Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাতাল হাওয়া – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. ফরিদের মামলা কোর্টে উঠেছে

    ফরিদের মামলা কোর্টে উঠেছে। পুলিশ চার্জশিট আগেই দিয়েছিল। ফরিদ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তার পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন উকিল মুসলেম উদ্দিন। হাবীব খানের জুনিয়র। রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণের চেষ্টা করছে খুন হয়েছে। মুসলেম উদ্দিন বলছেন, দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    মামলা সাজানোর পরিকল্পনায় কিছু পরিবর্তন আছে। ফরিদকে দেখানো হচ্ছে হাজি রহমত সাহেবের কেয়ারটেকার হিসাবে। বন্দুকের লাইসেন্স হাজি সাহেবের নামে। তাঁর কেয়ারটেকারের পক্ষেই বন্দুক পরিষ্কার করা যুক্তিযুক্ত। তাছাড়া হাসানকে কোনো কিছুতেই রাখা হচ্ছে না। হত্যাকাণ্ডের সময় সে অকুস্থলেই ছিল না। ময়মনসিংহে এসেছিল সিনেমা দেখতে। দুই রাত হোটেলে ছিল। হোটেলের রেজিস্ট্রারে ব্যাকডেটে তার নাম তোলা হয়েছে।

    হাজি সাহেবের সাক্ষ্য ভালোমতো হয়েছে। তিনি কোনো ভুল করেননি। বেফাস কথা বলেন নি। যা শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে তা-ই বলেছেন। বিশ্বাসযোগ্যভাবে সুন্দর করে বলেছেন।

    আপনি এই বন্দুক দিয়ে পাখি শিকার করেন? (বন্দুক দেখানো হলো)

    জি।

    রোজ শিকার করেন?

    হঠাৎ হঠাৎ করি, রোজ না।

    কী পাখি? বক, হরিয়াল, ঘুঘু। জুররা গুলি ব্যবহার করেন? জি। তাহলে বন্দুকের ভেতর ছররা গুলি থাকার কথা। বুলেট ছিল কেন?

    একটা বাঘডাশা খুব উপদ্রপ করছিল। হাঁসমুরগি নিয়ে যায়। একটা ছাগলও নিয়ে গিয়েছিল। বাঘডাশা মারার জন্য বুলেট ভরেছিলাম।

    বাঘডাশা মরিতে পেরেছিলেন?

    জি জনাব। দু’নলা বন্দুকের একটা গুলি খরচ হয়েছে। আরেকটা হয় নাই। বন্দুকে একটা গুলি আছে, ফরিদ বুঝতে পারে নাই। বন্দুক পরিষ্কার করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। এখানে তার যতটা দোষ, আমারও ততটাই দোষ। বুলেট আমি কেন সরায়ে রাখি নাই? আপনারা শাস্তি দিতে চাইলে আমাকে দিবেন। আমারই শাস্তি হওয়া উচিত।

    হাজি সাহেব শেষের কথাগুলি জজ সাহেবের দিকে হাতজোড় করে বললেন। বলার সময় তাঁর গলা ভেঙে গেল। তার কাঁধে রাখা চাদরে চোখ মুছলেন।

    ডিসট্রিক জজ বললেন, ঠিক আছে আপনি যান। অন্য কোনো সাক্ষী থাকলে আসুক।

    পরের সাক্ষীর নাম আমেনা বেগম। সে প্রত্যক্ষদর্শী। হাবীব জেরা করার জন্যে তার জুনিয়রকে উঠতে দিলেন না। নিজেই উঠলেন।

    হাবীব : আপনার নাম আমেনা বেগম?

    আমেনা : জি।

    হাবীব : আপনি কী করেন?

    আমেনা : আমি কইতরবাড়িতে পাকশাকের কাম করি।

    হাবীব : ফরিদকে আপনি চেনেন?

    আমেনা : জে। হে আমারে খালা ডাকে।

    হাবীব : ফরিদ ছেলে কেমন?

    আমেনা : হে ফেরেশতার মতো। আমি তার মধ্যে খারাপ কিছু দেখি নাই।

    হাবীব : ওইদিনের ঘটনা আপনি নিজের চোখে দেখেছেন?

    আমেনা : জি।

    হাবীব : কী দেখেছেন বলুন।

    আমেনা : ফরিদ সকালবেলা আমারে কইল, খালাজি, আমারে এককাপ চা দেন। চা খায়া বন্দুক সাফ করব।

    আমি বললাম, কাইল একবার বন্দুক সাফ করলি, আইজ আবার?

    সে বলল, গতকাইল বাঘডাশা মারা হইছে—নলে ময়লা জমেছে। বড়সাব যদি পক্ষী শিকারে যাইতে চান।

    আমি বললাম, তুই যা বন্দুক সাফা কর, আমি চা নিয়া আসতেছি।

    সে বলল, মামার জন্যেও এক কাপ চা আনা। মামা নামাজে দাঁড়াইছেন। নামাজ শেষ কইরা চায়ে চুমুক দিলে ভালো লাগত।

    হাবীব : মামা কে?

    আমেনা : যিনি খুন হইছেন তারে ফরিদ মামা ডাকত। উনারে ফরিদ অত্যধিক সম্মান করত। মামা মামা ডাইকা পিছনে ঘুরত।

    হাবীব : আমার আর কিছু জিজ্ঞেস করার নাই।

    আমেনা : স্যার, ঘটনা ক্যামনে ঘটছে সেইটা জিগান। বৰ্ণনা করি। আরেকটু হইলে আমি গুলি খায়া মরতাম। ভাইগ্নার হাতে খালার মৃত্যু। বন্দুকের নল ছিল আমার দিকে। ইয়া মাবুদে এলাহি।

    হাবীব নিজের জায়গায় এসে বসলেন। প্রণব চাপা গলায় বলল, সাক্ষী কেমন জোগাড় হয়েছে দেখেছেন স্যার! সব ঠোটস্থ। প্রশ্নের আগে উত্তর।

    হাবিব বললেন, বেশি মুখস্থ হওয়াও ভালো না। বেশি মুখস্থের স্বাক্ষী সন্দেহজনক। কেউ বিশ্বাস করে না।

    প্রণব গলা আরও নামিয়ে বলল, গতকালের ময়মনসিংহ বার্তা পড়েছেন স্যার?

    ময়মনসিংহ বার্তা আমি পড়ি না।

    প্রণব বলল, আমিও পড়ি না। একজন আমার হাতে দিয়ে গেছে। নেন পড়েন। পড়া প্রয়োজন। শেষ পৃষ্ঠা।

    হাবীব ময়মনসিংহ বার্তর শেষ পৃষ্ঠা পড়লেন। সেখানে উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে’ নামে একটা খবর ছাপা হয়েছে। খবরের বিষয়বস্তু হলো—খুন করেছে একজন, বিচার হচ্ছে আরেকজনের। ফরিদের মামলার পুরো বিবরণ সেখানে লেখা। মূল খুনি কে এই নাম শুধু বাদ।

    হাবীব বললেন, পত্রিকার সম্পাদককে আমার সঙ্গে দেখা করতে বলবে।

    কবে দেখা করবে?

    আজ রাত আটটার পর। ওসি সাহেবকেও বলবে।

    রেলওয়ে রিফ্রেশমেন্ট থেকে জিনিস আনায়ে রাখব?

    অবশ্যই। হেকিমের দোকানের পরোটা মাংস যেন থাকে। ওসি সাহেব পছন্দ করেন।

    নাদিয়া আম্মা আজ ঢাকা যাবে না?

    না। এই গণ্ডগোলে তারে ঘরের বাইরে পাঠাব না। প্রয়োজনে এক বৎসর মিস দিবে, পরের বৎসর পড়বে।

    আম্মা কি রাজি হবেন?

    তার রাজি হওয়া না-হওয়ার কিছু নাই।

    বৌদি স্বীকার পেয়েছেন?

    তারও স্বীকার পাওয়া অস্বীকার পাওয়ার কিছু নাই। সংসার একটা গাড়ির মতো। সেই গাড়ির চালক একজন। দুইজনে একসঙ্গে গাড়ি চালায় এমন কথা কেউ শুনে নাই।

    হাবীবের অতি কঠিন সিদ্ধান্তের কারণ গত বৃহস্পতিবার রাতে, ফজরের আজানের আগে আগে দেখা একটা স্বপ্ন। অতি পরিষ্কার স্বপ্ন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, রোকেয়া হল থেকে মিছিল বের হয়েছে। আয়ুববিরোধী মিছিল। অনেকের হাতে প্লাকার্ড। প্লাকার্ডে সাধারণ যে সব কথাবার্তা থাকে সেই সবই লেখা। শুধু নাদিয়ার প্লাকার্ডে লাল কালি দিয়ে লেখা–

    রক্ত খাই।
    আয়ুব খানের রক্ত খাই।

    স্বপ্নের মধ্যেই তার মনে হলো, এটা কী! আয়ুব খানের ফাঁসি চাই’ লেখা থাকতে পারে, কিন্তু তার রক্ত পাবে কেন?

    মিছিল পাবলিক লাইব্রেরির কাছে আসতেই পুলিশ গুলি করল। কারও গায়ে গুলি লাগল না। শুধু নাদিয়ার পেটে গুলি লাগল। রাস্তায় কোনো লোকজন নাই, পুলিশও নাই। নাদিয়া চিৎকার করছে, পানি! পানি! তখন বিদ্যুত কান্তি ছুটে এল। সে পানি খাওয়ানোর বদলে নাদিয়ার শাড়ি-ব্লাউজ টেনে খুলতে শুরু করল। এই পর্যায়ে হাবীবের ঘুম ভেঙে গেল।

    এমন এক স্বপ্ন দেখার পর মেয়েকে ঢাকা পাঠানোর প্রশ্নই আসে না। স্বপ্নের দোষ কাটানোর জন্যে তিনি একটা মোরগ ছদকা দিয়েছেন, দশটা কবুতর আজাদ করেছেন। তিনজন এতিম খাইয়েছেন। শম্ভুগঞ্জের পীরসাহেবের কাছে লোক পাঠিয়েছেন। তিনি চিল্লায় বসে বিশেষ দোয়া করবেন।

    হাবীব মেয়েকে স্বপ্নের কথা বলেছেন। বিদ্যুত নামে শিক্ষকের অংশটি বলেননি। নিজের মেয়েকে এই বিষয় বলা যায় না। নাদিয়া বলেছে, দেশজুড়ে আন্দোলন হচ্ছে, এই কারণেই এমন স্বপ্ন। এই স্বপ্ন নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবার কিছু নাই।

    হাবীব বললেন, আমি তোমার মতো জ্ঞানী না। আমি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হই। তোমার ঢাকা যাওয়া বন্ধ। দেশ যদি কোনোদিন শান্ত হয় চাকায় যাবে।

    শান্ত না হলে যেতে পারব না?

    না।

    আমি এখানে থেকে কী করব?

    যা করতে ইচ্ছা হয় করবে। আমি তোমার বিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। তোমার দাদি মৃত্যুশয্যায়। তিনি নাতজামাইয়ের মুখ দেখতে চান।

    বাবা, আমার খুব ইচ্ছা আমি পড়াশোনা শেষ করি। Ph.D করি। ইউনিভার্সিটিতে মাস্টারি করি।

    তোমার কপালে থাকলে যা চাও হবে। কপালে না থাকলে হবে না। শেখ মুজিব পূর্বপাকিস্তান স্বাধীন করে তার প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিল–এখন সে ঝুলবে ফাঁসিতে, কিংবা ফায়ারিং স্কোয়াড। ফায়ারিং স্কোয়াড হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। মিলিটারিরা ফাঁসি পছন্দ করে না। তুমি কি আর কিছু বলতে চাও?

    নাদিয়া বলল, না।

    জানি তুমি রাগ করেছ। আমি তোমার রাগ নিয়ে থাকতে পারব। অনেকেরই আমার উপর রাগ আছে। তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

    নাদিয়া বলল, সেটাই ভালো। বাবা আমি উঠলাম। দিঘির ঘাটে গিয়ে বসে থাকব। আমাকে নিয়ে চিন্তা করবে না। আমি তোমার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারি, কিন্তু যাব না।

    সন্ধ্যাবেলা হাজেরা বিবি নাতনির জন্যে অস্থির হয়ে গেলেন। চিলের মতো চিৎকার, ও তেজল্লী! ও তোজল্লী! আমার তোজল্লী কই?

    নাদিয়া দাদির কাছে ছুটে গেল। হাজেরা বিবি করুণ গলায় বললেন, এইটা কী খবর শুনলাম?

    দাদি, কী শুনেছ?

    পুলিশ নাকি তোর পেটে গুলি করেছে? তোর মৃত্যু হয়েছে?

    নাদিয়া বলল, যার মৃত্যু হয় সে কি তোমার খাটে বসে গল্প করতে পারে?

    হাজেরা বিবি বললেন, তোর মৃত্যু যদি না হয়ে থাকে তাইলে এমন কথা কেন রটল? সবাই জানে, যাহা রটে তাহা বটে।

    নাদিয়া শান্ত গলায় বলল, দাদি। বাবা আমাকে নিয়ে একটা দুঃস্বপ্ন দেখেছে। তুমি এই দুঃস্বপ্নের কথা শুনেছ। তুমি ভালোমতোই জানো আমি বেঁচে আছি, তারপরেও নাটক করার জন্যে কিছুক্ষণ হইচই করলে। তুমি প্রমাণ করতে চাও তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তোমার মাথা যে যোলআনা ঠিক আছে সেটা আর কেউ না জানুক আমি জানি।

    হাজেরা বিবি বললেন, জানলে জানস। এখন আমারে বোতলের মিজিকটা আরেকবার দেখা।

    বোতলের ম্যাজিক তোমাকে অনেকবার দেখিয়েছি। আর দেখাতে ইচ্ছা করছে না। তাছাড়া আমার মনটা আজ খারাপ।

    বাপ আটক দিছে এইজন্যে মন খারাপ?

    দাদি তুমি তো সবই জানো। শুধু শুধু কেন জিজ্ঞেস করছ?

    হাজেরা বিবির চোখ হঠাৎ চকচক করে উঠল। তিনি আনন্দিত গলায় বললেন, আমারে একবার আমার শ্বশুরআব্বা আটক দিয়েছিলেন। বাপের বাড়ি নাইয়র যাইতে দিবেন না। আমারে নাইয়র নিতে আমার বড় ভাইজান আসছে। বিরাট নাও নিয়া আসছে। শ্বশুরআব্বা তারারে ফিরত পাঠাইছেন। আমি খবর পাইয়া কী করলাম নবি?

    শুনতে চাচ্ছি না, ভয়ঙ্কর কিছু তুমি করেছ বুঝতে পারছি।

    হাজেরা বিবি হাসিমুখে বললেন, ওন না, শুনলে মজা পাবি। আমি শ্বশুরআব্বার মাথা কামানির ক্ষুর হাতে নিয়া তার কাছে গেলাম। তারে বললাম, আপনে যদি এক্ষণ আমারে বাপের বাড়ি না পাঠান এই ক্ষুর আমি নিজের গলায় বসায়ে দিব। কথা শেষ কইরা ক্ষুর বাইর কইরা গলার কাছে ধরলাম শ্বশুরআব্বা বললেন, হাত থাইকা ক্ষুর নামাও। আমি ব্যবস্থা নিতেছি।

    নাদিয়া বলল, আমি কি বাবার একটা ক্ষুর নিজের গলার কাছে ধরব?

    হাজেরা বিবি পান ছেচনি হাতে নিতে নিতে বললেন, সেইটা তোর বিবেচনা।

    ময়মনসিংহ বার্তা পত্রিকার সম্পাদকের নাম নিবারণ চক্রবর্তী। সম্পাদকের রাত আটটায় আসার কথা। তিনি আটটা বাজার আগেই চলে এসেছেন। ছোটখাটো মানুষ। পুরুষ্ট গোঁফ আছে। ধুতির ওপর কালো কোট পরেছেন। ধূর্ততা মাখানো ছোট হেট, চোখ চিন্তিত মুখে হাবীবের চেম্বারে বসে আছেন। জরুরি তলবের কারণ ধরতে পারছেন না। হাবীব ঠিক আটটায় চেম্বারে ঢুকলেন।

    নারায়ণ চক্রবর্তী হাতজোড় করে বললেন, নমস্কার।

    হাবীব বললেন, আদাব। ভালো?

    জি ভালো।

    পত্রিকা কেমন চলছে?

    আমার পত্রিকা অপুষ্ট রুগ্নশি, কোনোমতে বেঁচে আছে। নিজের প্রেস থাকায় রক্ষা। প্রেস না থাকলে পত্রিকা কবেই উঠে যেত।

    কত কপি ছাপেন?

    দুইশ আড়াইশ কপি।

    বিক্রি কত কপি হয়?

    অল্প কিছু হয়। সবই চলে যায় সৌজন্যে। ঘরের খেয়ে বনের মহিষ তাড়াই।

    হাবীব বললেন, আপনি সাহসী মানুষ। আপনার সাহসের তারিফ করি।

    সাহসের কী দেখেছেন?

    হিন্দুরা ধুতি ছেড়ে দিয়েছে। আপনি পরছেন। সাহসী কর্মকাণ্ড। মাঝে মাঝে এমন কিছু খবর ছাপেন যা অন্য কেউ ছাপবে না। সাহসের অভাবেই ছাপবে না। আপনার সাহস আছে, আপনি ছাপেন।

    কোন খবরের কথা বলছেন?

    উদোর পিণ্ডি নিয়ে একটা খবর পড়লাম।

    না জেনে ছাপাই নাই। জেনে ছাপায়েছি।

    তাই তো করা উচিত। কেউ আপনাকে বলল, চিলে আপনার কান নিয়ে গেছে। আপনি কানে হাত না দিয়েই ময়মনসিংহ বার্তায় লিখলেন, একটা বড় চিল, ময়মনসিংহ বার্তার সম্পাদকের কান নিয়া আকাশে উড়িয়া গেছে। সেটা কি ঠিক?

    নারায়ণ চক্রবর্তী অস্বস্তি নিয়ে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছেন। তার চোখ পিটপিট করছে। তিনি গলা খাকারি দিয়ে বললেন, আমাকে একজন এই খবরটা দিয়েছে।

    একজনটা কে?

    সম্পাদকের নীতিমালায় খবরের সোর্স বলা যায় না।

    আপনি যে বিরাট নীতিবাগিশ লোক সেটা জানা ছিল না। দেশ থেকে নীতি উঠে গেছে। আপনার মধ্যে আছে। অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। আচ্ছা আপনি যান। আপনার সঙ্গে কথা শেষ।

    নারায়ণ চক্রবর্তী বললেন, আমাকে কী জন্যে ডেকেছেন তা পরিষ্কার বুঝলাম না।

    যথাসময়ে বুঝবেন। যে হাজি সাহেবের মামলা নিয়ে সংবাদ ছেপেছেন তিনি যখন কুড়ি লাখ টাকার মানহানির মামলা করবেন তখন বুঝবেন। টাকাপয়সা কি আছে?

    আমি দরিদ্র মানুষ।

    একটা প্রেস আছে, দরিদ্র হবেন কেন? প্রেস বেচে দিবেন। ইন্ডিয়াতেও নিশ্চয়ই বিষয়সম্পত্তি করেছেন। বসতবাটি আছে না?

    জল খাব।

    অবশ্যই জল খাবেন। মুসলমান বাড়িতে এসেছেন বলে আপনাকে পানি খাওয়ায়ে দিব তা না। প্রণব, উনাকে কাঁসার গ্লাসে জল দাও।

    নারায়ণ চক্রবর্তী ভীত গলায় বললেন, খবরটা যদি ভুল হয় বিজয়ের দিলে ছাপায়ে দিব।

    হাবীব বললেন, জয়েন্ডার বিজয়ের কিছু কেউ দিবে না। গায়ের চামড়া রক্ষার জন্যে নিজেই যা করার করবেন। দেশরক্ষা আইনে যারা গ্রেফতার হচ্ছে তারা সবাই হিন্দু। এই বিষয়টাও খেয়াল রাখবেন। কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন’ এই বাগধারা কি শুনেছেন?

    শুনেছি।

    ‘ছেলে বোবা কালা, বাপ নাম রেখেছে তর্কবাগিশ’—এটা শুনেছেন?

    না। আপনার পত্রিকা বোবা কালা, আপনি নাম রেখেছেন তর্কবাগিশ। কাজটা ঠিক হয় নাই। আপনার সঙ্গে কথা বলে অনেক সময় নষ্ট করেছি, আর করব না। আপনি জল খেয়ে চলে যান। ওসি সাহেব আসবেন, তার সঙ্গে জরুরি আলোচনা। আপনার বিষয়েই আলোচনা।

    আমার বিষয়ে কী আলোচনা?

    পুলিশ একটা হত্যা মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে। মামলা শেষ পর্যায়ে, এখন আপনি উল্টাগীত গাইছেন। পুলিশ কি বিষয়টা সহজভাবে নিবে?

    যে-কোনো ভুলেরই সংশোধন আছে।

    সংশোধনের বিষয় নিয়ে চিন্তা করা শুরু করে দেন। হাতে সময় বেশি নাই।

    ওসি সাহেব রাত নটায় এলেন। তার সঙ্গে দরজা বন্ধ করে হাবীব মিটিং করলেন। খাওয়াদাওয়া করে ওসি সাহেব সাড়ে দশটার দিকে চলে গেলেন। ভোর তিনটায় ময়মনসিংহ বার্তা সম্পাদক গ্রেফতার হলেন দেশরক্ষা আইনে। ময়মনসিংহ বার্তা বাজেয়াপ্ত হয়ে গেল।

    মফস্বল শহরের ছোট্ট একটা পত্রিকার বাজেয়াপ্তের খবর কোথাও উঠল না। নারায়ণ চক্রবর্তী জেলহাজতে বসেই খবর পেলেন, তার বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতরা নগদ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কারের সঙ্গে তাঁর কিশোরী কন্যা সীতাকে নিয়ে গেছে। সীতার বয়স চৌদ্দ। সে এই বছরই এসএসসি পরীক্ষা দিবে।

    সীতা অপহরণের খবর ইত্তেফাক পত্রিকার ভেতরের পাতায় ছাপা হলো। মওলানা ভাসানী বগুড়ার এক জনসভায় সংখ্যালঘুদের অত্যাচারের বর্ণনা দিতে গিয়ে সীতার অপহরণের প্রসঙ্গ তুললেন।

    ফরিদের মামলা আবার কোর্টে উঠেছে। হাবীব কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে দোতলা থেকে নামতেই প্রণব ছুটে হাবীবের হাত থেকে ব্রিফকেইস নিতে নিতে বলল, আপনার কাছে আমার একটা আবদার।

    হাবীব বললেন, বলো কী আবদার?

    আবদার রক্ষা করলে সারা জীবন আপনার কেনা গোলাম হয়ে থাকব।

    হাবীব বললেন, কেনা গোলাম তো হয়েই আছ। নতুন কেনা গোলাম কীভাবে হবে।

    প্রণব মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল, তাও ঠিক।

    আবদারটা কী বলো।

    নারায়ণ চক্রবর্তীর মেয়ে সীতাকে উদ্ধারের একটা ব্যবস্থা যদি আপনি করেন। মেয়েটাকে আমি দেখেছি। ফাংশানে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইত। পরীর মতো মেয়ে, কিন্নর কণ্ঠ।

    হাবীব বললেন, তোমার কথায় যথেষ্ট বিরক্ত হয়েছি। তোমার কি ধারণা ডাকাতি আমি করিয়েছি।

    না না, ছিঃ ছিঃ কী বলেন!

    তাহলে মেয়েটাকে উদ্ধার করব কীভাবে?

    আপনি যদি একটু ওসি সাহেবকে বলে দেন। পুলিশের পক্ষে এটা কোনো বিষয়ই না। সব অপরাধীর সঙ্গেই তাদের যোগাযোগ।

    হাবীব বললেন, সুযোগমতো বলব।

    প্রণব হঠাৎ হাবীবকে চমকে দিয়ে মেঝেতে বসে দু’হাতে তার পা চেপে ধরল। কাঁদো কাদো গলায় বলল, স্যার মেয়েটাকে উদ্ধার করে দিন। স্যার স্যার গো…

    হাবীব বললেন, ভালো বিপদে পড়লাম তো।

    প্রণব বললেন, আপনি স্বীকার না করা পর্যন্ত আপনার পা আমি ছাড়ব না। ভগবান সাক্ষী, আমি ছাড়ব না।

    বিদ্যুত কান্তি দে’র বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার চাকরিটা চলে গেছে। বৈধভাবেই গিয়েছে। সে ছিল লিভ ভ্যাকেনসিতে। যার ছুটির কারণে বিদ্যুত চাকরি পেয়েছে। তিনি Ph.D করে চাকরিতে জয়েন করেছেন।

    চেয়ারম্যান সাহেব বললেন, বিদ্যুত, ভেরি সরি। তোমার মতো ব্রিলিয়ান্ট একজন শিক্ষককে আমরা রাখতে পারছি না।

    বিদ্যুত বলল, আমি হিন্দু এই কারণে রাখতে পারছেন না।

    এই ধরনের কথা তোমার কাছ থেকে আশা করিনি। তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকানুন জানো।

    বিদ্যুত বলল, লিভ ভ্যাকেন্সিতে আমরা তিনজন ছিলাম। দু’জন মুসলমান একজন হিন্দু। চাকরি শুধু হিন্দুটার গেছে। যদিও সেই হিন্দু মালাউনের একাডেমিক কেরিয়ার সবচেয়ে ভালো। সে অনার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েছে, আবার এমএসসিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েছে।

    বিদ্যুত, তুমি উদ্ধত ভঙ্গিতে কথা বলছ।

    স্যার, আমি মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে আমি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন। আমার কণ্ঠস্বর এবং মাথা সবসময় নিচু রাখতে হবে।

    তুমি আরও কিছু বলবে, নাকি কথা শেষ?

    যাবার আগে আপনাকে প্রণাম করে একটা কথা শুধু বলব।

    প্রণামের প্রয়োজন নাই—কী কথা বলতে চাও বলো।

    বিদ্যুত প্রণাম করতে করতে বলল, আমরা প্রয়োজনের কাজের চেয়ে অপ্রয়োজনের কাজ বেশি করি। যাই হোক, কথাটা বলি। স্যার, পাথরে ঘুণ ধরে না।

    তার মানে কী?

    আপনি পচা কাঠ। পাথর না, তাই ঘুণ ধরেছে। আমি পাথর। ঘুণ আমাকে ধরবে না।

    নরসিংদীর এক গ্রাম, নয়নাতলা।

    বিদ্যুত মাথা নিচু করে তার বাড়ির উঠানে বসে আছেন। টিনের বাড়ি। নতুন টিন লাগানোয় ঝকঝক করছে। বাড়ির উত্তরে কুয়া কাটানো হয়েছে। কুয়ায় পানি ওঠেনি, তারপরের কুয়াতলা বাঁধানো। বাড়ির পেছনে টিউবওয়েল বসানো হয়েছে। টিউবওয়েলের পানি মিষ্টি।

    সবই করেছে বিদ্যুত। বেতনের টাকার প্রায় সবটাই বাড়ির পেছনে চলে গেছে। এখন সে নিঃস্ব। বাড়িতে আসার খরচ জোগাড় করার জন্যে সে হাতঘড়ি এবং লেকচারস অব ফাইনম্যান বই বিক্রি করেছে।

    সময় দুপুর। বিদ্যুৎ রোদে পিঠ মেলে বসে আছে। রোদে গা চিড়বিড় করছে, সে নড়ছে না। বিদ্যুতের মা সরলা দরজা ধরে দাঁড়ালেন। মানুষটা ছোটখাটো।চোখেরহারা দৃষ্টি। সরলা বলেন, বাবা তোর হাত কি খালি?

    বিদ্যুৎ হ্যাঁ–সুচক মাথা নাড়ল।

    বড় মাছের একটা টুকরা ভেজে দেই, খা।

    মাছ কোথায় পেয়েছ?

    সরলা জবাব দিলেন না। বিদ্যুৎ বলল, বাবার পুরানা অভ্যাস যায় নাই।

    সরলা বললেন, না।

    বাবা কই?

    জানি না। মনে হয় সেতাবগঞ্জের হাটে গেছে। আজ হাটবার।

    মা, ঘরে কি লেখার কাগজ-কলম আছে?

    কলম আছে। কসজ নাই।

    বিদ্যুৎ বলল, ঠিক আছে লাগবে না।

    সরলা বললেন, আমার কাছে একটা সুর চেইন আছে নিয়া যা, স্বর্ণকারের দোকানে বেইচা দিয়া কাগজ কিন্যা আন।

    কাগজ লাগবে না।

    বাবা একটা কথা বলি, রাখবি?

    ব্যাথার মত কথা গুম রাখব। অন্যায় কথা রাখব না।

    অন্যায় কথা না বান্ধব কথা। চল ইন্ডিয়া চলে যাই।

    নিজের দেশ ছেড়ে আমি কোথাও যাব না।

    ইন্ডিয়ায় গেলে তুই সহজে চাকরি পাবি।

    চাকরি আমি এখানেই পাব। দেশজুড়ে আন্দোলনের কারণে সব বন্ধ। আন্দোলন একটু কমুক। চাকরি না পেলেও চলবে।

    কীভাবে চলবে?

    মা, আমার অনেক বুদ্ধি। বুদ্ধি বেঁচে টাকা জোগাড় করব।

    বুদ্ধি কার কাছে বেচবি?

    যার বুদ্ধি নাই তার কাছে।

    সরলা বললেন, আমার কাছে বেচ, আমার বুদ্ধি নাই।

    বলতে বলতে সরলা হাসলেন, বিদ্যুৎ হামল।

    বিদ্যুতের বাবা হরি সেতাবগঞ্জের হাটে একটা ছাগলের দড়ি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। পুরুষ্ট ছাগল, ভালো দাম পাওয়ার কথা। হরি অল্পদামেই ছাগল ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। কুড়ি টাকা পেলেই তিনি ছেড়ে দিবেন।

    ছাগলটা তাঁর না। হাঁটে আসার পথে এক বেগুনক্ষেত থেকে তিনি ধরেছেন। ছাগলের মালিকের এই হাটে আসার সম্ভাবনা আছে। তবে সে তার ছাগল দেখে চিনতে পারবে না। ছাগলের দাড়ি তিনি কাঁচি দিয়ে সুন্দর করে কেটে দিয়েছেন। ছাগলের মুখের কাছে সাদা রঙ কালো জুতার কালি ঘষে কালো করেছেন। এইসব সরঞ্জাম সবসময় তার সঙ্গেই থাকে।

    মাছ ধরায় তিনি বিশেষ পারদর্শী। গভীর রাতে জাল ফেলে অন্যের পুকুরের মাছ। বিষয়টাকে তিনি চুরি হিসেবে দেখেন না। অন্যের আছে তার নাই। যার আছে তার ধনের ওপর যার নাই তার কিছু অধিকার থাকবেই।

    বিদ্যুত মাস্টারি পাওয়ার পর তিনি গুরুর কাছ থেকে মন্ত্র নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করেছেন। ছেলে মানিঅর্ডারে ভালো টাকা পাঠাচ্ছে। মাছ চুরি, ছাগল চুরির প্রয়োজন কী? ঝিম ধরে বাড়ির উঠানের কাঁঠালগাছের নিচে বসে মন্ত্র জপ করা।

    কিছুদিনের মধ্যেই মন্ত্রের ওপর তার ঘেন্না ধরে গেল। রাতে ঘুম হয় না। খাওয়াদাওয়ায় রুচি নাই।

    তারপর এক মাঝরাতে বছির মাতবরের গোয়াল থেকে মাঝারি সাইজের এক বলদ নিয়ে হাঁটা দিলেন। সারা রাত হাঁটলেন। কী উত্তেজনার হাঁটা। বুকের ভেতর গুড়গুড় করছে। কেউ যদি দেখে ফেলে সে আতঙ্ক আছে, আবার সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে যাওয়ার রোমাঞ্চও আছে। আতঙ্ক, রোমাঞ্চ, উত্তেজনা এর নামই তো জীবন।

    তিনি ভোরবেলা নীলগঞ্জ বাজারে পৌঁছলেন। কসাইয়ের কাছে পঁচাত্তর টাকায় বলদটি বিক্রি করলেন।

    ছাগল পনেরো টাকায় বিক্রি হয়ে গেল। হরি চাল-ডাল কিনলেন। ছেলে মাংস পছন্দ করে। এক পোয়া খাসির মাংস কিনলেন। ছেলেটা ঝামেলায় পড়েছে, চাকরি চলে গেছে। একবেলা আরাম করে খাক। তিনি পোলায়ের চাল এবং ঘি কিনলেন। আজ রাতে পোলাও-মাংস হোক। বাপ-বেটা আরাম করে খাবে।

    সংসার আর কয়দিনের?

    এই আসছি এই নাই
    দুই দিনের খাই খাই।

    বিদ্যুত উঠানে চক্রাকারে হাঁটছে। মাঝখানে হারিকেন জ্বলছে। সরলা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছেলের কাণ্ড দেখছেন। তার ছেলেটা এরকম কেন?

    সরলা বললেন, বাবা চা খাবি?

    না।

    বাবা এরকম করছিস কেন?

    একটা ছোট্ট পরীক্ষা করলাম।

    কী পরীক্ষা?

    তুমি বুঝবে না।

    বলে দেখ। বুঝতেও তো পারি।

    আমি পরীক্ষা করে বের করলাম, যারা লেফট হ্যান্ডার তারা Anticlokvise দ্রুত ঘুরতে পারে। রাইট হ্যাভারা দ্রুত ঘুরে Clokwise। কিছু বুঝেছ?

    সরলা হতাশ গলায় বললেন, বুঝেছি।

    বিদ্যুত হো হো করে হাসছে। সরলা মুগ্ধ হয়ে ছেলের হাসি দেখছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্দ্রসপ্তক – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article মৃণ্ময়ীর মন ভালো নেই – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }