Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাছের কাঁটা – ৭

    ৭

    আদালতের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই কৌশিকের সঙ্গে বাসু-সাহেবের দেখা হল। ওর কাছে আদ্যোপান্ত শুনে উনি তখনই গিয়ে দেখা করলেন আসামি সুপ্রিয়র সঙ্গে। বললেন, তুমি কি শখ করে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে চাও?

    লোকটা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকল।

    —এগারো তারিখ রাত্রে মোকাম্বোতে তুমি আর যদুপতি খেতে গিয়েছিলে—তাহলে কেন বললে জীবন বিশ্বাসও তোমাদের সঙ্গে ছিল।

    —সুপ্রিয় চোখটা নিচু করে বলল, জীবনই এ পরামর্শ দিয়েছিল। বলেছিল, যদুপতি কিছুতেই সাক্ষী দিতে আসবে না। জীবন ছাড়া আর কে আমার অ্যালিবাইটা প্রতিষ্ঠিত করবে?

    —তাই বলে তোমাদের কাউন্সেলকেও তোমরা জানাবে না যে, মিথ্যে সাক্ষী দিচ্ছ?

    —আমি জানতাম আপনি এতে রাজি হবেন না!

    —হব না, তো বটেই! জীবনকে নতুন করে তালিম দিতে হবে; তাছাড়া ঐ সুকুমারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলে সেটা এতক্ষণ স্বীকার করনি কেন?

    সুপ্রিয় মাথা নিচু করে বসে রইল।

    —ওর ক্যাশে কত টাকা আছে তা টেলিফোনে জানতে চেয়েছিলে?

    মাথা নেড়ে সায় দিল সুপ্রিয়। অস্ফুটে বলল, পরদিন ছিল গুডফ্রাইডের ছুটি। ব্যাঙ্কের ভল্ট বন্ধ। সেই অজুহাতে দু’-লাখ টাকা নগদ নিতে জৈন-সাহেব রাজি হবে না আমার এই আশঙ্কা ছিল। অথচ ঐ গুডফ্রাইডের রাতের ট্রেনেই আমাদের টিকিট কাটা ছিল। তার উপর যদি জৈন-সাহেবের ক্যাশে আগে থেকেই মোটা টাকা থেকে থাকে তাহলে ছুটির দিন তিনি হয়তো মুশকিলে পড়বেন। তাই আমি জানতে চেয়েছিলাম।

    বাসু-সাহেব ধমকে ওঠেন, বেশ করেছিলে! কিন্তু আমাকে বলনি কেন?

    সুপ্রিয় অধোবদনে বসেই রইল।

    —বোম্বাইয়ে তোমায় স্ত্রীকে চিঠি লিখেছ?

    নেতিবাচক শিরশ্চালন করল সুপ্রিয়

    —তোমার স্ত্রী আজ-কালের মধ্যেই আসছে।

    একেবারে শিউরে উঠল সুপ্রিয়, সর্বনাশ! তার নাম-ঠিকানা কেমন করে পেলেন আপনি?

    —সেটা পরের কথা। সর্বনাশ কেন?

    —ও ভয়ানক নার্ভাস! সে আপনি বুঝবেন না। জীবনকে একবার আমার কাছে আনতে পারবেন?

    বাসু-সাহেব বললেন, অসম্ভব! তোমার উকিল ছাড়া আর কারও সঙ্গে এ অবস্থায় তোমাকে দেখা করতে দেবে না। তোমার স্ত্রী হলে, হয়তো দিতে পারে।

    ঠিক এই সময়েই প্রহরী এসে জানাল–আদালত এবার বসবে। বাসু-সাহেব ফিরে এলেন। কোর্টে গিয়ে বসলেন। প্রদ্যোৎকে বললেন, জীবনকে ডাক তো?

    জীবন গরুড়পক্ষীর মতো হাত দুটি জোড় করে এসে দাঁড়ায়। বাসু বলেন, তোমাকে এখনই সাক্ষী দিতে ডাকব। মোকাম্বোতে তুমি ঐ রাত্রে সুপ্রিয়র সঙ্গে খেয়েছ এ মিথ্যা কথা বলবে না, বুঝলে?

    মাথা চুলকে জীবন বলে, ঐটেই আমাদের একমাত্র ভরসা স্যার! অকাট্য অ্যালিবাই! ধমক দিয়ে ওঠেন বাসু, বেশি পণ্ডিতেমি কর না। মিথ্যে সাক্ষী তোমাকে দিতে হবে না।

    —কিন্তু স্যার আমি যে থানায় গিয়ে এজাহার দিয়ে বসে আছি।

    —সেটা অন্য জিনিস। থানায় মিথ্যে এজাহার দেওয়া, আর আদালতে হলপ নিয়ে মিথ্যে সাক্ষ্য দেওয়া সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস।

    জীবনবাবু বলে, আপনি মিছে ডরাচ্ছেন স্যার। ঐ মাইতির বাবার ক্ষমতা হবে নাজেরায় আমাকে কাত করে! আমি মোকাম্বোতে ঢুকে সব খুঁটিয়ে দেখে এসেছি কাল সন্ধ্যাবেলায়।

    বাসু-সাহেব আর কিছু বলবার সুযোগ পেলেন না। জাস্টিস ভাদুড়ী পুনরায় বিচারারম্ভ ঘোষণা করলেন। বাদীপক্ষের সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়নি। সাক্ষ্য দিতে উঠলেন ইস্টার্ন রেলওয়ের স্টাফ—বোম্বাই মেল-এর কন্ডাকটার-গার্ড হেমন্ত মজুমদার। মাইতি সাহেবের প্রশ্নে তিনি গুডফ্রাইডের সন্ধ্যায় বোম্বাই মেল-এ সি-নং ক্যুপেতে যে ঘটনা ঘটেছিল তার আনুপূর্বিক বর্ণনা দিলেন। সুজাতা ফিরে এসে যা বলেছিল হুবহু তাই।

    বাসু তাঁকে কোনো জেরা করলেন না।

    পরবর্তী সাক্ষী নেপালচন্দ্র বসু। জি. আর. পি-র ইন্সপেক্টার। তিনিও তার সাক্ষ্যে ঐ ঘটনার পাদপূরণ করলেন। বাসু-সাহেব তাঁকে ক্রস এগজামিনে প্রশ্ন করলেন, মিস্টার বোস, আপনি যখন জিজ্ঞাসা করলেন, ব্যাগটা আপনার? আর আসামি বলল, ‘হুঁ’ তখন সে কি ব্যাগটার দিকে তাকিয়ে দেখেছিল?

    —না, দেখেনি, কিন্তু তার পূর্বমুহূর্তে যখন সুজাতা বললেন, ও ব্যাগটা আমার নয়, তখন সে ব্যাগটার দিকে তাকিয়ে ছিল।

    —আপনার কি মনে হয় সেটা ভেকেন্ট লুক—মানে সে অন্য কথা ভাবতে ভাবতে ঐদিকে তাকিয়ে ছিল?

    —অবজেকশান! সাক্ষী কী মনে করেছিল তা আমরা শুনতে চাই না!—মাইতির কণ্ঠস্বর।

    —অবজেকশান সাসটেন্ড—জজসাহেবের নির্দেশ।

    —বেশ, দ্বিতীয়বার যখন আপনি প্রশ্ন করেন তখন ও অস্বীকার করেছিল? বলেছিল, ব্যাগটা, ওর নয়?

    —হ্যাঁ, তাই বলেছিল।

    —তখনও তো আপনি রিভলভারটা ব্যাগ থেকে বার করে দেখাননি?

    —না।

    —তার মানে আসামি তখনও জানত না যে, ব্যাগের ভিতর কী আছে?

    —তা কেন? আপনি ধরে নিচ্ছেন কেন যে, ব্যাগটা সে নিজেই সঙ্গে করে আনেনি?

    —আপনি কি তাই ধরে নিতে চান?

    —কেন নয়?

    —’কেন নয়’, আমার প্রশ্নের জবাব নয়। আমার প্রশ্ন ‘আপনি কি তাই ধরে নিতে চান’, ‘ইয়েস অর নো?

    — ইয়েস!

    —আপনি কি এখনই এটা ভাবছেন, না প্রথম থেকেই ওটা ধরে নিয়েছেন?

    —প্রথম থেকেই।

    —তাই বলুন। তার মানে ব্যাগটা যে আসামির এই রকম একটা পূর্বসিদ্ধান্ত প্রথম থেকে ধরে নিয়ে আপনি সাক্ষী দিতে এসেছেন? যা দেখেছেন তা বলছেন না, যা আপনার প্রথম থেকে ধরে নেওয়া পূর্ব-সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিলে যায় তাই সাক্ষী দিচ্ছেন।

    —কী আশ্চর্য! আমি কি তাই বলেছি?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। আপনি ঠিক তাই বলেছেন!— দ্যাটস্ অল্ মি লৰ্ড!

    সরকার পক্ষের সাক্ষী এখানেই শেষ।

    প্রতিবাদী পক্ষের প্রথম সাক্ষী মিসেস্ সুজাতা মিত্ৰ।

    হলপ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে উঠল সুজাতা। বাসু-সাহেব প্রশ্নের মাধ্যমে প্রমাণ করলেন, সুজাতা ঐ সি-চিহ্নিত ক্যুপেতে প্রথম প্রবেশ করে। বন্ধ দরজা খুলেই সে দেখতে পায় একজন স্যুটপরা ভদ্রলোককে। তাঁর সঙ্গে সুজাতার কী কথা হয়েছিল তা নথিবদ্ধ করা হল। ভদ্রলোকের চলে যাওয়ার সময় ব্যাগ রেখে যাওয়ার কথাও সুজাতা বলল এবং বলল—সুপ্রিয় কামরায় ঢুকেই প্রথম প্রশ্ন করেছিল, ব্যাগটা আপনার?

    মাইতি জেরা করতে উঠলেন। তাঁর প্রথম প্রশ্ন, আপনি কোথায় থাকেন সুজাতা দেবী?

    সুজাতা তার ঠিকানা দিল।

    —ঐ বাড়িতে এ মামলার প্রতিবাদী ব্যারিস্টার পি. কে. বাসুও থাকেন না?

    —হ্যাঁ, থাকেন।

    —আপনি যে ডিটেক্‌টিভ প্রতিষ্ঠানের পার্টনার তার সঙ্গে ঐ ব্যারিস্টার সাহেবের একটা পার্সেন্টেজ ব্যবস্থা আছে, না? কমিশনের ব্যবস্থা।

    —আছে।

    —অর্থাৎ এ মামলায় বাসু-সাহেব যা ফি পাবেন তার একটা অংশ আপনারও জুটবে, কেমন? সুজাতার মুখটা লাল হয়ে ওঠে।

    —বলুন, বলুন, লজ্জা পাচ্ছেন কেন? এ মামলা বাবদ কমিশন পাবেন না?

    —পাব।

    —তার মানে এ মামলায় বাসু-সাহেব জিতুন এই আপনি চান?

    —না। আমি চাই সত্যের জয় হোক!

    —চমৎকার। আর্থিক লোকসান করেও

    —ওঁর কেস জেতা-হারার সঙ্গে আমাদের কমিশনের কোনও সম্পর্ক নেই। উনি স্পেসিফিক জব’ দেন, ‘স্পেসিফায়েড ফি’ দেন। হারলেও দেন, জিতলেও দেন।

    —তাই বুঝি? আচ্ছা সুজাতা দেবী আপনি নিজে কখনও ঐ 302-ধারায় আসামি হয়েছিলেন? খুনের মামলায়?

    —না।

    —না? কিন্তু আমি যদি প্রমাণ করতে পারি-

    —উকিল হিসাবে আপনার জানা উচিত সে-ক্ষেত্রে আপনি আমার বিরুদ্ধে পার্জারির মামলা আনতে পারেন। আপনার আরও জানা উচিত আদালতের বাইরে ওকথা বললে আপনার বিরুদ্ধে আমি মানহানির মামলা আনতে পারি—সুজাতার দৃপ্ত জবাব।

    মাইতি চোখ থেকে চশমাটা খুললেন। প্রতিটি শব্দ স্পষ্ট উচ্চারণ করে বললেন, রামচন্দ্রপুরের ময়ূরকেতন আগরওয়াল হত্যা-মামলায় আপনি খুনের মামলার আসামি ছিলেন না?

    —না! আমার বিরুদ্ধে কোনো চার্জ ফ্রেম করার আগেই প্রকৃত অপরাধী ধরা পড়ে। আমার বিরুদ্ধে খুনের মামলা তো ছাড়, আদৌ কোনও চার্জ ফ্রেম করা হয়নি!

    —কিন্তু আপনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তো?

    —বাসু-সাহেব উঠে দাঁড়ান, এনাফ অব ইট! অবজেকশান য়োর অনার। এ সব প্রশ্নের সঙ্গে বর্তমান মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। অনেক আগেই আমি আপত্তি করতাম—করিনি এজন্য যে, ভেবেছিলাম—মাননীয় সহযোগীর যে-কোনো মুহূর্তে মনে পড়ে যাবে যে, সে মামলায় প্রকৃত আসামিকে গ্রেপ্তার না করে তিনি ক্রমাগত রাম-শ্যাম-যদুকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। উনি সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন— ‘লজ্জা পাচ্ছেন কেন?’ তাই ভেবেছিলাম, সে-সব কথা মনে পড়ে গেলে উনি নিজেই লজ্জায় থেমে যাবেন। কিন্তু উনি থামছেন না মি’ লৰ্ড!

    জাস্টিস ভাদুড়ী সংক্ষেপে শুধু বলেন, অবজেকশান সাসটেন্ড। আপনি অন্য প্রশ্ন করুন।

    —আমার আর কিছু জিজ্ঞাস্য নেই–বসে পড়েন নিরঞ্জন মাইতি

    এরপর সাক্ষী দিতে এলেন জীবন বিশ্বাস

    এগারো তারিখের প্রসঙ্গ আসামাত্র সে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জানিয়ে দিল ঐ দিন সন্ধ্যায় সে, আসামি এবং তৃতীয় একজনের সঙ্গে মোকাম্বোতে নৈশ-আহার করেছে।

    বাসু-সাহেবের মুখচোখে রাগে লাল হয়ে উঠল। তিনি তৎক্ষণাৎ সওয়াল বন্ধ করে বললেন, ‘দ্যাটস্ অল্ মি’ লর্ড’।

    মাইতি ডাইরেক্ট এভিডেন্সের সূত্রটি তুলে নিয়ে বললেন, জীবনে কতবার মোকাম্বোতে খেয়েছেন, জীবনবাবু?

    —ঐ একবারই স্যার।

    —ঐ এগারোই তারিখে রাত্রেই, জীবনে একবার?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ স্যার।

    —তার পরে গতকাল আপনি মোকাম্বোতে যাননি? সন্ধ্যা সাতটা পাঁচে?

    জীবনবাবুর চোয়ালের নিম্নাংশটা ঝুলে পড়ে।

    —বলুন, বলুন—আমি আপনার টনসিল দেখতে চাইছি না। কোর্টে হাস্যরোল উঠল। ঢোক গিলে জীবন বিশ্বাস বলে, গিয়েছিলাম স্যার।

    —কেন গিয়েছিলেন? হোটেলের ভিতরটা দেখে আসতে? যাতে জেরায় আপনার ঐ অ্যালিবাইটা ফেঁসে না যায়?

    সামলে নিয়েছে জীবন। বললে, আজ্ঞে না, আমি দেখতে গিয়েছিলাম যদুপতি সিঙ্ঘানিয়া ওখানে আছেন কিনা। সেই মর্মে একটা খবর পেয়েছিলাম।

    —তাই বুঝি। তাহলে মিথ্যা কথা বললেন কেন? জীবনে একবার মাত্র মোকাম্বোতে গিয়েছিলেন।

    জীবন বলে, আপনি আমার মুখে নিজের ইচ্ছে মতো কথা বসাবেন না স্যার।

    ভ্রুকুঞ্চিত করে মাইতি বলেন, তার মানে। আপনি ও কথা বলেননি?

    জীবন এতক্ষণে বেশ সহজ হয়েছে। বললে, আজ্ঞে না। আপনি প্রশ্ন করেছিলেন, ‘জীবনে কতবার মোকাম্বোতে খেয়েছেন জীবনবাবু?’ তাতে আমি বলেছিলাম, ‘ঐ একবারই স্যার’। কাল সন্ধ্যায় আমি মোকাম্বোতে খাইনি কিন্তু!

    একটা মোক্ষম আন্ডারকাট সাক্ষী অতি সুন্দরভাবে এড়িয়ে গেল সেটা এতক্ষণে অনুধাবন করলেন নিরঞ্জন মাইতি। জীবন বিশ্বাসের পিছনে টিকটিকি লাগিয়ে এমন সুন্দর একটা সূত্র আবিষ্কার করলেন, কিন্তু লোকটা পিছলে গেল। জীবন হাসি-হাসি মুখে বললে, আমিও স্যার আপনার টনসিল দেখতে চাইছি না। বিশ্বাস না হয় পেশকারবাবুকে শুধোন!

    প্রচণ্ড হাস্যরোল উঠল আদালতে।

    জোরে হাতুড়িটা ঠুকলেন জাস্টিস্ ভাদুড়ী। দর্শকদের দিকে ফিরে বললেন, আপনারা যদি আদালতের কাজে বাধা দেন তাহলে আমি আদালত ফাঁকা করে দিতে বাধ্য হব।

    তৎক্ষণাৎ নিস্তব্ধতা ফিরে এল কোর্ট-রুমে। সাক্ষীর দিকে ফিরে জাস্টিস্ বললেন, আপনি বাজে কথা বলবেন না একদম।

    হাত দুটি জোর করে জীবন বিশ্বাস বললে, টনসিলের কথাটা কিন্তু হুজুর আমি আগে তুলিনি।

    —স্টপ ইট! য়ু মে প্রসিড।

    মাইতি পুনরায় শুরু করেন, কী খেয়েছিলেন আপনারা?

    —বিরিয়ানি পোলাও, তন্দুরি চিকেন, ফ্রায়েড প্রন, সুইট অ্যান্ড সাওয়ার। ও ভুলে

    গেছি স্যার—তার আগে আমি খেয়েছিলাম চিকেন সুপ আর ডিনার রোল। সব শেষে কুলফি!

    —সবাই তাই খেয়েছিলেন।

    —আজ্ঞে হ্যাঁ ভাগ করে। ওঁরা দুজন সুপ খাননি।

    —ড্রিংকস্ নেননি?

    মাথা চুলকে জীবন বিশ্বাস বললে, আজ্ঞে আমি খাইনি স্যার। ছাপোষা মানুষ, ওসব আমার পোষায় না। আমি সুপ খেয়েছিলাম শুধু।

    —আর ওঁরা দুজন?

    —ওরা এক এক পেগ চড়িয়ে ছিলেন!

    বাসু-সাহেব দাঁতে দাঁতে চেপে বললেন, ইডিয়ট!

    মাইতিও স্বাভাবিকতা ফিরে পেয়েছেন। বড়শি-ছেঁড়া মাছটা আবার টোপ গিলেছে। এখন খেলিয়ে তুলতে হবে। বললেন, মাত্র এক এক পেগ?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ স্যার!

    —কী খেয়েছিলেন ওঁরা জানেন? না কি মদের নামও জানেন না আপনি? প্রদ্যোত বাসু সাহেবের কানে কানে বললে—অবজেকশন দিন! মামলার সঙ্গে এসবের কী সম্পর্ক? বাসু-সাহেব বললেন, ও আমার মক্কেল নয়! লোকটা আত্মহত্যা করছে। করুক, আমার কী? ব্যারিস্টার রে-সাহেব অস্ফুটে বললেন, টু!

    —কেন? বে-ফাঁস কী বলল ও?—প্রশ্ন করে প্রদ্যোৎ।

    ব্যারিস্টার রে অস্ফুটে বললেন, ডোঞ্চু ফলো ইয়াং ম্যান? ঘটনাটা গুডফ্রাইডের আগের সন্ধ্যা।

    প্রদ্যোত হালে পানি পায় না। ওদিকে আরও কয়েকটি প্রশ্নোত্তর হয়ে গেছে মাইতি তখন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কী করে বুঝলেন ইনি ব্ল্যাকনাইট হুইস্কি খেলেন, আর উনি জিন-উইথ-লাইম? একটু পরখ করে দেখেছিলেন নাকি?

    জীবন বিশ্বাস একগাল হেসে বললে, আজ্ঞে না স্যার! আমার সামনে অর্ডার দিলেন, বিল মেটালেন, আমি জানব না?

    —তা তো বটেই। তাহলে আপনি নিঃসন্দেহ যে, আসামি সে-রাত্রে জিন-উইথ-লাইম আর মিস্টার যদুপতি সিঙ্ঘানিয়া ব্ল্যাক-নাইট হুইস্কি খেয়েছিলেন?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ।

    মাইতি হেসে বলেন, এবার বলুন তো বিশ্বাস মশাই, ‘পার্জারি’ মানে কী?

    —আজ্ঞে আমি জানি না। জোলাপ নেওয়া বোধহয়।

    —কিন্তু এটা তো জানেন যে, সেটা ছিল গুডফ্রাইডের আগের সন্ধ্যা।

    —আজ্ঞে, হ্যাঁ। তা জানি বইকি।

    —সেদিন কি বার ছিল?

    —বৃহস্পতিবার।

    —কলকাতার কোনো খানদানি দোকানে বৃহস্পতিবার মদ বিক্রি হয়? টনসিলের প্রশ্নটা মাইতি আবার তুলতে পারতেন। তা কিন্তু তুললেন না তিনি। বললেন, আপনি আগাগোড়া মিছে কথা বলেছেন। মোকাম্বোতে আপনি ঐ দিন আদৌ যাননি এবং সেখানে ঐ আসামির সঙ্গে খানা খাননি। বলুন স্বীকার করুন।

    জীবন হাত দুটি জোড় করে বললে, বিশ্বাস করুন স্যার, আমি যাইনি। কিন্তু ওঁরা দুজন গিয়েছিলেন। ঐ সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত ন’টা পর্যন্ত ওঁরা ওখানে ছিলেন।

    —দ্যাটস্ অল মি’ লর্ড!—মাইতি আসন গ্রহণ করেন। তৎক্ষণাৎ এখজন সা ইন্সপেক্টর তাঁর কানে কানে কী যেন বলে! উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন মাইতি। উঠে দাঁড়িয়ে জজ-সাহেবকে একটি সাড়ম্বর ‘বাও’ করে বলেন, আদালত যদি অনুমতি করেন, তবে আমি একটি নিবেদন করতে চাই। এই মাত্র ইনভেস্টিগেটিং অফিসার আমাকে একটি চাঞ্চল্যকর সংবাদ করেছেন–যা এই মামলায় সত্য নির্ধারণে প্রভূতভাবে সাহায্য করবে। বস্তুত গত এক সপ্তাহ ধরেই আমরা অনুসন্ধান কার্য চালাচ্ছিলাম— চূড়ান্ত তথ্য এইমাত্র জানা গেছে। আদালত অনুমতি করলে আমি আর একজন সাক্ষীকে প্রসিকিউশনের তরফে সাক্ষ্য দিতে ডাকতে পারি।

    জজ-সাহেব বলেন, আদালত এটা পছন্দ করেন না। বাদীপক্ষ সম্পূর্ণপক্ষ প্রস্তুত না হয়ে মামলায় ‘ডেট’ নিলেন কেন? বিবাদী পক্ষের সাক্ষী নেওয়া হয়ে গেছে, এখন, ওয়েল—আমি রুলিং দেবার আগে জানতে চাই এ বিষয়ে প্রতিবাদীর কাউন্সেল কী বলেন?

    বাসু বলেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হ’ক এটাই আমরা চাই। আমাদের আপত্তি নেই। মাইতির আহ্বানে অতঃপর সাক্ষ্য দিতে উঠে দাঁড়ালেন সি.বি. আই-এর ফিঙ্গার প্রিন্ট এক্সপার্ট মিস্টার এম. পান্ডে। মাইতি খুশিতে ডগমগ। প্রশ্ন করেন, মিস্টার পান্ডে, আপনি ফিঙ্কার-প্রিন্ট এক্সপার্ট হিসাবে কোথায় ট্রেনিং নিয়েছেন? কতদিনের?

    —স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডে। দু’বছরের।

    —আপনাকে গত বারই এপ্রিল আসামির একটি ফিঙ্গার-প্রিন্ট দিয়ে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছিল কি?

    —হয়েছিল।

    —আসামির সেই ফিঙ্গার-প্রিন্টটি কি আপনি দয়া করে আমাদের দেখাবেন?

    সাক্ষী তাঁর ব্যাগ খুলে নম্বর দেওয়া একটি ফিঙ্গার-প্রিন্ট বার করে দিলেন। মাইতি সেটি আদালতে নথিভূক্ত করলেন—’এফ-পি-ওয়ান’ রূপে। তারপর বললেন, এবার আপনার তদন্তের ফলাফল বলুন।

    সাক্ষী জবাবে বললেন, যে, তিনি লালবাজার ফিঙ্গার-প্রিন্ট লাইব্রেরিতে বসে গত চার-পাঁচদিন ঐটা মেলবার জন্য ক্রমাগত চেষ্টা করে যান। গত পনের তারিখে তাঁর সন্দেহ হয়, একজন দাগি আসামির সঙ্গে ফিঙ্গার-প্রিন্টটি মিলে যাচ্ছে। দাগি আসামির নাম লালু, ওরফে খোকন। সে বহরমপুরের একটি ডাকাতি কেসে ইতিপূর্বে ধরা পড়েছিল আরও সাতজনের সঙ্গে। তাদের ভিতর পাঁচজনের মেয়াদ হয়—দুজন যথেষ্ট প্রমাণ অভাবে ছাড়া পায়। সেই দুজনের ভিতর একজন ঐ খোকন ওরফে লালু। ঘটনা ছয় মাস আগেকার। সাক্ষী ঐ দিনই বহরমপুরে চলে যান। সেখানকার থানায় রাখা ফিঙ্গার- প্রিন্ট-এর সঙ্গে ঐ ‘এফ-পি-ওয়ান’ ছাপটি মিলিয়ে দেখেন। দেখে নিঃসন্দেহ হন যে, বর্তমান মামলার আসামি সুপ্রিয় দাশগুপ্ত আর খোকন ওরফে লালু অভিন্ন ব্যক্তি!

    মাইতি প্রশ্ন করেন, বহরমপুর থানা থেকে কী খবর পেলেন? সেই লালু ওরফে খোকন বর্তমানে কোথায়?

    —ওঁরা তা বলতে পারলেন না। আজ ছয় সাতমাস সে বহরমপুরে যায়নি।

    —তাহলে আপনি নিঃসন্দেহ যে, খোকন ওরফে লালুই হচ্ছে ঐ আসামি সুপ্রিয়?

    —হ্যাঁ, আমি নিঃসন্দেহ!

    —আচ্ছা, এমনও হতে পারে যে দুটো ফিঙ্গার-প্রিন্ট হুবহু মিলে গেল, অথচ পরে দেখা গেল সে দুটো বিভিন্ন লোকের?

    —না, তা হতে পারে না।

    —এমন রেকর্ড কোথাও নেই?

    —না নেই!

    —কিন্তু ‘আনব্রোকেন রেকর্ডও ক্ষেত্র-বিশেষে তো ‘ব্রোকন’ হয়?

    —সাক্ষী ভ্রুকুঞ্চিত করে বলেন, আমি আপনার প্রশ্নটা বুঝতে পারছি না?

    —পারছেন না? আচ্ছা, আমি একটা উদাহরণ দিই,—হয়তো বুঝবেন কী বলতে চাইছি—ধরুন আজ আমি বিশ বছর ডিফেন্স কাউন্সেল হিসাবে প্র্যাকটিস করছি এবং এই বিশ বছরের ভিতর আমার কোনও মক্কেলের কখনও ‘কনভিকশন’ হয়নি। তখন হয়তো আমি বড়াই করে বলতে পারি, এটা হচ্ছে ‘আনব্রোকন রেকর্ড! এ রেকর্ড কখনও ভাঙা যাবে না!

    পাণ্ডে সাহেব কলকাতার লোক নন। প্রশ্নটার তীব্র ব্যঙ্গের মর্মোদ্ধার করতে পারলেন না। সহজভাবে বলে ওঠেন, তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই! সমস্ত দুনিয়া মেনে নিয়েছে দুটি মানুষের কখনও হুবহু এক রকম ফিঙ্গার-প্রিন্ট হতে পারে না।

    প্রদ্যোৎ লক্ষ্য করে দেখে বাসু-সাহেব একদৃষ্টে তাকিয়ে আছেন আসামির দিকে! যে লোকটাকে বাঁচাবার প্রতিজ্ঞা নিয়ে এসেছেন, এখন যেন তাকেই খুন করতে চান উনি! তার পরেই প্রদ্যোতের নজরে পড়ল বাসু-সাহেবের পাশের চেয়ারখানায়। সেটা ফাঁকা। বৃদ্ধ ব্যারিস্টার এ. কে. রে কখন নিঃশব্দে উঠে চলে গেছেন।

    মাইতি একেবারে বিনয়ের অবতার। ঝুঁকে পড়ে বাসুকে বলেন, য়ু মে ক্রস-এক্সামিন হিম, ইফ য়ু প্লিজ!

    বাসু উঠে দাঁড়ালেন। আদালত কর্ণময়। বার অ্যাসোসিয়েশানের অনেকেই এসেছে আজ। এমন অবস্থায় বাসু-সাহেবকে কেউ কখনও দেখেনি। সবাই উদ্‌গ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে। বাসু-সাহেব গম্ভীর স্বরে বললেন, সহযোগী পাবলিক প্রসিকিউটার যে বারো তারিখ থেকে এ জাতীয় অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন সে খবরটা তিনি এতাবৎকাল আদালতকে জানাননি। বস্তুত তদন্ত শেষ না করে মামলায় উপস্থিত হওয়া যে তাঁর পক্ষে উচিত হয়নি একথা মহামান্য আদালত ইতিপূর্বেই বলেছেন। সে যাই হোক, আমরা এ তথ্য এইমাত্র শুনলাম। তাই প্রতিবাদী পক্ষ আদালতের কাছে কিছু সময় চাইছেন।

    জাস্টিস ভাদুড়ী বলেন, আমি আপনার সঙ্গে একমত। প্রতিবাদী আগামীকাল জেরা করবেন।

    নির্ধারিত সময়ের কিছু পূর্বেই আদালত বন্ধ হয়ে গেল।

    বাসু-সাহেবের গরম লাগছিল। গাউনটা খুলে হাতে ঝুলিয়ে নিলেন। চকিতে তাকিয়ে দেখলেন পাশের চেয়ারখানার দিকে। সেটা ফাঁকা। ধীরে পদে আদালত ছেড়ে বার হয়ে এলেন। পিছন পিছন এল সুজাতা। প্রদ্যোৎ না বলে পারল না—সুপ্রিয়র সঙ্গে একবার দেখা করবেন না স্যার?

    —নো! হি ইজ্ এ ডাউন-রাইট ড্যাম্ লায়ার। এক নম্বর মিথ্যাবাদী!

    —কিন্তু যদুপতি সিঙ্ঘানিয়া তাহলে কেন ওকে

    —যদুপতি কিছু যুধিষ্ঠিরের বাচ্চা নয়! একটা ব্ল্যাকমার্কেটিয়ার! এমনও হতে পারে ঐ খোকন ওরফে লালু—অর্থাৎ সুপ্রিয়, ওর পোষা গুন্ডা। পাপের সাথী!

    কোর্ট থেকে ফিরে এলেন ওঁরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }