Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মাটির দেওয়াল – ৯

    ৯

    “স্যার, আপনার শরীর কি খারাপ লাগছে?”

    শিরীষ বলল, “না, খারাপ লাগছে না। বরং ভাল লাগছে।”

    “স্যার, ভোরে দেখেছি, গায়ে হালকা টেম্পারেচার ছিল। আপনি ঘুমোচ্ছিলেন তাই বিরক্ত করিনি। আমি কি এখন একবার থার্মোমিটার দিয়ে দেখতে পারি?”

    শিরীষ বলল, “তার কোনও প্রয়োজন নেই। জ্বর দুম করে আসে, কিন্তু নামে ধাপে ধাপে। সেটাই ভাল। ওষুধ খেয়েছি, তুমিই তো দিয়েছ। তা ছাড়া এখন আর জ্বর নেই, ঝরঝরে লাগছে।”

    “সত্যি!”

    শিরীষ বলল, “তোমার কি আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না?”

    “একটা কথা বললে রাগ করবেন না তো স্যার?”

    শিরীষ সহজভাবে বলল, “করব। তারপরেও তুমি বলতে পারো।”

    “আপনার নিজের ব্যাপারে আপনাকে আমি পুরোটা বিশ্বাস করি না। এই কয়েকমাসে আপনাকে খানিকটা চিনেছি মনে হয়।”

    শিরীষ চোখ তুলে বলল, “একজন মানুষকে চেনার জন্য পাঁচ মাস কি খুবই কম সময় নয়?”

    “সবসময় নয় স্যার। ভালমানুষকে চেনা যায় তাড়াতাড়ি। আর বেশি ভালমানুষকে বেশি তাড়াতাড়ি চেনা যায়। যেমন স্যার আপনি। আপনি একজন বেশি ভালমানুষ।”

    শিরীষ একটু হেসে বলল, “এই মজার থিয়োরি তোমাকে কে শেখাল?”

    “আমার মা স্যার। আমার মা লেখাপড়া তেমন কিছু করেননি। চাকরিবাকরিও করেন না, ঘর সামলান। আমাকে আর আমার দিদিকে মানুষ করেছেন। বিভিন্ন গুণের মধ্যে মায়ের একটা গুণ হল, চট করে মানুষ চিনতে পারেন। সামনাসামনি দেখে পারেন, আবার গল্প শুনেও পারেন। আমি মাকে আপনার গল্প বলেছি, উনি বলেছেন, তুই ঠিকই বলেছিস, তোর স্যার মানুষ বেশি ভাল।”

    শিরীষ আরও মজা পেয়ে বলল, “তুমি কী এমন বললে যাতে আমাকে ভাল মানুষ বলে মনে হল!”

    “বেশি কিছু বলিনি, একটা ঘটনা বলেছি। খুব সামান্য একটা ঘটনা। তাতেই মা বুঝতে পেরেছে।”

    শিরীষ এবার চোখ বড় করে বসল। বলল, “বলো কী! মাত্র একটা ঘটনায় আমাকে চিনে গেলেন? ঘটনাটা কী, জানতে পারি?”

    ত্রপা মাথা নামিয়ে লাজুক গলায় বলল, “না স্যার, বলা যাবে না।”

    শিরীষ বলল, “ঠিক আছে। বোলো না।”

    বৃষ্টিতে ভিজে ধুম জ্বর হয়েছিল শিরীষের। দু’দিন বিছানা থেকে উঠতে পারেনি। ত্রপা সেই যে এসেছে, আর বোলপুরে ফিরে যায়নি। এখানেই গেস্টরুমে রয়ে গিয়েছে। সেদিনই তার ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। শিরীষের কাছে সে নিয়ম করে আসছে। ক্যামেরায় চাষের প্রতিটা পর্ব ধরে রাখছে। নোটস নিচ্ছে। শিরীষের ইন্টারভিউ নিচ্ছে। তার পেপার তৈরিতে যেমন যেমন লাগবে। তবে রাতে কখনও থাকেনি। বিকেলের আগেই শিরীষ তাকে চলে যেতে বলে। প্রথমে ঠান্ডা গলায় বলে। তারপরে মাঝারি ধরনের ধমক দেয়।

    “বেলা পড়ে গেল, এখনও আমার পিছনে ঘুরঘুর করছ কেন?”

    ত্রপা বলল, “মাঠের কাজ শেষ করে আপনি কী করেন সেটা দেখছি। এখানে তো সময় কাটানোর জন্য শহুরে আয়োজন নেই।”

    শিরীষ বিরক্ত হয়ে বলে, “এটাও তোমার গবেষণার মধ্যে পড়ে?”

    ত্রপা মাথা চুলকে বলে, “বুঝতে পারছি না স্যার। আমার গাইড বলেছেন, আপনাকে যতটা পারা যায় ফলো করতে এগ্রিকালচার ফিল্ডে আপনি একজন অভিনব মানুষ।”

    শিরীষ দাঁত চেপে বলে, “আমি এখন ঘুমোব। তুমি এবার যাও।”

    ত্রপা বলল, “স্যার, আর-একটু থাকি?”

    শিরীষ বলল, “রাত হয়ে গেলে ফিরবে কী করে?”

    ত্রপা বলে, “চিন্তা করবেন না। হারানদা বা রতনকাকার সঙ্গে এগিয়ে যাব।”

    শিরীষ এবার খুব রেগে যায়। ধমক দিয়ে বলে, “এটা তোমার গবেষণাগার নয় যে, তোমার ইচ্ছেমতো চলবে। তুমি এখনই চলে যাবে এবং আর কোনওদিনই আসবে না। তুমি ধান গাছ নিয়ে গবেষণা করো, আমি ধান গাছ নই। আর কখনওই আসবে না। এখনই বিদায় নাও!”

    সেদিন বৃষ্টি সব গোলমাল করে দেয়। এপার ছাতা কাজে লাগেনি। লাগার কথাও নয়। যদিও আকাশ যতটা সাজগোজ করেছিল, সেই তুলনায় বৃষ্টি তেমন হয়নি। তারপরেও ভিজে একসা হয়ে, কাদা মেখে দু’জনে ঘরে ফিরেছিল। আসলে নাওডুবি নদীর সাঁকো থেকে শিরীষের ঘর পর্যন্ত পথটা বেশি। হাঁটতে হাঁটতে কখন যে অতটা পথ চলে গিয়েছিল, খেয়াল ছিল না। আজকাল মাঝেমধ্যে এরকম হয় শিরীষের। অন্যমনস্ক লাগে। এমনটা আগে ছিল না। এখানে এসে বদলটা হয়েছে। সবসময় সেই টানটান, সতর্ক, টেনশনের মধ্যে থাকার ব্যাপারটা চলে গিয়েছে। শহর ছাড়তে শহুরে টেনশনটাও চলে গিয়েছে।

    ত্রপার ছাতার নীচে দু’জনকে লম্বা পথ আসতে হয়েছিল সেদিন। তাও আস্ত ছাতা নয়, একদিক শিক ভেঙে কেতরে পড়া ছাতা। ছাতা কেতরে পড়ার আগেই ত্রপা বারবার ছাতার নীচ থেকে ছিটকে যাচ্ছিল। তাকে ধমক দিতে হয়।

    ‘আরে তুমি কোথায় যাচ্ছ? ছাতার নীচে এসো।’

    ত্রপা বলেছিল, “আপনি চলুন স্যার, আমার বৃষ্টিতে ভেজার অভ্যেস আছে।”

    শিরীষ কড়া গলায় বলে, “অভ্যেস থাকলে থাকুক, তুমি আগে এসো।”

    ত্রপা একটু এগিয়ে এল বটে, তবে ছাতার নীচে পুরোটা ঢুকল না। ভিজতে ভিজতেই চলল। সেই সঙ্গে চলছিল বকবকানি। শিরীষ গোড়া থেকেই দেখছে, এই মেয়ে কথা বলতে ভালবাসে। কথা বলার মধ্যে ভণিতা কিছু নেই। সবটাই মনে হয় খাঁটি, ভিতর থেকে বলছে। এই সময়ের অনেক ছেলেমেয়েদের মতো উপরচালাকি ভাব একেবারেই নেই। অথচ এমন নয় যে, ত্রপা গ্রামের মেয়ে, শহুরে জটিলতা, প্যাঁচপয়জার দেখেনি। সবই দেখেছে। শহরে জন্মেছে, শহরেই বড় হয়েছে। লেখাপড়া করেছে কল্যাণীতে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পালা শেষ করে এখন বিশ্বভারতীতে গবেষণার কাজ করছে। থাকে বোলপুরে, পেইং গেস্ট হিসেবে। তবে বেশিরভাগ সময়ই বাড়িতে থাকা হয় না। ফিল্ড ওয়র্ক করতে ব্লকে ব্লকে ঘুরে বেড়াতে হয়। গ্রামে রাতও কাটায়। নাওডুবিতে বারবার শিরীষের কাছে যাতায়াত করা এবং ছিনে জোঁকের মতো লেগে থাকার কারণও সেই গবেষণা। এটা তার গবেষণারই একটা অংশ। ত্রপা সেদিন ভিজতে ভিজতেই বকবক করতে লাগল।

    “স্যার, কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করি। কাদা-মাটি, জল-বৃষ্টিতে অভ্যস্ত না হলে চলে? আমার একটা পেপার ছিল রেন হার্ভেস্টিং-এর ওপর। বৃষ্টিতে চাষ। থিয়োরির পর যেতে হবে প্র্যাকটিকালে। একবারে হাতে- কলমে চাষ দেখতে হবে। আমি গেলাম আমোদপুরে। ইউনিভার্সিটি থেকে পাঠাল। সেখানে যাওয়ার সময়ে একটা বিরাট বোকামি করে ফেললাম। গামবুট নিয়ে যেতে ভুলে গেলাম। এদিকে আমাকে তো বৃষ্টির মধ্যে খেতে নেমে কাজ দেখতে হবে। তুমুল বৃষ্টি মাথায় নিয়ে আল ধরে তো বেশ খানিকটা এগিয়ে গেলাম। খানিকটা যাওয়ার পরই হল বিপদ। পা হড়কে পড়লাম খেতে খেতে তখন টইটম্বুর জল। আমার প্রায় হাঁটু পর্যন্ত গেল ডুবে, পা গেল কাদায় গেঁথে… কিছুতেই আর টেনে তুলতে পারি না। পারব কী করে? জুতো তো আটকে গেছে!”

    এই পর্যন্ত গল্প বলার পর ত্রপার ছাতার একটা দিকের শিক বৃষ্টির ঝাপটায় গেল উলটে। ত্রপা জিব কেটে বলল, “এই রে! আজও একটা ভুল করে ফেলছি। ভাঙা ছাতাটা নিয়ে চলে এসেছি। কেন যে বারবার এত ভুল হয়ে যায়!”

    শিরীষ হেসে ফেলল। মনে হল, খানিক আগে এপাকে দেখে যে রাগ হয়েছিল সেটা আর নেই। বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া এই সুন্দর মেয়েটাকে খুব ভাল লাগছে। মনে হচ্ছে, মেয়েটা আলাদা কেউ নয়, বৃষ্টির একটা অংশ।

    বাড়ি ফিরতে ত্রপা তাড়াতাড়ি জল গরম করে দিল। স্নান করে জামা কাপড় বদলাল শিরীষ। এপার তো সে উপায় নেই। সে সঙ্গে জামাকাপড় কিছু রাখে না।

    “স্যার, আমার সমস্যা হবে না। খানিক বাদেই তো ফিরে যাব। জামা গায়েই শুকিয়ে যাবে।”

    শিরীষ অবাক হয়ে বলল, “এক্ষুনি ফিরে যাবে কী করে? বাইরের অবস্থা দেখতে পাচ্ছ না? বৃষ্টি কমলেও এখনই থামবে বলে মনে হয় না। তা ছাড়া এখন বোলপুর ফিরবে কী করে?”

    কথাটা ঠিক। কোনও কোনও দিন গবেষণার কাজ বাবদ গাড়ি ভাড়া করে নেয়। ফিল্ডওয়ার্ক থাকলে গাড়ি ভাড়ার বিল জমা দিলে টাকা পাওয়া যায়। কোনও কোনও দিন গাড়ি না থাকলে ট্রেন-বাস ধরে চলে আসে। আজ গাড়ি পায়নি ত্রপা। আসার সময় ঝামেলা হয়নি। কিন্তু ফিরে যাওয়া কঠিন। সবেরগঞ্জ গিয়ে বাস ধরে রেল স্টেশন পর্যন্ত যেতে হবে। সেখান থেকে ট্রেন ধরে বোলপুর পৌঁছনো একরকম অসম্ভব। তার ওপর বৃষ্টি চলছে। ত্রপা তারপরেও বলল, “স্যার, চিন্তা করবেন না, একটা কিছু ব্যবস্থা হয়ে যাবে।”

    এবার কড়া গলায় শিরীষ বলল, “বোকার মতো কথা বোলো না। দুম করে চলে আসার আগে ভাবা উচিত ছিল। মেঘ দেখার পরও যখন বেরিয়েছ, সঙ্গে আস্ত ছাতা, এক সেট জামাকাপড় নিয়ে বেরোনো উচিত নয় কি? মাঠেঘাটে ঘুরে কাজ করো, এটা খেয়াল থাকে না কেন?”

    ত্রপা অপরাধীর মতো কাঁচুমাচু হয়ে বলল, “বেরোনোর সময় আমি যে-মেঘ দেখেছিলাম স্যার, ওতে বৃষ্টি হওয়ার কথা নয়। আর হলেও এতটা হয় না।”

    শিরীষ খানিকটা অন্যমনস্ক হয়েই বলল, “সব কিছু কি কথা মতো হয়? এই যে আজ আমি পথ হারিয়ে নাওডুবি নদীটা খুঁজে পেলাম, তা কি কারও কথা মতো হয়েছে? এই যে দু’জনে মিলে বৃষ্টিতে ভিজলাম, সেও কি কারও কথা শুনে? এই যে তুমি আজ অন্ধকার মাঠঘাটের মধ্যে আটকে পড়লে সেটাও কি কথা ছিল? ছিল না। এমনই অনেক কিছুরই কথা থাকে না, হয়ে যায়। রোদ ওঠে, বৃষ্টি পড়ে।”

    ভিজে কাপড়ে ত্রপার শীত করছে। হালকা কাঁপুনিও হচ্ছে। দাঁতে দাঁত লেগে যাচ্ছে যেন। তারপরেও সে অস্ফুটে বলল, “স্যার, কী অপূর্ব বললেন!”

    শিরীষ নিজের কাচা ইস্তিরি করা চুড়িদার পাজামা, গেঞ্জি, পাঞ্জাবি বের করে এনে বলল, “নাও, ধরো। এখনই গরম জলে স্নান করে এসো। গেস্টরুমটা খুলে দিচ্ছি। চাদর বালিশ সব আছে। রাতে খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়বে।”

    ত্রপা কী করবে বুঝতে পারছিল না। শিরীষের দেওয়া পোশাক হাতে নিয়ে সে দাঁড়িয়ে রইল। তার লজ্জা করছে। খুবই লজ্জা করছে। স্যারের পোশাক সে গায়ে দেবে কীভাবে?

    “কী হল, কথা কানে গেল না? যাও বলছি। কাঁপছ তো। এখনই চেঞ্জ না করলে জ্বর আসবে।”

    ত্রপা বিড়িবিড় করে বলল, “আমার অভ্যেস আছে। একবার হয়েছিল কী…”

    শিরীষ ধমক দিয়ে বলল, “চুপ! আবার গল্প শুরু করে… এ তো আচ্ছা মেয়ে?”

    ত্রপার শরীরে আবার কাঁপুনি এল। তবে এবার আর শীতে নয়, এল আনন্দে। সে বাথরুমের দিকে ছুট দিল।

    ধান পাকতে শুরু করছে। খেতে খুব কাজ নেই। তাই হারান একাই এসেছিল সেদিন। যেটুকু যা কাজ ছিল করে দিয়েছে। বৃষ্টি শুরু হতে চিন্তায় পড়েছিল সে, বৃষ্টির সঙ্গে বাতাস বেশি হলে ধানের ক্ষতি হবে। আমন ধানে অসময়ের ঝড়-বৃষ্টি ভাল নয়। এখানে আবার চাষ একটু দেরিতেই শুরু হয়েছে। জমি তৈরি করতে সময় লেগেছিল। তারপরে বিছন তৈরিতে সময় গিয়েছে। প্রায় মাসখানেক লেগে গিয়েছে। তারপর সময় গিয়েছে বীজতলা বানাতে। সবমিলিয়ে চারা পুঁততে সেই আষাঢ় মাসের মাঝখান পর্যন্ত গড়িয়েছে। পরের বার থেকে আর এতটা সমস্যা হবে না। তখন তো মাটি তৈরিই থাকবে। ঝড়-জলের ঝামেলা না হলে এবার অগ্রহায়ণের মাঝেই ধান পুরোপুরি পেকে উঠবে। আগেও হতে পারে। শিরীষ আসতে হারান মাথায় ছাতা খুলে সাইকেলে বসল। তার বাড়ি যেতে অসুবিধে নেই। সে তো থাকে নাওডুবি গ্রামে।

    ত্রপা বাথরুম থেকে বেরোল খানিকটা জড়সড় হয়ে। পাজামা এবং পাঞ্জাবি, দুটোই মাপে বড় হয়েছে। হওয়ারই কথা। তবে একটা অস্বস্তি থেকে বেঁচেছে। তার ব্রা, প্যান্টি সবই ভিজে গিয়েছে। সেসব খুলে শুকোতে দিতে হয়েছে। পোশাক বড় হওয়ায় অন্তর্বাস না থাকার অস্বস্তি কম হচ্ছে। স্যারের সঙ্গে কাল সকাল পর্যন্ত থাকতে পারবে, ভেবেই খুব আনন্দ হচ্ছে ত্রপার। অনেকটা কাজ করতে পারবে। এই আনন্দের জন্য সে সব জড়তা এবং অস্বস্তিকে তুচ্ছ করতে পারে। একটু ক্ষণের মধ্যে ত্রপাকে চমকে দিয়ে শিরীষ দুটো কাজ করল। এক নম্বর হল, চা বানিয়ে ত্রপাকে তার ঘর থেকে ডেকে পাঠাল। আর দু’নম্বর হল, একটা পাতলা গায়ের চাদর বের করে দিল।

    “চাদরটা ভাল করে গায়ে দাও। ঠান্ডা লেগে যাবে। চলো, আমরা বারান্দায় বসে চা খাই।”

    ত্রপা এতটাই মুগ্ধ হল যে কী বলবে, কী করবে বুঝতে পারল না। হাতের চায়ের মাগটা নিয়ে খানিকটা হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে রইল। অস্ফুটে বলল, “স্যার, আপনি চা বানিয়েছেন!”

    শিরীষ বলল, “কেন, আমি পারি না ভেবেছ? একসময়ে হস্টেলে থেকেছি, সব আমার শেখা। খেয়ে দেখো, আগে চুমুক দাও।”

    ত্রপা কাঁপা হাতে মাগ মুখে তুলে চুমুক দিল, “অপূর্ব!”

    শিরীষ হেসে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউ! তা হলে তুমি আজ রাতে আমাকে খিচুড়ি বানিয়ে খাওয়াবে।”

    ত্রপা কাঁদোকাঁদো মুখে বলল, “স্যার, আমি তো খিচুড়ি বানাতে পারি না।”

    শিরীষ হেসে বলল, “নো প্রবলেম। খিচুড়ি বানানো ভেরি ইজ়ি। আমি তোমাকে বলে দেব, তুমি শিখে নেবে। চলো, চা খাই।”

    গ্রিল ঘেরা বারান্দা ছোট কিন্তু দু’জনে চমৎকার বসা যায়। বেতের চেয়ার রাখা হয়েছে। বাইরে যতদূর দেখা যায় শুধু অন্ধকার। ঝরঝর করে বৃষ্টি পড়েই চলছে।

    ত্রপা বলল, “স্যার, আমি কি আপনার ইন্টারভিউটা শেষ করতে পারি?”

    শিরীষ বলল, “অনেক তো হয়েছে, আবার কী?”

    ত্রপা বলল, “একটু বাকি আছে স্যার।”

    শিরীষ বলল, “ঠিক আছে। কিন্তু তিনটে প্রশ্নের বেশি নয়।”

    ত্রপা মোবাইলের রেকর্ডার মোড চালু করে এগিয়ে আসে। ফোনটা শিরীষের মুখের সামনে ধরল।

    “এইভাবে বড় চাকরি ছেড়ে চাষ করতে চলে আসায় আপনার মিসেস কী বললেন?”

    শিরীষ একটু হেসে বলল, “এটা তুমি আমার গিন্নিকেই জিজ্ঞেস করো বরং। তবে এখন নয়, এখন খুব চটে আছে। আমি যদিও নিশ্চিত, একদিন তার রাগ কমবে। মাঠ যখন সোনালি ধান বাতাসে মাথা দোলায়, তখন এক অনির্বচনীয় দৃশ্য গন্ধ তৈরি হয়। তার উপর রাগ করে থাকতে পারে?”

    ত্রপা গদগদ গলায় বলল, “অপূর্ব বললেন স্যার।”

    শিরীষ বলল, “তুমি এত ‘অপূর্ব’ বলো যে, মনে হয় ‘অপূর্ব’ যদি শব্দ না হয়ে মানুষ হত, বেচারি লজ্জায় মরে যেত!”

    ত্রপা বলল, “স্যার, শুধু তো খেত ভরা সোনালি ধান নয়, সেই ধান বিক্রি করা নিয়েও অনেক সমস্যা হয়। ঠিকমতো বাজার পাওয়া যায় না, দাম পাওয়া যায় না। কৃষককে আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে হয়…”

    শিরীষ সামনের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে বলল, “সেই কষ্টটাও জানব, অনুভব করব। এটাও আমার এখানে আসার পিছনে একটা কারণ। স্বপ্ন দেখব, স্বপ্নভঙ্গ কেন হয় সেটাও দেখব।”

    ত্রপা একটু আমতা আমতা করে বলল, “স্যার, যদি রাগ না করেন, একটা প্রশ্ন করি?”

    শিরীষ বলল, “বলো, কিন্তু এটাই আজকে শেষ।”

    “আপনি কি কোনও রাজনৈতিক কারণে…”

    প্রশ্ন পুরো শেষ করতে হয়নি এপার, শিরীষ বলল, “হ্যাঁ, রাজনৈতিক কারণ আছে। একটাই রাজনীতি। নিজেকে এক অন্য জীবন চেনাব। সবাই চাইলেও এই সুযোগ পাবে না। আমার টাকাপয়সার একটা মোটামুটি চলে যাওয়ার মতো সঞ্চয় আছে। তাই আমি এই ঝুঁকি নিতে পারলাম। আমি সুযোগটা নিলাম। ব্যস, আর একটাও প্রশ্ন নয়। চলো, খিচুড়ি রান্না শেখাই।”

    সত্যি খিচুড়ি রান্না হল। প্রেশারে চাল-ডালের মধ্যে বাগানের সবজি ফেলে দেওয়া হল। শিরীষের নির্দেশ শুনে শুনে সবটাই করল ত্রপা। তার উত্তেজনা, ভাল লাগা দেখে শিরীষ দারুণ মজা পেল।

    “আজ রাতে তোমাকে একটা প্রাইজ দেব।”

    “খিচুড়ি খারাপ হলেও দেবেন?”

    “অবশ্যই দেব। তোমার এত আনন্দের জন্যই দেব।”

    “দারুণ হবে স্যার। আনন্দ হচ্ছে বলে পুরস্কার! মা কি সাধে আপনাকে খুব ভালমানুষ বলেছেন? প্রাইজ়টা কী জানতে পারি?”

    শিরীষ গলা নামিয়ে বলল, “রাতে জানতে পারবে।”

    রাতে ডিমভাজা, আচার দিয়ে গরম খিচুড়ি খাওয়ার পর শিরীষ নিজে গেল গেস্টরুম তদারকি করতে। ত্রপা অনেক বারণ করলেও শুনল না।

    “যাকে রোজ তাড়িয়ে দিই, তাকে যখন কাছে থাকতে বলি, যত্ন করবার দায় আমার।”

    রাতে শুতে যাওয়ার আগে ত্রপা বলল, “স্যার, আমার প্রাইজ়?”

    তখন বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল। শিরীষ ফিসফিস করে বলল, “এখানে নয়, চলো, জলকাদা বাঁচিয়ে খেতের ধারে দাঁড়াই। যাবে?”

    ত্রপা বলল, “অবশ্যই যাব।”

    তখন মেঘ ছিল না আর। তারায় তারায় আকাশ ভরেছে। খেত থেকে ভেসে আসছে জলে ভেজা পাকা ধানের গন্ধ। নিকষ অন্ধকারে ‘স্যার’ যাতে পড়ে না যান ত্রপা তার কনুই ধরল। শিরীষ গলা খুলে বলতে শুরু করল—

    “যদি মনে করো, এই ভাবে কেটে যাবে দিন/ তবে তুমি ভুল করো/ যদি মনে করো, এইভাবে কেটে যাবে রাত/ তবে তুমি ভুল করো/ দিনরাত সব কেটে যায় যে যার নিয়মে/ তুমি নিয়ম ভাঙা মানুষ/ বেঁচে থাকো শুধু ভাল থাকার ভ্রমে।”

    শিরীষ চুপ করলে, ত্রপা আকুল স্বরে বলেছিল, “কী অপূর্ব! এই কবিতা কার লেখা?”

    শিরীষ বলল, “চলো, ভিতরে যাই। শীত করছে। প্রাইজ় কেমন হল? নিজের লেখা কবিতা, নিজের মুখে শুনিয়ে দিলাম। তাও আবার ধানখেতের পাশে দাঁড়িয়ে।”

    ত্রপা চুপ করে ঘরে ঢুকল। বলল, “স্যার, আমি আপনাকে একটা প্রণাম করব।”

    শিরীষ ত্রপাকে কাছে টেনে কপালে একটু চুমু খেল।

    “ভাল থেকো। অনেক বড় হও।”

    শিরীষের রাতে জ্বর এল। প্রবল জ্বর। সকালে চলে যাওয়ার সময় ডাকতে এসে জানতে পারল। তারপর থেকে রয়ে গিয়েছে ত্রপা। দু’দিন ধরে সেবা করছে। ডাক্তারকে ফোন করছে। সাঁইথিয়া থেকে ওষুধ আনিয়েছে। তবে শিরীষের ভাল হয়ে যাওয়ার কথাটা পুরোটা বিশ্বাস করছে না।

    শিরীষ অবাক হয়ে বলল, “আমি মিথ্যে বলি!”

    “হ্যাঁ স্যার, বলেন। খিদে পেলেও বলেন, খিদে পায়নি। শরীর ভাল না হলেও বলেন, ভাল আছি। মন খারাপ হলেও বলেন, আজ মনটা খুব ভাল। আপনাকে বিশ্বাস করি না।”

    শিরীষ ‘হো হো’ আওয়াজ করে হেসে ফেলল। হাত বাড়িয়ে বলল, “ঠিক আছে তুমি এসে আমার গায়ে হাত দিয়ে দেখো জ্বর আছে কিনা।”

    ত্রপা চিন্তিত মুখে এগিয়ে এসে শিরীষ বাড়িয়ে দেওয়া হাত ধরল। তার ভুরু কুঁচকে গেল। আরও একটু এগিয়ে শিরীষের কপালে হাত দিল, গলায় হাত দিল। তারপর হাসিহাসি মুখে বলল, “না জ্বর নেই। এবার আপনি সত্যি বলেছেন।”

    শিরীষ বলল, “বাপ রে! তুমি এমন ভাব করছ যেন আমি মস্ত কোনও রোগ থেকে সেরে উঠলাম। ঠান্ডা লেগে সামান্য জ্বর হয়েছিল মাত্র।”

    ত্রপা একটু চুপ করে থেকে বলল, “ক’টাদিন বাড়ি থেকে ঘুরে আসুন। ভাল করে ডাক্তার দেখিয়ে, রেস্ট নিয়ে আসুন।”

    শিরীষ বলল, “খেপেছ? আমার খেতে প্রথম ধান পাকছে। এই সময়ে আমি কলকাতায় গিয়ে বসে থাকব! একেবারে নয়। এই আনন্দের স্বাদ আমি একটু একটু চুমুক দিয়ে নিতে চাই মাই ডটার। কোনও মুহূর্ত বাদ দেব না।”

    এখন দেওয়াল ঘড়িতে সকাল সাতটা বেজে এগারো মিনিট। মিনিট কুড়ি আগে ঘুম ভাঙলেও শিরীষ ওঠেনি। এবার উঠে, থম মেরে বসে আছে। কোমর পর্যন্ত চাদর টানা। ঘরের জানলাগুলো খুলে দিয়েছে ত্রপা। ঝলমলে রোদে ঘর ভেসে যাচ্ছে। ঘরটা তৈরি করার সময় বেশি জানলা করতে বলেছিল শিরীষ।

    ত্রপা বলল, “দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলাম। দু’দিন তো কিছু মুখে দেননি। চা দিই একটু?”

    “খেতে ইচ্ছে করেনি। এখন একটু করছে। সুস্থ হয়ে ওঠার লক্ষণ। দাও, চা দাও।”

    শিরীষ বিছানা থেকে নামতে গেলে মাথাটা হালকা টলমল করে উঠল। করাটাই স্বাভাবিক। দু’দিন শরীরের উপর দিয়ে যা গেল! মাথা ব্যথা, গা-হাত-পা ব্যথা, ধুম জ্বর। বৃষ্টিতে ভেজার ভোগান্তি। আহা রে, দোতারা বৃষ্টিতে ভিজতে পারে না। জীবনের একটা বড় আনন্দ থেকে সে বঞ্চিত। বাথরুম থেকে বেরিয়ে শিরীষ ঠিক করল যে, দু’দিনের জন্য কলকাতায় যাবে। শরীরের জন্য নয়, মেয়ের জন্য মন কেমন করছে। সোমদত্তার সঙ্গেও কতদিন দেখা হয়নি। সে কি দেখা করবে? মনে হয় না। তা হলেও একবার ফোন করতে হবে।

    ত্রপা গেস্টরুমে তৈরি হচ্ছে। তাকে এবার যেতে হবে। সে স্যারের জামাকাপড় কেচে শুকিয়ে দিয়েছে। সেগুলো ভাঁজ করতে লাগল। তার চোখ বারবার ভিজে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে স্যারের কাছে গিয়ে কাঁদি। স্যার জিজ্ঞেস করুক, “এ কী! তুমি কাঁদছ কেন ত্রপা? আমি তো তোমাকে বকিনি?”

    ত্রপা বলবে, “আমি বলব না স্যার, কিছুতেই বলব না।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }