Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আট বছরের এক ছেলের গল্প

    প্রতিদিন সকালে খবরের কাগজের এক বড় স্তূপ আমার কাছে পৌছে যায়। এই খবরের কাগজের অধিকাংশই ইংরেজি এবং তামিল। আমি যখন বিদেশ ভ্রমণে থাকি তখনও আমি ভারতের বিভিন্ন সংবাদ সম্পর্কে ওয়াকেবহাল থাকি। দেশের বাইরে থাকাকালীন অনলাইনে বিভিন্ন খবরের কলাম এবং সম্পাদকীয় পাতায় চোখ বুলিয়ে নেই। এই প্রযুক্তি এক কথায় অসাধারণ। মাত্র একটি ক্লিকেই অগণিত তথ্য পেয়ে যাবেন আপনি। আর এই তথ্যভাণ্ডার আমাকে বিস্মিত করে। যেহেতু আমি ইঞ্জিনিয়ারিং জগতের সাথে সম্পৃক্ত, প্রযুক্তির উন্নয়নে আমার বিস্ময় বোধ করা উচিত না। কিন্তু আমি যখন বর্তমান সময়ের সাথে ৭০ বছর আগের সময়কালটা তুলনা করি আমি বিস্মিত না হয়ে পারি না। বৰ্তমান সময়ে থেকে ৭০ বছর আগে একটি দক্ষিণ ভারতীয় শহরের জীবনের কথা চিন্তা করতে গিয়ে আমি চমকে উঠি।

    আমার জন্ম ১৯৩১ সালে। যখন আমার বয়স আট, তখন শুরু হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ব্রিটেইন, হিটলারের নাজি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল। ভারতের কংগ্রেস কোনো ধরনের যুদ্ধে জড়াতে চাইছিল না। কিন্তু ভারত তখন একটি ব্রিটিশ কলোনি। তাই যুদ্ধের বিরোধিতা করা সত্ত্বেও ভারত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল। বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় সৈন্য মোতায়েন করা হয়।

    তবে সাধারণ মানুষের নিত্যনৈমিত্তিক জীবনে যুদ্ধের তেমন কোনো প্রভাব পড়ল না। বিশেষ করে আমরা যারা দেশের দক্ষিণ প্রান্তে ছিলাম, তাদের জীবন সাধারণ নিয়মেই চলছিল। আমি আগেই বলেছি, ১৯৪০-এর দিকে রামেশ্বরামও আর পাঁচ দশটা সাধারণ ছোট শহরের মতোই ছিল। তবে এই শহর জীবন নিজ রূপ ফিরে পেত পুণ্যারথি এবং পর্যটকদের আগমনে। রামেশ্বরামের স্থানীয় লোকেরা পেশায় ছিল সাধারণ ব্যবসায়ী। অধিকাংশ লোকই ছোট ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ছিল।

    শহরের প্রাণকেন্দ্র ছিল একটি শিবমন্দির। তবে শহরে ভিন্ন ধর্মালম্বীদের উপাসনার জন্য একটি মসজিদ ও চার্চও ছিল। স্থানীয় লোকজনের পারস্পরিক সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল। সবাই মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বসবাস করত। স্বাভাবিকভাবেই মানুষজনের মধ্যে মাঝেমাঝে ঝগড়া-বিবাদ হতো। এরকমটা সব জায়গায়ই হয়ে থাকে। কিন্তু কোনোদিন গুরুতর কোনো ঝামেলা হয়নি।

    বহির্বিশ্বের সাথে আমাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল সংবাদপত্র। যে এজেন্সি রামেশ্বরামে সংবাদপত্র বিতরণ করত তার মালিকের নাম শামসউদ্দীন। শামসউদ্দীন সম্পর্কে আমার চাচাত ভাই। জালালউদ্দীনের পাশাপাশি শামসউদ্দীন আমার জীবনে অনেক বড় ভূমিকা রাখেন। শামসউদ্দীন লিখতে ও পড়তে পারতেন। তবে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন না। শামসউদ্দীন আমাকে ভীষণ পছন্দ করতেন। তিনি আমাকে নানাভাবে উৎসাহ দিতেন। এভাবেই তিনি আমার জীবনের ওপর প্রভাব বিস্তারকারীদের একজন হয়ে ওঠেন। এই দুইজন ব্যক্তি আমার গভীর চিন্তাভাবনা এবং আবেগ- অনুভূতি খুব সহজেই বুঝে ফেলতেন। তাদেরকে আমার মুখ ফুটে কিছু বলা লাগত না। তারা নিজ থেকেই ধরে ফেলতেন। আমিও তাদেরকে দেখতাম ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে। আমার কাছে তারা ছিল, দুজন আগ্রহী মানুষ যারা নিজেদের প্রাত্যহিক জীবনধারা এবং ব্যবসা থেকে বের হয়ে এই বিরাট পৃথিবী দেখার সুযোগ পাননি।

    শামসউদ্দীনের সংবাদপত্র বিতরণ এজেন্সিই ছিল শহরের একমাত্র সংবাদপত্র বিতরণ সংস্থা। শহরে প্রায় হাজারের অধিক শিক্ষিত লোক ছিল। তাদের সকলের কাছেই সংবাদপত্র পৌছে দেয়া হতো। সংবাদপত্রে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিভিন্ন সংবাদ ছাপা হতো। তখন এই ধরনের সংবাদ বহুল আলোচিত সংবাদ।

    এই সংবাদগুলো মানুষজন মন দিয়ে পড়ত এবং উৎসাহ নিয়ে আলোচনা করত। সংবাদপত্রে বিশ্বযুদ্ধের খবরও থাকত। হিটলার এবং তার নাৎসি সেনা সম্পর্কেও। এছাড়াও অন্যান্য সংবাদ তো থাকতই। যেমন, রাশি সংবাদ এবং বিভিন্ন পাথরের গুনাগুণ। এই সংবাদগুলোও সমান আগ্রহ নিয়ে আলোচিত হতো। সেই সময়কার সবচেয়ে জনপ্রিয় তামিল সংবাদপত্র ছিল “দিনামানি’।

    এই সংবাদপত্রগুলো যে পদ্ধতিতে পাঠকদের হাতে পৌছাত, তাও বেশ স্বতন্ত্র। সংবাদপত্রের বান্ডিল সকালের ট্রেনে করে রামেশ্বরামের স্টেশনে পৌঁছাত এবং এজেন্সির লোক না যাওয়া পর্যন্ত স্টেশনেই রাখা হতো। এরপর স্টেশন থেকে সেই বান্ডিল সংগ্রহ করে পাঠকেদের কাছে পৌছে দেওয়া হতো। এই সংবাদপত্রগুলো পাঠকদের হাতে পৌছে দেয়াই ছিল শামসউদ্দীনের ব্যবসা। সে কোনো ঝামেলা ছাড়াই সহজভাবে তার কাজ করে আসছিল।

    .

    যাই হোক, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পুরোদমে শুরু’ হওয়ার পর আমরা আর বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলাম না। আর এই অবিচ্ছন্নতা আমার জীবনে এবং সংবাদপত্র বিতরণ ব্যবসায় অদ্ভুতভাবে প্রভাব ফেলে। ব্রিটিশ সরকার অনেক ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের ওপর স্যাংশন জারি করল। বর্তমানেও কোনো জরুরি অবস্থার প্রেক্ষিতে এ-ধরনের স্যাংশন বা অবরোধ জারি করা হয়। আমাদের সুবিশাল পরিবারেও তখন নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে অসুবিধার সম্মুখিন হলো। খাদ্যদ্রব্য, পোশাক-আশাক, বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি এবং গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ কমে যাওয়ায় এগুলো সংগ্রহ করা দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াল। আমাদের পরিবারে আমরা ছিলাম পাঁচ ভাইবোন। আমার চাচাদেরও সবার পাঁচ সন্তান। আমাদের সবাইকে ভালো পোশাক-আশাক দিতে এবং দুবেলা পেট পুরে খাবার দেওয়ার জন্য আমার দাদিজান এবং মাকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করতে হতো। যুদ্ধের কারণে এভাবেই আমরা নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়েছিলাম।

    অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। এমন সময় শামসউদ্দীন নতুন এক প্রস্তাব নিয়ে আসল। তার প্রস্তাব শুনে আমি ভীষণ খুশি হয়েছিলাম। সরকার রামেশ্বরাম স্টেশনে ট্রেন থামানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এখন প্রশ্ন হলো-ট্রেন না থামলে সংবাদপত্র আসবে কোথা থেকে? কীভাবেই বা সেগুলো সংগ্রহ করে পাঠকদের কাছে পৌছানো হবে? এদিকে পাঠকরাও সংবাদপত্রের জন্য উৎসুক হয়ে অপেক্ষা করবে। শামসউদ্দীন একটা উপায় বের করল। সংবাদপত্র আগে থেকেই বড় বান্ডিল করা থাকবে। আর যেই ট্রেন রামেশ্বরাম-ধনুশকরির রাস্তায় উঠবে, তখন চলন্ত ট্রেন থেকেই সেই বান্ডিল প্লাটফর্মে ছুঁড়ে ফেলা হবে। আর এখান থেকেই আমার ভূমিকা শুরু। আমাকে চলন্ত ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফেলা পেপার সংগ্রহ করে শহরের পাঠকদের কাছে সময়মতো পৌছে দিতে হবে। শামসউদ্দীনের কাছ থেকে এই কাজের প্রস্তাব পাওয়ার পর আমার আনন্দের সীমা রইল না!

    আমার বয়স তখন মাত্র আট বছর। আর এই ছোট বয়সেই আমি আমার স্বল্প আয়ের দ্বারা কিছুটা হলেও পরিবারে সাহায্য করতে পারব। আমি অনেক দিন ধরেই একটা ব্যাপার লক্ষ করছিলাম। পরিবারের সবাইকে পেটপুরে খাওয়াতে গিয়ে আমার দাদিজান এবং মায়ের প্লেটে খাবারের পরিমাণ দিনকে দিন কমেই যাচ্ছিল। তারা নিজেরা না খেয়ে তাদের খাবার আমাদের সবাইকে ভাগ করে দিতেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের সবসময়ই পরিমাণমতো খাবার দেয়া হতো। আমি পরিষ্কার মনে করতে পারি, আমাদের বাচ্চাদের কারোই এক বেলা না খেয়ে দিন কাটাতে হয়নি। এর পুরো অবদানই বাড়ির মহিলাদের। তারা নিজেদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি আমাদেরকে ভাগ করে দিচ্ছিলেন।

    আমি খুশি মনেই শামসউদ্দীনের প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেলাম। আমার প্রতিদিনের রুটিন ঠিক রেখেই আমাকে এই নতুন কাজ করতে হয়েছিল। কাজের জন্য আবার পড়ালেখা এবং স্কুলের প্রতি অবহেলা করলে চলবে না। এগুলো আগের মতোই চালিয়ে যেতে হবে। এর সাথে সাথেই সংবাদপত্র আনা-নেয়ার কাজ করতে হবে।

    আমার ভাইবোন এবং চাচাত ভাইবোনদের তুলনায় ছোটবেলা থেকেই আমি গণিতে অধিক দক্ষ ছিলাম। তাই আমার বাবা আমার জন্য আলাদা গণিতের শিক্ষকের ব্যবস্থা করলেন। আমি ছাড়া আমার শিক্ষকের আরও চারজন ছাত্র ছিল। আমার গণিত শিক্ষকের একটাই শর্ত ছিল। তা হলো—তার সকল ছাত্রকে গোসল করে ভোরবেলা, অর্থাৎ সূর্যোদয়ের আগেই তার বাড়িতে উপস্থিত থাকতে হব। তিনি এক বছর আমাদেরকে পড়াবেন। আর এই একবছর এই শর্ত পালন করে যেতে হবে। তাই আমার দিন শুরু হতো বাইরে অন্ধকার থাকতে থাকতে। আমার মা আমাকে ঘুম থেকে তুলে দিতেন। আর আমাকে তুলে দেওয়ার জন্য আমার মাকে আমার আগে ঘুম থেকে উঠতে তো। তিনি আমার আগে ঘুম থেকে উঠে আমার গোসলের ব্যবস্থা করে রাখতেন। আমি উঠলে মা আমাকে গোসল করিয়ে দিতেন। গোসল শেষে আমাকে আমার গণিত শিক্ষকের কাছে পাঠাতেন। সেখানে এক ঘন্টার মতো

    পড়ানো হতো। ভোর ৫টা নাগাদ আমি বাড়ি ফিরে আসতাম। এরমধ্যে বাবাও ঘুম থেকে উঠে যেতেন। আর আমি বাসায় ফিরে আসার পর বাবা আমাকে আরবি শেখার স্কুলে নিয়ে যেতেন। সেখানেই আমি কোরআন শরীফ পাঠ করা শিখি। কোরআন পাঠ শেষে, আমি তড়িঘড়ি করে রেল স্টেশনে ছুটতাম। সেখানে আমি ট্রেন আসার অপেক্ষায় থাকতাম। চোখ কান খোলা রেখে ট্রেনের অপেক্ষা করতে হতো। তবে আশ্চর্যজনক একটা বিষয় হলো, মাদ্রাজ-ধনুশকরি মেইল কখনও সময়মতো পৌছায়নি। এখনকার প্রায় সকল ট্রেনই সময়মতো পৌছে যায়। তবে তখনকার মাদ্রাজ-ধনুশকরি মেইল সবসময় দেরি করত।

    অপেক্ষার এক পর্যায়ে দূরে ট্রেনের ইঞ্জিনের ধোয়া দেখতে পেতাম। আর ট্রেনের হর্ণের শব্দ গর্জনের মতো কানে বিধত। ট্রেন স্টেশনে না থেমেই সাবলীল গতিতে এগিয়ে যেত। আমি সংবাদপত্র বান্ডিল কোথায় ছুঁড়ে ফেলা হলো তা সহজেই দেখার জন্য একটা ভালো জায়গা খুঁজে বের করেছিলাম। ক্লকওয়ার্কের মতো করেই সংবাদপত্রের বান্ডিলগুলো প্লাটফর্মে ছুঁড়ে ফেলা হতো। তবে কোনো অবস্থাতেই ট্রেন থামানো হতো না। ট্রেন স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার পথে শামসউদ্দীনের লোক আমাকে হাত নেড়ে বিদায় জানাত। যখন ট্রেনের আর কোনো চিহ্ন থাকত না, এমনকি ট্রেনের হুইসেলও শোনা যেত না, তখন শুরু হতো আমার কাজ। আমি প্লটফর্ম থেকে সংবাদপত্রের বান্ডিলগুলো তুলে নিতাম। এরপর সেগুলোকে ব্যাচ অনুযায়ী ভাগ করতাম। অর্থাৎ, কোন বাড়িতে কোন পত্রিকা পৌছাবে, সেই অনুসারে ভাগ করতাম। ভাগ করা শেষ হলে শুরু হতো বিতরণের কাজ। পরবর্তী এক ঘন্টা ধরে আমি রামেশ্বরামের বাড়িতে বাড়িতে সংবাদপত্র বিলি করতে থাকতাম। সংবাদপত্র কাঙিক্ষত পাঠকদের কাছে পৌছে যেত।

    শীঘ্রই আমি সংবাদপত্রের মাধ্যমে লোকজনকে মনে রাখা শুরু করি। অনেকেই আমার অপেক্ষায় থাকত যে, আমি কখন সংবাদপত্র নিয়ে যাব। সংবাদপত্র বিলি করার সময় প্রায় সকল গ্রাহকদের সাথেই দু একটা কথা হতো। অনেকেই আমাকে বলত, “তাড়াতাড়ি কর। না হলে তোমার স্কুলের দেরি হয়ে যাবে।” আমার মনে হয় আট বছরের এক ছেলের কাছ থেকে সংবাদপত্র নিতে সবার ভালোই লাগত। তারা আমাকে খুব সহজেই মেনে নিয়েছিল।

    সকাল ৮টা নাগাদ আমার সংবাদপত্র বিলি করার কাজ শেষ হয়ে যেত। আমাদের শহর ছিল পূর্ব উপকূলে। তাই সূর্যও খুব তাড়াতাড়ি দেখা যেত। আর আমার কাজ শেষ হতে হতে সূর্য থাকত একদম মধ্য আকাশে। কাজ শেষ আমি সোজা বাড়ি চলে আসতাম। আমার মা নাস্তা নিয়ে আমার অপেক্ষায় থাকতেন। খুবই সাধারণ নাস্তা পরিবেশন করা হতো। তবে কাজ সেরে আসার পর আমার প্রচণ্ড ক্ষুধা পেত। তাই সেই সামান্য খাবারই আমার কাছে

    অসামান্য মনে হতো। আমার মাও খেয়াল রাখতেন যেন আমি খাবারে শেষ টুকরোটাও খেয়ে নিয়েছি কি না। নাস্তা শেষে সোজা স্কুলে যেতাম।

    তবে এখানেই আমার কাজের সমাপ্তি নয়। স্কুল শেষ হলে, সন্ধ্যায় আমি আবার সামসউদ্দীনের গ্রাহকদের কাছে বিল ওঠানোর জন্য চক্কর লাগাতাম। বিল নেয়া শেষ হলে, আমি তার সাথে দেখা করতাম। তিনি বিল বুঝে পেয়ে দিনের হিসেব সম্পন্ন করতেন।

    দিনের হিসেব শেষে আমরা সমুদ্র তীরে কিছুটা সময় কাটাতাম। চারিদিকে মৃদু বাতাস বইতে থাকত। এক অসাধারণ পরিবেশ বিরাজ করত। কখনও আমার সাথে থাকত শামসউদ্দীন আবার কখনও জালালউদ্দীন। কিছুক্ষণ জিরিয়ে নিয়ে আমরা দিনের পত্রিকা খুলে বসতাম। আমরা সবাই দিনামানি পত্রিকার কালো অক্ষরের ওপর ঝুঁকে পড়তাম। তাদের মধ্যে কেউ হয়ত কোনো একটা সংবাদ শব্দ করে পড়ত। এরপর আমাদের মধ্যে সেই সংবাদ নিয়ে আলোচনা এবং বিশ্লেষণ শুরু হয়ে যেত। গান্ধী, কংগ্রেস, হিটলার, ই.ভি. রামজিদের নিয়ে আলোচনায় সন্ধ্যার বাতাস মুখরিত হয়ে উঠত।

    আমি আঙুল দিয়ে এই সকল বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের ছাপা ছবি এবং তাদের নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের কালো অক্ষরে হাত বুলিয়ে অবাক হয়ে ভাবতাম। ভাবতাম যে, এখান থেকে বের হয়ে বৃহৎ দুনিয়ায় এই সকল ব্যক্তিদের সাথে একসাথে থাকতে কেমন লাগবে!

    আমি একা একা ভাবতাম, আমিও একদিন মাদ্রাজ, বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই), কলকাতার মতো বড় শহরে পাড়ি জমাব। আরও ভাবতাম, যদি কখনও গান্ধী বা নেহেরুর সাথে আমার দেখা হয়ে যায় তাহলে আমি তাদের সাথে কি নিয়ে কথা বলব? তবে আমার বন্ধুরা আমাকে খেলতে ডাকলেই এ- বিষয় নিয়ে আর চিন্তা করা হতো না। খেলা শেষে বাড়ি ফিরে রাতের খাবার খেয়ে নিতাম। খাবার শেষে আবার বাড়ির কাজ নিয়ে বসতে হতো। বাড়ির কাজ করার পর আমার শরীরে আর বিন্দুমাত্র শক্তিও অবশিষ্ট থাকত না। রাত ৯টা নাগাদ আমি গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পরতাম। পরবর্তী দিন আবার আমাকে পড়াশুনা করতে হবে। কাজে যেতে হবে।

    প্রায় এক বছর যাবত এই রুটিন অনুসারেই আমার জীবন এগিয়ে চলল। এই এক বছরে আমি শারীরিকভাবে আগের তুলনায় লম্বা হলাম। আমার ত্বকও আগের তুলনায় অধিক বাদামি হয়ে গেল। আর এই সময়ে আমি হিসেব-নিকাশ শিখে গেলাম। আমি সঠিকভাব হিসেব করে বলে দিতে পারতাম যে, পত্রিকার বান্ডিল হাতে, প্রতিটি বাড়িতে পত্রিকা পৌছে দিতে আমার ঠিক কত সময় লাগবে। আর আমি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায় সংবাদপত্র পৌছে দিতাম। কখনও সময়ের হেরফের হতো না বললেই চলে। আর সামসউদ্দীন কোনো গ্রাহকের কাছ থেকে কত টাকা পাবে তাও আমি মনে মনে হিসেব কষে বলে দিতে পারতাম। আবার কোনদিন কোন গ্রাহক টাকা দেয়নি তাও আমার মনে থাকত।

    মূলত আমি এই এক বছরে শিখে ফেলেছি যে, একজন কর্মজীবী লোকের জীবন কেমন হয়। একজন কর্মজীবী লোকের জীবনে যা কিছুই ঘটুক না কেন, তাকে দিনের কাজ শেষ করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। বাড়ির কাজ, শিক্ষকের কাছে সময়মতো পড়তে যাওয়া, নামাজ সব ঠিকভাবেই চলছিল। এদিকে মাদ্রাজ-ধনুশকরি মেইলও বরাবরের মতো আমার অপেক্ষায় থাকত না। আমাকে তাই যথাসময়ে রেল স্টেশনে উপস্থিত থাকতে হতো এবং যথাসময়েই ছুঁড়ে ফেলা সংবাদপত্রের বান্ডিল সংগ্রহ করতে হত।

    .

    এভাবেই আমি প্রথম নিজ কাঁধে দায়িত্ব নিতে শিখি। এই দায়িত্ব আমি এক মুহূর্তের জন্যেও অবহেলা করিনি। পাশাপাশি আমি শামসউদ্দীনকে দেয়া কোনো প্রতিজ্ঞাও কখনও ভঙ্গ করিনি। যা কিছুই বলি না কেন, আমি আমার এই কাজের প্রতিটি মুহূর্ত দারুণ উপভোগ করেছি। সারাদিন কাজের পর রাতের প্রচণ্ড ক্লান্তিও কখনও আমাকে দমাতে পারেনি। মা প্রায়ই আমাকে এই অতিরিক্ত চাপ নিতে বারণ করতেন। আমার কষ্ট মা সহ্য করতে পারতেন না। তবে আমি মাথা নেড়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে হাসতাম। আমি জানতাম আমার উপার্জন সামান্য হলেও, তা পরিবারের কাজে আসছে। আর মাত্র আট বছর বয়সে নিজের কাঁধে দায়িত্ব নেয়ায় মা আমাকে নিয়ে গর্ব বোধ করত। তবে এ নিয়ে মা মুখে কিছু বলতেন না। আমিও কিছু না বলে, মুখে হাসি নিয়ে আমার দায়িত্ব পালন করছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    Next Article টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }