Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাতাল হাওয়া – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প255 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. ভাটিপাড়া বাড়ির ছাদে

    শ্রাবণ মাস।

    হাসান রাজা চৌধুরী ভাটিপাড়া বাড়ির ছাদে অনেকক্ষণ হলো দাঁড়িয়ে আছে। তাকে দেখাচ্ছে মূর্তির মতো। তার দৃষ্টি হাওরের দিকে। বিস্তীর্ণ হাওর। বড় বড় ঢেউ উঠছে। অনেক দূরে ছোট্ট একটা নৌকা। নৌকা খুব দুলছে। সন্ধ্যার দিকে হাওয়া জোরালো হয়। সমুদ্রের মতো বড় ঢেউ ওঠে।

    হাসানকে ঘিরে অসংখ্য পায়। এরা এখন আর উড়ছে না। সন্ধ্যার পর পায়রা আকাশে উড়ে না। বাকবাকুম শব্দও করে না। এরা কীভাবে যেন টের পেয়ে গেছে যে সন্ধ্যা অতি রহস্যময় এক সময়।

    ছোট সাব, আজান হয়েছে।

    হাসান চমকে তাকাল। জায়নামাজ বগলে নিয়ে বারেক দাঁড়িয়ে আছে। বারেকের বয়স বারো। তাকে হাসানের ফুটফরমাস করার জন্যে রাখা হয়েছে। তার মুখের ভাষায় সিলেটের আঞ্চলিকতা নেই। সুন্দর শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে। কাজেকর্মে দক্ষ। সবচেয়ে বড় কথা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। চেহারা মেয়েলি। ঘাটুগানের দল থেকে তাকে আনা হয়েছে। আশেপাশে কেউ না থাকলে সে শুনগুন করে গানে টান দেয়।

    যমুনার জল দেখতে কালো
    ছান করিতে লাগে ভালো
    যৌবন মিশিয়া গেছে জলে…

    হাসান বলল, আমার অজু নাই। নামাজ পড়ব না।

    অজুর পানি কি দিব?

    না।

    ছোট সাব, কী দেখেন?

    নৌকাটা দেখি। অনেকক্ষণ এক জায়গায় আছে। বাতাসের কারণে আসতে পারছে না।

    চেয়ার এনে দিব? বসবেন?

    না।

    বারেক চলে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার ছাদে উপস্থিত হলো। তার মাথায় কাঠের চেয়ার। হাতে এক নলের দুরবিন। এই বাড়িতে দুটা দুরবিন আছে। ঝড়বৃষ্টির সময় দুরবিনে দূরের বিপদগ্রস্ত নৌকা দেখা যায়। তখন সাহায্যের জন্যে এ বাড়ি থেকে নৌকা যায়।

    হাসান চেয়ারে বসেছে। হাতে দুরবিন নিয়ে নৌকা দেখছে। বিপদগ্রস্ত কোনো নৌকা না। নৌকার মাঝি ছেলেকে নিয়ে মাছ মারতে বের হয়েছে। ছিপ ফেলেছে। হাসান বলল, সন্ধ্যাবেলায় কি মাছ আধার খায়?

    বারেক বলল, সব মাছে খায় না। বোয়াল মাছে খায়। বোয়ালের পেটে ক্ষিধা বেশি। তার বুদ্ধিও কম।

    মাছের মধ্যে বুদ্ধি বেশি কার?

    খইলসা মাছের। খুইলসা মাছ ধরা কঠিন। ছোট সাব, চা খাবেন? চা এনে দিব?

    না।

    বারেক চলে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে বিশাল এক কাপ ভর্তি চা নিয়ে উপস্থিত হলো। বারেক সব কাজ নিজের মতো করে। হাসান চা খেতে চায়নি, এটাকে সে গুরুত্ব দেয়নি। তার মনে হয়েছে এই সময় চা খেতে ছোট সাহেবের ভালো লাগবে। সে চা নিয়ে এসেছে।

    বারেক, লেখাপড়া জানো?

    জে-না।

    শিখতে চাও?

    না।

    কেন না?

    আমার দাদাজানের নিষেধ আছে। তিনি খোয়াবে পেয়েছেন—লেখাপড়া শিখলে আমার পানিতে ডুবে মৃত্যু হবে।

    সাঁতার জানো?

    জানি।

    ভালো জানো?

    জানি। এইখান থেকে সাঁতার দিয়ে নৌকা পর্যন্ত যেতে পারবে?

    পারব।

    ভালো করে চিন্তা করে বলো। অনেকথানি দূর।

    পারব। সময় লাগবে, কিন্তু পারব।

    হাসান হাত থেকে দুরবিন নামিয়ে বলল, আচ্ছা যাও।

    সত্যি যাব?

    হ্যাঁ, সত্যি যাবে। তোমাকে সাঁতার দিয়ে নৌকা পর্যন্ত যেতে বলেছি, তার কারণ আছে। কারণটা পরে বলব।

    হাসান চায়ের কাপে চুমুক দিল। তার দৃষ্টি আকাশে। সূর্য পশ্চিমে ডুবছে, কিন্তু লাল হয়ে আছে পুবের আকাশ। এটা একটা আশ্চর্য ঘটনা। মানুষের চারদিকে সবসময় আশ্চর্য ঘটনা ঘটতে থাকে। খুব কম মানুষই তা নজর করে।

    হাওরের ঘাট থেকে বারেক সাঁতার দিতে শুরু করেছে। তার গা খালি, পরনে সাদা প্যান্ট। সাদা রঙের কারণে দূর থেকে প্যান্টিটা দেখা যাচ্ছে। হাসান চোখে দুরবিন লাগিয়ে সাঁতারুর অগ্রযাত্রা লক্ষ রাখছে। বারেক এগুচ্ছে খুব সহজ ভঙ্গিতে। তার মধ্যে কোনো তাড়াহুড়া নেই।

    মাগরেবের নামাজ শেষ করে হাসানের বাবা হাজি সাহেব বিছানায় চাদর গায়ে শুয়ে আছেন। তার মাথার কাছের বড় জানালাটা খোলা। জানালায় পর্দা নেই। হাওরের হাওয়া ই-হু করে ঢুকছে। তার শীত করছে। জ্বর আসার পূর্বলক্ষণ। ঘরে হারিকেন জ্বলছে। হারিকেনের আলো চোখে লাগছে। সন্ধ্যাবেলা ঘর অন্ধকার করে রাখতে নেই বলেই হারিকেন জ্বলছে। একতলায় গানবাজনা হচ্ছে। গানের আওয়াজও তার কানে লাগছে। অসুস্থ অবস্থায় কোনো কিছুই ভালো লাগে না। তিনি ইচ্ছা করলেই কাউকে ডেকে গান বন্ধ করার কথা বলতে পারেন। তা তিনি বলছেন না। এই বাড়িতে কিছুদিন আগেই বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। সবকিছু আগের মতো করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা বন্ধ করা উচিত না।

    হাজি সাহেব গানের কথা শোনার চেষ্টা করছেন। গায়কের গলা শ্লেষ্যমাখা। কোনো কিছুই পরিষ্কার শোনা যাচ্ছে না। খোল-করতাল এবং হারমোনিয়ামের বাদ্যই প্রবলভাবে শোনা যাচ্ছে। বৃদ্ধ গায়ক গাইছেন—

    ও সুন্দর গৌরারে পিয়ারি মনচোরারে
    প্রেমভাবে নাচে গৌরা ও পিয়ারি মনচোরারে
    যাইতে যমুনার জলে
    ও দেইখে পাইলাম প্রাণবন্ধুরে
    আচা চটক লাগলরে
    আমি নারীর চিত্ত বাউরা
    ও পিয়ারি মনচোরারে।

    হাজি সাহেবের খাস লোক সুলতান ঢুকল। তার হাতে ফরসি হুক্কা। তামাকের গন্ধ হাজি সাহেবের ভালো লাগছে। অসুস্থ অবস্থায় তামাকের গন্ধ ভালো লাগার কথা না। ব্যাপারটা বোঝা যাচ্ছে না। হাজি সাহেব বিছানায় উঠে বসে হুক্কার নল হাতে নিলেন। একটা টান দিতেই শরীর গুলিয়ে উঠল। তিনি নল পাশে রেখে দিলেন।

    সুলতান বলল, আপনার শরীরটা কি খারাপ?

    হাজি সাহেব হ্য-সূচক মাথা নাড়লেন।

    সুলতান বলল, ছোট সাহেব একটা পত্র লিখেছেন। পত্রটা আমার হাতে দিয়েছেন যেন পৌঁছানোর ব্যবস্থা করি।

    হাজি সাহেব বিস্মিত গলায় বললেন, পত্র কাকে দিয়েছে?

    ময়মনসিংহের উকিল সাহেবের মেয়েকে! তার নাম নাদিয়া। পত্রটা কি পড়ে দেখবেন?

    হাজি সাহেব হা-সূচক মাথা নাড়লেন। সুলতান ফতুয়ার পকেট থেকে খামবন্ধ চিঠি বের করে হাজি সাহেবের সামনে রাখতে রাখতে বলল, রাতে কী খাবেন?

    হাজি সাহেব বললেন, রাতে কিছু খাব না। একগ্লাস চিড়া ভিজা পানি আর পেঁপে। তুমি দরজা বন্ধ করে চলে যাও। গান কানে লাগতেছে।

    শরীরে হাত দিয়া দেখব জ্বর কেমন?

    দেখো।

    সুলতান কপালে হাত দিয়ে জ্বর দেখল। সে খানিকটা হকচকিয়ে গেল। হাজি সাহেবের গায়ে অনেক জ্বর। জ্বর যে এত বেশি তা তাঁকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল না।

    একজন ডাক্তার কি খবর দিব?

    না। তুমি এখন ঘর থেকে যাও। আমি না ডাকলে আসবা না।

    হাজি সাহেব চিঠি হাতে নিলেন। তাঁর পুত্র উকিল সাহেবের মেয়েকে চিঠি লিখতে পারে—এটা তিনি কল্পনাও করতে পারছেন না।

    হাসান লিখেছে— নাদিয়া,

    আমি হঠাৎ করে চলে এসেছি বলে আপনার সঙ্গে দেখা করে আসতে পারি নাই। তাছাড়া আপনি অসুস্থও ছিলেন। আশা করি এখন সুস্থ হয়েছেন। আপনার ভূত দেখা রহস্যের যে সমাধান আপনার শিক্ষক বিদ্যুত বাবু করেছেন তাতে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আমি আমার মুগ্ধতা কখনোই ঠিকমতো প্রকাশ করতে পারি না। উনার কাছেও প্রকাশ করতে পারি নাই। আপনি দয়া করে আমার মুগ্ধতা তাকে জানাবেন।

    আপনি আমাকে যে দড়ির ম্যাজিক দেখিয়েছিলেন, আমি সেই রহস্য ভেদ করে অত্যন্ত আনন্দ পেয়েছি। আমার খুব ইচ্ছা আপনাকে ম্যাজিকটা দেখাব।

    আমাদের ভাটি অঞ্চলে বর্ষাকালে নৌকায় বেদেরা আলতা-চুড়ি বিক্রি করতে আসে। তারা সাপের খেলা দেখায় এবং অদ্ভুত সব ম্যাজিক দেখায়। আমি ঠিক করেছি তাদের কাছ থেকে কিছু মাজিক শিখে আপনাকে দেখাব। এবং আপনাকে শিখিয়ে দিব।

    আমি যে আমাদের বাড়িতে আপনাকে আসার জন্যে দাওয়াত করেছি তা কি মনে আছে? কষ্ট করে যদি একবার আসেন তাহলে আনন্দ পাবেন।

    এখানে আমি মোটামুটি নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছি। বই পড়ার আনন্দ থেকেও বঞ্চিত। কারণ এখানে কোনো বই নাই। ঢাকা বা ময়মনসিংহ থেকে প্রচুর বইপত্র যে কিনব তাও সম্ভব না। কারণ বিশেষ কারণে আমি গৃহবন্দি। গৃহবন্দির কারণটি কোনো একদিন আমি আপনাকে বলব।

    ইতি
    হাসান রাজা চৌধুরী
    ভাটিপাড়া, কইতরবাড়ি।

    চিঠি শেষ করে হাজি সাহেব সুলতানকে ডাকলেন। নিচুগলায় বললেন, এই চিঠি পাঠানোর প্রয়োজন নাই। চিঠি নষ্ট করে ফেলবে এবং ছোট সাহেবকে বলবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    সুলতান বলল, জি অচ্ছি।

    চিঠি চালাচালির বিষয় উকিল সাহেব জানলে বেজায় রাগ হবেন।

    জি হবেন। রাগ হওয়ার কথা।

    হাজি সাহেব বললেন, চিঠি এখনই পুড়িয়ে ফেলো। আর রাশেদাকে খবর দাও, তার সঙ্গে আমার জরুরি আলাপ আছে। সে যেন এক-দুই দিনের ভেতর চলে আসে। রাশেদার মেয়েটার নাম কী?

    রেশমী।

    সে কি বিবাহযোগ্য হয়েছে?

    মনে হয়।

    রাশেদাকে বলবে সে যেন তার মেয়েকে নিয়ে আসে।

    জি আচ্ছা।

    এখন বিদায় হও।

    হাসান যে মামাকে খুন করেছে, রাশেদা তারই স্ত্রী। হাজি সাহেব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, রাশেদার মেয়ের সঙ্গে হাসানের বিয়ে দিবেন। যে অন্যায় হয়েছে তার কিছুটা প্রতিকার হবে। রাশেদা এতে আপত্তি করবে এরকম মনে হয় না। রাশেদা হাসানকে অত্যন্ত পছন্দ করে।

    বারেক ফিরে এসেছে। মাথা নিচু করে হাসানের ঘরে বসে আছে। সে খানিকটা লজ্জিত। কারণ সাঁতরে তাকে নৌকা পর্যন্ত যেতে হয়নি। নৌকার মাঝি তাকে দেখতে পেয়ে নৌকা নিয়ে এগিয়ে এসে পানি থেকে টেনে তুলেছে।

    হাসান আধশোয়া হয়ে খাটে বসে আছে। রাতের খাবারের ডাক এসেছে। সে জানিয়েছে খাবে না। ক্ষিধে নেই। সে উকিল সাহেবের বাড়ির প্রণব বাবুর মতো একবেলা খাওয়ার চেষ্টায় আছে। চেষ্টা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। গভীর রাতে ক্ষুধা হচ্ছে। তখন বারেককে পাঠিয়ে খাবার আনাচ্ছে।

    বারেক!

    জি ছোট সাব।

    তুমি তো সাঁতার খুব ভালো জানো। সাঁতরে অনেক দূর গিয়েছিলে।

    বারেক চুপ করে রইল। মাথা তুলল না। হাসান বলল, পানিতে ডুবে মরার সম্ভাবনা তোমার খুবই কম। কাজেই পড়াশোনা করবে। আমি বই-খাতার ব্যবস্থা করব। ঠিক আছে?

    বারেক জবাব দিল না।

    হাসান বলল, মূর্খ মানুষ আর গরু ছাগলের মধ্যে কোনো তফতি নাই। গরুছাগলও পড়তে পারে না। এখন আমার দিকে চোখ তুলে তাকাও। আমার হাতে এটা কী?

    দড়ি।

    তাকিয়ে থাকে। দেখো আমি কী করি। দড়িটা কাচি দিয়ে মাঝখানে কাটলাম। এখন আমি ফু দিব। ফু দিলেই দড়ি জোড়া লেগে যাবে। তাকিয়ে থাকো।

    বারেক তাকিয়ে থাকল। দড়ি জোড়া লাগানো দেখল। দেখে চমকৃত হলো এরকম মনে হলো না। হাসান বলল, কীভাবে হয়েছে বলো তো।

    বারেক বলল, মন্ত্র দিয়া করছেন।

    হাসান বলল, ঠিক বলেছ। মন্ত্র দিয়ে করেছি। লেখাপড়াও মন্ত্র। লেখাপড়া মন্ত্র দিয়ে অনেক কিছু করা যায়। বুঝেছ?

    বুঝেছি।

    প্রতিদিন তোমাকে একটা করে অক্ষর শিখাব। আজ থেকে শুরু। বলো ‘ক’।

    বারেক ভীত গলায় বলল, ক।

    হাসান কাগজে ক লিখল। বারেকের হাতে কাগজটা দিয়ে বলল, এই কাগজটা সঙ্গে রাখবে। মাঝে মাঝে কাগজটার দিকে তাকাবে আর বলবে ক’। মনে মনে বলবে না। শব্দ করে বলবে।

    আচ্ছা।

    টেবিলের উপর একটা বই আছে, বইটা হাতে নাও। বইয়ে যে কয়টা ক পাবে প্রত্যেকটা কলম দিয়ে কাটবে। কীভাবে কাটাবে দেখিয়ে দিচ্ছি। বইটা দাও আর কলম দাও।

    হাসান একটা ক কেটে দেখাল। আর তখন সুলতান এসে বলল, বড় সাব ডাকেন। হাসান উঠে দাঁড়াল। সুলতান বলল, বড় সাবের শরীর ভালো না। বেজায় জ্বর আসছে।

    হাসান কাঁচি এবং দড়ি হাতে নিল। হঠাৎ করেই তার ইচ্ছা করছে বাবাকে সে এই ম্যাজিকটা দেখাবে।

    হাজি সাহেব খাটে হেলান দিয়ে বসেছেন। তাঁর চোখ বন্ধ। হাতে হুক্কার নল। তিনি নল মুখে দিচ্ছেন না। খাটের পাশে চেয়ার রাখা। হাসানকে ঘরে ঢুকতে দেখে তিনি চোখ মেললেন। ছেলেকে ইশারায় বসতে বললেন। হাসান বসল।

    হাজি সাহেব বললেন, প্রায়ই শুনি তুমি রাতে খানা খাও না। রাতে খানা না খেলে শরীর থেকে এক চড়ুই পাখির রক্ত কমে। রাতে খানা অবশ্যই খাবে।

    হাসান জবাব দিল না।

    হাজি সাহেব বললেন, তোমাকে অতি জরুরি একটা বিষয় বলার জন্যে ডেকেছি। মন দিয়ে শোনো। তোমার হাতে দড়ি কী জন্যে?

    আপনাকে দড়ি কাটার একটা ম্যাজিক দেখাব।

    হাজি সাহেব বললেন, ম্যাজিক দেখানো বেদে-বেদেনির কাজ। তোমার কাজ। বুঝেছ?

    জি।

    জরুরি কথাটা এখন বলি। অপরাধ করলে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়। তুমি একটা বড় অপরাধ করেছ। এখন প্রায়শ্চিত্ত করবা।

    কীভাবে?

    তোমার মামাতো বোন রেশমাকে তুমি বিবাহ করবা। এটা আমার হুকুম।

    রেশমাকে বিবাহ করব?

    হুঁ। তার গায়ের রঙ শ্যামলা। শ্যামলা গাত্রবর্ণের মেয়েদের মন হয় ফর্সা।

    হাসান বলল, এই মেয়ে সারাক্ষণ জানবে আমি তার বাবাকে খুন করেছি। এটা কি তার জন্যে ভালো হবে?

    হাজি সাহেব বললেন, তুমি তোমার ভালো চিন্তা করবে। তার ভালো চিন্তা করার প্রয়োজন তোমার নাই। এখন দড়ি দিয়ে কী ম্যাজিক দেখাতে চেয়েছ দেখাও।

    হাসান দড়ি কেটে জোড়া লাগাল। হাজি সাহেব বিস্মিত হলেন। নিজের অজান্তেই বললেন, সোবাহানআল্লাহ!

    হাসান বলল, আপনি কি আরও কিছু বলবেন? আর কিছু না বললে আমি উঠব।

    হাজি সাহেব বললেন, ম্যাজিকটা আরেকবার দেখাও।

    হাসান বলল, কোনো ম্যাজিক দুইবার দেখানো যায় না।

    হাজি সাহেব বললেন, আমি দেখাতে বললাম তুমি দেখাও।

    হাসান কঠিন গলায় বলল, না।

    হাজি সাহেব বললেন, তুমি আমার সঙ্গে বেয়াদবি করছ।

    হাসান বলল, আপনি অন্যায় আবদার করা শুরু করেছেন। এটা উচিত না।

    হাজি সাহেব বললেন, আমাকে তুমি উচিত অনুচিত শেখাও? আমি তোমার জন্মদাতা পিতা।

    হাসান উঠে দাঁড়াল। হাজি সাহেব বললেন, উঠে দাঁড়িয়েছ কী জন্যে? বসো। আমার কথা শেষ হয় নাই।

    হাসান বসল না, ঘর থেকে বের হয়ে গেল। হাজি সাহেব হুক্কার নল মুখে নিয়ে টানতে লাগলেন। অসুস্থ শরীরে তামাকের গন্ধ অসহনীয় লাগছে, তারপরেও তিনি ফুসফুস ভর্তি করে ধোয়া নিচ্ছেন। তার চোখ লাল হয়ে উঠেছে। সামান্য স্বাসকষ্ট হচ্ছে। তিনি চাপা গলায় ডাকলেন, সুলতান সুলতান!

    সুলতান খাটের পাশে এসে দাঁড়াল। হাজি সাহেব বললেন, হাসান আমার সঙ্গে বেয়াদবি করেছে। বিরাট বেয়াদবি।

    সুলতান বিড়বিড় করে বলল, বয়স কম।

    হাজি সাহেব বললেন, বেয়াদবি বয়স কমের কারণে করে নাই। বিকারের কারণে করেছে। বিকার মাথায় উঠে গেলে মানুষ বেয়াদবি করে, খুন খারাপি করে। বুঝেছ?

    জি।

    বিকার নামানোর অনেক বুদ্ধি আছে। পাখি শিকার, জীবজন্তু শিকার। রক্ত দর্শনে বিকার কমে। আবার যৌনকর্মেও বিকার কমে। এইজন্যেই কিছুদিনের

    জন্যে হলেও ঘটুপুত্র রাখা দোষের না। বুঝেছ?

    জি।

    বারেক নামের ছেলেটা ঘাটু দলের না?

    জি।

    তোমার ছোট সাহেব কি তাকে ব্যবহার করে?

    না।

    জেনে না বললা, -কি অনুমানে বললা?

    অনুমানে বলেছি। ছোট সাহেব অন্য ধাঁচের মানুষ। ভালো মানুষ।

    ভালো মানুষ, মন্দ মানুষ বিবেচনার মতো বুদ্ধি তোমার নাই।

    জি, ঠিক বলেছেন।

    উত্তরের দালানের যে বড় ঘরটা আছে, তার সঙ্গে টাট্টিখানা কি আছে?

    আছে।

    হাজি সাহেব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, তোমার ছোট সাহেবকে উত্তরের ঘরে তালাবন্ধ করে রাখো। খানা দিবা জানালা দিয়া। আমার হুকুম না পাওয়া পর্যন্ত তালা খুলবা না। এটা বেয়াদবির শাস্তি।

    জি আচ্ছা।

    সামনে থেকে যাও। যা করতে বলছি করো।

    আপনার জ্বর কি আরেকবার দেখব?

    দেখো।

    সুলতান কপালে হাত দিয়ে বলল, জ্বর আরও বেড়েছে।

    হাজি সাহেব বললেন, জ্বর বেড়েছে, কমবে। ব্যস্ত হবার কিছু নাই।

    সুলতান বলল, জ্বরের ঘোরে ছোট সাহেবের শাস্তির বিধান দিয়েছেন। জ্বর অবস্থায় বিধান দেওয়া ঠিক না।

    হাজি সাহেব বিরক্ত গলায় বললেন, তোমাকে যা করতে বলেছি করো। আমাকে বিধান শিখাবা না।

    হাসানকে উত্তরের ঘরে তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছে। সে তা নিয়ে কোনোরকম উচ্চবাচ্য করছে না। উত্তরের ঘরের একটা জানালা দিয়ে হাওর দেখা যায়। সে বেশিরভাগ সময় জানালার পাশে দাঁড়িয়ে হাওর দেখে। বাকি সময়টা ঘরের এক মাথা থেকে অন্য মাথা পর্যন্ত হাঁটে। খাটের চারপাশে চক্রাকারে ঘোরে। প্রতি সন্ধ্যায় একটা খাতায় কী যেন লেখে। খাতাটার সে একটা নাম দিয়েছে মাতাল হাওয়া। হাওরের উথালপাথাল হাওয়ার কারণেই মনে হয় এমন নাম।

    বারেক তার ঘরের বাইরে সারাক্ষণ বসে থাকে। রাতে চাদর পেতে তালাবন্ধ দরজার সামনেই ঘুমায়! তিনটা অক্ষর তার শেখা হয়েছে। ক, খ, গ। ঘুমের ঘোরে সে বিড়বিড় করে—ক খ গ, ক খ গ।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় বজরায় করে হাসানের মামি রাশেদা কইতরবাড়িতে এসেছেন। সঙ্গে তার সতেরো বছরের মেয়ে রেশমা। রেশমার মুখ গোলগাল। পাতলা ভুরু। নাক খানিকটা চাপা। শ্যামলা এই মেয়েটির চেহারায় অন্য এক ধরনের সৌন্দর্য যা ব্যাখ্যা করা কঠিন। তার চোখে চিরস্থায়ী বিষণ্ণতা।

    হাজি সাহেব রাশেদাকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠিয়েছেন। রাশেদা খাটের পাশে রাখা চেয়ারে মাথা নিচু করে বসে আছেন। হাজি সাহেব বললেন, ভালো আছ রাশেদা?

    রাশেদা হা-সূচক মাথা নাড়লেন।

    হাজি সাহেব বললেন, আমার ছেলের বিষয়টা কি ঠিকমতো জানো?

    রাশেদা বললেন, কোন বিষয়

    খুন হাসান করে নাই, আমার খাস লোক ফরিদ খুন করেছে। সে পুলিশের হেফাজতে আছে। সব স্বীকার পেয়েছে।

    রাশেদা বললেন, এইসব মিথ্যা কোর্টের জন্যে, আমার জন্যে না। খুন কে করেছে আপনি যেমন জানেন আমিও জানি।

    মানুষের সব জানা ঠিক না। জানায় ভুল থাকে। সেই ভুল ঠিক করতে হয়।

    এইটা বলার জন্যেই কি আপনি আমাকে আনায়েছেন?

    তোমাকে একটা প্রস্তাব দিব বলে আনিয়েছি।

    কী প্রস্তাব?

    হাজি সাহেব শান্ত গলায় বললেন, একটা বিবাহের প্রস্তাব। আমি রেশমার সঙ্গে হাসানের বিবাহ দিতে চাই।

    হতভম্ব রাশেদা বললেন, এইসব কী বলেন? আপনি কি উন্মাদ হয়েছেন? উন্মাদও তো এরকম কথা বলবে না।

    হাজি সাহেব নিঃশব্দে তামাক টানতে লাগলেন। রাশেদা বললেন, আপনার টাকাপয়সা আছে। ক্ষমতা আছে। ইচ্ছা করলে অনেক কিছুই করতে পারেন। নিজে খুন করে সেই দোষ অন্যের ঘাড়ে ফেলতে পারেন। আপনার কাছে আমি এবং আমার মেয়ে তুচ্ছ। তারপরেও একটা খুনির সঙ্গে আমি মেয়ের বিবাহ দিব না।

    হাজি সাহেব বললেন, ঠিক আছে।

    আমি আপনার এইখানে থাকব না। চলে যাব। আজই যাব।

    জি সাহেব বললেন, আমি তো জোর করে তোমার মেয়ের বিবাহ দিব না। আজই চলে যেতে হবে কেন?

    আমি থাকব না। আমি চলে যাব।

    হাজি সাহেব বিছানায় আধশোয়া হয়ে ছিলেন, এখন উঠে বসলেন। হুক্কা নল নামিয়ে রাখতে রাখতে বললেন, এই বাড়ি থেকে তুমি যেতে পারবে না। মামলার রায় হওয়ার পরে যাবে। মামলা যেভাবে সাজানো হয়েছে, তুমি তাতে ঝামেলা করতে পারো। সেই সুযোগ তোমাকে আমি দিব না।

    আমাকে আটকায়ে রাখবেন?

    হ্যাঁ।

    আমাকে আটকায়ে রাখার ক্ষমতা আপনার নাই।

    হাজি সাহেব বললেন, গলা নামায়ে কথা বলে। তুমি উঁচুগলায় কথা বলছ। লোকজন শুনছে। এটা ঠিক না। মাথা ঠান্ডা করো। খাওয়াদাওয়া করো। তুমি আমার ছেলের শাশুড়ি হবা। তোমার এই বাড়িতে আনেক মর্যাদা।

    রাশেদা বললেন, আপনি যত কিছুই করেন, আমার মেয়ে কোনোদিনই রাজি হবে না। এই জাতীয় কোনো প্রস্তাব তার কানে গেলে সে হাওরে ঝাঁপ দিয়ে পড়বে। আপনাকে শ্রাল্লার দোহাই লাগে এই ধরনের কোনো কথা যেন আমার মেয়ের কানে না যায়। এখন ইযত দিন আমি বিদায় হই।

    ইযাযত দিলাম।

    রাশেদা দ্রুত ঘর থেকে বের হলেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আজ রাতেই ফিরে যাবেন। ঘাটে বজরা বাধা আছে। ডিঙ্গাপুতার হাওর রাতে রাতে পাড়ি দিয়ে নিজের জায়গায় ফিরে যাওয়া। কইতরবাড়িতে আর এক মুহূর্তও থাকা যাবে না। রাতে খাওয়াদাওয়া করে বজরায় উঠবেন। রেশমাকে এই মুহূর্তে কোনো কিছু জানানোর প্রয়োজন নাই।

    রাতের খাওয়ার সময় রেশমা তার মায়ের কানে ফিসফিস করে বলল, ঘটনা কী জানো মা? হাসান ভাইকে তালাবন্ধ করে রেখেছে।

    রাখুক।

    কী জন্যে তালাবন্ধ সেটা কেউ জানে না।

    না জানুক। তুই তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ কর। আমরা আজ রাতেই ফিরব।

    কেন? ঘুমে আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।

    বজরায় ঘুমাবি।

    রাশেদা হাজি সাহেবের কাছ থেকে বিদায় না নিয়েই বজরায় উঠলেন। বজরা ছেড়ে দিল। রেশমা ঘুমাচ্ছে। তিনি রেশমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকতে থাকতে একসময় নিজেও ঘুমিয়ে পড়লেন। নৌকার দুলুনিতে তাঁর গাঢ় ঘুম হলো।

    ঘুম ভাঙল ফজরের আজানের শব্দে। তিনি বজরা থেকে বের হয়ে অবাক হয়ে দেখলেন, বজরা কইতরবাড়ির ঘাটে বাঁধা। মাঝিরা কেউ নেই। তিনি স্তব্ধ হয়ে বজরার পাটাতনে দাঁড়িয়ে রইলেন। কইতরবাড়ির মসজিদ দেখা যাচ্ছে। মুসল্লিরা নামাজ পড়তে যাচ্ছে।

    দোতলার উত্তরমুখী ঘরটা রাশেদাকে দেওয়া হয়েছে। তার স্যুটকেস, হোল্ডসল, এই ঘরে এনে রাখা হয়েছে। রাশেদা খাটের একপ্রান্তে হেলান দিয়ে স্তব্ধ হয়ে বসে আছেন। রেশমা জানালার শিক ধরে হাওরের দিকে তাকিয়ে আছে। একটি বিশেষ দৃশ্য তাকে মোহিত করেছে। বিশাল বকের ঝাঁক হাওরের একটা বিশেষ জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে, ফিরে আসছে, আবার যাচ্ছে। ওই জায়গাটায় কী আছে তার জানতে ইচ্ছা করছে। রাশেদা বললেন, আমাদের আটক করেছে। বিষয়টা বুঝেছিস?

    রেশমা মা’র দিকে না তাকিয়ে বলল, বুঝি নাই। তার দৃষ্টি বকের দিকে।

    রাশেদা বললেন, কী জন্যে আটক করেছে জানতে চাস?

    চাই।

    কাছে আয় বলি।

    রেশমা বলল, কাছে আসব না। তুমি বলো আমি শুনছি।

    রাশেদা বললেন, এরা জোর করে খুনিটার সঙ্গে তার বিবাহ দিতে চায়। তোর উপরে আদেশ—প্রয়োজনে ফাঁসিতে ঝুলবি, কবুল বলবি না।

    রেশমা বলল, ফাঁসিতে ঝুলার মধ্যে আমি নাই মা।

    খুনিটারে বিবাহ করবি?

    কথায় কথায় খুনি বলবা না শুনতে খারাপ লাগে।

    খুনিরে সাধুপুরুষ বলব?

    কিছুই বলতে হবে না। আমি জানি খুনের পিছনে বিরাট ঘটনা আছে। ঘটনা জানলে হাসান ভাইরে ক্ষমা করা যাবে। একদিন আমি ঘটনা জানব।

    কীভাবে জানবি?

    রেশমা স্বাভাবিক গলায় বলল, বিবাহের পর উনারে জিজ্ঞাস করব। স্ত্রীর কথা উনি ফেলতে পারবেন না।

    রাশেদা তীক্ষ্ণ গলায় বললেন, তুই কী বললি?

    রেশমা বলল, তামাশা করলাম। তোমার মন মেজাজ ভালো না। এইজন্যেই তামাশা!

    আর একবার যদি এমন তামাশা করস তোরে আমি জীবন্ত কবর দিব।

    সকালের নাশতা চলে এসেছে। চালের আটার রুটি। ভুনা হাঁসের মাংস, পায়।

    রাশেদা বললেন, সব নিয়া যাও। আমি কিছু মুখে দিব না। আমার মেয়েও মুখে দিবে না। এই বাড়িতে আমরা পানিও স্পর্শ করব না।

    রেশমা বলল, আমার ভূখ লাগছে। আমি খাব। হাঁসের মাংস আমার প্রিয়।

    রেশমা এখনো জানালা ধরে আছে। বক রহস্যের সমাধান হয়েছে। বকরা ঠোটে মাছ নিয়ে ফিরছে। এতক্ষণ হয়তো তারা ঝাঁক বেধে মাছ খুঁজছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্দ্রসপ্তক – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article মৃণ্ময়ীর মন ভালো নেই – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }