Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. মুক্তি, না মৃত্যু?

    মুক্তি, না মৃত্যু?

    প্যাট্রিক হেনরি ছিলেন একজন আমেরিকান দেশপ্রেমিক। আমেরিকার স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় খ্যাতিমান হয়ে উঠেছিলেন তিনি। মানুষ তাঁকে মনে রেখেছে মুখ্যত তার সেই সুবিখ্যাত ঘোষণার জন্য; হয় আমাকে মুক্তি দাও, নয়তো দাও মৃত্যু। কট্টর কমিউনিস্ট-বিরোধীদের মুখে এই স্লোগানের অর্থ দাঁড়িয়েছে- যে দুনিয়ার কোনো মানুষ থাকবে না, সেই দুনিয়াই কমিউনিস্ট দুনিয়া হতে পারে। প্যাট্রিক হেনরি কিন্তু কথাগুলো উচ্চারণ করছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থে। এক ন্যায্য উদ্দেশ্যের স্বপক্ষে প্রচার করছিলেন তিনি এবং ব্রিটিশদের বৈরিতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সে উদ্দেশ্য সফল হতে পারত আমেরিকানদের জীবনের বিনিময়েই। সুতরাং তাঁর মৃত্যু আমেরিকানদের জীবনের বিনিময়েই। সুতরাং তাঁর মৃত্যু আমেরিকানদের মুক্তিকে কিছুটা অন্তত এগিয়ে আনতে পারত। এ ধরনের পরিস্থিতিতে তার স্লোগানকে গ্রহণ করাটা অবশ্যই সঠিক।

    কিন্তু এই স্লোগানকেই যখন কাজে লাগানো হয় পারমাণবিক যুদ্ধকে ন্যায্য প্রতিপন্ন করার জন্য, তখন পরিস্থিতিটা একবারেই ভিন্ন হয়ে যায়। পারমাণবিক যুদ্ধের ফল কি হবে আমাদের জানা নেই। যাবতীয় সামাজিক বন্ধন হারিয়ে ফেলা এক পৃথিবীতে ছড়ানো-ছিটানো কয়েক দল লুঠেরা হয়তো ঘুরে বেড়াবে। কিংবা সবথেকে ভালো যা ঘটতে পারে তা হলো: অত্যন্ত কঠোর স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হবে এবং জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিসপত্রের যোগান পুরো পুরি বেঁধে দেওয়া হবে। হের্মান কাহ্ যিনি বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধকে ন্যায্য বলে মনে করেন, বলেছেন যে এর পরিণতি হবে বিপর্যয়ের সমাজতন্ত্র (পৃঃ ৪৩৮)। পারমাণবিক যুদ্ধের পরিণতিতে যে জিনিসটা সম্ভবত পাওয়া যাবে না তা হলো মুক্তিযে-মুক্তি প্যাট্রিক হেনরি চেয়েছিলেন এবং তাঁর আধুনিক ভক্তরা চাওয়ার ভান করে থাকেন।

    কোনো শুভ উদ্দেশ্যের জন্য প্রাণ দেওয়া অবশ্যই মহৎ ব্যাপার। কোনো শুভ উদ্দেশ্যের জন্য কেউ প্রাণ দিলে উদ্দেশ্যটা লক্ষ্যের দিকে আরও এগিয়ে যায়। যদি নিশ্চিতভাবে বোঝা যায় যে কারোর মৃত্যু উদ্দেশ্যকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে দেবে না, তাহলে তা জেনেও সেই উদ্দেশ্যের জন্য প্রাণ দিতে চাওয়াটা যুক্তিহীন উন্মাদনা ছাড়া আর কিছু নয়। যারা প্রকাশ্যেই বলে বেড়ান কমিউনিস্টদের বিজয়ের থেকে মানবজাতির বিলুপ্তিই তাঁদের কাছে বেশি কাম্য, অথবা যারা বলে বেড়ান কমিউনিস্ট বিরোধীদের বিজয়ের থেকে মানবজাতির ধ্বংসই তাদের কাছে বেশি বাঞ্ছিত, তাঁদের ক্ষেত্রে এ কথাটা বিশেষভাবে প্রযোজ্য। ধরা যাক কমিউনিজমের ঘোরতর শত্রুদের কথাটাই সত্যি, কমিউনিজম সত্যিই খুব খারাপ। কিন্তু ভবিষ্যতে তার উন্নত হয়ে ওঠাটা তো অসম্ভব কিছু নয়। ধরে নেওয়া যাক কট্টর স্তালিসপন্থিদের কথাটাই সঠিক, কমিউনজম-বিরোধী মতাদর্শ সত্যিই একটা জঘন্য ব্যাপার। কিন্তু সে মতাদর্শও তো ভবিষ্যতে উন্নত হয়ে উঠতে পারে। ইতিহাসের পৃষ্ঠা থেকে অনেক ভয়াবহ একনায়কতন্ত্রের কথা জানতে পারি আমরা, কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেগুলো হয় পরিবর্তিত হয়েছে নয়তো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। পৃথিবীতে যতদিন মানুষ থাকবে, ততদিন অগ্রগতিও ঘটবে। কিন্তু কমিউনিজম বা কমিউনিজম-বিরোধী মতাদর্শ, কোনোটাই মৃতদেহময় পৃথিবীতে গড়ে তোলা যাবে না।

     

     

    যারা মুক্ত দুনিয়ার কথা বলেন এবং কমিউনিজমের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ঘৃণা ছড়িয়ে বেড়ান, তাঁদের নানান কাজকর্ম থেকে বোঝা যায় নিজেদের ঘোষিত নীতির প্রতি তাঁরা মোটেই খুন একনিষ্ঠ নন। ব্রিটিশ সরকার সম্প্রতি পর্তুগালের প্রতি মিত্রতার মনোভাব প্রকাশ করেছেন, যদিও পর্তুগাল এই মুহূর্তে অ্যাঙ্গোলার অশ্বেতকায় বাসিন্দাদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালাচ্ছে। ফ্রাঙ্কোর স্পেনে ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্রুশ্চেভের রাশিয়ার মতোই সীমিত, তথাপি পশ্চিমী দেশগুলো সবরকমে স্পেনের প্রতি মিত্রতা দেখিয়ে যাচ্ছে। ইঙ্গ-ফরাসি সুয়েজ অভিযানের উদ্দেশ্যটা হাঙ্গেরীয় বিদ্রোহীদের দমন করার জন্য রাশিয়ার অভিযানের মতোই খারাপ ছিল, যদিও এই অভিযান ব্যর্থ হয়েছে বলে ক্ষতিটা অনেক কম হয়েছে। কিউবা গুয়াতেমালা আর ব্রিটিশ গায়নাতে পশ্চিমী দেশগুলো যে ধরনের কাজকর্ম করছে তা থেকে বোঝা যায় যে সম্ভব হলে এবং ওই দেশগুলোকে পশ্চিমী শিবিরের মধ্যে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন হলে সেখানকার বাসিন্দাদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে পদ্দলিত করতে তারা ইতস্তত করবে না। সম্প্রতি আমেরিকায় কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হওয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে–শাস্তির হাত থেকে রেহাই পাবেন একমাত্র তারাই যারা প্রমাণ করতে পারবেন কমিউনিজম যে একটা ধ্বংসাত্মক মতবাদ তা তাদের জানা ছিল না। এইসব স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অপরাধ ছাড়া আর কিছুই নয়। পরিস্থিতি যতই উত্তেজনাময় হয়ে উঠবে, ততই এ ধরনের অপরাধকে স্বাধীনতার পক্ষে আরও বেশি করে ন্যায্য বলে মনে করা হবে।

     

     

    সাধারণত যতটা জানা যায় তার থেকে অনেক কঠোর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি ভ্রান্ত প্রচার চালু আছে পশ্চিমী দেশগুলোয়। এইসব বিধিনিষেধ প্রাচ্যের সঙ্গে পশ্চিমের পার্থক্যকে কোনোভাবেই ঘুচিয়ে তো দেয়ইনি, বরং নিজেদের মুক্ত দুনিয়া হিসেবে দাবি করার পশ্চিমী বাগাড়ম্বরকে একটা হাস্যকর ব্যাপারে পর্যবসিত করেছে।

    দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্রিটেনে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিগুলোর কথা উল্লেখ করা যায়। এ রকম প্রতিটি ঘাঁটিতে যে বেশ কয়েকজন করে সুদক্ষ বৈমানিক আছেন এবং তারা এতটাই উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যে সতর্কবার্তা পাওয়ার দু-এক মিনিটের মধ্যেই বিমান নিয়ে আকাশে পাড়ি দিতে সক্ষম, সে-কথা কজন জানেন? ঘাটির কেন্দ্রস্বরূপ এই বৈমানিকদের ঘাঁটির অন্যদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখা হয়, অন্যরা এঁদের কাছে যেতে পারেন না। এঁদের আলাদা মেস, ডরমিটরি, লাইব্রেরি, সিনেমা ইত্যাদি আছে এবং ঘাঁটির অন্য আমেরিকানরা যাতে এঁদের কাছে পৌঁছতে না পারে তার জন্য অস্ত্রধারী প্রহরীও আছে। এক বা দু-মাস অন্তর কমান্ডার-সহ এই বাহিনীর প্রত্যেককে আমেরিকায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তাদের জায়গায় আসে নতুন একদল বৈমানিক। এই বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা মূল ঘাঁটির অন্য আমেরিকানদের সঙ্গে প্রায় কোনো যোগাযোগ রাখতে পারে না, এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে তো একেবারেই নয়।

     

     

    এই কঠোর গোপনীয়তার উদ্দেশ্য হলো একদিকে ব্রিটিশ নাগরিকদের এ ব্যাপারে কিছু জানতে না-দেওয়া, অন্যদিকে যেকোনো নির্দেশ বা প্রচারে ওই বাহিনীর সদস্যদের পুরোপুরি যান্ত্রিকভাবে সাড়া দেওয়ার ক্ষমতাটা বজায় রাখা তাদের গোটা প্রশিক্ষণটা যে উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখেই সাজানো হয়েছে। অধিকন্তু, এই বাহিনীকে কোনো নির্দেশ দেওয়ার অধিকার তাদের কমান্ডান্টের নেই, নির্দেশ আসে খোদ ওয়াশিংটন থেকে। ওয়াশিংটন যে সব নির্দেশ পাঠায়, সেগুলোর ওপর কোনো সংকটের মুহূর্তে ব্রিটিশ সরকারের কোনোরকম নিয়ন্ত্রণ থাকতে পারে ভাবাটা নিছক আকাশকুসুম কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। ওয়াশিংটন যেকোনো মুহূর্তে এমন কোনো নির্দেশও পাঠাতে পারে যার বদলা নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে সোভিয়েত রাশিয়া, আর তার ফলস্বরূপ এক ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ব্রিটেনের বাসিন্দারা।

    আমেরিকায় সরকারের ক্ষমতা কতখানি তার জ্বলন্ত উদাহরণ হল ক্লদ ইদার্লির মামলা। হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলার সঙ্কেত দিয়েছিলেন এই ক্লদ ইদার্লি। তার মামলা থেকে এ-ও বোঝা যায় যে আজকের এই জগতে প্রায়শই আইন লঙ্ঘন করেই কোনো মানুষ নৃশংস কোনো অপরাধ করার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। বোমাটির প্রতিক্রিয়া কি হবে তা ইদার্লিকে জানানো হয়নি। বিস্ফোরণের পর নিজের কৃতকর্মের প্রতিক্রিয়া দেখে আতঙ্কে অস্থির হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তারপর বেশ কয়েক বছর ধরে নানাভাবে আইন অমান্য করেন ইদার্লি। উদ্দেশ্য ছিল পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহতার দিকে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং নিজের অপরাধবোধের প্রায়শ্চিত্ত করা, কারণ কিছু না করলে ওই অপরাধবোধ তাকে মানসিকভাবে ধ্বংস করে দিত। এই অবস্থায় সরকারি কর্তারা তাকে উন্মাদ হিসেবে প্রতিপন্ন করার সিদ্ধান্ত নেন। সরকারের ধামাধরা একদল বিশিষ্ট মনস্তত্ত্ববিদ এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে ইদার্লিকে উন্মাদ হিসেবে ঘোষণা করেন। ইদার্লি অনুতপ্ত এবং তাকে উন্মাদ হিসেবে ঘোষণা করা হলো, ট্রম্যান অনুতাপহীন এবং তাকে উন্মাদ হিসেবে ঘোষণা করা হলো না। ইদার্লির বেশ কিছু বিবৃতি আমি দেখেছি যেখানে তিনি নিজের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেছেন। এই বিবৃতিগুলোর মধ্যে কোথাও কোনো অপ্রকৃতিস্থতার লক্ষণ নেই। কিন্তু মিথ্যা প্রচারের ক্ষমতা এতই বেশি যে প্রায় প্রত্যেকেই, এমনকি আমি নিজেও, ইদার্লিকে পাগল বলেই ধরে নিয়েছিলাম।

     

     

    ইদার্লির মামলা নিয়ে প্রচারের ফলে সম্প্রতি ওয়াশিংটনের অ্যাটর্নি জেনারেল বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন। তার ফলে ছ-মাস ধরে সর্বাধিক নিরাপত্তা ওয়ার্ডে বন্দি থাকার পর হাসপাতালের একটা বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয় ইদার্লিকে। সেখানে তাকে প্রচুর সুযোগসুবিধা দেওয়া হয় এবং বলা হয় আর কোনো শুনানি হবে না, কিছুদিনের মধ্যেই ছাড়া পেয়ে যাবেন তিনি। ছাড়া তিনি পাননি, তবে কিছুদিনের জন্য রেহাই পেয়েছেন।

    আচ্ছা, এবার একটু দেখা যাক অ-আমেরিকান কার্যকলাপের জন্য হাউস কমিটির তদন্তের সময় কি ধরনের ব্যাপারস্যাপার ঘটে। ধরা যাক কোনো মধ্যবয়সী মানুষ এই কমিটির সামনে হাজিরা দিলেন এবং যে কোনো কারণে এই কমিটি তাকে অপছন্দ করে। এক্ষেত্রে যা ঘটে তা এইরকম:

    প্রশ্ন : আজ থেকে তিরিশ বছর আগে, যখন আপনি ছাত্র ছিলেন, তখন। কোনো কমিউনিস্টকে চিনতেন?

    উত্তর : চিনতাম।

    প্রশ্ন: আপনি কি তাদের নামগুলো বলবেন?

     

     

    উত্তর : না।*

    [* অনেকের ধারণা, সিনেটর ম্যাকার্থি মারা যাওয়ার পর এ-ধরনের ঘটনা বন্ধ হয়ে গেছে। ধারণাটা আদৌ সত্য নয়। আমার জানা এ-ধরনের শেষ ঘটনাটা ঘটেছে। ১৯৬১ সালের ৪ এপ্রিল তারিখে। ওইদিন ঠিক এই ধরনের অভিযোগ এনেই এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল লোকসঙ্গীত-গায়ক পিট সিগারকে।]

    হতভাগ্য মানুষটিকে তখন কংগ্রেস অবমাননার দায়ে কারাগারে পাঠানো হবে। বাঁচার উপায় একটাই-কমিটির সামনে নিজের বন্ধুদের নামগুলো বলে দেওয়া। তাদের সম্বন্ধে কিছু মিথ্যা অভিযোগ খাড়া করতে পারলে আরও ভালো হয়। এই কার্যপদ্ধতিকেও স্বাধীনতার পবিত্র নামে ন্যায়সঙ্গত বলে চালানো হচ্ছে।

    এ-সব কথা বলে সোভিয়েত রাশিয়াকে আড়াল করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছেও আমার নেই। বিশেষত হাঙ্গেরি আর পূর্ব জার্মানিতে সোভিয়েত রাশিয়া যা করেছে, তাতে যাদের ওপর তারা অত্যাচার চালিয়েছে তাদের প্রতি রাশিয়ার চূড়ান্ত আশ্রদ্ধা আর নির্মমতাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পশ্চিমী দেশগুলোর মতো রাশিয়াকেও এখন ভণ্ডই বলতে হবে: পুরোপুরিভাবে রাশিয়ান সামরিক শক্তির মদতে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব জার্মানির সরকারকে চিহ্নিত করা হচ্ছে জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র নামে। কিন্তু প্রাচ্যের এই অপরাধ দিয়ে পাশ্চাত্যকে নির্দোষ হিসেবে প্রতিপন্ন করা যায় না। উভয় পক্ষই নিজেদের সবকিছুকে সঠিক বলে দাবি করে এবং দুটোই সমান ক্ষতিকর।

     

     

    পারমাণবিক অস্ত্রের একটা ভয়ংকর দিক হলো–এ-অস্ত্র ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হলে শুধু যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদেরই বিপুল ক্ষতি হবে না, ক্ষতি হবে নিরপেক্ষদেরও। সুতরাং আত্মরক্ষার স্বার্থেই পারমাণবিক যুদ্ধকে প্রতিহত করার মৌলিক অধিকার নিরপেক্ষ দেশগুলোর আছে। বৈদেশিক বিরোধিতার সম্মুখিন হলে নিজেদের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার অধিকার যে কোনো দেশেরই আছে, কিন্তু তাই বলে যে-সব দেশ এই বিবাদের বাইরে থাকতে চায় সেইসব দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করার কোনো অধিকার তাদের থাকতে পারে না। আমাদের মধ্যে অনেকেই কমিউনিজমকে অপছন্দ করেন, কিন্তু তা থেকে কি এমন যুক্তি খাড়া করা যায় যে ভারত ও আফ্রিকার যে অসংখ্য অধিবাসী শুধুমাত্র নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে টিকে থাকতে চান তাদের হত্যা করার অধিকার আমাদের আছে? এমন দাবি কি তোলা যায় যে এটাই হচ্ছে গণতন্ত্র? নিরপেক্ষ দেশগুলোকে তাদের সম্মতি ছাড়া কোনো বিবাদে জড়ানো যাবে না– এটাই কি গণতন্ত্রের দাবি নয়?

    দৃষ্টান্তস্বরূপ বার্লিনের সমস্যাটার কথা ভাবুন। গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আমি লক্ষ করছি আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়েই বারবার পারমাণবিক যুদ্ধের ব্যাপারে নিজেদের তৈরি থাকার কথা ঘোষণা করেছে কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধানসূত্র উত্থাপন করেনি, কারণ সমাধান তারা চায় না। সারা পৃথিবীকে অকল্পনীয় আতঙ্কের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতবাহী এই ধরনের ঘোষণাগুলোকে আদপেই বরদাস্ত করা যায় না। উভয় পক্ষই যে নাটক করে চলেছে, এইসব ঘোষণা তারই ফল। ক্রেমলিন অথবা ওয়াল স্ট্রিটের এই মন্দবুদ্ধি আসলে উভয় পক্ষের কট্টরদের এক ধরনের গোঁড়ামি এবং এই গোঁড়ামির ফলে উভয় পক্ষই যদি সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন ইতো, তাহলে তারা পরস্পরকে শত্রু বলে মনে করে হাইড্রোজেন বোমাকেই উভয় পক্ষের সাধারণ শত্রু হিসেবে বিবেচনা করত। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের একটা সাধারণ স্বার্থ আছে এবং সেই স্বার্থ হলো আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র যে সার্বিক ধ্বংসকে ডেকে আনতে পারে তার হাত থেকে নিস্তার পাওয়া। কিন্তু উভয় পক্ষের দৃষ্টি পারস্পরিক ঘৃণায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে বলে এই সাধারণ স্বার্থটা তাদের নজরে পড়ছে না। আলোচনার সময় ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর আন্তরিক ইচ্ছে কোনো পক্ষেরই থাকে না, অপর পক্ষের যে কোনো রকম কুটনৈতিক জয় ঠেকানোর কাজেই ব্যস্ত থাকে দুপক্ষ।

     

     

    এই পারস্পরিক শত্রুতার পিছনে কিছু মানবিক আবেগ আছে, যার মধ্যে প্রধান হলো গর্ব, সন্দেহ, ভীতি এবং ক্ষমতালিপ্সা। আলোচনা যারা চালান তারা মনে করেন এমনকি যুক্তিসম্মত কোনো ছাড়াও না দেওয়ার মধ্যে তাদের গর্বিত হওয়ার হেতু আছে এবং এ ব্যাপারে স্বদেশের জনমতও তাঁদের সিদ্ধান্তকে সাধারণত সমর্থনই করে থাকে। উভয় পক্ষের বর্তমান মানসিকতা অপরিবর্তিত থাকলে সন্দেহও থাকবেই। এই সন্দেহের ফলে উভয় পক্ষই অপর পক্ষের যে কোনো বক্তব্যকে এক ধরনের ফাঁদ বলে মনে করে আর ভাবে অপর পক্ষ তাদের শয়তানি ধূর্ততার জাল বিছিয়ে আমাদের সরল আলোচনাকারীদের বিপথে পরিচালিত করবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভীতিও কোনো অযৌক্তিক ব্যাপার নয়। আর এই ভীতি থেকেই নানারকম যুক্তিহীন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়-ভীতি থেকে বহু ক্ষেত্রেই যা ঘটে থাকে। এবং তার ফলে বিপদের সম্ভাবনা আরও বেড়েই যায়। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে এটা একটা সার্বজনীন ঘটনা যা মনস্তত্ত্ববিদদের কাছে খুবই সুপরিচিত। আতঙ্কজনক পরিস্থিতিতে অধিকাংশ মানুষই সুস্থ মস্তিষ্কে চিন্তা করতে পারে না, বরং পশুসুলভ সহজাত প্রবৃত্তির বশে কাজ করে। এক সময় আমার একটা গাধা ছিল। গাধাটা একটা আস্তাবলে থাকত। আস্তাবলে একদিন আগুন লেগে যায়। সেই সময় গাধাটা ওখান থেকে টেনে বার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসার জন্য বেশ কয়েকজন শক্তিশালী মানুষকে বিস্তর মেহনত করতে হয়েছিল। গাধাটাকে নিজের মতো করে থাকতে দিলে সে নির্ঘাত আতঙ্কে নিশ্চল হয়ে যেত এবং পুড়ে মরত। আজকের দিনের বৃহৎ শক্তিগুলোর অবস্থাও অনেকটা এইরকম। নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে কথাটা বিশেষভাবে সত্য। উভয় পক্ষই প্রতিপক্ষের পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্রের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে আছে এবং নিজের পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্রের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তুলে সেই আতঙ্কের হাত থেকে বাঁচতে চাইছে। তার প্রতিক্রিয়ায় বিপরীত পক্ষও নিজের পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়িয়ে তুলছে। ফলস্বরূপ পারমাণবিক অস্ত্রের বিপদ হ্রাস করার জন্য যা কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তা সেই বিপদকে আরও বাড়িয়েই দিচ্ছে।

     

     

    অযৌক্তিক নীতি অনুসরণ করার ব্যাপারে ভীতির থেকে ক্ষমতালিপ্সা সম্ভবত অনেক জোরদার চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে থাকে। ব্যক্তিগত আত্মম্ভরিতাকে একটা বদভ্যাস বলে মনে করা হলেও জাতিগত আত্মম্ভরিতার প্রচারকরা তাদের দেশবাসীদের কাছ থেকে শ্রদ্ধাই পেয়ে থাকে। ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে বড় বড় দেশগুলো তাদের ক্ষমতার সীমাকে স্বীকার করে নিতে না চাওয়ার ফলে ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছে। বিশ্বজয়ের খোয়ব আলেয়ার মতো একের পর এক দেশকে ধ্বংসের পথে টেনে নিয়ে গেছে। এর সাম্প্রতিকতম নজির হলো হিটলারের জার্মানি। ইতিহাসের পথরেখা ধরে পিছু হাঁটলে এ-রকম আরও অনেক নজির খুঁজে পাওয়া যাবে, যাদের মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য হলেন নেপোলিয়ান, চেঙ্গিস খান এবং অ্যাটিলা। বাইবেলের সৃষ্টিতত্ত্বকে (Genesis) যারা প্রামাণ্য ইতিহাস বলে মনে করেন, তাঁরা এর প্রথম দৃষ্টান্ত হিসেবে কেইন-কে ধরতে পারেন: সে ভাবত অ্যাবেল সরে গেলে সেই শাসন চালাতে পারব ভবিষ্যতের মানুষের ওপর। ক্রুশ্চেভ যখন পাশ্চাত্যকে ধ্বংস করার হুমকি দেন আর ডালেস যখন বলেন উষ্ণযুদ্ধে আমরা জয় লাভ করতে পারি, তখন অতীতের একই ধরনের মূর্খতার দৃষ্টান্তগুলো মনে পড়ে যায় আমার।

     

     

    শুধু মূর্খতা নয়, চরম মূর্খতা। এমনকি সঙ্কীর্ণতম আত্মস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলেও ব্যাপাটাকে চরম মূর্খতা ছাড়া আর কিছু বলা যায় না। নিজের দেশে এবং সেই সঙ্গেই শত্রুর দেশে ধ্বংস, দুর্দশা আর মৃত্যু ছড়িয়ে বেড়ানোটা উন্মাদের কাজ। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য যদি নিজেদের মধ্যেকার বৈরিতার অবসান ঘটাতে পারে, তাহলে তারা তাদের বৈজ্ঞানিক দক্ষতাকে নিজেদের কল্যাণের কাজে লাগাতে পারবে, নিজেদের মূর্খতার ফলে ভীতির যে বোঝা তাদের ওপর চেপে বসেছে তার হাত থেকে মুক্তি পেতে পারবে। আসলে মানুষের অন্তরের মধ্যেই নিহিত থাকে অশুভ আকাঙ্ক্ষার দল। আতঙ্কের যে বিপুল উপকরণসমূহ তৈরি হয়েছে তা আসলে আমাদের সেই সব অশুভ আকাক্ষারই বাহ্যিক স্মারক। না-মানব জগতে চিরস্থায়ী বৈরিতা গড়ে ওঠার মতো কোনো কারণের অস্তিত্ব নেই। আমাদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা নিহিত থাকে মানুষের মনের গহনে, তাই মানুষের মনকে উন্নত করে তোলার পথ বেয়েই এ সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে।

    অনেকে বলেন, যুদ্ধপ্রবৃত্তি মানবচরিত্রের অঙ্গ, আর মানবচরিত্রের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব নয়। যুদ্ধের অর্থ যদি মানুষের চরম ধ্বংসই হয়, তাহলে শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলা আর সত্যকে মেনে নেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না আমাদের। এ ধরনের কথা তারাই বলে যাদের দীর্ঘশ্বাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকে ভণ্ডামি। কিছু কিছু মানুষ ও কিছু কিছু দেশের কাছে হিংসা যে খুব আকর্ষণীয় বস্তু, তা অনস্বীকার্য। কিন্তু মানবচরিত্রের অন্তর্নিহিত কোনো বৈশিষ্ট্যের দরুন এইসব মানুষ ও দেশকে সংযত করা অসম্ভব, এ এক অবাস্তব কথা। যে সব মানুষের মধ্যে নরহত্যার প্রবণতা থাকে তাদের ফৌজদারি আইনের সাহায্যে সংযত করা যায় এবং কাউকে হত্যা করতে না-পারার ফলে জীবন অসহ্য হয়ে উঠছে এমন অনুভূতি খুব কম জনেরই হয়। দেশের ক্ষেত্রেও একই কথা সত্য যুদ্ধবাজরা তা স্বীকার না করলেও সত্যটা সত্যই থাকে। ১৮১৪ সালের পর থেকে সুইডেন আর কোনো যুদ্ধে জড়ায়নি। যুদ্ধ করতে না পারার অবদমিত প্রবৃত্তির চাপে ভুগছে, আমার পরিচিত সুইডিশদের মধ্যে এমন কারুর দেখা আমি পাইনি। শান্তিপূর্ণ প্রতিযোগিতার এমন অনেক ধরন আছে যেগুলো মোটেই ক্ষতিকর নয়। এই ধরনের প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়েই তো মানুষের সহজাত প্রতিদ্বন্দ্বিতা-প্রবণতা পুরোপুরি তৃপ্ত হতে পারে। সভ্য দেশগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফলে এমন অনেক সমস্যা দেখা দেয় যে সমস্যা দুটি ভিন্ন দেশের মধ্যে দেখা দিলে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। গণতন্ত্রপ্রিয় রাজনৈতিকবিদরা আইন কর্তৃক আরোপিত বিধিনিষেধে ক্রমশ অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিবাদের নিষ্পত্তি করার মতো কোনো রাজনৈতিক সংস্থা থাকলে এবং তাকে মেনে চলতে মানুষ অভ্যস্ত হয়ে উঠলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা বাস্তব হয়ে উঠত। কিছুদিন আগেও ব্যক্তিগত নানান বিবাদের নিষ্পত্তি করা হতো দ্বন্দ্বযুদ্ধের সাহায্যে। দ্বন্দ্বযুদ্ধের সমর্থকরা বলত এই রীতি বন্ধ করে দেওয়াটা মানবচরিত্রের পরিপন্থী হয়ে দাঁড়াবে। তারা ভুলে যেত, ঠিক যেমন আজকের দিনের যুদ্ধপন্থীরাও ভুলে যায়, যুদ্ধে মানবচরিত্র হচ্ছে মুখ্যত বিভিন্ন প্রথা, ঐতিহ্য ও শিক্ষার ফসল এবং সভ্য মানুষদের মধ্যে আদিম প্রবৃত্তির নিতান্ত সামান্য কিছু লক্ষণই শুধু টিকে থাকে। আগামী কয়েক প্রজন্মের সময়কালে পৃথিবীতে যদি কোনো যুদ্ধ না হয় তাহলে যুদ্ধ ব্যাপারটা ঠিক ততটাই অবাস্তব হয়ে উঠবে যতটা অবাস্তব হিসেবে দ্বন্দ্বযুদ্ধ আমাদের কাছে প্রতিভাত হয়। নরহত্যার উন্মাদনাগ্রস্ত কিছু মানুষ তখনও রয়ে যাবে ঠিকই, তবে তারা আর সরকারের প্রধান হতে পারবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }