Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেন্ট অ্যালবান্স

    বাবার কর্মস্থল ১৯৫০ সালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কর্মস্থলটি হাইগেটের পার্শ্ববর্তী হ্যাম্পস্টেড থেকে স্থানান্তর করা হয়েছিল লন্ডনের দক্ষিণাঞ্চলের সীমানাবর্তী মিল হিলে নবনির্মিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল রিসার্চে। হাইগেট থেকে সেখানে যাতায়াতের বদলে পুরো পরিবার লন্ডনের বাইরে সরিয়ে নেওয়া এবং কাজের জন্য শহরে যাতায়াত করাটাই বেশি যৌক্তিক মনে হয়েছিল বাবার। তাই মা-বাবা সেন্ট অ্যালবান্সের ক্যাথেড্রাল সিটিতে একটি বাড়ি কিনে ফেলেন। এই বাড়িটি ছিল মিল হিল থেকে ১০ মাইল উত্তরে এবং লন্ডনের কেন্দ্র থেকে ২০ মাইল উত্তরে। ভিক্টোরিয়ান ধাঁচের বাড়িটিতে বেশ আভিজাত্যের ছাপ ছিল। বাড়িটি কেনার সময় মা-বাবার তেমন আর্থিক সচ্ছলতা ছিল না। আবার বাড়িটি বাসযোগ্য করতে তাঁদের অনেক মেরামতের কাজও করতে হয়েছিল। তবে এরপর বাবা একজন সাচ্চা ইয়র্কশায়ারবাসীর মতোই মেরামতের কাজে আর একটা পয়সাও খরচা করতে রাজি হননি। বরং তিনি যতটা পেরেছেন, বাড়িটিকে যত্নআত্তি করে গেছেন। আবার তাতে প্রয়োজনে নিজেই রং লাগিয়েছেন। কিন্তু এত বড় একটা বাড়িতে এ ধরনের কাজ সামলানোর মতো যথেষ্ট দক্ষতা তাঁর ছিল না। বাড়িটি বেশ দৃঢ়ভাবে বানানো হয়েছিল। তাই এত সব অবহেলা অবলীলায় সহ্য করতে পেরেছিল সেটি। ১৯৮৫ সালে বাবার ভীষণ অসুস্থতার সময় মা-বাবা বাড়িটি বিক্রি করে দেন। পরের বছরই বাবা মারা যান। সম্প্রতি আমি বাড়িটি দেখেছি। দেখে মনে হলো না যে তাতে আগের চেয়ে খুব বেশি কোনো মেরামতের কাজ করা হয়েছে।

    আমাদের বাড়ির নকশা করা হয়েছিল গৃহকর্মীসহ একটি পরিবারের বসবাসের উপযোগী করে। ভাঁড়ার ঘরে একটি ইন্ডিকেটর বোর্ড ছিল, কোন ঘর থেকে কলিং বেল টেপা হয়েছে, সেখানে তা দেখা যেত। আমাদের কোনো গৃহকর্মী ছিল না বলা বাহুল্য। আমার প্রথম শোবার ঘরটা ছিল কিছুটা ইংরেজি এল আকৃতির। নিঃসন্দেহে এটি কোনো গৃহকর্মীর ঘর ছিল। আমার খালাতো বোন সারাহর পরামর্শে এই ঘরটা পেতে আবদার করেছিলাম আমি। সারাহ ছিল আমার চেয়ে বয়সে একটু বড়। তাকে আমার খুবই ভালো লাগত। সে বলেছিল, এই ঘরটাতে আমরা অনেক মজা করতে পারব। ঘরটির অন্যতম আকর্ষণীয় দিকটা ছিল, জানালা বেয়ে উঠে ওই ঘর থেকে বাইসাইকেলের শেডের ছাদে লাফিয়ে নামা যেত, আর সেখান থেকে লাফ দিলেই মাটি।

    আমার মায়ের বড় বোনের নাম জেনেট। তাঁরই মেয়ে সারাহ। খালা চিকিৎসক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং বিয়ে করেছিলেন এক সাইকোঅ্যানালিস্টকে। তাঁরাও আরও পাঁচ কিলোমিটার উত্তরে হারপেনডেন গ্রামে আমাদের মতোই এক বাড়িতে থাকতেন। সেন্ট অ্যালবান্সে আমাদের আসার পেছনেও অন্যতম কারণ ছিল এই খালা আর তাঁর পরিবার। সারাহর কাছে থাকতে পারাটা ছিল আমার জন্য বাড়তি এক পাওনা। মাঝেমধ্যেই বাসে চেপে আমি হারপেনডেনে তাকে দেখতে চলে যেতাম।

    সেন্ট অ্যালবান্সের অবস্থান ছিল প্রাচীন রোমান শহর ভেরুলিমিয়ামের কাছে। লন্ডনের পর এটিই ছিল ব্রিটেনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রোমান বসতি। মধ্যযুগে এখানে ব্রিটেনের সবচেয়ে সমৃদ্ধ মঠ ছিল। সন্তু অ্যালবানের সমাধিমন্দির ঘিরে এটি নির্মিত হয়েছিল। সন্তু অ্যালবান ছিলেন রোমান সেনাপতি। কথিত আছে, খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাস করার কারণে ব্রিটেনে তাঁকেই প্রথম মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এখন ওই সমাধিমন্দিরের ধ্বংসাবশেষ হিসেবে কেবল খুব বড় ও বিশ্রী একটা গির্জা এবং পুরোনো একটা তোরণ ভবন টিকে আছে। এ তোরণটি এখন সেন্ট অ্যালবান্স স্কুলের অংশ। পরে এই স্কুলেই আমি পড়তাম। হাইগেট কিংবা হারপেনডেনের সঙ্গে তুলনা করলে সেন্ট অ্যালবান্স ছিল বেশ নীরস আর রক্ষণশীল এক এলাকা। আমার মা-বাবাও সেখানে খুব বেশি বন্ধুবান্ধব তৈরি করতে পারেননি। এর আংশিক কারণ অবশ্য তাঁরা নিজেরাই। কারণ, মা-বাবা নিরিবিলি থাকতেই পছন্দ করতেন, বিশেষ করে আমার বাবা। তবে এখানে বিভিন্ন ধরনের জনগোষ্ঠীর প্রতিফলন দেখা যেত। সেন্ট অ্যালবান্সে আমার স্কুলের এমন কোনো বন্ধু ছিল না, যাদের মা-বাবাকে বুদ্ধিজীবী বলা যেতে পারে।

    হাইগেটে আমাদের পরিবারকে মোটামুটি স্বাভাবিক হিসেবেই বিবেচনা করা হতো। কিন্তু আমার ধারণা, সেন্ট অ্যালবান্সে আমাদের গণ্য করা হতো ছিটগ্রস্ত পরিবার হিসেবে। আসলে আমার বাবার আচার-আচরণের কারণে এ রকম ধারণা ক্রমেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। কারণ, টাকা বাঁচানোর সুযোগ পেলে চেহারাসুরত নিয়ে তিনি কোনো কিছুর পরোয়া করতেন না। তরুণ বয়সে তাঁর পরিবার ছিল খুবই দরিদ্র। সে জন্য এটি তাঁর ওপর এক দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে গিয়েছিল। নিজের সুখের জন্য তিনি কোনোমতেই অর্থ ব্যয় সহ্য করতে পারতেন না। এমনকি পরে আর্থিক সামর্থ্য হলেও তাঁর এই স্বভাব বদলায়নি। খুব বাজে রকমের ঠান্ডা লাগার পরও বাড়িতে তিনি সেন্ট্রাল হিটিং লাগাতে রাজি হননি। বরং তিনি সাধারণ কাপড়চোপড়ের ওপর কয়েক প্রস্থ সোয়েটার এবং ড্রেসিং গাউন পরে থাকতেন। তবে তিনি অন্যদের ব্যাপারে খুবই উদারহস্ত ছিলেন।

    ১৯৫০-এর দশকের দিকে বাবার হঠাৎ মনে হলো, গাড়ি কেনার মতো সামর্থ্য তাঁর হয়েছে। কাজেই যুদ্ধের আগেকার সময়ের একটি লন্ডন ট্যাক্সি কিনে ফেললাম আমরা। তারপর বাবা আর আমি মিলে একটি নিসেন কুঁড়েঘরকে গ্যারেজ বানিয়ে ফেললাম। তাতে অবশ্য প্রতিবেশীরা বেশ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেও আমাদের দমানো যায়নি। অধিকাংশ ছেলের মতো আমিও মা- বাবার কারণে বিব্রত হতাম। তবে সেটি আমাকে কখনো দুশ্চিন্তায় ফেলেনি।

    ছুটির দিনগুলোতে সময় কাটাতে মা-বাবা একটা জিপসি ক্যারাভান কিনেছিলেন। সেটি ওসমিংটন মিলসের একটি মাঠে রাখা হয়েছিল। জায়গাটা ব্রিটেনের দক্ষিণ উপকূলের কাছে ওয়েমাউথে। ক্যারাভানটির আগের মালিক ছিলেন এক জিপসি | তিনি বেশ জমকালো রঙে পুরোটা সাজিয়েছিলেন। ওটার প্রকটতা কমাতে বাবা ক্যারাভানটার পুরোটা সবুজ রং করেছিলেন। ক্যারাভানটিতে মা-বাবার জন্য একটি ডাবল বেড এবং সন্তানদের জন্য নিচে একটা কাপবোর্ড ছিল। তবে বাবা আর্মি-সারপ্লাস স্ট্রেচার লাগিয়ে তাতে বাঙ্ক বেড বানিয়ে ফেলেছিলেন। আর্মি- সারপ্লাস তাঁবুতে ঘুমাতেন মা-বাবা। সেখানে আমরা ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত গ্রীষ্মের ছুটি কাটিয়েছিলাম। তারপরই কাউন্টি কাউন্সিল শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে ক্যারাভান সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছিল।

    প্রথম সেন্ট অ্যালবান্সে আসার পর আমাকে মেয়েদের হাইস্কুলে ভর্তি করে দেওয়া হলো। স্কুলটি নামে মেয়েদের হলেও সেখানে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত ছেলেদেরও ভর্তি করা হতো। ওই স্কুলে এক টার্ম থাকার পর আমার বাবা আফ্রিকা পরিদর্শনে চলে গেলেন। প্রায় প্রতিবছরই তিনি সেখানে যেতেন। সেবার গিয়েছিলেন দীর্ঘ সময়ের জন্য, প্রায় চার মাসের জন্য। মা এই সময়টুকু একা একা থাকতে চাইলেন না। কাজেই আমার দুই বোন আর আমাকে নিয়ে তাঁর স্কুলের বান্ধবী বেরিলের সঙ্গে দেখা করতে ছুটলেন তিনি। বেরিলের বিয়ে হয়েছিল কবি রবার্ট গ্রেভসের সঙ্গে। তাঁরা মাজোরকার স্প্যানিশ দ্বীপে দেওয়া নামে এক গ্রামে থাকতেন। সময়টি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাত্র পাঁচ বছর পরের ঘটনা। এই যুদ্ধকালে হিটলার আর মুসোলিনির মিত্র স্পেনের একনায়ক ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো তখনো ক্ষমতায় বহাল তবিয়তেই ছিলেন (তিনি আরও দুই দশক ক্ষমতায় ছিলেন)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে আমার মা ছিলেন তরুণ কমিউনিস্ট লিগের সদস্য। তারপরও তিন সন্তান নিয়ে মা নৌকা আর ট্রেনে চড়ে সেখানে গিয়েছিলেন। আমরা দেয়াতে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। সেই সময়গুলো সত্যিই দারুণ কেটেছিল। কবি রবার্টের ছেলে উইলিয়ামের সঙ্গে এক টিউটরের কাছে পড়তাম আমি।

    আমাদের টিউটর ছিলেন কবি রবার্টের আশ্রিত। আমাদের পড়ানোর চেয়ে এডিনবার্গের উৎসবের জন্য নাটক লিখতে বেশি আনন্দ পেতেন তিনি। তাই আমাদের কোনোভাবে কাজে ব্যস্ত রাখতে চাইতেন। সে জন্য প্রতিদিন বাইবেলের একটি অধ্যায় পড়তে দিয়ে পরে তার ওপর কিছু লিখতে বলতেন। আমাদের দুজনকে ইংরেজি ভাষার সৌন্দর্য শেখাতে এ পদ্ধতি বেছে নিয়েছিলেন তিনি। এভাবে সেখান থেকে ফিরে আসার আগেই পুরো জেনেসিস আর এক্সোডাসের কিছু অংশ শেষ করেছিলেন। এভাবে চর্চার ফলে খুব ভালোভাবে শিখে গিয়েছিলাম, ‘এবং’ দিয়ে কোনো বাক্য শুরু করতে হয় না। তাই একসময় আমি জানতে চাইলাম, বাইবেলের বেশির ভাগ বাক্যই তো ‘এবং’ শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে। উত্তরে আমাকে বলা হয়েছিল, রাজা জেমসের পর ইংরেজি ভাষা অনেক বদলে গেছে। এ কথা শুনে যুক্তি দেখালাম, তাহলে আমাদের খামোখা বাইবেল পড়ানোর মানে কী?

    কিন্তু সেসব বিফল হয়েছিল। সে সময় বাইবেলের প্রতীকবাদ এবং অধ্যাত্মবাদে খুব মজেছিলেন রবার্ট গ্রেভস। তাই এ ব্যাপারে তাঁর কাছে কিছু বলার মতো কেউ ছিল না।

    ব্রিটেনের উৎসব শুরু হওয়ার কারণে আমরা দ্রুতই নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছিলাম। ক্ষমতাসীন লেবার দলের সরকারের পরিকল্পনা ছিল এটা। বিগত ১৮৫১ সালে প্রিন্স আলবার্ট গ্রেট এক্সিবিশনের আয়োজন করে একবার ব্যাপক সফলতা পেয়েছিলেন। আধুনিক হিসেবে এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক মেলা। এই মেলা ব্রিটেনের যুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধ-পরবর্তী মন্দা কাটাতে সহায়তা করেছিল। সেই আয়োজনের সাফল্যকেই এই উৎসবের মাধ্যমে নতুনভাবে আনার চেষ্টা করছিল লেবার সরকার। মেলাটির আয়োজন করা হয়েছিল টেমস নদীর দক্ষিণ পারে। এ মেলায় প্রদর্শিত বিভিন্ন প্রকৌশলের ধরন এবং নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আমার চোখ খুলে দিয়েছিল। তবে মেলাটি ছিল ক্ষণস্থায়ী। কারণ, সেই শরতে কনজারভেটিভ পার্টি নির্বাচনে জিতে মেলাটি বন্ধ করে দেয়।

    ১০ বছর বয়সে আমি তথাকথিত ইলেভেন-প্লাস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। এটা ছিল একধরনের বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষা। এ পরীক্ষার মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিশুর মধ্য থেকে একাডেমিক শিক্ষার জন্য উপযুক্তদের বাছাই করা হতো। আর অন্য অধিকাংশ শিশুর জায়গা হতো নন-একাডেমিক সেকেন্ডারি স্কুলগুলোতে। এই ইলেভেন-প্লাস পদ্ধতির মাধ্যমে শ্রমজীবী ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিবারের শিশুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার এবং সম্মানজনক জায়গায় চাকরির সুযোগ পেত। কিন্তু ১১ বছর বয়সীদের জন্য এই চূড়ান্ত নির্বাচনপ্রক্রিয়ার পুরো নীতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ উঠেছিল। এ প্রতিবাদে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন মধ্যবিত্ত শ্রেণির অভিভাবকেরা। কারণ, তাঁরা একসময় দেখতে পেলেন যে তাঁদের সন্তানদের শ্রমজীবী শ্রেণির সন্তানদের সঙ্গে স্কুলে পাঠানো হচ্ছে। সমন্বিত বা বিভিন্ন শ্রেণির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলে ১৯৭০-এর দশকে এ পদ্ধতি বাতিল করা হয়।

    ১৯৫০-এর দশকে ইংরেজি শিক্ষাব্যবস্থা ব্যাপকভাবে শ্রেণিবিভক্ত ছিল। স্কুলগুলোতে একাডেমিক আর নন- একাডেমিকে বিভক্তি ছাড়াও একাডেমিক স্কুলগুলোও আবার এ, বি এবং সি ধারায় বিভক্ত ছিল। এ বিভাগের জন্য বিষয়টি বেশ ভালোই ছিল, কিন্তু বি-এর জন্য সেটা তেমন ভালো ছিল না। আর সি বিভাগের অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যেত। আমার ইলেভেন-প্লাসের রেজাল্টের ভিত্তিতে সেন্ট অ্যালবান্সে আমি এ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম বর্ষের পর ক্লাসে ২০-এর নিচে যাদের অবস্থান হয়েছিল, তাদের বি বিভাগে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনাটি ছিল তাদের আত্মবিশ্বাসের ওপর চরম আঘাত। এরপর অনেকেই সেখান থেকে কখনো আর ওপরে উঠে আসতে পারেনি। সেন্ট অ্যালবান্সে প্রথম দুই টার্মে আমি যথাক্রমে ২৪ ও ২৩তম অবস্থানে ছিলাম। কিন্তু তৃতীয় টার্মে ১৮তম অবস্থানে চলে আসি। এভাবে বছর শেষে আমি কোনোমতে নিচের বিভাগে নেমে যাওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিলাম।

    .

    আমার যখন ১৩ বছর বয়স, তখন বাবা চাইলেন আমি যেন ওয়েস্টমিনস্টার স্কুলে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করি। এটি ছিল ব্রিটেনের প্রধান পাবলিক স্কুল (যাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইভেট স্কুল বলে ডাকা হয়)। আগেই বলেছি, সে সময় শ্রেণিগতভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে কঠোর বিভক্তি ছিল। বাবা বুঝতে পেরেছিলেন, স্কুলের মতো একটি সামাজিক মর্যাদা পরবর্তী জীবনে আমাকে সুবিধা দেবে। বাবা বিশ্বাস করতেন, শুধু নিজের আত্মনিষ্ঠ ও যোগাযোগের অভাবে তাঁর চেয়ে কম যোগ্যতাসম্পন্ন লোকদের হাতে তাঁর ক্যারিয়ার হাতছাড়া হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে তাঁর বেশ অসন্তোষ ছিল কারণ, তাঁর ধারণা ছিল, অনেকেই তেমন দক্ষ না হয়েও শুধু সঠিক পরিবেশ ও যোগাযোগের মাধ্যমে তারা বাবার তুলনায় ভালো অবস্থানে যেতে পেরেছে। এ ধরনের মানুষ সম্পর্কে তিনি আমাকে প্রায়ই সতর্ক করতেন।

    মা-বাবার আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো ছিল না। তাই ওয়েস্টমিনস্টারে পড়ার জন্য আমাকে একটা স্কলারশিপ পেতেই হবে। কিন্তু স্কলারশিপ পাওয়ার পরীক্ষা দেওয়ার ঠিক আগে আগে আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম। তাই সেবার পরীক্ষাটা দেওয়া হলো না। তার বদলে আমাকে সেন্ট অ্যালবান্সেই থেকে যেতে হলো। সেখানে ওয়েস্টমিনস্টারের চেয়ে খুব বেশি ভালো না হলেও মোটামুটি ভালো শিক্ষাই পেয়েছিলাম। আবার পরবর্তী সময়ে এ ধরনের সামাজিক মর্যাদার অভাব আমার জন্য কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তবে ওষুধবিজ্ঞানের চেয়ে পদার্থবিজ্ঞানের ব্যাপারটা একটু আলাদা বলে মনে হয়। আপনি কোন স্কুলে যেতেন কিংবা কার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক ছিল, তা নিয়ে পদার্থবিজ্ঞানের কোনো মাথাব্যথা নেই। এখানে আপনার গবেষণা বা কাজটিই মুখ্য।

    ক্লাসে আমি কখনোই মাঝারি মানের চেয়ে ওপরে উঠতে পারিনি। (ক্লাসটিতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল।) আমার ক্লাসওয়ার্ক খুবই অপরিপাটি থাকত। আবার আমার হাতের লেখা দেখে শিক্ষকেরা হতাশ হতেন। অথচ আমার সহপাঠীরা আমার ডাকনাম দিয়েছিল আইনস্টাইন। হয়তো তারা আমার মধ্যে কোনো ভালো কিছুর চিহ্ন দেখতে পেত। আমার ১২ বছর বয়সে আমার এক বন্ধু আরেক বন্ধুর সঙ্গে আমাকে নিয়ে এক ব্যাগ মিষ্টির বাজি ধরেছিল। তাদের বাজির বিষয় ছিল, আমি কখনোই ভালো কিছু করতে পারব না। এই বাজি পরে কখনো নিষ্পত্তি হয়েছিল কি না, আমার আর কখনো জানা হয়নি। আর যদি নিষ্পত্তি হয়ও, সেটি কীভাবে ঠিক হয়েছিল, তা-ও জানি না।

    আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল ছয় থেকে সাতজন। তাদের অধিকাংশের সঙ্গেই এখনো যোগাযোগ বজায় রেখেছি আমি। সে সময় বিভিন্ন বিষয়ে আমরা প্রায়ই দীর্ঘ সময় আলোচনা আর তর্কবিতর্ক করতাম। আলোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল রেডিও- নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র থেকে শুরু করে ধর্ম এবং প্যারাসাইকোলজি থেকে পদার্থবিজ্ঞান—সবকিছু। মহাবিশ্বের জন্ম এবং একে সৃষ্টি ও সচল রাখতে ঈশ্বরের কোনো প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হতো আমাদের। শুনেছিলাম, বহু দূরের গ্যালাক্সি থেকে আসা আলো বর্ণালিরেখায় লালের দিকে বিচ্যুত হয়। আবার এ-ও শুনেছিলাম, এটিই নাকি ইঙ্গিত করে, মহাবিশ্ব ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে। (বর্ণালিরেখার নীলের দিকে বিচ্যুত হওয়ার অর্থ মহাবিশ্বের সংকোচন।) তবে আমি নিশ্চিত ছিলাম, এই লোহিত বিচ্যুতির অবশ্যই অন্য কোনো কারণ আছে। আমার কাছে অপরিহার্যভাবে অপরিবর্তনীয় ও চিরন্তন মহাবিশ্বকেই অনেক বেশি প্রাকৃতিক বলে মনে হতো। ভাবতাম, হয়তো বহু দূর থেকে আমাদের কাছে আসতে গিয়ে আলো নিঃশেষিত হয়ে গেছে। আর সে জন্যই এই লোহিত বিচ্যুতি। প্রায় দুই বছর পিএইচডি গবেষণা করার পর অবশেষে বুঝতে পারলাম, আমার আগের ধারণা আসলে ভুল ছিল।

    .

    আমার বাবা গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের রোগবালাই নিয়ে গবেষণা করতেন। তিনি মাঝেমধ্যেই আমাকে মিল হিলে তাঁর গবেষণাগারে নিয়ে যেতেন। সেটা আমার কাছে বেশ লাগত, বিশেষ করে অণুবীক্ষণযন্ত্রের মধ্য দিয়ে কোনো কিছু দেখতে খুব ভালো লাগত। মাঝেমধ্যে কীটপতঙ্গের জন্য বানানো ঘরেও আমাকে নিয়ে যেতেন তিনি। সেখানে ক্রান্তীয় এলাকার রোগে আক্রান্ত মশা রাখা হয়েছিল। এগুলো দেখে আমার খুব দুশ্চিন্তা হতো। কারণ, আমার মনে হতো, কিছু মশা হয়তো কোনো ফাঁক গলে বাইরে বেরিয়ে আসবে। বাবা তাঁর গবেষণায় খুবই পরিশ্রমী আর নিবেদিত ছিলেন।

    কোন যন্ত্র কীভাবে কাজ করে, তা জানতে আমি সব সময়ই মুখিয়ে থাকতাম। মাঝেমধ্যে যন্ত্রগুলো খুলে খুলে দেখতাম সেগুলো কীভাবে কাজ করে। কিন্তু সেগুলোকে আবার আগের মতো ঠিকমতো লাগিয়ে রাখার ব্যাপারে আমার তেমন দক্ষতা ছিল না। আসলে আমার তাত্ত্বিক জিজ্ঞাসার সঙ্গে আমার ব্যবহারিক দক্ষতা কখনোই খাপ খায়নি। বিজ্ঞানের প্রতি আমার কৌতূহলকে উৎসাহিত করতেন বাবা। এমনকি গণিতের জ্ঞানে তাঁকে ছাড়িয়ে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি আমাকে গণিতও শেখাতেন। বাবার এই শিক্ষা এবং তাঁর চাকরির কারণে স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিয়েছিলাম, আমাকেও বিজ্ঞান গবেষণাতেই যেতে হবে।

    স্কুলের শেষ দুই বর্ষে আসার পর গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ হতে চাইলাম আমি। সেখানে গণিতের বেশ ভালো এক শিক্ষক ছিলেন। তাঁর নাম মি. তাহতা। মাত্র কদিন আগে স্কুলে গণিতের জন্য নতুন একটি কক্ষ বানানো হয়েছিল। সেখানে গণিতের ক্লাস নেওয়া হতো। কিন্তু আমার গণিতে পড়ার বিপক্ষে ছিলেন বাবা। কারণ, তাঁর ধারণা ছিল, গণিতবিদ হিসেবে শিক্ষক হওয়া ছাড়া আর ভালো কোনো চাকরি নেই। আমি যাতে মেডিসিন নিয়ে পড়ি, সেটিই মনেপ্রাণে চাইতেন তিনি। কিন্তু জীববিজ্ঞানে আমার কোনো আগ্রহই ছিল না। এই বিষয়টি আমার কাছে স্রেফ বর্ণনামূলক বলে মনে হতো। আবার একে যথেষ্ট মৌলিক নয় বলেও মনে হতো আমার। এদিকে আমাদের স্কুলেও জীববিজ্ঞানের মর্যাদা ছিল নিচু মানের। কারণ, মেধাবী ছেলেরা গণিত আর পদার্থবিজ্ঞানে পড়ত। অন্যদিকে কম মেধাবীরা পড়ত জীববিজ্ঞানে।

    বাবা জানতেন আমি জীববিজ্ঞানে পড়ব না। তাই আমাকে রসায়ন এবং সামান্য গণিত পড়া কোনো রকমে চালিয়ে যেতে দিয়েছিলেন তিনি। কারণ, তাঁর ধারণা ছিল, এর মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে আমার বিজ্ঞানের কোনো বিষয় বেছে নিতে সুবিধা হবে। এখন আমি গণিতের অধ্যাপক। কিন্তু ১৭ বছর বয়সে সেন্ট অ্যালবান্স স্কুল ছাড়ার পর থেকে গণিতে আমার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। আমি যেটুকু জেনেছি, তা নিজের চেষ্টাতেই। কেমব্রিজে আন্ডারগ্র্যাজুয়েটে মাঝেমধ্যে সুপারভাইজ করতাম। ওই কোর্সে তারা অন্যদের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ এগিয়ে ছিল।

    স্কুলে পড়ার সময় পদার্থবিজ্ঞান সব সময়ই আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হতো। কারণ, বিষয়টি আমার কাছে খুবই সহজ আর প্রত্যক্ষগোচর ছিল। অন্যদিকে রসায়ন ছিল অনেক মজার। কারণ, এখানে মাঝেমধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনাও ঘটত, যেমন হঠাৎ কোনো বিস্ফোরণ। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞান আর জ্যোতির্বিদ্যা এটাই বোঝার আশা জাগাত যে আমরা কোথা থেকে এসেছি এবং আমরা এখানে কেন। আমি মহাবিশ্বের গভীরতার সীমা অনুধাবন করতে চাইতাম। হয়তো ক্ষুদ্র পরিসরে এ বিষয়ে সফলতা পেয়েছি। কিন্তু এই ক্ষেত্রটিতে এখনো আরও অনেক কিছুই আমি জানতে চাই।

    তথ্যনির্দেশ

    হিটলার : পুরো নাম অ্যাডলফ হিটলার। অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ। জার্মানির নাৎসি বা নাজি দলের নেতা ছিলেন। ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে ক্ষমতায় আসেন। ১৯৩৪ সালে নাৎসি জার্মানির ফুয়েরার (নেতা) হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দেন। একনায়ক হিসেবে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর জন্য তাঁকে দায়ী করা হয়। ১৯৩৯ সালে তাঁর নেতৃত্বে জার্মানরা পোল্যান্ড দখল করে নেয়। তাতে ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ১৯৪৫ সালে রাশিয়ার রেড আর্মি বার্লিন দখল করার সময় তিনি আত্মহত্যা করেন।

    মুসোলিনি : ইতালিয়ান এই একনায়কের পুরো নাম বেনিতো আমিল্কার আন্দ্রেয়া মুসোলিনি। ন্যাশনাল ফ্যাসিস্ট দলের নেতা। ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ১৯২৫ সালে তিনি দেশটিতে স্বৈরতন্ত্র চালু করেন। ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পক্ষে যোগ দেন এবং ইতালির সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব নেন। সে সময় তিনি জার্মান একনায়ক হিটলারের ঘনিষ্ঠ বন্ধুতে পরিণত হন। ১৯৪৩ সালে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং ১৯৪৫ সালে সুইজারল্যান্ডে পালানোর সময় তাঁকে হত্যা করা হয়।

    কবি রবার্ট গ্রেভস : ইংরেজ কবি, ঐতিহাসিক, ওপন্যাসিক, সমালোচক ও অনুবাদক রবার্ট গ্রেভের জন্ম ১৮৯৫ সাল। লেখালেখি করেই তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর নিজের লেখা কিছু ঐতিহাসিক উপন্যাসের জন্য তিনি সুপরিচিত। এ ছাড়া প্রাচীন লাতিন ও গ্রিক থেকে তাঁর অনূদিত দ্য টুয়েলভ সিজার এবং দ্য গোল্ডেন অ্যাস জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

    রাজা জেমস : সতেরো শতকে ইংল্যান্ডের রাজা জেমসের নির্দেশনায় খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেল ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছিল। এটিই কিং জেমস বাইবেল নামে পরিচিত। বাইবেলটির অনুবাদ শুরু হয় ১৬০৪ সালে, তা শেষ হয় ১৬১১ সালে। এ বাইবেলের সংস্করণে পুরোনো নিয়মের (ওল্ড টেস্টামেন্ট) ৩৯টি পুস্তক এবং নতুন নিয়মের ২৭টি পুস্তক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এ ছাড়া আরও অপ্রামাণিক ১৪টি পুস্তকও এতে যুক্ত করা হয়েছিল। কিছু তর্কবিতর্ক থাকলেও এই বাইবেল ইংরেজিভাষী প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিষ্টানদের কাছে দ্রুতই জনপ্রিয় হয় এবং ইংরেজি ভাষার মানদণ্ড হয়ে ওঠে। এর গতিময় ভাষা ও গদ্যের ছন্দ পরবর্তী ৪০০ বছর ইংল্যান্ডের সাহিত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

    বর্ণালি : লাতিন শব্দ স্পেকট্রাম (Spectrum) অর্থ প্রতিচ্ছবি বা অপচ্ছায়া। তবে সতেরো শতকে আইজ্যাক নিউটন তাঁর অপটিকস বইটিতে শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন অন্য এক অর্থে। একটি প্রিজমের মধ্য দিয়ে সূর্যের দৃশ্যমান সাদা আলো প্রবেশ করলে তা রংধনুর মতো সাতটি আলাদা রঙে বিভক্ত হয়। আলো এভাবে বিভিন্ন রঙে শ্রেণিবদ্ধভাবে ছড়িয়ে পড়া বোঝাতেই নিউটন স্পেকট্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন। বাংলায় একেই বলা হয় বর্ণালি বা বর্ণালিরেখা। বর্তমানে শব্দটির অর্থ আরও বিস্তৃত হয়েছে। এখন শুধু দৃশ্যমান আলোর ক্ষেত্রেই নয়, বরং পুরো বিদ্যুৎচুম্বকীয় তরঙ্গের ক্ষেত্রেও বর্ণালি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। কারণ, দৃশ্যমান আলো বিদ্যুৎচুম্বকীয় বর্ণালির একটি ক্ষুদ্র অংশমাত্ৰ।

    লোহিত বিচ্যুতি : ডপলার ইফেক্টের কারণে যে নক্ষত্র আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তার থেকে আসা আলো বর্ণালিরেখায় লাল রঙের দিকে সরে যায়। একেই বলা হয় রেড শিফট। বাংলায় লোহিত বিচ্যুতি বা রক্তিম স্থানান্তর বা লাল সরণ। অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ ক্রিস্টিয়ান ডপলার শব্দতরঙ্গের জন্য ডপলার প্রভাবের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। পরে তাঁর ব্যাখ্যাটি আলোতরঙ্গের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করে সফলতা পাওয়া যায়। ১৯২০-এর দশকে এডুইন হাবল গ্যালাক্সিগুলো থেকে আসা আলো পরিমাপ করে অধিকাংশেরই লোহিত বিচ্যুতি পেয়েছিলেন। তাতেই বোঝা গিয়েছিল গ্যালাক্সিগুলো আমাদের কাছ থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছে। এভাবেই মহাবিশ্বের প্রসারণের প্রথম প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

    নীল-বিচ্যুতি : কোনো গ্যালাক্সি যদি পৃথিবী থেকে একটি স্থির দূরত্বে থাকে, তাহলে বর্ণালিরেখায় তার বৈশিষ্ট্যরেখা স্বাভাবিক অবস্থানে থাকে। অন্যদিকে গ্যালাক্সিটি যদি আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে তরঙ্গগুলো সম্প্রসারিত হয় কিংবা প্রসারিত হয়। আর তার বৈশিষ্ট্যরেখাটি লাল রঙের দিকে বিচ্যুত হয়। আর গ্যালাক্সিগুলো যদি আমাদের দিকে আসতে থাকে, তাহলে তরঙ্গগুলো সংকুচিত হয় এবং বৈশিষ্ট্যরেখাগুলো নীল রেখার দিকে বিচ্যুত হতো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ১ম খণ্ড
    Next Article ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }