Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিনটি মহৎ হৃদয় মিলে করল একটি সমস্যার সমাধান

    আমার শৈশব কাটে রামেশ্বরামে। আর রামেশ্বরাম ছোট একটি দ্বীপ। রামেশ্বরামের সর্বোচ্চ চূড়া হলো গান্দামাদান পর্বত। সেখানে দাঁড়িয়ে পুরো রামেশ্বরাম শহরটাকে দেখা যাবে। আপনি সহজেই দেখতে পাবেন পুরো শহর জুড়ে কিভাবে নারকেলের বাগান বেড়ে উঠেছে। দেখতে পাবেন দিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্র। আরও দেখতে পাবেন সুবিশাল রামনাথস্বোয়ামি মন্দিরের আকাশচুম্বি গপুরাম। রামেশ্বরাম তখন এক অসাধারণ শহর ছিল।

    শহরের অধিকাংশ লোক মাছ ধরে বা নারকেল চাষের মাধ্যমে এবং মন্দিরের কারণে আসা পর্যটক এবং পুণ্যার্থিদের সেবার মাধ্যমে জীবিকা উপার্জন করত। অনেক ভারতীয়দের কাছে রামেশ্বরাম পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান। আর তাই এই শহর বছরের প্রায় পুরোটা সময় জুড়েই পর্যটক এবং পুণ্যার্থিদের আগমনে ভরপুর থাকত।

    শহরের ক্ষুদ্র জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল সংখ্যায় বেশি এবং স্বল্পসংখ্যক মুসলমান এবং খৃষ্টান লোকের জন্মভূমি ছিল এই অঞ্চল। প্রতিটি সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পারিক সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো।

    বাইরের দুনিয়ায় যে ধরনের বিভেদ এবং জাতিবিদ্বেষ দেখা যায় তার ছিটেফোঁটাও এখানে ছিল না। সকল সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে শান্তি পূর্ণভাবে জীবনযাপন করত।

    প্রতিদিনের পত্রিকা খুললেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং সংঘর্ষের সংবাদ দেখা যেত। প্রায় সমগ্ৰ দেশ জুড়েই মানুষের মাঝে এই দাঙ্গা লেগে থাকত। তবে আমাদের রামেশ্বরামে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে শান্তি বিরাজমান ছিল। প্রজন্মের পড় প্রজন্ম ধরে এই শান্তির ধারা অব্যাহত আছে।

    আমার বাবা আমাদেরকে প্রায়ই একটি গল্প বলতেন। গল্পটা আমাদের দাদার দাদাকে (পরদাদা) নিয়ে। বাবা এই গল্প বলতে ভালবাসতেন। আমাদের পরদাদা একবার একটি প্রতিমা উদ্ধার করেছিলেন। গল্পটা এরকম- এক উৎসবমুখর দিনে, মন্দিরের প্রতিমা কোনো একটা বিশেষ প্রথা পালনের জন্য এক পবিত্রস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। স্থানটি মন্দিরের পাশাপাশি। মন্দিরের আশেপাশে অনেকগুলো কূয়া আছে। আর এই সব কূয়ার পাশ কাটিয়েই সেই প্রতিমা নিয়ে যেতে হবে। সেই ধর্মীয় যাত্রার কোনো এক সময়ে (এখন আর কারোই সঠিক মনে নেই, ঠিক কোন সময়ে) প্রতিমা একটা কূয়ায় পড়ে যায়। প্রতিমা পড়ে যাওয়া এক ভয়াবহ দুঃসংবাদ। সবাই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। প্রতিমা ফেলে দেওয়ায় ভগবান যে শীঘ্রই তাদের ওপর বিপর্যয় নিয়ে আসবে, তারা তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল। কেউ ভয়ে সামান্যতম নাড়াচড়াটুকুও করছিল না। এমন সময় একজন লোক বুদ্ধির পরিচয় দিলেন। তিনি হলেন আমার পরদাদা। তিনি কৃয়ায় ঝাঁপিয়ে পড়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রতিমা উদ্ধার করলেন। মন্দিরের পুরোহিতরা এবং সাধারণ লোকজন তাকে অশেষ ধন্যবাদ জানালেন। তাদের আনন্দের আর সীমা রইল না। আর হ্যাঁ, আমার পরদাদা মুসলমান ছিলেন।

    যারা কথায় কথায় জাত জাত করে এবং জাত বিশুদ্ধতা নিয়ে অতিমাত্রায় চিন্তিত তারা এই ঘটনার প্রচণ্ড নিন্দা জানালেন। কারণ একটা পবিত্রতম প্রতিমা অন্য ধর্মের কোনো একজন লোক ছুঁয়ে ফেলেছে, যার কি না এই প্ৰতিমা স্পর্শ পর্যন্ত করার অধিকার নেই। কিন্তু, রামেশ্বরামের কেউই এই ধরনের মনোভাব পোষণ করলেন না। উল্টো তারা আমার পরদাদাকে গভীর সম্মাননা প্রদান করলেন। তিনি বীরের মর্যাদা পেলেন।

    মন্দির কর্তৃপক্ষ আবার ঘোষণা করল যে, এরপর থেকে প্রতি বছরই আমার পরদাদাকে মুদাল মারায়াদাই (MuqalMarayadi) দেওয়া হবে। এটা হিন্দু ধর্মালম্বিদের জন্যই বিরল এক সম্মানের ব্যাপার। আর সেদিকে অন্য ধর্মাবলম্বি হলে তো কথাই নেই। মুদাল মারইয়াদা মানে হলো, প্রতি বছর আমার পরদাদাকে মন্দির থেকে সর্বপ্রথম সম্মাননা দেওয়া হবে। আমার পরদাদাকে বহু বছর ধরে এ-মর্যাদা দেওয়া হয়। বহু বছর ধরে এ-প্রথা চলতে থাকে এবং পালাক্রমে আমার বাবাও মন্দির থেকে মর্যাদা পেয়ে থাকেন।

    পরবর্তী বছরগুলোতেও এই সাম্প্রদায়িক ঐক্যের ধারা অব্যাহত থাকে। আমি একটা অধ্যায়ে উল্লেখ করেছি যে, আমার বাবা ফেরী পারাপারের ব্যবসা করতেন এবং সেই ফেরী মূলত পুণ্যার্থিদের আনা নেয়ার কাজ করত। আমার বাবা একজন মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও, পুণ্যার্থিদের বাবার ফেরীতে করে ধনুশকরি যাওয়া নিয়ে কোনো সংকোচ ছিল না। আর বাবাও পুণ্যার্থিদের পৌছে দেয়া নিয়ে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক মনোভাব পোষণ করতেন না। এমনকি মন্দির কর্তৃপক্ষও প্রয়োজন হলে আমাদের ফেরী ব্যবহার করত।

    আমার বাবা রামেশ্বরামের মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি ধর্মের প্রতি নিষ্ঠাবান এবং একজন নিবেদিতপ্রাণ মুসলমান। আল্লাহ তাআলা এবং কোরআন শরীফের ওপর আমার বাবার অগাধ বিশ্বাস। তিনি তার সন্ত নিদের মাঝে একজন প্রকৃত মুসলমান হওয়ার সকল গুণাবলি সার্থকভাবে বপন করতে পেরেছেন। শুধুমাত্র সন্তান বললে ঠিক হবে না। তিনি তার পুরো পরিবারকেই এই শিক্ষা’ দিয়েছিলেন। শহরের মানুষ তাকে একজন দার্শনিক এবং দিকনির্দেশক বলে বিবেচনা করত। যার কাছে সকল বিপদ আপদে সাহায্য পাওয়া যাবে। সে বিপদ জাগতিক হোক বা আধ্যাত্মিক হোক।

    রামানাথস্বোয়ামী মন্দিরের পুরোহিত বাবার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। তার নাম পাকশি লক্ষ্মণ শাস্ত্রী। তিনি কেবলমাত্র একজন পুরোহিত ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন শিক্ষিত, জ্ঞানী ব্যক্তি। তিনি বৈদিক জ্ঞানে দীক্ষিত ছিলেন। তার চেহারা এবং অঙ্গভঙ্গি এখনও আমার পরিষ্কার মনে আছে। তিনি সবসময় সনাতন পুরোহিতদের বেশে থাকতেন। তিনি ধুতি এবং অঙ্গবস্ত্র পরিধান করতেন। তার মাথায় ব্রাহ্মণদের মতো টিকিও ছিল। কেননা মাথায় টিকি রাখা ব্রাহ্মণ পুরোহিতদের জন্য অত্যাবশ্যক। আমার দেখা নিরিহ এবং দয়ালু ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

    আমাদের ক্ষুদ্র জনজীবনে তৃতীয় আরেকজন ব্যক্তি ছিলেন, যিনি আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে বাবা এবং পুরোহিত শাস্ত্রীর মতো সমান গুরুত্বের অধিকারী। তিনি হলেন ফাদার বোডাল। তিনি ছিলেন শহরের চার্চের পাদ্রী। তিনিও বাবা এবং শাস্ত্রীর মতো জনকল্যাণ এবং রামেশ্বরামে শান্তি এবং একতা রক্ষার জন্য এক নিবেদিতপ্রাণ।

    এই জ্ঞানী লোকদের স্মৃতি এখনও আমার মনে গেঁথে আছে এবং আজীবন থাকবে। আমি এদেরকে এখনও কল্পনায় দেখতে পাই। আমি আমার বাবাকে দেখতে পাই, ইমামের নির্ধারিত কুর্তা পরিহিত অবস্থায়। তার মাথায় থাকে টুপি। শাস্ত্রীকে দেখতে পাই তার ধুতি পরনে এবং ফাদারকে তার পাদ্রীর পোশাক পরিহিত অবস্থায়। এই তিন মহৎ ব্যাক্তি প্রতি শুক্রবার মিলিত হতেন। বিকাল চার কি সাড়ে চারটার দিকে তারা একসাথে মিলিত হয়ে আলোচনা করতেন। ধর্ম এবং এলাকার অবস্থা নিয়ে আলোচনা।

    মাঝেমধ্যে মানুষজন তাদের কাছে কোনো নির্দিষ্ট ঝামেলার মিমাংসার জন্য আসত। এই তিন মহৎ ব্যাক্তি খেয়াল রাখতেন যে, এলাকায় বিরাজমান শান্তির পথে যাতে কোনো ধরনের হুমকি বা প্রতিবন্ধকতা না এসে পড়ে এবং শান্তি অক্ষুণ্ণ থাকে ও সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে একতা থাকে। তাই কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা গুজব ছড়ালে তারা সেগুলোর সমাধান করতেন। যাতে করে সেগুলো বিপজ্জনক কিছু ঘটাতে না পারে।

    এই তিন মহত্মার কৃতিত্বে এলাকার মানুষের মাঝে সবসময় সুষ্ঠু যোগাযোগ বজায় থাকত। তারা শান্তিপূর্ণ যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করে গেছেন। যাতে করে কারও মাঝে কোনো ভুল বোঝাবুঝি না ঘটে। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন। যেমন-কিভাবে স্বাধীনতা আন্দোলন দেশকে এক নতুন দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সরকার জাতীয়তাবাদীদের ওপর কিরূপ আচরণ করছে। আর তাদের এই আচরণ কিভাবে আমাদের ওপর প্রভাব ফেলছে। এই সকল বিষয় নিয়ে তারা গভীর চিন্তা ভাবনা করতেন। তারা নীরব যোদ্ধার মতো তাদের আশেপাশের সমাজে শান্তি এবং একতা বজায় রাখতেন। আর সমাজের সকল স্তরের লোকজন নির্বিঘ্নে তাদের সাথে আলোচনা করতে পারত। তারা সবার কথাই মন দিয়ে শুনতেন। কাউকেই ফিরিয়ে দিতেন না বা কোনো ধরনের বৈষম্য করতেন না।

    .

    আমার শৈশবে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার মাধ্যমে এই মানুষগুলোকে আমি বুঝতে পারি। আমার বয়স তখন আট। আমি তখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি। আমার তিন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল, রামনাথ শাস্ত্রী, অরবিন্দ এবং শীবপ্রকাশন। ওরা সবাই হিন্দু ধর্মের অনুসারী এবং জাতে ব্রাহ্মণ। বিশেষ করে রামনাথ হলো, পাকশি শাস্ত্রীর ছেলে। আমরা সবাই একই স্কুলে পড়তাম। তাই আমদের সারাটাদিনই কাটত একসাথে। ক্লাসরুমে এবং ক্লাসরুমের বাইরে উভয় সময়ই। আমাদের মধ্যে একজন অনুপস্থিত থাকলে আমরা মনমরা হয়ে থাকতাম। তখন আমাদের দিন ভালো কাটত না। এই বয়সের ছেলেদের জীবনে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে তা খুঁটিনাটিসহ একে অপরকে না জানালে আমাদের পেটের খাবার হজম হতো না। ক্লাসরুমেও আমরা চারজন আশেপাশেই বসতাম। রামনাথ এবং আমি বসতাম একই বেঞ্চে।

    মূল ঘটনা শুরু করার আগে, আমার স্কুলের বর্ণনাটা দিয়ে নেই। এই স্কুলে নিয়ে কত স্মৃতিই না আছে! কত দুষ্টামিই না করেছি এখানে! আমার স্কুলের নাম ছিল রামেশ্বরাম পঞ্চায়েত প্রাইমারি স্কুল। আমি ১৯৩৬-১৯৪৪ সাল পর্যন্ত এই স্কুলে পড়াশুনা করি। স্কুল বিল্ডিং সমুদ্র তীরের কাছাকাছি ছিল। স্কুল বিল্ডিং শহরের ছিমছাম বিল্ডিংগুলোর একটা ছিল না। বিল্ডিংয়ের কিছু অংশ ইটের তৈরি। কিন্তু বিল্ডিংয়ের ছাদ খড় দিয়ে তৈরি। এই স্কুলই ছিল রামেশ্বরামের একমাত্র স্কুল। তাই শহরের সব ছেলে-মেয়েই লাইন বেধে এই স্কুলেই আসত। আমাদের মোট ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০০। হ্যাঁ, আমাদের স্কুলের বিশেষ কিছু নেই, এমনকি সুযোগ-সুবিধাও খুবই সামান্য। তবে এই স্কুল আমার ভীষণ পছন্দের একটা জায়গা ছিল।

    ছাত্র-ছাত্রীরা সকল শিক্ষকদেরই অসম্ভব ভালোবাসত। বিশেষ করে, যারা ইতিহাস, ভূগোল এবং বিজ্ঞান পড়াতেন তাদেরকে। এখন অনেকেই হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন, ‘কেন?’ কারণ, তারা শিক্ষকতা ভালোবাসতেন এবং খেয়াল রাখতেন যে, তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নতি হচ্ছে কি না। প্রতিটি ক্লাসে ৫৫ জনের মতো ছাত্র থাকত। সেই ৫৫ জনের প্রতি সমান মনোযোগ দেওয়া কোনো সহজ ব্যাপার নয়। আমাদের শিক্ষকরা চাইতেন আমি যেন ভালো নম্বরের পাশাপাশি, যে বিষয় নিয়ে পড়ছি, সেই বিষয়ে আগ্রহ খুঁজে পাই। আমরা আমাদের শিক্ষকদের মাঝে এক ধরনের পবিত্রতা অনুভব করতে পারতাম।

    যদি কোনোদিন একজন মাত্র ছাত্রও অনুপস্থিত থাকত, তাহলেও শিক্ষকরা সেই ছাত্রের বাড়ি যেতেন। তাদের বাবা-মায়ের সাথে কথা বলতেন এবং তাদের অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইতেন। আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেত, শিক্ষকরা তার বাড়ি গিয়ে তার বাবা-মাকে সেই খবর সবার আগে দিতেন। আমার স্কুল ছিল আমার ভীষণ পছন্দের একটি স্থান। আমরা যারা নিজেদের শিক্ষাজীবন এই স্কুলে শুরু করেছি, তারা সবাই অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এই স্কুলেই পড়ালেখা করেছি। আমি এমন কোনো ছাত্রের কথা মনে করতে পারছি না, যাদেরকে ফেল করে একই শ্রেণিতে দ্বিতীয়বার থাকতে হয়েছিল।

    বর্তমানে আমি যখন কোনো স্কুলে যাই, তা ছোটই হোক কিংবা বড়ই হোক, সেখানে আমি কিছু কথা বলি। আমি বলি যে, ভালো স্কুল বিল্ডিং বা সুযোগ-সুবিধা কিংবা ব্যাপক প্রচার দ্বারা স্কুলের মান নির্ধারণ করা যায় না। স্কুলের মান তখনই ভালো হবে, যখন শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভালোবেসে কোনো কিছু শেখাবেন।

    এবার মূল গল্পে ফিরে আসি। তখনকার দিনে স্কুলে, বিশেষ করে ছোট স্কুলগুলোতে কোনো ইউনিফর্ম থাকত না। আমার স্কুলও এর ব্যতিক্রম ছিল না। আমরা যে কোনো কিছু পরেই স্কুলে যেতে পারতাম। এমনকি ধর্মীয় পোশাক পরে গেলেও কোনো সমস্যা হতো না। আমার বন্ধু রামানাথও ওর বাবার মতো মাথায় টিকলি রেখেছিল (পরবর্তীতে ও প্রাপ্তবয়স্ক হলে, ওর বাবার মতোই মন্দিরের পুরোহিতের কাজ করে)। আমি স্কুলে যেতাম মাথায় টুপি পরে। শহরের সকল মুসলমান ছেলেরাই টুপি পরে স্কুলে যেত। আমাদের মধ্যে কারোই এসব নিয়ে কোনো মাথা-ব্যথা ছিল না। এমনকি আমরা খেয়াল পর্যন্ত করতাম না, কে কি পরছে বা না পরেছে।

    আমরা যখন তৃতীয় শ্রেণিতে তখন আমাদের জীবনে এক নতুন ঘটনা ঘটল। আমাদের স্কুলে এক নতুন শিক্ষক এলেন। যেকোনো ছোট শহরেই নতুন কারো আগমন উত্তেজনার ব্যাপার। এবং এ নিয়ে সবার মাঝে আলোচনা হয়। আমরা ছাত্র-ছাত্রীরা উত্তেজনায় ফেটে পড়ছিলাম যে-আমাদের নতুন শিক্ষক কেমন হবে। তিনি কি অনেক কঠোর হবেন নাকি নরম স্বভাবের হবেন? আমরা তার ক্লাসের অপেক্ষায় অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে রইলাম।

    প্রথমদিন আমাদের শিক্ষক ক্লাসে এলেন। আমরা সবাই তখন উত্তেজনার তুঙ্গে। আমাদের নতুন শিক্ষক একজন হিন্দু ধর্মালম্বী ছিলেন। জাতে ব্রাহ্মণ। তিনি ক্লাস রুমে প্রবেশ করেই আমাদের সকলের ওপর চোখ বুলিয়ে নিলেন। মূলত তিনি আমাদের পোশাকের বৈচিত্র্যতা দেখছিলেন। আমাদের নতুন শিক্ষক দ্রুত ব্যস্ত হয়ে পরলেন। তিনি ক্লাসের সামনে এসে দাঁড়ালেন। প্রথমেই তার চোখ পড়ল রামনাথ এবং আমার ওপর। আমি আর রামনাথ ছিলাম ক্লাসের সেরা ছাত্র। আমরা সবসময়ই নতুন কিছু শেখার জন্য সদা-আগ্রহি থাকতাম। আমরা প্রথম বেঞ্চে বসতাম। আমাদের শিক্ষকের দৃষ্টি আমার টুপি এবং রামনাথের টিকলির দিকে নিবদ্ধ হলো। তার চেহারায় এক ধরনের বিরক্তি এবং অবিশ্বাসের ছায়া পড়ল। তিনি কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের দুজনের নাম জানতে চাইলেন। আমি যখন আমার নাম তাকে জানালাম, তিনি আমাকে দ্রুত আমার বইপত্র গুছিয়ে পেছনের সারিতে বসতে বললেন। তিনি কেন এমন করলেন, তার কারণ শুধুমাত্র তিনি নিজেই জানেন। এখন যখন আমার এই ঘটনার কথা মনে হয়, আমি পরিষ্কার দেখতে পাই, আমাদের নতুন শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে একটা বিষয় দেখতে পাননি। তা হলো, আগ্রহি বাচ্চাদের মুখে হাসি। যা না দেখেও তিনি কেড়ে নিতে সফল হয়েছিলেন।

    এই ঘটনায় আমি অনেক কষ্ট পেলাম। আমার নিজেকে অপমানিত মনে হলো। আমি ভাবছিলাম, তিনি কেন এমন করলেন। রামনাথের চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল। আমি এখনও সেই দৃশ্য পরিষ্কার মনে করতে পারি। আমি আমার বইপত্র গুছিয়ে পেছনের সারিতে যাচ্ছি আর রামনাথের বড় বড় চোখ বেয়ে পানি বেয়ে পড়ছে। তবে আমরা কেউই এই ধরনের আচরণ মেনে নিলাম না। আমি আমার বাবাকে এই ঘটনা জানালাম। রামনাথও তার বাবাকে জানাল। আমাদের দুজনের বাবাই আমাদের কথা শুনে বিস্মিত হলেন। তারা আমাদের এই ছোট সমাজটাকে যেভাবে গড়ে তুলেছেন, এই আচরণ তার সম্পূর্ণ বিপরীত। যে ব্যাক্তির দায়িত্ব আমাদেরকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করা এবং আমাদের মানসিকতার নব-দ্বার উন্মোচন করা, তিনি ঠিক তার উল্টোটা করছেন। তারা দ্রুত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিলেন। এবং ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হলেন।

    .

    পরবরতী শুক্রবার, বরাবরের মতোই তারা সন্ধ্যায় মিলিত হলেন। ফাদার ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আমাদের নতুন শিক্ষককেও সেখানে ডাকা হল। তিনিও এসে উপস্থিত হলেন। সন্ধ্যার আধারে আমার বাবা এবং পণ্ডিত শাস্ত্ৰী তাকে বোঝালেন—গোটা ভারতবর্ষে যে ধর্মীয় বিভাজন এবং গোড়ামির কারণে দাঙ্গা চলে তা এখানে চলবে না। তারা তাদের সন্তানদেরকে কোনো বিভাজন বা পরধর্মের প্রতি তিক্ত অনুভূতি পোষণের শিক্ষা পেতে দেবেন না। আর এই বিভাজনের শিক্ষা যদি কেউ দিতে চায়, তবে তারা তার আচরণও সহ্য করবেন না। তারা চান না যে সমাজের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যদের মাঝে কোনো বিভাজন বা এ-জাতীয় অনুভতি তৈরি হোক।

    আর এই সব কিছু তাকে অত্যন্ত ভদ্রভাবে জানানো হয়েছিল। তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তিনি কি নিজেকে এমন এক ব্যক্তি মনে করেন কি না, যার হাতে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়েছে? আমাদের শিক্ষক সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে চিন্তা করছিলেন। অবশেষে তিনি মুখ খুললেন। তিনি নিজের দোষ স্বীকার করলেন। তিনি বললেন যে, তিনিই ছেলে দুটোকে আলাদা বসতে বলেছেন। তিনি এর পরিণতি না ভেবেই এই কাজ করেছেন। তিনি এতদিন ধরে তার চারপাশের সমাজকে এভাবেই দেখে এসেছেন। আর তিনিও তাই সেই নিয়মের অন্ধ অনুকরণ করেছেন। কেউ তাকে কোনোদিন ঐক্যের শিক্ষা দেয়নি। তিনি বরাবরই বিভাজন দেখে এসেছেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, তিনি যে কাজ করেছেন, পরবর্তী দিন তা শুধরে নেবেন। এবং তিনি তাই করেছিলেন।

    এভাবেই আমার প্রথম এবং সরাসরি অভিজ্ঞতা হলো-এই তিনটি মহৎ- হৃদয় নিয়ে। তিন জন ধর্ম-নেতা খোলাখুলিভাবে কিন্তু দৃঢ়তার সাথে একটি সমস্যার সমাধান করলেন। তারা এই সমস্যা ছড়িয়ে পড়ার আগেই, তা দূর করলেন। এটি উত্তম ব্যবস্থপনার একটি অংশ। আমি পরবর্তীতে এর শিক্ষা পাই।

    এই সময় আমার মনে আরেকটি নতুন চিন্তা উঁকি দেয়। তা হলো—আমাদের ভেতরের বিশ্বাস এবং লালিত রীতিনীতির দ্বারাই আমাদের আচরণ নির্ধারিত হয়। বহিরাগত শক্তি, প্ররোচণা এবং পরামর্শ, সব সময়ই আমাদের পাশে থাকবে। তবে আমাদের মধ্যে যারা ভালো এবং ন্যায়ের ওপর নিজেদের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করতে পারবে, তারাই আমাদের মাঝে শান্তি বয়ে আনতে পারবে। আমাদের দেশে এমন নাগরিকের প্রয়োজন, যে নিজের অন্তরের সত্যটাকে বিশ্বাস করবে। যাদেরকে কোনো ধরনের প্ররোচণা দ্বারা বিভ্রান্ত করা যাবে না।

    .

    আর আমার ধর্ম নিয়ে যদি আমাকে কিছু বলতে হয়, তাহলে আমি কিছু কথা খোলাখুলিভাবে বলতে চাই। রামেশ্বরাম থেকে আমি নিজের ভাগ্যকে অনুসরণ করে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ভূবনে প্রবেশ করি। আমি সবসময়ই বিজ্ঞানের বিশ্বাসী ছিলাম। তবে বিজ্ঞানে বিশ্বাসী বলে, আমি কখনই আধ্যাত্মিকতা ভুলে যাইনি। তা আমার মাঝেই রয়ে গেছে।

    আর সৃষ্টিকর্তা নিয়ে ভিন্ন মতবাদ থাকার বিষয়টাও আমি বুঝতে পারি। আমি বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে অনেক জ্ঞান লাভ করেছি। আমি কুরআন থেকে শুরু করে গীতা, বাইবেলও পড়েছি। আর এই তিন ধর্মাবলম্বীর মানুষ নিয়েই মূলত আমাদের দেশ। এক ধরনের বৈচিত্রময় ঐতিহ্য তৈরি হয়েছে, যা আমাদের দেশের স্বতন্ত্রতা প্রকাশ করে। যদি আমাকে কেউ প্রশ্ন করে, এ- দেশে একজন মুসলমান নাগরিক হিসেবে আমি কেমন বোধ করি, তাহলে আমি আমার বাবা; পণ্ডিত শাস্ত্রী, ফাদার বোডাল এবং আরও অনেকের কথা উল্লেখ করব। এঁদের সান্নিধ্যেই আমি বেড়ে উঠেছি। এঁরা সবাই আমাদের দেশের ধর্মীয় চেতনা এবং নৈতিকতাবোধের আদর্শ মাপকাঠি। তাঁরা সবাই তাদের নিজেদের মতো করে এ-দেশের প্রত্যেক ধর্মের মানুষের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে গেছেন, যেন মানুষে মানুষে কোনো বিবাদ-বিভাজন না থাকে। হ্যাঁ, আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছি। তবে এই দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম যদি আমার পরদাদা এবং একজন ইমাম, পাদ্রি ও ফাদারের ঐক্যের গল্প মনে রাখে, তবে জাতি হিসেবে আমরা অটুট থাকব। একটি সেক্যুলার গণতন্ত্রের মতো আমাদের উন্নয়ন ঘটবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    Next Article টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }