Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প106 Mins Read0
    ⤶

    মহীদাদুর এন্টিডোট – ৫

    শীতকাল। ন্যাড়া মেপল গাছের ডালগুলো বরফে ঢেকে গিয়েছে। সারাদিন গোটা আকাশের রংটা কেমন যেন ছাই ছাই হয়ে ছিল। এখন সেটা নিকষ কালো। কাচের জানলা দিয়ে সেই অন্ধকার আকাশের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে নিজের পড়ার টেবিলে এসে বসেন টিমোথি। রাগে তাঁর চোয়াল শক্ত হয়ে আছে। এমনভাবে তাঁদের এতদিনের পরিকল্পনা যে বানচাল করে দিল, তাকে ছিঁড়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে তাঁর। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁকে চেনার কোনও উপায়ই নেই।

    দাঁতে দাঁত চেপে টিমোথি মনে-মনে প্রতিজ্ঞা করলেন, এত সহজে হার তিনি মানবেন না। তারপর কম্পিউটার খুলে ডি এন এ-সংক্রান্ত সব রকম রিসার্চ পেপার খুলে পড়তে-পড়তে একসময় এসে হাজির হলেন ডঃ মহীয়ান দত্তের ফাইলে। ডি এন এ নিয়ে সত্যিই যুগান্তকারী কাজ করেছেন ডঃ দত্ত। টিমোথিরা যে আজ পারফেক্ট ইউনিভার্সের কথা ভাবতে পেরেছে, সেটা তো তাঁরই সৌজন্যে। তিনি অবশ্য নিশ্চিত এতসব ভেবে কাজটা করেননি। তবে তাতে তো কিছু আসে যায় না। বিজ্ঞানীর কাজ আবিষ্কার করা। তারপর সেটাকে কীভাবে কাজে লাগানো হবে, সে তো যারা দেশ চালায় তারা ঠিক করবে। আবিষ্কারের জন্য যথেষ্ট পুরস্কারও পেয়েছিলেন মহীয়ান দত্ত। যদিও পরের দিকে তাঁর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। পিউ-এর প্রস্তাব অগ্রাহ্য করেছিলেন। তার ফলও অবশ্য হাতেনাতে পেয়েছেন।

    রিসার্চের পেপারগুলো দেখে নিয়ে টিমোথি কী ভেবে পিউ-এর সংগ্রহে রাখা মহীয়ান দত্তের নিজস্ব ফাইলটাও খোলেন। এতে ডঃ দত্তের ব্যক্তিগত জীবনের সব রকম তথ্য দেওয়া আছে। বিশেষ করে জুরান্তিতে থাকার সময় যেহেতু তিনি আন্ডার-সার্ভিলেন্স ছিলেন, তাই প্রতিদিনের খুঁটিনাটি সবই সেখানে রয়েছে। ডঃ দত্তের বাড়িতে ছিল পিলু নামের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রোবট। সে প্রতিদিন মহীয়ান এবং তাঁর স্ত্রীর যাবতীয় গতিবিধি-কথাবার্তার একটা রিপোর্ট পাঠাত। টিমোথি খুব মন দিয়ে পিলুর পাঠানো সেই রিপোর্টগুলো পড়তে লাগলেন। বেশির ভাগই খুব মামুলি ইনফরমেশন। তার মধ্যে দুটো জিনিস টিমোথির দৃষ্টি আকর্ষণ করল। প্রথমত জুরান্তিতেও ডঃ দত্ত একটা নিজস্ব ছোট্ট ল্যাবরেটরি তৈরি করেছিলেন। সেটাতে যন্ত্রপাতি অবশ্য খুব কম ছিল। অন্যান্য ব্যবস্থাও একেবারেই সাধারণ মানের। অন্তত পিলুর পাঠানো রিপোর্ট থেকে যা মনে হয়। কিন্তু সেখানে তিনি কী কাজ করতেন তার কোনও ফোটো পিলু পাঠায়নি। তার মানে তিনি ল্যাবে কাজ করার সময় পিলুকে সুইচড অফ করে দিতেন। ব্যাটারি চার্জের জন্য রাত বারোটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত পিলু সুইচড অফ থাকত। সেটা ডঃ দত্তরও ঘুমনোর সময়। সুইচড অফ থাকার সময়ের এদিকওদিক হলে সেটার উল্লেখ থাকত রিপোর্টে। কিন্তু তা হয়নি। তার মানে ডঃ দত্ত ল্যাবরেটরিতে যাই-ই কাজ করুন না কেন, সেটা রাত জেগে করতেন। কিন্তু কেন?

    এই গোপনীয়তা কীসের জন্য? দ্বিতীয়ত জুরান্তিতে থাকাকালীন মাত্র দু‘জন মহীয়ান দত্তর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। দু‘জনেই তার পরিবারের সদস্য। তার মধ্যে একজন দেখা যাচ্ছে মহীয়ান বাবুর আগেই মারা গিয়েছেন। দ্বিতীয়জন হল নয়ন দত্ত। মহীয়ান বাবুর বংশের ছয় প্রজন্ম পরের একজন মানুষ। এই নয়ন দত্ত কে? কেন তিনি জুরান্তিতে ডঃ দত্তের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন?

    পিউ-এর ডেটা বেস খুলে নয়ন দত্তের নাম দিয়ে সার্চ করতে গিয়েই চমকে ওঠেন টিমোথি। হেনরি বার্ট যে ল্যাবরেটরিতে কাজ করে, যেখানে বাচ্চাদের ওই ওষুধ নেভিটা তৈরি হয় নয়ন দত্তও কাজ করে ওই একই গবেষণাগারে। কপালের ভাঁজ গভীর হয় টিমোথির। যদিও নয়ন দত্তর বায়োডাটা দেখে তিনি খানিকটা হতাশই হন। নয়নও বার্টের মতোই খুব সাধারণ মাপের একজন বিজ্ঞানী। বাচ্চাদের জন্য যেসব ওষুধ তৈরি হয় তার কোনও সাইড এফেক্ট আছে কি না, সেটা বোঝাই তার কাজ। কাজকর্মের ধারা দেখে স্পষ্টই বোঝা যায়, অ্যান্টিডোট তৈরির ক্ষমতা তার নেই। তা ছাড়া তার যা বয়স, তাতে নিশ্চিত ডি এন এ কারেকশনও হয়েছে।

    কিন্তু তবু মনের খুঁতখুঁতুনি যায় না টিমোথির। তিনি নয়নের জীবনের প্রতিটি ছোটখাটো ঘটনা, যার রেকর্ড পিউ-এর দফতরে রয়েছে সেগুলো পরীক্ষা করতে থাকেন। করতে-করতে ডি এন এ কারেকশনের রিপোর্টে এসেই আবার একটা সাংঘাতিক চমক লাগে তাঁর। এমনকি প্রথমটায় মনে হয় তিনি বোধ হয় চোখে ভুল দেখছেন। রিপোর্টে লেখা আছে মুম্বাইয়ের যে হাসপাতালে নয়নের ডি এন এ কারেকশন হয়েছিল সেখানকার দায়িত্বে ছিলেন ডঃ সুরানা। কিন্তু ডি এন এ কারেকশনের কাজটা করেছেন ডঃ মহীয়ান দত্ত।

    ডঃ সুরানা পিউ-এর একজন নিচুতলার সদস্য। পরদিন সকালেই তাঁকে ফোন করেন টিমোথি। অনেকদিন আগের কথা। কিন্তু ঘটনাটা যেহেতু বেশ অভিনব, তাই ডঃ সুরানার সবটাই বেশ স্পষ্ট মনে আছে। ডঃ দত্ত সুরানাকে বলেছিলেন গবেষণার কাজের জন্য কয়েকটা ডি এন এ কারেকশন তাঁকে নিজে হাতে করতে হবে। নয়নের মা যেহেতু তাঁর আত্মীয়। তাই ওর সন্তানের ক্ষেত্রে কাজটা তিনি করতে চান। পিউ-এর একেবারে উপরতলার সদস্যের এমন অনুরোধে স্বাভাবিকভাবেই রাজি হয়েছিলেন ডঃ সুরানা। রিপোর্টেও সেটাই লিখেছিলেন। কোনোদিন এ নিয়ে তাঁকে কেউ কোনও প্রশ্নও করেনি।

    এখানেই শেষ নয়। নয়নের বায়োডাটায় এটাও লেখা আছে যে, তার যখন বছর পাঁচেক বয়স, তখন তার মায়ের অরগ্যান রিপ্লেসমেন্ট হয়। মা শয্যাশায়ী ছিলেন বলে ডঃ মহীয়ান দত্ত বিশেষভাবে আবেদন করে নয়ন দত্তকে নিজের কাছে নিয়ে গিয়ে প্রায় চার-পাঁচ মাস রেখেছিলেন। ডঃ দত্তের ফ্যামিলি ট্রি-তে আর কোনও আত্মীয়ের ক্ষেত্রে কিন্তু তিনি এরকম করেছেন বলে দেখা যাচ্ছে না।

    ‘এই নয়ন দত্ত লোকটা খুবই গোলমেলে। একে এখুনি সার্ভিলেন্সের আন্ডারে নিয়ে আসা দরকার…’ আপনমনে কথাগুলো বিড়বিড় করেন টিমোথি।

    নয়নের বারান্দা-বাগানের টবে একটা লতানে গোলাপের গাছ লাগানো হয়েছিল কিছুদিন আগে। নয়ন আর নীল গিয়েই জঙ্গল থেকে নিয়ে এসেছিল চারাটা। তাতে একটা ছোট্ট কুঁড়ি ধরেছে। সেটা দেখেই সকালবেলায় মন ভাল হয়ে গিয়েছিল নীলের। কিন্তু লতাটা মাটিতে ঝুলে পড়েছে। সেটাকে তাই তুলে একটা পাতলা সুতো দিয়ে বারান্দার ফাইবার গ্লাসের পাল্লাটার গায়ে বাঁধার চেষ্টা করছে সে এমন সময় দরজার সোলার বেলটা বেজে উঠল। ভোলু রান্নাঘরে ভারী সুন্দর গন্ধ ছড়িয়ে কী যেন রাঁধছে। তার দিকে হাত নেড়ে নীল নিজেই গিয়ে দরজাটা খুলল। দু‘জন অচেনা লোক। তারা এসেছে সার্ভিসিং কোম্পানি থেকে। ভোলুর সার্ভিসিং করানোর সময় হয়ে গিয়েছে।

    নীল একটু আশ্চর্য হয়। ছয় বছরেরও বেশি সে নয়নের সঙ্গে এই বাড়িতে আছে। ভোলুর সার্ভিসিং এর আগেও কয়েকবার হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই নয়নই চার্ট দেখে সার্ভিসিং কোম্পানিকে খবর দেয় অথবা ভোলুকে গাড়িতে করে নিয়ে যায়। সার্ভিসিং কোম্পানি নিজে নিজে কখনও এরকম বাড়িতে আসে না। সন্দেহ হয় নীলের। কিন্তু সে মুখে কিছু বলে না। ভোলু রান্না শেষ করে আসার পর তাকে সুইচড অফ করে কাজ শুরু করে লোকগুলো। নীল একটু দূরে বসে আড়চোখে সেদিকে লক্ষ রাখে। ভোলুকে খুলে টুকটাক কীসব পরিষ্কার করে লোকগুলো। তারপর বন্ধ করার আগে তার ঘাড়ের কাছে একটা খোপে ছোট্ট একটা চিপ ঢুকিয়ে দেয়। কাজটা নজর এড়ায় না নীলের। লোকগুলো অবশ্য নীলকে মোটেই গুরুত্ব দেয় না। কারণ নীলের তো এটা দেখার কিংবা এটা নিয়ে ভাবার কথাই নয়।

    নয়ন বাড়ি ফেরে সন্ধের পর। সাধারণ কিছু কথাবার্তার পর নীল নয়নকে জানায় যে আজ সার্ভিসিংয়ের লোক এসেছিল ভোলুর জন্য। “সে আবার কী! ভোলুর সার্ভিসিং তো এখনও দেরি আছে। আমি তো কোনও খবরও দিইনি।”

    “তাতে কী আছে। ওরা তো ওদের রেকর্ড মেনেই এসেছে। হয়তো কোনও কারণ এবারে সার্ভিসিংটা আগে করা দরকার। তুমি নিশ্চয়ই খেয়াল করোনি।”

    নীলের চোখের দিকে তাকিয়ে নয়ন বুঝতে পারে যে সে আলোচনাটা আর বাড়াতে চাইছে না। তাই থেমে যায় তখনকার মতো। কিন্তু রাতে রোজকার মতো ভোলুকে সুইচড অফ করার পর সে নীলকে জিজ্ঞেস করে, “ব্যাপারটা কী বলো তো? আমার মনে হল তখন তুমি কিছু চেপে গেলে?”

    “তার আগে বলো তো, তুমি কি ভোলুকে খুলতে পার?”

    “কেন পারব না। ছোটখাটো গণ্ডগোল হলে তো আমি নিজেই ওকে সারাই। ওকে যখন কিনেছিলাম তখনই ওগুলো আমাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খোলার জন্য কয়েকটা আলাদা যন্ত্রপাতিও আছে।” “তা হলে এখুনি ওকে খোলো।”

    নয়ন নিজের ঘর থেকে থেকে যন্ত্রপাতিগুলো নিয়ে এসে খাবার টেবিলের উপর ভোলুকে শুইয়ে তার পিঠের স্ক্রুগুলো খুলে ফেলতেই ভিতরের যন্ত্রপাতি সব বেরিয়ে পড়ে। নীল এবার ঘাড়ের নীচের সেই খোপ থেকে টেনে বার করে চিপটা।

    “এটা ভাল করে দ্যাখো। আমার ধারণা এটা একটা মনিটরিং সিস্টেম। এই চিপটা আজ সার্ভিসিংয়ের লোকেরা লাগিয়ে দিয়ে গিয়েছে। এটা কিন্তু ভোলুর ভিতরে আগে ছিল না।”

    “কম্পিউটারে লাগিয়ে দেখলেই তো বোঝা যাবে।”

    “না, কম্পিউটারে লাগিয়ে দেখা চলবে না। কারণ তা হলে এটা অন হয়ে যাবে। যারা এটা লাগিয়েছে তারা বুঝে ফেলবে।”

    নীলের কথা শুনে একটু চিন্তা করে নয়ন। তারপর বলে, “দাঁড়াও এটার একটা ফোটো তুলে সার্চ দিয়ে দেখি। তা হলেই বুঝতে পারব।”

    চিপের ফোটোটা কম্পিউটারে দিয়ে সার্চ করতেই বোঝা যায় যে নীলের সন্দেহই ঠিক। চিপটা আসলে একটা খুব উন্নতমানের মনিটরিং সিস্টেম। তাতে চারপাশের সব ঘটনার ফোটো এবং কথাবার্তা রেকর্ড হয়।

    “সার্ভিসিংয়ের লোকগুলো এটা বসাল কেন বলো তো?”

    “ওরা সার্ভিসিংয়ের লোক নয় নয়ন। ওরা পিউ-এর লোক। তার মানে পিউ ঘটনার সূত্র সন্ধান করতে-করতে তোমার কাছ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। কতটা তোমার সম্বন্ধে জেনেছে সেটা বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু ওরা যে তোমার কাজকর্মের উপর নজর রাখছে, সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে। অফিসেও নিশ্চয়ই এরকম কোনও একটা ব্যবস্থা হয়েছে। সেটা তুমি টের পাওনি। বাড়ির ব্যাপারটাও তুমি টের পেতে না। কারণ ওরা যেসময় এসেছিল তখন তো তোমার বাড়িতে থাকার কথা নয়। সুতরাং ওরা যদি চিপটা বসিয়ে চলে যেত, তুমি জানতেও পারতে না। আমি থাকাতেও অবশ্য ওদের কোনও অসুবিধে হয়নি। কারণ ওরা তো ধরেই নিয়েছে যে, আমি একজন ডি এন এ কারেকশন করা মানুষ। তাই আমি ব্যাপারটা লক্ষও করব না, আমার মনে কোনও প্রশ্নও জাগবে না।”

    “বুঝতে পেরেছি। আমাদের এখন খুব সতর্ক থাকতে হবে নীল। তুমি কিন্তু কোনও কারণেই তোমার ঘরে ভোলুকে ঢুকতে দেবে না কিংবা ভোলুর সামনে কোনও কিছু করবে না। কারণ অন্য রকম কিছু দেখলেই ওদের সন্দেহ হবে।”

    “সেটা আমি আজ থেকেই শুরু করে দিয়েছি নয়ন। আমার ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখছি। তবে আমার থেকেও তোমার সতর্ক হওয়াটা বেশি জরুরি। কারণ তুমি হচ্ছ মহীয়ান দত্তর বংশধর। কাজটা যে মহীয়ান দত্তই করেছেন, সেটা আমার মনে হচ্ছে ওরা আন্দাজ করেছে।”

    “আমার মনে হচ্ছে ওরা আমার ডি এন এ পরীক্ষা করে দেখতে পারে। ওহ হো, কী সাংঘাতিক ব্যাপার! আজই তো ওরা আমাদের সবার ব্লাড স্যাম্পল নিলো। বলল কী একটা প্রজেক্টের জন্য যেন দরকার আছে।”

    চমকে ওঠে নীল, “কী সর্বনাশ! তুমি রক্ত দিয়েছ?”

    “না দেওয়ার তো কোনও উপায় নেই। সত্যি কথা বলতে কী, আমার সন্দেহও হয়নি কিছু। এখন তো আবার ট্যাবলেট এক্সপোর্ট শুরু হয়ে গিয়েছে। আর কাউকে ডেকে কিছু বলাও হয়নি। আমি নিজেও অনেকদিন অ্যান্টিডোট মেশানো বন্ধ রেখেছি। তাই ভেবেছিলাম পিউ বোধ হয় হাল ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি মোটেই তা নয়।”

    “একেবারেই নয়। আমারা ধারণা তোমাকে ফাঁদে ফেলার জন্যই ওরা এরকম একটা গা-ছাড়া ভাব দেখাচ্ছে। আসলে ওরা একটু-একটু করে জাল গুটিয়ে আনছে।”

    ভূমধ্যসাগরের একটা নির্জন দ্বীপে সমুদ্রের ধারে পিউ-এর মিটিংয়ে বসে ঠিক এই জাল গুটিয়ে আনার কথাটাই বলছিলেন টিমোথি, “আমি এখন মোটামুটি নিশ্চিত যে, অ্যান্টিডোটটা তৈরি করেছেন মহীয়ান দত্ত। ওঁর ওইরকম একটা ছোট্ট ল্যাবরেটরিতে বসে কীভাবে কাজটা করলেন সেটা অবশ্য বলতে পারব না। তবে মারা যাওয়ার আগে তিনি নয়ন দত্তকে অ্যান্টিডোটটা দিয়ে গিয়েছেন সেটাও বুঝতে পারছি। আমার মনে হয় নয়নের বাড়ি তল্লাশি করলে এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণও পাওয়া যাবে। সেই কারণেই ওকে সারাক্ষণ মনিটার করার ব্যবস্থাও হয়েছে। ডঃ দত্ত যে নয়নকেই এই কাজের ভার দিয়েছেন তারও একটা কারণ আছে। ডি এন এ পরীক্ষা করে আমরা বুঝতে পেরেছি যে নয়ন একজন স্বাভাবিক মানুষ। তার ডি এন এ কারেকশন করা হয়নি। ডঃ দত্ত সুরানাকে বলেছিলেন যে, তিনি নিজে কারেকশনের কাজটা করবেন। কিন্তু তিনি কোনও কারেকশনই করেননি। তার মানে তখন থেকেই হয়তো তিনি খুব সচেতনভাবে পরিকল্পনা করে নয়ন দত্তকে এই কাজের ভার দেবেন বলে ঠিক করেছিলেন। সেটাই অবশ্য স্বাভাবিক। কারণ কোনও ডি এন এ কারেকশন করা মানুষ যে একাজটা করতে পারবে না, সেটা ওঁর থেকে ভাল আর কে জানে?”

    “কিন্তু নয়ন দত্ত ওই ল্যাবরেটরিতে কাজ করলেও সে তো বাচ্চাদের ট্যাবলেট তৈরি করে না। যদি ওর কাছে অ্যান্টিডোট থাকেও, তা হলে ও সেটা ট্যাবলেটে মেশাবে কী করে?”

    “এইখানেই এখনও পর্যন্ত একটা ছোট্ট মিসিং লিঙ্ক রয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের লোকেরা হেনরি বার্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। যদি জানা যায় ওষুধটা তৈরির সময় নয়ন কোনোভাবে সেখানে ছিল, তা হলে আমরা সঙ্গে-সঙ্গে কাজে নেমে পড়ব।”

    স্নান করে বেরিয়ে এসে চুল আঁচড়াচ্ছিল নীল। মনটা একটু ভার হয়ে রয়েছে। কীরকম যেন মনে হচ্ছে নয়নের চারপাশে একটা বিপদ ঘনিয়ে আসছে। এই কয়েক বছরে নয়নকে ভারী ভালবেসে ফেলেছে সে। তাই তাকে কী করে এই বিপদ থেকে বাঁচানো যায়, সেই চিন্তাটাই সারাক্ষণ তার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। হঠাৎ টেবিলের উপর রাখা সোলার ডায়েরিতে সবুজ আলো জ্বালিয়ে বিপ বিপ করে উঠল। সবুজ আলো মানে অচেনা কারও মেসেজ। নীলের চেনা মানুষ তো নয়ন ছাড়া আর কেউ নেই। তাই অচেনা নম্বর থেকে মেসেজ এলে সাধারণত খুলে দেখে না। কিন্তু আজ কী মনে হতে মেসেজটা খুলেই চমকে উঠল নীল। তাড়াতাড়ি বাথরুমের ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল আবার। নয়নের মেসেজ।

    নয়ন লিখেছে, “আমার মনে হচ্ছে আমাকে ওরা ট্র্যাপ করে ফেলেছে। ইদানীং রোজই খেয়াল রাখছিলাম। আজ অফিসে এসে দেখলাম হেনরি নিজের সিটে নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেল ওকে নাকি উপরঅলারা ডেকে পাঠিয়েছে। আমি যে প্রায়ই ফাইনাল মিক্সিংয়ের দিন হেনরির ঘরে যেতাম, সেটা হেনরিকে জিজ্ঞেস করলে ও নিশ্চয়ই বলে দেবে। আমার উপরও যে নজরদারি চলছে সেটাও স্পষ্ট। কারণ খবরটা পেয়েই আমি ঠিক করেছিলাম এখান থেকে বেরিয়ে যাব। কিন্তু হেনরিদের ডিপার্টমেন্ট থেকে নিজের ঘরে ফিরতেই রহিম শাহ ফোন করে বললেন, ওঁকে না জানিয়ে আমি যেন ল্যাব ছেড়ে কোথাও না যাই। আমার সঙ্গে ওঁর জরুরি দরকার আছে। আমি তারপরেও বেরনোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আমার পাস কার্ড ইতিমধ্যেই ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়েছে। কার্ডের পাসওয়ার্ড দিয়েও দরজা খুলল না। মনে হচ্ছে এখন আর কিছু করার নেই। আমার কলিগ ফাতিমা ওর সোলার ডায়েরিটা কাল ল্যাবে ফেলে চলে গিয়েছে। আজ ফাতিমা আসেনি। তাই এটাতে তোমায় মেসেজ করছি। আমার ডায়েরিতে কিছু লেখা ঠিক হবে না। ওটা নিশ্চয়ই ওরা মনিটর করছে।”

    মেসেজটা পড়ে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল নীল। তারপর লিখল, “তোমার ওখান থেকে বেরনোর আর কোনও রাস্তা কি আছে?”

    নয়নের উত্তর এলো সঙ্গে-সঙ্গেই, “একমাত্র উপায় সুপারসনিক কার। ওটা যাতে আমাদের অফিসের হ্যাঙ্গারে নামানো যায়, তার ব্যবস্থা করা আছে। কিন্তু আমি তো ওটা আজ নিয়ে আসিনি। অধিকাংশ দিনই নিয়ে আসি না। তাই হ্যাঙ্গারে যাওয়ার জন্য যে দরজা, তার পাসওয়ার্ড এখনও কাজ করছে। ওটা ওরা ডিঅ্যাক্টিভেট করা দরকার মনে করেনি।”

    নীল লিখল, “তোমার সুপারসনিক কার নিয়ে আমি যাচ্ছি। তুমি বেরনোর দরজার কাছাকাছি থাকবে। আমি সিগন্যাল দিলেই বেরিয়ে এসে উঠে পড়বে।”

    মেসেজটা পাঠিয়ে দিয়ে খুব স্বাভাবিক মুখ করে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলো নীল। ভোলু তখন ঘরদোর ডাস্টিং করছে। তাকে বলল, “আমার আজকে ডাক্তারের সঙ্গে একটা ডেট আছে ভোলু। আমি একবার বেরচ্ছি। দুপুরের খাবারের আগেই ফিরে আসব।”

    ভোলু মাথা নেড়ে সায় দিতেই তার চোখ এড়িয়ে দরজার পাশে আলমারির উপর ভাঁজ করে রাখা সুপারসনিক কারটা ব্যাগে ভরে দরজা খুলে বেরিয়ে পড়ল নীল। নয়নের সঙ্গে নিয়মিত জঙ্গলে বেড়াতে যাওয়ার সময় এই গাড়িটা চালানো সে খুব ভাল করে শিখে নিয়েছে। সুপারসনিক কারে নয়নদের ল্যাবে পৌঁছতে মিনিট দশেকের বেশি সময় লাগল না। সিগন্যাল আগেই দেওয়া ছিল। গাড়িটা এসে হ্যাঙ্গারে দাঁড়াতেই উঠে পড়ল তাতে। কোনও দিকে না তাকিয়ে গাড়ি নিয়ে আকাশে উড়ান দিল নীল।

    হাতে সময় খুব কম। নয়ন যে ওখান থেকে পালিয়েছে সেটা বুঝতে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। আর তারপরেই ব্লাড হাউন্ড কুকুরের মতো গন্ধ শুঁকে-শুঁকে তার সন্ধানে বেরিয়ে পড়বে পিউ-এর দলবল।

    “আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি নীল?” ভীষণ উদ্বিগ্ন আর বিষণ্ণ গলায় জানতে চায় নয়ন।

    “আপাতত তুমি আমাকে যেখান থেকে তুলে এনেছিলে সেখানটায় যাব। বাকি কথা সেখানে গিয়ে বলছি। এখন অন্যমনস্ক হলে বিপদ বাড়বে।”

    খুব দ্রুত কিন্তু নিপুণ হাতে গাড়িটাকে চালিয়ে জঙ্গলের ভিতর যে জায়গাটায় নীলকে প্রথম দেখেছিল নয়ন, সেখানে এসে গাড়িটাকে দাঁড় করাল নীল। তারপর নয়নের দিকে ফিরে বলল, “আজ তোমাকে কতগুলো কথা বলব নয়ন। এতদিন বলিনি। ভেবেছিলাম হয়তো বলার দরকার হবে না। কিন্তু এখন আর না বললেই নয়।”

    নীলের গলায় কেমন যেন একটা অন্য রকম সুর। অবাক হয়ে বন্ধুর দিকে তাকায় নয়ন।

    “গল্পটা শুরু করতে হবে একটু পিছন থেকে। প্রায় পাঁচশো বছর আগের কথা। পৃথিবী তখন একটা সাংঘাতিক সংকটের ভিতর দিয়ে চলছে। বাতাসে দূষণ ভীষণ বেড়ে গিয়েছে। ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রা। গলে যাচ্ছে মেরুপ্রদেশের হিমবাহ। বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারছিলেন এভাবে চললে পৃথিবীর অস্তিত্ব খুব বেশিদিন টিকে থাকবে না। তখন তাঁরা একটা সিদ্ধান্ত নেন। একদল বিজ্ঞানী প্রাণপণে গবেষণা করতে থাকেন কীভাবে পৃথিবীকে এই বিপদ থেকে বের করে আনা যায়। আর-একদল বিজ্ঞানী, সঙ্গে কিছু নানা ধরনের উৎসাহী মানুষকে নিয়ে একটি মহাকাশযানে চেপে বেরিয়ে পড়েন, এই সৌরজগতের বাইরে কোথাও পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য গ্রহ আছে কি না তার সন্ধানে। মজার ব্যাপার হচ্ছে দু‘দলই কিন্তু নিজেদের লক্ষ্যে সফল হয়েছিলেন। প্রথম দলের সাফল্য তো তুমি নিজেই দেখছ। দ্বিতীয় দলটিও শেষ পর্যন্ত ঠিক পৃথিবীর মতোই সবুজ, জল আর অক্সিজেনে ভরপুর একটি গ্রহের সন্ধান পান। তার নাম তাঁরা দেন ‘সেকেন্ড আর্থ’ বা ‘দ্বিতীয় বিশ্ব’। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে সেখানে পৌঁছনোর পরে তাঁদের মহাকাশযানটি খারাপ হয়ে যায়। ফলে তাঁরা আর ফিরতে পারেন না, সেই নতুন গ্রহেই তাঁদের থেকে যেতে হয়। সেখানে তাঁরা বসতি তৈরি করেন। জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ে। পৃথিবীর মতোই লেখাপড়া, বিজ্ঞান, শিল্প সবেরই চর্চা চলতে থাকে। কিন্তু বুঝতেই পারছ বিজ্ঞানের চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেসব উপকরণ দরকার, তার অনেক কিছুই তো সেখানে নেই। তাই এখানে যেমন সভ্যতা অনেক দ্রুত এগিয়েছে, ওখানে সেরকমটা হয়নি।

    “কিন্তু তা হলেও প্রায় পাঁচশো বছরের চেষ্টায় বিজ্ঞানীরা শেষ পর্যন্ত এমন একটা মহাকাশযান বানাতে সক্ষম হন যেটাতে চড়ে আগের পৃথিবীতে ফিরে আসা যায়। কিন্তু সেই পৃথিবী কেমন আছে, আদৌ আছে কি না, তা তো কেউ জানে না। হতেই পারে ক্রমশ গরম হতে-হতে পৃথিবী একটা উল্কাপিণ্ডে পরিণত হয়েছে। মানুষের অস্তিত্বই মুছে গিয়েছে। তাই ঠিক হয়, প্রথমে আমি একাই আসব পৃথিবীতে। দেখব সেখানকার অবস্থাটা কীরকম। সেখানকার মানুষের সঙ্গে মিশব, কথা বলব। আমার কাছ থেকে সব শুনে তারপর ঠিক হবে পরবর্তী পদক্ষেপ। যেদিন তোমার সঙ্গে দেখা হয় সেদিন তার একটু আগেই আমি এই পৃথিবীতে প্রথমবার পা রেখেছিলাম। নামার পর পা টলমলে ছিল। তাই পড়ে গিয়ে পাথরে মাথা ঠুকে অজ্ঞান হয়ে যাই। এবার বুঝতে পারছ তো সেদিন আমি কেন ডাক্তারকে বলেছিলাম যে, আমার কিছুই মনে পড়ছে না। সত্যি কথা বললে তখন তুমিও কি আমার কথা বিশ্বাস করতে?”

    নয়নের হতবাক মুখের দিকে তাকিয়ে নীল একটু হেসে বলে, “সবই তো বললাম নয়ন। এবার তোমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তুমি কী করবে। সামনে দুটো রাস্তা খোলা আছে। পিউ-এর হাতে ধরা পড়ে বাকি জীবনটা ধ্বংস করে দেওয়া অথবা আমার সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বে চলে যাওয়া। তবে মনে রেখো দ্বিতীয় বিশ্ব তোমাদের এই পৃথিবীর থেকে এখনও প্রায় পাঁচশো বছর পিছিয়ে আছে। সেখানে এখনও মানুষ চাষ করে ফসল ফলায়। একশো বছরও কেউ বাঁচে না। অসুখ আর জরার কষ্ট দুই-ই তাদের পেতে হয়। তবে তারা কিন্তু মনের আনন্দে গান গায়, বাঁশি বাজায়, গল্প-কবিতা পড়ে। ছোট ছেলেমেয়েদের ডি এন এ কারেকশন হয় না, তারা নিজেদের খুশিমতো বেড়ে ওঠে…”

    নীলের কথায় বাধা দিয়ে নয়ন বলে ওঠে, “কিন্তু নীল এটা কি পালিয়ে যাওয়া হবে না? আমি যে মহীদাদুকে কথা দিয়েছিলাম, তাঁর স্বপ্ন পূরণ করব।”

    “সে কথা তো তুমি রেখেছ। যে লক্ষ-লক্ষ ছেলে-মেয়ে ওই অ্যান্টিডোট খেয়েছে, তারা তো স্বাভাবিক মানুষ হিসেবেই বড় হবে। পিউ-এর কথা মতো তারা চলবে না। তুমি নিশ্চিন্ত থাক, একদিন তারাই পিউ-এর সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেবে। তখন যদি আবার আমার মতো কেউ এখানে আসে, তা হলে সে নিশ্চয়ই ফিরে গিয়ে শুভ সংবাদটি জানাবে।”

    নয়ন এবার দু‘হাতের মুঠোয় নীলের হাতটা চেপে ধরে বলে, “বেশ তাই হোক তা হলে। চলো, তোমার সঙ্গে তোমাদের বিশ্বেই যাই…”

    নীল এগিয়ে গিয়ে সেই বুনো গোলাপের ঝোপের পিছনে ফুলে ভরা কৃষ্ণচূড়া গাছের নীচে কিছুটা মাটি খুঁড়ে গোল চাকতির মতো একটা জিনিস বের করে। তারপর তাতে কতগুলো বোতাম টিপে আকাশের দিকে তুলে ধরতেই সেটা থেকে খুব সূক্ষ্ম একটা সরু আলোর রেখা বেরিয়ে দিগন্তে মিলিয়ে যায়। একটু পরেই যেখানে সেই আলোর রেখাটা মিলিয়ে গিয়েছে, সেখানে দেখা যায় একটা উজ্জ্বল রূপোলী বিন্দু। ক্রমশ সেটা বড় হতে থাকে। তারপর এক সময় একটা চারকোনা জিনিস নয়নদের ঠিক সামনে এসে দাঁড়ায়।

    “উঠে পড়ো নয়ন। পিউ-এর লোকেরা জানতে পেরে গিয়েছে তুমি এখানে আছ।”

    নীলের কথায় চমকে উঠে নয়ন দ্যাখে অনেক কুচকুচে কালো সুপারসনিক কার একটা দড়ির ফাঁসের মতো আকাশপথে তার দিকে ছুটে আসছে। আর দেরি না করে সে পা রাখে মহাকাশযানে। নীল উঠে দরজা বন্ধ করে বোতাম টিপতেই বিদ্যুৎ গতিতে উপরে উঠতে থাকে মহাকাশযান। তার স্বচ্ছ দেওয়ালে চোখ রেখে নয়ন অবাক হয়ে দেখে কীরকম অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে তার চোখের সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে প্রথম বিশ্ব!

    সমাপ্ত

    ⤶
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি লিলি – লিলি চক্রবর্তী
    Next Article তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }