Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নৌকা

    আমি আগেই বলেছি রামেশ্বরাম মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। রামেশ্বরামের এই দ্বীপেই আমি বেড়ে উঠি। আর যেহেতু সমুদ্রের খুব কাছাকাছি বড় হয়েছি, তাই সমুদ্র আমাদের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ ছিল। তাই আমার শৈশব স্মৃতির একটা বড় অংশ জুড়ে থাকবে, সমুদ্রের স্রোত, ঢেউ আছড়ে পড়ার ধ্বনি, পাম্বান ব্রিজের ওপর দিয়ে রেলগাড়ির ছুটে চলার শব্দ, পাখিদের পুরো শহর জুড়ে উড়ে বেড়ানো এবং সমুদ্রের সেই লবণ পানি যা বাতাসে এক অপূর্ব মহিমা ছড়িয়ে দিয়েছে।

    সমুদ্রের সাথে কেবল আমাদের সম্পর্ক এখানেই সীমাবদ্ধ ছিল না, সমুদ্র ছিল আমাদের জীবিকার উৎস। প্রায় প্রতিটি পরিবারই কোনো না কোনোভাবে সমুদ্রের ওপর নির্ভরশীল। কেউ জেলে হয়ে আবার কেউ নৌকার মালিক হয়ে। আমার বাবাও একটা ফেরি চালাতেন। সেই ফেরি রামেশ্বরাম থেকে ধনুশকরিত পর্যন্ত চলত এবং লোকজন আনা নেওয়ার কাজ করত। ধনুশকরি রামেশ্বরাম থেকে প্রায় ২২ কিলমিটার দূরে।

    আমার এখনও মনে আছে বাবা কিভাবে এই ফেরি পারাপারের বুদ্ধি বের করলেন এবং কিভাবে নৌকা তৈরি করলেন। সুদূর প্রাচীনকাল থেকেই রামেশ্বরাম ধর্মীয় দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। হিন্দু ধর্মালম্বীরা বিশ্বাস করেন যে, রাম সীতাকে উদ্ধারের সময় এই এলাকায় এসেছিলেন এবং লঙ্কায় যাওয়ার সেতু তৈরি করেছিলেন।

    রামেশ্বরামের মন্দির মূলত শিবের উপাসনার জন্য তৈরি করা হয়। এই মন্দিরে যে শিবলিঙ্গ আছে তা সীতার তৈরি বলে ধারণা করা হয়। রামায়ণের কিছু কিছু সংস্করণে উল্লেখ আছে যে, রাম এবং সীতা লঙ্কা থেকে আযোধ্যায় যাত্রাকালে এখানে থেমেছিলেন এবং শিবের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। যারা আমাদের শহরে, মানে রামেশ্বরামে তীর্থযাত্রায় আসত তারা ধনুশকরিতে অবশ্যই যেত। কারণ ধনুশকরিতে ভ্রমণ তীর্থযাত্রার একটা বিশেষ অংশ। সাগর সঙ্গমে স্নান করা একটা পবিত্র প্রথা বলে বিবেচিত। ভারতসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলকে সঙ্গম বলা হয়। ধনুশকরিতে যাওয়ার জন্য এখন রাস্তা নির্মিত হয়েছে এবং রামেশ্বরামের সাথে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই পূণ্যারথিরা এখন ভ্যানে করেই ধনুশকরি যেতে পারে। তবে যখন আমি ছোট ছিলাম তখন ধনুশকরি যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম ছিল এই ফেরি।

    আমার বাবা তার স্বল্পআয়ের পাশাপাশি বাড়তি কিছু আয়ের জন্য এই ফেরি ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। বাবা নৌকা তৈরির কাজ শুরু করলেন। এই নৌকা আমাদের ব্যবসায়ের জন্য তৈরি করা হবে। আমি বিস্ময় নিয়ে দেখতে থাকলাম কিভাবে কয়েক টুকরা কাঠ এবং ধাতু নৌকার আকৃতি পেল। আমার মনে হচ্ছিল এই নৌকা যেন জীবন পেয়েছে। এই নৌকা তৈরি স্বচক্ষে দেখার মাধ্যমেই ইঞ্জিনিয়ারিং জগতের সাথে আমার প্রথম পরিচয়। আমার বাবাকে সাহায্য করার জন্য তার এক ভাই এলেন। তিনি বাবার আপন ভাই নয়। বাবার চাচাত বা মামাত ভাই হবে। তার নাম আহমেদ জালালউদ্দীন।

    বাবা যেখানে নৌকা তৈরি করছিলেন সেই জায়গায় যাওয়ার জন্য আমি প্রতিদিন অধীর অপেক্ষায় থাকতাম। প্রথমে লম্বা কাঠের টুকরোগুলোকে প্রয়োজনীয় মাপ অনুযায়ী কেটে নিয়ে শুকিয়ে নেওয়া হলো। এরপর সেগুলো আরও মসৃণ করে জোড়া দেওয়া হলো। কাঠের আগুনেই কাঠ সিজনিং করা হয়। সিজনিং হলো কাঠের ভেতরের রাসায়নিক পদার্থ শুকিয়ে ফেলার একটা প্রক্রিয়া, যাতে কাঠ পচে না যায়। আর এই সিজনিং করা কাঠ দিয়ে তৈরি হয় নৌকার হাল এবং বাল্কহেডস। ধীরে ধীরে নৌকার তল তৈরি হয়ে গেল। এরপর নৌকার দুই পাশের কাজ সম্পন্ন করা হলো। এরপর তৈরি করা হলো নৌকার হাল। আর এই পুরো প্রক্রিয়া আমি নিজ চোখে দেখেছি।

    .

    এর বহু বছর পরে, নিজের কাজ করতে গিয়ে, আমি রকেট এবং মিসাইল তৈরি করতে শিখি। রকেট এবং মিসাইলের ইঞ্জিনিয়ারিং-এর পেছনে রয়েছে জটিল সব গাণিতিক সমীকরণ। এই সকল সমীকরণ অনেকের কাছেই এক ধরনের বিস্ময়। তবে যে নৌকা দিয়ে পূণ্যারথীদের ফেরি পার করানো হতো, তার তৈরির কৌশল এখনও আমাকে সমান বিস্মিত করে। কত সহজভাবেই না তৈরি হয়ে যায় একটি নৌকা। তবে এর পেছনের প্রক্রিয়া সত্যিই বিস্ময়কর। তবে এমন কেউ নেই যে বলবে না-এই সাধারণ নৌকা তখন আমাদের জীবনের কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয় অংশ ছিল না।

    তবে এই নৌকা তৈরি আরেকভাবে আমার ওপর প্রভাব ফেলে। আর এই প্রভাব দ্বারা আমি দারুণভাবে উপকৃত হই। এই নৌকা তৈরি করতে গিয়েই জালালউদ্দীনের সাথে আমার পরিচয় হয়। সে বয়সে আমার থেকে অনেক বড়। তারপরও আমাদের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কোনো জিনিস শেখার জন্য আমার অদম্য আগ্রহ এবং না বুঝতে পারলে প্রশ্ন করার অভ্যাস, জালালউদ্দীন ধরতে পারেন। এবং তিনি সবসময় ধৈর্য্য সহকারে আমার কথা শুনতেন। আমার প্রশ্নের জবাব দিতেন এবং প্রয়োজনে দিকনির্দেশনাও দিতেন।

    জালালউদ্দীন ইংরেজি লিখতে ও পড়তে পারতেন। তিনি আমার সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন। তিনি বিজ্ঞানী, আবিষ্কার, সাহিত্য, চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে কথা বলতেন। রামেশ্বরামের রাস্তায় বা সমুদ্রের তীরে বা নৌকায় আমাদের মধ্যে এইসব বিষয় নিয়ে অনেক আলাপ আলোচনা চলত। তার সাথে কথাবার্তা বা আলোচনা করতে করতেই আমার মাঝে নতুন সব চিন্তা, এবং আকাঙক্ষার উদ্ভব ঘটে।

    বাবার ফেরি ব্যবসা সফল হয়। আমার বাবা নৌকা চালানোর জন্য কয়েকজনকে কাজে রাখলেন। পূণ্যারথিরা আমাদের নৌকা ব্যবহার করেই ধনুশকরি যেত। অনেকবার আমি সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ভিড়ের মাঝে নৌকায় উঠে পড়ি। নৌকা ছাড়লে আমি ভিড় থেকে সরে গিয়ে মাঝিদের পাশে বসে সমুদ্রযাত্রা উপভোগ করতাম নৌকা রামেশ্বরাম থেকে ধনুশকরি গিয়ে পৌছাত। আবার নতুন যাত্রী নিয়ে রামেশ্বরামে ফিরে আসত।

    আমি রামের গল্পটা শুনেছি। রাম কিভাবে তার বানর সেনাদের নিয়ে লঙ্কায় যাওয়ার সেতু তৈরি করেছিলেন সেই গল্প। গল্পটা অনেকটা এরকম-রাম রাবনের রাজ্য লঙ্কা থেকে হরণকৃত সীতাকে উদ্ধার যাত্রায় রামেশ্বরামে থামে। সেখানে তার বানর সেনার সহযোগিতায় একটি সেতু নির্মাণ করে। সীতাকে উদ্ধার করে ফেরার পথে রাম এবং সীতা আবার রামেশ্বরামে থামে। থামার কারণ হলো-রাবনকে হত্যা করতে সক্ষম হওয়ার জন্য শিবকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন। তাই শিবের উপাসনা করার জন্য রাম হনুমানকে সুদূর উত্তর থেকে শিব লিঙ্গ নিয়ে আসার নির্দেশ প্রদান করে। তবে হনুমান দেরি করে ফেলে। আর হনুমানের দেরি দেখে সীতা নিজ হাতে শিবলিঙ্গ তৈরি করে এর স্থাপনা করে। শিবলিঙ্গ স্থাপনা শেষে তারা সেই লিঙ্গের পুজা করে শিবকে ধন্যবাদ জানায়।

    এই গল্প এবং এরকম আরও অনেক গল্পই লোকমুখে শোনা যেত। পুরো ভারতজুড়ে লোকজন তীর্থযাত্রায় আসত। আর এই অঞ্চলে তীর্থযাত্রায় আসলে আমাদের ফেরি সার্ভিসই ব্যবহার করতে হতো। তাই এই সকল পূণ্যারথিদের মুখে একই গল্প ভিন্নভাবে শোনা যেত। এত লোকজনের মাঝে একটা ছোট বাচ্চা খুব সহজেই মিশে যেতে পারে। আর এই বিপুল সংখ্যক লোকের মাঝে কেউ না কেউ ঠিকই থাকত যে, আমার সাথে স্বেচ্ছায় কথা বলত। তারা খুব সরল মনেই নিজেদের জীবনের গল্প এবং তীর্থযাত্রায় আসার উদ্দেশ্য নিয়ে আমার সাথে কথা বলত।

    এভাবেই বছর পার হয়ে গেল। আমি স্কুল, আমার শিক্ষকবৃন্দ এবং আহমেদ জালালউদ্দীনের কাছ থেকে অনেক শিক্ষা পেলাম। আর আমার এই শিক্ষার পেছনে সেই নৌকা এবং এর যাত্রীদের অবদানও অস্বীকার করতে পারব না। এভাবেই সমুদ্রের ঢেউ, সৈকতের সাদা বালি, হাসি-কান্না এবং গল্পের মাঝেই আমার দিন কেটে যাচ্ছিল।

    একদিন হঠাৎ করেই, দেখা দিল বিপর্যয়। বঙ্গপসাগরে ক্রমাগত সাইক্লোন আঘাত হেনে যাচ্ছিল। সাইক্লোনের আঘাতের জন্য, নভেম্বর এবং মে মাস খুবই বিপজ্জনক। যে রাতে সাইক্লোন আঘাত হেনেছিল, সেই রাতের কথা আমি এখনও আবছাভাবে মনে করতে পারি। বেশ কয়েকদিন ধরেই ঝড়ো

    বাতাস বইছিল। আর সেই রাতে বাতাস ভয়ংকর গর্জন শুরু করল। বাতাসের তীক্ষ্ম শব্দে আমাদের কান ঝালাপালা হওয়ার উপক্রম। বাতাসের ভয়াল তাণ্ডবে গাছগাছালি ভেঙে একাকার অবস্থা। সেই ভয়াল তাণ্ডব পথে যা পেয়েছে তাই চুরমার করে দিয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই শুরু হলো মুষলধারে বৃষ্টি। আমরা অনেক আগেই আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। তখনকার দিনে আমাদের ওদিকে বিদ্যুৎ ছিল না। আর প্রচণ্ড বাতাসের কারণে প্রদীপেরও প্রায় নিভু নিভু অবস্থা। সেই মৃদু আলোতে অন্ধকার দূর হওয়ার বদলে আরও জেঁকে বসেছিল। এদিকে বাইরে তীব্র বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আর বৃষ্টির ধারালো শব্দে তখন কান পাতা দায়। আমরা ঘরের ভিতর জড়ো হয়ে বসে, ভোরের অপেক্ষা করছিলাম। তবে আমার মনে তখন দুটো প্রশ্নই বারবার ঘুরে-ফিরে আসছিল। কেউ কি এই ভয়াবহ ঝড়ে সমুদ্রে আটকা পড়ল? আর এই ধরনের ভয়াবহ ঝড়ের কবলে মায়ের অনুপস্থিতি কেমন লাগবে?

    সকাল নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলো। আমরা চোখে অবিশ্বাস নিয়ে ঝড়ের তাণ্ডবলীলার প্রমাণ দেখলাম। সবকিছু একাকার হয়ে গেছে। গাছপালা, বাড়িঘর, এবং ফসলাদি উপড়ে পরে আছে। যে জায়গায় আগের দিন পর্যন্ত রাস্তা ছিল, সেখানে এখন অথৈ পানি ছাড়া আর কিছু দেখা যাচ্ছে না। সম্পূর্ণ রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে। ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে যে বাতাস বইছিল তা বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপ এনে ফেলেছে সৈকতে।

    তবে আমরা যে খবরটা শুনে প্রচণ্ড ধাক্কা খেলাম তা হলো-আমাদের নৌকা পানিতে ভেসে গেছে। বর্তমানে আমার সেই দিনটির কথা মনে পড়লে আমি বুঝতে পারি যে, আমার বাবা ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন যে এমনটা হবে। যদিও বাবা ছাড়া আমরা কেউই বুঝতে পারিনি যে, আমাদের নৌকা ভেসে যেতে পারে। আমরা কেবল ঝড় কেটে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম।

    বাবা তার জীবনকালে অসংখ্য ঝড় এবং সাইক্লোন দেখেছেন। এই সাইক্লোনও তার মধ্যে একটা ছিল। তারপরও বাবা তখন আমাদের, বিশেষ করে ছোটদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছিলেন এবং আমাদেরকে কোনো দুশ্চিন্তা করতে না দিয়েই ঘুমাতে পাঠান

    তবে সকালের আলোতে, বাবার মুখ শুকনো লাগছিল। বাবার চোখের নিচে বসে যাওয়া দাগই বলে দিচ্ছিল যে, বাবা চিন্তায় আছেন। বাবাকে এমনভাবে দেখে আমি শক্ত হওয়ার চেষ্টা করলাম। আমি বুঝতে পারছিলাম যে আমাদের ফেরি করার নৌকাটা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। আমার এক ধরনের অনুভুতি হচ্ছিল। অনুভূতিটা এরকম যে-আমি নিজে হাতে কিছু তৈরি করলাম যা কোনো কথাবার্তা ছাড়াই ফেলে দেওয়া হলো। তবে আমার বাবার স্থিরতার কারণে আমরা সেই দুরাবস্থাও কাটিয়ে উঠতে পেরেছিলাম।

    কিছু সময়ের মধ্যেই অন্য একটা নৌকা তৈরি করা হলো। ব্যবসাও পুনরায় শুরু হলো। পূণ্যারথি এবং পর্যটকরাও আবার দল বেঁধে আসা শুরু করল। মন্দির এবং মসজিদে উপাসকদের ভিড়ে ভরে গেল। আর বাজার এলাকা আবার নারী-পুরুষের কোলাহলে মুখর হয়ে উঠল। আবার বেচাকেনা শুরু হলো।

    এরপর বহুবার ঝড় বয়ে গেছে। তবে এরপর থেকে ঝড় আমার কাছে খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আমি তখন ঝড়ের মধ্যেও শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম। তারও অনেক পরে, ১৯৬৪ সালে বিরাট এক সাইক্লোন আঘাত হানল। তখন আর আমি রামেশ্বরামে নেই। সেই সাইক্লোনে ধনুশকরির ভূখণ্ডের বড় একটা অংশ সাগরে বিলীন হয়ে যায়। পাম্বান ব্রিজে একটা ট্রেন যাত্রারত ছিল। সেই ট্রেনও বহু পূণ্যারথি নিয়ে পানিতে ভেসে যায়।

    .

    ১৯৬৪ সালের সেই সাইক্লোনে সেই অঞ্চলের বড়সড় একটা ভৌগোলিক পরিবর্তন ঘটে। তারপর থেকেই, ধনুশকরি একটি পরিত্যক্ত নগরীতে পরিণত হয়। সে তার পূর্বের রূপ আর ফিরে পায়নি।

    আজ পর্যন্ত সেই শহরের স্থাপনাগুলো ১৯৬৪ এর সাইক্লোনের নিরব সাক্ষী হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। সেই সাইক্লোনেও বাবা তার ফেরি করার নৌকা হারায়। বাবাকে আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে হয়। আমি তখন অনেক দূরে ছিলাম। তাই বাবাকে খুব একটা সাহায্য করতে পারিনি। তবে আমি যখন Satellite Launch Vehicle (SLV) যা পৃথ্বী নামে পরিচিত এবং অগ্নি মিসাইলের কাজ করছিলাম তখন আমাদের কাউন্টডাউন এবং টেকঅফের কাজে বাঁধা আসল। কারণে আমাদের রকেট নিক্ষেপণ কেন্দ্র যা বঙ্গোপসাগরের ঠুম্বা এবং চান্দিপুরে অবস্থিত, সেখানে ভারী বর্ষণ হচ্ছিল। তখন আমার মনে পড়ছিল বাবার কথা। ঝড়ের পরে বাবার চেহারা যেরকম থাকে, সেই চেহারা ভেসে বেরাচ্ছিল আমার কল্পনায়।

    এটা এক ধরনের প্রদর্শন। আর প্রকৃতি হলো এই প্রদর্শনের প্রদর্শক। এই প্রদর্শন দ্বারা প্রকৃতি মূলত তার ক্ষমতা প্রদর্শন করে। প্রকৃতি দেখিয়ে দেয় যে, সে কিভাবে মুহূর্তের মধ্যে আমাদের সকল আশা, স্বপ্ন সবকিছু ভেঙে চুরমার করে দিতে পারে। আর প্রকৃতির এই ক্ষমতার মাঝে টিকে থাকতে পারার একমাত্র উপায় হলো সমস্যা থেকে দূরে পালিয়ে না গিয়ে এর মুখমুখি হওয়া এবং নিজের জীবনকে পুনর্গঠন করা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    Next Article টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }