খেলতে খেলতে হস্তিনানগরের বাইরে চলে এসেছেন খানিকটা। এখানে খেলবার মতো বিস্তীর্ণ প্রান্তর আছে আর এই হস্তিনাপুর নগরের প্রান্তদেশেই বোধ হয় কৃপাচার্যের আবাসস্থল নির্দিষ্ট হয়েছিল। এখনকার দিনে যেমন ‘বল’ খেলা হয়, সেকালের দিনে তেমন বল ছিল না নিশ্চয়ই; কিন্তু গোলাকার বস্তু নিয়ে বালকদের খেলবার প্রবণতা চিরন্তন কাল ধরে এতটাই ‘ইনস্টিংটিভ্‌’ যে, বস্ত্রখণ্ড দিয়ে গোলাকার বল তৈরি করে খেলাটা সে যুগেও অসম্ভব ছিল না। আমরা কন্দুকক্রীড়ার নাম শুনেছি, সেটা গুলিখেলাও হতে পারে, বলও হতে পারে। মহাভারতের কবি এই গোলাকার বস্তুটির নাম দিয়েছেন ‘বীটা’ এবং এটাও বলের মতোই কোনও জিনিস। ছোটবেলায় গাঁয়েগঞ্জে বাতাবিলেবু দিয়ে বল খেলে যারা বলাভাব মিটিয়েছে, তারা অবশ্যই বুঝবে যে এই ‘বীটা’ বলের মতোই কোনও জিনিস এবং তা বাতাবিলেবু নাই হোক, কিন্তু বস্ত্রখণ্ডের তৈরি কোনও ‘গুটলি’ হওয়াই সম্ভব।

    পাণ্ডব কৌরবরা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে ওই ‘বীটা’ নিয়ে খেলা আরম্ভ করেছিলেন এবং বীটার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের ছোটাছুটিও ভালই চলছিল—ক্রীড়ন্তো বীটয়া তত্র বীরাঃ পর্য্যচরন্ মুদা। হাত কিংবা পায়ের জোরে অথবা অনবধানে সেই খেলার বীটা এক সময় গিয়ে পড়ল একটি অন্ধকূপের মধ্যে। বীর বালকেরা অনেক চেষ্টা করলেন—লাঠির খোঁচা, ঢিল ছোঁড়া—অনেক কিছুই হল বীটা ওপরে তোলার জন্য, কিন্তু শেষপর্যন্ত কোনও উপায়ই তাঁরা বার করতে পারলেন না—ন চ তে প্রত্যপদ্যন্ত কর্ম বীটোপলব্ধয়ে। উৎকণ্ঠিত বালকেরা পরস্পরের মুখ চাওয়াচায়ি করতে লাগলেন। বীটা নেই, খেলা বন্ধ, অতএব এদিক ওদিক তাকানো, অপিচ নতুন খেলা আবিষ্কারের আগেই তাদের অনুসন্ধিৎসু চোখ গিয়ে পড়ল একটি বৃদ্ধপ্রায় মানুষের ওপর।

    তাঁর গায়ের রং কালো, চাঁছাছোলা মেদবর্জিত শরীর, মাথার চুলে কেবলই কিছু পাক ধরেছে, তাঁর গলার উপবীত এবং সম্মুখের হোমকুণ্ডলী দেখে বালকেরা বুঝলেন—তিনি ব্রাহ্মণ—তে’পশ্যন্ ব্রাহ্মণং শ্যাম আপন্নপলিতং কৃশম্‌। ব্রাহ্মণের হোমযজ্ঞের প্রতি বালকদের যে খুব আকর্ষণ তৈরি হয়েছিল, তা বোধ হয় না। তবে হ্যাঁ, খেলার বীটা হারিয়ে গেছে, হাতে অফুরান অবসর, তখন বনের প্রান্তে অগ্নিহোত্র করতে বসা একটি ব্রাহ্মণ দেখলেও বালকদের কৌতূহল হয়। কুরুবাড়ির রাজকুমারেরা ব্রাহ্মণকে ঘিরে তাঁর অগ্নিহোত্রের জোগাড়যন্ত্র দেখতে লাগলেন—ভগ্নোৎসাহ-কৃতাত্মানো ব্রাহ্মণং পর্য্যবারয়ন্‌।

    দ্রোণ খুব স্বচ্ছ মনে আরণ্যক ব্রাহ্মণের তাগিদে এই উম্মুক্ত প্রান্তরের মধ্যে তাঁর নিত্য কর্ম সমাধা করতে এসেছেন, তা আমাদের মনে হয় না। কৃপাচার্যের বাড়িতে বসেই যথেষ্ট নিবিষ্টভাবে তিনি ওই অগ্নিহোত্র সমাধা করতে পারতেন। কাজেই এই যে তিনি বেরিয়ে প্রান্তরের মধ্যে অগ্নিহোত্র করতে বসেছেন, তা নিষ্কারণে নয়। হয়তো কুরুবালকদের ক্রীড়াকৌতুক, উন্মত্ত চিৎকার এবং পরিশেষে কূপগত বীটা উদ্ধারের প্রয়াস তাঁর কানে গিয়ে থাকবে। হয়তো তিনি চেয়েই ছিলেন—কোনও অজুহাতে রাজপুত্রদের সামনে উপস্থিত হতে। এতদিন প্রচ্ছন্নবাসের পর নিজের আত্মপ্রকাশের এই সুবৰ্ণসুযোগ তিনি ছেড়ে দিতে চাননি। অতএব অরণ্য প্রান্তরে এমন জায়গায় তিনি অগ্নিহোত্র করতে বসেছেন, যেখানে ক্রীড়াশীল বালকদের কৌতূহলী দৃষ্টি পড়বেই।

    লোকদেখানাো কায়দায়—কী হয়েছে বাছারা সব, বামুনের যাগযজ্ঞের সময় তোমরা গোল করছ কেন—নিশ্চয় এমন কিছু বলতেই রাজপুত্রেরা বলে উঠলেন—এই দেখুন না, আমাদের খেলার বীটা কুয়োয় পড়ে গেছে। আমরা আর খেলতেই পারছি না। অসমাপ্ত খেলায় বালকদের বিষন্ন দেখে—অথ দ্রোণঃ কুমারাংস্তান্ দৃষ্টা কৃত্যবতস্তদা—একটু হেসেই কথা বললেন। হাসলেন এই ভেবে যে, ওই বীটা কুয়ো থেকে তুলে আনাটা তাঁর কাছে কোনও শক্ত কাজই নয়। অন্যদিকে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার এই তো সুযোগ। দ্রোণ বললেন—ধিক তোমাদের শক্তিতে। তোমরা না ক্ষত্রিয়ের জাত! এত বয়স হল, কীরকম অস্ত্রশিক্ষা হয়েছে তোমাদের যে, সুপ্রসিদ্ধ ভরতবংশে জন্মে বুজে যাওয়া কুয়ো থেকে একটা বীটা তুলে আনতে পারছ না—ভরতস্যান্বয়ে জাতা যে বীটাং নাধিগচ্ছত!

    কুরুবাড়ির রাজপুত্রেরা ধিক্কার শুনে লজ্জায় মাথা নোয়ালেন। দ্রোণ এবার নিজের অস্ত্রকৌশল সম্পর্কে বালকদের মনে চরম বিস্ময় জাগানোর জন্য প্রথমেই তাঁর হাতের আংটিটি খুলে সেই মজা কুয়োর মধ্যেই ফেলে দিলেন। বালকেরা যখন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন, দ্রোণ তখন বললেন—দেখো, তোমাদের বীটা তো রয়েইছে, তার মধ্যে আমার আংটিটিও ওই কুয়োর মধ্যেই ফেলে দিলাম; এবার দেখো, কীভাবে দুটোই আমি তুলে আনি। যদি আনতে পারি, তবে আমাকে ভালরকম খাওয়াবে তো, বাছারা—উদ্ধরেয়মীষিকাভির্ভোজনং মে প্রদীয়তাম্‌।

    খেলার সূত্রে কুরুবাড়ির ছেলেরা মাঝে মাঝেই এদিকে আসেন। ফলে কৃপাচার্যের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যে ছেলেটি তাঁদের অস্ত্রশিক্ষা দিতে আসেন, সেই অশ্বত্থামাকে যেমন কৃপাচার্যের আত্মীয় ভাবতে তাঁদের অসুবিধে হয় না, তেমনই দ্রোণকেও তাঁরা কৃপের বাড়িতেই দেখে থাকবেন বলে তাঁকেও কৃপের আত্মীয় ভাবতে অসুবিধে হয় না। এই সূত্র ধরেই পাণ্ডব কৌরবদের অগ্রজ যুধিষ্ঠির দ্রোণের কথার জবাব দিয়ে বললেন—কৃপাচার্যের যদি অনুমতি হয়, তবে এই একদিন কেন, আপনি প্রতিদিনই উত্তম ভোজন লাভ করবেন—কৃপস্যানুমতে ব্রহ্মন্‌ ভিক্ষামাপ্নুহি শাশ্বতীম্।

    দ্রোণ হাসলেন। তারপর নলখাগড়ার বন থেকে কতগুলি খাগের তির বানিয়ে বললেন—এবার দেখো এর কেরামতি। এ ক্ষমতা অন্য কারও হবে না—অস্য বীৰ্য্যং নিরীক্ষধ্বং যদন্যস্য ন বিদ্যতে। আমার হাতের এই একমুঠি তিরের মধ্যে শুধু একটা দিয়ে আমি ওই বীটার গুলিকাটিকে বিদ্ধ করব। তারপর সেই তিরের পিছনে আরও একটা তির এবং তার পিছনে আরেকটা—এইভাবে তিরগুলি আমার হাতের নাগালে পৌঁছোলে তোমাদের বীটা আমি ওপরে তুলে আনব—তামন্যয়া সমাযোগে বীটায়া গ্রহণং মম। দ্রোণ যেমনটি বললেন, ঠিক সেইভাবেই বীটা তুলে আনলেন ওপরে। ঘটনা দেখে কুরুবাড়ির রাজপুত্রদের চোখ কপালে উঠল—তদবেক্ষ্য কুমারাস্তে বিস্ময়য়োৎফুল্ললোচনা। তাঁদের খেলার বীটা ওপরে উঠে এসেছে কিন্তু দ্রোণের হাতের আংটিটি তখনও পড়ে রয়েছে কুয়োর মধ্যেই। বালকরা বললেন—এবার আপনার আংটিটিও তুলে আনুন—মুদ্রিকামপি বিপ্রর্ষে শীঘ্রমেতাং সমুদ্ধর।

    দ্রোণাচার্য আবারও হাতে তুলে নিলেন ধনুকবাণ। এই শরাসনের সন্ধানই তাঁর দেখানোর প্রয়োজন ছিল সবচেয়ে বেশি। কারণ এতেই বালকেরা চমকিত হবে এবং সেই চমৎকারই জুটিয়ে দেবে তাঁর বৃত্তি। দ্রোণ এমনভাবেই আংটির গায়ে শরাঘাত করলেন যাতে একের পর এক বাণ-পরম্পরায় বাণবিদ্ধ আংটি উঠে এল ওপরে। দ্রোণ আংটিটি বিস্ময়স্তব্ধ বালকদের হাতে দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন যেন কিছুই হয়নি। যেন এমনটি তিনি প্রায়ই করে থাকেন—দদৌ ততঃ কুমারাণাং বিস্মিতানাম্ অবিস্মিতঃ।

    খেলার বীটা এবং আংটি তোলার কেরামতি দেখে রাজপুত্রেরা একযোগে দ্রোণকে বলল—আমাদের প্রণাম গ্রহণ করুন, বামুনঠাকুর! এমন ক্ষমতা কারও দেখিনি—অভিবন্দামহে ব্ৰহ্মণ্‌ নৈতদন্যেষু বিদ্যতে। সত্যি করে বলুন তো আপনি কে? কী আপনার পরিচয়? আর যেভাবে আপনি আমাদের উপকার করলেন, তাতে কীভাবেই আপনার প্রতিদান দেব—বয়ং কিং করবামহে? দ্রোণ দেখলেন এই সুযোগ। তিনি বললেন—বেশি কিছু করতে হবে না। তোমরা মহামতি ভীষ্মের কাছে গিয়ে বলো যে, আমি কী করেছি এবং তাঁর কাছে আমার অস্ত্রকৌশল বর্ণনা করার সঙ্গে সঙ্গে আমার চেহারার বর্ণনাটাও দিয়ো—আচক্ষধ্বঞ্চ ভীষ্ময় রূপেণ চ গুণৈশ্চ মাম্‌। তারপর আর তোমাদের চিন্তা করতে হবে না। তিনি যা করার করবেন।

    কুরুবাড়ির রাজকুমারেরা দ্রোণের প্রতি কৃতজ্ঞতায় পূর্বে ঘটা সমস্ত কাহিনী এবং তাদের বিস্ময়ের অতিরেকটুকুও সবিস্তারে জানাল। ভীষ্ম বুঝতে পারলেন—দ্রোণ পঞ্চাল ছেড়ে এসেছেন এবং এই মহান অস্ত্রবেত্তাই কুমারদের সবচেয়ে উপযুক্ত অস্ত্রগুরু হতে পারেন—যুক্তরূপঃ স হি গুরুরিত্যেবমনুচিন্ত্য চ। মনে মনে এ কথা ভেবে ভীষ্ম ডেকে পাঠালেন দ্রোণকে। রাজবাড়ির রাজকীয় সৎকারে দ্রোণকে সম্মান করে তাঁর পঞ্চাল ছেড়ে হস্তিনাপুরে আসবার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন—হেতুমাগমনে তত্র দ্রোণঃ সর্বং ন্যবেদয়ৎ—দ্রোণও তখন তাঁর জীবনের সমস্ত ঘটনা আনুপূর্বিকভাবে নিবেদন করলেন ভীষ্মের কাছে। অগ্নিবেশের অস্ত্রাশ্রমে পাঞ্চাল দ্রুপদের সঙ্গে তাঁর পরিচয়ের সময় থেকে দ্রুপদের বন্ধুত্ব, তাঁর প্রতিজ্ঞা, দ্রোণের দরিদ্র অবস্থা, পুত্রের জন্ম, অশ্বত্থামার দুগ্ধবোধে পিষ্টরস সেবনে অন্যান্য বালকদের উপহাস, দ্রুপদের কাছে সপুত্র-পরিবারে দ্রোণের গমন, দ্রুপদের চরম অপমান—সবকিছু তিনি একের পর ঘটনা সাজিয়ে ভীষ্মের কাছে বলে গেলেন।

    জীবনের দুঃখকষ্টগুলি অসহ্য হয়ে গেলে নিজেকে চরম অসহায় লাগে নিশ্চয়ই, কিন্তু সেই কষ্ট যদি সমব্যথী মানুষকে জানানো যায় এবং সে মানুষ যদি তা ধৈর্য ধরে শুনে প্রথম থেকেই সমব্যথার পরিচয় দিতে থাকেন, তবে তা ক্ষতস্থানে চন্দন লেপনের কাজ করে। দ্রোণের কাছে ভীষ্মের প্রত্যুত্তরটি সেইরকমই হল। দারিদ্র্য পীড়িত দ্রোণের জীবনকাহিনীর শেষে একটা হাহাকার ছিল। দ্রোণ বলেছিলেন, ভীষ্মের কাছে সানুনয়ে বলেছিলেন—আমি এখানে উপযুক্ত অস্ত্র-শিষ্য পাব বলে এসেছি—শিষ্যৈরর্থী গুণান্বিতৈঃ। কুরুবাড়ির রাজকুমারদের কাছে যে অস্ত্রশিক্ষা আপনি আশা করছেন, সে আশা আমি পূরণ করব। আপনার অভিলাষ পূর্ণ হবে। সেই জন্যই আমার হস্তিনাপুরে আসা। এবারে বলুন, আমি কী করতে পারি আপনার জন্য—ব্রহি কিং করবাণি তে। দ্রোণের অত্যাশ্চর্য অস্ত্র ক্ষমতার কথা ভীষ্ম আগে থেকেই জানতেন। কাজেই সেখানে তাঁর কোনও অপছন্দই নেই। অন্যদিকে দ্রোণকে শিক্ষক নিযুক্ত করার রাজনৈতিক তাৎপর্য কী, তাও ভীষ্মের অজানা নয়। পঞ্চাল রাজ্যের সঙ্গে হস্তিনাপুরের চিরন্তন শত্রুতার নিরিখে দ্রোণাচার্যের অস্ত্র শিক্ষা যদি কুরুবাড়ির রাজপুত্রদের পাঞ্চালদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী করে তোলে তা হলে ভীষ্মই পরিণামে লাভবান হবেন। অতএব ভীষ্ম দ্রোণকে ছাড়বেন কেন?

    দ্রোণের করুণ কাহিনী শুনে ভীষ্ম তাঁকে সম্পূর্ণ আশ্বস্ততা দিয়ে বললেন—আপনি এখন নিশ্চিন্তে ধনুকের ছিলাটি আপনার ধনুক থেকে খুলে রাখুন এবং ভাল করে অস্ত্রশিক্ষা দিন এই বাড়ির রাজপুত্রদের—অপজ্যং ক্রিয়তাং চাপং সাধ্বস্ত্রং প্রতিপাদয়। আপনার ভোজন, আবাসনই শুধু নয়, কুরু রাজ্যের সমস্ত ভোগ্য বস্তু আপনার ভোগ্য হবে। কুরুদের এই যে রাজত্ব, ধনসম্পদ এবং রাজ্য—এগুলিতে আপনার অধিকারই শুধু নয়, আপনাকে রাজা বলে সম্মান করব আমরা। আপনি জানবেন—কুরুবাড়ির সকলেই আপনার অনুগত—ত্বমেব পরমো রাজা সর্বে চ কুরবস্তব—আপনি আমাদের হুকুম করবেন।

    ভীষ্মের এই বক্তব্যের মধ্যে খানিকটা অতিরঞ্জনের গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। বাস্তবে দ্রোণ কুরু রাজ্যের রাজত্ব লাভ করেননি হয়তো, কিন্তু এই আরম্ভ থেকে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত যে সম্মান তিনি পেতে থাকবেন, তা রাজকীয় তো বটেই, একজন রাজার চাইতে তা কমও নয়। হয়তো এই সম্মান ব্রাহ্মণ বলেও খানিকটা, গুরু বলেও খানিকটা, হয়তো বা এ সম্মান খানিকটা পাঞ্চাল দ্রুপদের প্রতিজ্ঞাত সত্যের প্রতিপূরণও বটে—কুরূণামস্তি যদ্‌বিত্তং রাজ্যঞ্চেদং সরাষ্ট্রকম্‌—কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে দেখতে গেলে সরাসরি রাজা না হয়ে উঠলেও দ্রোণ যেভাবে বাঁচতে চেয়েছিলেন, যে সম্মানের অভিলাষ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাঁকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছিল, তার অনেকটাই ভীষ্মের বক্তব্যে সুখলভ্য বলে মনে হল—যচ্চ তে প্রার্থিতং ব্রহ্মন্ কৃতং তদিতি চিন্ত্যতাম্‌। শর্ত ছিল শুধু একটাই—রাজকুমারদের ভাল করে অস্ত্রশিক্ষা দিতে হবে।

    ভীষ্ম রাজবাড়ির সমস্ত বালকদের কাছে ডাকলেন। কৌরব এবং পাণ্ডব সকলকে ডেকে তিনি বিধিনিয়ম অনুসারে দ্রোণের হাতে দিয়ে বললেন—এই আপনার শিষ্যকুল। আপনি এঁদের ভার নিন। দ্রোণকে হস্তিনাপুরের রাজবাড়ির বিধিসম্মত আচার্য নিয়োগ করার পরেই দ্রোণ এবার একটু চিন্তিত হলেন। এতদিন তিনি তাঁর শ্যালক কৃপাচার্যের বাড়িতে আশ্রিত ছিলেন, এবং সেই কৃপাচার্যই এতদিন পাণ্ডব কৌরবের অস্ত্রশিক্ষার গুরু ছিলেন। দ্রোণ আচার্য নিযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃপাচার্যের বৃত্তিলোপের সম্ভাবনা। ভীষ্মের সঙ্গে সমস্ত কথাবার্তা শেষ হয়ে যাবার পর দ্রোণ এখন কৃপাচার্যের কথা ভেবে অস্বস্তি প্রকাশ করছেন। অথচ এই কাজটি করার জন্যই তিনি প্রথম থেকে প্রস্তুত হচ্ছেন, কৃপাচার্যের গৃহে প্রচ্ছন্নভাবে থেকেই তিনি প্রস্তুত হচ্ছিলেন এর জন্য। দ্রোণকে আমরা দোষ দিই না। ছোটবেলা থেকে যেভাবে তাঁর দিন কেটেছে, তারপর বৃত্তিত্যাগ, বন্ধু দ্রুপদের প্রত্যাখ্যান এবং সর্বোপরি তাঁর আজন্ম সাধন ধন দারিদ্র্য—এই সবকিছুর নিরিখে কৃপাচার্যের কথা তাঁর পক্ষে পূর্বাহ্নে ভাবনা করা সম্ভব ছিলও না হয়তো। কিন্তু যে মুহূর্তে তাঁর জীবনের দুশ্চিন্তাপর্ব সম্পূর্ণ মিটে গেছে, সেই মুহূর্তেই তিনি কৃপাচার্যের ঋণের কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেছেন।

    দ্রোণ বলেছেন—তা হলে কৃপের কী হবে? এতদিন তিনিই তো আচার্য হিসেবে ছিলেন। তিনি অস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তি। অভিজ্ঞ লোকেরাও তাঁকে আচার্য হিসেবে মানেন। এখন আমি যদি কুমারদের আচার্য নিযুক্ত হই, তা হলে নিশ্চয় তাঁর মনে বড় কষ্ট হবে—ময়ি তিষ্ঠতি চেদ্‌বিপ্রো বৈমনস্যং গমিষ্যতি। কৃপের জন্য দ্রোণ যতই সমব্যথা প্রকাশ করুন, তিনি আসলে কুরুবাড়িতে কৃপের প্রতিষ্ঠা বুঝতেই পারেননি। কৃপ কুরুবাড়িতে আছেন প্রায় ভীষ্মের সময় থেকে। তিনি প্রায় ঘরের লোক। ভীষ্ম অবশ্য দ্রোণের অস্বস্তি বুঝে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে বলেছেন—আরে কৃপ থাকুন কৃপের জায়গায়। তাঁর সম্মানও এতে নষ্ট হবে না আর তাঁর ভরণপোষণের কোনও সমস্যা হবে না এখানে—কৃপস্তিষ্ঠতু পূজ্যশ্চ্য ভর্তব্যশ্চ ময়া সদা। আমার নাতিদের শিক্ষার ভার আপনাকেই নিতে হবে। তাঁদের আচার্য হবেন আপনিই—ত্বং গুরুর্ভব পৌত্ৰাণামাচাৰ্য্যস্ত্বং মতো মম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article বাল্মীকির রাম ও রামায়ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }