Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাটির দেওয়াল – ৫

    ৫

    শিরীষ মেয়েকে ফোন করল।

    “তারা, বাড়িতে কবে আসছিস?”

    দোতারা বলল, “দিন দশেকের আগে নয় বাবা। খুব চাপে আছি। মনে হচ্ছে, সামনের সেমেস্টারে ফেল করব। মনে হচ্ছে বলা ভুল, করবই। ফেল করলে খুবই সমস্যা হবে। প্রথমেই স্কলারশিপ ঘ্যাচাং হবে। তোমার কাছে হাত পাততে হবে।”

    শিরীষ হাসল। দোতারা এই কথা ছোটবেলা থেকে বলে আসছে। হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষার আগের দিন গায়ে চাদর মুড়ি দিয়ে বেলা পর্যন্ত ঘুমোচ্ছিল। সোমদত্তা অধীর হয়ে বলল, “কী রে, তোর না কাল ফিজ়িক্স পরীক্ষা? এখনও ঘুমোচ্ছিস!”

    ঘুম জড়ানো গলায় দোতারা বলেছিল, “ফেল নিশ্চিত, তাই পড়ে সময় নষ্ট করব না মা। আমাকে ঘুমোতে দাও। খুব টেনশন হলে তুমি আমার বইগুলো নিয়ে রিভাইজ় করো।”

    মেয়ের কথা শুনে সোমদত্তার তো মাথার চুল ছেঁড়ার মতো অবস্থা। মেয়ে এসব কী বলছে! তখনই শিরীষকে ফোন করে বসে। শিরীষ ছিল অফিসে।

    “সোম, আমি একটা মিটিং-এ ঢুকব। কঠিন কোনও সমস্যা না হলে পরে কথা বলি?”

    সোমদত্তা চাপা গলায় ধমক দিয়ে ওঠে, “রাখো তোমার মিটিং। মেয়ে বলছে সে নাকি ফিজ়িক্সে ফেল করবে। ফিজ়িক্সে গোলমাল করার অর্থ বুঝতে পারছ? গোটা কেরিয়ারটা নষ্ট।”

    শিরীষ অবাক হয়ে বলেছিল, “ফিজ়িক্সে কম নম্বর হলে জীবন নষ্ট এমন কথা তোমায় কে বলেছে সোম! পৃথিবীতে এমন বহু মানুষ আছে যারা ফিজ়িক্স পড়েনি। তারা এক-একজন মনীষী।”

    সোমদত্তা দাঁত কিড়মিড় করে বলে, “তোমার মেয়ে কোনও মনীষী নয়, সে একজন অতি সাধারণ ছাত্রী। স্কুলের হাবিজাবি পরীক্ষায় ফার্স্ট সেকেন্ড হওয়া কোনও ঘটনা নয়। এমন বহু ছেলেমেয়ের খবর আমি জানি, যারা পরে ফ্যা ফ্যা করে ঘুরে বেড়ায়। ফার্স্ট সেকেন্ড হওয়া মার্কশিট চিবিয়ে খায়। আসল হল হায়ার সেকেন্ডারি। সেখানে না পারলে অতীতের সব রেজ়াল্টে চোনা পড়ে যাবে। তুমি জানো না?”

    শিরীষ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, “মনে হয় জানি না। অত বড় বাপ পরীক্ষা তো আমি দিইনি।”

    সোমদত্তা হিসহিসিয়ে বলে, “রসিকতা বন্ধ করো। এটা তোমার কবিতা লেখা বা ছবি আঁকা নয়। তারা বলছে, সে নাকি ফেল করবে।”

    শিরীষ সহজভাবে বলে, “একথা তো দোতারা ছোটবেলা থেকে বলে। এত টেনশন করছ কেন!”

    সোমদত্তা অবাক গলায় বলে, “সেই বলা আর এখন বলা এক হল! তোমার কি মাথা পুরো গিয়েছে? মেয়ে চাদরমুড়ি দিয়ে ঘুমোচ্ছ। বলছে, পড়ে সময় নষ্ট করে লাভ নেই, তার চেয়ে ঘুমোই!”

    শিরীষ নিশ্চিন্ত গলায় বলল, “ভেরি গুড। পরীক্ষার আগে যদি কেউ না ঘুমিয়ে টেনশন করে তা হলে সেটা চিন্তার। আমি তো পরীক্ষার আগের দিন নাইট শো-তে সিনেমা দেখতে যেতাম।”

    সোমদত্তা আবার চাপা ধমকে বলল, “বাজে কথা থামাও। আমি ছুটি নিয়ে বাড়িতে বসে আছি, টেনশনে পাগল পাগল অবস্থা, আর যার পরীক্ষা সে ঘুমোবে?”

    শিরীষ বলল, “সোম, মেয়েকে নিয়ে আমার কোনও চিন্তা নেই। সে পরীক্ষায় ভাল করবেই, তুমি আজই অফিসে জয়েন করো। নইলে তোমাকে নিয়ে চিন্তায় পড়তে হবে দেখছি।”

    সেই পরীক্ষায় দোতারা ফিজ়িক্সে ফুল মাকর্সের চেয়ে মাত্র তিন নম্বর কম পেয়েছিল। তাই সেদিন যখন ‘সেমেস্টারে ফেল করব’ বলল, শিরীষ হেসে ফেলল। এত বড় হয়েও অভ্যেস যায়নি।

    দোতারা বলল, “হাসছ কেন?”

    শিরীষ বলল, “ফেল করলে ভালই হবে, ফেল কাকে বলে বুঝতে পারবি। জীবনে ফেল বোঝার প্রয়োজন রয়েছে। তোর সঙ্গে একটা জরুরি কথা আছে। জরুরি এবং ইন্টারেস্টিং।”

    দোতারা বলল, “জরুরি হলে নেই, ইন্টারেস্টিং হলে আছি। তোমার কাছ থেকে বহুদিন ইন্টারেস্টিং কিছু শোনা হয় না। তুমি কি আমাকে বাড়ি যেতে বলছ? ডিনারে কথা হবে? ইন্টারেস্টিং টক উইথ ওয়াইন?”

    শিরীষ একটু চুপ করে থেকে বলল, “না, বাড়িতে আসতে বারণ করছি।”

    দোতারা অবাক গলায় বলল, “বাড়িতে যেতে বারণ করছ! তা হলে মনে হচ্ছে কথা খুবই ইন্টারেস্টিং।”

    শিরীষ বলল, “তোর মায়ের সামনে বলা যাবে না। বাইরে কোথাও বসব। কোনও রেস্টুরেন্টে বা কফিশপে। ক্লাবেও যেতে পারি… না, ক্লাব বাদ। হাজারটা চেনা লোককে হ্যালো হাই করতে করতে সময় কেটে যাবে।”

    দোতারা উচ্ছ্বসিত গলায় বলেছিল, “ফ্যান্টাস্টিক। পিতা-পুত্রীর গোপন বৈঠক। তবে বাবা, লাঞ্চেই যাই। অনেকদিন ভালমন্দ খাইনি।”

    ফাইভ স্টার হোটেলের এক রেস্টুরেন্টে বসেছিল দু’জনে। খাবার নেওয়ার পর শিরীষ মেয়েকে ঘটনা সব বলল। হঠাৎ করে বড়মামার টেলিফোন থেকে নাওডুবিতে গিয়ে জমি দেখে আসা পর্যন্ত সবটাই। ভাল ছাত্রের মতোই দোতারার গুণ হল, কথার মধ্যে সে কিছু বলে না। মন দিয়ে শোনে। এখনও তাই হল। শিরীষ থামলে বলল, “আমি মায়ের মুখে হালকা শুনেছি, কী একটা জমিটমি …কানে গিয়েছে, মনে নিইনি। জমি, বাড়ি, গাড়ি, চাকরি, বিদেশ নিয়ে মা আজকাল বড্ড ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এসবের বাইরে বেরোতে পারে না। চায়ও না। অফিসের প্রোমোশন নিয়েও আমার কাছে পর্যন্ত গজগজ করে, যেন মায়ের অফিসের বস আমার মেজকাকা, আমি বলে দিলেই টক করে মাকে একটা লিফ্‌ট দিয়ে দেবে। সেই কারণেই মায়ের মুখে জমি-কাহিনি শুনতে আগ্রহ বোধ করিনি। পরে দেখলাম, তুমি যাতায়াত করছ। গিয়ে থাকতেও শুরু করেছ। মায়ের ফোঁসফোঁসানি শুনছি, গালাগালি শুনছি। সল্টলেকে দিদিমার কাছে চলে যাওয়াও দেখছি। মাথা ঘামাইনি। এখন দেখছি ঘটনা গল্পের মতো। ছপ্পড় ফুঁড়ে এতটা প্রপার্টি পেয়ে গেলে?”

    শিরীষ বলল, “ঘটনা গল্পের মতো হলেও, আমি আর সেটাকে গল্প রাখতে চাই না দোতারা। বাস্তবে এনে ফেলতে চাই। ইতিমধ্যে অনেকটা এনে ফেলেছি। যাকে বলে, হার্ড রিয়েলিটি।”

    দোতারা খেতে ভালবাসে। তার বন্ধুরা খাওয়ার বিষয়ে এই বয়স থেকেই হিসেবনিকেশে চলে গিয়েছে। কোনটা খাব, কতটা খাব, খেলে কতটা চর্বি জমবে, সেই সব হিসেব। রেস্টুরেন্টে গেলে মেনু কার্ড নিয়ে যোগবিয়োগ করে। ফ্যাট, কোলেস্টরলের যোগবিয়োগ। দোতারা বলে, “তোরা খাওয়া নিয়ে মাথা ঘামা, আমার কোনও চাপ নেই। আমি একজন অ্যাস্ট্রলজারকে হাত দেখিয়েছি। তিনি বলেছেন, চিন্তা নেই, তোমার মিস ইন্ডিয়া হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না। মিস ইউনিভার্সও হয়ে যেতে পারবে। আমি বললাম তার জন্য কি আমাকে কম খেতে হবে? ভোরে উঠে জিমে ছুটতে হবে? তা হলে ছেড়ে দিন। সুন্দরী স্কিম থেকে সরে অন্য কোনও স্কিমে কেরিয়ার করা যায় কিনা দেখুন। খাওয়াদাওয়া, ঘুমে আমি কোনওরকম স্যাক্রিফাইস করতে পারব না। জ্যোতিষী বললেন, বলছি তো চিন্তা নেই। কোনও কষ্ট করতে হবে না। তুমি নাকে তেল দিয়ে ঘুমোবে। একটা মাদুলি দিয়ে দিচ্ছি। সেটা পরতেও হবেনা, বাড়িতে আলমারিতে রেখে দিলেই হবে। মাদুলির নাম সুন্দরীধ্রষ্টা মাদুলি। এতেই যা হওয়ার হবে। আমি ঘাবড়ে গিয়ে বললাম, সুন্দরীধ্রষ্টা মাদুলি! সে আবার কী? উনি বললেন, সুন্দর থাকাকে ধরে রাখতে জানে বলে মাদুলির নাম সুন্দরীধ্রষ্টা। সুন্দরীধ্রষ্টা কাছে থাকলে ছিপছিপে ফিগার, টিকোলো নাক, ফরসা চোখ কোনও ব্যাপার নয়। আমি মাদুলি কালেক্ট করেছি। সো মাই ডিয়ার ফ্রেন্ডস্, তোরা খাস না খাস, আমি পেট এবং মন ভরে খাব।”

    বাবার সঙ্গে বসেও দোতারার প্লেট ভরিয়ে খাবার নিতে অসুবিধে হল না।

    “গল্পকে হার্ড রিয়েলিটি করবে। সেটা কীরকম?”

    শিরীষ খাবার মুখে নিয়ে বলল, “আমি ওই জমি বেচব না ঠিক করেছি। চাষবাস করব। দাদু যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাকে সত্যি করব। কাজ শুরু হয়েছে।”

    দোতারা খাওয়া থামিয়ে চোখ বড় বড় করে বলল, “ওয়ান্ডারফুল! এই না হলে দোতারা মুখার্জীর বাবা? সাধে কি আমি তোমার প্রেমে পাগল ডার্লিং! গালটা বাড়াও, একটা চুমু খাই।

    শিরীষ খুশি হল। মেয়ে তার প্রজেক্ট সমর্থন করবে সেটা জানত। কিন্ত কতটা করবে সেটা বুঝতে পারছিল না। নিস্পৃহভাবে? নাকি উচ্ছাস নিয়ে? যদিও এখনও কিছু কঠিন সিদ্ধান্তের কথা বলা বাকি রয়েছে।

    দোতারা ছেলেমানুষের মতো আবদার করে বলল, “বাবা, আমি ওই জমি দেখতে যাব…আজই যাব…”

    শিরীষ হেসে বলল, “এখন খাও। তোমার মা যদি জানে তোমাকে নাওডুবি নিয়ে গিয়েছি তা হলে আর দেখতে হবে না।”

    দোতারা হাত নেড়ে বলল, “মা জানবে না। প্লিজ় বাবা, প্লিজ়। আমার বেশ থ্রিলিং লাগছে।”

    শিরীষ শান্ত গলা বলল, “আচ্ছা নিয়ে যাব। কিন্তু এটা থ্রিলড হওয়ার কোনও বিষয় নয় দোতারা। আমি বিষয়টাকে কোনও অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে দেখছি না, দেখছি সিরিয়াস কাজ হিসেবে। তুই বড় হয়েছিস, তোকে বলতে কোনও অসুবিধে নেই। অনেকদিন কেরিয়ারের র‍্যাট রেসে দৌড়োলাম। অনেক দূর উঠেছিও। বিদেশে চলে গেলে আরও টাকা পয়সা, প্রতিপত্তি হবে। কোম্পানি আমাকে ফিলাডেলফিয়ায় পাঠাবে বলে ভেবেছে। সেখানকার অফিসে বসাবে। দু’-একমাস পরে আমাকে মুম্বই ডেকে ফাইনাল করবার কথা। কিন্তু আমার এ জীবন আর ভাল লাগছে না। দমবন্ধ লাগছে, হাঁপিয়ে পড়ছি। মনে হচ্ছে, এবার এমন কিছু করব যা নিজের ভাল লাগে। এরপর আর পারব না। বয়স বেড়ে যাবে। কী জানি অসুখ বিসুখ চেপে ধরবে কিনা। সংসারের জন্য, নিজের বাড়ি-গাড়ির জন্য অনেক তো হল। তুই আমার একমাত্র সন্তান, সেই সন্তান এখনই নিজের পায়ে অনেকটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিস। তারপরেও ব্যাকআপ থাকবে। তোর নামে ফিক্সড রেখে দিচ্ছি। তোর মা-ও চাকরি করছে। আমার উপর তোরা আর পুরো ডিপেন্ডেন্ট নোস। কিছু সেভিংসও তো রয়েছে। তিরিশটা বছর তো এভাবে কাটালাম। এই জমি আমাকে একটা অদ্ভুত সিচুয়েশনের সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। একদিকে চ্যালেঞ্জ, নতুন ভাবে জীবনের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ, আর একদিকে সরু মই বেয়ে কেরিয়ারের মাথায় উঠতে থাকা। যে মইয়ের শেষ নেই, যে মই টলমলে, ক্লান্তিকর।”

    বাবার জন্য মন খারাপ হল দোতারার। সে অস্ফুটে বলল, “তোমার যা খুশি, তাই করো বাবা।”

    শিরীষ নিজেকে সামলে হেসে বলল, “যা খুশি করা কি অত সহজ? তোমার মা আমাকে কতটা বোঝে জানি না, তবে এটা আর পারছে না। সে বিদ্রোহ করেছে। সে আমার ভিতরের এই অংশটাকে চেনে না। কখনও একটু আধটু চিনলেও পাত্তা দেয়নি। আমিও কি জানতাম, এরকম একটা অনিশ্চিত জীবন আমাকে এভাবে টানবে? চাষবাস করব এমন কথা কখনও ভাবিনি। কেনই বা ভাবব? কোনও কারণ ছিল না। আমি তো আমার দাদুর মতো রিটার্ন টু রুটস্-এর স্বপ্ন দেখিনি। হয়তো প্রাচীনকালে আমার পূর্বপুরুষরা চাষবাস করতেন। সেই শিকড় জিনের কোথাও রয়ে গিয়েছে। এতদিন সে ছিল চুপ করে, ডরম্যান্ট হয়ে, এখন মাথা চাড়া দিয়েছে। তোমার মা কী করে এসব মেনে নেবে? সে একজন চাষির বউ হতে রাজি নয়। খুব অশান্তি শুরু করেছে।”

    দোতারা অবাক হয়ে বলল, “কেন! মায়ের কী সমস্যা? কত বড় বড় মানুষের তো ফার্মহাউস থাকে। সারা পৃথিবীতেই তো আছে। এটা তো নতুন কিছু নয়। উইকেন্ডে গিয়ে ফ্যামিলি নিয়ে থাকে। এটাই তো ফ্যাশন। মা-ও সবাইকে বলতে পারবে। তুমি বছরে একবার দু’বার আমেরিকা থেকে এসে নিজের ফার্মহাউসে দু’দিন থেকে আসবে। আমি পিকনিকে যাব। এতে মায়ের রাগ করার কী হল?”

    শিরীষ কাঁটা-চামচ রেখে প্লেট সরিয়ে দিল। তার লাঞ্চের পরিমাণ সবসময়ই কম। অনেকদিনই শুধু ফল খেয়ে থাকে। সেদিন মেয়ের জন্যই নিয়েছিল।

    “দোতারা, সমস্যা এখানেই। এটা কোনও ফার্মহাউস হচ্ছে না। উইকেন্ডে গিয়ে পিকনিক করার জায়গা নয়। আমি সিরিয়াসলি চাষের কথা ভেবে প্রজেক্ট করেছি। নাওডুবি প্রজেক্ট। ফসল, সবজি, বাজারে পাঠিয়ে বিক্রি করা হবে। খরচাপাতি বাদ দিয়ে বাকি টাকা হবে আমার উপার্জন। যেভাবে আর পাঁচজন চাষি চাষবাস করে বেঁচে থাকে, আমি সেভাবে থাকতে চাই। ছেলেখেলা নয়। প্রকৃতি নিয়ে রোমান্টিসিজ়ম নয়। কলকাতার পলিউশন ভাল লাগছে না বলে, গ্রামে গিয়ে থাকার ন্যাকামি নয় এটা। আমি নিয়মিত গিয়ে থাকছি। হইহই করে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তুই কি ভাবতে পারিস তোর বাবা এখন, ধানগাছের বীজতলা কীভাবে করতে হয় তাও জেনে গিয়েছে?”

    দোতারা অস্ফুটে বলল, “বীজতলা কী!”

    শিরীষ হেসে বলল, “দেখ দেখি, রোজ ভাত খাস কিন্তু বীজতলা কী জানিস না। আমিও জানতাম না। সবাইকে সব জানতে হবে এমনও নয়, তবে কারও তো জানতে ইচ্ছে করতেও পারে। পারে না? যেমন আমার করেছে। শুধু বই পড়ে নয়, একেবারে হাতেকলমে কাজ করে জানতে চাই।”

    দোতারা চোখ সরু করে বাবার দিকে তাকিয়ে বলল, “কী জানলে?”

    শিরীষ উৎসাহ নিয়ে বলল, “আমাদের জমিতে এখনও বীজতলার সময় আসেনি, তবে আসবে। প্রথমে সার ছড়াতে হবে। অর্গ্যানিক সার। এই ধর, বর্গমিটার পিছু দু’কেজির মতো। তারপর ভাল করে জল দাও। দুই থেকে তিনবার মই চাষ চাই। মই চাষ কী জানিস? জানিস না তো? লাঙলে ফলার জায়গায়, সত্যিকারের মই লাগিয়ে দেওয়া হয়। ল্যাডার। অসমান জমি সমান হয়। সেই মইয়ের উপর লোক দাঁড়িয়েও পড়ে। আমি ভেবেছি, আমাদের জমিতে যখন মই চাষ হবে, আমি মইয়ের উপর দাঁড়াব। মজা হবে না?”

    দোতারা মুখে খাবার নিয়ে বলল, “বুঝতে পারছি না এখনও। আরও একটু বলো।”

    শিরীষ দ্বিগুণ উৎসাহে বলতে শুরু করল।

    “মই চাষের পর জমিতে দশ-বারো দিনের মতো জল দাও আটকে। একসময়ে তোর ওই খড়, আগাছা সব যাবে পচে। আবার মই চাষ। জমি হয়ে যাবে থকথকে কাদা। ব্যস, তোর বীজতলা তৈরি। শুধু ইলেকট্রনিক্স জানলে হবে? বীজতলাও জানতে হবে।”

    কথা শেষ করে জোরে হেসে উঠল শিরীষ। দোতারার চোখ আরও সরু হয়ে গেল। বাবাকে দেখে মনে হচ্ছে, জমিতে কাদা তৈরি করতে পেরে ভীষণ খুশি হয়েছে। এর মানে কী?

    দোতারা অবাক হয়ে বলল, “তোমার ওই নাওডুবি গ্রামে গিয়ে পড়ে থাকার বিষয়টা একটু ক্লিয়ার করা যাবে?”

    শিরীষ একটু চুপ করে থেকে বলল, “করা যাবে। আমি ভেবেছি, উইকেন্ডে যাব না, বরং উইকেন্ডে কলকাতায় আসব। ক্লিয়ার?”

    “মানে! তুমি গ্রামে গিয়ে থাকবে?”

    শিরীষ হেসে বলল, “গ্রামে নয়, জমিতে মাটির ঘর বেঁধে থাকব। খড়ের চাল, মাটির দেয়াল। আমাদের জমি থেকে প্রপার গ্রামটা বেশ দূরে। যেমন ফাঁকা, তেমন নির্জন, তেমন সুন্দর। দিগন্ত পর্যন্ত দেখা যায়। ট্রেনে যেতে যেতে মাঝেমধ্যে এরকম দৃশ্য দেখা যায়। যতদূর চোখ যায় খেত আর খেত। জায়গাটা ঠিক তেমন। দিনে পাখা নেই, রাতে হ্যারিকেন। জল পড়লে এক হাঁটু কাদা। সাপখোপ খুব। শিয়ালও আছে। মাঠে গর্ত করে থাকে। হেলথসেন্টার সেই সবেরগঞ্জে। ঘণ্টাখানেকের মামলা। ডাক্তার বদ্যির ব্যাপার নেই। ঠিক করেছি, তোর সঙ্গে কোনও ডাক্তারের বিয়ে দেব। দরকার হলে সে-ই ছুটে গিয়ে শ্বশুরমশাইয়ের চিকিৎসা করে আসবে।”

    একটু থামল শিরীষ। মেয়ের দিকে তাকিয়ে মাথা নেড়ে বলল, “কী ম্যাডাম, এবার তো আর মুখ দিয়ে ‘ওয়ান্ডারফুল’ বেরোচ্ছে না। ঘাবড়ে গেলি?”

    দোতারা সত্যি থমকে গিয়েছিল। খাবার মুখে দিয়ে স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করল। বলল, “সবই ওয়ান্ডারফুল বাবা। তুমি তোমার দাদুর রিটার্ন টু রুটস-এর স্বপ্ন নিজেও দেখতে শুরু করেছ। ভেরি গুড। কিন্তু হেল্‌থ নিয়ে একটা ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে না কি? যারা গ্রামে জন্মেছে, বড় হয়েছে, তারা অনেক ধরনের অডস্ মানিয়ে নিতে পারে। তাঁদের শরীর এবং মন অনেক অসুবিধের সঙ্গে কমপ্রোমাইজ় করে নেয়, বাধ্য হয়। তাঁরা নিজেদের সেভাবে প্রতিনিয়ত অ্যাডাপ্ট করেন। সাপের কামড় খেয়েও লড়তে হয়। গ্রামের কত ইনটেলিজেন্ট, স্টুডিয়াস মেয়েরা মাইলের পর মাইল দূরের স্কুল কলেজে পড়তে যায়। কেউ সাইক্লিং করে, কেউ হাঁটে। আমাকে বললে পারব? পারব না। আমার অভ্যেস, শরীর রিফিউজ় করবে। তুমি এই আরবান লাইফস্টাইল ছেড়ে ওখানে মানাতে চেষ্টা করলেও কি তোমার শরীর তা মানবে?”

    শিরীষ বলল, “না, মানবে না। তারপরেও আমি চেষ্টা চালাচ্ছি। স্বপ্নের মধ্যে অনেক দুঃস্বপ্নও থাকে। সেসবও ফেস করতে হয়। দাদু তাঁর উইলে তো লিখেই গেছেন, শরীরের কারণে তিনি প্রজেক্ট থেকে পিছিয়ে গিয়েছিলেন। তেমন অসুবিধে হলে আমিও ফিরে আসব। শুরু তো করে ফেলেছি। সমস্যা নিয়েই করেছি। একটা একটা করে সল্‌ভও করছি। তুইও তো বাড়ির সুখস্বাচ্ছন্দ্য ছেড়ে হস্টেলে গিয়ে থাকছিস, থাকছিস না?”

    দোতারার খাওয়া শেষ হয়েছে। কথায় কথায় বেশি খাওয়া হয়ে গেল। মুখ মুছতে মুছতে শান্তভাবে বলল, “আমার থাকা আর এই বয়সে তোমার জনমানবশূন্য কোথাও গিয়ে থাকাটা কি এক হল? দশ-বারো বছর আগে হলে একটা কথা ছিল।”

    শিরীষ হাতের ইশারায় বিল চায়। তারপর বলল, “দেখ তারা, আরও দশ-বারো বছর আগে এই জমি যদি পেতাম, কিছুতেই যেতাম না। আমি শিয়োর। তখন এই কর্মজীবন সম্পর্কে আমার মোহভঙ্গ হয়নি। ক্লান্তি আসেনি। স্বাধীনভাবে, মনের মতো কিছু করব এই ভাবনাটা যেমন খুব কম বয়সে আসে, তেমন বেশি বয়সেও আসে। কম বয়সে বড় চাকরিবাকরি ছেড়েছুড়ে অনেকে নানা ধরনের কাজ করছেন। বিজ়নেসই বল আর ক্রিয়েটিভ কাজই বল। লিস্টে সব বড় বড়, খ্যতিমান মানুষরা আছেন। কিন্তু বেশি বয়সে ‘নতুন কিছু করব’ ভেবে কোনও লাভ হয় না। শুধু ভাবনাটুকুই হয়। বাকি জীবন আফশোস করে কাটাতে হয়। আমি এটা বদলাতে চাই। দেখি না, পারি কি না দেখি। আমি তো বড় বিজ়নেস বা ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চাই না। শান্ত, স্নিগ্ধ, ভেজালহীন একটা জীবন চাইছি। অন্যের চাষ করা ফসলে খেতে পারলে নিজে চাষ করে খেতে সমস্যা কোথায়?”

    দোতারা বলল, “না সমস্যা কিছু নেই। তবে তুমি কি ওখানে পাকাপাকি থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছ?”

    শিরীষ বিল মিটিয়ে কার্ড ওয়ালেটে রেখে বলল, “কাজ শুরু হওয়ার পর কিছুদিন তো থাকতে হচ্ছেই। খুব ইন্টারেস্টিং! চাষবাস, জমিজমা, ফসল নিয়ে কত কী জানতে পারছি! তোকে একদিন চিঠি লিখে ফেলেছিলাম পর্যন্ত। দেখা যাক, এরপর কী হয়।”

    দোতারা একটু চুপ করে থেকে বলল, “বাবা, শহর ছেড়ে, শহরের ভাল চাকরি ছেড়ে, অপরচুনিটি ছেড়ে, গ্রামে চলে যাওয়ার গল্প কম নেই। সারা পৃথিবীর গল্প উপন্যাস ঘাঁটলে এরকম অজস্র উদাহরণ পাওয়া যাবে। সিনেমা, থিয়েটারও রয়েছে। শহরের ব্রাইট ছেলেমেয়ে গ্রামে চাষ করতে চলে যাচ্ছে, ফার্মহাউস করতে চলে যাচ্ছে, ডাক্তারি করতে যাচ্ছে, পড়াতে যাচ্ছে, রাজনীতি করতে যাচ্ছে। তবে এগুলো গল্প, উপন্যাস, সিনেমাতেই কি ভাল নয়? নিজের জীবনের সঙ্গে কি খাপ খাবে?”

    শিরীষ একটু চুপ করে থেকে বলল, “তোকে তো আগেই বলেছি, গল্প উপন্যাস বা সিনেমার রোমান্টিসিজ়মের সঙ্গে আমার ভাবনার পার্থক্য রয়েছে। আমি একটা বিরাট নতুন কিছু করতে চাই, এমনও ক্লেম করিনি। আমি যেমন চাষ করার আনন্দ পেতে চাইছি, স্ট্রাগলটাও দেখতে চাইছি।”

    দোতারা চুপ করে রইল। সে বাবার যুক্তির মধ্যে অনেকগুলো ফাঁক দেখতে পাচ্ছে। কিন্তু সেই ফাঁক এখন মানুষটাকে দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। মানুষটা একটা ঘোরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। ঘোরে যুক্তি কাজ করে না, সময় দিতে হবে। ঘোর কাটতে শুরু করুক। বাবা যে জীবনযাপনের কথা ভাবছে, সেটা পারবে না। সিস্টেম পারতে দেবে না। মোহভঙ্গ হবে। তবে বড় কোম্পানির চাকরিবাকরি ছেড়ে গাঁয়ে গিয়ে চাষ করার ভাবনাটিকে স্যালুট জানাতে হয়। শুধু শিকড়ে ফেরার রোমান্টিসিজ়ম নয়, বুকের পাটা থাকলে এই কাজ করা সম্ভব। সে বাকি গোটা জীবনটার জন্যই তোক আর একদিনের জন্য হোক। দোতারা বাবার দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, “উইশ ইউ বেস্ট অফ লাক, বাবা। চলো, আমাকে হস্টেলে নামিয়ে দেবে।”

    এই কথার কিছুদিন পরে সোমদত্তা দেখতে পেল, তার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, এমবিএ করা, নামী কোম্পানির উঁচুপদে চাকরি করা স্বামী শুধু আমেরিকা যাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখান করল তাই নয়, একদিন দুম করে চাকরিটাই ছেড়ে দিয়ে বসল। পরদিন সোমদত্তা ব্যাগ গুছিয়ে সল্টলেকে তার মায়ের কাছে চলে যায়। যাওয়ার সময় মেয়েকে বলে গেল, “দোতারা, তুমি বড় হয়েছ, তুমি ঠিক করো কোথায় থাকবে। আমার সঙ্গে না তোমার বাবার সঙ্গে। তোমার সিদ্ধান্তু যাই হোক, আমি তোমার বাবার সঙ্গে থাকতে পারব না। চাষবাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বইতে লেখা হয়, কৃষক সমাজের বন্ধু। আমিও তাই মনে করি। কিন্তু সরি, আমি একজন চাষির বউ হয়ে বেঁচে থাকতে পারব না। হয় তোমার বাবার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে, নয়তো ঘটনা অন্য কিছু।”

    দোতারা বলল, “কী অন্য কিছু?”

    সোমদত্তা দাঁতে দাঁত চেপে বলল, “দোতারা, তোমার বাবার ব্যাপারে কিছু কিছু কথা আমার কানে আসতে শুরু করছে। কথাগুলো যদি সত্যি হয়, ওই সব চাষবাস, দাদুর স্বপ্ন, গ্রামের স্নিগ্ধ, সরল জীবনের কথা গল্প মাত্র। তোমার বাবার নাওডুবিতে ঘর বানিয়ে থাকার কারণ সম্পূর্ণ অন্য। সে কারণ খুবই লজ্জার। আমি আর কিছুদিন অপেক্ষা করব, তারপর কোর্টে তোমার বাবার সঙ্গে দেখা হবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }