Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমার মমতাময়ী মা এবং স্নেহশীল বোন

    আজ থেকে বহুদিন আগে, (বেশ কয়েক বছর) আমি একটি কবিতা লিখেছিলাম। কবিতার নাম ‘আমার মা’। কবিতাটি হলো-

    মা,

    এই সুবিশাল সমুদ্রের প্রতিটি স্রোত, এই মৃত্তিকার সোনালি বালুকণা, তীর্থযাত্রার অভিযাত্রীদের দৃঢ় সংকল্প, রামেশ্বরম মসজিদের সেই পবিত্র রাস্তা, এই সবকিছুই যেন তোমার মাঝে মিশে এক হয়েছে। আমার জীবনে তুমি এক স্বর্গীয় আশির্বাদ। জীবনযুদ্ধের সেই কঠিন দিনগুলোর কথা আমার এখনও মনে পড়ে।

    মনে পড়ে, আকাশে সূর্যের প্রথম কিরণ উকি দিলেই, কয়েক মাইল পথ পাড়ি দিয়ে মন্দিরের কাছে আমার ফেরেশতার মতো শিক্ষকের কাছে পড়তে যাওয়ার কথা। এরপর আবার কয়েক মাইল পথ পাড়ি দিয়ে আরবি শিখতে যাওয়ার কথা।

    মনে পড়ে, স্টেশন রোডের সেই পাহাড়ি রাস্তা পাড়ি দিয়ে সংবাদপত্র সংগ্রহ করে তা সবার মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার কথা। সূর্যোদয়ের কিছু সময় পরেই আবার স্কুল, এরপর সারাটা সন্ধ্যার কর্মব্যস্ততার পড়ে রাতে আবার পড়াশুনা করার পালা।

    সেই দুর্ভাগা কিশোরের কষ্টগুলোকে, মা তুমি পরিণত করেছ শক্তিতে, সৃষ্টিকর্তার কাছে দিনে পাঁচবার মাথা নত করে। সর্বশক্তিমানের করুণা চেয়ে। মাগো, তোমার ভক্তি, তোমার সন্তানের সবচেয়ে বড় শক্তি। তুমি সর্বদা সকলকে কেবল দিয়েই গেছ। সৃষ্টিকর্তার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে বিলিয়ে দিয়েছ নিজেকে।

    তখন আমার বয়স মাত্র দশ। তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছিলাম আমি। তোমার কোলে আমাকে ঘুমাতে দেখে ভাইবোনদের হিংসা হচ্ছিল তখন। সেদিন ছিল জোৎস্না রাত, আর আমার সমগ্র দুনিয়া ছিল কেবল তোমাকে নিয়ে মা। শুধুমাত্র তোমাকে নিয়ে।

    মাঝরাতে যখন আমি চোখে পানি নিয়ে জেগে উঠেছিলাম, তখন তুমি ঠিকই তোমার সন্তানের কষ্ট বুঝতে পেরেছিলে। তোমার হাতের উষ্ণ ছোঁয়ায় আমার সব কষ্ট দূর হয়ে যেত।

    তোমার ভালোবাসা, তোমার স্নেহ, তোমার বিশ্বাস আমাকে শক্তি দিয়েছে। আমি নির্ভীকচিত্তে জগতের সকল সংগ্রামের মুখোমুখি হতে পেরেছি। বিচারের দিনে আবার তোমার সাথে দেখা হবে মা।

    আমার শ্রদ্ধেয় মায়ের স্মরণে

    .

    শৈশব থেকে বেড়ে ওঠা পর্যন্ত আমার যত স্মৃতি আছে তার প্রায় সবগুলোই রামেশ্বরামকে নিয়ে। রামেশ্বরামের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে। আর এই বেড়ে ওঠার সময়টাতে আমার জগতের মধ্যমণি ছিল দুজন-তারা হলেন আমার মা এবং বাবা।

    আমি বেড়ে উঠি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে। আমার বাবা ছিলেন রামেশ্বরামের মসজিদের ইমাম। এছাড়া বাড়তি আয়ের জন্য বাবা কিছু ব্যবসায়ের সাথেও জড়িত ছিলেন। ছোটখাট ব্যবসা। আমার মায়ের নাম আশিয়ানা। আমার মা বংশগত দিক দিয়ে খানদানি। আমার মা যে পরিবার থেকে এসেছেন, সেই পরিবার ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ‘বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছিল। অনেক আগেই তারা এ-উপাধি পায়। আমার মা একজন অত্যন্ত বিনয়ী এবং ধার্মিক মহিলা। মা ও বাবার মতো একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান। মা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই সময়মতো আদায় করতেন। আমার মনে পড়ে না যে, মায়ের কখনও এক ওয়াক্তের নামাজও কাযা হয়েছিল। নামাজের সময় মায়ের মধ্যে এক ধরনের নিষ্ঠা এবং শান্তিপূর্ণতা বিরাজ করত। আমাদের বিশাল পরিবারের দেখাশুনা মা একাই করতেন। আর পরিবারের দেখাশোনা করতে গিয়েই মা নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে দিতেন। আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে, আমাদের ছিল একান্নবর্তী পরিবার। আমাদের পরিবার গঠিত ছিল আমি, আমার ভাইবোন, আমাদের কিছু নিকট আত্মীয়, আমার দাদা-দাদি, চাচা-চাচি এবং তাদের সন্তানদের নিয়ে। আমরা সবাই একই বাড়িতে থাকতাম। এই বিশাল পরিবারের সবার চাহিদা মেটানো কখনই সম্ভব ছিল না। সামান্য হলেও, অভাব লেগেই থাকত। আমাদের সবার জন্য কোনো কিছুই প্রচুর পরিমাণে ছিল না। আমার বাবার নৌকা তৈরির ব্যবসা, ফেরী ব্যবসা এবং নারকেলের বাগান ছিল। তার আয় বেশ ভালোই ছিল। তবে তার আয়ের সম্পূর্ণ অংশ‍ই খরচ হতো আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে। আমাদের পক্ষে বিলাসিতা করার কোনো সুযোগ ছিল না।

    এই প্রেক্ষিতে মা ছিলেন বাবার জন্য যথোপযুক্ত সঙ্গিনী। আমার মা মিতব্যয়ীতার মর্ম বুঝতেন এবং তিনি নিজেও মিতব্যয়ী ছিলেন। আর মিতব্যয়ীতার মাধ্যমে সংসার চালাতে গিয়ে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও বিরক্ত হতেন না বা রাগও করতেন না। এমন কি আমাদের জীবনযাপন নিয়ে তার সামান্যতম কোনো অভিযোগও ছিল না।

    প্রায় প্রতিদিনই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি অতিথিরাও আমাদের সাথে খাবার খেতেন। আমাদের বাড়িতে অতিথিদের ভীষণ যত্ন করা হতো। আর কোনো অতিথি কোনো স্বল্প সময়ের জন্য বা কোনো কাজে এলেও আমরা তাদেরকে না খাইয়ে যেতে দিতাম না। এতে পরিবারের সদস্যরাও সন্তুষ্ট হতো এবং অতিথিরাও। এখন যে কথা মনে পড়লে আমি বুঝতে পারি, মাকে প্রতিদিন দ্বিগুণ রান্না করতে হতো। কারণ অতিথির সংখ্যাও পরিবারের সদস্য সংখ্যার সমান থাকত। তবে মা খুব স্বাভাবিকভঅবেই রান্নার কাজ করে যেতেন। তিনি কখনও এটিকে বাড়তি চাপ বা উটকো ঝামেলা হিসেবে বিবেচনা করতেন না। এক সময় গোটা ভারতবর্ষই আতিথিয়তার জন্য বিখ্যাত ছিল।

    আমার শৈশব কাটে আনন্দের মধ্য দিয়ে। আমার শৈশব ছিল নিরাপদ। আমার শৈশবের স্মৃতির একটি বিশেষ অংশ জুড়ে আছে মায়ের সাথে খেতে বসা। আমরা রান্নাঘরের মেঝেতে খাবার খেতাম। খাবার খেতাম কলাপাতায়। আমাদের কমন খাবারের আইটেম ছিল ভাত, আর বাড়িতে তৈরি চাটনি এবং নারকেলের চাটনি। আমার মায়ের রান্নার হাত ছিল সাধারণ তবে অতুলনীয়। মায়ের হাতের তৈরি খাবারের যে স্বাদ লেগে আছে তা আমি আর কোথাও পাইনি। মায়ের তৈরি এই খাবারে টক এবং মসলার মধ্যেকার ভারসাম্য ছিল একদম যথাযথ। খাবারের কথা বলাতে আরেকটা গল্প মনে পড়ে গেল। এই গল্পও খাবারের সাথে সম্পৃক্ত।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কথা। আমরা রেশনের মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য কিনতাম। তবে যুদ্ধের কারণে খাবারের সরবরাহ কমে যায়। তাই সবসময় ঘাটতি লেগে থাকত। কখনই পরিমাণে পর্যাপ্ত কিছু কেনা যেত না। আমার মা এবং দাপিজান সবকিছু ঠিকভাবে চালিয়ে নেয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। একই সাথে খাবার যতটা সম্ভব সংরক্ষণ করা যায় তারা সেই চেষ্টাও করতেন। তারা এই বিষয়েও খেয়াল রাখতেন যাতে খাবারের অপচয় না হয়। তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা যেন পর্যাপ্ত খেতে পায় তারা সেজন্য নিজেদের ভাগের খাবারও কোনো অভিযোগ ছাড়াই সন্তানদের মাঝে ভাগ করে দিতেন। একদিন মা ভাতের বদলে চাপাতি বানালেন। চাপাতি এক ধরনের শক্ত রুটি। সেদিন খেতে বসে আমি তৃপ্তির সাথে একের পর এক চাপাতি খেতে থাকলাম। মাও চাপাতি দিয়ে যাচ্ছিলেন। আর আমিও খেয়ে যাচ্ছিলাম। কী আর করা! অনেক ক্ষুধা পেয়েছিল যে। আমার খাওয়া যখন শেষ হলো, আমি আমার কলাপাতার প্লেট হাতে উঠে গেলাম। প্লেট পরিষ্কার করলাম। রাতে আমার ভাই যখন যখন বাড়িতে এলেন, তিনি আমার সাথে কথা বলার জন্য ঘরের এক পাশে নিয়ে গেলেন। জীবনে প্রথমবারের মতো তিনি আমাকে বকা দিলেন। তিনি বলা শুরু করলেন- তুমি কীভাবে এ-কাজ করলে? তুমি কী চোখে দেখতে পাও না?’

    প্রথমে আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। আমি অবাক হয়ে ভাবছিলাম-তিনি আমাকে বকা দিচ্ছেন কেন? আমার দোষ কী? আমি বোকার মতো তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার অবস্থা দেখে তিনি নরম হয়ে গেলেন। এরপর তিনি ব্যাখ্যা করলেন- ‘তুমি কী জানতে যে আমাদের প্রত্যেকের ভাগে মাত্র দুটি কি তিনটি চাপাতি বরাদ্দ? মা কখনই তোমাকে মুখ ফুটে কিছু বলবেন না। যেহেতু তুমি খেয়েই যাচ্ছিলে, মা তোমাকে একের পর এক চাপাতি দিয়ে যাচ্ছিলেন। আর এখন পর্যন্ত মা না খেয়ে আছেন। খাওয়ার জন্য ঘরে আর কিছুই নেই।’

    আমার মায়ের ক্ষুধার্ত শুকনো মুখের ছবি আমার মনে ভেসে উঠেছিল। আমার মা শতকষ্টেও মুখ ফুটে কিছু বলবেন না। আর নিজের সন্তান হলে তো মরে গেলেও কিছু বলবেন না। লজ্জায় এবং কষ্টে আমার হৃদয় ভেঙে পড়ল।

    আমি নীরবে কাঁদলাম। লজ্জায় আমি কারো সামনে গেলাম না। এই ঘটনার কয়েকদিন কেটে যাবার পর আমি মায়ের মুখোমুখি হতে পেরেছিলাম।

    এই ঘটনা ছিল আমার জন্য বড় এক শিক্ষা। আমি শিখলাম যে নিজের কাছের মানুষদের কথা কখনই ভুলে যাওয়া চলবে না। মা তার সন্তানের প্রতি ভালোবাসার কারণে একবারও চিন্তা না করে তার নিজের খাবার আমার পাতে তুলে দিয়েছিলেন। আর আমার ভাই আমার সামনে সেই সত্য তুলে ধরেছিলেন। এরপর থেকে আমি খেতে বসলে নিশ্চিত হয়ে নিতাম যে পরিবারের সবার জন্য উপযুক্ত খাবার আছে কি না। বিশেষ করে, মা এবং দাদিজানের।

    .

    আমি কোনো বড় শহরে পড়ালেখা করতে চাইছিলাম। তাই আমাকে বেশ অল্পবয়সেই ঘর ছাড়তে হয়েছিল। ফলে আমার পক্ষে বেশিদিন আমার মমতাশীল মায়ের কাছে থাকা হয়ে উঠেনি। যেমনটা আমার বন্ধুরা পেয়েছিল।

    তবে আমার মায়ের মমতা এবং যত্নশীলতা আমার অন্তরে চিরকাল গেঁথে থাকবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন আমি সংবাদপত্রের ‘ডেলিভারি বয়’-এর কাজ করি। আমি আগেই উল্লেখ করেছি যে, আমি কিভাবে এই কাজ পাই। আর কিভাবে এই কাজ চালিয়ে গেছি। তখন আমার বয়স ছিল আট বছর। আমার দিন শুরু হতো সেই ভোরবেলায়। ভোরবেলায় উঠে আমাকে গণিত শিক্ষকের কাছে পড়তে যেতে হতো। এরপর কোরআন পাঠের জন্য যেতে হতো। তারপর সংবাদপত্র বিলি। তারপর স্কুল এবং স্কুল শেষে সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে এসে আবার পরবর্তী দিনের জন্য পড়া তৈরি করতে হতো। আর এই সকল কাজে মা ছিলেন আমার একমাত্র আস্থা। মা ছায়ার মতো আমার সাথে থাকতেন। ভোরবেলায় মাকে আমার আগে ঘুম থেকে উঠতে হতো। মা আমার গোসলের পানির ব্যবস্থা করে আমাকে ঘুম থেকে উঠাতেন। মা আমাকে পাঠিয়ে দিয়ে আর ঘুমাতেন না। আমার ফেরার অপেক্ষায় থাকতেন। এক কি দু ঘন্টা পর আমি ফিরে এলে, বাবার হাত ধরে কোরআন শিখতে যেতাম। দিনের বেলা আমাকে এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গায় যেতে হতো। আমি ঘরে এলে কেবল খাওয়ার সময়টুকু পেতাম। সেই খাবার সুন্দরভাবে আমার জন্য পরিবেশন করা থাকত। মা কখনও বলেননি, তবু আমি জানি যে, মা বহুবার তার নিজের ভাগের খাবারটুকুও আমাকে দিয়েছেন যাতে আমি পেট পুরে খেতে পারি। আমি একবার মাকে এ-নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। মা আমার দিকে তাকিয়ে শুধু হেসেছিলেন। মা আমাকে বলেছিলেন-

    তুমি এখন বাড়ন্ত বয়সের একটি ছেলে। এই বয়সেই তোমাকে অনেক কাজ করতে হয়।” আমার মা এমনই। তিনি আমাকে অপ্রত্যক্ষভাবে বোঝাতে চেয়েছিলেন, ‘আমাকে নিয়ে চিন্তা করো না।’

    সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসার পর মা আবার আমাকে পরবর্তী দিনের প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করতেন।

    আমার সকল ভাইবোনদের মাঝে আমিই মায়ের সাথে সবচেয়ে বেশি সময় কাটাতাম। একটা ঘটনা আমার মনে পড়ে। একবার আমি মায়ের কোলে হাত রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমার মা চুপচাপ বসে আমার মাথায় এবং গালে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন। আমি নিজেও বুঝতে পারিনি ঠিক কখন আমার হৃদয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গেছে। সেই অশ্রুবিন্দু হৃদয় ভেদ করে চোখে ঠাঁই নিয়েছে। আমি কিছু করতে পারার আগেই আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগল। আমার চোখ তখনও বন্ধ ছিল। তবে তাতে অশ্রুবিন্দুর কোনো সমস্যা হলো না। সেই অশ্রুবিন্দু মায়ের হাঁটুতে এবং শাড়িতে গড়িয়ে পড়ল। তবে মা আমার চুলে এবং গালে হাত বোলানো বন্ধ করলেন না। মা জানতেন সেই অশ্রুবিন্দু ঠিক কী কারণে দেখা দিয়েছে। কারণটি হলো-একটি বাচ্চা ছেলের প্রচণ্ড ক্লান্তি। যে কিনা এই ছোট্ট বয়সেই শিশু থেকে পুরুষ হওয়ার চেষ্টায় মত্ত। মায়ের নরম আঙুল আমার চুল এবং গাল স্পর্শ করছিল। সেই স্পর্শে রয়েছে শান্তি, সেই স্পর্শে রয়েছে নিজের সন্তানের কষ্ট উপলব্ধি করার অনুভূতি।

    আমার মা খুবই সাধারণ একজন মহিলা। যে বেড়ে উঠেছে ভারতের দক্ষিণের ছোট্ট একটি শহরে। তবে তার মমতার তুলনা হয় না। মায়ের এই মমতা এবং ভালোবাসাকে যদি সাগরের সাথে তুলনা করা হয়, তবে সাগরের তল পাওয়া যাবে কিন্তু মায়ের মমতা বা ভালোবাসার তল পাওয়া যাবে না। আর কেবল আমার মা নয়, দুনিয়ার সকল মা এরকম। আমার মা কখনও বাড়ির বাইরে বের হয়ে শহরের ঘটনাবহুলতায় অংশ নেননি। এমন কি তিনি

    কখনও কোনো পেশার সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন না। যেমনটা আজকালকার মায়েদের মধ্যে দেখা যায়। তার কাজের পরিধি ছিল তার পরিবার এবং ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে তারপরও মা আত্মত্যাগ এবং পরম নিষ্ঠার সাথে সৃষ্টিকর্তা এবং পরিবারের সকলের সেবা করে গেছেন। আমার মায়ের জীবন থেকে আমি যে শিক্ষা পেয়েছি তা হলো-

    ‘তোমার কর্মক্ষেত্র বড় হোক বা ছোট হোক, তা কোনো ব্যাপার নয়। তোমাকে তোমার জন্য নির্ধারিত কাজের প্রতি সংকল্পবদ্ধ থাকতে হবে।’

    .

    আমার বাবা ১০২ বছর পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। তিনি যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তার ঘরে ১৫ নাতি-নাতনি। বাবার মৃত্যু আমাকে ভীষণ নাড়া দেয়। আমি তখন টুম্বায় কর্মরত ছিলাম। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি তৎক্ষণাৎ বাড়ি ফিরে আসি। বাড়ি এসে এসে দীর্ঘসময় আমি মায়ের পাশে বসেছিলাম। আমি যখন ফিরে আসব মা ভরা গলায় আমাকে আশির্বাদ করলেন। আমি তখন এস.এল.ভি-৩ রকেট বানাচ্ছিলাম। তখনও অনেক কাজ বাকি। তাই মা একবারের জন্যও আমাকে থেকে যেতে বলেননি। আমার কী মাকে সঙ্গ দেওয়া উচিত ছিল?

    আমার কী উচিত ছিল না নিজের কর্মব্যস্ততা ফেলে এই বৃদ্ধ মহিলার সাথে কিছুটা সময় কাটানো, যাকে আমি আর কোনোদিন দেখতে পাইনি। আমি বহুবার নিজেকে এই প্রশ্ন করেছি। তবে কোনো উত্তর পাইনি।

    বাবার মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই মাও মারা গেলেন। এ-কথা বললে বেশি মানাবে যে-মা আর বেশিদিন বাঁচতেনও না সেই মানুষটাকে ছাড়া। যার সাথে তিনি দীর্ঘ ৮০টা বছর কাটিয়েছেন।

    মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি আবার রামেশ্বরামে এলাম। মায়ের অগণিত স্মৃতি আমাকে ঘিরে ধরল। যে দুজন মানুষ আমাকে তৈরি করেছেন, আমার চিন্তা চেতনা এবং ব্যক্তিত্ব গড়ে দিয়েছেন-তাদের কেউই আর নেই। তাদেরকে ছাড়াই আমাকে বাকি জীবনটা কাটাতে হবে। তবে আমি জানতাম

    তাদের একজনকে ছাড়া অন্যজন বাঁচতে পারবে না। আর এই কথা ভেবেই আমি স্বস্তি পেলাম। আমি মসজিদে গেলাম। এই মসজিদেই আমি আমার বাবার কাছে পড়তে শিখেছি। আযানের ধ্বনি শোনা গেলেই বাবা-মা পুরো পরিবারকে জড়ো করে নামাজে পাঠাতেন। আর এগুলো এখন কেবল স্মৃতি।

    আমার সুন্দর শৈশব, কালের গর্ভে বিলীন পিতা-মাতা, একজন মমতাশীল মা-যিনি নিজের সন্তানের গভীর অনুভূতি বুঝতে পারতেন, সবই এখন স্মৃতি হয়ে এই হৃদয়ে গেঁথে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    Next Article টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }