Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤷

    ছেলেবেলা

    আমার বাবা ফ্রাঙ্কের জন্ম ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের এক বর্গাচাষি পরিবারে। তাঁর দাদা, অর্থাৎ আমার প্রপিতামহ জন হকিংকে বেশ সম্পদশালী কৃষকই বলা যায়। কিন্তু একসময় তিনি অনেকগুলো খামার কিনেছিলেন। তাতে এই শতাব্দীর শুরুতে কৃষিমন্দার সময় দেউলিয়া হয়ে যান তিনি। তাঁর ছেলে রবার্ট, মানে আমার দাদা তাঁর বাবাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেও দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলেন। চরম সৌভাগ্যই বলতে হবে, বরোব্রিজে একটি বাড়ির মালিক ছিলেন রবার্টের স্ত্রী। সেই বাড়িতে তিনি একটি স্কুল চালাতেন। সেখান থেকে আয় হতো খুব সামান্যই। তবু কোনোমতে ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাতে পেরেছিলেন তাঁরা। সেখানে চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ে পড়ালেখা করেছিলেন তিনি।

    পরপর বেশ কয়েকটি স্কলারশিপ ও পুরস্কার জিতেছিলেন আমার বাবা। তাই তাঁর পিতা-মাতাকে টাকা পাঠাতে পারতেন। পরে তিনি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকার চিকিৎসাবিদ্যা (ট্রপিক্যাল মেডিসিন) বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন। এ গবেষণার অংশ হিসেবে ১৯৩৭ সালে পূর্ব আফ্রিকায় ভ্রমণ করেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইংল্যান্ডে ফেরার জন্য জাহাজ পেতে স্থলপথে ও কঙ্গো নদী ধরে পুরো আফ্রিকা ঘুরতে হয়েছিল বাবাকে। দেশে ফিরে তিনি সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দেন। অবশ্য তাঁকে বলা হয়েছিল, চিকিৎসাবিদ্যায় গবেষণা করাটাই তাঁর জন্য বেশি ভালো হবে।

    আমার মায়ের জন্ম স্কটল্যান্ডের ডানফার্মলাইনে। এক চিকিৎসক পরিবারের আট সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। ওই পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়েটি ডাউন সিনড্রোমে ভুগছিলেন। তাই এক তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে তাঁকে আলাদা রাখা হতো। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মৃত্যুর আগপর্যন্ত এভাবেই ছিলেন তিনি। আমার মায়ের বয়স যখন ১২ বছর, তখন পুরো পরিবারটি ডেভনে চলে যায়। বাবার পরিবারের মতোই মায়ের পরিবারেও তেমন সচ্ছলতা ছিল না। তারপরও কীভাবে যেন মাকে অক্সফোর্ডে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পেরেছিলেন তাঁরা। অক্সফোর্ডে পড়ালেখা শেষে বেশ কয়েকটি চাকরি করেছিলেন মা। এর মধ্যে একটি চাকরি ছিল ট্যাক্স ইন্সপেক্টর। এই চাকরিটি মায়ের মোটেও ভালো লাগত না। তাই সেক্রেটারির চাকরি পাওয়ার আশায় একসময় তিনি এটি ছেড়ে দেন। ঠিক এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম দিকে আমার বাবার সঙ্গে দেখা হয়েছিল তাঁর আমার জন্ম ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি। তারিখটা গ্যালিলিওর মৃত্যুর ঠিক ৩০০ বছর পরের। হিসাব করে দেখেছি, ওই দিন আরও প্রায় দুই লাখ শিশুর জন্ম হয়েছিল। তবে এদের কেউ পরে জ্যোতির্বিদ্যায় আগ্রহী হয়েছিল কি না, আমার জানা নেই।

    আমার মা-বাবা লন্ডনে বসবাস করলেও আমার জন্ম অক্সফোর্ডে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান ও ব্রিটিশদের মধ্যে একটি চুক্তিই ছিল এর পেছনের কারণ। ওই চুক্তি অনুযায়ী, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজে কোনো বোমা হামলা চালাবে না জার্মান বাহিনী। বিনিময়ে জার্মানির হাইডেলবার্গ ও গটিনজেনে বোমা না ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ব্রিটিশরা। দুঃখের বিষয়, অন্য শহরগুলোর জন্য দুই পক্ষের কাছ থেকে এ ধরনের সুসভ্য প্রতিশ্রুতি আদায় করা যায়নি।

    আমরা থাকতাম উত্তর লন্ডনের হাইগেটে। আমার জন্মের ঠিক ১৮ মাস পর জন্ম হয়েছিল আমার বোন মেরির। পরে শুনেছি, আমি নাকি তার পৃথিবীতে আসাটাকে ভালোভাবে নিতে পারিনি। দুজনের বয়সের ফারাক খুব কম হওয়ার কারণে শৈশবজুড়েই আমাদের দুজনের ভেতর একধরনের টানাপোড়েন ছিল। তবে বয়সকালে আমাদের পথ আলাদা হয়ে যাওয়ার কারণে যথারীতি সেই বৈরিতা গায়েব হয়ে গিয়েছিল। বড় হয়ে সে চিকিৎসক হয়েছিল। তাতে ভীষণ খুশি হয়েছিলেন আমার বাবা।

    প্রায় পাঁচ বছর বয়সে চারপাশে কী ঘটছে, সেসব যখন বেশ বুঝতে শিখেছি, ঠিক তখন জন্মেছিল আমার বোন ফিলিপ্পা। এখনো মনে আছে, তার জন্মের জন্য এককালে কেমন অধীর প্রতীক্ষায় থাকতাম আমি। কারণ, তখন ভাবতাম, তিন ভাইবোন হলে খেলাধুলায় অনেক বেশি মজা করতে পারব আমরা। শিশু হিসেবে ফিলিপ্পা ছিল খুবই আবেগপ্রবণ আর সমঝদার। আমি সব সময় তার বিবেচনাবোধ আর মতামতের গুরুত্ব দিতাম। আমার ভাই এডওয়ার্ডকে দত্তক নেওয়া হয়েছিল আরও অনেক পরে। তখন আমার বয়স সবে ১৪ বছর। তাই তাকে নিয়ে আমার শৈশবে তেমন কোনো স্মৃতি নেই। আমাদের পরিবারের অন্য তিন শিশুর চেয়ে একেবারেই আলাদা ছিল সে। পড়ালেখা কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে তার কোনো আগ্রহ ছিল না। সেটাই হয়তো আমাদের জন্য ভালো হয়েছে। সে একটু বেয়াড়া ধরনের শিশু হলেও তাকে পছন্দ না করে কোনো উপায় ছিল না। ২০০৪ সালে সে মারা যায়। কিন্তু এর কারণটা সঠিকভাবে কখনোই জানা যায়নি। সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাটি হচ্ছে, এডওয়ার্ডের ফ্ল্যাট সংস্কারের সময় দেয়ালে লাগানো আঠা থেকে উদ্বায়ী গ্যাসের বিষক্রিয়া তার মৃত্যুর কারণ।

    সবচেয়ে ছোটবেলার একটি স্মৃতি এখনো বেশ মনে পড়ে। সেটি হলো, হাইগেটে বায়রন হাউস স্কুলের নার্সারি ক্লাসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছি আমি। আর আমার চারপাশে শিশুরা খেলছে। তাদের খেলনাগুলো দেখে অসাধারণ বলে মনে হচ্ছিল। আমিও তাদের সঙ্গে খেলায় যোগ দিতে চাইছিলাম। কিন্তু আমার বয়স তখন মোটে আড়াই বছর। আসলে সেবারই প্রথম একদল অজানা-অচেনা মানুষের ভিড়ে একা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল আমাকে। তাতেই খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমার ধারণা, মা-বাবা আমার এমন প্রতিক্রিয়া দেখে একটু অবাক হয়েছিলেন। কারণ, আমিই তাঁদের প্রথম সন্তান। সন্তান লালন-পালনে তাঁরা শিশু বিকাশবিষয়ক কিছু পাঠ্যপুস্তক মেনে চলতেন। সেসব বইয়ে বলা হয়েছিল, শিশুদের দুই বছর বয়সেই সামাজিক সম্পর্কের জন্য তৈরি করা উচিত। কিন্তু সেদিনের ওই ভয়াবহ সকালের পর তাঁরা আমাকে সেখান থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর পরবর্তী দেড় বছর বায়রন হাউসের দিকে আর পা বাড়াননি তাঁরা।

    সে সময়, অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই হাইগেট এলাকায় বেশ কিছু বিজ্ঞানী আর শিক্ষাবিদ থাকতেন। স্বাভাবিকভাবেই এসব মা-বাবা তাঁদের সন্তানদের পাঠাতেন বায়রন হাউস স্কুলে। কারণ, সেকালে এটিই ছিল সবচেয়ে অগ্রসর স্কুল।

    আমার মনে আছে, এই স্কুল আমাকে কিছুই শেখাতে পারছে না বলে মা-বাবাকে একবার অভিযোগ করেছিলাম। পড়ালেখার ক্ষেত্রে সেকালের সর্বসম্মত কায়দাটি ছিল কোনো কিছু জোর করে ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া। কিন্তু এই রীতিতে বিশ্বাস করতেন না বায়রন হাউসের শিক্ষকেরা। বরং সেখানে কোনো কিছু না বুঝেই পড়তে শেখানো হতো। একসময় আমিও এভাবেই পড়তে শিখেছিলাম, কিন্তু মোটামুটি ভালোভাবে শিখতে আট বছর বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল। আমার বোন ফিলিপ্পা প্রচলিত পদ্ধতিতে পড়তে শিখেছিল। এভাবে চার বছর বয়সেই সে পড়তে পারত। পরে আমার চেয়ে বেশি মেধার স্বাক্ষর রেখেছিল সে।

    .

    ভিক্টোরিয়ান ধাঁচের একটা লম্বা ও সরু বাড়িতে থাকতাম আমরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মা-বাবা খুবই সস্তায় বাড়িটি কিনেছিলেন। সে সময় সবার মনে ভয় ছিল, লন্ডনে বোমা হামলা হবে। সত্যি সত্যিই আমাদের বাড়ি থেকে কয়েকটা বাড়ি পরে একটা ভি-২ রকেট ফেলা হয়েছিল। বাবা সে সময় ওই বাড়িতেই ছিলেন। তবে মা আর বোনের সঙ্গে আমি তখন সেখান থেকে বেশ দূরে ছিলাম। ভাগ্য ভালোই বলতে হবে, বাবা সেদিন কোনো আঘাত পাননি। আবার আমাদের বাড়িটারও তেমন ক্ষতি হয়নি। অনেক বছর পর্যন্ত রাস্তার নিচে বোমা পড়ার সেই জায়গাটি নির্দিষ্ট করে রাখা ছিল। ওই জায়গায় আমার বন্ধু হাওয়ার্ডের সঙ্গে খেলতাম আমি। ওদের বাড়িটি ছিল উল্টো দিকের রাস্তায়, ঠিক তিনটি বাড়ি পরেই। আমার কাছে হাওয়ার্ড ছিল দারুণ এক বিস্ময়। কারণ, আমার চেনাজানা অন্য ছেলেদের মতো ওর মা- বাবা বুদ্ধিজীবী ছিলেন না। সে কাউন্সিল স্কুলে পড়ত, বায়রন স্কুলে নয়। আবার সে ফুটবল, বক্সিংসহ এমন এমন সব খেলা জানত, যেগুলোর কথা আমার মা-বাবা কখনো স্বপ্নেও ভাবেননি।

    .

    প্রথম ট্রেন সেট পাওয়ার ঘটনা নিয়ে ছোটবেলার আরেকটা স্মৃতি আছে। যুদ্ধের সময় ব্রিটেনে কোনো খেলনা বানানো হতো না। অন্তত দেশের বাজারের জন্য তো নয়ই। খেলনা ট্রেনের প্রতি আমার ছিল প্রবল আগ্রহ। একবার বাবা আমাকে একটা কাঠের ট্রেন বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেটি আমার একটুও ভালো লাগেনি। কারণ, আমি এমন কিছু চেয়েছিলাম, যেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে পারবে। একবার তিনি কোথা থেকে যেন একটা সেকেন্ডহ্যান্ড চাবিটানা ট্রেন পেয়েছিলেন। ট্রেনটা ঝালাইয়ের মাধ্যমে ঠিকঠাক করে এক বড়দিনে উপহার দিয়েছিলেন আমাকে। আমার বয়স তখন প্রায় তিন বছর। এই ট্রেনটা ঠিকমতো চলত না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরপরই একবার আমেরিকা গেলেন বাবা। কুইন মেরিতে চড়ে ফিরে মায়ের জন্য কিছু নাইলন এনেছিলেন তিনি। সে সময় ব্রিটেনে নাইলন মোটেও সহজলভ্য বস্তু ছিল না। সেবার মেরির জন্য এনেছিলেন একটা পুতুল। পুতুলটিকে শোয়ানো হলে সেটি চোখ বন্ধ করতে পারত। আর আমার জন্য বাবা এনেছিলেন কাউক্যাচার ও আট ট্র্যাকের লাইনসহ একটা আমেরিকান ট্রেন। ট্রেনের বাক্স খোলার সেই রোমাঞ্চকর মুহূর্তটির কথা এখনো ভুলিনি আমি।

    চাবিটানা ট্রেনটা বেশ ভালোই ছিল বলতে হবে। তবে সেটি পেলে আপনি হয়তো মুখ ফিরিয়ে নেবেন। আমি আসলে একটা ইলেকট্রিক ট্রেন চেয়েছিলাম। হাইগেটের কাছে ক্রাউচ এন্ডে আমি একটি মডেল রেলওয়ে ক্লাব লেআউট দেখে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে দিতাম। আর ইলেকট্রিক ট্রেনের স্বপ্ন দেখতাম। একবার কী একটা কাজে যেন মা-বাবা দুজনেই বাইরে গেলেন। পোস্ট অফিস ব্যাংকে আমার কিছু জমানো টাকা ছিল। সেই সুযোগে আমি পুরো টাকাটাই তুলে ফেলি। এই টাকাগুলো বড়দিনসহ বিশেষ দিনগুলোতে বড়দের কাছ থেকে উপহার পেয়েছিলাম। এই টাকাগুলো দিয়েই কিনে ফেললাম একটা ইলেকট্রিক ট্রেন সেট। কিন্তু এটিও তেমন ভালোভাবে চলত না দেখে বেশ হতাশ হয়েছিলাম। আসলে তখনই উচিত ছিল ট্রেনটা ফেরত দিয়ে দোকানদার বা নির্মাতাদের কাছে ওটা পাল্টে দেওয়ার দাবি জানানো। কিন্তু তখনকার মনোভাব অনুযায়ী কিছু কেনাতেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো। কেনার পর কোনো ত্রুটি পাওয়া গেলে সেটা নিতান্তই আপনার দুর্ভাগ্য। কাজেই ট্রেনের ইঞ্জিনের ইলেকট্রিক মোটর সারাইয়ের জন্য আমাকে আরও কিছু খরচ করতে হয়েছিল। কিন্তু তবু সেটি কখনোই ঠিকঠাক কাজ করেনি।

    অনেক পরে, অর্থাৎ কৈশোরে মডেল বিমান আর নৌকা বানিয়েছিলাম। অবশ্য এসব বানানোর ব্যাপারে আমার তেমন দক্ষতা ছিল না। আসলে এগুলো বানিয়েছিলাম আমার স্কুলের বন্ধু জন ম্যাকক্লিনাহানের সঙ্গে। এ ব্যাপারে তার যথেষ্ট দক্ষতা ছিল। ওদের বাড়িতে ওর বাবার একটা ওয়ার্কশপ ছিল। আমার লক্ষ্য ছিল এমন কোনো কিছুর মডেল বানানো, যাকে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। সেটি দেখতে কেমন হলো, তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা ছিল না। মনে হয়, এই একই তাড়না থেকেই আমার আরেক স্কুলবন্ধু রজার ফারনিহোর সঙ্গে খুবই জটিল বেশ কিছু খেলা আবিষ্কার করেছিলাম। এর মধ্যে একটা নির্মাণবিষয়ক খেলা, যেখানে কিছু কারখানা থাকত, যার প্রতিটি ইউনিট বানানো হতো বিভিন্ন রং দিয়ে। এ ছাড়া এতে যাতায়াতের জন্য থাকত রাস্তা, রেলপথ ও স্টক মার্কেট। আরও ছিল যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। চার হাজার বর্গবিশিষ্ট একটা বোর্ডে এটা খেলা হতো। এমনকি সামন্ততান্ত্রিক ধরনের খেলাও ছিল। সেখানে প্রতিটি খেলোয়াড়ের একটা বংশতালিকাসহ পুরো রাজবংশ থাকত। আমার মনে হয়, ট্রেন, নৌকা আর বিমানের মতোই কোন সিস্টেম বা ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে এবং তাদের কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা জানার তাড়না থেকেই এসব খেলা আমার মাথায় এসেছিল। আমি পিএইচডি শুরু করার পর এই প্রয়োজনটা মিটেছিল

    কসমোলজি বা বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ববিষয়ক আমার গবেষণার মাধ্যমে। মহাবিশ্ব কীভাবে চলছে, তা বুঝতে পারলে কোনো এক উপায়ে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

    তথ্যনির্দেশ

    ডাউন সিনড্রোম : এই জেনেটিক রোগটি ডিএন বা ডিএনএস নামেও পরিচিত। ব্রিটিশ চিকিৎসক জন ল্যাংডন ডাউন এই রোগের বর্ণনা দিয়েছিলেন। তাঁর নামেই রোগটি পরে ডাউন সিনড্রোম নামে পরিচিতি পায়। আবার এ রোগে ক্রোমোজম ২১-এর তৃতীয় কপির পুরোটা বা একটা অংশ থাকে বলে এর আরেক নাম ট্রাইসোমি ২১। সোজা কথায়, ২১ নম্বর ক্রোমোজমে দুটির জায়গায় তিনটি ক্রোমোজম থাকে। এ রোগে সাধারণত দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে। প্রতিবছর এক হাজার শিশুর মধ্যে একজন ডাউন সিনড্রোম নিয়ে জন্মায়।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ : মানব ইতিহাসে ঘটা সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ যুদ্ধ। ১৯৩৯ সালে ইউরোপের জার্মানি ও অ্যাংলো-ফ্রান্স কোয়ালিশনের ভেতর সংঘাতের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যান্য দেশও এতে জড়িয়ে পড়তে থাকে। এর এক পক্ষে ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন—যারা মিত্রশক্তি নামে পরিচিত ছিল। আর অন্য পক্ষে ছিল জার্মান, জাপান, ইতালি—যারা অক্ষশক্তি নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে বিশ্বের ৩০টির বেশি দেশ সরাসরি জড়িয়ে পড়ে। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা ফেলার মধ্য দিয়ে ১৯৪৫ সালে শেষ হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ছয় বছরের এ যুদ্ধে ৫ থেকে ৮ কোটি মানুষ নিহত হয়। ইতিহাসে আর কোনো যুদ্ধে এত মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির নজির নেই।

    গ্যালিলিও : পর্যবেক্ষণীয় জ্যোতির্বিদ্যার জনক বলা হয় ইতালিয়ান পদার্থবিদ, জ্যোতির্বিদ, প্রকৌশলী, দার্শনিক ও গণিতবিদ গ্যালিলিও গ্যালিলিকে (১৫৬৪-১৬৪২ খ্রি.)। ইতিহাসে তিনি অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানের লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন। টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তিনি প্রথমবার বৈজ্ঞানিকভাবে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। এভাবে তিনি একে একে সূর্যের কলঙ্ক, চাঁদের পাহাড় ও উপত্যকা, বৃহস্পতির চারটি বড় উপগ্রহ এবং শুক্র গ্রহের কলা আবিষ্কার করেছিলেন। শুরু থেকে কোপার্নিকাসের সূর্যকেন্দ্রিক বিশ্বতত্ত্ব (গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে ঘুরছে) বিশ্বাস করতেন গ্যালিলিও। এই ধারণার সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণ খুঁজে পাওয়ার পরই তিনি এ তত্ত্বের সপক্ষে জনসমক্ষে বলতে শুরু করেছিলেন। এভাবেই ক্যাথলিক গির্জার সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল গ্যালিলিওর। তাঁর ওপর জারি করা একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগে গ্যালিলিওকে ইনকুইজিশনে পাঠায় ক্যাথলিক গির্জা। সেখানে গ্যালিলিওকে যাবজ্জীবন গৃহবন্দী করে রাখাসহ জনসমক্ষে কোপার্নিকাসের মতবাদ পরিত্যাগের আদেশ দেওয়া হয়। জীবন বাঁচাতে গ্যালিলিও তা মেনেও নেন। ১৬৪২ সালে মৃত্যুর চার বছর আগেও তিনি গৃহবন্দী ছিলেন।

    কসমোলজি : গ্রিক শব্দ কসমস (kosmos) এবং লজিয়া (logia) একত্র হয়ে কসমোলজি শব্দটি গঠিত হয়েছে। কসমস অর্থ মহাবিশ্ব এবং লজিয়া অর্থ জ্ঞান। মহাবিশ্বের জন্ম, বিবর্তন এবং শেষ পরিণতি নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় গবেষণা করা হয়, তাকেই বলে কসমোলজি বা বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব। শব্দটি ইংরেজিতে প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল ১৬৫৬ সালে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ১ম খণ্ড
    Next Article ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }