Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাছের কাঁটা – ৪

    ৪

    শনিবার তেরো তারিখ সন্ধ্যায় জীবন বিশ্বাস এসে হাজির হল বাসু-সাহেবের চেম্বারে। একদিনেই লোকটা যেন অর্ধেক হয়ে গেছে। ভেঙে পড়ল সে একেবারে, হুজুর এবার বাঁচান আমাদের!

    —কী হল আবার? আপনার না গতকাল বোম্বাই চলে যাবার কথা?

    —তাই তো কথা ছিল স্যার। ট্রেন ছাড়ার আগে নেমে পড়তে হল আমাকে। এক কেলেঙ্কারি কাণ্ড। বলি শুনুন :

    জীবন বিশ্বাস বিস্তারিত বর্ণনা দিলেন ঘটনাটার। হোটেল থেকে যথাসময়ে ওঁরা স্টেশানে এসেছিলেন। কথা ছিল, মিস্টার দাশগুপ্ত ক্যুপেতে একা থাকবেন ট্রেন ছাড়ার সময় এবং ট্রেন চলতে শুরু করলে পাশের কামরা থেকে জীবনবাবু এসে ওটাতে রাত্রে শোবেন। কিন্তু ঝামেলা বাধালেন এক ভদ্রমহিলা। জীবন তাঁকে চেনেন না, তিনি নাকি আগেভাগেই ঐ ক্যুপের একটা সিট দখল করে বসেছিলেন। বললেন, তাঁর নাম মিসেস্ অঞ্জলি দাশগুপ্তা। সবচেয়ে তাজ্জব ব্যাপার সেই ভদ্রমহিলা ওদের টিকিটের নম্বর দুটোও কী করে জানি সংগ্রহ করেছিলেন।

    বাসু-সাহেব বাধা দিয়ে বলেন, সে আর শক্ত কী? ফার্স্ট-ক্লাস রিজার্ভেশান চার্টেই তো নামের পাশে টিকিট নম্বর লেখা থাকে।

    —তবে তাই হবে স্যার; কিন্তু ভদ্রমহিলা ব্যাগে করে একটা লোডেড রিভলভার নিয়ে এসেছিলেন-

    আনুপূর্বিক ঘটনার একটা বর্ণনা দাখিল করলেন জীবনবাবু। শোনা গেল, সুপ্রিয় দাশগুপ্ত জামিন পায়নি। তার বিরুদ্ধে পুলিশ নাকি হত্যার অভিযোগ আনছে

    —মার্ডার কেস? খুন হল কে আবার? কখন?

    জীবনবাবু তখন বিস্তারিত জানালেন সেই পূর্ব ইতিহাস। তিনি থানা থেকে মোটামুটি জেনে এসেছেন।

    এগারই তারিখ, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে আটটার সময় বড় বাজারে নিজের গদিতে খুন হয়েছেন একজন ধনী ব্যবসায়ী—এম. পি. জৈন। আটটায় দোকান বন্ধ হয়। ওঁরা ঝাঁপ ফেলার উদ্যোগ করছেন এমন সময় তিন-চারজন মুখোশধারী লোক হঠাৎ ঢুকে পড়ে দোকানে। তাদের একজনের হাতে ছিল রিভলভার আর সকলের ছোরা। গেটে ছিল দারোয়ান। সে বাধা দেবার চেষ্টা করায় প্রথমেই গুলিবিদ্ধ হয়ে উল্টে পড়ে। ডাকাতেরা দোকানে ঢুকে পড়ে। ক্যাশিয়ারের কাছে চাবি চায়। ক্যাশিয়ার ইতস্তত করে। তখন একজন ডাকাত তার কপালে রিভলভার উদ্যত করে ধরে। বাধ্য হয়ে ক্যাশিয়ার চাবির থোকাটা বার করে দেয়।

    মালিক এম. পি. জৈনের একটা নিজস্ব রিভলভার ছিল তাঁর ড্রয়ারে। ডাকাতগুলো আয়রন সেফ খুলে নোট বার করতে ব্যস্ত আছে দেখে তিনি চট করে টানা ড্রয়ারটা খুলে রিভালভার বার করে ফায়ার করেন। কেউই তাতে গুলিবিদ্ধ হয় না। অপর পক্ষে ডাকাতদের একজন তখন মিস্টার জৈনকে প্রচণ্ড ধাক্কা মারে। জৈন উল্টে পড়ে যান। তাঁর হাত থেকে রিভলভারটা ছিটকে পড়ে। তখন আর একজন ডাকাত সেই রিভলভারটা কুড়িয়ে নিয়ে তাই দিয়েই জৈনকে গুলি করে। তিন-চার মিনিটের ব্যাপার। ওরা বোমা ছুড়তে ছুড়তে একটা কালো অ্যাম্বাসাডার চেপে উধাও হয়ে যায়। তখন লোকজন ছুটে আসে। দেখা যায় এম. পি. জৈন মৃত। দারোয়নটার আঘাত মারাত্মক নয়। ডাকাতেরা নগদে প্রায় ষাট হাজার টাকা নিয়ে যায়, এবং মৃত এম. পি. জৈনের রিভলভারটাও নিয়ে যায়!

    এখন নম্বর মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে গতকাল বোম্বাই মেলের ফার্স্ট-ক্লাস কামরায় ঐ BOAC মার্কা ব্যাগের ভিতর যে রিভালভারটা পাওয়া গেছে সেটা জৈনসাহেবের রিভলভার।

    সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে তাই চার্জ হচ্ছে, ডাকাতি আর খুনের।

    বাসু-সাহেব সমস্ত শুনে বললেন, কেসটা খারাপ। কাল রাত্রে ঐ পুলিশ ইন্সপেক্টর যখন জিজ্ঞাসা করেছিল—ব্যাগটা আপনার’? তখন সুপ্রিয় কেন বলেছিল, ‘হুঁ’?

    —ও অন্যমনস্ক হয়ে বলেছিল স্যার। বুঝতে পারেনি কোন্ ব্যাগটার কথা হচ্ছে।

    —আপনাকে ও তাই বলল?

    —তার দেখা পেলাম কোথায় স্যার? হাজতে আমাকে যেতেই দিল না। বললে, একমাত্র ওর উকিল ছাড়া আর কারও সঙ্গে ওকে দেখা করতে দেবে না। এখন আপনি যদি ওর কেসটা হাতে নেন স্যার! একটু ভেবে নিয়ে বাসু-সাহেব বললেন, নেব, কিন্তু এবার আর মৌফসে নয়।

    —নিশ্চয় নয় স্যার, নিশ্চয় নয়—বলুন এবার কত দিতে হবে?

    —আমার মোট ফি হবে দশহাজার টাকা, তার অগ্রিম পাঁচ হাজার এখনই দিতে হবে।

    —দ-শ-হা-জা-র টাকা! কী বলছেন স্যার?

    গম্ভীর হয়ে বাসু বললেন, জীবনবাবু, ফি নিয়ে দরাদরি আমি করি না। কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ক্রিমিনাল লইয়ার অনেকে আছেন এ-শহরে। অনেক কমেও হয়তো অনেকে রাজি হয়ে যাবেন। চেষ্টা করে দেখুন

    —না স্যার। আমিও বাজার যাচাই করতে যাব না। বেশ, ঐ দশ হাজারই দেব। টাকা তো আমার নয়, কোম্পানির! তবে স্যার আপনাকে আর একটা কাজও করে দিতে হবে। মামলায় যেন ঐ ব্ল্যাক-মানির প্রসঙ্গটা না ওঠে।

    —সেটা অসম্ভব। এক লাখটাকার দশ টাকার নোটে ওর ব্যাগে কেন এল একথা উঠবেই। ভাল কথা, বাকি এক লাখ কি আপনার কাছে ছিল?

    —হ্যাঁ স্যার। সেটা আবার ঐ হোটেলের ভল্টেই রেখেছি।

    —পার্ক-হোটেলই উঠেছেন ফের?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ, অত টাকা নিয়ে আর কোথায় উঠব? এবার রুম নম্বর 78।

    —আর একটা কথা। ঠিক খুনের সময়, অর্থাৎ এগারো তারিখ রাত পৌনে আটটায় আপনি আর মিস্টার দাশগুপ্ত কে কোথায় ছিলেন?

    —দুজনেই মোকাম্বো রেস্তোঁরাতে খাচ্ছিলাম স্যার!

    —মোকাম্বো! কেন পার্ক-হোটেলের খানা কি পছন্দ হচ্ছিল না?

    —কী যে বলেন স্যার? আমি ছাপোষা গরিব মানুষ—ওসব খাবার কি চোখে দেখেছি কখনও? এগারো তারিখ রাতে আমাদের নিমন্ত্রণ করে মোকাম্বোতে খাইয়েছিলেন ঐ রঘুপতি সিঙ্ঘানিয়া সাহেবের বড় ছেলে যদুপতিজি।

    —ওঁরা কে?

    —আজ্ঞে বড়কর্তার বাড়িটা রঘুপতিজি তাঁর বড় ছেলের নামে কিনলেন। ঐ এগারো তারিখের দুপুরেই রেজিস্ট্রি হল কিনা, তা আমি বললাম যদুপতিজি, অতবড় সম্পত্তি কিনলেন, আমাদের মিষ্টিমুখ করাবেন না? উনি তৎক্ষণাৎ আমাদের মোকাম্বোতে নিমন্ত্ৰণ করলেন। আমরা সন্ধ্যা সাতটায় ঐ রেস্তোঁরাতে যাই এবং রাত সাড়ে নয়টায় বার হয়ে আসি। আমরা তিনজনেই খেয়েছিলাম।

    —তিনজন বলতে আপনি, সুপ্রিয় এবং ঐ যদুপতি সিঙ্ঘানিয়া?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ স্যার!

    —তাহলে কেসটা অনেক সরল। যদুপতি সিঙ্ঘানিয়া একজন নামকরা ধনী নিশ্চয়-

    —নিশ্চয়, নিশ্চয়—বিশ পঞ্চাশ হাজার টাকা ইনকাম-ট্যাক্স দেন!

    —তাঁর সাক্ষীটা জোরালো হবে। ঠিক আছে, আমি এ-কেস নেব। রিটোনারটা দিয়ে যান।

    —রিটেনার কী স্যার?

    —অগ্রিম পাঁচ হাজার টাকা।

    ক্যাশিয়ার জীবনবাবু তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়ালেন। মাজার কষি আলগা করে একটা কোমরবন্ধ বার করে আনেন। পাঁচ থাক নোটের বান্ডিল নামিয়ে রাখেন টেবিলে। বাসু-সাহেব টেলিকমে রানি দেবীকে ডাকলেন। অল্প পরেই হুইল-চেয়ারে মিসেস্ বাসু এসে উপস্থিত হলেন ওঁর ঘরে। বাসু বললেন, এঁকে একটা পাঁচ হাজার টাকার রসিদ লিখে দাও। রসিদটা হবে মিস্টার সুপ্রিয় দাশগুপ্ত, ম্যানেজার কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানির নামে।

    জীবন বিশ্বাস চমকে উঠে বললে, কেন স্যার? টাকা দিচ্ছি আমি, রসিদ কেন ম্যানজারের নামে হবে?

    —কারণ সুপ্রিয় দাশগুপ্তই আমার ক্লায়েন্ট। আপনি নন।

    জীবন বিশ্বাস ভ্রুকুঞ্চিত করে চুপ করে বসে রইলেন কিছুক্ষণ, তারপর বললেন, তার মানে কি এটাই ধরে নেব স্যার, যে আপনি ইঙ্গিত করতে চাইছেন আপনার ক্লায়েন্টের স্বার্থে আপনি আমারও বিরুদ্ধাচরণ করতে পারেন?

    —না! ইঙ্গিত করছি না। স্পষ্টাক্ষরে সে-কথা জানাচ্ছি! টাকা আপনি টেবিলে রেখেছেন। আমি তা নিইনি এখনও। ঐ শর্তেই আমি কাজটা হাতে নেব।

    জীবন বিশ্বাস গোঁজ হয়ে বসে রইলেন কয়েক সেকেন্ড। তারপর বললেন। ঠিক আছে, রাখলেও আপনি, মারলেও আপনি

    রানি দেবী বললেন, আসুন আপনি। রসিদটা নিয়ে যাবেন।

    .

    পরদিন রবিবার। সকালবেলা প্রাতরাশের টেবিলে বসেছিলেন বাসু-সাহেব, সুজাতা আর রানি দেবী। কৌশিক অনুপস্থিত। সুজাতাই এখন রান্নাঘরের হেপাজতে। হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন রানি দেবী। তার চেয়েও বড় কথা নিঃসঙ্গতাটার হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন। অনেক—অনেকদিন পরে বাড়িটা কলমুখর হয়ে উঠেছে।

    সুজাতা প্রশ্ন করে, আপনার ক্লায়েন্ট কী বলল শেষ পর্যন্ত?

    বাসু-সাহেব শনিবার বিকালেই হাজতে গিয়ে দেখা করেছিলেন সুপ্রিয়র সঙ্গে। জামিন দেওয়া হয়নি তাকে। কথাবার্তা বলে বাসু-সাহেবের মনে হয়েছে খুনের মামলায় সে বেচারি বেমক্কা জড়িয়ে পড়েছে। সুপ্রিয় দাশগুপ্ত বোম্বাইয়ের একটা নামকরা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। বিবাহিত। জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া সে কলকাতার সমাজের খবর বড় একটা রাখে না। প্রবাসী বাঙালি। তার পক্ষে সাতদিনের জন্য কলকতায় এসে ডাকাতির দলে ভিড়ে পড়া একটা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। যে ব্যাগটার মধ্যে রিভলভারটা পাওয়া গেছে ওটা সুপ্রিয় সঙ্গে করে আনেনি। সুজাতা নিজেই তার সাক্ষী। সুজাতা ডিফেন্স-এর তরফে সাক্ষী দিলে সুপ্রিয়র ঐ অন্যমনস্কভাবে হুঁ বলার অপরাধটা গুরুত্ব পাবে না। তাছাড়া সুপ্রিয়র অকাট্য অ্যালিবাই আছে। দু-জন সাক্ষীর একজন অবশ্য ওরই অধীনস্থ কর্মচারী—কিন্তু দ্বিতীয়জন বিশিষ্ট নাগরিক।

    রানি দেবী বলেন, তাহলে কাল থেকে এত কী ভাবছ তুমি?

    —ভাবছি? হ্যাঁ ভাবছি অন্যদিক থেকে। দুটো কথা আমি ভাবছি। প্রথম, ঐ মিস ডিক্রুজার ব্যাপারটা। মিস ডিক্রুজা নামটা তোমার মনে আছে সুজাতা?

    —আছে। দার্জিলিং-এর খুনের কেসটার প্রসঙ্গে এক মিস্ ডিক্রুজাকে আমরা খুঁজছিলাম; কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    —কারেক্ট। কিন্তু এটুক বোঝা গিয়েছিল মেয়েটা নষ্ট-স্বভাবের।

    রানি দেবী বলেন, কিন্তু মিস্ ডিক্রুজা নামে কলকাতায় কি একটিই মেয়ে আছে?

    —না নেই। কিন্তু ঐ নামটা আমাকে কেমন যেন হন্ট করছে।

    —আর আপনার দ্বিতীয় চিন্তার কারণ?

    —মাইতি হঠাৎ এত উৎফুল্ল হয়ে উঠলেন কেন?

    মিসেস বাসু বলেন, মাইতিটা কে?

    বাসু-সাহেব বুঝিয়ে বলেন, নিরঞ্জন মাইতি হচ্ছেন পাবলিক প্রসিকিউটার। অর্থাৎ কোর্টে যখন কেস উঠবে তখন নিরঞ্জন মাইতি ওঁর বিরুদ্ধে সওয়াল করবেন, সরকার পক্ষে মাইতি নাকি গতকাল বার অ্যাসোসিয়েশানের আড্ডায় বলেছেন, বাসু-সাহেব কেন যে এই বুড়ো বয়সে তাঁর নিজের রেকর্ডটা ভাঙতে এলেন! বেচারি!

    সুজাতা বলে, নিজের রেকর্ডটা ভাঙতে মানে?

    বাসু জবাব দিলেন না। জোড়া পোচের প্লেটটা টেনে নিলেন।

    রানি বললেন, উনি আজ পর্যন্ত কোনও কেসে হারেননি। মানে, মার্ডার কেসে।

    সুজাতা প্রশ্ন করে, সত্যি কথা বাসু-মামা?

    শ্রাগ করে ব্যারিস্টার বাসু বলেন, এ ফ্যাক্‌ট কান্ট বি ডিনায়েড! হ্যাঁ, ঘটনাচক্রে কোনও মার্ডার কেসেই আমি কখনও হারিনি সুজাতা। তাই আমি শুধু ভাবছি, মাইতি ও কথা বলল কেন? সে নিশ্চয়ই এমন কিছু প্রমাণ পেয়েছে, এমন সাক্ষীর খোঁজ পেয়েছে যাতে কোর্টে আমাকে হঠাৎ চমকে দেবে। সেটা যে কী, তা আমি এখনও বুঝে উঠতে পারছি না! বাট হি মাস্ট বি হ্যাভিং সামথিং আপ হিজ স্লিভ!

    মিসেস বাসু প্রসঙ্গান্তরে যাবার জন্য বললেন, কৌশিককে কোথায় পাঠালে?

    —রাঁচি।

    —রাঁচিতে কেন?

    বাসু-সাহেব দাখিল করেন তাঁর যুক্তি! পার্ক-হোটেলের আটত্রিশ নম্বর ঘরের ঐ ভদ্রমহিলা আসলে কে. সেটা তাঁকে জানতে হবে। ঐ মেয়েটার সম্বন্ধে দুজনে দু-রকম কথা কেন বলছে?

    —দুজনে দু-রকম কথা’ মানে?

    —জীবন বিশ্বাস বলছে পাশের কামরায় ডি-সিল্ভাকে সে দেখেছে এবং ঐ মেয়েটির সঙ্গে সে সুপ্রিয়কে কথা বলতেও দেখেছে। অথচ সুপ্রিয় সরাসরি অস্বীকার করছে। পাশের ঘরের ঐ মেয়েটির অস্তিত্বই না কি সে জানে না।

    —কেসটা কবে কোর্টে উঠবে?

    —চার্জ ফ্রেম করা হয়ে গেছে। প্রাথমিক শুনানিও। কেস উঠবে বৃহস্পতিবার।

    —এত তাড়াতাড়ি আপনি তৈরি হতে পারবেন?

    —তৈরি আমাকে হতেই হবে সুজাতা। আমার মক্কেল জামিন পায়নি।

    .

    সোমবার সকালে বাসু-সাহেবের জুনিয়ার প্রদ্যোৎ নাথ এসে জানাল—জীবন বিশ্বাসকে সমন করা হয়েছে স্যার; কিন্তু তার আগেই ওকে থানা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে সে একটা এজাহার দিয়ে এসেছে—

    —তাই নাকি? তা এজাহারে কী বলছে সে?

    —আমাদের কাছে যা বলেছে সেই সব কথাই। তবে ব্ল্যাক-মানির কথা স্বীকার করেনি!

    —অ্যালিবাই-এর কথা?

    —তা বলেছে। জীবনবাবু বললেন, থানা অফিসার ঐ মোকাম্বোর ব্যাপারে খুব বিস্তারিত প্রশ্ন করেছে। কখন ওঁরা আসেন, কখন যান—মায় কে কোন্ আইটেম খেয়েছেন তাও।

    —সব কথাই সে সত্যি বলেছে তো?

    —তাই তো বললেন আমাকে।

    —আর যদুপতি সিঙ্ঘানিয়া? তাকে সমন ধরানো হয়েছে তো?

    —না স্যার। তিনি বাড়ি ছেড়ে একেবারে নিরুদ্দেশ।

    —নিরুদ্দেশ! মানে? কেউ জানে না তিনি কোথায়?

    —আজ্ঞে না। আমার মনে হয় পাছে আদালতে ঐ দু-লাখ ব্ল্যাক-মানির প্রসঙ্গটা উঠে পড়ে, তাই তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।

    বাসু-সাহেব বলেন, তবে তো কেসটা আবার কাঁচিয়ে গেল।

    রাত্রের ট্রেনে কৌশিক ফিরে এল। রাঁচি থেকে সে জেনে এসেছে—মিস্টার ডি. সিল্ভাকে সত্যই আট তারিখে ওখানকার মানসিক হাসপাতাল থেকে মুক্ত করা হয়। তাকে নিয়ে যায় তারই দিদি মিস্ ডি. সিল্ভা। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ মেয়েটির যা বর্ণনা দিয়েছেন পার্ক-হোটেলের বেয়ারা হরিমোহনও তাই দিয়েছে। সুতরাং ওখানে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই।

    —কিন্তু তাহলে সুপ্রিয় কেন তার অস্তিত্বটাই অস্বীকার করছে?

    সন্ধ্যাবেলা গাড়িটা বার করে বাসু-সাহেব কৌশিককে নিয়ে চলে গেলেন চৌরঙ্গি অঞ্চলে। প্রথমে মোকাম্বো। সেখানে কিছুই সুবিধা হল না। না ওদের ম্যানেজার, না কোনও বেয়ারা—কেউ ধনকুবের যদুপতি সিঙ্ঘানিয়াকে চেনে না। সেটাই স্বাভাবিক। এমন কত লক্ষপতি আছে কলকাতা শহরে যারা নিত্য মোকাম্বোতে এসে সান্ধ্য আসর জমায়—খাদ্যে আর পানীয়ে।

    দ্বিতীয়ত পার্ক-হোটেলে। এখানে হরিমোহন বরং কিছু খবর দিতে পারল। হ্যাঁ, আটত্রিশ নম্বরের সেই মেম-সাহেবকে তার মনে আছে; তার পাগল ভাইকেও। না, সে চেঁচামেচি কিছু করত না। কেমন যেন জড়বুদ্ধি, ধন্ধধরা মানুষ। সবসময় গোঁজ হয়ে বসে থাকত একটা চেয়ারে। মেমসাহেব তাকে নিয়ে দিবারাত্র একটা গাড়িতে করে ঘুরত। তার চিকিৎসা-ব্যবস্থার জন্যই হবে হয়তো। কবে তারা চলে যায়?—বারো তারিখ সকালে। ঠিক কখন তা সে জানে না। তখন সে ওখানে ছিল না। দারোয়ান বলতে পারে।

    দারোয়ানকেও প্রশ্ন করা হল। তারও মনে আছে ওদের প্রস্থান পর্বটা। সে ঐ মেমসাহেব বা সাহেবকে আগে দেখেনি। তবে মনে আছে এজন্য যে, সাহেবটাকে প্রায় ধরাধরি করে এনে গাড়িতে তোলা হয়েছিল। তখন দারোয়ান ভেবেছিল সাহেবটা মাতোয়ালা। পরে শুনেছে—না, সে পাগল।

    —আর কিছু মনে পড়ছে না তোমার?

    —নগদ পাঁচ টাকা বকশিশ পেয়েছে দারোয়ান। অনেক চিন্তা করে বলল, আরও একটা কথা মনে পড়ছে স্যার। ঠিক রওনা হবার আগে ড্রাইভার মেমসাহেবকে বলেছিল, জি.টি. রোড খারাপ আছে। আমরা দিল্লি রোড হয়ে যাই বরং

    —ট্যাক্সি না প্রাইভেট গাড়ি?

    না, সাব, প্রাইভেট গাড়ি।

    বাসু-সাহেব মানি ব্যাগ খুলে আরও পাঁচটা টাকা ওর হাতে দিয়ে বললেন, থ্যাঙ্কু। গাড়িতে স্টার্ট দিলেন উনি। কৌশিক বললে, ব্যাপার কী? আপনি যে আজ দাতাকর্ণ! বাসু রোষ-কষায়িত নেত্রে একবার তাকালেন কৌশিকের দিকে। কোনো কথা বললেন না। বাড়িতে ফিরে এসেও নয়। সোজা ঢুকে গেলেন নিজের ঘরে। ঘণ্টাখানেক চুপচাপ বসে বাইরে গেলেন। তারপর বেরিয়ে এসে বললেন, সুজাতা, দুটো ট্রাঙ্ককল বুক করো। একটা বোম্বাই। লাইটনিং কল। নম্বর এই নাও। পি. পি. মিস্টার সি. বরুয়া। দ্বিতীয়টা বর্ধমানের সদর থানার ও. সি। ওটাও পি. পি. এবং লাইটনিং। নাম নৃপেন ঘোষাল। নম্বরটা 183 ডায়াল করে জেনে নাও।

    সুজাতা ওঁর থমথমে মুখের দিকে তাকিয়ে কোনো প্রশ্ন করল না। এগিয়ে গেল টেলিফোনটার দিকে।

    দুটি লাইনই পাওয়া গেল অল্পকালের মধ্যে। প্রথমে এল বর্ধমান।

    রিসিভারটা তুলে বাসু-সাহেব বললেন, কে নৃপেন? আমি পি. কে. বাসু; চিনতে পারছ?…হ্যাঁ, একটা উপকার করতে হবে। খোঁজ নিয়ে জানাও তো, যে, শুক্রবার বারো তারিখে বর্ধমানে সাম মিস্টার ডি. সিলভা এবং মিসেস্ ডি. সিল্ভা কোথায় উঠেছেন।…না, না একটু শোন ডিটেলস্টা। মিস্টার সিল্ভার বয়স পঁচিশ ছাব্বিশ, লম্বা একহারা। বিকৃতমস্তিষ্ক…ইয়েস, ম্যাড! তার দিদি তাকে একটা কালো অ্যাম্বাসাডরে নিয়ে যায় বারো তারিখ, বেলা আটটায়। তার মানে এগারোটা নাগাদ ওরা বর্ধমানে পৌঁছেছে। চেক অল্ দা হোটেলস্, রেস্ট হাউসেস্, অ্যান্ড য়ু নো বেটার হোয়্যার। ভাড়া বাড়িতেও উঠতে পারে। কালো রঙের অ্যাম্বাসাডারটাকে স্পট করার চেষ্টা কর বরং।…কী? না! বর্ধমান ছেড়ে যায়নি। গেলেও কাছে-পিঠে কোনোখানে আছে।…ইয়েস! খবর পেলেই আমাকে জানাবে। থ্যাঙ্কু!

    নৃপেন ঘোষাল একটি বদলি সংক্রান্ত ব্যাপারে বাসু-সাহেবের কাছে প্রভূতভাবে উপকৃত। বেচারিকে দু’ নৌকায় পা দিয়ে চলতে হয়—সরকারি চাকরি আর ডিফেন্স কাউন্সিলার প্রতাপশালী ব্যারিস্টার পি. কে. বাসু।

    দ্বিতীয় ফোনটা ধরলেন বাসু-সাহেবের বোম্বাই-প্রবাসী এক বন্ধু—চন্দ্রকান্ত বরুয়া। তাঁকে বললেন, একটু কষ্ট দিচ্ছি। বোম্বাইয়ের কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানিতে খোঁজ নিয়ে তাদের ম্যানেজার সুপ্রিয় দাশগুপ্তর স্ত্রীর সঙ্গে গিয়ে দেখা কর। বেচারি বোধহয় এখনও জানে না, তার স্বামী কলকাতায় এসে একটা বিশ্রী মামলায় জড়িয়ে পড়েছে।…কী? না, মার্ডার চার্জ! তোমাকেই বললাম ব্যপারটার গুরুত্ব বোঝাতে। তুমি মেয়েটিকে মার্ডার-চার্জের কথা বল না। আমার নাম করে বল, তার সাক্ষী খুব জরুরি দরকার। সে যেন নেক্সট অ্যাভেইলেবল প্লেনে কলকাতা চলে আসে। প্যাসেজ-মানি তার কাছে যদি না থাকে, তুমি আমার হয়ে দিয়ে দেবে। মেয়েটি যদি পারে তবে এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি নিয়ে যেন সোজা আমার বাড়িতে চলে আসে। যদি পার, তবে ওকে প্লেনে তুলে দিয়ে আমাকে একটা ফোন করো। …ইয়েস্ ইয়েস্…অল এক্সপেনসেস আর মাইন্! চিয়ারিং।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }