Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যা ব্রাশ উইথ ফায়ার

    আগের অধ্যায়গুলোতে আমি আমার ব্যর্থতা এবং হতাশার ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করেছি। প্রতিটি ব্যর্থতা বা হতাশার সাথে সাথে জীবন আমাকে নতুন একটি শিক্ষা উপহার দিয়ে গেছে। এখন আমি বুঝতে পারি প্রতিটি হতাশা কেটে যাওয়ার পর মানুষ একটি ভিন্ন আঙ্গিক লাভ করে। লব্ধ অভিজ্ঞতাকে ভিন্ন আঙ্গিকে দিতে চিন্তা করে এবং আমাদের চিন্তা-চেতনায়ও পরিবর্তন আসে। একই সাথে আমাদের আত্মাও প্রভাবিত হয়। আমার তাই বিশ্বাস। আমার আরও বিশ্বাস, আমরা প্রতিটি অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সমস্যাগুলোর মোকাবিলা করতে পারি। যখন আবারও আমরা এই ধরনের অভিজ্ঞতার সামনে পড়ব তখন আমাদের উচিত পালিয়ে না গিয়ে তার মুখোমুখি হওয়া। বিগত অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা যে, এর আগে কীভাবে এর সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। আর কোথায় ভুল হয়েছিল। এর সাথে আরেকটি প্রশ্নের সমাধান জরুরি, প্রশ্নটি হলো-সমস্যাটা কি নিজ থেকেই আমাদের ওপর এসেছিল? নাকি আমরা নিজেরাই ইচ্ছা করে বা নিজেদের ভুলে সমস্যায় জড়িয়ে ছিলাম? এই কথা বলার প্রয়োজন রাখে না যে, প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো বিশেষ ঘটনাই আমাদের মাঝে বিশেষ কোনো পরিবর্তন ঘটায়।

    বিশেষ করে যখন আমরা আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারি না। উচ্চাকাঙ্ক্ষাগুলো আমাদের কাছে অতীব মূল্যবান অথবা এমন কিছু সাথে জড়িত হতে পারি না যার প্রভাব সার্বজনীন বা জীবন অথবা মৃত্যুর পরিস্থিতি। সাধারণত এই সকল পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেই আমাদের মাঝে গভীর পরিবর্তন সাধিত হয়।

    আমার কর্মজীবন থেকে আমি এরকম কিছু পরিস্থিতির কথা স্মরণ করতে পারি। যখন আমি SLV (Satellite launch vehicle) এবং অগ্নি (ভারতের নিজস্ব তৈরি প্রথম মিসাইল) তৈরির প্রজেক্টের নেতৃত্ব দিলাম। তখন আমি এবং আমার দলের সবাইকে নিয়ে ভারত সরকার এবং জনগণের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বি। আমাদের কাজের মিডিয়া কভারেজ (প্রচার)। যদিও বৰ্তমান সময়ের তুলনায় কিছুই না, ছিল তীব্র।

    SLV-3 প্রজেক্ট এবং অগ্নি উভয়ই প্রথমবার ব্যর্থ হয়। অনেক ধরনের সমস্যার পাশাপাশি প্রাথমিক নিক্ষেপণের অসুবিধাও ছিল। এই অসুবিধার কারণে আমি এবং আমার দলের ওপর বিরাট চাপ ছিল এবং বিপর্যয়ের সম্ভাবনাও ছিল অনেক বেশি। প্রথমবারের চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ায় আমাদের প্রাক্তন অনেক সাফল্যের কথাও তেমন পাত্তা দেওয়া হলো না। তখন আমরা আবার পুনরায় অনুসন্ধান শুরু করলাম এবং ব্যর্থ হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ শুরু করলাম। সেই দিনগুলোর কথা আমার চিরকাল মনে থাকবে। মোটকথা, আমার স্মৃতিতে গাঁথা থাকবে।

    তবে তার প্রভাব থাকবে তাদের কথা ভেবে। যাদের সাথে আমরা কাজ করেছি এবং আমাদের ধারণা এবং ডিজাইন সরবরাহের জন্য যাদের ওপর নির্ভর করেছি। তাদের নিষ্ঠা এবং ভোগান্তি। আমি আমার কর্মজীবনে বহুবার এমন ধরনের অনুভূতি পেয়েছি। এবং প্রত্যেকটিরই এই অনুভূতি আমার হৃদয় স্পর্শ করে গেছে।

    .

    ১৯৬০ এবং ৭০-এর দশকে আমি কাজ করছিলাম Thumba Equatorial Rocket Launching Station (TERLS) -এ। প্রজেক্টের নেতৃত্বে ছিলেন ভিকরম সারাভাই। আমরা নিজেরাই নিজেদের রকেট এসএলভি এবং স্যাটেলাইট তৈরি করছিলাম। একই সাথে আমার দেশের বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে রকেটের জন্য পেলোড তৈরি করে বেরাচ্ছিলাম। রকেটের পরিপূর্ণ গঠন প্রক্রিয়ার এই পেলোডগুলো খুবই প্রয়োজনীয় বস্তু। এই পেলোড প্রস্তুত ল্যাবরেটরিতে আমার এক সহকর্মী কাজ করছিল। তার নাম সুধাকর। একবার আমরা একটি প্রি-লঞ্চ শিডিউলে কাজ করছিলাম। আমরা বিপজ্জনক এক মিশ্রণ সোডিয়াম এবং থারমাইন্ট-এর মিশ্রন নিয়ে কাজ করছিলাম। এবার একটু আমাদের ল্যাবরেটরি এবং আশেপাশের এলাকার বিবরণ দিয়ে রাখি। থুম্বা পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। এখানকার আবহাওয়া বরাবরের মতোই উষ্ণ এবং স্যাতস্যাতে। সেদিনও তার ব্যতিক্রম ছিল না। সুধাকর এবং আমি অনেকক্ষণ যাবত কাজ করেছি। চারদিকে অসহনীয় গরম। তবে আমাদের আবহওয়ার দিকে একটুও খেয়াল ছিল না। এই ধরনের ছয়টি মিশ্রণ পূর্ণ করার পর আমরা একবার পেলোড রুমে গিয়ে কাজের তদারক করে আসার সিদ্ধান্ত নিলাম, পেলোডে এই ছয়টি মিশ্রন যথাযথভাবে ভরা হয়েছে কি না। কাজে নিমগ্ন থাকার কারণে আমরা একটা মৌলিক বৈজ্ঞানিক বিষয় খেয়াল করিনি। সেটি হলো, মৌলিক সোডিয়ামের সাথে পানির সংস্পর্শ ঘটলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি আর সুধাকর ঝুঁকে বসে মিশ্রণগুলো পরীক্ষা করছিলাম, এমন সময় সুধাকরের কপাল বেয়ে এক ফোটা ঘাম মিশ্রণে পড়ল। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ছিটকে পড়লাম। রুম-এ শক ওয়েভও ভীষণভাবে নড়ে উঠেছিল। কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমি একদম জমে গিয়েছিলাম। আর সেই কয়েক সেকেন্ডেই বিস্ফোরণ থেকে আগুন ‘ লেগে গেল। আমাদের ভীতসন্ত্রস্ত চোখের সামনেই পুরো ল্যাবরেটরিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ল। এই আগুন লেগেছে সোডিয়ামের কারণে। তাই পানি ব্যবহার করে এ-আগুন নেভানো যাবে না। উল্টো পানি দিলে আগুন আরও ভয়ানক রূপ নেবে। ল্যাবরেটরি আমাদের চোখের সামনেই নরক আগুনে জ্বলছিল-পরে যখন আমি এই ঘটনা নিয়ে চিন্তা করেছি, প্রতিটি ঘটনা-দুর্ঘটনা, বিস্ফোরণ, আগুন লাগার কারণ বুঝতে পেরেছি। তবে বাস্তবে এই সবগুলো ঘটনা ঘটেছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ডে।

    আমি কোনোমতে উঠে দাঁড়ালাম। তবে সুধাকর তার উপস্থিত বুদ্ধির প্রমাণ দেখাল। সে পেলোড রুমের জানালা ভেঙে ফেলল। খালি হাতেই সে এ-কাজ করেছিল। এরপর সে এক মুহূর্ত দ্বিধা না করে প্রথমে আমাকে জানালার বাইরে ধাক্কা দিয়ে নিয়ে গেল। এরপর সে নিজে লাফিয়ে এলো। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে এ-কাজ করে ফেলল। তবে তীব্র বিস্ফোরণ এবং আগুনের প্রচণ্ড তাপে সুধাকরের প্রথমে বাচার উপায় চিন্তা করতে এবং পরবর্তীতে আমাকে বাঁচিয়ে নিজে বের হয়ে আসতে গিয়ে গুরুতর আহত হলো। আগুনের তাপে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গা পুড়ে গিয়েছিল। এবং খালি হাতে কাঁচ ভাঙতে গিয়ে তার হাত থেকে আমার রক্ত পড়ছিল। এরপর আমরা কোনোমতে টেনে- হিঁচড়ে আগুনের লেলিহান শিখা থেকে দূরে সরে গেলাম। আমার জীবন বাঁচানোর জন্য সুধাকরকে ধন্যবাদ জানালাম। তীব্র ব্যথা স্বত্ত্বেও সুধাকর আমার দিকে তাকিয়ে হাসল এবং আমার ধন্যবাদ গ্রহণ করল। জখম সারিয়ে উঠতে সুধাকরকে বহুদিন হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিল। এই দুর্ঘটনা কেবল আমার জীবনের ভয়ানক দুর্ঘটনার মধ্যে একটি নয়, এই দুর্ঘটনায় একই সাথে একজন টিকে থাকা মানুষের অনুভূতি পাওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করলাম আমি। জেনে- শুনে কেউ একজন নিজের জীবন বিপন্ন করে আমার জীবন রক্ষা করল। আমার জীবনের সবচাইতে সম্মানজনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল এটি। যে সকল মানুষকে প্রাত্যহিক জীবনের চরম দুর্ঘটনাগুলোতে টিকে যায় এবং তাদের রক্ষা করা হয়, তাদের মাঝে এক ধরনের মিশ্র অনুভূতির জন্ম নেয়। এই অনুভূতির মাঝে মিশে থাকে স্বস্তি, আত্মগ্লানি এবং সম্মান। আমার ক্ষেত্রে এই একই অনুভূতি “হয়েছিল। আমার মাঝে একই সাথে তীব্র দায়িত্ববোধই জেগে উঠল I যদি সুধাকর মনে করে থাকে আমার জীবন রক্ষা করা তার জীবনের চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ, তবে আমার কর্তব্য হলো, আমরা যে-কাজ করছিলাম তা যেন কোনো কারণেই না পিছিয়ে সঠিক সময়ে সম্পন্ন হয়।

    সুধাকরের এই নির্ভীক পদক্ষেপ আমার জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করল। যখন জীবনে নিজেকে আমার ক্ষুদ্র মনে হয়, আমি অনুপ্রেরণা হারিয়ে ফেলি এবং শত-কোটি মানুষের মধ্যে নিজেকে অতি-নগণ্য এবং এই মহাবিশ্বের অতি তুচ্ছ একটি বিন্দু মনে হয়, তখন আমি এই অসাধারণ মানুষটির কথা স্মরণ করি। সুধাকরও বাকি সকল বিজ্ঞানীদের মধ্যে একজন, যে নিজের কাজ করে গেছে, তারপর সে নিজের ভয়কে কাটিয়ে উঠে মহৎ এক কাজ করেছে। অনেক জীবন রক্ষা করা এমন একটি মহৎ কাজ যার মহত্ব ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।

    এরকম আরেকটি ঘটনা আছে, যা আমার হৃদয়ে ক্ষত সৃষ্টি করে গেঁথে আছে। যখন আমি এই দুর্ঘটনার কথা চিন্তা করি, তখন আমার মন ব্যথা এবং গ্লানিতে ভরে ওঠে। একটা হলো ১৯৯৯-এ Arakkonam accident. এই দুর্ঘটনা আমাকে ব্যথায় ভারাক্রান্ত করে তোলে। এই দুর্ঘটনা ঘটার পর আমি এর গুরুত্ব ঠিকই উপলব্ধি করতে পারি। তবে আমি আমার সকল অনুভূতি তখন রাজ্যের বোঝায় চাপা দিয়ে রাখি। এর কয়েক বছর পর আমি আর আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলে একটি বই লিখছিলাম। তখন সেই দুর্ঘটনার কথা মনে পড়ায় আমার মন দুঃখ এবং অনুশোচনায় ভরে ওঠে।

    ঘটনা ঘটে ১৯৯৯ সালের ১১ জানুয়ারি। দুটো এয়ারক্রাফট ব্যাঙ্গালোর – থেকে চেন্নাইয়ের আরাক্কোনাম যাচ্ছিল। দুটো এয়ারক্রাফটই Airborne Surveillance Platform (ASP)-এর সাইন্টেফিক মিশনে যাচ্ছিল। তারই একটি এয়ারক্রাফটের নাম ছিল অভ্র। এর সারভেইলেন্স সিস্টেম ছিল Motodome (এক ধরনের ডিমের মতো আকৃতি এর গঠনের সাথে যুক্ত ছিল)। এটা মাটির ১০০০০ ফুট উপর দিয়ে যাচ্ছিল এবং চেন্নাইয়ের বোস্টলাইনের দিকে এর কোস্টলাইন নির্ধারণ করে। সেই কোস্টলাইনের কোনো একটি জায়গায়ই রাডার টেস্টিং গবেষণা চলছিল। অভ্র যাত্রা করার পনের মিনিট আগে একটি A.N-32 এয়ারক্রাফট যাত্রা করে। AW-32 এয়ারক্রাফটটি ছিল রাডার টেস্টিংয়ের টার্গেট এয়ারক্রাফট। এই এয়ারক্রাফট ব্যাঙ্গালোর থেকেই যাত্রা শুরু করে। প্রায় এক-দেড় ঘন্টা যাবত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলল। আর রাডারের সিস্টেমের কার্যকারিতা পর্যক্ষেণ করে সবাই অনেক খুশি ছিল। বিকেল ৫টার দিকে AN-32 আরাক্কোনামে অবতরণ করে। আর অভ্রও এরকম সময়ই আরাক্কোনামে অবতরণে কোস্ট সেট করেছিল। প্রথমে অভ্র ১০০০০ থেকে ৫০০০ ফুটে নেমে আসল। সবকিছুই ঠিকঠাক। কিন্তু অভ্র যখন এয়ারফিল্ড ৫ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল এবং ৩০০০-৫০০০ ফুটে অবস্থান করছিল তখন এর মটোডোম পড়ে গেল। আর হঠাৎ ভারসাম্যহীন ঘটায় এয়ারক্রাফট অস্থিতিশীল হয়ে তৎক্ষণাৎ ভূপতিত হলো। এয়ারক্রাফটে মোট ৮ জন লোক ছিল। তাদের প্রত্যেকেই মারা যায়। আমি তখন দক্ষিণ ব্লকে Defense Research Council-এর সাথে মিটিং-এ ছিলাম। এমন সময় আমার কাছে দুঃসংবাদ পৌছাল। আমি মাঝপথেই মিটিং থেকে উঠে ব্যাঙ্গালোরের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।

    এয়ার চিফ মার্শাল এ. ওয়াই টিপনিসও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। হৃদয়বিদারক একটি দিন কাটল। আমি যাত্রীদের পরিবার পরিজনের ও তাদের যুবতি স্ত্রী এবং বাচ্চাদের সাথে দেখা করেছিলাম। তাদেরকে আমার কী জবাব দেয়ার ছিল? তাদের ভালোবাসার স্বামীরা defence preparedness-এর কারণে মারা গেছে-এই কী বলতাম? মানুষের দুঃস্বপ্ন যখন বাস্তবে রূপ নেয় তখন কী এরকম কোনো সান্ত্বনা দেয়া যায়? এক যুবতি মা তার বাচ্চাকে দেখিয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন—এই বাচ্চাটির দেখাশুনা এখন কে করবে? আমি তার প্রশ্নে নির্বাক হয়ে রইলাম। আমার বলার মতো কোনো ভাষা ছিল না। আরেকজন মা আমাকে আরেকটি প্রশ্ন করেছিলেন। সেই প্রশ্ন এখনও আমাকে দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে বেড়ায়। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, আপনি আমাদের সাথে কেন এমন করলেন?

    সেই প্লেন ক্র্যাশ এতটাই মারাত্মক ছিল যে, আমরা সেই ৮ জনের কোনো চিহ্নও খুঁজে পেলাম না। আমরা কেবল তাদের পরিবারকে সান্ত্বনা দানের জন্য কিছু কফিন জোগাড় করলাম।

    সেই কফিনগুলো এয়ারফোর্স হলে রাখা হলো। আমি কোনোমতে একটি বক্তৃতা দিতে পারলাম; ‘এ-বিদায় এই ৮ জন দুঃসাহসিক সৈন্যদের, যারা নিজেদের কাজের মাঝেই চিরতরে বিদায় নিল। আর ফিরে এলো না।’

    আমি দুঃখ-দুর্দশা এবং আত্মগ্লানিতে ভারাক্রান্ত হয়ে রাতে আমার রুমে ফিরে আসি। আমি আমার ডায়রিতে লিখলাম-

    ‘আলোর উৎস ভিন্ন
    তবে প্রতিটি আলোই এক
    দুনিয়াকে এনে দিলে আনন্দের রেশ
    তবে তুমি রয়ে গেলে নিঃশেষ।’

    .

    এই ঘটনার পরও বছর স্বাভাবিকভাবেই কেটে গেল। আমিও সাউথ ব্লক থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দায়িত্ব নিলাম। তবে সেখানে গিয়েও আমার মাঝে সেই বিধবাদের কান্না, পিতা-মাতার আকুল নয়ন এবং সন্তানদের আহাজারি রয়ে গেল। যখনই আমি ভাবি যে, তাদের পরিবার পরিজনরা শেষবারের মতোও তাদের দেখতে পেল না! কেবল প্রতিকী কফিন দিয়েই তাদের অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তখন আর আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারি না।

    যখন সাইন্টিফিক এবং ডিফেন্স টেকনোলজি নিয়ে বড় কোনো পরিকল্পনা করা হয়, তখন কী ক্ষমতাধীন লোকেরা একবারও ভেবে দেখেন যে, এর জন্য ল্যাবরেটরি এবং ফিল্ডে কর্মরত বহুলোককে আত্মোৎসর্গ করতে হবে?

    কেবল রাজনীতি দিয়েই একটি জাতি তৈরি হয় না। একটি জাতি তৈরি হয় হাজারো লোকের উৎসর্গের মধ্য দিয়ে। তাদের মেধা দ্বারা। এভাবেই তৈরি হয় একটি জাতি।

    যখন আমরা অন্যদের ওপর কর্তৃত্বের ক্ষমতা অর্জন করি, তখন আমরা মনে করি যে, আমরা সাফল্যের চূড়ান্ত শিখায় পৌছে গেছি। তবে তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকানো উচিত এবং দেখা উচিত যে, আমরা কাদের উৎসর্গ এবং অবদানের কারণে নিজেদের দৃঢ় অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। যখন আমি আমার বন্ধু, অরুণ তিওয়ারির সাথে এই ঘটনা নিয়ে কথা বলেছিলাম, সে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, এই ঘটনা দিয়ে কী বলতে চাও? আমার উত্তর ছিল, ভালো হওয়ার ভান করার দরকার নেই। সৎ হতে চেষ্টা করো। সেবা করার নিগূঢ় ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করো।

    আমরা রাজনীতির বহির্মুখীরূপে আটকে আছি। আর এই রাজনীতিই দেশ গড়ছে ভেবে ভুল করে বসে আছি। যে সকল উৎসর্গ, মেধা এবং নিষ্ঠা চোখে পড়ছে মূলত তারা গড়ে তুলছে এই দেশকে

    এখনও আমি সেই ঘটনাগুলোর কথা চিন্তা করি। কেবল তাৎক্ষণিক ঘটনাটুকুই নয়। এরপরে যা ঘটেছে, সবসহ। সুধাকরকে হাসপাতালে নেয়া, সেই ৮ জনের দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্থ পরিবারের মুখের কথা। তারা সরকারের কাছ থেকেও সাহায্য পেয়েছিল। এই ঘটনাগুলো ভাবার এক পর্যায়ে আমার মধ্যে এক ধরনের একাকিত্ব জায়গা করে নেয়। যখন আপনি কষ্টের মাঝে থাকবেন যখন আপনার নিজেকে একামনে হবে, তখনই আপনি নিজের প্রকৃত স্বত্ত্বাকে চিনতে পারবেন। আমি আমাকে খুঁজে পেয়েছি এক বড় চেতনার মাঝে। সেই চেতনার মাঝে, যে চেতনা, প্রকৃতি এবং টিকে থাকা নিয়ে প্রশ্নগুলোর সমাধানের পথে নতুন জ্ঞানের জন্ম দেয়।

    আমাদের সবাইকেই বহুবার হৃদয় ভাঙার অনুভূতির মধ্য দিয়ে পার হতে হয়। আমরা সবাই একদিন মৃত্যুর মুখোমুখি হব। তবে আমার জীবনের দীর্ঘ আট যুগে আমি যা শিখেছি তা হলো-এই মুহূর্তগুলোই আমাদের সত্যিকারের বন্ধু।

    আমরা সবাই কেবল সুখ খুঁজে বেড়াই। তবে সত্যিকারের সুখ আসে তীব্র কষ্টের মধ্যে দিয়ে। যখন আমরা আয়নার মুখোমুখি হই এবং নিজের প্রকৃত রূপ দেখতে পাই, তখন আসে সত্যিকারের সুখ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    Next Article টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }