Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. মানুষের টিকে থাকার দীর্ঘমেয়াদি শর্তাবলি

    মানুষের টিকে থাকার দীর্ঘমেয়াদি শর্তাবলি

    পাঠকদের আমি অনুরোধ করব এই অধ্যায়টি পড়ার সময় তাঁরা যেন সাম্প্রতিক ইতিহাসের খুঁটিনাটি এবং অদূর ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ঘটনাবলির কথা কিছুক্ষণের জন্য বিস্মৃত হন। সেই সঙ্গেই আমি অনুরোধ করব তারা যেন তাদের পছন্দ-অপছন্দ, পক্ষপাত-বিরোধিতা এবং ভালো মন্দ সংক্রান্ত নৈতিক বিশ্বাসকেও কিছুক্ষণের জন্য দূরে সরিয়ে রাখেন। এই অধ্যায়ে সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত ও পক্ষপাতহীন পদ্ধতিতে আমি আলোচনা করার চেষ্টা করব এই পৃথিবীর বুকে মানুষকে দীর্ঘকাল টিকে থাকতে হলে কি কি শর্ত পুরণ করতে হবে, তা নিয়ে। প্রাকৃতিক অবস্থার দিক থেকে বিচার করলে বলতে হয়– মানবজীবন সহ যাবতীয় সপ্রাণ বস্তুরই এই পৃথিবীর বুকে আরও লক্ষ লক্ষ বছর টিকে না থাকার কোনো কারণ নেই। আসলে বিপদটা মানুষের প্রাকৃতিক বা জীবতাত্ত্বিক পরিমণ্ডল থেকে আসছে না, বিপদটা উঠে আসছে তার নিজের মধ্যে থেকেই। অদ্যাবধি মানুষ অজ্ঞতার সাহায্যেই টিকে থেকেছে। সেই প্রয়োজনীয় অজ্ঞতাটুকু হারিয়ে গেছে আজ। এ অবস্থায় মানুষ এই পৃথিবীর বুকে টিকে থাকতে পারবে?

    কিছুটা অস্থায়ী ধরনের মানুষের টিকে থাকা হয়তো একেবারে অসম্ভব নয়। অদূর ভবিষ্যতে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হলে যুদ্ধের শেষে অল্প কিছু মানুষ টিকে থাকতেও পারে, তবে তাদের কারুর হাতেই সভ্যতার কোনো উপকরণ থাকবে না। দীর্ঘদিন ধরে তাদেরকে হয়তো শুধু খাদ্য সংগ্রহের কাজেই ব্যস্ত থাকতে হবে। সামাজিক প্রতিষ্ঠান বলতে তাদের হয়তো কিছুই থাকবে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে নিজেদের জ্ঞান বা কলাকৌশল পৌঁছে দেওয়ারও সামর্থ্য থাকবে না। এই অবস্থায় হয়তো বিগত এক লক্ষ বছরের ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি করতে হবে মানুষকে, তারপর এক সময় আমাদের বর্তমান প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছে আমাদেরই মতো কোনো মূর্খতার শিকার হয়ে নিজেদের ধ্বংসের মুহূর্তকে ত্বরন্বিত করে তুলবে তারা। মানুষের টিকে থাকার এটা এক সম্ভাব্য রূপ ঠিকই, কিন্তু আদৌ স্বস্তিদায়ক রূপ নয়।

    যদি ধরে নেওয়া যায় যে মানুষ তার বৈজ্ঞানিক কলাকৌশল বজায় রাখতে সক্ষম হবে, তাহলে সর্বাত্মক ধ্বংসের হাত থেকে কোনো উপায়ে রক্ষা পেতে পারবে সে? আমাদের প্রশ্নের সীমাটা ছোট হয়ে আসছে, মানুষ টিকে থাকতে পারবে কি না সে প্রশ্ন কিন্তু আমি তুলছি না। নানান কৌশলের সাহায্যে এবং ভাগ্যের সহায়তায় সে হয়তো অনেক বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেও টিকে থাকতে সক্ষম হবে। কিন্তু ভাগ্যের সাহায্যে চিরদিন পাওয়া যায় না এবং বিপদের উৎসগুলোকে টিকে থাকতে দেওয়া হলে একদিন না-একদিন তারা স্বমূর্তি ধারণ করবেই।

     

     

    এইসব কারণেই আমার মনে হয়, বিশ্বব্যাপী নৈরাজ্যের বর্তমান অবস্থা বজায় থাকলে বিজ্ঞাননির্ভর মানুষের পক্ষে আর খুব বেশিদিন টিকে থাকতে না পারা প্রায় নিশ্চিত। যতদিন পর্যন্ত সৈন্যবাহিনী এক একটি দেশের বা একগুচ্ছ দেশের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে অথচ সারা পৃথিবীর ওপর প্রশ্নাতীত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার সামর্থ্য তাদের থাকবে না, ততদিন এটা প্রায় নিশ্চিত যে আজ না হয় কাল যুদ্ধ বাধবেই, এবং যতদিন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক করণকৌশল টিকে থাকবে, ততদিন যুদ্ধ ক্রমশই ভয়ংকরতর হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই এমন কিছু সম্ভাবনা সামনে এসে দাঁড়িয়েছে যা এমনকি হাইড্রোজেন বোমার সমর্থকদেরও কিছুটা দমিয়ে দিয়েছে। সবধ্বংসী যন্ত্র, যা আমাদের সকলকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে, তা নির্মাণ করার সম্ভাবনা এখন বাস্তব হয়ে উঠেছে। আমরা যতদূর জানি তাতে মনে হয় সে যন্ত্র ইতিমধ্যে তৈরি করা হয়েও গেছে। এই ধরনের অস্ত্রের মধ্যে এখনও পর্যন্ত প্রস্তাবিত সবথেকে সস্তা ধরনটি হচ্ছে কোবাল্ট বোমা। এ বোমা ঠিক এখনকার হাইড্রোজেন বোমার মতোই, পার্থক্য শুধু এক জায়গায়, এ বোমার বহিরাবরণে ইউরেনিয়ামের বদলে কোবাল্ট ব্যবহার করা হয়। এ বোমা বিস্ফোরিত হলে কোবাল্টের একটি তেজস্ক্রিয় রূপ চারপাশে ছড়িয়ে পড়বে এবং তা ক্ষয়প্রাপ্ত হবে অত্যন্ত ধীরে ধীরে। বেশ কিছু কোবাল্ট বোমার বিস্ফোরণ ঘটলে কয়েক বছরের মধ্যে সারা পৃথিবীতে মানুষের আর কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। দ্য হিউম্যানিস্ট পত্রিকার মার্চ-এপ্রিল ১৯৬১ সংখ্যায় প্রকাশিত এক প্রবন্ধে লিনাস পাউলিং বলেছেন, ছয় মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ সারা পৃথিবীতে প্রতি বছর অস্ত্রনির্মাণ খাতে যা ব্যয় হয় তার কুড়ি ভাগের এক ভাগ, খরচ করলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের মৃত্যু সুনিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ কোবাল্ট বোমা বানিয়ে ফেলা যাবে।….

     

     

    আত্মরক্ষার যতরকম ব্যবস্থাই করা হোক না কেন, কোনো মানুষের পক্ষেই জীবিত থাকা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।

    কোবাল্ট বোমা হচ্ছে ধ্বংসের অনেক পদ্ধতির মধ্যে একটা। আজকের দিনের দক্ষতার সাহায্যে ধ্বংসের আরও অনেক উপকরণ নির্মাণ করা যায়, আর বিভিন্ন দেশের সরকার সেইসব উপকরণ ব্যবহার করলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

    এইসব কারণেই মনে হয়, বিজ্ঞাননির্ভর মানুষের পক্ষে খুব বেশিদিন টিকে থাকতে না পারা নিশ্চিত, যদি না যাবতীয় প্রধান প্রধান যুদ্ধাস্ত্র এবং গণহত্যার যাবতীয় উপকরণ একটিমাত্র কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এইসব অস্ত্র ও উপকরণের ওপর একচ্ছত্র অধিকার থাকার ফলে সেই কর্তৃপক্ষের হাতে অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতাও থাকবে এবং কেউ তাকে যুদ্ধে নামতে বাধ্য করলে একমাত্র বিদ্রোহীদের ছাড়া আর কারুর তেমন কোনো ক্ষতি না করে কয়েক দিনের মধ্যেই যে কোনো বিদ্রোহকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারবে সে। বৈজ্ঞানিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে এই শর্তটি পূরণ করা একান্তই অপরিহার্য।

     

     

    এ ধরনের একটি কর্তৃপক্ষ নানানভাবেই গড়ে উঠতে পারে। যতদিন কোনো পক্ষের হাতেই হাইড্রোজেন বোমা ছিল না, ততদিনের মধ্যে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধ বাধলে যে পক্ষ জয়ী হতো সে পক্ষ অন্য সবার ওপর নিজের ইচ্ছা অনিচ্ছা চাপিয়ে দিতে পারত এবং অন্য কারুর পক্ষে তার বিরুদ্ধে ফলপ্রসূ প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হতো না। এই সম্ভাবনাটির আজ আর কোনো অস্তিত্ব নেই। বর্তমান অস্ত্রশস্ত্রের সাহায্যে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ঠিক কতটা দাঁড়াবে তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় এবং আমরা মনেপ্রাণে চাই তা যেন কোনোদিনই নিশ্চিতভাবে জানতে না হয় আমাদের। ন্যাটো এবং ওয়ারশ চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হলে সে যুদ্ধের পর নিরপেক্ষ কয়েকটি দেশ হয়তো নিজেদের সামাজিক বন্ধন কিছুটা অটুট রাখতে পারবে, ফলে সেইসব দেশেই হয়তো টিকে থাকবে সভ্যতার অবশেষটুকু। যেমন, এই ধরনের কোনো যুদ্ধে চীন যদি বিচক্ষণের মতো নিরপেক্ষ থাকে এবং যুদ্ধের হাতে-গোনা দিনগুলোতে বায়ুপ্রবাহ যদি পূর্বদিক থেকে বয়, তাহলে সারা বিশ্বের ওপর আধিপত্য করার মতো জায়গায় পৌঁছে যেতেও পারে সে। কিন্তু চীন যদি সে যুদ্ধে অংশ নেয় অথবা বায়ুপ্রবাহ যদি পশ্চিমদিক থেকে বয়, তাহলে খুব সম্ভবত দক্ষিণ আফ্রিকা আর অস্ট্রেলিয়ার একটা জোটই বিশ্বপ্রভৃত্বের অধিকারী হয়ে উঠবে। এ ধরনের যে কোনো ঘটনার পর যে দেশটি অথবা দেশগুলো টিকে থাকবে, তারা ভূতপূর্ব বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর অবশিষ্ট স্বল্পসংখ্যক বাসিন্দাদের বাধ্য করতে পারবে স্বৈরাচারের শাসনাধীন এক পৃথিবীতে বসবাস করতে, যেখানে যুদ্ধের পরেও বিদ্যমান ওই দেশগুলোর শক্তিকে প্রতিহত করা একেবারেই অসম্ভব।

     

     

    যে সব পন্থায় গোটা পৃথিবী একটি একক শাসনব্যবস্থার আওতায় আসতে পারে, এটা তার মধ্যে একটা পন্থাটা খুব মনোরম নয় এবং আজকের দিনের পারমাণবিক শক্তিধর কোনো দেশই এ পন্থাকে স্বাগত জানাবে না। তবে পারমাণবিক যুদ্ধের পর এ ধরনের কিছু ঘটতে পারে বলে আমার মনে হয় না। আমার ধারণা সে যুদ্ধের পর যুদ্ধের অংশীদার দেশগুলোর পাশাপাশি নিরপেক্ষ দেশগুলোতেও সভ্যতার অস্তিত্ব না থাকাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক।

    সমস্ত দেশ যদি তাদরে সশস্ত্র বাহিনীকে একত্রিত করে সর্বস্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য স্বেচ্ছায় কোনো চুক্তি সম্পাদন করে, তাহলে সেটা বিশ্বশান্তি সুরক্ষিত করার অনেক বেশি কাম্য পন্থা হয়ে উঠতে পারবে। এই মূহুর্তে এই ভাবনাটাকে অত্যন্ত সুদূরপরাহত ও কল্পনাবিলাস বলে মনে হতে পারে, তবে বেশ কিছু বাস্তববাদী রাজনীতিবিদ কিন্তু ভিন্ন ধারণাই পোষণ করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকার সময় সরকারের তরফ থেকে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে মিঃ ম্যাকমিলান একবার বলেছিলেন, নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে আমাদের উদ্দেশ্য অত্যন্ত সরল এবং আমাদের কাজকর্মের ইতিহাসও নিষ্কলঙ্ক। প্রকৃত নিরস্ত্রীকরণ সংঘটিত হতে পারে দুটি সরল অথচ গুরুত্বপূর্ণ নীতির ভিত্তিতে। প্রথমত, তাকে অবশ্যই সর্বাঙ্গীন হতে হবে, অর্থাৎ নতুন ও পুরনো, প্রচলিত ও অপ্রচলিত, সব ধরনের অস্ত্রকেই তার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, যাবতীয় অস্ত্রের ওপর একচ্ছত্র অধিকার থাকবে প্রকৃত ক্ষমতাসম্পন্ন একটি আন্তর্জাতিক বা অধিজাতিক (Supranational) কর্তৃপক্ষের হাতে। মাননীয় সদস্যরা হয়তো বলতে পারেন যে এর ফলে রাষ্ট্রসংঘ বা ওই জাতীয় অন্য কোনো সংস্থা বিশ্বসরকারের স্তরে উন্নতি হয়ে যাবে। ব্যাপারটা সত্যিই তাই, বিশ্বসরকারের স্তরেই উন্নীত হবে সেই কর্তৃপক্ষ। এটাই হলো মানবজাতির টিকে থাকার একমাত্র উপায়।

     

     

    আরও কয়েকজনের একই ধরনের মন্তব্যের কথা এখানে উল্লেখ করা যায় যারা কল্পনাবিলাসীও নন অথবা রাজনৈতিক দিক থেকে অনভিজ্ঞও নন। তবে এই মুহূর্তে বিশ্বসরকার গড়ে তোলার বাস্তব সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছি না আমি, আলোচনা করছি সভ্য সমাজের অস্তিত্ব টিকে না থাকার প্রশ্নটি নিয়ে।

    বিশ্বশান্তি সুনিশ্চিত না-করেও এক ধরনের বিশ্বসরকার গড়ে তোলা যেতে পারে। যেমন, বিশ্বকর্তৃপক্ষের সশস্ত্রবাহিনী গড়ে তোলার কাজে যে সব দেশ সাহায্য করবে, তারা যদি তাদের সৈন্যবাহিনীর কিছু অংশকে ওই কর্তৃপক্ষের হাতে এমনভাবে তুলে দেয় যাতে তাদেরজাতীয় ঐক্য বিঘ্নিত হবে না এবং দেশের কোনো সংকটের সময় তাদের প্রেরিত আনুগত্য প্রদর্শন করবে, তাহলে বিশ্বশান্তি সুরক্ষিত না–করেও এক ধরনের বিশ্বসরকার গড়ে উঠতে পারে। বিশেষত এই ধরনের বিপদ পরিহার করার উদ্দেশ্যে রচিত সম্ভাব্য বিশ্বসংবিধানের একটি রূপরেখা পাঠকদের সামনে পেশ করা যায়। এই রূপরেখা অবশ্য নিতান্তই অভিমত মাত্র, আদৌ কোনো ভবিষ্যদ্বাণী নয় আমি শুধু দেখতে চেয়েছি যুদ্ধকে প্রতিহত করার মতো একটি বিশ্বসংবিধান রচনা করা অসম্ভব কিছু নয়।

    কোনো বিশ্বকর্তৃপক্ষকে যদি তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হয়, তাহলে তার একটি বিধানমণ্ডল এবং একটি কার্যকরী ও অপ্রতিরোধ্য সামরিক বাহিনী থাকতেই হবে। অপ্রতিরোধ্য সামরিক বাহিনী হচ্ছে এ ব্যাপারে সবথেকে জরুরি এবং সবথেকে দুরূহ শর্ত। অতএব প্রথমে এই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করতে চাই আমি।

     

     

    .

    প্রতিটি দেশকে তাদের জাতীয় সৈন্যবাহিনীর সদস্যসংখ্যা কমাতে হবে, আভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যেটুকু প্রয়োজন তার থেকে বেশি সেন্য কোনো দেশের হাতেই থাকবে না। পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র অথবা গণহত্যার অন্য কোনো উপকরণ কোনো দেশের হাতেই রাখতে দেওয়া চলবে না। বিশ্বকর্তৃপক্ষ যে কোনো দেশ থেকে সৈন্য সংগ্রহ করতে এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণ করতে পারবে। পৃথিবীর সব দেশ অস্ত্রশূন্য হয়ে গেলে বিশ্বকর্তৃপক্ষের সামরিক বাহিনীকে খুব-একটা বড় করার কোনো দরকার হবে না এবং সেই বাহিনীর ব্যয়ভার তার অন্তর্গত বিভিন্ন দেশগুলোর ওপর দুঃসহ বোঝা হয়ে চেপে বসবে না। আন্তর্জাতিক সৈন্যবাহিনীর কোনো অংশই যাতে তাদের নিজস্ব দেশটির অনুগত হয়ে না ওঠে তার জন্য সৈন্যবাহিনীর প্রতিটি বড় ইউনিট গড়ে তুলতে হবে বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের নিয়ে। সৈন্যবাহিনীর ইউরোপীয় অংশ, এশীয় অংশ, আফ্রিকান অংশ বা আমেরিকান অংশ বলে কিছু থাকবে না, বরং সর্বত্রই যথাসম্ভব সব জায়গার সৈন্যদের সুষম সংমিশ্রণে সাজাতে হবে বাহিনীকে। উচ্চতর নেতৃত্বের ভার ন্যস্ত করতে হবে বিভিন্ন ছোটখাটো দেশের মানুষদের ওপর, যে সব দেশের পক্ষে বিশ্বপ্রভূত্ব অর্জনের আশা করা একেবারেই অসম্ভব। প্রতিটি দেশ নিরস্ত্রীকরণের শর্তগুলো যথাযথভাবে পালন করছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করার অধিকারও বিশ্বসরকারের হাতে অবশ্যই থাকতে হবে।

     

     

    বিধান মণ্ডলের গঠনকাঠামো হবে যুক্তরাষ্ট্রীয় ধাচের। যুদ্ধ বা শান্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন যে কোনো বিষয়ের প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বায়ত্ত্বশাসনের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। যে কোনো যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত এককগুলো ভিন্ন ভিন্ন। আয়তনের হলে একটা সমস্যা দেখা দেয় প্রতিটি একক সমান ক্ষমতার অধিকারী হবে, নাকি জনসংখ্যার অনুপাত অনুযায়ী ভোট দেওয়ার ক্ষমতা নির্ধারিত হবে? আমেরিকা এ ব্যাপারে একটা আপোসমূলক পদ্ধতি উদ্বোধন করে নিয়েছে–ব্যবস্থাপক সভা বা সেনেট পরিচালিত হয় একটি নীতিতে, প্রতিনিধি সভা বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস পরিচালিত হয় অন্য নীতিটি অনুযায়ী। তবে আমার মতে বিশ্ব বিধানমণ্ডল গঠন করার ব্যাপারে অন্য একটি নীতি আরও বেশি কার্যকরি ভূমিকা নিতে পারে। মোটামুটি সমান জনসংখ্যা বিশিষ্ট বিভিন্ন অধীনস্থ যুক্তরাষ্ট্র থাকাই ভালো বলে মনে করি আমি। এই যুক্তরাষ্ট্রগুলোকে যথাসম্ভব সমপ্রকৃতির কিছু রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে এবং তাদের বেশ কিছু সাধারণ স্বার্থ থাকতে হবে। কিছু সংখ্যক রাষ্ট্র এ রকম অধীনস্থ যুক্তরাষ্ট্রে একত্রিত হওয়ার পর বিশ্বকর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্কের ব্যাপারে নাক গলাতে যাবে না–তবে তাদের মধ্যে কোনো যুদ্ধের সম্ভাবনা দেখা দিলে বা অসাংবিধানিক কিছু ঘটলে বিশ্বকর্তৃপক্ষ তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারবে।

     

     

    এই যুক্তরাষ্ট্রগুলো কিভাবে গঠন করা হবে তা নির্ভর করছে কাজটা কোন সময়ে করা হচ্ছে তার ওপর। কাজটা যদি এখনই করা হয়, তাহলে বিন্যাসটা এ রকম হতে পারে : (১) চীন, ২) ভারত ও সিংহল, (৩) জাপান ও ইন্দোনেশিয়া, (৪) পাকিস্তান থেকে মরক্কো পর্যন্ত বিস্তৃত মুসলিম দুনিয়া, (৫) নিরক্ষীয় আফ্রিকা, (৬) সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার অনুগত দেশসমূহ, (৭) পশ্চিম ইউরোপ, ব্রিটেন, আয়ারল্যান্ড, এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড, (৮) আমেরিকা ও কানাডা, (৯) লাতিন আমেরিকা। এই বিভাজনে যে দেশগুলোর নাম উল্লিখিত হলো না, সেগুলোর ব্যাপারে কিছু সমস্যা আছে। যেমন যুগোস্লাভিয়া, ইজরায়েল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং কোরিয়া। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে এই দেশগুলোকে ঠিক কিভাবে বিন্যস্ত করলে সবচেয়ে ভালো হবে, তা আগেভাগে অনুমান করা অসম্ভব। বিশ্ববিধানমণ্ডলে প্রতিটি যুক্তরাষ্ট্রের কজন করে প্রতিনিধি থাকবে, তা ঠিক হবে তাদের জনসংখ্যার অনুপাতে। একদিকে থাকবে বিশ্ব যুক্তরাষ্ট্রের অধীন বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সম্পর্ক তত্ত্বাবধান করার জন্য রচিত একটি সংবিধান, অন্যদিকে থাকবে প্রতিটি অধীনস্থ যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সংবিধান যা মেনে চলার নিশ্চিত দেবে বিশ্ব যুক্তরাষ্ট্র। যে কোনো সাংবিধানিক পদক্ষেপের ব্যাপারে অধীনস্থ যুক্তরাষ্ট্র আর তার অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রগুলোকে সমর্থন করবে বিশ্বসরকার। কোনো অধীনস্থ যুক্তরাষ্ট্র অসাংবিধানিক কাজকর্মে লিপ্ত হলে তবেই বিশ্বসরকার তার আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে। কোনো অধীনস্থ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই একই নীতি প্রযোজ্য হবে।

     

     

    বিশ্ব-বিধানমণ্ডলের হাতে কি কি ক্ষমতা থাকবে? প্রথমত, এই বিধানমণ্ডলের অনুমোদন ছাড়া কোনো চুক্তিই বৈধ হিসেবে স্বীকৃত হবে না। নতুন কোনো পরিস্থিতিতে পুরনো কোনো চুক্তির সংশোধন করা আবশ্যক হয়ে উঠলে তা করার অধিকারও থাকবে বিশ্ব-বিধানমণ্ডলের। শান্তির পক্ষে বিপজ্জনক যে কোনো উগ্রজাতীয়তাবাদী শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর অধিকারও থাকবে তার হাতে।

    এছাড়া একই কার্যনিবাহী পরিষদও থাকা দরকার বলে মনে করি আমি। এই পরিষদ তার কাজকর্মের জন্য বিধানমণ্ডলের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে। সৈন্যবাহিনীর তত্ত্বাবধান করার দায়িত্ব ছাড়া এই পরিষদের মূল কাজ হবে কোনো রাষ্ট্র বা রাষ্টগোষ্ঠী বিশ্ব-সংবিধান লঙ্ন করলে তা সর্বসমক্ষে ঘোষণা করা এবং প্রয়োজনে তাদের শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

    আর একটি বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টি হলো আন্তর্জাতিক আইন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক আইনের জোর নিতান্তই অল্প। তাই বিভিন্ন দেশের আদালতগুলোর হাতে যতটা ক্ষমতা থাকে, ততটা ক্ষমতা হেগ কোর্ট-এর মতো কোনো আইনি প্রতিষ্ঠানের হাতে দরকার। কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো অপরাধ করে যা তার নিজের দেশে খুবই জনপ্রিয় ব্যাপার, তাহলে তার বিচার করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক ফৌজদারি দণ্ডবিধিও থাকা উচিত বলে মনে করি। আমি। নুরেমবার্গ বিচারের যুদ্ধজয়ের ফলস্বরূপ যে শাস্তির রায় দেওয়া হয়েছিল তার মধ্যে আদৌ কোনো ন্যায্যতা ছিল না, তবে অভিযুক্তদের মধ্যে অন্তত কয়েকজনকে শাস্তি দেওয়ার মতো একটি আইনি পদ্ধতি যে থাকা উচিত তাতেও কোনো সন্দেহ নেই।

     

     

    যুদ্ধোন্মাদনার মতো তাড়নাগুলোকে সত্যিসত্যিই প্রশমিত করতে হলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জীবনযাত্রার মানে অর্থনৈতিক সমতা আনার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যেতে হবে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষকে। যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে ধনী দেশ ও দরিদ্র দেশের অস্তিত্ব থাকবে, ততদিন পর্যন্ত একদিকে থাকবে ঈর্ষা এবং অন্যদিকে অর্থনৈতিক উৎপীড়নের সম্ভাবনা। সুতরাং শান্তিকে সুরক্ষিত ও দীর্ঘস্থায়ী করতে হলে অর্থনৈতিক সমতা গড়ে তোলার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতেই হবে।

    বিশ্বসরকার ব্যাপারটা যে ধরনেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু জোরদার আপত্তিও উঠতে শুরু করেছে। পরবর্তী পরিচ্ছেদে সেই বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করব আমি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }