Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প1027 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্যাস দ্বৈপায়ন – ২

    ॥ ২ ॥

    ব্রাহ্মণ পিতা পরাশরের পূর্ণ পুত্রাভিলাষ ধীবরকন্যা সত্যবতীর গর্ভমাধ্যমে সঞ্চারিত হল এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মধ্যে, যেখানে তিনি একাকী অথচ সেখান থেকে আর সকলকে তিনি দেখতে পাচ্ছেন। জন্মলগ্নে শূদ্রা ধীবরজননীর হৃদয়-দহন ব্যাসের মনে ছিল; ব্রাহ্মণ পিতার গৌরবের সঙ্গে তাই মায়ের হৃদয় মিশে এমন এক মহামানবের সৃষ্টি হয়েছিল, যাঁর পক্ষে মহাভারতের মতো বিচিত্র গ্রন্থ লেখা সম্ভব হয়েছে। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ একটি অদ্ভুত সুন্দর কথা বলেছে। বলেছে—স্ত্রী, শূদ্র এবং পতিত ব্রাহ্মণদের বেদ শ্রবণ করবারও অধিকার ছিল না, ব্যাস শুধু এঁদের প্রতি করুণা করেই মহাভারত গ্রন্থখানি লিখেছেন—ইতি ভারতমাখ্যানং কৃপয়া মুনিনা কৃতম্‌। মায়ের দৃষ্টান্তেই হোক কিংবা শূদ্রদের সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতেই হোক, ব্যাসের মনে যে সংকরজাত সন্তানের সহানুভূতি ছিল, সেকথা মেনে নেওয়াটাই সযৌক্তিক হবে। এ কথা ঠিক যে, সেকালের ব্রাহ্মণপ্রধান সমাজের ব্রাহ্মণ্য সংস্কার তাঁকে মানতে হয়েছে এবং মাঝে মাঝেই তাঁকে ভারতকথা বিলম্বিত করতে হয়েছে সদর্থক ব্রাহ্মণ্যের জয়কারে। সেটা অন্যায়ও নয়, অস্বাভাবিকও নয়। কিন্তু সময় সুযোগ যখনই এসেছে, তখনই কিন্তু বার বার তাঁর মুখে শুনেছি যে, ব্রাহ্মণ পিতার ঔরসে ব্রাহ্মণীর গর্ভে জন্মালেই ব্রাহ্মণ হওয়া যায় না; প্রকৃত প্রয়োজন ব্রাহ্মণের গুণ—ত্যাগ, দয়া, ধর্ম, চরিত্র। আর এই সাংঘাতিক প্রশ্ন তিনি সেইসব বিপন্ন মুহূর্তেই তুলেছেন, যখন মানুষ সত্য বই মিথ্যা বলে না।

    মহাভারতের বনপর্বে শেষ মুহূর্তটি স্মরণ করুন। ধর্মরূপী যক্ষের প্রভাবে চার পাণ্ডববীর বিষপুষ্করিণীর তীরে শুয়ে আছেন। যক্ষের কথার উত্তর না দিয়ে পুষ্করিণীর জলস্পর্শ করার ফল ভোগ করছেন। যুধিষ্ঠির এলেন সর্বশেষে। মৃত ভাইদের দেখে করুণ বিলাপ করবার পরেই তিনি যক্ষের প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন। মহামতি ব্যাস যক্ষের মুখে যেসব প্রশ্ন রেখেছেন, চিরাচরিত ক্লিশে হয়ে গেলেও যুধিষ্ঠিরের উত্তরগুলি কিন্তু একেবারেই চিরাচরিত নয়। বেশ বুঝতে পারি—সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই প্রশ্নগুলি উঠত, ব্যাস সময়মতো সুযোগ বুঝে এক অলৌকিক সত্তা যক্ষের মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলি রেখেছেন এবং উত্তর দেবার জন্য তিনি এমন একজনকে বেছেছেন যিনি বিপন্ন অবস্থাতেও ধর্মের নিয়ম থেকে চ্যুত হন না। যক্ষ বললেন—বংশ, চরিত্র, না বেদপাঠ, নাকি আচার্যের মুখে শোনা বেদার্থবোধ—কোনটি দিয়ে ব্রাহ্মণত্বের নির্ণয় হবে। যুধিষ্ঠির কাটা জবাব দিয়ে বললেন—বংশ নয়, কুল নয়, নিয়ত বেদপাঠ অথবা গুরুর কাছে বেদার্থের ব্যাখ্যা শুনেও ব্রাহ্মণত্ব তৈরি হয় না। ব্রাহ্মণত্বের কারণ গুণ এবং চরিত্র—কারণং হি দ্বিজত্বে চ বৃত্তমেব ন সংশয়ঃ।

    যক্ষ-যুধিষ্ঠিরের যুগলবন্দিতে পরিস্ফুট হয়েছে ব্যাসের মর্মকথা। যুধিষ্ঠিরের মুখ দিয়ে তিনিই বলেছেন—চারখানা ঢাঁই ঢাঁই বেদ পড়েও যে ব্রাহ্মণ দুশ্চরিত্র, সে শূদ্রের বাড়া—চতুর্বেদো’পি দুবৃত্তঃ স শূদ্রাদ্‌ অতিরিচ্যতে। এই উত্তরে তবু ব্রাহ্মণত্বের সংজ্ঞা অস্পষ্ট থেকে যায়। কারণ, অন্যায় অধর্ম এখানে ব্রাহ্মণকে অধঃপতিত শূদ্রে পরিণত করছে, অন্যায় থেকে মুক্ত হলেই সে আবার ব্রাহ্মণত্বের গর্ব করবে। ব্যাস এই প্রশ্নটাকে তাই অত সহজে ছাড়েননি। এই প্রশ্ন তিনি আবারও তুলেছেন শান্তিপর্বে, আরও সমাহিত অবস্থায় ভূগু-ভরদ্বাজ সংবাদে। ভৃগু বললেন—বর্ণের ভিত্তিতেই যদি এমন চতুর্বর্ণের বিভাগ—ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয়… এইসব বিভাগ, তা হলে তো বড়ই বিপদ। আকছার দেখছি এক বর্ণ আর এক বর্ণের মেয়ে বিয়ে করে সংকর হয়ে যাচ্ছে—সর্বেষাং খলু বর্ণানাং দৃশ্যতে বর্ণসংকরঃ। এসব ক্ষেত্রে আপনি জাতি ঠিক করবেন কী করে—কুতো বর্ণবিনিশ্চয়ঃ?

    সংকরজন্মা ব্যাসের মহাভারতে এ প্রশ্ন উঠবেই। ভরদ্বাজ তো তো করে বললেন—তা ঠিক বটে। এমন করে বিশেষ বর্ণ ভেদ করা সম্ভবই নয়। কাজকর্ম, জীবিকা, বৃত্তি পালটে ব্রাহ্মণও অনেক সময় ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এমনকী শূদ্রও বনে যায়। প্রশ্নকর্তা ভৃগু এই উত্তরে তুষ্ট হননি, ভৃগুর ওরফে তুষ্ট হননি ব্যাসও। ভরদ্বাজ ব্রাহ্মণ্যের শূদ্রগতির কথা বলেছেন, কিন্তু সে তো জাতিব্রাহ্মণের শূদ্রসংজ্ঞা। যিনি সমগ্র ভারতের হৃদয় নিয়ে মহাভারত রচনা করছেন, সেই ব্যাস এই সংজ্ঞায় তুষ্ট হবেন কী করে? ব্রাহ্মণ যে অধঃপতিত শূদ্ৰাধম হয়ে গেলেও ব্রাহ্মণত্বের গর্ব করে।

    বর্তমান লেখক একবার বাজারে কলা কিনতে গিয়ে বিপন্ন হয়ে পড়েছিল। দোকানে কলা বেশি ছিল না। অতিনিকৃষ্ট কতগুলি বৃন্তহীন কনিষ্ঠিকা-প্রমাণ কলা দেখিয়ে দোকানদার সেগুলির চড়া দাম হেঁকে বসল। আমি বললাম—এই জঘন্য কলা! তার এত দাম? চটুল হেসে দোকানদার জবাব দিল—বাবু! এ কলা জাতে বামুন। মর্তমান কলা।

    এই মুহূর্তে আমার ব্যাসের অসন্তুষ্টির কথা মনে এল। এ হল সেই পূর্বোক্ত ভরদ্বাজের কথা—চেহারা, রং, বৃত্তি সব পালটে ব্রাহ্মণ শূদ্র হয়ে গেলেও সে বলে—আমি জাতে বামুন। সংরক্ষণশীল পণ্ডিতের তুষ্টি হতে পারে এই জবাবে, কিন্তু যিনি মহান ভারতের গণহৃদয় আপন হৃদয়ে ধারণ করে শূদ্রা সত্যবতীর হৃদয়নন্দন ব্যাস হয়েছেন তিনি এই জবাবে তুষ্ট হবেন কী করে। তিনি প্রশ্নকর্তা ভৃগুর অন্তরশায়ী হয়ে প্রশ্ন করলেন—বেশ তো, ব্রাহ্মণ কী করে শূদ্র হয়ে যায়, সে তো বললেন। এবারে বলুন তা হলে ব্রাহ্মণ হওয়া যায় কেমন করে—ব্রাহ্মণঃ কেন ভবতি? ভরদ্বাজের আর উপায় রইল না, কারণ এবারে যে তিনি সমাজের মর্মজ্ঞ কবি ব্যাসের মুখোমুখি। ব্যাসই তো ভৃগুর অন্তরশায়ী হয়ে প্রশ্ন করছেন মহাকাব্যের ছত্রচ্ছায়ায় বসে। ভরদ্বাজ প্রথমে অনেকগুলি সদগুণের তালিকা দিলেন—ত্যাগ, তিতিক্ষা, সমদৃষ্টি, দয়া, সত্য, দান অদ্রোহ—যা ব্রাহ্মণের মধ্যে থাকতে হবে। তারপর বললেন—এই সত্যাদি সপ্ত গুণ যাঁর মধ্যে থাকবে, তিনিই ব্রাহ্মণ। যদি মানুষটি জাতি-জন্মে শূদ্র হন এবং তাঁর মধ্যে যদি এই গুণগুলি থাকে, অপিচ যদি মানুষটি জন্ম-জাতিতে ব্রাহ্মণ হন এবং তাঁর মধ্যে যদি এই গুণগুলি না থাকে, তা হলে শূদ্রও শূদ্র হবেন না, ব্রাহ্মণও ব্রাহ্মণ হবেন না।

    ব্যাসের বুঝি শান্তি হল। আদিপর্বের সেই প্রথম দিকে মহর্ষি বৈশম্পায়নের মুখে ব্যাসের জন্মকথা শোনা গেছে। ব্যাস জানতেন—তাঁর এই প্রিয় শিষ্যটি গুরু ব্যাসের জন্মকথা বলেই গুরুবন্দনা করবে। কাজেই আদিপর্বে শূদ্রা মাতার সেই বেদনা-অভিমান সেই শান্তিপর্ব পর্যন্ত বয়ে নিয়ে এসে ভরদ্বাজের মুখে পরিষ্কার কথা আদায় করে ভারত হৃদয়ের সহৃদয় কবি শান্তি পেলেন। বেশ বুঝি, সংকরজন্মের বেদনা বা অভিমান ব্যাসের মনে কোনও মিশ্রক্রিয়া তৈরি করে থাকবে। গীতায় স্বয়ং ভগবানের মুখেও তিনি জন্মগত ব্রাহ্মণ্যের জয়কার ঘোষণার কোনও সুযোগ দেননি। ভগবানকে বলতে হয়েছে—জন্ম নয়, গুণ এবং জীবিকা কর্মের ভিন্নতায় আমি চতুর্বর্ণের সৃষ্টি করেছি—চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্মবিভাগশঃ।

    এমনকী গীতার আরম্ভে তাঁর হাঁটুর বয়সি অর্জুন যে সর্বনাশা বর্ণসংকরের বিপদ উল্লেখ করে দুনিয়ার দুষ্টু মেয়েদের দায়ী করেছিলেন—স্ত্রীষু দৃষ্টাসু বার্ষ্ণেয় জায়তে বর্ণসংকরঃ—সেদিন ব্যাসের নিশ্চয় মায়ের কথা মনে পড়েছিল। পাণ্ডবদের স্নেহময় ঠাকুরদাদাটি সেদিন মহান এবং ভারী মহাভারতের আড়াল থেকে মুচকি হেসেছিলেন। ভেবেছিলেন—দুষ্টুমি তো শুধু তাঁর মা-ই করেননি পিতা পরাশরও করেছিলেন। এরপর কৃষ্ণ যখন পার্থসারথির ভূমিকায় দাঁড়িয়ে চতুর্বর্ণের বিচারে জন্মের কথা উল্লেখই করলেন না, সেদিন ব্যাস মনে মনে হাততালি দিয়ে বলেছেন—কেমন পাকা ছেলে, হল তো এবার। দুষ্টুমির কথা যদি বলি, তো তোর মা-ঠাকুমা—কুন্তী, অম্বালিকা—এঁরা কোথায় যাবেন! এরপর শান্তিপর্বে এসে কৌরব-পাণ্ডবের আর-এক পিতামহ ভীষ্মের মুখে ভৃগু-ভরদ্বাজের সংবাদ শুনিয়ে সেই বর্ণসংকরের প্রশ্নই তুলেছেন আরও সোজাসুজি এবং চরম সমাধান দিয়েছেন ভরদ্বাজের মুখে। নিশ্চয়ই আহ্লাদিত হয়েছেন ব্যাস—তাঁর আপন সংস্কৃত (নাকি সংকৃত!) রক্ত পাণ্ডব-কৌরবের রাজরক্তের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পেরেছেন বলে।

    কষায়-স্বভাব পণ্ডিতজন তবু সমালোচনা করে বলবেন—মহাভারতে জাতিমাত্রেই ব্রাহ্মণের মাহাত্ম-ঘোষণাও যথেষ্ট আছে, তার কী? আমরা বলি—আছে নিশ্চয় আছে। কিন্তু আপনারা মহাভারত খুঁজে খুঁজে সেইগুলিই বার করে দাখিল করবেন, আর এগুলি বাদ দিয়ে বলবেন—এগুলি ঠিক, এগুলি প্রক্ষিপ্ত, তা হলে মানব না। এঁরা আবার দিব্যচক্ষে মহাভারতের স্তরবিন্যাস করেন—‘স্টাইলে’র নিরিখে, সমাজ পরিবর্তনের নিরিখে। আমরা বলি—একই সমাজে দুইরকম ভাবনাই থাকতে পারে। সংরক্ষণশীল এবং প্রগতিশীল, দুইই থাকতে পারে একই সমাজে। মহাকাব্য সেই সমাজেরই চিত্রণ করে যার মধ্যে সব আছে—এত আছে, অত আছে।

    পুরাণ-ইতিহাসকে যাঁরা ব্রাহ্মণ্য অত্যাচারের দলিল বলে মনে করেন, তাঁদের বলি—অমন একচক্ষু হরিণের মতো একদিকে মুখ গুঁজে গবেষণা করবেন না, সবটা দেখুন। আমি বিশ্বাস করি—স্ত্রী-শূদ্রজনের প্রতি ব্যাসের হৃদয়ে অদ্ভুত এক মমতা ছিল। তার প্রমাণও আছে বহু জায়গায়—মহাভারতে তো আছেই, পুরাণগুলিতেও সেকথা বহুবার উচ্চারিত। বিষ্ণুপুরাণে দেখি—দেখি একসময়ে মুনি ঋষিদের মধ্যে তুমুল বিবাদ উপস্থিত হয়েছিল। তাঁদের তর্ক ছিল—কোন সময়ে ঈশ্বরীয় ধর্মের স্বল্পমাত্র অনুষ্ঠানেও ফল বেশি হয়। মীমাংসু ঋষিরা যখন এই প্রশ্ন নিয়ে মহামতি ব্যাসের কাছে উপস্থিত হলেন, তখন তিনি গঙ্গায় স্নান করতে নেমেছেন। মুনিরা যতক্ষণে জাহ্নবীর তীরে এসে পৌঁছোলেন ব্যাস ততক্ষণ অর্ধেক জলে। মুনিরা প্রশ্ন করার আগেই ব্যাস জলে ডুব দিলেন। এক ডুব দেবার পরেই ব্যাস বলে উঠলেন—কলিকালই দেখছি ভাল, কলিই ভাল। তীরে অপেক্ষমাণ মুনিরা অবাক হলেন ব্যাসের কথা শুনে। ব্যাস ততক্ষণে দ্বিতীয়বার ডুব দিয়ে উঠে বললেন—শূদ্ররাই দেখছি ভাল, শূদ্রই ভাল। মুনিদের আরও অবাক হবার ছিল। ব্যাস তৃতীয়বার গঙ্গায় ডুব দিয়ে বললেন—স্বীলোকই দেখছি ভাল, স্ত্রীলোকই ভাল—সত্যিই তো স্ত্রীলোকের চেয়ে ভাল আর কে আছে—যোষিতঃ সাধুধন্যাস্তা-স্তাভ্যো ধন্যতরো’স্তি কঃ?

    ব্যাস স্নান সেরে উঠতেই মুনিরা তাঁকে ঘিরে ধরে তাঁর অভিনব এবং অশ্রুতপূর্ব বাণীগুলি ব্যাখ্যা করতে বললেন। কেননা, তাঁদের সমকালের ব্রাহ্মণ্য-বিস্তৃত সমাজে এসব কথা তাঁদের কাছে নতুন লাগছে। ব্যাস বললেন—হাজারো ধ্যানযোগ করে সত্যযুগে যা হয় না, নানারকম যজ্ঞ করে ত্রেতাযুগে যা হয় না, বহুতর অর্চনা-বন্দনায় দ্বাপরে যে পুণ্য মেলে না, কলিযুগে শুধুমাত্র ভগবানের নাম করলেই তা পাওয়া যায়। তাই বলেছি—কলিই সাধু। এই একইভাবে শূদ্র এবং স্ত্রীলোকরাও কেন ভাল, সে কথাও ব্যাস ব্যাখ্যা করেছেন, যদিও তাঁর স্ত্রী-শূদ্রের গুরুত্বব্যাখ্যায় চিরাচরিত ব্রাহ্মণ্য আদর্শের ছাপ পড়েছে, তবুও স্ত্রী-শূদ্রের অধিক মান্যতা ব্যাখ্যা করা—তা যেভাবেই হোক—ব্যাস ছাড়া অন্য কারও পক্ষে বলাই সম্ভব হত না হয়তো। ব্যাস বলছিলেন—ব্রাহ্মণেরা শত ব্রহ্মচর্য আর যজ্ঞাদি অনুষ্ঠান করে যা পায় না, শূদ্ররা শুধু তিন বর্ণের সেবা করেই সেই উত্তম গতি লাভ করেন, ঠিক যেমনটি স্ত্রীলোকেরা সেই উত্তম গতি লাভ করে শুধু স্বামীর সেবা করেই।

    জানি, সমাজ সংস্কারকেরা এই কথার কী মানে করেছেন। তারা বলেছেন—এ হল সেই ধান্ধা, যাতে করে শূদ্ৰজনকে খানিকটা তোল্লাই দিয়ে উচ্চবর্ণের সেবায় আরও ভাল করে নিযুক্ত করা যায় এবং স্ত্রীলোককেও স্বামীর দাসীতে পরিণত করা যায়। মানি, একথা মানি যে, সমাজ সংস্কারকের এই অভিযোগ মিথ্যা নয়। কেননা সেকালের সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাসের কথায় স্ত্রী-শূদ্রের আপন মর্যাদা কিছু প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কেননা ব্যাসও তাঁর সমকালীন সমাজের বাইরে নন এবং চিরন্তন ‘অর্ডার’কে তিনি এক ফুৎকারে উড়িয়েও দেন না। কিন্তু তাঁর কথাটা যদি কলিধর্ম হরিনামের মাহাত্ম্য অনুযায়ী বিচার করেন তা হলে দেখবেন—এই সেই উদার ধর্মের প্রচার আরম্ভ হয়েছে, যেখানে হরিনাম-উচ্চারণের সহজ উপায়ে স্ত্রী-শূদ্রের সামাজিক বিড়ম্বনা কমতে আরম্ভ করেছে—মহাভারতের অন্তর্গত গীতার মধ্যে এই কথার প্রতিধ্বনি শুনছি—ভগবান নামে চিহ্নিত সেই পুরুষোত্তমের মুখে—আমাকে একান্তভাবে আশ্রয় করলে স্ত্রী, শূদ্র, বৈশ্য সকলেই পরমা গতি লাভ করে—স্ত্রিয়ো বৈশ্যাস্তথা শূদ্ৰাস্তে’পি যান্তি পরাং গতিম্।

    আরও একটা কথা লক্ষ করতে হবে পূর্বোক্ত বিষ্ণুপুরাণের প্রসঙ্গে। দেখা যাচ্ছে—স্ত্রী-শূদ্রের কথা বলতে গিয়ে ব্যাস তথাকথিত আচারমার্গীদের ত্রুটির উল্লেখ করছেন। এই উল্লেখ এমনই, যাতে মনে হবে—ব্রাহ্মণ্য আচারের আয়াস এবং পরিশ্রম ব্যাসকে যেন ক্লান্ত করে তুলেছিল। সমস্ত ব্যাপারেই শাস্ত্রীয় বাধ্যবাধকতা তাঁকে যেন বিরক্ত ক্লিষ্ট করে তুলছে কোথায়। তিনি বলেছেন—ব্রাহ্মণকে বড় কষ্টে এবং বড় পরাধীনতার মধ্যে দিয়ে নিজের পারলৌকিক গতি লাভ করতে হয়—পারতন্ত্রং সমস্তেষু… ক্লেশেন মহতা দ্বিজাঃ। ব্যাসের বক্তব্য ব্যাখ্যা করতে গেলে আরও অনেক কথা বলতে হয় পুরাণগুলি থেকে এবং সেই পরম্পরার শেষে এসে পাবেন শ্রীচৈতন্যকে—যিনি কালধর্ম হরিনাম এবং স্ত্রী-শূদ্রের সেতুবন্ধন করেছিলেন ব্যাসের ধারণামতো। আমাদের বক্তব্য—বিষ্ণুপুরাণের কাল থেকে চৈতন্য মহাপ্রভুর কালভেদ হাজার-বারোশো বছরেরও বেশি। যে বক্তব্য সমাজে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হাজার-বারোশো বছর কেটে গেছে, সেই বক্তব্য ব্যাস প্রকাশ করেছিলেন অত্যন্ত স্বাধীনভাবে প্রায় বৈপ্লবিক রীতিতে। আমি বিশ্বাস করি—সেকালের সমাজে জাহ্নবীর বুকে দাঁড়িয়ে সমবেত মুনি-মহাজনের সামনে কলি, শূদ্র এবং স্ত্রীলোকের জয়ঘোষ রচনা করার জন্য যে বুকের পাটা দরকার, সেই বুকের পাটা তাঁর তৈরি হয়েছিল সংকর-জন্মের বিড়ম্বনায়। সেই জন্মঋণ তিনি শোধ করে গেছেন উদার এবং স্বাধীন মত প্রতিষ্ঠা করে।

    আর্য পুরুষদের যেসব বহিরঙ্গীয় ব্যাপারে গর্ব ছিল—ফরসা গায়ের রং, টিকোলো নাক, শুদ্ধ বংশধারা—ইত্যাদি সবকিছুর মুখে তিলাঞ্জলি দিয়ে ভারতবর্ষের মাটিতে জন্মালেন কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস। তাঁর নাসিকার সংস্থান সূচ্যগ্র ছিল কিনা, সে খবর আমরা সঠিক কোথাও পাইনি, কিন্তু এটা খুব ভালভাবে জানি যে, তিনি দেখতে বেজায় কালো ছিলেন এবং তাঁর জন্মের মধ্যেও যে তথাকথিত আর্যজনোচিত বিশুদ্ধতা ছিল না, সেকথা যেমন মহাভারত থেকে প্রমাণিত হয়, তেমনই প্রমাণিত হয় পরবর্তী পৌরাণিকদের সংশয়াকুল মন্তব্যে। পুরাণগুলির এখানে ওখানে দেখবেন যে, ব্যাসের জন্মবিবরণ বর্ণনা করার পরেই পুরাণবক্তা কথকঠাকুর শংকিত হচ্ছেন—এই বুঝি সাধারণ মানুষ ব্যাসকে খারাপ ভাবে, অথবা তাঁর পিতা-মাতার আচরণে লজ্জিত হয়। দেবী ভাগবতের পৌরাণিক তো শেষ পর্যন্ত বলেই ফেললেন—এই আমি ভগবান ব্যাসের জন্মকথা বললাম। কিন্তু দেখো বাপু! তাঁর জন্মের বিষয়ে কোনও সন্দেহ রেখো না মনে। বড় মানুষ আর মুনিদের চরিত্রের মধ্যে গুণটুকুই গ্রহণ কোরো, দোষটুকু নয়—মহতাং চরিতে চৈব গুণা গ্রাহ্যা মুনেরিতি।

    পৌরাণিকের এই শংকাসংকুল মন্তব্য থেকে বুঝতে পারি যে, সাধারণ্যে ব্যাসের জন্মকথা যদি সম্ভ্রম না জাগায়, তার জন্য তাঁরা আগে থেকেই সাফাই গাইছেন এবং ভবিষ্যতে ব্যাসের মহত্ব এবং বিশালত্বের কথা মনে রেখে তাঁরা অলৌকিকতার আশ্রয় নিয়ে বলছেন—যে, ব্যাসের মতো বিশাল ব্যক্তিত্বের সৃষ্টি হবে বলেই হয়তো কোনও অলৌকিক কারণে সত্যবতীর জন্ম হয়েছিল জেলের ঘরে, আর তেমন কারণ না থাকলে মহামুনি পরাশরই বা কেন মুহূর্তের জন্য কামাকুল হয়ে উঠলেন—অন্যথা তু মুনেশ্চিত্তং কথং কামাকুলং ভবেৎ। সেই অলৌকিক কারণ কী? না, সকলের চমৎকার সৃষ্টি করে বিশালবুদ্ধি ব্যাস জন্মাবেন বলেই পরাশর-সত্যবতীর অমন আশ্চর্য নিয়মবহির্ভূত মিলন—সকারণেয়ম্যুৎপত্তিঃ কথিতাশ্চৰ্য্যকারিণী।

    দেবীভাগবত পুরাণের কথকঠাকুর যদি আজকের দিনের মানুষ হতেন, তা হলে ব্যাসের এই জীবন-বীজ বর্ণনায় তাঁকে এত দ্বিধাগ্রস্ত হতে হত না। তিনি বুঝতেন যে, মহাভারতের মতো মহাকাব্যের সৃষ্টি করতে যিনি পারেন, তাঁকে জন্ম থেকেই সমাজের প্রচলিত এবং অভ্যস্ত চলমানতার বাইরে দিয়ে চলতে হয়। তাঁর জন্মই শুধু নয়, সংক্ষেপে তাঁর জীবন যদি কোনওভাবে পুনর্গঠন করতে পারি, তা হলে দেখবেন ব্যাস কখনওই সাধারণ চলতি পথের পথিক নন। তাঁকে যদি বিরাট এক ঋষি হিসেবে দেখেন, তা হলে দেখবেন—তিনি প্রচলিত ঋষির চেয়েও বড়—অনেক বড় এক মানুষ। তাঁকে যদি ভগবানের ঐশ্বর্যময়তায় দেখেন, তা হলে দেখবেন—তিনি ভগবানের চেয়েও বড় ঐশ্বর্যশালী এক মানুষ। তাঁকে যদি কবির দৃষ্টিতে দেখেন, তা হলে দেখবেন—তিনি কবির চেয়েও বড় এক মানুষ কবি। অর্থাৎ যতখানি তিনি কবি, তার চেয়েও অনেক বড় এক মানুষ।

    আসলে মানুষ, একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ মানুষ হওয়াই সবচেয়ে কঠিন কাজ। শম-দমাদি সাধন আর মুমুক্ষুত্বের জোরে একজন যদি ঋষিপদবাচ্য হয়ে ওঠেন, তবে তাঁর মধ্যেও ঋষিত্ব বিরাগিত্বের অহং জন্মাতে পারে, ক্ষত্রিয় বীরপুরুষের তো অহঙ্কার স্বাভাবিক, এমনকী দাসত্বেরও অভিমান আছে, কিন্তু ঋষি কবি যাকে বলেছিলেন—সবার রঙে রং মেশাতে হবে—তেমন একজন মানুষ পাওয়া বড় কঠিন। ব্যাস তাঁর মহাভারতের মধ্যে হংসগীতা নামে অসাধারণ একটি কথোপকথন সংকলিত করেছেন। এমন হতে পারে—এই সংকলনটুকু তাঁর নিজের লেখা নয়, কিন্তু প্রাচীন এই সংবাদটুকু তাঁর এতই পছন্দ ছিল, যে তা তিনি মহামতি ভীষ্মের মুখে বসিয়ে দিয়েছেন—শান্তিপর্বে যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দেবার সময়। যুধিষ্ঠির ভীষ্মকে জিজ্ঞাসা করে বলেছিলেন—বিদ্বান-সজ্জনেরা সত্য, দম, ক্ষমা, প্রজ্ঞা—এসবের খুব প্রশংসা করেন, তা এ সম্বন্ধে আপনার কী মত? ভীষ্ম নিজে এর সোজাসুজি জবাব দেননি। এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি ব্যাস সংকলিত একটি অসাধারণ কথোপকথনের উল্লেখ করে প্রজাপতিরূপী হংসের উপদেশের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন—দেখো! আমাকে অভিশাপ দিলেই আমি উলটে অভিশাপ দিই না। কাম-ক্রোধ-লোভ দমন করার যে ক্ষমতা, তাই হল অমৃতলাভের দ্বারস্বরূপ। আর সবচেয়ে গূঢ়-গোপন, সবচেয়ে বড় কথাটা কী জান—এ জগতে মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর কিছু নেই—গুহ্যং ব্রহ্ম তদিদং বো ব্রবীমি/ ন মানুষাচ্ছ্রেষ্ঠতরং হি কিঞ্চিৎ।

    ব্রাহ্মণ্য-চর্চার সবচেয়ে উর্বর সময় এবং পরিবেশের মধ্যে দাঁড়িয়ে যিনি মানুষ, জাতি-বর্ণ-বিশেষহীন মানুষের শ্রেষ্ঠত্ববাচক এই শব্দগুলি মন্ত্রের মতো উচ্চারণ করতে পারেন, সেই কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসের মধ্যে ঋষিত্ব, কবিত্ব, দেবত্বের চেয়েও মানুষের সত্তাটুকু বেশি আছে। তাঁর ঋষিত্ব তাঁকে এই পৃথিবীর মানুষকে বুঝবার গভীরতা এবং দার্শনিকতা দিয়েছে। তাঁর দেবত্ব তাঁকে মানুষের চিরন্তন কাম-ক্রোধ-লোভাক্রান্ত হৃদয়কে ক্ষমা করতে শিখিয়েছে। আর তাঁর কবিত্ব তাঁকে কবিজনোচিত বেদনা এবং সমান-হৃদয়তায় মানুষের বিচিত্র কর্মাবলি নির্বিন্নভাবে দেখতে শিখিয়েছে। কারণ মানুষ হয়ে ওঠার মধ্যে যে ব্যথা, যন্ত্রণা এবং অভিজ্ঞতার বৈচিত্র্য থাকে, জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যথা, যন্ত্রণা এবং মানুষের বিষম-বৃত্তি দেখে দেখেই তাঁর কবির অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ হয়েছে। সেই জন্যই অন্য পাঁচটা শাস্ত্রগ্রন্থের মতো মহাভারতকে তিনি সম্পূর্ণ মোক্ষশাস্ত্র বানিয়ে তুলতে পারেননি। মহাভারতকে তিনি ভারতবর্ষের ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছেন, বলতে চেয়েছেন—দেখো বাপু! ভারতবর্ষের মানুষ এইরকম ছিল—ইতি হ আস—তোমরা কি অন্যরকম কিছু! আর এই মহাভারতের ইতিহাস তাঁর পক্ষে লেখা সম্ভব হয়েছে এই কারণেই, যেহেতু এই ইতিহাসের সঙ্গে তাঁর নিজের জীবনের যোগ আছে। যোগ আছে প্রতিকর্ম প্রতিমর্মের সঙ্গে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article বাল্মীকির রাম ও রামায়ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }