Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাভারত (রাজশেখর বসু)

    রাজশেখর বসু (পরশুরাম) এক পাতা গল্প964 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. মৌষলপর্ব

    মৌষলপর্ব

    ১। শাম্বের মুষল প্রসব-দ্বারকায় দুর্লক্ষণ

    বৈশম্পায়ন জনমেজয়কে বললেন, যুধিষ্ঠিরের রাজ্যলাভের পর ষট্ত্রিংশ বৎসরে বৃষ্ণিবংশীয়গণ (১) অত্যন্ত দুর্ণীতিপরায়ণ হয়ে পরস্পরকে বিনষ্ট করেছিলেন। জনমেজয় বললেন, কার শাপে এরূপ ঘটেছিল আপনি সবিস্তারে বলুন। বাসুদেব থাকতে তারা রক্ষা পেলেন না কেন ? বৈশম্পায়ন বলতে লাগলেন।

    একদিন বিশ্বামিত্র কন্ব ও নারদ মুনি দ্বারকায় এসেছেন দেখে সারণ (২) প্রভৃতি বীরগণের কুবুদ্ধি হল। তারা শাম্বকে স্ত্রীবেশে সজ্জিত করে মুনিদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, ইনি পুত্রাভিলাষী বভ্রু (৩) র পত্নী; আপনারা বলুন ইনি কি প্রসব করবেন। এই প্রতারণায় মুনিগণ অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে বললেন, এই কৃষ্ণপুত্র শাম্ব একটি ঘোর লৌহমুষল প্রসব করবে। তোমরা অত্যন্ত দুবৃত্ত নৃশংস ও গর্বিত হয়েছ; সেই মুষলের প্রভাবে বলরাম ও কৃষ্ণ ভিন্ন যদুকুলের সকলেই বিনষ্ট হবে। হলায়ুধ সমুদ্রে দেহত্যাগ করবেন, জরা নামক এক ব্যাধ কৃষ্ণকে শরবিদ্ধ করবে। এই বলে মুনিগণ কৃষ্ণের কাছে গিয়ে অভিশাপের কথা জানালেন।

    কৃষ্ণ বৃষ্ণিবংশীয়গণকে বললেন, মুনিরা যা বলেছেন তাই হবে। এই বলে তিনি তার ভবনে প্রবেশ করলেন, অভিশাপের প্রতিকার করতে ইচ্ছা করলেন না। পরদিন শাম্ব মুষল প্রসব করলেন। রাজা উগ্রসেন বিষগ্ন হয়ে সেই মুষলের সূক্ষ্ম চূর্ণ করালেন, যাদবগণ তা সাগরে ফেলে দিলেন। তারপর আহুক (উগ্রসেন) বলরাম কৃষ্ণ ও বর আদেশে নগরে এই ঘোষণা করা হল -আজ থেকে এই নগরে কেউ সুরা প্রস্তুত করবে না; যে করবে তাকে সবান্ধবে জীবিত অবস্থায় শূলে দেওয়া হবে।

    বৃষ্ণি ও অন্ধকগণ সাবধানে রইলেন। এই সময়ে দেখা গেল, কৃষ্ণপিঙ্গলবর্ণ মুণ্ডিতমস্তক বিকটাকার কালপুরুষ গৃহে গৃহে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং মাঝে মাঝে অদৃশ্য হচ্ছেন। তাকে দেখতে পেলেই যাদবগণ শরবর্ষণ করতেন কিন্তু বিদ্ধ করতে পারতেন না। দ্বারকায় নানাপ্রকার দুর্লক্ষণ দেখা গেল; মূষিকের দল নিদ্রিত যাদবগণের নখ ও কেশ ছেদন করতে লাগল, সারস পক্ষী পেচকের এবং ছাগ শৃগালের রব করতে লাগল। গাভীর গর্ভে গর্দভ, অশ্বতরীর গর্ভে হস্তিশাবক, কুকুরীর গর্ভে বিড়াল এবং নকুলীর গর্ভে মূষিক উৎপন্ন হল। যাদবগণ নির্লজ্জভাবে পাপকার্য করতে লাগলেন।

    একদিন ত্রয়োদশীতে অমাবস্যা দেখে কৃষ্ণ যাদবগণকে বললেন, ভারতযুদ্ধ-কালে এইপ্রকার দুর্নিমিত্ত দেখা গিয়েছিল, আমাদের বিনাশ আসন্ন হয়েছে। তোমরা সমুদ্রতীরথ প্রভাসতীর্থে যাও।

    ** (১) যাদবগণের বিভিন্ন শাখার নাম অন্ধক ভোজ বৃষ্ণি কুকুরু। কৃষ্ণ বৃষ্ণিবংশীয়।

    (২) কৃষ্ণের বৈমাত্র ভ্রাতা, সুভদ্রার সহোদর।

    (৩) যাদব বীর বিশেষ।

    ২। যাদবগণের বিনাশ

    দ্বারকায় আরও নানাপ্রকার উৎপাত দেখা গেল। কৃষ্ণবর্ণা নারী নিদ্রিত পুরাঙ্গনাদের মঙ্গলসূত্র এবং ভয়ংকর রাক্ষসগণ যাদবদের অলংকার ছত্র ধ্বজ ও কবচ হরণ করতে লাগল। কৃষ্ণের চক্র সকলের সমক্ষে আকাশে অন্তর্হিত হল , দারুকের সমক্ষে অশ্বগণ কৃষ্ণের দিব্য রথ নিয়ে সাগরের উপর দিয়ে চলে গেল। অপ্সরারা বলরামের তালধ্বজ এবং কৃষ্ণের গরুড়ধ্বজ হরণ করে উচ্চরবে বললে, যাদবগণ, প্রভাসতীর্থে চলে যাও।

    বৃষ্ণি ও অন্ধক মহারথগণ প্রচুর খাদ্য পেয় মাংস মদ্য নিয়ে তাদের পরিবারবর্গ ও সৈন্যদের সঙ্গে প্রভাসে গেলেন। সেখানে তারা নারীদের সঙ্গে নিরন্তর পানভোজনে রত হলেন এবং ব্রাহ্মণের জন্য প্রস্তুত অন্নে সুরা মিশ্রিত করে বানরদের খাওয়াতে লাগলেন। বলরাম সাত্যকি গদ (১) ব ও কৃতবর্মা কৃষ্ণের সমক্ষেই সুরাপান করতে লাগলেন। সাত্যকি অত্যন্ত মত্ত হয়ে কৃতবর্মাকে বললেন, কোন্ ক্ষত্রিয় মৃতবৎ নিদ্রামগ্ন লোককে বধ করে ? তুমি যা করেছিলে যাদবগণ তা ক্ষমা করবেন না। প্রদ্যুম্ন সাত্যকির বাক্যের সমর্থন করলেন। কৃতবর্মা ক্রুদ্ধ হয়ে বললেন, ভূরিশ্রবা যখন ছিন্নবাহু হয়ে প্রয়োপবিষ্ট ছিলেন তখন তুমি নৃশংসভাবে তাকে বধ করেছিলে কেন? সাত্যকি স্যমন্তক মণি হরণ ও সত্রাজিৎ (২) বধের বৃত্তান্ত বললেন। পিতার মৃত্যুর কথা শুনে সত্যভামা কৃষ্ণকে ক্রুদ্ধ করবার জন্য তার ক্রোড়ে বসে রোদন করতে লাগলেন। সাত্যকি উঠে বললেন, সুমধ্যমা, আমি শপথ করছি, ধৃষ্টদ্যুম্ন শিখণ্ডী ও দ্রৌপদীপুত্রগণ যেখানে গেছেন কৃতবর্মাকে সেখানে পাঠাব; এই পাপাত্মা অশ্বত্থামার সাহায্যে তাদের সুপ্তাবস্থায় হত্যা করেছিল। এই বলে তিনি খড়গাঘাতে কৃতবর্মার শিরচ্ছেদ করে অন্যান্য লোককেও বধ করতে লাগলেন।

    তখন ভোজ ও অন্ধকগণ সাত্যকিকে বেষ্টন করে উচ্ছিষ্ট ভোজনপাত্র দিয়ে প্রহার করতে লাগলেন। কালের বিপর্যয় বুঝে কৃষ্ণ ক্রুদ্ধ হলেন না। রুক্মিণীপুত্র প্রদ্যুম্ন সাত্যকিকে রক্ষা করবার জন্য যুদ্ধ করতে লাগলেন, কিন্তু সাত্যকির সহিত তিনিও নিহত হলেন। তখন কৃষ্ণ এক মুষ্টি এরকা (৩) নিলেন, তা বর্জতুল্য লৌহ-মুষলে পরিণত হল। সেই মুষলের আঘাতে তিনি সম্মুখস্থ সকলকে বধ করতে লাগলেন। সেখানকার সমস্ত এরকাই মুষল হয়ে গেল; তার দ্বারা অন্ধক ভোজ বৃষ্ণি প্রভৃতি যাদবগণ পরস্পরের হত্যায় প্রবৃত্ত হলেন এবং প্রমত্ত হয়ে পিতা পুত্রকে, পুত্র পিতাকে নিপাতিত করলেন। অগ্নিতে পতিত পতঙ্গের ন্যায় সকলে মরতে লাগলেন, কারও পলায়নের বুদ্ধি হল না। কৃষ্ণের সমক্ষেই প্রদ্যুম্ন শাম্ব চারুদেষ্ণ অনিরুদ্ধ গদ প্রভৃতি নিহত হলেন। তখন বভ্রু ও দারুক বললেন, ভগবান, বহু লোককে বিনষ্ট করেছেন, এখন আমরা বলরামের কাছে যাই চলুন।

    **

    (১) কৃষ্ণের কনিষ্ঠ ভ্রাতা।

    (২) সত্যভামার পিতা; কৃতবর্মা ও অরের প্ররোচনায় শতধন্বা এঁকে বধ করেছিলেন। বিষ্ণুপুরাণে ও হরিবংশে স্যমন্তক মণির উপাখ্যান আছে।

    (৩) হোগলা বা তজ্জাতীয় তৃণ।

    ৩। বলরাম ও কৃষ্ণের দেহত্যাগ

    বলরামের নিকটে এসে কৃষ্ণ দেখলেন, তিনি নির্জন স্থানে বৃক্ষমূলে বসে চিন্তা করছেন। কৃষ্ণ দারুককে বললেন, তুমি সত্বর হস্তিনাপুরে গিয়ে যাদবগণের নিধনসংবাদ অর্জুনকে জানাও এবং তাকে শীঘ্র এখানে নিয়ে এস। দারুক তখনই যাত্রা করলেন। তার পর কৃষ্ণ বভ্রকে বললেন, তুমি নারীদের রক্ষা করতে যাও, যেন দস্যুরা তাদের আক্রমণ না করে। বজ্র যাত্রার উপক্রম করতেই এক ব্যাধের মুদ্গর সহসা নিপতিত হয়ে তার প্রাণহরণ করলে। তখন কৃষ্ণ তার অগ্রজকে বললেন, আমি নারীদের রক্ষার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি, আপনি আমার জন্য অপেক্ষা করুন।

    কৃষ্ণ তার পিতা বসুদেবের কাছে গিয়ে বললেন, ধনঞ্জয়ের না আসা পর্যন্ত আপনি নারীদের রক্ষা করুন। বলরাম বনমধ্যে আমার জন্য অপেক্ষা করছেন, আমি তার কাছে যাচ্ছি। আমি কুরুপাণ্ডবযুদ্ধে এবং এখানে বহু লোকের নিধন দেখেছি। যাদবশূন্য এই পুরীতে আমি থাকতে পারব না, বনবাসী হয়ে বলরামের সঙ্গে তপস্যা করব। এই বলে কৃষ্ণ বসুদেবের চরণবন্দনা করলেন এবং নারী ও বালকদের ক্রন্দন শুনে বললেন, সব্যসাচী এখানে আসছেন, তিনি তোমাদের দুঃখমোচন করবেন। এ বনে এসে কৃষ্ণ দেখলেন, বলরাম সেখানে বসে আছেন, তাঁর মুখ থেকে একটি শ্বেতবর্ণ সহস্ৰশীর্ষ রক্তমুখ মহানাগ নির্গত হয়ে সাগরে প্রবেশ করছেন। সাগর, দিব্য নদী সকল, বাসুকি কর্কোটক তক্ষক প্রভৃতি নাগগণ, এবং স্বয়ং বরুণ প্রত্যুৰ্গমন করে স্বাগতপ্রশ্ন ও পাদ্য-অর্থ্যাদি দ্বারা এই মহানাগের সংবর্ধনা করলেন।

    অগ্রজ বলদেবের দেহত্যাগ দেখে কৃষ্ণ সেই বনে কিছুক্ষণ বিচরণের পর ভূমিতে উপবেশন করলেন এবং গান্ধারী ও দুর্বাসার শাপের বিষয় চিন্তা করতে লাগলেন। অনন্তর তার প্রয়াণকাল আগত হয়েছে এই বিবেচনায় তিনি ইন্দ্রিয়গ্রাম সংযম এবং মহাযোগ আশ্রয় করে শয়ান হলেন। সেই সময়ে জরা নামে এক ব্যাধ মৃগ মনে। করে তার পদতল শরবিদ্ধ করলে। তার পর সে নিকটে এসে যোগমগ্ন পীতাম্বর চতুর্ভুজ কৃষ্ণকে দেখে ভয়ে তার চরণে পতিত হল। মহাত্মা কৃষ্ণ ব্যাধকে আশ্বাস দিলেন এবং নিজ কান্তি দ্বারা আকাশ ব্যাপ্ত করে ঊর্ধ্বে স্বকীয় লোকে প্রয়াণ করলেন। দেবতা ঋষি চারণ সিদ্ধ গন্ধর্ব প্রভৃতি সেই ঈশ্বরের অর্চনা করলেন, মুনিশ্রেষ্ঠগণ ঋক্ মন্ত্র উচ্চারণ করলেন, এবং ইন্দ্র তঁকে সানন্দে অভিনন্দিত করলেন।

    ৪। অর্জুনের দ্বারকায় গমন ও প্রত্যাবর্তন

    দারুক হস্তিনাপুরে গিয়ে দ্বারকার ঘটনাবলী জানালেন। ভোজ অন্ধক কুকুরু ও বৃষ্ণি বংশীয় বীরগণের নিধন শুনে পাণ্ডবগণ শোকাকুল হলেন। যদুকুল ধ্বংস হয়েছে এই আশঙ্কায় অর্জুন তাঁর মাতুল বসুদেবকে দেখবার জন্য তখনই যাত্রা করলেন। দ্বারকায় উপস্থিত হয়ে তিনি দেখলেন সেই নগরী পতিহীনা রমণীর ন্যায় শ্রীহীন হয়েছে। কৃষ্ণসখা অর্জুনকে দেখে কৃষ্ণের ষোল হাজার স্ত্রী উচ্চকণ্ঠে রোদন করতে লাগলেন। অর্জুনের চক্ষু বাষ্পকুল হল , তিনি সেই পতিপুত্রহীনা নারীদের দিকে চাইতে পারলেন না, সশব্দে রোদন করে ভূপতিত হলেন। রুক্মিণী সত্যভামা প্রভৃতি তাঁকে উঠিয়ে স্বর্ণময় পীঠে বসালেন এবং তাঁকে বেষ্টন করে বিলাপ করতে লাগলেন।

    অনন্তর অর্জুন বসুদেবের কাছে এসে দেখলেন, তিনি পুত্রশোকে সন্তপ্ত হয়ে শুয়ে আছেন। বসুদেব বললেন, অর্জুন, আমার মৃত্যু নেই; যাঁরা শত শত নৃপতি ও দৈত্যগণকে জয় করেছিলেন, সেই পুত্রদের না দেখেও আমি জীবিত আছি। যে দুজন তোমার প্রিয় শিষ্য ছিল, যারা অতিরথ বলে খ্যাত এবং কৃষ্ণের প্রিয়তম ছিল, সেই প্রদ্যুম্ন ও সাত্যকিই বৃষ্ণিবংশনাশের মূল কারণ। অথবা আমি তাদের দোষ দিতে পারি না, ঋষিশাপেই আমাদের বংশ বিনষ্ট হয়েছে। তুমি ও নারদাদি মুনিগণ যাঁকে সনাতন বিষ্ণু বলে জানতে, আমার পুত্র সেই গোবিন্দ যদুবংশের এই বিনাশ উপেক্ষা করেছেন, তিনি জ্ঞাতিদের রক্ষা করতে ইচ্ছা করেননি। কৃষ্ণ আমাকে বলে গেছেন-“আমি আর অর্জুন একই, অর্জুন দ্বারকায় এসে স্ত্রী ও বালকগণের রক্ষার ভার নেবেন এবং মৃতজনের ঔর্ধ্বদেহিক ক্রিয়া করবেন; তিনি প্রস্থান করলেই দ্বারকা সমুদ্রজলে প্লাবিত হবে; আমি বলদেবের সঙ্গে কোনও নির্জন স্থানে যোগস্থ হয়ে অন্তকালের প্রতীক্ষা করব।

    তারপর বসুদেব বললেন, পার্থ, আমি আহার ত্যাগ করেছি, জীবনধারণে আমার ইচ্ছা নেই। কৃষ্ণের বাক্য অনুসারে এই রাজ্য, নারীগণ ও ধনরত্ন তোমাকে সমর্পণ করছি। অর্জুন বললেন, মাতুল, কৃষ্ণ ও বান্ধববিহীন এই পৃথিবী আমি দেখতে ইচ্ছা করি না। আমার ভ্রাতৃগণ ও দ্রৌপদীর মনের অবস্থাও অনুরূপ, কারণ আমরা ছ জন একাত্মা। রাজা যুধিষ্ঠিরেরও প্রয়াণকাল উপস্থিত হয়েছে, অতএব আমি স্ত্রী বালক ও বৃদ্ধদের নিয়ে সত্বর ইন্দ্রপ্রস্থে যাব।

    পরদিন প্রভাতকালে বসুদেব যোগস্থ হয়ে স্বর্গলাভ করলেন। দেবকী ভদ্রা মদিরা ও রোহিণী পতির চিতায় আরোহণ করে তার সহগামিনী হলেন। অর্জুন সকলের অন্তিম কার্য সম্পন্ন করলেন এবং বলরাম ও কৃষ্ণের দেহ অন্বেষণ করে এনে সৎকার করলেন। সপ্তম দিনে তিনি কৃষ্ণের ষোল হাজার পত্নী, পৌত্র বজ্র (১), এবং অসংখ্য নারী বালক ও বৃদ্ধদের নিয়ে যাত্রা করলেন। রথী গজারোহী ও অশ্বারোহী অনুচরগণ এবং ব্রাহ্মণক্ষত্রিয়াদি প্রজা তাঁদের সঙ্গে গেলেন। অর্জুন দ্বারকার যে যে স্থান অতিক্রম করতে লাগলেন তৎক্ষণাৎ সেই সেই স্থান সমুদ্রজলে প্লাবিত হল।

    কিছুদিন পরে তারা গবাদি পশু ও ধান্য সম্পন্ন পঞ্চনদ প্রদেশের এক স্থানে এলেন। সেখানকার আভীর দস্যগণ যাদবনারীদের দেখে লুব্ধ হয়ে ষষ্ঠি নিয়ে আক্রমণ করলে। অর্জুন ঈষৎ হাস্য করে তাদের বললেন, যদি বাঁচতে চাও তো দূর হও, নতুবা আমার শরে ছিন্ন হয়ে সকলে মরবে। দস্যগণ নিবৃত্ত হল না দেখে অর্জুন তার গাণ্ডীব নিলেন এবং অতি কষ্টে জ্যারোপণ করলেন, কিন্তু কোনও দিব্যাস্ত্র স্মরণ করতে পারলেন না। তিনি এবং সহগামী যোদ্ধারা বাধা দেবার চেষ্টা করলেও দস্যুরা নারীদের হরণ করতে লাগল, কোনও কোনও নারী স্বেচ্ছায় তাদের কাছে গেল। অর্জুনের বাণ নিঃশেষ হলে তিনি ধনুর অগ্রভাগ দিয়ে প্রহার করতে লাগলেন, কিন্তু সেই ম্লেচ্ছ দস্যুগণ তাঁর সমক্ষেই বৃষ্ণি ও অন্ধক বংশীয় সুন্দরীদের হরণ করে নিয়ে গেল। অর্জুন তার দুরদৃষ্ট দেখে দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলতে লাগলেন এবং অবশিষ্ট নারীদের নিয়ে কুরুক্ষেত্রে এলেন।

    কৃতবর্মার পুত্র এবং ভোজ নারীগণকে মার্তিকাবত নগরে এবং সাত্যকির পুত্রকে সরস্বতী নদীর নিকটস্থ প্রদেশে রেখে অর্জুন অবশিষ্ট বালক বৃদ্ধ ও রমণীগণকে ইন্দ্রপ্রস্থে আনলেন। কৃষ্ণের পৌত্র বজ্রকে তিনি ইন্দ্রপ্রস্থের রাজ্য দিলেন। অঙ্কুরের পত্নীরা প্রব্রজ্যা নিলেন। কৃষ্ণের পত্নী রুক্মিণী গান্ধারী শৈব্যা হৈমবতী ও জাম্ববতী অগ্নিপ্রবেশ করলেন। সত্যভামা ও কৃষ্ণের অন্যান্য পত্নীগণ হিমালয় অতিক্রম করে কলাপ গ্রামে গিয়ে কৃষ্ণের ধ্যান করতে লাগলেন। দ্বারকাবাসী পুরুষগণকে বজের নিকটে রেখে অর্জুন সজলনয়নে ব্যাসদেবের আশ্রমে এলেন।

    অর্জুনকে দেখে ব্যাস বললেন, তোমাকে এমন শ্রীহীন দেখছি কেন? তোমার গাত্রে কি কেউ নখ কেশ বস্ত্রাঞ্চল বা কলসের জল দিয়েছে? তুমি কি রজস্বলাগমন বা ব্রহ্মহত্যা করেছ, না যুদ্ধে পরাজিত হয়েছ? অর্জুন দ্বারকার সমস্ত ঘটনা, কৃষ্ণ-বলরামের মৃত্যু, এবং দস্যুহস্তে তার পরাজয়ের বিবরণ দিলেন। পরিশেষে তিনি বললেন, সেই পদ্মপলাশলোচন শঙ্খচক্রগদাধর শ্যামতনু চতুর্ভুজ পীতাম্বর পরমপুরুষ, যিনি আমার রথের অগ্রভাগে থাকতেন, সেই কৃষ্ণকে আমি দেখতে পাচ্ছি না; আর আমার জীবনধারণের ফল কি? তার অদর্শনে আমি অবসন্ন হয়েছি, আমার শরীর ঘুরছে, আমি শান্তি পাচ্ছি না। মুনিসত্তম, বলুন এখন আমার কি কর্তব্য।

    ব্যাস বললেন, কুরুশাধূল, বৃষ্ণি-অন্ধক বীরগণ ব্রহ্মশাপে বিনষ্ট হয়েছেন, তাঁদের জন্য শোক করো না। কৃষ্ণ জানতেন যে তাদের বিনাশ অবশ্যম্ভাবী, সেজন্য নিবারণে সমর্থ হয়েও উপেক্ষা করেছেন। তিনি পৃথিবীর ভার হরণ করে দেহত্যাগ করে স্বীয় ধামে গেছেন। পুরুষশ্রেষ্ঠ, ভীম ও নকুল-সহদেবের সাহায্যে তুমি মহৎ দেবকার্য সাধন করেছ, যেজন্য পৃথিবীতে এসেছিলে তা সম্পন্ন করে কৃতকৃত্য হয়েছ; তোমাদের কাল পূর্ণ হয়েছে, এখন প্রস্থান করাই শ্রেয়। তোমার অস্ত্রসমূহের প্রয়োজন শেষ হওয়াতেই তারা স্বস্থানে ফিরে গেছে; আবার যথাকালে তারা তোমার হস্তগত হবে।

    ব্যাসের উপদেশ শুনে অর্জুন হস্তিনাপুরে গেলেন এবং যুধিষ্ঠিরকে সমস্ত ঘটনা জানালেন।

    **

    (১) ভাগবতে আছে, ইনি কৃষ্ণের প্রপৌত্র, প্রদ্যুম্নের পৌত্র, অনিরুদ্ধের পুত্র।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরশুরাম গল্পসমগ্র – রাজশেখর বসু
    Next Article প্রবন্ধাবলী – রাজশেখর বসু

    Related Articles

    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)

    প্রবন্ধাবলী – রাজশেখর বসু

    November 26, 2025
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)

    পরশুরাম গল্পসমগ্র – রাজশেখর বসু

    November 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }