Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. হাইড্রোজেন বোমা

    হাইড্রোজেন বোমা

    পরমাণু বোমা যখন পৃথিবীর কাছে নতুন জিনিস ছিল, তখন তার ভয়াবহতা দেখে আতঙ্কে কেঁপে উঠেছিলাম আমরা। পারমাণবিক শক্তির ওপর আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ চালু করারও প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাপারটা সবার গা-সওয়া হওয়া গেল। মানুষ বুঝে ফেলল, পরমাণু বোমা যে ক্ষতিটুকু করতে পারে তা পারস্পরিক হিংস্রতাকে চরমে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট নয়। বুঝতে দেরি হলো না, পরমাণু বোমা দিয়ে বড় বড় শহরগুলোকে ধ্বংস করা গেলেও ছড়ানো-ছিটানো গ্রামের মানুষদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া তার পক্ষে অসম্ভব। এই সত্যটা উপলদ্ধি করার পর উভয় পক্ষই মরিয়া হয়ে উঠল আরও ভয়াবহ কোনো মারণাস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য। সেই প্রচেষ্টার ফল হিসেবেই উদ্ভাবিত হলো ভয়ংকরতর মারণাস্ত্র হাইড্রোজেন বোমা। নতুন এই মারণাস্ত্র প্রথম কে বানিয়েছিল, রাশিয়া না আমেরিকা, তা বলা দুষ্কর, তবে এই দৌড়ে দুটো দেশ খুব কাছাকাছি ছিল- একটি দেশ তাতে সফল হওয়ার অল্পদিনের মধ্যেই অন্য দেশটিও বানিয়ে ফেলতে পেরেছিল ওই মারণাস্ত্র। পরমাণু বোমার থেকেই হাইড্রোজেন বোমা প্রায় এক হাজার গুণ শক্তিশালী। নানান হিসেবে দেখা গেছে, বিকিনিতে যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল তা থেকে উদ্ভূত শক্তির সমান। পশ্চিমী দুনিয়া এ বোমার ক্ষমতার কথা জানতে পেরেছিল ১৯৫৪-র ১ মার্চ বিকিনি-তে ঘটানো পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ মারফত। যে আমেরিকানরা এ বোমা নির্মাণ করেছিলেন, বিকিনির ওই পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ তাদের যাবতীয় প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়েছিল। উভয় পক্ষের হাতে যতরকম মারণাস্ত্র আছে, তার মধ্যে এখনও হাইড্রোজেন বোমাই ভয়ংকরতম।

    হাইড্রোজেন বোমা নামটা ঠিক যথাযথ নয়, কারণ বিস্ফোরক শক্তির বেশির ভাগ অংশটা এখনও ইউরেনিয়াম থেকেই নেওয়া হয়। বিস্ফোরণের সমগ্র প্রক্রিয়াটা তিনটি পর্যায়ে ঘটে। কাগজ, কাঠ আর কয়লা দিয়ে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে ব্যাপারটার তুলনা করা যায়: কাগজের থেকে কাঠে আগুন লাগানো কঠিন, আবার কাঠের থেকে কয়লার আগুন লাগানো কঠিন। পরমাণু বোমার মতোই হাইড্রেজেন বোমাতেও প্রথমে কিছুটা ইউ-২৩৫ ব্যবহার করা হয়। ইউ-২৩৫ এর বিভাজনের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা কিছু পরিমাণ হাইড্রোজেনের সংযোজন ঘটিয়ে হিলিয়ামে রূপান্তরিত করার পক্ষে যথেষ্ট। এই ইউ-২৩৫ আর হাইড্রোজেন, দুটোকেই সাধারণ ইউরেনিয়ামের একটা পুরু আবরণ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়। হাইড্রোজেনের হিলিয়ামে রূপান্তরের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা বহিরাবরণের সাধারণ ইউরেনিয়ামের বিস্ফোরিত করার পক্ষে যথেষ্ট। হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণের সময় যে শক্তি নির্গত হয় তার বড় অংশটাই আসে ওই বহিরাবরণ থেকে। ইউরেনিয়াম পরমাণুগুলো নানা ধরনের হালকা পরমাণুতে বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়, যার মধ্যে অধিকাংশই তেজস্ক্রিয়। সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, হাইড্রোজেন বোমার সাধারণ ইউরেনিয়াম ব্যবহার করতে পারাটা, বা আরও সঠিক অর্থে বললে, যে ইউরেনিয়াম থেকে মহামূল্য ইউ-২৩৫ নিষ্কাষন করে নেওয়া হয়েছে সেই ইউরেনিয়ামকে ব্যবহার করতে পারাটাই এর সবচেয়ে বড় সুবিধের দিক। বিপুল পরিমাণ তাপ সৃষ্টি হয় বলেই সাধারণ ইউরেনিয়ামকে এইভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

    হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণজনিত ক্ষয়ক্ষতি শুধুমাত্র বিস্ফোরণের অঞ্চলটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। তেজস্ক্রিয় কণাগুলো শূন্যে বহু দূর পর্যন্ত উৎক্ষিপ্ত হয়, তারপর সারা পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, আস্তে-আস্তে নেমে আসে নিচে, মানুষের শরীরে সৃষ্টি করে বিভিন্ন ভয়াবহ ব্যাধি, বিষিয়ে দেয় জল, গাছপালা আর পশুপাখিদের। তেজস্ক্রিয় কণাগুলোর এই নেমে আসাকে বলা হয় ফল-আউট। এই ফল আউটে যে তেজস্ক্রিয় কণারা থাকে তার অধিকাংশই প্রকৃতিতে সাধারণভাবে থাকে না কিংবা খুব কমই থাকে। ফল-আউট কতটা প্রাণঘাতী হতে পারে তা প্রথম জানা যায় একটা দুর্ঘটনার ফলে। আমেরিকান কর্তৃপক্ষ যতটা এলাকাকে বিপদসীমার অন্তর্ভুক্ত বলে ঘোষণা করেছিলেন, তার থেকে অনেক দূর দিয়ে যাচ্ছিল একটা জাপানি মাছধরা জাহাজ, বরাতের ফেরে যার নাম ছিল লাকি ড্রাগন। কিন্তু বায়ুপ্রবাহের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে গোটা জাহাজটা ভরে যায় তেজস্ক্রিয় ধুলোয়। জাহাজের প্রতিটি আরোহী অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং কিছুদিন পর তাদের মধ্যে একজন মারাও যায়। হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণের ফলে মৃত্যু প্রত্যাশিত সংখ্যাকে বহু গুণ বাড়িয়ে দেবে এই ফল-আউট।

    যুদ্ধে হাইড্রোজেন বোমা ব্যবহার করা হলে তার ফল কি দাঁড়াবে, তা রীতিমতো বিতর্কের বিষয়। ১৯৫৮ সালে পেন্টাগনের একটি রিপোর্টের সারসংক্ষেপ করতে গিয়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রসচিব বলেছিলেন- ন্যাটো এবং ওয়ারশ জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যদি যুদ্ধ বাধে আর সেই যুদ্ধে যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহৃত হয়, তাহলে ১৬০ মিলিয়ন আমেরিকান, ২০০ মিলিয়ন রাশিয়ান এবং পশ্চিম ইউরোপ ও ব্রিটেনের প্রতিটি মানুষ মারা যাবে। অনেকে মনে করেছিলেন এই তথ্য জানার পর পশ্চিম ইউরোপ আর ব্রিটেনের ব্যাপারে ন্যাটোর আগ্রহ স্তিমিত হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। সারা পশ্চিমী দুনিয়ায় যেন এক বিচিত্র দুর্বোধ্য মৃত্যুস্পৃহা ছড়িয়ে পড়েছে। পারমাণবিক যুদ্ধের পরিমাণ কত ভয়াবহ হতে পারে তা জানার পরও কোনো পশ্চিমী দেশের সরকার তাকে প্রতিহত করার ব্যবস্থা করেনি, এমনকি জনমতের ওপরেও তার তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। ১৯৫৬ সালের মে মাসে আমেরিকান সৈন্যবাহিনীর গবেষণা ও বিকাশ বিভাগের তৎকালীন প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস গ্যাভিনকে কিছু প্রশ্ন করেছিল আমেরিকান সিনেটের এক সাব-কমিটি। সিনেটর ডেকে তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, ধরুন আমরা রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লাম, আমাদের বিমানবাহিনী রাশিয়ার ওপর পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালাল। ধরা যাক বোমাগুলো এমনভাবে বিস্ফোরিত করা হলো যাতে করে বায়ুপ্রবাহের সাহায্যে তা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাশিয়ার ওপর আছড়ে পড়তে পারে। সে অবস্থায় রাশিয়ায় কতজনের মৃত্যু ঘটতে পারে বলে মনে করেন আপনি? জেনালে গ্যাভিন উত্তর দেন, এ প্রশ্নের উত্তর আমি নির্দিষ্টভাবেই দিচ্ছি, তবে আমি আপনাকে সসম্মানে জানাতে চাই যে বিমানবাহিনী অথবা এ বিষয়ের বিশেষ কোনো অনুসন্ধানকারী দল উত্তরটা আরও ভালোভাবে দিতে পারত। পরিকল্পনা পর্ষদের সাম্প্রতিক হিসেব থেকে জানা যাচ্ছে এ ধরনের ঘটনায় বহু শত মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হবে, তবে সেটা কোন অঞ্চলে ঘটবে তা নির্ভর করছে বায়ুপ্রবাহ কোনদিকে বইছে তার ওপর। বায়ুপ্রবাহ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বইলে সব থেকে বেশি মৃত্যু ঘটবে সোভিয়েত রাশিয়ায়, তবে জাপানে এবং সম্ভবত ফিলিপাইনেও বহুজনের মৃত্যু হবে। কিন্তু বায়ুপ্রবাহ উল্টো দিকে বইলে মৃত্যুর থাবা ছড়িয়ে পড়বে পশ্চিম ইউরোপ পর্যন্ত।

    এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায় আমেরিকানরা রাশিয়ার ওপর আক্রমণ চালালে বেশিরভাগ ক্ষয়ক্ষতি রাশিয়ার ঘটবে নাকি পশ্চিম ইউরোপের, তা নির্ভর করছে বায়ুপ্রবাহ নামক একটি দুর্ঘটনার ওপর। জেনারেল গ্যাভিনের এই বক্তব্যের সত্যতা কর্তৃপক্ষের খুব-একটা মনঃপুত হয়নি, ফলে সরকারি আনুকূল্য থেকে বঞ্চিত হতে হয় তাঁকে।

    পারমাণবিক যুদ্ধের সময় মানুষের প্রাণ বাঁচানো যাবে কিভাবে, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। হের্মান কাহন তাঁর সুবৃহৎ গ্রন্থ অন থার্মোনিউক্লিয়ার ওয়ার- এ এই গণহত্যার ঝুঁকি নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে বলেছেন, মাটির নিচে বিশাল আশ্রয় বানানো গেলে বহু মানুষকেই মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো যাবে। কাহন বলেছেন, অসামরিক প্রতিরক্ষা খাতে তিরিশ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা উচিত আমেরিকার (পৃঃ ৫১৭), তবে বাস্তবে সেটা সত্যিই করা হবে বলে তিনি আশা করেন না, ফলে এই পদ্ধতিতে অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারার ব্যাপারে তাঁর ধারণাটিকেও বাস্তবের আলোয় যাচাই করা সম্ভব নয়। আমার মতে, সব থেকে যুক্তিসম্মত কথাটি বলেছেন জন এম. ফাউলার তার ফল-আউট গ্রন্থে (পৃঃ ১৭৫)।

    উপযুক্ত দক্ষতা ও সঙ্গতি সম্পন্ন কোনো পরিবার যদি সম্পূর্ণ ধ্বংসের বৃত্তের বাইরে এবং ফল-আউটের প্রাণঘাতী আওতার উপান্তে থাকে, তাহলে তারা হয়তো দুঃস্বপ্নময় প্রথম কয়েকটা সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারবে। বাড়ির ভিতরে দেয়ালে গর্ত করে অথবা এক কোণে চটজলদি বানানো কোনো আশ্রয়ে গাদাগাদি করে ঢুকে পড়ে প্রাণ বাঁচানো যেতে পারে, তবে বাড়ির বাইরেটা নিঃশব্দ মৃত্যুর সুনিশ্চিত চুল্লিতে পরিণত হবে। সমস্ত খাদ্য আর জল বিষাক্ত হয়ে যাবে, পরিবহন ব্যবস্থার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না, হাসপাতালগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে, চিকিৎসক বা চিকিৎসাকর্মীদের দেখা পাওয়া ভার হয়ে উঠবে-এই চিত্রটা মনে রাখলে ফাউলারের উপরোক্ত কথাগুলো আশাবাদী ভ্রান্তি হিসেবে প্রতিভাত হয়। পারমাণবিক যুদ্ধের পর যারা বেঁচে থাকতে পারে তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের কথাটাও ভেবে দেখা উচিত। ভেবে দেখা উচিত, মানবজাতির ইতিহাসের সব থেকে বড় মানসিক আঘাত পাওয়ার পর তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা কোন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। ধরে নেওয়া যায় জীবিতদের মধ্যে অধিকাংশ জন না হলেও বহুজনই বিকৃত মস্তিক এবং যুদ্ধের মধ্যে এই বিপদের সম্ভাবনা তো আছেই, এমনকি অসামরিক প্রতিরক্ষার প্রবক্তাদের প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলোর মধ্যেও আছে। কাহন-এর মতো কয়েকজন মনে করেন আমেরিকানদের একটা বড় অংশকে বাঁচানো সম্ভব হবে। আমার ধারণা এটা একটা আশাবাদী ভবিষ্যদ্বাণী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু যদি তা সত্যিও হয়, তাহলে যুদ্ধের শেষে এক নিষ্প্রণ, বিধ্বস্ত পৃথিবীতে টিকে থাকা সেইসব মানুষদের মানসিক অবস্থাটা ঠিক কেমন দাঁড়াবে? সেই মুহূর্তে সবকিছুকে আবার সাজিয়ে তোলার জন্য দরকার হবে বিপুল উৎসাহে পুনর্গঠনের কাজ শুরু করা, কিন্তু তাদের মধ্যে বহুজনের পক্ষেই সে কাজে অংশ নেওয়া কি আদৌ সম্ভব হবে? সুরক্ষিত আশ্রয়ে জীবনের চিত্রটা কেমন দাঁড়াবে তা পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দিয়েছেন মরদেকাই রোশওয়াল্ড তাঁর লেভেল ৭ বইতে। বইটির যতটা প্রচার পাওয়া উচিত ছিল, ততটা পায়নি।

    তবে একটা আশার রশ্মি বোধহয় আছে: ফল-আউট খুব সম্ভবত নিরক্ষরেখাকে অতিক্রম করবে না, আর যুদ্ধটা যদি মূলত উত্তর গোলার্ধেই সীমাবদ্ধ থাকে তাহলে পৃথিবীর অধীশ্বর হয়ে উঠবে বর্তমান দক্ষিণ আফ্রিকা সরকার। সেক্ষেত্রে সেটাকে যে মুক্ত দুনিয়ার বিজয় হিসেবেই দেখানো হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    ভাবী বিপদের সম্ভাবনা নিয়ে যারা চিন্তাভাবনা করেছেন তাঁদের কাছে কয়েকটা বিষয় একান্তই স্পষ্ট। প্রথমত, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের আশু প্রয়োজনীয়তা; দ্বিতীয়ত, পারমাণবিক অস্ত্র-পরীক্ষা বন্ধ করার গুরুত্ব; তৃতীয়ত, তাৎক্ষণিক প্রতিশোধ নেওয়ার বর্তমান পলিসির অন্তর্নিহিত বিপদ; এবং চতুর্থত, যে সব রাষ্ট্রের হাতে এখনও পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র নেই, তাদের হাতে পরমাণু অস্ত্র পৌঁছে যাওয়া প্রতিহত করা। এই চারটি বিষয়েই কিছু করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলেই একমত হলেও এর কোনোটার ব্যাপারেই এখনও পর্যন্ত কোন সুফল পাওয়া যায়নি। এই চারটি বিষয় নিয়ে কয়েকটি কথা বলতে চাই আমি।

    ইতিমধ্যে বিস্তর নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলন হয়েছে। এই ধরনের সম্মেলনে সর্বদা একই পদ্ধতি লক্ষ করা যায়। উভয় পক্ষই জোর গলায় বলে যে তারা শান্তি চায় এবং উভয় পক্ষই একটা করে প্রস্তাব হাজির করে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে হয়তো কিছু ভালো দিক থাকে, কিন্তু উভয় পক্ষই নিজেদের প্রস্তাবের মধ্যে এমন কিছু ব্যাপার গুঁজে দেয় যেগুলো অপর পক্ষ প্রত্যাখ্যান করবেই। কোনো পক্ষই যুক্তিসম্মত সমঝোতায় আসতে আগ্রহী নয়, কারণ তারা মনে করে সমঝোতায় আগ্রহ দেখালে সেটা অপর পক্ষকে কাপুরুষের মতো তুষ্ট করায় পর্যবসিত হবে। ১৯৫৫ সালে একবার এই কৌশল প্রয়োগ করতে গিয়ে পশ্চিমী দুনিয়াকে বিশ্রী ধাক্কা খেতে হয়েছিল। নিরস্ত্রীকরণের স্বপক্ষে কয়েকটি চমৎকার প্রস্তাব পেশ করেছিল তারা। পেশ করার পর পশ্চিমী সরকারগুলো আতঙ্কিত হয়ে লক্ষ করেছিল–আপত্তি করার বদলে প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করে নিচ্ছে সোভিয়েত রাশিয়া। তড়িঘড়ি নিজেদের প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয় পশ্চিমী দুনিয়া। এ ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাবে ফিলিপ নোয়েল বেকার-এর দ্য আর্মস রেস বইতে। বইটি পড়ার পর যে-কেউ এই সিদ্ধান্তেই আসতে বাধ্য হবেন যে পূর্ব অথবা পশ্চিম কোনো পক্ষই আন্তরিকভাবে নিরস্ত্রীকরণ চায় না, উভয় পক্ষের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো নিরস্ত্রীকরণের পথ বাতলানো, লক্ষ্যে পৌঁছানোর ইচ্ছে কারুরই নেই।

    পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা দ্বিমুখী: একদিকে, এই পরীক্ষা বন্ধ করা হলে নতুন কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারি হওয়া আরও দুরূহ হয়ে উঠবে: অন্যদিকে যতদিন শাস্তি বজায় থাকবে ততদিন ফল-আউটের আশঙ্কা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। ফল আউট বিভিন্ন ধরনের হয়। তার মধ্যে স্ট্রনশিয়াম-৯০ আর কার্বন-১৪-ই সম্ভবত সব থেকে মারাত্মক। তেজস্ক্রিয় ধুলোর রাশি বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর থেকে বৃষ্টি কিংবা বাতাস অথবা নিছকই মাধ্যাকর্ষণের টানে নেমে আসে নিচের দিকে। এ থেকে নানারকম অসুখ দেখা দেয়। তার মধ্যে সব থেকে গুরুতর হলো হাড়ের ক্যানসার, লিউকোমিয়া এবং জননকোষের ক্ষতি। এই রোগগুলো এমনিতেই ঘনঘন দেখা যায় বলে কোনো, বিশেষ ক্ষেত্রে ফল আউটের প্রতিক্রিয়ায় সেটা দেখা দিয়েছে কি না, তা বলা অসম্ভব। তবে বোমা পরীক্ষার সঙ্গে যাদের স্বার্থ জড়িত আছে এমন কিছু লোক বাদে প্রত্যেকেই একবাক্যে স্বীকার করেন যে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্রের যত পরীক্ষা হয়েছে তার ফলে ক্যানসারের মৃত্যু এবং বিকৃতাঙ্গ শিশুদের জন্মের সংখ্যা অনেক বেড় গেছে। ক্যান্সার প্রতিরোধ করার গবেষণা-খাতে বিভিন্ন দেশের সরকার কিছু অর্থ ব্যয় করে ঠিকই, কিন্তু ক্যানসার সৃষ্টির খাতে ব্যয় করে তার চেয়ে অনেক বেশি অর্থ। জিনগত প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জনৈক বিশেষজ্ঞের মতামত উদ্ধৃত করছি আমি। বংশগতি বিষয়ক বিশিষ্ট আমেরিকান বিশেষজ্ঞ এ. এইচ. স্ফুর্টভ্যান্ট বলেছেন, মানবজাতি যদি আরও বেশ কিছু প্রজন্ম ধরে টিকে থাকে, তাহলে ইতিমধ্যেই বিস্ফোরিত বোমাগুলোর প্রতিক্রিয়ায় যে অসংখ্য বিকৃতাঙ্গ শিশুর জন্ম হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।… দায়িত্বপূর্ণ পদে থাকা জনৈক কর্মকর্তা (অ্যাডমিরাল স্ট্রস) বলেছেন, উচ্চশক্তির তেজস্ক্রিয়তা অল্প মাত্রায় ঘটলে তা থেকে জীবতাত্ত্বিক ক্ষতির কোনো আশঙ্কা থাকে না। তার এই মন্তব্য রীতিমতো দুঃখজনক।

    এর কিছুদিন পর প্রকাশ্য জনসভায় এ.এইচ. স্টুর্টভ্যান্ট বলেন–১৯৫৪ সালে, অর্থাৎ যে বছর হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা করা হয়, যত শিশু জন্মেছে তাদের মধ্যে অন্তত ১৮০০ জন ওই বিস্ফোরণের ফলে ছড়িয়ে পড়া উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তায় আক্রান্ত হয়েছে। ওই বছরেই আমেরিকান প্রাণিবিদ কুর্ট স্টার্ন বলেন, হাইড্রোজেন বোমার বিগত পরীক্ষাগুলোর ফলে এই মূহুর্তে পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীর দেহেই কিছু না কিছু তেজস্ক্রিয় উপাদান আছে হাড়ে আর দাঁতে উষ্ণ স্ট্রনশিয়াম, থাইরয়েড গ্রন্থিতে উষ্ণ আয়োডিন।

    অস্ত্র প্রতিযোগিতা যেভাবে নৈতিক বোধকে বিকৃত করে দিচ্ছে, তা এক স্বাভাবিক ও হতাশাজনক ঘটনা। আমি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে একজনের শরীরে ক্যানসার সৃষ্টি করি, তাহলে আমাকে ন্যায়নীতিহীন দানব বলা হবে। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েক হাজার মানুষের ক্যানসার সৃষ্টি করলে আমাকে বলা হবে মহান দেশপ্রেমিক।

    জিনগত ক্ষতির বংশগতভাবে বাহিত হওয়ার এক মারাত্মক প্রবণতা আছে। গুরুতর জিনগত ক্ষতিতে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সন্তানরা বরাতজোরে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতেও পারে, কিন্তু অন্তর্নিহিত ক্ষতিটা তারাও বহন করবে এবং তা হয়তো ফুটে উঠবে তাদের সন্তানদের মধ্যে। ইতিমধ্যেই যে সব বোমার পরীক্ষা করা হয়েছে তার প্রতিক্রিয়ায় কতজন মানুষ এই জিনগত ক্ষতিতে আক্রান্ত হয়েছে, বলা মুশকিল। এ ব্যাপারে যে সব পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে নানান পার্থক্য আছে। পরিসংখ্যানগুলো যারা তৈরি করেছেন তাঁরা তাঁদের নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাস অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছেন এবং সেটাই এই পার্থক্যের কারণ। কিন্তু যাবতীয় পার্থক্য সত্ত্বেও এটা নিশ্চিত যে জিনগত বেশ কিছু ক্ষতি ঘটেছে এবং পৃথিবীতে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধ দেখা দিলে যুদ্ধের পর যারা বেঁচে থাকবে তাদের মধ্যে এই জিনগত ক্ষতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে।

    যেসব আত্মতৃপ্ত ভদ্রলোক সমাহিত চিত্তে পারমাণবিক বিস্ফোরণের সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করেন, তাঁদের সামনে ভবিষ্যতের এই দৃশ্যটা তুলে ধরা উচিত হাতেগোনা কিছু মানুষ বাস করে এই পৃথিবীতে এবং তারা শুধু জড়বুদ্ধি বা বিকৃতদর্শন সন্তানের জন্ম দিতেই সক্ষম।

    তাৎক্ষণিক প্রতিশোধ নেওয়ার যে মতবাদটি পশ্চিমী দুনিয়ায় স্পষ্টভাবেই প্রচারিত হয়েছে এবং সম্ভবত প্রাচ্য দুনিয়াও যে মতবাদে বিশ্বাস করে, সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে সেই মতটির স্বপক্ষে জোরদার যুক্তি আছে। যুক্তির ভিত্তি হল–পার্ল হার্বার এর কায়দায় কোনো অপ্রত্যাশিত আক্রমণের ঘটনা ঘটলে যারা আক্রমণ করবে তারা প্রচুর সুবিধা পেয়ে যাবে আর অপর পক্ষ যদি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে না যায় তাহলে নিজেদের অপুরণীয় ক্ষতি ঘটে যাবার আগে তাৎক্ষণিক প্রতিশোধ নিতে হবে তাদের। উভয় পক্ষই মনে করে অপর পক্ষ যেকোনও মুহূর্তেই বিনা প্ররোচনায় তাদের ওপর আক্রমণ চালাতে পারে, অতএব আক্রমণকারীর ওপর প্রতি-আক্রমণ চালিয়ে সমুচিত জবাব দেবার জন্য প্রতি মুহূর্তেই প্রস্তুত থাকতে হবে। এ ব্যাপারে পশ্চিমী দেশগুলো কি কি ব্যবস্থা নিয়েছে তা আমরা যতটা জানি, প্রাচ্যের দেশগুলোর ব্যাপারে ততটা জানি না। সোভিয়েত রাশিয়ার কোনো বোমারু বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র তাদের দিকে ছুটে আসছে কি না জানার জন্য একটা বিশাল অঞ্চল জুড়ে রাডার স্টেশন বসিয়েছে আমেরিকা। রাডার থেকে এ রকম হানাদারির সঙ্কেত পাওয়া মাত্রই আমেরিকার হাইড্রোজেন বোমাগুলো যাত্রা করবে রাশিয়ার দিকে। রাডারের সঙ্কেত প্রায়শই ভুল হয়। কখনও কখনও বন্য পাখিদের ওড়াউড়িকে এবং অন্তত একবার আকাশে চাঁদ ওঠাকে রাশিয়ার মিসাইল বলে ভুল করেছিল রাডার। বিপদসঙ্কেত পাওয়া মাত্রই যাত্রা করেছিল বোমারু বিমানের দল। এখনও পর্যন্ত প্রতিবারই ভুলটা সময়মতো ধরা পড়ায় বোমারু বিমানগুলোকে ফিরিয়ে নেওয়া গেছে, কিন্তু ভবিষ্যতেও যে ভুলটা সময়মতো ধরা পড়বেই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং সেক্ষেত্রে পৃথিবী এক অনভিপ্রেত পারমাণবিক যুদ্ধের আবর্তে নিক্ষিপ্ত হবে। ঘটনাটা যে এক মাসের মধ্যেই ঘটবে এমন নয়, কিন্তু যত দিন যাবে ততই সম্ভাবনাটা প্রায় নিশ্চিত হয়ে উঠবে। কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন বোমার সাহায্যে তাৎক্ষণিক প্রতিশোধ নেওয়ার মতবাদটা যতদিন চালু থাকবে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের বেঁচে থাকাটা স্রেফ ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে-ভাগ্যের জোরেই এই বছরটা ভবিষ্যতের যেকোনো বছরে বেঁচে থাকতে পারি আমরা। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের স্বপক্ষে এটা একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি।

    যে সব রাষ্ট্রের হাতে এখনও হাইড্রোজেন বোমা নেই তাদের হাতে এই বোমা পৌঁছে যাওয়াটা আদৌ কাম্য নয়, কারণ সেক্ষেত্রে পারমাণবিক যুদ্ধের সম্ভাবনা আরও বেড়েই যাবে। এ সত্য স্বীকার করেন সকলেই, কিন্তু এ ব্যাপারে এখনও কোনো কার্যকরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রথমে শুধুমাত্র আমেরিকার হাতেই পারমাণবিক অস্ত্র ছিল, পরে সোভিয়েত রাশিয়া তার অধিকারী হলো, অতঃপর গ্রেট ব্রিটেনেও। এই মুহূর্তে খুব সম্ভবত ফ্রান্সের হাতেও পারমাণবিক অস্ত্র আছে। কিছুদিনের মধ্যেই চীনও পারমাণবিক অস্ত্র বানিয়ে ফেলবে। এক সময় দেখা যাবে পৃথিবীর বহু রাষ্ট্রই এই অস্ত্রের অধিকারী হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে এখনও যদি কিছু করা না হয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে যেকোনো দুটো ছোট রাষ্ট্রও গোটা পৃথিবীটাকে যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারবে। কথাটা সবারই জানা, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেউই এ ব্যাপারে কিছু করেননি।

    এখনও পর্যন্ত উদ্ভাবিত গণহত্যার যাবতীয় অস্ত্রের মধ্যে হাইড্রোজেন বোমাই ভয়ংকরতম, কিন্তু পৃথিবীব্যাপী এই নৈরাজ্য এবং বৈজ্ঞানিক দক্ষতা দুটোই আরও এগোতে থাকলে আরও ভয়ংকর মারণাস্ত্রও উদ্ভাবিত হবে, সম্ভবত কিছুদিনের মধ্যেই। সর্বধ্বংসী যন্ত্র সম্বন্ধে নানান আলোচনা শোনা যাচ্ছে চারপাশে। এমন এক যন্ত্র নাকি তৈরি হবে যা মুহূর্তের মধ্যে সারা পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকে ধ্বংস করে দেবে। হের্মান কাহন বলেছেন, প্রয়োজনীয় বলে মনে করলে এ রকম একটা যন্ত্র তিনি বাঞ্ছিত বলে মনে করেছেন না। কিন্তু এটা স্পষ্ট যে যন্ত্রটা কিভাবে বানাতে হবে জানা থাকলে এবং পরাজয়ের মুখোমুখি হলে যুদ্ধোন্মাদ কিছু দেশ খুব সম্ভবত সে যন্ত্র ব্যবহার করবে। জীবনের শেষের দিনগুলোতে এ যন্ত্র হিটলারের হাতে থাকলে আত্মসমর্পণের কলঙ্কের বদলে তিনি যে মানবজাতির বিলুপ্তিকেই বেছে নিতেন, সে ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই।

    সর্বধ্বংসী যন্ত্র ছাড়া আরও কিছু সম্ভাবনার কথাও মনে রাখা দরকার। রাসায়নিক ও জীবাণুযুদ্ধকে এখনও পর্যন্ত হাইড্রোজেন বোমার মতো কার্যকরি পন্থা হিসেবে ভাবা হয় না ঠিকই, কিন্তু বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলো এইসব অস্ত্রকে উন্নত করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে সে প্রচেষ্টায় সফলও হতে পারে তারা। আর একটি সম্ভাবনাও কিছুদিনের মধ্যেই বাস্তবায়িত হতে পারে-হাইড্রোজেন বোমাবাহী দূর-নিয়ন্ত্রিত উপগ্রহ। ভবিষ্যতের সেই দৃশ্যই একবার ভেবে দেখার চেষ্টা করুন। রাশিয়ান আর আমেরিকান উপগ্রহে ছেয়ে আছে আকাশ, পৃথিবীকে পাক দিয়ে দিনে একবার করে ফিরে-ফিরে আসছে উপগ্রহগুলো এবং প্রতিটি উপগ্রহই গণহত্যার উপকরণে ঠাসা। অবস্থাটা যদি এ রকমই দাঁড়ায়, জীবন কি আর সহনীয় থাকবে? মানুষের স্নায়ু কি এই চাপ সহ্য করতে পারবে? প্রতিদিন প্রতি ঘন্টার এই আতঙ্কের বদলে সারা পৃথিবীর মানুষ কি এক সময় আকস্মিক ধ্বংসকেই বেশি কাম্য বলে মনে করবে না? ভবিষ্যতের দিনগুলোতে ঠিক কি কি আতঙ্ক আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে জানি না, কিন্তু একটা ব্যাপার নিশ্চিত-এখনও যদি কিছু করা না হয়, তাহলে বিজ্ঞাননির্ভর মানুষরা এক দণ্ডপ্রাপ্ত প্রজাতিতে পরিণত হবে। যে পৃথিবীতে আমরা বসবাস করি সেখানে মৃত্যুমুখি এক প্রবল ইচ্ছা নিয়ত কাজ করে চলে এবং এখনও পর্যন্ত প্রতিটি সঙ্কটের মুহূর্তে সেই ইচ্ছা বারবার পরাজিত করেছে সুস্থ চেতনাকে। আমরা যদি টিকে থাকতে চাই তাহলে এই অবস্থাটার অবসান ঘটানো দরকার। কোন পথে এগোলে এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারি আমরা, তা নিয়েই এ বইয়ের বাকি অংশটুকুতে আলোচনা করব আমি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }