Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারতের ছয় প্রবীণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী এক পাতা গল্প1027 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ধৃতরাষ্ট্র – ১০

    ॥ ১০ ॥

    পাণ্ডবরা বনে চলে যাবার পর পৌর-জনপদবাসীদের বিক্ষোভ যেমন দেখা দিয়েছিল, তেমনই বহিরাগত মুনি-ঋষিরাও ধৃতরাষ্ট্রকে কথা শোনাতে ছাড়ছিলেন না। এমনই একদিন ব্যাস এসেছিলেন মৈত্রেয় ঋষিকে সঙ্গে করে। ধৃতরাষ্ট্র ব্যাসের আত্মজ পুত্র। পাণ্ডু ও বিদুরও তাই। ভরতবংশের ওপরে এই মুনির প্রাণের টান আছে। ব্যাস কাম্যকবনে পাণ্ডবদের সঙ্গে দেখা করে তবেই এসেছেন হস্তিনাপুরে। তিনি এসেই ধৃতরাষ্ট্রকে একহাত নিলেন। বললেন—এইভাবে পাণ্ডবরা বনে গেছে—আমার কিন্তু মোটেই ভাল লাগেনি। অন্যায়ভাবে পাশা খেলে তোমার ছেলেরা যে কাজ করেছে, আজ থেকে তেরো বছর পরে কিন্তু তার ফল ভুগতে হবে তোমার ছেলেদের। আমি এখনও বলছি—তোমার ছেলেকে সামলাও এবং সে পাণ্ডবদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করুক—বার্য্যতাং সাধ্বয়ং মূঢ়ঃ শমং গচ্ছতু পাণ্ডবৈঃ। তা নইলে, তোমার ছেলেকেও বনে পাঠাও। সে একা গিয়ে পাণ্ডবদের সঙ্গে থাকুক। সেখানে থাকতে থাকতে সে যদি যুধিষ্ঠিরের স্নেহ লাভ করে, তবেই বুঝবে তুমি বাঁচলে, নইলে সব যাবে। জান তো, স্বভাবের দোষ না মরলে যায় না, কাজেই তুমি কী ঠিক করবে আমি জানি না।

    পিতা ব্যাসের ধমক খেয়ে ধৃতরাষ্ট্র একেবারে নিজের হৃদয়ের কথাটুকু উজাড় করে দিলেন। বললেন—আমি কী করব? আমি কিছুতেই চেতনাহীন দুর্যোধনকে ছেড়ে দিতে পারি না। এই যে পাশাখেলা নিয়ে যা হল, তা আমি চাইনি, কিন্তু কেমন করে যেন দৈবলিখনের মতো সব ঘটে গেল। ভীষ্ম, দ্রোণ, বিদুর গান্ধারী—কেউই চাননি এমন ঘটনা ঘটুক, কিন্তু কেমন করে যেন পুত্রস্নেহের বশেই আমি এসব করে বসলাম—তচ্চ মোহাৎ প্রবর্তিতম্‌। কী করব, দুর্যোধনকে আমি কিছুতেই মন থেকে দূরে রাখতে পারি না। সে যে অন্যায় করছে তা আমি বেশ বুঝতে পারি। কিন্তু সব বুঝেও—এমনই আমার অপার স্নেহ—আমি তাকে বারণও করতে পারি না, কিংবা তাকে ত্যাগও করতে পারি না—পুত্রস্নেহেন ভগবন্‌ জানস্নপি প্রিয়ব্রত।

    ধৃতরাষ্ট্র পুত্রের কথা বলছেন, ব্যাস কি সেই পুত্রস্নেহের কথা জানেন না? ধৃতরাষ্ট্র কাকে বোঝাচ্ছেন? আজকের দিনেও যে এমনই হয়—পুত্র পুত্রবধূ তাঁদের পুত্রটির কথা বোঝেন, কিন্তু সংসারে যে জনক-জননী দুটি রয়েছেন, তাঁদের আরও যে দু-তিনটি পুত্রকন্যা রয়েছে, তাঁদের ওপরেও যে জনক-জননীর স্নেহ থাকতে পারে, সেটা কেউ বোঝে না। ব্যাসের কাছে ধৃতরাষ্ট্র, পাণ্ডু, বিদুর এঁরা সকলেই সমান। সেখানে এক পুত্র রাজার হালে আছেন, আরেক ছেলের পুত্রেরা বনেবাদাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ব্যাসের কি তা ভাল লাগে। ব্যাস তাই বললেন—বুঝি, যথেষ্ট বুঝি। ঠিক বলেছ তুমি, এই পৃথিবীর পুত্রের চেয়ে বড় আর কীই বা আছে—দৃঢ়ং বিদ্মঃ পর পুত্রং পরং পুত্ৰান্ন বিদ্যতে। তবে কিনা তোমাকে একটা গল্প বলি শোনো।

    মহর্ষি ব্যাস তিন ভুবনের গাভী-মাতা সুরভির গল্প বললেন ধৃতরাষ্ট্রকে। বললেন—দেখো, একদিন স্বর্গের দুয়ারে বসে গাভী-মাতা সুরভি খুব কাঁদছিলেন। তাঁর করুণ কান্না শুনে দেবরাজ ইন্দ্র এসে বললেন—তুমি কাঁদছ কেন মা জননী। স্বর্গের দেবতাদের কি কোনও অমঙ্গল হয়েছে? নাকি মর্ত্যলোকে অথবা নাগলোকে কোনও বিশেষ বিপদ ঘটেছে? সুরভিকে পৃথিবীর সমস্ত গাভীর আদি জননী বলা হয়। পৃথিবীর যত গোরু, সব তাঁরই সন্তান। সুরভি বললেন—স্বর্গে-মর্ত্যে কোনও অমঙ্গল নেই দেবরাজ, আমি আমার একটি ছেলের দুঃখে বসে বসে কাঁদছি—অহং তু পুত্রং শোচামি তেন রোদিমি কৌশিক। এই দেখো না, মর্ত্যলোকে ওই কৃষকটির ঘরে ওই ছোট্ট এঁড়ে গোরুটিকে দেখতে পাচ্ছ। দেখো কৃষকের হাতে কীরকম চাবুক খাচ্ছে দেখো। কীরকম করে ওর কাঁধে লাঙল চাপিয়ে দিচ্ছে, দেখো? দেখো, লাঙল বইতে পারছে না, বসে পড়ছে, তবু তাকে দিয়ে লাঙল বওয়ানোর জন্যে চাবুক মারছে কৃষক—নিষীদমানং সোৎকণ্ঠং বধ্যমানং সুরাধিপ।

    যে কৃষকের ঘরের দিকে দেখিয়ে দিচ্ছেন সুরভি, সেখানে আরও একটি এঁড়ে গোরু রয়েছে। সে দিব্যি হৃষ্টপুষ্ট, তার গায়েও অনেক শক্তি। সুরভি তাকে দেখিয়ে বললেন—দেখো দেবরাজ! আমার ওই ছেলেটির জন্য কোনও দুঃখ নেই। ওর গায়ে শক্তি আছে, অনেক ভার বইতে পারে, শরীরটাও শক্ত সমর্থ। কিন্তু ওর পাশেরটিকে দেখো, ওর গায়ে মাংস নেই, শিরা বেরিয়ে গেছে সমস্ত শরীরে। আর গায়ে শক্তি বলতে কিছু নেই। আর তাকে কিনা চাবুক মারছে, লাঙল চাপিয়ে দিচ্ছে ঘাড়ে! ভার বইতে ওর বড় কষ্ট বলেই ওই দুর্বল ছেলেটির জন্য আমি কেঁদে মরছি—ততো’হং তস্য শোকার্তা বিরৌমি ভৃশদুঃখিতা।

    ইন্দ্র বললেন—কেন এত কাঁদছ মা জননী। পৃথিবীতে তো এত গোরু আছে, সবই তো তোমার পুত্রকন্যা। হাজার হাজার পুত্র থাকতে, ওই একটা দুর্বল ছেলে তোমার কোথায় চাবুক খেল, কোথায় লাঙল তুলতে পারল না, তার জন্য এত কষ্ট পাচ্ছ কেন—কিং কৃপায়ি তবেত্যত্র পুত্র একত্র হন্যতে? সুরভি বললেন—শোনো, দেবতার কথা শোনো। হাজার ছেলের ওপর আমার সমান দৃষ্টি থাকলেও, যে ছেলেটা আমার দুর্বল, রোগাভোগা, তার জন্যেই যে মায়ের সবচেয়ে বেশি কষ্ট গো—দীনস্য তু সতঃ শক্র পুত্রস্যাভ্যধিকা কৃপা।

    সুরভির গল্প শুনিয়ে ব্যাস ধৃতরাষ্ট্রকে এবার বললেন—তুমি যেমন আমার ছেলে, তেমনই পাণ্ডুও আমারই ছেলে, বিদুরও তাই। সবার ওপরে আমার সমান ভালবাসা আছে। কিন্তু ভেবে দেখো—তোমার একশোটা ছেলে, এবং তারাও বড় ভাল আছে, সুখে আছে। তা থাকুক, সুখেই থাকুক। কিন্তু পাণ্ডুর কথা ভাবো। সে মারা গেছে। আর তার পাঁচটি মাত্র ছেলে, কিন্তু তারা আজকে কত কষ্টে আছে, বনে বনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেমন করে ওরা বাঁচবে, কেমন করে ওরা বড় হবে—এত সব চিন্তা আমায় কষ্ট দিচ্ছে। ওরা কষ্টকর অবস্থায় পড়েছে বলেই ওদের জন্য আমার মনে বড় ব্যথা লাগছে। ওই সুরভি যেমন বলেছিলেন—দুর্বল অবস্থায় আছে বলেই ওদের জন্য আমার বেশি মায়া—তদ যথা সুরভিঃ প্রাহ…হীনেষ্বভ্যধিকা কৃপা। ব্যাস ‘আলটিমেটাম’ দিলেন—তুমি যদি তোমার ছেলেদের বাঁচিয়ে রাখতে চাও, তবে এক্ষুনি দুর্যোধনকে বলো—পাণ্ডবদের সঙ্গে সমস্ত বিবাদ মিটমাট করে নিতে—দুর্যোধনস্তব সুতঃ শমং-গচ্ছতু পাণ্ডবৈঃ।

    আজকের দিনের সমস্ত একপুত্রক পুত্রময়তার জগতে ব্যাসের বলা এই সুরভি-উপাখ্যানের তাৎপর্যই হয়তো নেই। কিন্তু আমাদের যুগে ছিল। আমাদের দিনের বাবা মায়ের সংসারের বৈচিত্রও ছিল অদ্ভুত। এক সংসারে একজন ইঞ্জিনিয়ার, একজন কেরানি এবং অন্যজন মুদিখানার দোকানদার হলেও ওই কেরানিটি অথবা দোকানদারটি ব্যাস-কথিত অর্থনৈতিক দুর্বলতার কারণে বাবা মায়ের স্নেহ পেতেন বেশি। তাঁরা আবার মুখে বলতেন—বট্‌টার জন্য চিন্তা করি না, ও নিজেরটা নিজে চালাতে পারবে, কিন্তু ছোট্‌টার দোকানদারির যা কষ্ট! যেন ইঞ্জিনিয়ারটির কষ্ট নেই। আমরা জানি—ওঁরাও বুঝতেন কষ্ট আছে, কিন্তু নিজেদের স্নেহ মমতা দিয়ে অর্থ-দুর্বল পুত্রটির মানসিক জটিলতা ঘুচিয়ে দেওয়াটাই ছিল আমাদের কালের সুরভি জনক-জননীর কাজ। ব্যাসও ঠিক এই কাজটাই করেছেন। স্নেহান্ধ ধৃতরাষ্ট্রকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি বনবাসক্লিষ্ট পাণ্ডবদের পক্ষে।

    পিতার মতো এমন করেই বা কে বোঝাতে পারে। সেই মুহূর্তে স্নেহান্ধ ধৃতরাষ্ট্রও সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করে বলেছেন—আপনি যা বলেছেন, তা সর্বাংশে ঠিক। এমনকী ভীষ্ম দ্রোণ বিদুররাও আমাকে এই কথা বলেন। তা আপনার যদি সত্যি কৌরবদের ওপর সামান্যও দয়া থাকে, তবে ওই দুরাত্মা দুর্যোধনকে একটু শাসন করে যান, পিতা—অন্বশাধি দুরাত্মানং পুত্রং দুর্যোধনং মম।

    ব্যাস শাসন করলেন না। ইচ্ছাকৃতভাবেই করলেন না। কেননা শাসন করতে গিয়ে যদি তাঁর ক্রোধ উদ্ৰিক্ত হয়, তবে আপন বংশের ওপরেই তাঁর অভিশাপ নেমে আসবে। সেও তো ভাল কথা নয়। ধৃতরাষ্ট্রও যে তাঁর বড় ছেলে। ব্যাসের কথায় মৈত্রেয়ঋষি দুর্যোধনকে অনেক শাসন করলেন। এমনকী শেষ পর্যন্ত ভীমের সেই ঊরুভঙ্গের প্রতিজ্ঞাও মনে করিয়ে দিলেন। অভিশাপ দিয়ে বললেন—ভীমের গদাঘাতেই তোর প্রাণ যাবে। দুর্যোধন যখন কোনও কথাই শুনলেন না তখন ধৃতরাষ্ট্রই মুনিকে শান্ত করে, তাঁর কাছে কির্মীরবধের ঘটনা শুনতে চাইলেন। কানাঘুষোয় তিনি শুনেছেন—কির্মীর রাক্ষস জাতির এক প্রধান পুরুষ এবং তাঁকে মেরেছেন ভীমসেন। মৈত্রেয় কোনও কথা না বলেই রাগ করে চলে গেলেন। অতএব কির্মীর-বধের কথা তাঁকে শোনালেন বিদুর। ভীমের শক্তি প্রদর্শনের কাহিনী শুনে ধৃতরাষ্ট্র আপন পুত্রের অনিষ্টাশঙ্কায় গম্ভীর হয়ে গেলেন। শুধু দীর্ঘনিশ্বাসেই বোঝা গেল তিনি কতটা শঙ্কিত—শ্রুত্বা ধ্যানপরো রাজা নিঃশ্বশাসার্তবৎ তদা।

    ব্যাস এবং মৈত্রেয়ঋষির কাছে ধৃতরাষ্ট্র যেমন কির্মীর-বধের খবর পেয়েছিলেন, তেমনই সেই ব্যাসের কাছেই পরবর্তী সময়ে তিনি অর্জুনের অস্ত্রলাভের কথা শুনেছিলেন। অর্জুন তপস্যা করে পাশুপত এবং অন্যান্য দিব্য অস্ত্র লাভ করেছেন—এ কথা শোনা অবধি ধৃতরাষ্ট্রের মনে অশান্তি ঘনিয়ে উঠল। অর্জুনের ওপর রাগে তিনি দুর্যোধনের ওপরেই খানিকটা হম্বিতম্বি করলেন। বললেন—আমার এই ছেলে, যতরকম বদমায়েশি আছে, তাই করে। কোনদিন দেখব এই বদমাশ গোটা পৃথিবীটাকেই সর্বনাশের পথে ঠেলে দিয়েছে—মম পুত্র সুদুর্বুদ্ধিঃ পৃথিবীং ঘাতয়িষ্যতি। এই যে অর্জুন, তাঁর যা শক্তি-বলের পরিচয় পাচ্ছি তাতে ভীষ্ম দ্রোণ কর্ণের মতো যোদ্ধারাও তাঁর কিছু করতে পারবে না। আমি তো ভূ-ভারতে এমন কাউকে দেখতে পাচ্ছি না, যে অর্জুনকে মারতে পারবে অথবা তাঁকে যুদ্ধে জয় করতে পারবে।

    ধৃতরাষ্ট্র এখন ভীষণ ভয় পাচ্ছেন। প্রাজ্ঞ মন্ত্রী সঞ্জয় তাঁকে দুর্যোধন কর্ণ দুঃশাসনের অপকীর্তির কথা শুনিয়ে অর্জুনের পাশুপত অস্ত্রলাভ এবং তাঁর সঞ্চিত ক্রোধের কথা বুঝিয়ে দিলেন। ধৃতরাষ্ট্র বলেন—যার বড় ভাই যুধিষ্ঠির সমস্ত শিক্ষায় শিক্ষিত তাঁর সামনে আমার এই দুর্বুদ্ধি ছেলেগুলো তো দাঁড়াতেই পারবে না। আমার চোখ নেই, সবকিছু আমি দেখতেও পাই না, আর সেই সুযোগ নিয়ে আমাকে ওরা আমলই দেয় না কোনও—দৃষ্ট্বা মাং চক্ষুষা হীনং… ন শুশ্রূষতি মন্দভাক্‌। ধৃতরাষ্ট্র নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারছেন। বুঝতে পারছেন—ভীম-অর্জুনের শক্তির সঙ্গে যদি কৃষ্ণ-বাসুদেবের বুদ্ধি সংযুক্ত হয়, তবে তাঁর প্রিয় পুত্রেরা সকলেই বিমর্দিত হবে—ক্রুদ্ধে ভীমে চ পার্থে চ বাসুদেবে চ সাত্ত্বতে। ধৃতরাষ্ট্র বুঝতে পারছেন যে হস্তিনাপুরের কৌরবদের বিরুদ্ধে নতুন এক রাজনৈতিক বলয় তৈরি হয়েছে। পাঞ্চাল এবং যাদবদের প্রধান পুরুষেরা কাম্যকবনে এসে কৌরবদের ওপর প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা নিয়ে গেছেন। এই সমস্ত খবর, রাজপুরীতে বসেই পাচ্ছেন ধৃতরাষ্ট্র। যত খবর পাচ্ছেন, তত তাঁর ভয় হচ্ছে। দিনে রাতে তাঁর ঘুম আসে না। বার বার এখন তাঁর মনে হচ্ছে—কেন ওই সাংঘাতিক পাশাখেলার মধ্যে গেলাম—সঞ্চিন্ত্য দুর্নয়ং ঘোরম্‌ অতীতং দ্যূতজং হি তৎ।

    ধৃতরাষ্ট্র যতই ভয় পান, দুর্যোধন-দুঃশাসনদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ তত ছিল না বলেই তাঁরা বনবাসী পাণ্ডবদেরও ক্ষতি করার চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। একবার তো দুর্বাসা মুনিকে পাণ্ডবদের অরণ্য-আবাসে সশিষ্য ভোজন করতে পাঠিয়েও কোনও লাভ হল না, অবশ্য তাঁদের সেই দুর্বুদ্ধি চেপেছিল পাণ্ডবদের বনবাসের শেষের দিকে। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়। তারও আগে আরও একটা দুর্ঘটনা তাঁরা ঘটিয়েছিলেন। তাতে ফল হয়েছিল বিপরীত। পাণ্ডবরা তখন যেখানে বাস করছেন, তার কাছেই কৌরবদের একটি খামারবাড়ি ছিল। সেখানে গোপালন হত। দুর্যোধন শকুনি কর্ণরা বুদ্ধি করলেন—সেইখানে গিয়ে বনবাসক্লিষ্ট পাণ্ডবদের রাজঐশ্বর্য প্রদর্শন করে তাঁদের মনে জ্বালা ধরাতে হবে। অজুহাত হিসেবে একটি গয়লাকে খাড়া করে বলা হল—এ চায় খামারবাড়িতে কতগুলি গোরু আছে, তাদের বাড়বৃদ্ধি কেমন হচ্ছে, সেসব খবর নিতে রাজবাড়ির কেউ যাক। দুর্যোধন কৰ্ণরা ধৃতরাষ্ট্রকে জানালেন—এই সুযোগে একটু মৃগয়াও করে আসা হবে, গোপালনেরও খবর নেওয়া হবে।

    ধৃতরাষ্ট্র এখন যেহেতু পাণ্ডবদের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আছেন, অতএব খুব করে তিনি বললেন—দেখো বাপু! মৃগয়াও বেশ ভাল কথা, গোরু দেখে আসাটাও বেশ ভাল কথা। কিন্তু আমি জানি—তোমরা যেখানে যাবে, ঠিক সেইখানেই ওই বাঘের মতো বীরপুরুষেরা এখন বাস করছেন। তোমরা তাঁদের প্রতি অনেক অন্যায় করেছ। কপট পাশা খেলে তাঁদের রাজ্য কেড়ে নিয়েছ, তাঁদের বনেও পাঠিয়েছ—ছদ্মনা নিৰ্জিতাস্তে তু কর্শিতাশ্চ মহাবনে। মনে রেখো, সেখানে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরের কোপোদ্রেক না হয় কোনও কারণে। কোনও কারণে যেন ক্রোধী ভীম খেপে না ওঠেন। আর ওই যে রমণীটি যাকে তোমরা অবলা বলে ভাব, সে কিন্তু তেজঃপুঞ্জ ছাড়া আর কিছু নয়। তোমরা যেতে পার, কিন্তু তোমরা বা তোমাদের সৈন্যসামন্তরা যাতে কোনওভাবে তাঁদের কোনও ক্ষতি না করে, সে ব্যাপারে তোমাদের কথা দিতে হবে। মনে রেখো—অর্জুন কিন্তু কোনও দিব্যাস্ত্র ছাড়াই এই পৃথিবী জয় করেছিলেন, এখন তিনি দিব্যাস্ত্র লাভ করে সম্পূর্ণ শক্তিশালী। তোমরা যদি কোনওভাবে তাঁদের পিছনে লাগতে যাও, তবে কিন্তু জেনে রেখো সেটা ভাল তো হবেই না, আর ক্ষমতায়ও কিন্তু কুলোবে না—অনার্য্যং পরমং তৎ স্যাদ্‌ অশক্যঞ্চ বৈ মতম্‌।

    দুর্যোধন-কৰ্ণরা ধৃতরাষ্ট্রের কথা শোনেননি। শকুনি ধৃতরাষ্ট্রের কাছে মিথ্যা প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, তাঁরা কোনও মতেই পাণ্ডব-ভাইদের জ্বালাতন করবেন না। কিন্তু বাস্তবে তাঁরা নিজেদের ক্রূর পরিকল্পনা মতোই কাজ করতে গিয়েছিলেন এবং তার ফলও পেয়েছিলেন। বনবাসে থেকেও পাণ্ডবরা দুর্যোধনের অত্যাচার কিছু কিছু সইলেন; সব ঘটনা ধৃতরাষ্ট্রের মতে হয়নি ঠিকই, কিন্তু ধৃতরাষ্ট্রের পূর্ব প্রশ্রয় এতই বেশি ছিল যে, শেষের দিকটায় দুর্যোধন আর জিজ্ঞাসা টিজ্ঞাসা কিছু করছিলেন না। পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের সময় দুর্যোধন যে কুরু-প্রধানদের নিয়ে বিরাট রাজার গোধন হরণ করতে গেলেন, তাতে ধৃতরাষ্ট্রের অনুমতি-প্রার্থনার অবকাশ ছিল না কোনও। পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের সময় পেরিয়ে যেতেই পাণ্ডব এবং কৌরব শিবিরে নতুন করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুরাণী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    Next Article বাল্মীকির রাম ও রামায়ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    Related Articles

    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কথা অমৃতসমান – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের ভারতযুদ্ধ এবং কৃষ্ণ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    কলিযুগ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    মহাভারতের অষ্টাদশী – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    চৈতন্যদেব – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    দেবতার মানবায়ন : শাস্ত্রে সাহিত্যে ও কৌতুকে – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

    September 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }