Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. আঞ্চলিক সমস্যা

    আঞ্চলিক সমস্যা

    শান্তি সুনিশ্চিত করতে হলে প্রথমে কয়েকটি আঞ্চলিক সমস্যার সমাধান করা দরকার। এ ধরনের সমস্যার মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য হল ফরমোজা, কোরিয়া আর লাওস-এর সমস্যা। এসব ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য কোনো সমাধানসূত্র বাতলানো সহজ নয়। পশ্চিমী দুনিয়া বলে, সকলের আত্মনিয়ন্ত্রণের নীতি মেনে নিতে তারা প্রস্তুত। কিন্তু একটু খুঁটিয়ে লক্ষ করলেই বোঝা যায়, শুধুমাত্র রাশিয়ার আওতায় থাকা দেশগুলোর ক্ষেত্রেই এ নীতির প্রয়োগ করতে চায় তারা। স্পেন বা পর্তুগালে গণতান্ত্রিক আত্মনিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিতে তারা রাজি নয়, আর পশ্চিম গোলার্ধের যে সব দেশে কমিউনিস্টরা সংখ্যাগুরু হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে সেইসব দেশে এইসব নীতি কার্যকরি হবে কি না সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। এইসব সমস্যা সমাধানের জন্য। যে সব আলাপ আলোচনার কথা ভাবা হয়েছে, তার ফল কি হবে বল মুশকিল। একটা ব্যাপারই শুধু নিশ্চিত এ সমস্যার সমাধান আলাপ আলোচনার মারফতই করতে হবে, যুদ্ধের হুমকির মারফত নয়। নিরপেক্ষ কিছু দেশের উপস্থিতিতে পারস্পরিক সমঝোতা মারফত মিটিয়ে নিতে হবে এ সব সমস্যা।

    রুশ বিপ্লবের পর থেকেই পশ্চিমী দুনিয়া একটা সেকেলে নীতি আঁকড়ে ধরে আছে। সোভিয়েত সরকারকে দীর্ঘদিন স্বীকৃতি দেয়নি তারা। চীনের কমিউনিস্ট সরকারকে এখনও স্বীকৃতি দিতে রাজি নয় আমেরিকা আর রাষ্ট্রসংঘ। পূর্ব জার্মানির সরকারকেও স্বীকৃতি দেয়নি পশ্চিমী দুনিয়া কিংবা অডার-নিস সীমান্তের সীমানির্দেশক বৈশিষ্ট্যকেও মেনে নেয়নি। এই শেষোক্ত ব্যাপারটিতে পশ্চিম জার্মানির সরকার এবং সব জায়গায় জার্মানরা রীতিমত ক্ষুব্ধ, কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো সংশোধনের ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব। প্রথমত, কমিউনিস্ট শিবির কিছুতেই রাজি হবে না, তবে যুদ্ধে পরাজিত হলে বাধ্য হয়ে মেনে নিতে পারে। কিন্তু সেই পরাজয় ঘটতে পারে একমাত্র সর্বাত্মক পারমাণবিক যুদ্ধেই, যে যুদ্ধে পশ্চিমী দুনিয়াও একইভাবে পরাজিত হবে এবং খুব সম্ভব পৃথিবীর তাবত সুশৃঙ্খল সরকারই ধ্বংস হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, জার্মানির পূর্বতন সীমান্ত ফিরিয়ে আনতে চাইলে সেটা রুশ আর পোল-দের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ নৃশংসতার বিপরীত পুনরাবৃত্তিকে সুনিশ্চিত করে তুলবে। জার্মানির কিছু অংশ আইনত জার্মানির বাইরে চলে পোল রা, সেই নৃশংসতার কথাই বলছি আমি।

    বিদ্যমান কোনো সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে কিন্তু তাকে অনুমোদন করা নয়। স্বীকৃতির অর্থ হচ্ছে বিদ্যমান তথ্যকে স্বীকার করে নেওয়া, আর কিছু নয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের ব্যাপারে এই সত্যটা শেষ পর্যন্ত মেনে নিয়েছিল পশ্চিমী দুনিয়া, কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা থেকে আজও তারা একটা জিনিস শিখে উঠতে পারেনি। বিশ্বযুদ্ধ না ঘটলে যে সব দেশের সরকারকে উৎখাত করা কিছুতেই সম্ভব নয়, সেইসব দেশের সরকারকে স্বীকার করে নেওয়ার ব্যাপারে দীর্ঘসূত্রিতা যে কতখানি বুদ্ধিহীনের কাজ- সেটাই তারা শিখে উঠতে পারেনি আজও।

     

     

    এই মুহূর্তের সব থেকে জটিল ও বিপজ্জনক আঞ্চলিক সমস্যা হচ্ছে জার্মানি আর বার্লিনের সমস্যা। এ সঙ্কট এতই তীব্র হয়ে উঠেছে যে এ প্রসঙ্গে বলা যে কোনো কথা ছাপা হওয়ার আগেই সেকেলে হয়ে যাচ্ছে। তবু দু-চার কথা বলা দরকার। উভয় পক্ষের শক্তি প্রদর্শনের পথে এর সমাধান করা অসম্ভব, অথচ বাস্তবে ঠিক তা-ই চলছে। যেমন, আমেরিকার নৌ অভিযানের প্রধান অ্যাডমিরাল বার্ক ১৯৬১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বলেছেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন যা-ই করুক না কেন, তাকে ধ্বংস করে দেওয়ার শক্তি যতদিন আমাদের আছে ততদিন বড় মাপের কোনো যুদ্ধ বাধবে বলে আমার মনে হয় না। সোভিয়েত ইউনিয়নকে ধ্বংস করে দেওয়ার শক্তি এখন আমাদের আছে (দ্য টাইমস, ১৭ ফেব্রুয়ারি ১০৬১)। ১৯৬১ সালের ৯ জুলাই এক বক্তৃতায় মিঃ ক্রুশ্চেভ-ও একই কথা বলেছেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন অথবা তার মিত্রদের কেউ আক্রমণ করলে তাকে উপযুক্ত প্রতিফল পেতে হবে। সোভিয়েত সৈন্যবাহিনীর হাতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ থার্মো-নিউক্লিয়ার অস্ত্র আছে, সেই সঙ্গেই আছে সেগুলোকে নিক্ষেপ করার অত্যুন্নত উপায়–স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার রকেট এবং আন্তমহাদেশীয় রকেট। কেউ যদি ভেবে থাকে দূরে থাকলে বেঁচে যাবে, তাহলে ভুল করছে।

     

     

    সাম্রাজ্যবাদীরা কোনো যুদ্ধ শুরু করে দিলে সে-যুদ্ধ শেষ হবে সাম্রাজ্যবাদের পরিপূর্ণ পরাজয়ের মধ্যে দিয়ে। যে ব্যবস্থা লুঠেরাবাজ যুদ্ধের জন্ম দেয়, সেই ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে চিরদিনের মতো (দ্য টাইমস, ১০ জুলাই ১৯৬১)। অ্যাডমিরাল বার্ক এবং মিঃ ক্রুশ্চেভের সঙ্গে এ ব্যাপারে আমি একমত যে তাদের বাহিনী শত্রুপক্ষকে ধ্বংস করে দিতে পারে। কিন্তু তারা দুজনেই যা খেয়াল করছেন না তা হল- শত্রুপক্ষও তাদেরকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এইসব হুমকি দিয়ে কোনো সমাধানের দিকে এগানো যায় না, বরং যুদ্ধের সম্ভাবনাই বাড়ে। এই মুহূর্তের সমস্যা পশ্চিম বার্লিনকে ঘিরে। সকলেরই মনে রাখা দরকার-যুদ্ধ বাধলে পশ্চিম বার্লিনের প্রায় সমস্ত বাসিন্দাই মারা যাবে।

    পশ্চিম বার্লিনের সমস্যা খুবই জটিল। অল্পকথায় সমস্যাটি নিয়ে একটু আলোচনা করা যেতে পারে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের নীতি গৃহীত হয়েছিল, ফলে কোনো শান্তিচুক্তি মারফত যুদ্ধ শেষ হয়নি, শেষ হয়েছিল জার্মানিকে কিভাবে শাসন করা হবে তা নিয়ে বিজেতাদের মধ্যে এক চুক্তি মারফত। চার ভাগে ভাগ করা হয়েছিল জার্মানিকে: আমেরিকান, ব্রিটিশ, ফরাসি আর রাশিয়ান। যে ভাগটা যার অধীনে, সে ভাগটা সেই দেশই শাসন করবে। বার্লিনের চারপাশে ঘিরে ছিল রাশিয়ান এলাকা। বার্লিনকেও চার ভাগে ভাগ করা হয়েছিল এবং চারটি দেশ চারটি ভাগে সর্বেসর্বা ছিল। এইখানে পশ্চিমী দুনিয়া একটা বোকার মতো কাজ করে-তাদের এলাকা থেকে রাশিয়ানদের এলাকায় যাতায়াতের স্বাধীনতা রাখার কোনো ব্যবস্থা করেনি তারা। এর সুযোগ নিয়ে ১৯৪৮ সালে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেয় রাশিয়ান। পশ্চিমী দেশগুলো তখন বিমানে করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে এবং রাশিয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। তখন পশ্চিম বার্লিনে যাওয়া এবং পশ্চিম বার্লিন থেকে বাইরে কোথাও আসার স্বাধীনতা সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে রাশিয়া। পশ্চিমী দুনিয়ার অধিকারভুক্ত জার্মানির তিনটি অংশ ততদিনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক স্বশাসন চালু করে দিয়েছিল। পশ্চিমী দুনিয়ার অধিকারভুক্ত বার্লিনের তিনটি অংশেও গণতান্ত্রিক স্বশাসন চালু করা হয়। জার্মানি বা বার্লিন সংক্রান্ত যাবতীয় আলাপ আলোচনার বৈধতা ইয়ালতা আর পটল্ডাম-এর চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। জার্মানির সঙ্গে যতদিন কোনো শান্তিচুক্তি করা না যাচ্ছে, ততদিনের জন্যই এই চুক্তিগুলো করা হয়েছিল। পূর্ব ও পশ্চিম, এই দুই অংশে জার্মানি বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে এ রকম কোনো শান্তিচুক্তি আজ পর্যন্ত করা যায়নি। রাশিয়ান সরকার এখন ঘোষণা করেছে যে পূর্ব জার্মানির সঙ্গে তারা একটা চুক্তি সম্পাদন করবে যার ফলে যুদ্ধের সময় রাশিয়া ও পশ্চিমের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিটি আর কার্যকরী থাকবে না, আর তার ফলস্বরূপ পশ্চিম বার্লিনের বৈধ মর্যাদাও বিলুপ্ত হবে–অবশ্য পশ্চিমী দুনিয়ার ধারণা এ রকম কোনো চুক্তি সম্পাদনে রাজি হবে না পূর্ব জার্মানি, আর সোভিয়েত সরকার ঘোষণা করে দিয়েছে যে এ রকম কোনো চুক্তি সম্পাদনের জন্য পূর্ব জার্মানির ওপর কোনো চাপ দেবে না তারা।

     

     

    এ সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পশ্চিম বার্লিনের সঙ্গে পশ্চিম জার্মানির অবাধ যোগাযোগের অধিকার। এ-অধিকার না থাকলে পশ্চিম বার্লিন পুরোপুরিভাবে পূর্ব জার্মানির দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। আবার যেহেতু পূর্ব জার্মানি সোভিয়েত সরকারের অধীন, সেহেতু পশ্চিম বার্লিনকেও টিকে থাকতে হলে সোভিয়েত সরকারের যে কোনো শর্ত মেনে নিতে হবে।

    এক্ষেত্রে পশ্চিমী দুনিয়ার প্রায় কিছুই করার নেই। পশ্চিম বার্লিনের ব্যাপারে তাদের অধিকার আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। এই চুক্তিকে একতরফাভাবে বাতিল করা সম্ভব নয়। সমগ্র জার্মানির সঙ্গে অথবা তার দুটি অংশের সঙ্গেই কোনো সাধারণ শান্তিচুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই চুক্তি কার্যকরি থাকবে। ক্রুশ্চেভ এ ধরনের চুক্তির পক্ষপাতী, কিন্তু তিনি বলেছেন আমেরিকা তাতে রাজি না হলে রাশিয়া একাই পূর্ব জার্মানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করবে এবং ধরে নেবে সেই চুক্তিবলে পশ্চিম বার্লিনের ওপর পশ্চিমী দুনিয়ার যাবতীয় অধিকারের অবসান ঘটল। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে মোটেই বৈধ বলা চলে না।

    পারমাণবিক যুদ্ধ পরিহার করতে হলে যা করা দরকার, ক্রুশ্চেভ তা করছেন। যুদ্ধের হুমকি দিয়ে তিনি বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চাইছেন, যে পরিবর্তন রাশিয়ার পক্ষে খুবই সুবিধাজনক এবং আমেরিকার পক্ষে খুবই অসুবিধাজনক হবে। উভয় তরফের পক্ষেই পারমাণবিক যুদ্ধের থেকে বেশি বিপজ্জনক আর কিছু হতে পারে না, অতএব বর্তমান অবস্থার যে কোনো পরিবর্তন আলোচনার সাহায্যেই ঘটাতে হবে, যুদ্ধের হুমকি দিয়ে নয়। অনেকে বলতে পারেন, পারমাণবিক যুদ্ধই যেহেতু সব থেকে বিপজ্জনক সম্ভাবনা, সেহেতু এক পক্ষ যুদ্ধের হুমকি দিলে অপর পক্ষের চুপ করে থাকাই উচিত। কিন্তু কোনো দেশই চুপ থাকতে রাজি হবে না। জাতীয় অহমিকা আর সেইসঙ্গে নিজেকে সঠিক বলে মনে করার প্রবণতা-এই দুয়ের প্রভাবে যে কোনো হুমকির জবাবে পাল্টা হুমকি আসতে বাধ্য। ঠিক এই জন্যই যুদ্ধের কাছাকাছি পর্যন্ত এগোনোর নীতিটি এত বিপজ্জনক। এই মুহূর্তে উভয় পক্ষই এই নীতি অনুসরণ করছে এবং বার্লিনের ব্যাপারে এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য রাশিয়াই প্রধানত দায়ী।

     

     

    পশ্চিম বার্লিনের বাসিন্দাদের জীবনকে যন্ত্রণাময় করে তোলার চেষ্টা কেন করছে রাশিয়া তা তারা প্রকাশ্যে বলেনি, কিন্তু ব্যাপারটা বুঝে নিতে অসুবিধে হয় না। পূর্ব জার্মানি আর পূর্ব বার্লিন দরিদ্র অঞ্চল, সেখানকার বাসিন্দাদের অধিকাংশই তাদের সরকারকে ঘৃণা করে। পশ্চিম জার্মানি আর পশ্চিম বার্লিন সমৃদ্ধিশালী এলাকা, সেখানকার সরকারও জনপ্রিয়। পূর্ব জার্মানির বহু বাসিন্দা পশ্চিম জার্মানিতে চলে গেছে। তবে এভাবে যাওয়া সম্ভব ছিল ততদিনই যতদিন পশ্চিম বার্লিনে যাওয়ার উপায় ছিল তাদের এবং পশ্চিম বার্লিন আর পশ্চিম জার্মানির মধ্যে যোগাযোগ চালু ছিল। কমিউনিস্ট শিবিরের কাছে এই অবস্থাটা নিতান্তই অপমানজনক। এই পরিস্থিতিতে কমিউনিস্ট দৃষ্টিকোণ থেকে এর একমাত্র সমাধান হলো-পশ্চিম বার্লিনকেও পূর্ব বার্লিনের মতো দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত করে তোলা এবং পশ্চিম বার্লিন থেকে পশ্চিম জার্মানিতে যাওয়ার পথটা বন্ধ করে দেওয়া। মানবিকতাসম্পন্ন কোনো মানুষই এ ধরনের কাজ সমর্থন করতে পারেন না।

    তবে বার্লিন সমস্যার ব্যাপারে পশ্চিমী দুনিয়ার ভূমিকাতেও প্রাজ্ঞতার ছাপ নেই। পশ্চিম বার্লিনের অবস্থার ব্যাপারে নিশ্চিত পাওয়া গেলে পূর্ব জার্মান সরকারকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কোনো সঙ্গত কারণ পশ্চিমী দুনিয়ার থাকত না। পূর্ব জার্মানির সরকারকে পশ্চিম বার্লিনের বর্তমান অবস্থান বজায় রাখতে এবং বহির্জগতের সঙ্গে তার যোগাযোগ অক্ষুণ্ণ রাখতে দিতে রাজি হতো কি না, তা জানার জন্য পশ্চিমী দেশগুলোর চেষ্টা করা উচিত ছিল। এ ব্যাপারে পূর্ব জার্মান সরকার ঠিক কি চায় তা পশ্চিমী দুনিয়া আজও জানে না। অনর্থক সঙ্কট বাড়িয়ে তুলে যুদ্ধ বাধিয়ে তো কোনো লাভ নেই। এখনই পূর্ব জার্মানির সঙ্গে পশ্চিমী দুনিয়ার চুক্তি সম্পাদন করা দরকার। সে চুক্তিতে পূর্ব জার্মানিকে আমরা স্বীকৃতি দেব আর পূর্ব জার্মানি দেবে পশ্চিম বার্লিনের অবস্থার পরিবর্তন না ঘটানোর নিশ্চিত। অনেকে গোটা বার্লিনকে এক মুক্ত শহর-এ পরিণত করার কথা বলছেন। সেটা করা হলে পশ্চিমী দুনিয়ার সঙ্গে বার্লিনের অবাধ যোগাযোগ সম্ভব হবে কি না তা কেউই বলতে পারছে না, তবে যদি তা সম্ভব হয় তাহলে এই প্রস্তাবকে সমর্থন করাই যায়। অবাধ যোগাযোগের জন্য টেমপেলহফ-এ পশ্চিম বার্লিনের বর্তমান বিমানবন্দরটি থাকা একান্তই প্রয়োজনীয়, অথচ পূর্ব জার্মানি চায় ওই বিমানবন্দরটি পরিত্যক্ত হোক। টেমপেলহফের এই বিমানবন্দরটির দৌলতেই অবরোধের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল পশ্চিম বার্লিন।

     

     

    পশ্চিমী দৃষ্টিকোণ অনুসারে পরিস্থিতির জটিলতার মূল কারণ হলো পশ্চিম বার্লিনের স্থানীয় কোনো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে না পারা। চারপাশের পুরো এলাকাটাই রাশিয়ান বাহিনীর সামনে উন্মুক্ত। এ অবস্থায় পশ্চিমী দুনিয়াকে কোনো কার্যকরি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে সর্বাত্মক পারমাণবিক যুদ্ধ ছাড়া অন্য উপায় নেই। সে যুদ্ধি যদি বাধে, তাহলে পূর্ব বার্লিন আর পশ্চিম বার্লিনের সমস্ত মানুষই মারা যাবে।

    পশ্চিমী দুনিয়া বার্লিন সমস্যাটিকে কোনো মধ্যস্থের হাতে ছেড়ে দিতে পারে এবং যেসব দেশ নিজেদের শান্তিকামী দেশ বলে তাদের যুদ্ধ হুমকির বিরুদ্ধে পৃথিবীর তাবত অ-কমিউনিস্ট দেশকে একজোট করতে পারে। মিঃ ডিন রাস্ক সম্প্রতি অনেকটা এই ধরনেরই একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে কোনো পক্ষই এ ধরনের প্রস্তাব মেনে নেবে কি না, তাতে সন্দেহের অবকাশ আছে।

    শুধু বার্লিন নয়, গোটা জার্মানির অবস্থাটাই শান্তির দিকে এগোনোর পথকে জটিল করে তুলছে। প্রায় প্রত্যেক জার্মানই ঐক্যবদ্ধ জার্মানি ফিরে পেতে চান। যতদিন জার্মানির এক অংশ কমিউনিস্ট এবং অন্য অংশটি অ কমিউনিস্ট থেকে যাবে, ততদিন ঐক্যবদ্ধ জার্মানি গড়ে তোলা খুবই দুষ্কর। সম্প্রতি ক্রুশ্চেভ রাপাকি পরিকল্পনার কথা বলেছেন। এই পরিকল্পনার মূল বক্তব্য হল–সমগ্র জার্মানি আর তার পূর্বদিকের আরও কিছু দেশকে নিরস্ত্রীকৃত ও নিরপেক্ষ করতে হবে এবং রাশিয়া ও পশ্চিমী দুনিয়া উভয়ের সম্মতিক্রমে নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হবে তাদের। বিশ্বশান্তির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এ এক চমৎকার প্রস্তাব, পশ্চিমী দেশগুলোর উচিত একে সমর্থন করা। কিন্তু পশ্চিমী দেশগুলো তা করবে বলে মনে হয় না। অ্যাডেনয়ের এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছেন, যিনি সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী এক জার্মানি গড়ে তুলতে চান। আমেরিকা, ব্রিটেন আর ফ্রান্সও এর বিরোধিতা করেছে, যারা রাশিয়াকে প্রতিরোধ করার ব্যাপারে জার্মানির সশস্ত্র সহযোগিতার প্রত্যাশী। পশ্চিমী দুনিয়ার কেউই বোধহয় খেয়াল করেননি যে রাপাকি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কমিউনিস্ট দেশের, নিরস্ত্রীকরণের কথাও বলা হয়েছে, অতএব পশ্চিম জার্মানির নিরস্ত্রীকরণের ফলে ভারসাম্যের কোনো হেরফের ঘটবে না।

     

     

    পশ্চিম জার্মানির ওপর পশ্চিমী দেশগুলোর নির্ভরতার কিছু বিপজ্জনক দিককে সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া হয়। জার্মান সৈন্যবাহিনীর নেতৃত্বে যে-সব জেনারেলরা আছেন তাদের বহুজনই প্রাক্তন নাৎসি। হিটলারের নেতৃত্বে জার্মান পুনরুত্থান একটা নজির হিসেবে কাজ করতেই পারে। ব্রিটিশ সরকারের আমন্ত্রণে জার্মান সৈন্যবাহিনীর একটা অংশকে ব্রিটেনে রাখা হয়েছে। ১৯৪০ সালে আমরা সবাই যা অনুভব করেছিলাম, কত দ্রুত তা বিস্মৃত হয়েছি আমরা।

    সার্বজনীন ও সর্বাত্মক নিরস্ত্রীকরণের যে প্রস্তাব ক্রুশ্চেভ দিয়েছিলেন, তা গৃহিত হলে এই মুহূর্তের যাবতীয় সমস্যার সমাধান অনেক সহজেই করা যেত। রাপাকি পরিকল্পনাটি জার্মানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না, কারণ দেখা যাচ্ছে এই পরিকল্পনা অনুযায়ী একমাত্র জার্মানি বাদে আর কোনো বৃহৎ শক্তিকে নিরস্ত্রীকৃত করা হবে না। সার্বজনীন নিরস্ত্রীকরণ ঘটলে এ আপত্তি তোলার কোনো সুযোগই থাকত না।

    জার্মানি ও বার্লিনের সমস্যার ব্যাপারে পূর্ব এবং পশ্চিমের কোনো বৃহৎ শক্তিই এখনও পর্যন্ত কোনোরকম কূটনৈতিক দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেনি। পারমাণবিক যুদ্ধের বিপদ আরও বেড়ে উঠলে উভয় পক্ষই হয়তো যুদ্ধের কিনারা থেকে সরে আসবে এবং সেখানকার মানুষদের ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার কোনো উপায় খুঁজে বার করবে। তবে এটা খুবই সম্ভব যে জাতীয় অহমিকা এবং হুমকির কাছে মাথা না–নোয়ানোর জেদ কোনো পক্ষকেই থামতে দেবে না, ফলে শেষ পর্যন্ত পারস্পরিক মুগ্ধতায় উভয় পক্ষই ধ্বংস হয়ে যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }