Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাছের কাঁটা – ৯

    ৯

    আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে আলিপুর কোর্ট। গাড়িতে যেতে দুই থেকে তিন মিনিট লাগার কথা। কিন্তু ওঁদের লাগল আধঘণ্টা। সাড়ে ন’টায় ট্যাক্সি নিয়ে বার হয়েছিলেন জেলখানার ফটক থেকে, আর আদালতের সামনে এসে যখন উপস্থিত হলেন তখন ঠিক দশটা। কারণ ছিল। জেলখানা থেকে ট্যাক্সিটা নিয়ে ওঁরা চলে এসেছিলেন ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে। গাড়িটা বাগানের ধারে রেখে ড্রাইভারের পাশে বসা বাসু-সাহেব পিছন ফিরে বলেছিলেন, একটু নেমে এস, ঐ গাছতলায় বসে কয়েকটা কথা বলব।

    পিছনের দিক থেকে সুজাতা আর সুবর্ণ নেমে পড়েছিল।

    ট্যাক্সি ড্রাইভার বলে, আমাকে ছেড়ে দিন স্যার-

    মানিব্যাগ থেকে একটা দশ টাকার নোট বার করে ওর দিকে বাড়িয়ে ধরে বাসু বলেন, এটা তোমার মিটারের উপর। আধঘণ্টা দাঁড়াতে হবে।

    ট্যাক্সি ড্রাইভার বুদ্ধিমান। তৎক্ষণাৎ বুঝে নেয়, মালদার শাঁসালো প্যাসেঞ্জার জুটেছে আজ তার বরাতে। সে কৃতার্থ হয়ে বলে, ঠিক আছে স্যার।

    ঘাসের উপর ওঁরা তিনজন বসলেন। বাসু বললেন, সুবর্ণ, বুঝতে পারছি সুপ্রিয় তোমার সঙ্গে দেখা করতে রাজি না হওয়াতে তুমি মর্মাহত হয়েছ—কিন্তু এতে তোমার দুঃখ করার কিছু নেই, এতে তোমার আনন্দিত হওয়ার কথা।

    সুজাতা অবাক হয়ে তাকায়। আসামি সুপ্রিয় দাশগুপ্ত হাজতে তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে না-চাওয়াটা বোম্বাই থেকে ছুটে আসা তার হতভাগ্য স্ত্রীর কাছে কোন্ যুক্তিতে আনন্দের হতে পারে এটা তার মাথায় ঢোকে না। বাসু-সাহেব বলে চলেন, কাল যখন কোর্ট থেকে ফিরে এসেছিলাম, তখন আমার জয়ের সম্ভাবনা ছিল শূন্য—কেসটা হারার আশঙ্কা ছিল হান্ড্রেড পার্সেন্ট। তারপর সন্ধ্যা সাতটার সময় কৌশিক একটা অদ্ভুত আবিষ্কার করে বসল। এক লাফে আমার জেতার সম্ভাবনাটা হয়ে গেল শতকরা পঁচিশ ভাগ। আজ দুরু দুরু বুকে তোমাকে নিয়ে আলিপুর জেলে এসেছিলাম। তুমি হয়তো শুনলে রাগ করবে, আমি মনে মনে ভগবানকে বলছিলাম—হে ঈশ্বর! সুপ্রিয় যেন তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে রাজি না হয়! শেষ পর্যন্ত দয়াময় আমার প্রার্থনাতে কর্ণপাত করেছেন। আয়াম হ্যাপি টু সে—ঠিক এই মুহূর্তে আমার জয়ের সম্ভাবনা সেভেন্টিভাইভ পার্সেন্ট।

    সুবর্ণ তার অশ্রুধৌত চোখজোড়া তুলে তাকায়। কথা বলে না।

    সুজাতা কিন্তু স্থির থাকতে পারে না। বলে, কী বলছেন আপনি! সুপ্রিয়বাবু আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজি না হওয়ায় আপনার এ মামলা জেতার সম্ভাবনা শতকরা পঞ্চাশ ভাগ বেড়ে গেল?

    —ইফ নট মোর!

    —কেন?

    —সেটা আমি এখন বলব না। বলতে পারি না। সুবর্ণকে আমি আশা দিয়ে হতাশ করতে চাই না। কিন্তু একটা কথা বলব সুবর্ণ, মন দিয়ে শোন—

    —বলুন?

    —আদালতে মনকে খুব শক্ত করে রেখ। যত বড় মানসিক আঘাতই আসুক তুমি ভেঙে পড়বে না। পারবে?

    সুবর্ণের চোয়ালের হাড় শক্ত হয়ে উঠল। বললে, আমাকে পারতেই হবে।

    —ধর যদি আসামির মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা হয়, ভেঙে পড়বে না?

    সুবর্ণ দাঁত দিয়ে ঠোঁটটা কামড়ে নির্বাক বসে রইল।

    বাসু-সাহেব বললেন, তোমাকে সাক্ষী দেবার জন্য ডাকব আমি। পাঁচ-সাতটা প্রশ্ন করব। কিন্তু জেরায় বিপক্ষের উকিল তোমাকে খুব নাকাল করতে চাইবে। তুমি খুব শক্ত হয়ে থাকবে আর জবাবে যা বলবে তাতে নির্জলা সত্য থেকে বিন্দুমাত্র বিচলিত হবে না। পারবে? উত্তরে তোমার স্বামীর ভাল হবে কি মন্দ হবে তা বিবেচনা করবে না—আদ্যন্ত সত্য কথা বলবে!

    —তাই বলব আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন—কোর্টে যত বড় আঘাতই আসুক না কেন আমি অটল থাকব।

    —দ্যাট্স এ গুড গার্ল। কিন্তু তারও আগে হয়তো একটা শক পাবে তুমি। কোর্টে বসার আগে, মানে তোমাকে সাক্ষী দিতে ডাকার আগে তোমার কানে কানে একটা প্রশ্ন করব আমি। তুমি আমার কানে কানে তার সত্য জবাব দেবে। এগ্রিড?

    সুজাতা বলল, এখনই সে উত্তরটা জেনে নিন না?

    —সব জিনিসেরই একটা নিজস্ব সময় আছে সুজাতা। এগ্রিড?

    — হ্যাঁ!

    —তবে ওঠো, চলো, সময় হয়ে গেছে। আদালতে-প্রাঙ্গণে ওঁরা প্রবেশ করলেন দশটায়। সেখানে বাসু-সাহেবের জন্য দুটি বিস্ময় ইতিপূর্বেই উপস্থিত। প্রথমত তাঁর পাশের চেয়ারে বসে আছেন বৃদ্ধ ব্যারিস্টার এ.কে.রে। প্রবেশপথেই দেখতে পেলেন বাসু-সাহেব। উনি ভেবেছিলেন, ব্যারিস্টার রে আজ আসবেন না। দ্বিতীয়ত প্রবেশপথেই দাঁড়িয়ে ছিল কৌশিক।

    —কী খবর?

    —কৌশিক ওঁকে হাত ধরে বারান্দার একান্তে নিয়ে গেল। নিজের হাতঘড়িতে সময়টা দেখল। দশটা বেজে এক। বললে, ভোর সাড়ে চারটেয় আসানসোল থেকে রওনা হয়েছি। মিনিট দশেক আগে এখানে পৌঁছেছি। শুনুন—জীবন বিশ্বাস ফেরার, তার এক লাখ টাকা সমেত—

    —আই নো। নেক্সট?

    — মিস.ভি. সল্ভার আস্তানা আমরা খুঁজে পেয়েছিলাম, কিন্তু সেও ভেগেছে!

    —লেট হার গো টু হেল্। তার ভাই? বিকৃতমস্তিষ্ক ছেলেটা?

    —তাকে উদ্ধার করে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি। কোর্টে বসিয়েছি। দর্শকদের গ্যালারিতে—কিন্তু সে পাগল নয় মোটেই

    কৌশিক থেমে পড়ল। কে একজন এগিয়ে এসে বললেন, জজসাহেব এসে গেছেন।

    বাসু বলেন, চলুন আমি যাচ্ছি—

    কৌশিক বলে, আসল কথাটাই আমার বলা হয়নি—

    —আসল কথাটা আমি জানি কৌশিক! তুমি মিস্টার ডি. সিল্ভার কাছে যাও। বেচারি অনেক ধকল সয়েছেন এ-কদিন। ডাক্তার দেখিয়েছিলে?

    একজন কোর্ট পেয়াদা ছুটতে ছুটতে এসে বললে, স্যার!

    —ঠিক আছে, চল।

    দ্রুত পায়ে বাসু এসে প্রবেশ করলেন। নিজ আসনের কাছে এসে জজ-সাহেবকে বাও করে বললেন, আয়ম সরি!

    জাস্টিস ভাদুড়ী বললেন, য়ু অট টু বি! আমাদের প্রতিটি মিনিট হচ্ছে পাবলিক টাইম। এনি ওয়ে। আর উই অল রেডি নাউ?

    বাদীপক্ষে নিরঞ্জন মাইতি উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, আমরা তো অনেকক্ষণ আগে থেকেই প্রস্তুত!

    —তাহলে আদালত বসছে। গতকাল মিস্টার পান্ডের ক্রস-এগজামিনেশনের আগেই অধিবেশন শেষ হয়েছিল। মিস্টার পান্ডে! টেক ইয়োর স্ট্যান্ড প্লিজ।

    সি.বি.আই অফিসার মঞ্চের উপর উঠে দাঁড়ালেন।

    জাস্টিস ভাদুড়ী বললেন, প্লিজ রিমেম্বার, য়ু আর আন্ডার ওথ ওভার-নাইট

    ফিঙ্গার-প্রিন্ট এক্সপার্ট অভিবাদন করে বলেন, আই নো মি’ লর্ড!

    বাসু-সাহেবকে ইঙ্গিত করলেন বিচারক, প্লিজ প্রসিড!

    এতক্ষণ নিম্নস্বরে কথা হচ্ছিল গুরু-শিষ্যে। ব্যারিস্টার রে সাহেব বলেছিলেন, সেজন্য কাল আমি উঠে চলে যাইনি বাসু। আমার শরীরটা খারাপ লাগছিল বলে চলে গিয়েছিলাম। হার-জিত নিয়েই জীবন! ইফ্ য়ু ক্যান টেক দ্যা পাঞ্চ, কান্ট আই সোয়ালো ইট অ্যাজ ওয়েল?

    জজ-সাহেব ‘প্লিজ প্রসিড’ বলার সঙ্গে সঙ্গে বাক্যলাপ অসমাপ্ত রেখে বাসু উঠে দাঁড়ালেন। সাক্ষীকে প্রশ্ন করেন, মিস্টার পান্ডে, আপনি কাল আপনার সাক্ষ্যে বলেছেন যে, দুটি ভিন্ন লোকের ফিঙ্গার-প্রিন্ট কোনো অবস্থাতেই হুবহু এক হতে পারে না। তাই না?

    —তাই বলেছি।

    —যেহেতু, ‘এফ-পি-ওয়ান’ আর বহরমপুর থানায় রক্ষিত ফিঙ্গার-প্রিন্ট দুটি হুবহু এক, তাই আপনি এই সিদ্ধান্তে এসেছেন, যে, কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানির ম্যানেজার সুপ্রিয় দাশগুপ্ত এবং খোকন ওরফে লালু অভিন্ন ব্যক্তি? ইয়েস অর নো?

    — ইয়েস!

    —আপনার দু’বছর স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড ট্রেনিং এই সিদ্ধান্তে আপনাকে পৌঁছে দিয়েছে?

    —হ্যাঁ তাই!

    —কিন্তু ঐ স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড ইতিহাসে কি এমন নজির নেই, যে হায়েস্ট অথরিটি অন দ্য সাবজেক্ট বলেছেন, দুটি ফিঙ্গার-প্রিন্ট হুবহু মিলে গেছে অথচ পরে প্রমাণিত হয়েছে যে দুটি বিভিন্ন লোকের ফিঙ্গার-প্রিন্ট?

    —আমি এমন কেস একটিও জানি না।

    —আপনি কি ‘চেজ এ ক্রুকেড শ্যাডো’ ফিল্‌মটা দেখেছেন?

    —অবজেক্‌শান য়োর অনার। দ্যা কোয়েশ্চেন ইজ ইররেলিভ্যান্ট, ইমপার্টিন্যান্ট এবং বর্তমান মামলার সঙ্গে সম্পর্ক বিমুক্ত।

    জাস্টিস্ ভাদুড়ী একটু নড়েচড়ে বসে বললেন, অবজেকশান সাসটেন্ড! বাট্…একটু থেমে বললেন, বিষয়টা অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক। প্রতিবাদী কাউন্সেলকে আমি রিসেস্ পিরিয়ডে এ বিষয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করতে অনুরোধ করছি। আমি ঐ ফিল্মটা দেখিনি, কিন্তু—ওয়েল, য়ু মে প্রসিড…

    বাসু-সাহেব একটা বাও করে বললেন, ‘চেজ এ ক্রুকেড শ্যাডো’ ফিল্‌মটা বর্তমান মামলায় অপ্রাসঙ্গিক, কিন্তু সহযোগী তাঁর ডাইরেক্ট এভিডেন্সে রামচন্দ্রপুরে আগরওয়াল হত্যার মামলার প্রসঙ্গ এনেছিলেন। সে মামলায় বর্তমান বিচারকই বিচার করেছিলেন, এবং আমার সহযোগী আইনজীবীই পাবলিক প্রসিকিউটার ছিলেন। আশা করি আপনাদের মনে আছে, সেখানেও দুটি ফিঙ্গার-প্রিন্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ হুবহু এক বলে সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে প্রমাণিত হয়েছিল সে দুটি ভিন্ন ব্যক্তির!

    নিরঞ্জন মাইতি বলেন, সেটা ছিল অন্য ব্যাপার, তাতে ফিঙ্গার-প্রিন্ট সায়েন্সটা ভুল প্রমাণিত হয়নি।

    জাস্টিস ভাদুড়ী বলেন, আমি বাদীর সঙ্গে একমত যাই হোক, আপনি জেরা চালিয়ে যান। বাসু-সাহেব বলেন, মিস্টার পান্ডে, আজ যদি আমি প্রমাণ করি আসামি সুপ্রিয় দাশগুপ্ত খোকন ওরফে লালু নয়, তবে কি আপনি মেনে নেমেন ফিঙ্গার-প্রিন্ট সায়েন্সটা ভুল?

    —এটা আপনার পক্ষে প্রমাণ করা সম্পূর্ণ অসম্ভব।

    —ওটা আমার প্রশ্নের জবাব নয়। সে, ইয়েস অর নো।

    — ইয়েস!

    বাসু হেসে বলেন, য়ু শুড বেটার হ্যাড সে ‘নো’! তাই কিন্তু প্রমাণ করব আমি! মাইতি উঠে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিবাদ জানাতে। তার আগেই বাসু বলেন, দ্যাটস্ অল মি’ লর্ড! তারপর মহামান্য বিচারককে সম্বোধন করে বলেন, আদালত অনুমতি করলে আমি আমার পরবর্তী সাক্ষীকে ডাকতে পারি!

    মাইতি একটা স্বগতোক্তি করেন, এর পরেও!

    জাস্টিস্ ভাদুড়ী তাঁর দিকে কঠিন দৃষ্টিপাত করলেন; বাসুকে বলেন, ইয়েস, প্রসিড!

    —আমার পরবর্তী সাক্ষী মিসেস সুবর্ণ দাশগুপ্তা।

    —মিসেস সুবর্ণ দাশগুপ্তা হাজির?

    সুবর্ণ সুজাতার পাশ থেকে উঠে দাঁড়ালো সাক্ষীর মঞ্চে। অচঞ্চল দীপশিখার মতো।

    —আপনার নাম?

    —মিসেস সুবর্ণ দাশগুপ্তা।

    — স্বামীর নাম?

    —মিস্টার সুপ্রিয় দাশগুপ্ত।

    —আপনার স্বামী কী কাজ করেন?

    —বোম্বাইয়ের কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানির ম্যানেজার।

    —কতদিন বিয়ে হয়েছে আপনাদের?

    — দু’বছর।

    —হিন্দু-ম্যারেজ না রেজিস্ট্রি ম্যারেজ?

    —রেজিস্ট্রি ম্যারেজ।

    —আপনার স্বামী বর্তমানে কোথায় আছেন?

    —আমি জানি না।

    —অবজেক্‌শান য়োর অনার! জানেন না মানে কী?—লাফিয়ে ওঠেন মাইতি। জাস্টিস ভাদুড়ী ভ্রুকুটি করেন। একবার সাক্ষী একবার বাসু-সাহেবের দিকে তাকিয়ে দেখেন। বাসুকে কিছু বলতে যান, তারপর মনস্থির করে মাইতিকেই বলেন, অবজেকশান অন হোয়াট গ্রাউন্ডস্?

    —ওঁর স্বামী জলজ্যান্ত চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, আর উনি বলছেন ‘জানি না’!

    জাস্টিস ভাদুড়ী বাসু-সাহেবের দিকে ফিরে বলেন, আপনি কিছু বলবেন?

    —আমি কী বলব? আমি তো শুনছি এখন। আমি সাক্ষীকে প্রশ্ন করেছি, তিনি জবাব দিয়েছেন। সহযোগী ‘অবজেকশান’ দিয়েছেন, তার কারণ দেখাচ্ছেন না। এখন কী বলতে পারি আমি?

    —য়ু আর পারফেক্টলি রাইট টেকনিকালি—জজসাহেব মাইতির দিকে ফিরে বলেন, কী আপত্তি এ প্রশ্নোত্তরে তা তো বলবেন?

    —এ তো ডাহা মিথ্যে কথা—ফুঁসে ওঠেন মাইতি!

    —সো হোয়াট! সেটা জেরায় প্রমাণ করবেন। মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য সাক্ষীর বিরুদ্ধে মামলা আনতে পারেন, অনেক কিছু করতে পারেন; কিন্তু বর্তমান মামলায় বাধা দিচ্ছেন কোন অধিকারে?

    মাইতি অসহায়ভাবে বসে পড়েন।

    বাসুর পরবর্তী প্রশ্ন, এই কোর্ট রুমে আপনার স্বামী উপস্থিত আছেন?

    সাক্ষী দর্শকমণ্ডলীর উপর দৃষ্টি বুলিয়ে বলেন, আমি জানি না। দেখতে পাচ্ছি না। মাইতি উঠে দাঁড়ান। আবার বসে পড়েন।

    বাসু তাঁর বাঁ হাতটা বাড়িয়ে বলেন, আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো ঐ লোকটাকে ভালভাবে দেখুন…বলুন, ঐ লোকটাকে আপনি ইতিপূর্বে জীবনে কখনও দেখেছেন?

    —না!

    মুহুর্মুহু হাতুড়ির আঘাত সত্ত্বেও কোর্টরুমে নিস্তব্ধতা ফিরে আসতে পুরো এক মিনিট লাগল। জাস্টিস্ ভাদুড়ী এবার কিন্তু কাউকে ধমকালেন না।

    বাসুর পরবর্তী প্রশ্ন, কাঠগড়ায় ঐ লোকটা আপনার বিয়ে করা স্বামী, কাপাডিয়া, কাপাডিয়া কোম্পানির ম্যানেজার সুপ্রিয় দাশগুপ্ত, এম. এ. নয়?

    —না!

    মাইতি আর আত্মসম্বরণ করতে পারেন না। লাফিয়ে ওঠেন, দিস ইস্ প্রিপস্টারাস মি’ লর্ড! এসব ওঁর অতি-নাটকীয় প্যাচ!

    বাসু একধাপ এগিয়ে এসে উচ্চকণ্ঠে বলেন, মাননীয় আদালতের কাছে আমার একটি আর্জি আছে! যেহেতু এ পর্যন্ত বিচার আমার মক্কেল সুপ্রিয় দাশগুপ্তের অনুপস্থিতি সংঘটিত হয়েছে তাই আমি এ মামলার আদ্যন্ত নাকচ করবার প্রার্থনা জানাচ্ছি!

    বিচারকক্ষে পুনরায় গন্ডগোলের সূত্রপাত হতেই জাস্টিস্ ভাদুড়ী একবার জোরে হাতুড়ির আঘাত করেন। স্তব্ধতা ফিরে আসে। বিচারক বলেন, যেহেতু এখনও চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি যে, আপনার মক্কেলের অনুপস্থিতিতে এ মামলার অধিবেশন হয়েছে তাই আপনার প্রার্থনা এখনই মঞ্জুর করা যাচ্ছে না! য়ু মে প্রসিড!

    —দ্যাটস্ অল মি’ লর্ড!—বাসু মাইতিকে বলেন, য়ু মে ক্রস-এক্সামিন হার

    আহত সিংহের মত লাফ দিয়ে ওঠেন মাইতি। নাটকীয়ভাবে সাক্ষীর সামনে এগিয়ে এসে বলেন, আপনি বললেন যে, ঐ লোকটা আপনার স্বামী নয়?

    —তাই বলছি!

    —তাহলে আপনার স্বামী কে?

    —সুপ্রিয় দাশগুপ্ত!

    —ঐ উনিই তো সুপ্রিয় দাশগুপ্ত!

    —হতে পারে ওঁরও তাই নাম, কিন্তু উনি আমার স্বামী নন! মাইতি অসহায়ভাবে মাথা নাড়েন। বলেন, রাতারাতি কোথা থেকে আমদানি হলেন আপনি?

    —অবজেকশান য়োর অনার! সহযোগীর প্রশ্নের ভাষায় আমার আপত্তি।

    —অবজেকশান সাসটেইন্ড! আপনি সংযত ভাষায় প্রশ্ন করুন।

    —আপনার কটা বিয়ে?

    —অবজেকশান! সহযোগী আদালতের নির্দেশ মানছেন না। তাঁর ভাষা এখনও অশালীন! জাস্টিস ভাদুড়ী মাইতিকে ধমক দেন, আপনি আপনার ভাষাকে সংযত করুন, না হলে ব্যাপারটা আমি আপনাদের বার-অ্যাসোসিয়েশানকে জানাতে বাধ্য হব!

    মাইতি কিছু বলতে গেলেন। পারলেন না। মরিয়া হয়ে বললেন, আমি সময় চাইছি মি’ লর্ড। এ মেয়েছেলেটা কে, সে খবরটা—

    —অবজেকশান। এই ভদ্রমহিলাকে বলুন!

    মাইতি প্রায় তোতলা হয়ে গেলেন।

    জাস্টিস ভাদুড়ী বলেন, আপনারা দু-পক্ষ যদি রাজি থাকেন তাহলে আমি দশ মিনিটের জন্য কোর্ট স্থগিত রেখে আমার চেম্বারে আপনাদের দুজনের সঙ্গে ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ করতে চাই। আফটার অল, আমাদের উদ্দেশ্য সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা।

    বাসু বলেন, আমি রাজি, কিন্তু তার আগে আমি একটা কাজ করতে চাই। আমি জানি, ঐ ভদ্রমহিলার স্বামী এই আদালতে উপস্থিত আছেন। তাঁর জীবন সংশয়। তাঁকে শনাক্ত করে সর্বপ্রথম পুলিশের জিম্মায় দেওয়ার প্রয়োজন। আপনি কি ব্যাপারটা আমার হাতে ছেড়ে দেবেন?

    —ইয়েস! ডু অ্যাজ্ য়ু প্লিজ!

    বাসু-সাহেব দর্শকমণ্ডলীর দিকে তাকিয়ে বললেন, মিস্টার সুপ্রিয় দাশগুপ্ত, ম্যানেজার, কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানি, যদি এ আদালতে উপস্থিত থাকেন তবে দয়া করে উঠে দাঁড়ান।

    —দেখা গেল ভিড়ের মধ্যে একজন একহারা ফর্সা ভদ্রলোক উঠে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরও বড় বড় জুলফি আছে। কিন্তু কোনো মুর্খই তাঁকে আসামির যমজ ভাই বলে ভুল করবে না—চেহারার সাদৃশ্য থাকা সত্ত্বেও।

    —আপনি এগিয়ে আসুন!

    ধীর পদক্ষেপে ভদ্রলোক এগিয়ে আসেন।

    —আপনিই সুপ্রিয় দাশগুপ্ত—ম্যানেজার, কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানি?— প্রশ্ন করেন বাসু!

    ——হ্যাঁ!

    —সাক্ষীর মঞ্চে দাঁড়ানো ঐ সুবর্ণ দাশগুপ্তা আপনার স্ত্রী?

    লোকটা মুখ তুলে তাকাল। দেখলো চোখের জলে ভেসে যাচ্ছে সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো মেয়েটি। সে কিন্তু স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। লোকটা বললে, হ্যাঁ, আমার স্ত্রী!

    মাইতি বললেন, কিন্তু এটা আমরা মেনে নিতে রাজি নই। এরা দুজনেই জাল হতে পারে! সমস্ত ব্যাপারটাই একটা মেলোড্রামাটিক হচপচ হতে পারে।

    জাস্টিস ভাদুড়ী বললেন, মিস্টার বাসু, আপনি কি কোনো পথ দেখাতে পারেন যাতে প্রমাণ করা যায়—এঁরা দুজন সত্যি কথা বলছেন, অর্থাৎ আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো ঐ লোকটা সুপ্রিয় দাশগুপ্ত নয়?

    —কিছু সময় পেলে নিশ্চয় পারব, কিন্তু ঠিক এই মুহূর্তেই সেটা কেমন করে সম্ভব?

    —ভুল বললে বাসু! এই মুহূর্তেই সেটা প্রমাণ করা সম্ভব। সকলের দৃষ্টি গেল ডিফেন্স কাউন্সেলারদের চিহ্নিত কোনাটায়। উঠে দাঁড়িয়েছেন অশীতিপর বৃদ্ধ ব্যারিস্টায় এ.কে. রে। তিনি একটি বাও করে বলেন, আদালত যদি আমাকে অনুমতি দেন—আমি পাঁচ মিনিটের ভিতর চূড়ান্তভাবে সমাধান করে দেব সমস্যাটা-

    জাস্টিস্ ভাদুড়ী বলেন, ইয়েস! প্লীজ ডু ইট!

    —মিস্টার পান্ডে এখানে উপস্থিত। তিনি এই দু-জনের ফিঙ্গার-প্রিন্ট নিন। এখনই! তারপর ঐ নথিটা দিন। পিপলস্ এক্সিবিট নম্বর সেভেন। ওটা হচ্ছে সাদার্ন অ্যাভিন্যুর একটা বাড়ির বিক্রয়-কোবালা। বিক্রেতা পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি হোল্ডার সুপ্রিয় দাসগুপ্ত। সাড়ে চার লাখ টাকার সম্পত্তি বিক্রয় করতে হলে সই ছাড়াও টিপছাপও দিতে হয়। মিস্টার পান্ডে ওটা দেখে পাঁচ মিনিটের ভিতর শনাক্তকরণ চূড়ান্তভাবে করে দিতে পারবেন।

    আধঘণ্টার জন্য কোর্ট অ্যাডজার্ন করে জজ-সাহেব তাঁর খাশ কামরায় চলে গেলেন। সেখানে ডাক পড়ল বাসু মাইতি এবং এ.কে.রে-র। ইতিমধ্যে পান্ডে-সাহেব তাঁর পরীক্ষাকার্য করে জানিয়েছেন, আসামি আর যেই হোক মোহনস্বরূপ কাপাডিয়ার ওকালতনামাধারী সুপ্রিয় দাশগুপ্ত নয়। দর্শকের আসন থেকে যে ভদ্রলোক উঠে দাঁড়িয়েছিলেন তিনিই তাই।

    জাস্টিস ভাদুড়ী বলেন, মিস্টার বাসু, আপনি যদি ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে দেন, তাহলে মামলাটার—অবশ্য মামলার নিষ্পত্তি তো হয়েই গেছে। আপনার মক্কেলের অনুপস্থিতিতে—

    মাইতি বলেন, তা কেন! ওঁর মক্কেল তো ঐ আসামি! তার অপরাধ তো প্রমাণিত হয়েছে—

    —না হয়নি!—বাধা দিয়ে বলেন এ. কে. রে—মামলায় তাকে অসংখ্যবার ম্যানেজার, কাপাডিয়া অ্যান্ড কাপাডিয়া কোম্পানি বলে আপনি উল্লেখ করেছেন। সে তা নয়। সে পুনর্বিচার দাবি করতে পারে আইনত।

    বাসু-সাহেব বলেন, সে সব কথা পরে। আপাতত এই নিন আমার দরখাস্ত। বর্তমান মামলার আসামি খোকন ওরফে লালু আমার মক্কেল নয়। স্টেট-ভার্সেস সুপ্রিয় দাশগুপ্তের মামলা ডিস্‌মিস্ হয়েছে জানলেই আমার ছুটি!

    জাস্টিস্ ভাদুড়ী বলেন, মামলা তো ডিমিস্ হয়েই গেছে। শুধু আমার অ্যানাউন্স করা বাকি। কিন্তু রহস্যটা যে কিছুই পরিষ্কার হল না বাসু-সাহেব।

    বাসু হাত দুটি জোড় করে বলেন, আমার এক অনুগত ভক্ত আছে। সে গোয়েন্দা গল্প লেখে। কিছুদিনের মধ্যেই তার লেখা ছাপা বই বাজারে বেরুবে। আপনাকে না হয় এক কপি কমপ্লিমেন্টারি পাঠিয়ে দিতে বলব।

    উঠে দাঁড়ান তিনি।

    এ. কে. রে মাইতির দিকে ফিরে বললেন, আপনার নিমন্ত্রণে এসেছিলাম। আই এঞ্জয়েড ইট থরলি! আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

    মাইতির মুখটা কালো হয়ে গেল। তবু কাষ্ঠ-হাসি হেসে শুধু বললেন, হেঁ হেঁ!

    জাস্টিস্ ভাদুড়ী বললেন, অনেকদিন পরে আপনাকে দেখলাম রে-সাহেব। শরীর ভাল তো?

    —ভাল না থাকলে পর পর দুদিন অ্যাটেন্ড করি?

    জাস্টিস্ ভাদুড়ী বলেন, বারওয়েল দ্য সেকেন্ড রিটায়ার করায় কলকাতার ‘বার’ কিন্তু কানা হয়ে গেছে রে-সাহেব।

    রে বললেন, আই বেগ ডিফার। নূতন সূর্যের উদয় হয়েছে কলকাতার বারে—’পিয়ারি-ম্যাসন অফ দ্য ইস্ট!’ অর্থাৎ সাদা বাংলায় : পূর্বাঞ্চলের ‘মেরে পেয়ারী বাস্তুকার’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }