Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাই ব্রিফ হিস্ট্রি (আত্মস্মৃতি) – স্টিফেন হকিং

    স্টিফেন হকিং এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ক্যালটেক

    ১৯৭৪ সালে আমি রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলাম। এই নির্বাচনটি আমার ডিপার্টমেন্টের সদস্যদের জন্য বিস্ময়কর একটি ঘটনা ছিল। কারণ, সে সময় আমি বেশ তরুণ আর সামান্য রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলাম। তবে মাত্র তিন বছরের মাথায় আমাকে প্রফেসর হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল।

    আমার এই নির্বাচনের পর জেন বেশ বিষণ্ন হয়ে পড়েছিল। কারণ, তার মনে হয়েছিল, এর মাধ্যমে আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছে গেছি এবং এখন থেকে আমার অবস্থা খারাপ হতে থাকবে। তবে সেবার আমার বন্ধু কিপ থর্ন যখন আমাকেসহ আরও কয়েকজনকে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (ক্যালটেক) সাধারণ আপেক্ষিকতা বিষয়ে কাজের আমন্ত্রণ জানালেন, তাতে জেনের বিষণ্ণতা কিছুটা কমেছিল।

    গত চার বছরে আমি ম্যানুয়াল হুইলচেয়ার ছাড়াও তিন চাকার নীল ইলেকট্রিক কার ব্যবহার করে আসছি। এই ইলেকট্রিক কারটি ছিল বেশ ধীরগতির। মাঝেমধ্যে এতে অবৈধভাবে আরোহীও বহন করেছি। ক্যালিফোর্নিয়ায় গিয়ে আমরা ক্যাম্পাসের কাছেই ক্যালটেকের মালিকানাধীন কলোনিয়াল ধাঁচের এক বাড়িতে থাকতাম। সেখানে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার ব্যবহার করেছিলাম। এই যন্ত্রটি আমাকে যথেষ্ট স্বাধীনতা দিয়েছিল। কারণ, ব্রিটেনের তুলনায়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিল্ডিং আর ফুটপাতগুলো শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক। আমাদের সঙ্গে সেখানে আমার এক গবেষণা শিক্ষার্থীও থাকত। বাসস্থান আর প্রচুর একাডেমিক নজর পাওয়ার বিনিময়ে সে আমাকে বিছানা থেকে উঠতে, বিছানায় যেতে এবং খাবার খেতে সহায়তা করত।

    আমাদের দুই সন্তান লুসি আর রবার্ট সেবার ক্যালিফোর্নিয়া ভালোবেসে ফেলেছিল। তাদের স্কুলের শিক্ষার্থীদের অপহরণ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করত সবাই। তাই কেউ তাদের শিশুকে স্কুল থেকে স্বাভাবিকভাবে ফিরিয়ে আনতে পারত না। বরং তাদের পুরো ব্লক ঘুরে গাড়ি চালিয়ে একজন একজন করে গেটে আসতে হতো। তারপর একটি লাউডস্পিকারের মাধ্যমে সন্তান সম্পর্কে তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে হতো। এর আগে জীবনে কখনো এ রকম ঘটনার মুখোমুখি হইনি।

    আমাদের বাসাটি একটি রঙিন টেলিভিশন সেট দিয়ে সাজানো হয়েছিল। অন্যদিকে ইংল্যান্ডে আমাদের শুধু সাদাকালো একটি টিভি সেট ছিল, যেটাতে মাঝেমধ্যে কিছুই দেখা যেত না। কাজেই সুযোগ পেয়ে আমরা বেশ টিভি দেখতে শুরু করলাম। বিশেষ করে ব্রিটিশ সিরিজগুলো, যেমন ‘আপস্টেয়ার’, ‘ডাউনস্টেয়ার’ ও ‘দ্য অ্যাসেন্ট অব ম্যান’ দেখতাম। একবার আমরা ‘দ্য অ্যাসেন্ট অব ম্যান’ সিরিজটির গ্যালিলিওকে নিয়ে নির্মিত পর্বটি দেখছিলাম। সেখানে দেখানো হচ্ছিল, গ্যালিলিওকে বিচারে দোষী সাব্যস্ত করে বাকি জীবন গৃহবন্দী করার চেষ্টা চালাচ্ছে ভ্যাটিকান। ঠিক তখন খবর পেলাম, পন্টিফিকাল একাডেমি অব সায়েন্সেস আমাকে একাদশ পায়াস মেডেল পুরস্কার দিয়েছে। প্রথমে ভাবলাম, প্রচণ্ড ক্ষোভ জানিয়ে সেটি নিতে অস্বীকার করব। তখন আমাকে জানানো হলো, গ্যালিলিও সম্পর্কে শেষ পর্যন্ত মনোভাব পরিবর্তন করেছে ভ্যাটিকান। কাজেই মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে আমি ইংল্যান্ডে উড়ে গেলাম। তাঁরা দুজন রোমে আমাকে সঙ্গ দিয়েছিলেন। ভ্যাটিকান পরিদর্শনের সময় ভ্যাটিকান লাইব্রেরিতে গ্যালিলিওর বিচার- সংক্রান্ত সব নথি দেখানোর দাবি জানালাম আমি।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পোপ পঞ্চম পল তাঁর সিংহাসন থেকে নেমে আমার পাশে হাঁটু গেড়ে বসলেন। অনুষ্ঠান শেষে পল ডিরাকের সঙ্গে দেখা হয়েছিল আমার। তিনি হলেন কোয়ান্টাম তত্ত্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি যখন কেমব্রিজের প্রফেসর, তখন তাঁর সঙ্গে কোনো কথা বলিনি। কারণ, কোয়ান্টাম-সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে তখন আমার আগ্রহ ছিল না। ডিরাক আমাকে বললেন, এই মেডেলের জন্য তিনি আরেকজনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু সবশেষে সিদ্ধান্তে আসেন যে এর জন্য আমিই তুলনামূলকভাবে ভালো হব। পরে আমাকেই পুরস্কারটি দেওয়ার জন্য একাডেমিকে সুপারিশ করেছিলেন তিনি।

    .

    ক্যালটেকের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে সে সময় প্রধান দুজন তারকা ছিলেন নোবেল বিজয়ী রিচার্ড ফাইনম্যান ও মারে গেল-মান তাঁদের মধ্যে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ছিল। প্রথম সাপ্তাহিক সেমিনারে গেল-মান বলেছিলেন, ‘এখন আমি গত বছর যা বলেছিলাম, সে কথাগুলোই আবার বলব।’ এ কথা শুনে ফাইনম্যান উঠে দাঁড়ালেন এবং গট গট করে হেঁটে সেখান থেকে চলে গেলেন। এরপর গেল-মান বললেন, “যাক, উনি চলে গেছেন। তাহলে আমি আসলে যা বলতে চাচ্ছিলাম, এখন সেগুলো বলতে পারি।’

    কণা পদার্থবিদ্যার জন্য সেটি ছিল সত্যিই খুবই রোমাঞ্চকর সময়। স্ট্যানফোর্ডে নতুন ‘চার্ম’ পার্টিকেল মাত্রই আবিষ্কৃত হয়েছে। আর এ আবিষ্কারে গেল-মানের তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করেছিল। তাঁর তত্ত্বমতে, প্রোটন আর নিউট্রন আরও তিনটি মৌলিক কণা দিয়ে গঠিত, যাদের নাম কোয়ার্ক।

    ক্যালটেকে থাকা অবস্থায় আমি কিন থর্নের সঙ্গে বাজি ধরলাম যে সিগনাস এক্স-ওয়ান নামের যুগল নক্ষত্র ব্যবস্থায় কোনো কৃষ্ণগহ্বর নেই। সিগনাস এক্স-ওয়ান হলো এক্স-রশ্মির এমন এক উৎস, যেখানে সাধারণ নক্ষত্র তার বাইরের স্তর হারিয়ে অদৃশ্য ঘনবদ্ধ কোনো সঙ্গীর দিকে চলে যাচ্ছে। পদার্থগুলো যখন ওই অদৃশ্য সঙ্গীর দিকে যাচ্ছে, তখন সেটি একটি সর্পিলাকার গতি তৈরি করছে এবং খুবই উত্তপ্ত হয়ে এক্স-রশ্মি নিঃসরণ করছে। এই বাজিতে আমি হেরে যাওয়ার আশা করছিলাম। কারণ, কৃষ্ণগহ্বরের পেছনে অনেক বড় ধরনের বুদ্ধিবৃত্তি নিয়োগ করেছিলাম আমি। কিন্তু যদি দেখা যায় যে সেখানে কোনো কৃষ্ণগহ্বর নেই, তাহলে অন্তত বাজি জেতার সান্ত্বনা হিসেবে চার বছর প্রাইভেট আই ম্যাগাজিনটি পেতে থাকব। অন্যদিকে কিপ থর্ন জিতে গেলে তিনি এক বছর পেন্টহাউস ম্যাগাজিনটি পেতে থাকবেন। এই বাজি ধরার পরের বছর সেখানে কৃষ্ণগহ্বর থাকার বেশ জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেল। কাজেই আমি হার স্বীকার করে কিপ থর্নকে পেন্টহাউস-এর এক বছরের গ্রাহক বানিয়ে দিয়েছিলাম। অবশ্য তাতে তাঁর স্ত্রী বেশ বেজারই হয়েছিলেন।

    .

    ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকার সময় ডন পেজ নামের ক্যালটেকের এক গবেষণা শিক্ষার্থীর সঙ্গে কাজ করতাম। ডনের জন্ম আলাস্কার এক গ্রামে এবং সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। সেখানে তার মা-বাবা স্কুলশিক্ষকতা করেন। ওই গ্রামে ইনুইট সম্প্রদায়ের বাইরের মানুষ বলতে ছিলেন শুধু তাঁরা তিনজনই। সে ছিল ইভানজেলিক খ্রিষ্টান। কেমব্রিজে আমাদের সঙ্গে থাকতে এসে সে আমাকে এই সম্প্রদায়ে ধর্মান্তরিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিল। সকালে নাশতার সময় আমাকে প্রতিদিন বাইবেলের গল্প পড়ে শোনাত সে। কিন্তু তাকে বলতাম, মায়োরকা থাকার সময় থেকেই আমি বাইবেল সম্পর্কে বেশ ভালোভাবে জানি। কারণ, বাবা আমাকে একসময় বাইবেল পড়ে শোনাতেন। (বাবা ধর্মবিশ্বাসী ছিলেন না, তবে তিনি মনে করতেন, রাজা জেমসের বাইবেলটি সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ)।

    ডন আর আমার গবেষণার বিষয় ছিল, কৃষ্ণগহ্বর থেকে কোনো বিকিরণ নিঃসরণ কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। এই বিকিরণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম আমি নিজেই। সূর্যের ভরের সমান একটি কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসা বিকিরণের তাপমাত্রা প্রায় এক কেলভিনের দশ লাখ ভাগের এক ভাগ হতে পারে, যা পরম শূন্য তাপমাত্রার কিছুটা ওপরে থাকে। কাজেই তা এটি মাইক্রোওয়েভ কসমিক ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন (অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গের মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ) এর মধ্যে বিলীন হয়ে যায়। কারণ, মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণের তাপমাত্রা ২.৭ কেলভিন। তাই মহাবিস্ফোরণ থেকে হয়তো খুবই ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বরের অবশেষ থাকতে পারে। একটি পর্বতের সমান ভরের একটি আদিম কৃষ্ণগহ্বর গামা রশ্মি বিকিরণ করতে পারে। এখন হয়তো তার সূচনাকালের বেশির ভাগ ভর বিকিরণ করে তার জীবনকাল শেষ হয়ে গেছে। গামা রশ্মির পটভূমি বিকিরণের মধ্যে আমরা এ ধরনের প্রমাণ খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু তার কোনো চিহ্ন পাওয়া গেল না। এ রকম ভরের কৃষ্ণগহ্বরের জন্য আমরা ঘনত্বের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করতে পেরেছিলাম আমরা। এতে দেখা গেল যে তা শনাক্ত করার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে পারিনি এখনো।

    তথ্যনির্দেশ

    পল ডিরাক : নোবেল বিজয়ী ব্রিটিশ এই তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীর পুরো নাম পল অ্যাড্রিয়ান মরিস ডিরাক (১৯০২-৮৪)। বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদার্থবিদদের অন্যতম হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হয়। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। কোয়ান্টাম মেকানিকস এবং কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিকসের উন্নয়নে তাঁর মৌলিক অবদান রয়েছে। ১৯৩২ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৭ বছর তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের লুকাসিয়ান প্রফেসর ছিলেন।

    মারে গেল-মান : মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। মৌলিক কণাবিষয়ক তত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৬৯ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। পদার্থের ক্ষুদ্রতম মৌলিক কণার নাম কোয়ার্ক দিয়েছিলেন তিনিই। আর এই নামটি বেছে নিয়েছিলেন জেমস জয়েসের একটি ছড়ার শব্দ থেকে।

    কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও বলবিদ্যা : জার্মান পদার্থবিদ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের হাতে ১৯০০ সালে জন্ম নিয়েছিল কোয়ান্টাম তত্ত্ব। পারমাণবিক ও অতিপারমাণবিক পরিসরে বস্তু ও শক্তির প্রকৃতি ও আচরণ ব্যাখ্যা করে এই তত্ত্ব। আর পদার্থবিদ্যার যে শাখায় বল প্রয়োগে শক্তিকণার গতিবেগ, ধর্ম, আচরণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেটিই কোয়ান্টাম মেকানিকস বা কোয়ান্টাম বলবিদ্যা। এটি প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম নীতি ও হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তার নীতি দিয়ে গঠিত চিরায়ত বলবিদ্যায় দৃশ্যমান বস্তুর ওপর বল প্রয়োগে বস্তুর ধর্ম বা আচরণ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়। কিন্তু কোয়ান্টাম বলবিদ্যার ক্ষেত্র অতি ক্ষুদ্ৰ শক্তিকণা (যেমন ইলেকট্রন)। চিরায়ত বলবিদ্যায় যেসব বস্তুর ভর আছে কিন্তু তরঙ্গ প্রকৃতি নেই, তাদের নিয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় এমন সব বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, যাদের কণা (বা ভর) প্রকৃতি এবং তরঙ্গ প্রকৃতি উভয়ই আছে। যেমন আলো একই সঙ্গে কণা ও তরঙ্গ।

    প্রোটন : পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট কণাটির নাম প্রোটন। বেশির ভাগ পরমাণুর কেন্দ্রে এই কণাটি প্রায় অর্ধেকসংখ্যক থাকে, বাকি অর্ধেক নিউট্রন। প্রোটনের ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় ১৮৩৬.১২ গুণ। ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ পদার্থবিদ আর্নেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটন আবিষ্কার করেন। একসময় একে মৌলিক কণা হিসেবে ভাবা হতো। তবে পরবর্তী গবেষণায় দেখা গেছে, এ কণাগুলো কোয়ার্ক নামের আরও ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত। একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে এক বা একাধিক প্রোটন থাকতে পারে। প্রতিটি মৌলের একটি নির্দিষ্টসংখ্যক প্রোটন থাকে। প্রোটনের এই সংখ্যাকে বলা হয় পারমাণবিক সংখ্যা। সবচেয়ে সরল মৌল হাইড্রোজেনে প্রোটনের সংখ্যা মাত্র একটি। অন্যদিকে সবচেয়ে ভারী প্রাকৃতিক মৌল ইউরেনিয়ামের প্রোটনসংখ্যা ৯২। নিউক্লিয়াসে যত বেশি প্রোটন থাকবে, ওই পরমাণুর ইলেকট্রনও তত বেশি হবে।

    নিউক্লিয়াসে প্রোটনগুলো শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বলের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই বল বৈদ্যুতিক বিকর্ষণের চেয়েও শক্তিশালী। সে কারণেই ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন পরস্পরকে বিকর্ষণ না করে একত্রে যুক্ত থাকতে পারে।

    নিউট্রন : প্রায় প্রোটনের মতোই একটি কণা। তবে এর কোনো চার্জ নেই। বেশির ভাগ পরমাণুর কেন্দ্রে প্রায় অর্ধেক এই কণা থাকে। ১৯৩২ সালে জেমস চ্যাকউইক প্রথম নিউট্রনের খোঁজ পেয়েছিলেন। হাইড্রোজেন ছাড়া সব পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন থাকে। প্রোটনের মতো নিউট্রনও শক্তিশালী পরমাণুর নিউক্লিয়ার বলের মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। কণা পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী, একটি নিউট্রন তিনটি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি। এদের দুটি ডাউন ও একটি আপ কোয়ার্ক। এই কোয়ার্কগুলো বলবাহী গ্লুয়ন কণার মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়।

    কোয়ার্ক : বস্তুর ক্ষুদ্রতম মৌলিক কণা। একটি চার্জিত মৌলিক কণা, যা শক্তিশালী বল দ্বারা প্রভাবিত হয়। একসময় পরমাণুর প্রোটন এবং নিউট্রনকে অবিভাজ্য ভাবা হতো। কিন্তু ১৯৬৪ সালে বিজ্ঞানী মারে গেল-মান ও জর্জ ওয়েন আলাদা আলাদাভাবে কোয়ার্ক মডেলের প্রস্তাব করেন। এই মডেল অনুযায়ী কোয়ার্ক পদার্থের একধরনের মৌলিক কণা। ছয় ধরনের কোয়ার্ক কণার অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এদের নাম আপ কোয়ার্ক, ডাউন কোয়ার্ক, চার্ম কোয়ার্ক, স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্ক, টপ কোয়ার্ক ও বটম কোয়ার্ক। প্রোটন ও নিউট্রনের প্রতিটিই তিনটি কোয়ার্ক কণা দিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে দুটি আপ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন কোয়ার্ক মিলে তৈরি হয় প্রোটন আর দুটি ডাউন ও একটি আপ কোয়ার্ক মিলে তৈরি হয় নিউট্রন।

    পরম শূন্য তাপমাত্রা : সম্ভাব্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এই তাপমাত্রায় বস্তুর মধ্যে কোনো তাপশক্তি থাকে না। মাইনাস ২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা কেলভিন স্কেলে ০ কেলভিন তাপমাত্রাকে পরম শূন্য বলা হয়।

    চার্ম কণা : মৌলিক কোয়ার্ক কণা, যা চার্ম কোয়ার্ক নামে পরিচিত। কোয়ার্কদের মধ্যে ভরের দিক দিয়ে তৃতীয়তম। তাত্ত্বিকভাবে ১৯৭০ সালে এ রকম একটি কণার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন শেলডন গ্ল্যাশো, জন লিওপলস, লুসিয়ানা মেইয়ানি। ১৯৭৪ সালে কণাটি আবিষ্কৃত হয়।

    সিগনাস এক্স-ওয়ান : সিগনাস নক্ষত্রপুঞ্জে একটি শক্তিশালী মহাজাগতিক এক্স-রশ্মির উৎস। পৃথিবী থেকে দেখা এক্স-রশ্মির সবচেয়ে বড় উৎস এটি। ১৯৬৪ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়। অনেক তর্কবিতর্কের পর একে কৃষ্ণগহ্বর হিসেবে স্বীকার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই কৃষ্ণগহ্বরটি সূর্যের চেয়ে প্রায় ১৪.৮ গুণ ভারী।

    গামা রশ্মি : খুবই ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎচুম্বকীয় রশ্মি। তেজস্ক্রিয় পদার্থের ক্ষয় বা মৌলিক কণাদের সংঘর্ষে এই রশ্মির সৃষ্টি হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ১ম খণ্ড
    Next Article ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    Related Articles

    স্টিফেন হকিং

    কৃষ্ণগহ্বর, শিশু মহাবিশ্ব ও অন্যান্য রচনা – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    স্টিফেন হকিং

    ব্ল্যাকহোল – স্টিফেন হকিং

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }