Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম

    মহাবিশ্ব সম্পর্কে জনপ্রিয় ধারার একটি বই লেখার চিন্তাটি প্রথম এসেছিল ১৯৮২ সালে। এই ইচ্ছার পেছনে আংশিক কারণটি ছিল আমার মেয়ের স্কুলের বেতন পরিশোধের জন্য টাকা আয় করা। (কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, বইটি যখন প্রকাশিত হলো, তত দিনে আমার মেয়ে স্কুলের শেষ বছরে পৌঁছে গেছে)। বইটি লেখার আরেকটি প্রধান কারণ হলো মহাবিশ্ব সম্পর্কে যেভাবে আমাদের উপলব্ধি হলো, সেটি আমি যতটুকু অনুভব করি, তা এতে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম। অর্থাৎ মহাবিশ্ব ও তার ভেতরের সবকিছু ব্যাখ্যা করতে সক্ষম কোনো পূর্ণাঙ্গ তত্ত্ব আমরা কীভাবে আবিষ্কার করতে পারব, সেটিই ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলাম আমি।

    ভেবেছিলাম, বইটি লিখতে আমাকে যদি সময় ও শ্রম দিতেই হয়, তাহলে সেটি সর্বোচ্চ মানুষের কাছে পৌঁছাক—এটাই ছিল চাওয়া। আমার লেখা আগের তাত্ত্বিক বইগুলো প্রকাশ করেছিল কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস। ওই প্রকাশক বেশ ভালোই করেছিল। তবে আমার চাওয়ামতো তারা সাধারণ পাঠকদের বাজারে পৌঁছাতে পেরেছিল বলে মনে হয় না। কাজেই আল জাকারম্যান নামে এক সাহিত্যবিষয়ক এজেন্টের দ্বারস্থ হলাম। আমার সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল এক সহকর্মীর শ্যালক হিসেবে। আমার বইটির প্রথম অধ্যায়ের খসড়া তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলাম। পরে তাঁকে বললাম, বিমানবন্দরের বইয়ের দোকানগুলোতে বিক্রি হবে, এমন ধরনের বই লিখতে চাই আমি। জবাবে তিনি জানালেন, তেমনটি ঘটার সুযোগ নেই। আমার বইটি শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভালো বিক্রি হতে পারে বটে, কিন্তু এ ধরনের বই জেফরি আর্চারের জনপ্রিয় রাজ্যের ধারেকাছেও ভিড়তে পারবে না।

    জাকারম্যানকে আমার বইয়ের প্রথম খসড়া জমা দিয়েছিলাম ১৯৮৪ সালে। তিনি বেশ কজন প্রকাশকের কাছে সেটা পাঠিয়েছিলেন। আমাকে নরটন নামের যুক্তরাষ্ট্রের এক অভিজাত বই প্রকাশক সংস্থার কাছ থেকে প্রস্তাব নেওয়ারও সুপারিশ করেছিলেন। তবে সেটি না করে আমি ব্যানটাম বুকস থেকে একটি প্রস্তাব গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিই। জনপ্রিয় ধারার বইয়ের বাজারে এই প্রকাশনীটি বেশ পরিচিত। অবশ্য বিজ্ঞানের বই প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যানটামের তেমন নামডাক ছিল না। কিন্তু তাদের বইগুলো বিমানবন্দরের বইয়ের দোকানগুলোতে সহজলভ্য ছিল। সম্ভবত ব্যানটাম তাদের সম্পাদক পিটার গুজ্জারডির কারণে আমার বইটির ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল। কাজটি তিনি বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই করেছিলেন। বলতে গেলে আমার কাছ থেকে বইটি আবারও নতুন করে লিখিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। এর পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, বিজ্ঞানী নয়, এমন সাধারণ মানুষও যাতে বইটি পড়ে বুঝতে পারে। তিনি নিজেও ছিলেন এ দলে। প্রতিবার তাঁকে একেকটি অধ্যায় নতুন করে লিখে পাঠাতাম। ওদিকে তিনি তাঁর আপত্তির দীর্ঘ তালিকা এবং প্রশ্নের পর প্রশ্ন জুড়ে দিয়ে সেগুলো আমার কাছে ফেরত পাঠাতেন, যাতে ওই অংশগুলো আমি আরও স্পষ্টভাবে লিখি বা ব্যাখ্যা করি। এভাবে একসময় ভাবলাম, এই প্রক্রিয়া বোধ হয় আর কখনোই শেষ হবে না। কিন্তু এখন বুঝি, তিনি আসলে ঠিক কাজটিই করেছিলেন কারণ, এর ফলে সবশেষে বইটি অনেক ভালো হয়েছিল।

    নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে বইটি লেখায় বাধা পেয়েছিলাম। এই অসুখে আক্রান্ত হয়েছিলাম সার্নে থাকতে। আমাকে বিশেষ একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম না দেওয়া হলে বইটি শেষ করা হয়তো অসম্ভব হতো। প্রোগ্রামটি বেশ ধীরগতির ছিল। তখন আমি চিন্তাও করতাম ধীরে ধীরে। কাজেই আমার সঙ্গে বেশ ভালোভাবেই সেটি মানিয়ে গিয়েছিল। এই প্রোগ্রাম ব্যবহার করেই গুজ্জারডির পরামর্শমতো আমার প্রথম খসড়াটি প্রায় সম্পূর্ণই নতুন করে লিখতে পেরেছিলাম। পাণ্ডুলিপিটি পরিমার্জনা করতে সহায়তা করেছিল ব্রায়ান উইট নামের আমার এক ছাত্র।

    একসময় জ্যাকব ব্রোনোস্কির টেলিভিশন সিরিজ ‘দ্য অ্যাসেন্ট অব ম্যান’ আমার খুবই ভালো লাগত। (এখন এ ধরনের আবেদনময় শিরোনামের আর অনুমতি নেই।) আদিম অসভ্য অবস্থা থেকে মাত্র ১৫ হাজার বছর আগে আমরা বর্তমান অবস্থায় আসতে পেরেছি। মানবজাতির এই অর্জন সম্পর্কে সিরিজটি আমাকে অন্য রকম এক অনুভূতি এনে দিত। মহাবিশ্ব যেসব আইনে নিয়ন্ত্রিত হয়, সেগুলোর পুরোটা বোঝার ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি কতটুকু, পাঠককে সেটাই বোঝাতে চেয়েছিলাম। নিশ্চিত ছিলাম, মহাবিশ্ব কীভাবে পরিচালিত হয়, সে ব্যাপারে কমবেশি প্রায় সবারই কৌতূহল আছে। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ গাণিতিক সমীকরণ বুঝতে পারে না। সমীকরণ নিয়ে আমার নিজেরও খুব বেশি মাথাব্যথা ছিল না। কারণ, সমীকরণের জন্য আমার সহজাত কোনো অনুভূতি ছিল না। বরং কোনো ধারণাকে আমি চিত্রের মাধ্যমে চিন্তা করতাম। বইটিতে পরিচিত কিছু উদাহরণ এবং রেখাচিত্রের সাহায্যে এই মানসিক ছবিগুলো শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করাই ছিল আমার লক্ষ্য। আশা ছিল, এভাবে অধিকাংশ মানুষ পদার্থবিদ্যার গত ৫০ বছরের উল্লেখযোগ্য অর্জনের উত্তেজনা ও অনুভূতি ভাগ করে নিতে পারবে।

    তবে গণিত বাদ দিলে কিছু কিছু ধারণা ব্যাখ্যা করা বেশ কঠিন। তাই এতে এক সমস্যার জন্ম হলো। বুঝতে পারছিলাম না আমার কি সেগুলো ব্যাখ্যার চেষ্টা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো ঝুঁকি নেওয়া উচিত? নাকি সমস্যাগুলো পাশ কাটিয়ে যাওয়া উচিত? কিছু অপরিচিত ধারণার ছবি আঁকতে চাইলেও সেগুলোর কোনো প্রয়োজন ছিল না। যেমন ভিন্ন ভিন্ন গতিতে চলা কিছু পর্যবেক্ষক যদি দুটি আলাদা ঘটনা ঘটার মধ্যবর্তী সময় পরিমাপ করেন, তাহলে তাঁদের পরিমাপ ভিন্ন ভিন্ন হবে। কাজেই ভাবলাম, সেগুলো শুধু উল্লেখ করে যাব, কিন্তু তার গভীরে ঢুকব না। মুশকিল হলো, আমি প্রকাশ করতে চাই, এমন অন্য কিছু জটিল ধারণা বোঝানোর জন্য সেগুলো আবার দরকারও ছিল।

    বিশেষ করে এ রকম অন্তত দুটি ধারণা এই বইটিতে রাখা উচিত বলে মনে হয়েছিল। এদের একটির নাম সাম ওভার হিস্ট্রি বা ইতিহাসের যোগফল। এই ধারণামতে, মহাবিশ্বের জন্য কোনো একক ইতিহাস নেই; বরং মহাবিশ্বের জন্য সম্ভাব্য প্রতিটি ইতিহাসের স্তূপ রয়েছে। এসব ইতিহাস প্রতিটিই সমানভাবে বাস্তব (এ কথার অর্থ যা-ই হোক না কেন)। আরেকটি হলো কাল্পনিক সময়ের ধারণা। গাণিতিকভাবে ইতিহাসের যোগফল বোঝার জন্য এটি জরুরি। এখন বুঝতে পারি, খুবই কঠিন এই দুটি ধারণা ব্যাখ্যার জন্য আমার আরও একটু খাটতে হতো, বিশেষ করে কাল্পনিক সময়ের জন্য। বইটিতে এ বিষয়গুলো নিয়ে লোকজনকে সবচেয়ে বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়েছিল বলে আমার ধারণা। তবে কাল্পনিক সময় আসলে কী, সেটা সঠিকভাবে না বুঝলেও কোনো সমস্যা নেই। এখানে শুধু এটুকু বুঝলেই চলে, আমরা যাকে বাস্তব সময় বলে জানি, এটি তার চেয়ে আলাদা।

    .

    বইটি যখন প্রকাশের প্রায় দ্বারপ্রান্তে, তখন ঘটল আরেক ঘটনা। নেচার ম্যাগাজিনে রিভিউ করার জন্য এক বিজ্ঞানীকে আগাম একটি কপি পাঠানো হয়েছিল। সেটি করতে গিয়ে বইটিতে ছবি ও রেখাচিত্রগুলো ভুল জায়গায় বসানো থাকতে দেখলেন তিনি 1 আবার ছবিগুলোর বিভ্রান্তিকর ক্যাপশনসহ পুরো বইয়ে ভুলে ভরা দেখে তিনি পুরো হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ব্যানটাম কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠালেন। ব্যানটামও যারপরনাই হতভম্ব হলো। তারা সেদিনই সব বই ফেরত এনে আস্তাকুঁড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। (প্রথম সংস্করণের আসল কপিগুলো সম্ভবত এখন বেশ মূল্যবান হয়ে উঠবে)। তিন সপ্তাহ লাগিয়ে ব্যানটাম পুরো বইটি পরীক্ষা ও সংশোধন করে। পরে বইয়ের দোকানগুলো বইটি প্রকাশের তারিখ ঠিক করা হয় এপ্রিল ফুলস ডেতে। এ ঘটনার পরপরই টাইম ম্যাগাজিনে আমার একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী ছাপা হয়। তখন বইটির ব্যাপক চাহিদা দেখে ব্যানটামও খুবই অবাক হয়ে গিয়েছিল। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ এটি টানা ১৪৭ সপ্তাহ বেস্টসেলারের তালিকায় ছিল। আর লন্ডন টাইমস-এ রেকর্ড ভেঙে বেস্টসেলারের তালিকায় ছিল ২৩৭ সপ্তাহ। এখন পর্যন্ত বইটি বিশ্বের ৪০টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে আর বিশ্বব্যাপী এক কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়েছে।

    আসলে আমি বইটির শিরোনাম দিয়েছিলাম ফ্রম বিগ ব্যাং টু ব্ল্যাক হোলস : আ শর্ট হিস্ট্রি অব টাইম। কিন্তু আমার সম্পাদক গুজ্জারডি ‘শর্ট’ শব্দটিকে পরিবর্তন করে রাখেন ‘ব্রিফ’। এটি ছিল আসলে জিনিয়াসদের আঁচড়ের মতো। বইটির সফলতার পেছনে নিঃসন্দেহে এটি ভূমিকা রেখেছিল। ‘ব্রিফ হিস্ট্রি’ শিরোনামে বাজারে অনেকগুলো বই ছিল। এমনকি আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব থাইম (সুগন্ধি গুল্ম) নামেও একটি বই আছে। কথায় বলে, অনুকরণ হচ্ছে প্রশংসা করার সবচেয়ে বিশ্বস্ত রূপ।

    প্রশ্ন হলো, অসংখ্য মানুষ এ বইটি কেন কিনেছে? তাদের লক্ষ্যবস্তু আমি কি না, তা নিশ্চিত হওয়া আমার জন্য বেশ কঠিন তাই আমার ধারণা, অন্যরা এ বিষয়ে কী বলে, সেটিও জানা দরকার। আমি দেখেছি, বেশির ভাগ রিভিউতে আমার পক্ষে লেখা হলেও সেগুলো অস্পষ্ট ছিল। সবার মধ্যেই প্রায় একই ফর্মুলা অনুসরণ করার প্রবণতা ছিল। যেমন : স্টিফেন হকিং লুও গেহরিগস রোগে (মার্কিন রিভিউয়ে এই পরিভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল) কিংবা মোটর নিউরন রোগে (ব্রিটিশ রিভিউয়ে) আক্রান্ত। তিনি হুইলচেয়ারে বন্দী, কথা বলতে পারেন না এবং হাতের এক্সসংখ্যক আঙুল নাড়াতে পারেন (ভুল আর্টিকেলের লেখক আমার সম্পর্কে যা পড়েছিলেন তা অনুসারে এখানে এক্স- এর মান এক থেকে তিন পর্যন্ত ওঠানামা করত বলে মনে হয়)। তারপরও তিনি এ বইটি লিখেছেন সবার জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি নিয়ে : আমরা কোথা থেকে এলাম এবং কোথায় যাচ্ছি? হকিংয়ের উত্তরটি হলো, এই মহাবিশ্ব সৃষ্টিও করা হয়নি, একে ধ্বংস করা হবে না: এটি চিরকাল এভাবেই আছে। এই ধারণাটি সূত্রবদ্ধ করতে হকিং কাল্পনিক সময়ের ধারণার অবতারণা করেছেন। সেটি আমার জন্য (রিভিউ লেখকের জন্য) বেশ কঠিন ছিল। তবু হকিং যদি সঠিক হন আর আমরা যদি একটি পূর্ণাঙ্গ একক তত্ত্ব আবিষ্কার করতে পারি, তাহলে আমরা সত্যিই ঈশ্বরের মন বুঝতে পারব। (প্রুফ দেখার সময় আমি প্রায় বইটির শেষ বাক্যটি বাদ দিতে চেয়েছিলাম। সেখানে লেখা ছিল, আমরা তাহলে ঈশ্বরের মন জানতে পারব। এ বাক্যটি কেটে দিলে বিক্রি হয়তো কমে অর্ধেকে নেমে আসত। )

    আমার ধারণা, এর চেয়েও এককাঠি সরেস আরেকটি আর্টিকেল ছাপা হয়েছিল লন্ডনের দৈনিক পত্রিকা দ্য ইনডিপেনডেন্ট-এ। সেখানে বলা হয়েছিল, গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক কাজ যেমন আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম এক তীব্র উন্মাদনার জন্ম দেবে। আমার বইটিকে বৌদ্ধধর্মের জেন (ধর্মীয়) এবং মোটরসাইকেল রক্ষণাবেক্ষণ শিল্পের সঙ্গে তুলনা করায় আমি একটু আত্মশ্লাঘা বোধ করেছিলাম। আশা করেছিলাম, জেনের মতোই বইটি মানুষকে এই অনুভূতি দেবে যে তাদের জীবন থেকে মহৎ বুদ্ধিবৃত্তিক এবং দার্শনিক প্রশ্ন বাদ দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

    শারীরিক অক্ষমতা সত্ত্বেও আমি কীভাবে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ হতে পারলাম, নিঃসন্দেহে তা নিয়ে মানুষের কৌতূহল ছিল। তবে যাঁরা এ রকম মানবিক কৌতূহল থেকে বইটি কিনেছিলেন, তাঁদের হয়তো হতাশ হতে হয়েছিল। কারণ, বইটিতে আমার অবস্থা সম্পর্কে শুধু গুটিকয়েক কথাই লেখা ছিল। আসলে বইটি লেখা হয়েছিল মহাবিশ্বের ইতিহাস নিয়ে, আমার নয়। তারপরও অভিযোগ উঠেছিল যে ব্যানটাম নির্লজ্জভাবে আমার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বেড়াচ্ছে। আবার বইয়ের প্রচ্ছদে আমি নিজের ছবি দেওয়ার অনুমতি দিয়ে তাদের সহায়তা করেছি বলেও অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু আসল ব্যাপারটা হলো চুক্তি অনুযায়ী, বইটির প্রচ্ছদে আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আমি শুধু বইটির মার্কিন সংস্করণে আমার যে সেকেলে ছবি দেওয়া হয়েছিল, তা পাল্টে ব্রিটিশ সংস্করণে একটু ভালো ছবি দিতে প্রকাশককে রাজি করিয়েছিলাম। তবে মার্কিন সংস্করণের প্রচ্ছদের ছবি ব্যানটাম পরিবর্তন করতে পারবে না। কারণ, তাদের বক্তব্য হলো, মার্কিন জনগণ এখন ওই ছবিটির জন্য এ বইটি সহজেই চিনতে পারে। অনেকেই বলেন, অনেক মানুষ বইটি কিনে না পড়েই তাঁদের বইয়ের তাকে বা কফি-টেবিলে সাজিয়ে রাখেন। ঘটনা যে সত্য, সেটা আমিও নিশ্চিত। কিন্তু এটা অধিকাংশ অন্য সিরিয়াস বইগুলোর ক্ষেত্রেও ঘটে কি না, তা জানি না। শুধু এটুকু জানি, অতি কষ্টে হলেও অন্তত কিছু মানুষ অবশ্যই বইটি পড়েছে। কারণ, প্রতিদিনই এই বইটি সম্পর্কে আমি অসংখ্য চিঠি পাই। চিঠিতে অনেকেই প্রশ্ন করেন কিংবা বিস্তারিত মন্তব্য করেন। তাতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাঁরা পুরোটা না বুঝলেও বইটি অন্তত পড়েছেন। অনেক সময় রাস্তায় সাধারণ মানুষেরাও বারবার আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন (আমি অবশ্যই অন্য লেখকদের চেয়ে আলাদা)। এতে বোঝা যায়, যাঁরা বইটি কিনেছেন, তাঁদের অন্তত একটা অংশ সত্যি সত্যিই এটি পড়েছে।

    আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম লেখার পর আমি সবার জন্য বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করতে আরও কিছু বই লিখেছি। যেমন ব্ল্যাক হোলস অ্যান্ড বেবি ইউনিভার্স, দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল এবং দ্য গ্র্যান্ড ডিজাইন। আমার ধারণা, এখানে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি হলো বিজ্ঞান সম্পর্কে মানুষের মৌলিক বোধশক্তি আছে। তাই তাঁরা বর্তমানের ক্রমবর্ধমান বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আমার মেয়ে লুসি আর আমি ‘জর্জ’ নামের একটি সিরিজও লিখেছি। অবশ্য এটি শিশুদের জন্য, অর্থাৎ আগামীকালের প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিজ্ঞাননির্ভর অ্যাডভেঞ্চার গল্প।

    তথ্যনির্দেশ

    জেফরি আর্চার : ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ জেফরি হাওয়ার্ড আর্চার। লেখক হওয়ার আগে তিনি পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন। বেস্টসেলার ঔপন্যাসিক হিসেবে তিনি সুপরিচিত। বিশ্বব্যাপী তাঁর বই তিন কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। ১৯৭৪ সালে তিনি নট আ পেনি মোর, নট আ পেনি লেস শিরোনামে প্রথম বইটি লিখেছিলেন।

    কাল্পনিক সময় : কাল্পনিক সংখ্যা ব্যবহার করে সময় গণনা। এই ধারণাটি হকিং তাঁর লেখা দ্য ইউনিভার্স ইন আ নাটশেল বইয়ে ব্যবহ- ার করে জনপ্রিয় করে তুলেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ১ম খণ্ড
    Next Article ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }