Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. সুনিশ্চিত শান্তির পথে প্রথম পদক্ষেপ

    সুনিশ্চিত শান্তির পথে প্রথম পদক্ষেপ

    সুনিশ্চিত শান্তি অর্জনের পথে প্রথম পদক্ষেপটি কোনো শিশুর প্রথম টলমলে পা ফেলার মতোই ছোট ও অনিশ্চিত হতে বাধ্য। এই পরিচ্ছেদে আমি যা-কিছু কাম্য তা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না, আলোচনা করতে চাই অদূর ভবিষ্যতে আলাপ-আলোচনার সাহায্যে যা-কিছু অর্জন করা যেতে পারে তাই নিয়ে।

    প্রথমেই যা দরকার তা হলো প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যকার বিভিন্ন বিতর্কের ব্যাপারে এক ভিন্ন পরিমণ্ডল সৃষ্টি করা। বর্তমানে এই বিতর্কগুলো চালানো হয় কোনো অ্যাথলেটিক প্রায়োগিতার মেজাজে। কোনো পক্ষই ঐকমত্যে পৌঁছানো নিয়ে মাথা ঘামায় না, মাথা ঘামায় শুধু পৃথিবীর বাকি অংশের সামনে প্রচারের প্রতিযোগিতার জেতা নিয়ে, নয়তো অপর পক্ষের কাছ থেকে এমন কিছু ছাড় আদায় করা নিয়ে যা ক্ষমতার ভারসাম্যকে তাদের অনুকূলে কিছুটা ঝুঁকিয়ে দিতে পারে। কোনো পক্ষই মনে রাখে না যে মানুষের ভবিষ্যৎ আজ বিপন্ন এবং ঐকমত্যে না পৌঁছানোর চেয়ে যে কোনো ধরনের ঐকমত্যে পৌঁছতে পারলেও কিছুটা কাজ হয়। দৃষ্টান্ত হিসেবে অস্ত্রপরীক্ষা বন্ধ করার জন্য দীর্ঘকাল ধরে চলতে থাকা আলোচনার কথা ভাবুন। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য উভয় পক্ষই একমত যে নতুন নতুন দেশ পারমাণবিক অস্ত্র পৌঁছে যাওয়ার সম্ভাবনাকে যে অনেকটাই ঠেকানো যাবে, সে ব্যাপারেও উভয় পক্ষ একমত। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে উভয় পক্ষই উপলব্ধি করেছে যে শুধু অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না, সব পক্ষকে সেই পরীক্ষা বন্ধ করার জন্য ইচ্ছুকও হতে হবে। প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীরা একটি যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করেছিলেন, কোনো পক্ষ কোথাও অস্ত্র পরীক্ষা করেছে কি না তা যাচাই করে দেখার অধিকার অপর পক্ষের থাকবে এবং এই বিবৃতি দিয়েই সূচনা হয়েছিল আলাপ আলোচনার। অতঃপর আমেরিকান সরকার ঘোষণা করে যে মাটির নিচে কোনো অস্ত্রপরীক্ষা করা হলে সহজেই অন্যের চোখকে ফাঁকি দেওয়া যায়। কয়েক বছর আলাপ-আলোচনার পর এই বাধাটি অতিক্রম করা সম্ভব হয়। অতঃপর সোভিয়েত সরকার ঘোষণা করে যে পরিদর্শনের কাজ রাষ্ট্রসংঘের একজন প্রতিনিধির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হলে চলবে না, পরিচালিত হবে তিনজনের নেতৃত্বে-একজন প্রাচ্যের, একজন পাশ্চাত্যের, একজন নিরপেক্ষ, এবং তাদেরকে কাজ করতে হবে সর্বসম্মতিক্রমে। আমেরিকা ও রাশিয়া এইসব কৌশলের আশ্রয় নেওয়ায় কয়েক বছরের আলাপ-আলোচনা নিষ্ফল হয়ে গেল এবং রাশিয়া আবার অস্ত্রপরীক্ষা বন্ধ করার ব্যাপারে কোনো পক্ষেরই ঐকান্তিক আগ্রহ নেই।

     

     

    যে-সব সমস্যার ফলে প্রাচ্য-পাশ্চাত্য উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, সেগুলো মেটাতে হলে পরস্পরকে বুদ্ধিতে ছাপিয়ে যাওয়া অথবা এই বিপজ্জনক স্থিতাবস্থাকে দীর্ঘায়িত করার মানসিকতা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসলে চলবে না, আলোচনা করতে হবে ঐকমত্যে পৌঁছনোর দৃঢ় সঙ্কল্প নিয়ে। কোনো ঐকমত্যই যে উভয়পক্ষের কাছে পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হবে না, সেটাও মেনে নিতে হবে। আলোচনার লক্ষ্য হবে এমন এক ঐক্যমতে পৌঁছানো যা শক্তিসাম্যের কোনো পরিবর্তন ঘটাবে না, বরং যুদ্ধের বিপদকে কমিয়ে আনবে।

    আলোচনার মানসিকতায় পরিবর্তন ঘটানোর উপযুক্ত একটিমাত্র চালিকাশক্তির কথাই জানা আছে আমার। এই চালিকাশক্তিটি হলো পারমাণবিক যুদ্ধের আতঙ্ক সম্বন্ধে উভয় পক্ষের সচেতনতা। বর্তমানে উভয় পক্ষই মনে করে, স্নায়ুযুদ্ধে সাফল্য পেতে হলে এমন একটা ভাব দেখাতে হবে যাতে মনে হয় যুদ্ধ বাধলে তাদের জয় অবধারিত। শুধু স্নায়ুযুদ্ধে জেতার জন্যই যে তারা এমন ভাব দেখায় তা নয়, নানারকম মিথ্যা প্রতিশ্রুতির লোভ দেখিয়ে নিজেদের নাগরিকদের মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার জন্যও বিভিন্ন দেশের সরকার এই ভাবটা বজায় রাখে। একপক্ষ ঘোষণা করে, উষ্ণযুদ্ধে আমরা জিততে পারি, অপর পক্ষ উত্তর দেয়, আমরা তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে দেব। এই ধরনের বিবৃতির উতোর চাপান উভয় তরফেরই যুদ্ধোন্মাদনা বাড়িয়ে তোলে। শান্তির দিকে এক কদমও এগোতে হলে উভয় পক্ষকেই বুঝতে হবে যে উভয়ের সামনে একই বিপদ অপেক্ষা করছে এবং তাদের প্রকৃত শত্রু অপর পক্ষ নয়, প্রকৃত শত্রু হলো উভয় পক্ষের ভাণ্ডারে মজুত করে রাখা গণহত্যার অস্ত্রসমূহ।

     

     

    উভয় তরফই এই সত্যটা উপলব্ধি করলে সমস্যাটা একেবারেই বদলে যাবে। তখন আর অপর পক্ষকে ছাপিয়ে যাওয়া বা নিজেদের জয়লাভের সম্ভাবনায় দেশবাসীকে আস্থাশীল করে তোলার সমস্যার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তখন সমস্যাটা দাঁড়াবে সবার পক্ষে গ্রহণযোগ্য এমন কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যার সাহায্যে প্রমাণ করা যাবে যে আলোচনাকে ফলপ্রসূ করে তোলা অবশেষে সম্ভবপর হয়েছে।

    যুদ্ধবাদী ও শান্তিবাদী উভয় তরফেই বেশ কিছু অসার বাগাড়ম্বর চালু আছে। সেগুলোর উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের ব্যাপারেও সেগুলো কোনো সাহায্য করবে না। মুক্তি অথবা মৃত্যু স্লোগানটির মধ্যে বিধৃত বাগাড়ম্বরপূর্ণ যুদ্ধবাদী প্রচারের বিষয়টি নিয়ে আমরা আগেই আলোচনা করেছি। পশ্চিম জার্মানির শান্তিবাদী বন্ধুরা এর পাল্টা এক স্লোগান উদ্ভাবন করেছেন, মৃত্যুর থেকে কমিউনিজমও ভালো। রাশিয়ার কিছু মানুষ পাল্টা স্লোগান দিয়েছেন, মৃতদেহের থেকে পুঁজিপতিরাও ভালো। এই দুটি স্লোগান তত্ত্বগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নিরর্থক, কারণ এর মধ্যে একটি স্লোগান গ্রহণ করবে পশ্চিমী দুনিয়ার সরকারগুলো, অন্যটি গৃহীত হবে পূর্বাঞ্চলের সরকারগুলো দ্বারা। দুটি স্লোগানের কোনোটিই পূর্ব ও পশ্চিম উভয়ের সামনেই সমানভাবে বিদ্যমান সমস্যাকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। যেহেতু কোনো পক্ষেরই সামরিক বিজয় অসম্ভব, সেহেতু এটাও একান্তই স্পষ্ট যে কোনো পক্ষের কাছে অপর পক্ষের সম্পূর্ণ নতিস্বীকারের ভিত্তিতে উত্তেজনার অবসান ঘটানো যাবে না, বরং বর্তমান শক্তিসাম্যকেই টিকিয়ে রাখতে হবে, শুধু আশঙ্কার শক্তিসাম্যকে পরিণত করতে হবে আশার শক্তিসাম্যে। অর্থাৎ পারস্পরিক সহাবস্থানকে মানবজাতির টিকে থাকার অপরিহার্য শর্ত হিসেবে মেনে নিতে হবে এবং সেই মেনে নেওয়ায় আন্তরিকতা থাকতে হবে, কথার-কথা হিসেবে গ্রহণ করলে চলবে না।

     

     

    এ ব্যাপারে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের এবং সেই সঙ্গে আরও যতগুলো দেশকে একত্রিত করা যায় তাদের সকলকার একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র। এই ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাবেই বলতে হবে যে পারমাণবিক যুদ্ধ পূর্ব, পশ্চিম ও নিরপেক্ষ, সবার পক্ষেই চরম বিপর্যয়কর হয়ে উঠবে এবং পূর্ব, পশ্চিম বা নিরপেক্ষ দেশগুলোর কোনো উদ্দেশ্যই তাতে সিদ্ধ হবে না। আমি আশা করি যথেষ্ট আন্তরিকার সঙ্গেই এ রকম একটি ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করা হবে। উভয় পক্ষই জানে এই ঘোষণাপত্রে যা বলা হবে তা অত্যন্ত সত্য, কিন্তু আত্মগরিমা, প্রচার আর ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির জালে উভয় পক্ষই আটকা পড়ে গেছে এবং এ থেকে নিজেদের মুক্ত করার কোনো উপায় আজ পর্যন্ত খুঁজে পায়নি তারা। এই অবস্থায় ঘোষণাপত্রটি প্রস্তুত করার ব্যাপারে নিরপেক্ষ দেশগুলোকেই উদ্যোগী হতে হবে। তারা উদ্যোগী হলে পূর্ব বা পশ্চিম কোনো পক্ষই সেই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর না করার মতো নিন্দনীয় ব্যাপারের দায়ভার বহন করতে রাজি হবে না।

    পরবর্তী পদক্ষেপ হবে একটি সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করা, ধরা যাক দুবছরের জন্য, যে সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষই যাবতীয় প্ররোচনামূলক কাজকর্ম থেকে বিরত থাকবে। প্ররোচনামূলক কাজকর্ম বলতে ধরা হবে পশ্চিম বার্লিনের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা কিংবা কিউবায় আমেরিকার হস্তক্ষেপ জাতীয় কাজকর্মকে। কোনো কাজ প্ররোচনামূলক কি না, তা বিচার করার ভার থাকবে রাষ্ট্রসংঘের যথাসম্ভব নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের ওপর।

     

     

    স্থগিতাদেশ জারি থাকার এই দুবছরের মধ্যে পরবর্তী আলাপ-আলোচনার পথ প্রশস্ত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কোনো পক্ষই অপর পক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র বৈরিতামূলক প্রচার চালাবে না, সেই সঙ্গে উভয় পক্ষের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ অনেক বাড়িয়ে তুলে পূর্ব সম্বন্ধে পশ্চিমের এবং পশ্চিম সম্বন্ধে পূর্বের মানুষদের মধ্যে চালু ধারণা দূর করতে হবে, তাদের বোঝাতে হবে এই সব ধারণা নিছকই বিদ্বেষপ্রসূত। বিনা প্ররোচনায় অথবা অনিচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার বিপদ হ্রাস করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। বর্তমানে উভয় পক্ষই মনে করে অপর পক্ষ যে কোন মুহূর্তে বিনা প্ররোচনায় তাদের ওপর আক্রমণ চালাতে পারে। এই ধরনের আক্রমণ শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগে তার আভাস পাওয়ার উপযোগী প্রভূত বন্দোবস্ত উভয় পক্ষই করে রেখেছে। কিন্তু উভয় পক্ষেরই বন্দোবস্তে যথেষ্ট ভ্রমপ্রবণতা আছে, ফলে অনেক সময় আক্রমণের কোনো ঘটনা না ঘটলেও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনায় আশঙ্কিত হতে পারে তারা। সেই ভুল সঙ্কেতে বিশ্বাস করলে তারা প্রতি-আক্রমণ চালাবেই, কিন্তু অপর পক্ষের কাছে সেটা বিনা প্ররোচনায় অযৌক্তিক হামলা। হিসেবেই প্রতিভাত হবে। এ এক পারস্পরিক দুঃস্বপ্ন, উৎস যার উত্তেজনা, এবং সেই উত্তেজনাই এ-দুঃস্বপ্নকে ভয়ংকরতর করে তুলেছে। উভয় পক্ষের সামনে যতদিন তাৎক্ষণিক প্রতিশোধ-এর আশঙ্কা ঝুলে থাকবে–যা প্রতিশোধ না হয়ে নিছকই কোনো ভুল সঙ্কেতের প্রতিক্রিয়ায় তাৎক্ষণিক আক্রমণও হতে পারে– ততদিন এই উত্তেজনা হ্রাস করা আদৌ সহজ নয়। পরিস্থিতি যথেষ্টই জটিল হয়ে উঠেছে, এ অবস্থায় এ ব্যাপারে কি করা উচিত তা স্থির করা খুবই কঠিন। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ অবশ্য এ সমস্যা সমাধান করতে পারে। কিছুদিন আগে পর্যন্ত এই বিপদ অনেকটা কমিয়ে আনা যেত উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোকে নিশ্চিহ্ন করাটা বেশি বাড়াবাড়ি মনে হলে, উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর ব্যবহার সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়ে। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ডুবোজাহাজ আবিষ্কারের পর থেকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর গুরুত্ব অনেক কমে গেছে। অনিচ্ছাকৃতভাবে বা আকস্মিকভাবে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার বিপদ হ্রাস করার ব্যাপারটা এক জটিল প্রায়োগিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ব্যবস্থা না করা গেলে এই বিপদ প্রশমনের জন্য কিছু আংশিক ব্যবস্থাই শুধু করা যেতে পারে। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষেরই যদি আন্তরিক আগ্রহ থাকে, তাহলে পূর্ব ও পশ্চিমের দেশগুলো থেকে সমান সংখ্যক প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত একটি প্রয়োগিক আয়োগকে এই বিপদ হ্রাস করার দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। তবে সেই প্রয়োগ ঠিক কোন কোন পদক্ষেপের সুপারিশ করবে তা বলা মুশকিল, আর সেই সঙ্গেই মনে রাখা দরকার, আংশিক ব্যবস্থাগুলো কখনোই নির্ভরযোগ্য নয়। এই বিপদকে যথাযথভাবে প্রতিহত করার একমাত্র উপায় হলো পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ।

     

     

    এর পাশাপাশি, একদিকে, উভয় পক্ষকেই পরস্পরের অবস্থা সম্বন্ধে আরও ভালোভাবে ওয়াকিবহাল হয়ে উঠতে হবে, অন্যদিকে, পারমাণবিক যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে উভয় পক্ষকেই ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে।

    স্থগিতাদেশ জারি থাকার পর্যায়ে প্রধান কাজ হবে পূর্ব, পশ্চিম ও নিরপেক্ষ দেশগুলো থেকে সমান সংখ্যক প্রতিনিধি নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গড়ে তোলার ব্যাপারে ঐকমত্য অর্জন করা। যথাযথভাবে কাজ করতে হলে এই ধরনের কমিটির সদস্যসংখ্যা অল্প হওয়াই বাঞ্ছনীয়। যেমন, পশ্চিমের চারজন, পূর্বের চারজন আর নিরপেক্ষ দেশগুলোর চারজন প্রতিনিধিকে নিয়ে কমিটি গঠিত হতে পারে। এই কমিটির এক্তিয়ারে শুধু পরামর্শ দেওয়ার ক্ষমতাই থাকবে, অন্তত প্রথমদিকে তো বটেই। কোনো বিষয়ে কমিটি সর্বসম্মত ঐকমত্যে পৌঁছতে না পারলে কমিটির সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু উভয় পক্ষেরই মতামত তাদের যুক্তসহ সর্বসমক্ষে ঘোষণা করা হবে। কমিটির সিদ্ধান্তগুলো পরিচালিত হবে কয়েকটি বিশেষ নীতির ভিত্তিতে। এর মধ্যে প্রথম ও প্রধান হলো কমিটির প্রস্তাবগুলো যেন কোনো মতেই কোনো পক্ষকে বাড়তি কোনো সুবিধা না দেয়, কেননা সেক্ষেত্রে অন্য পক্ষ তা গ্রহণ করবে না। যেমন, পশ্চিমী বেতার কেন্দ্রগুলো তাদের তীব্র বিদ্বেষপূর্ণ প্রচার বন্ধ করলে তবেই রাশিয়া পশ্চিমী বেতারকেন্দ্রগুলোর সম্প্রচারে বাধা দেওয়া থেকে বিরত হতে পারে। দ্বিতীয় নীতিটির কাজ হবে অত্যন্ত বিপজ্জনক সংঘাতে লিপ্ত অঞ্চলগুলোতে উত্তেজনা প্রশমনের পথ খুঁজে বার করা, যেমন ইজরায়েল ও আরব দুনিয়া অথবা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যেকার সংঘাত। তৃতীয় নীতিটি কাজ করবে প্রথম দুটি নীতি সহায়ক হিসেবে। এই নীতিটি হলো–সম্ভবপর প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি দেশের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার স্বীকার করে নেওয়া। এ ব্যাপারে কতদূর সফল হওয়া যাবে তাতে সন্দেহের অবকাশ আছে, কারণ রাশিয়া তার অনুগামী দেশগুলোর ক্ষেত্রে এ নীতির প্রয়োগে রাজি হবে না, আবার লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর ক্ষেত্রে এ নীতির প্রয়োগে আমেরিকাও নিঃশর্তে রাজি হবে বলে মনে হয় না। ফরমোজার বাসিন্দাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার দিকে কেউ মনোযোগ দিয়েছেন কি না আমার জানা নেই, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার ব্যাপারে পূর্ব বা পশ্চিম কোনো পক্ষেরই কোনো বিবৃতি চোখে পড়েনি আমার। সারা পৃথিবী জুড়ে বিদ্যমান উত্তেজনা যতদিন না কমছে ততদিন পর্যন্ত সর্বত্রই ক্ষমতার রাজনীতির কাছে হার মানতে হবে আত্মনিয়ন্ত্রণের নীতিকে, নীতিটি হাজার কাম্য হলেও তার কোনো অন্যথা হবে না। এটা সত্যিই দুঃখজনক, তবে বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য অর্জন করতে হলে এটুকু অপরিহার্য বলেই মেনে নিতে হবে।

     

     

    স্থগিতাদেশ জারি থাকার পর্যায়ে আর-একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজেও হাত দেওয়া দরকার-রাষ্ট্রসংঘের সংস্কার এবং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার কাজ। রাষ্ট্রসংঘে যোগদানে ইচ্ছুক প্রতিটি রাষ্ট্রের জন্যই তার দরজা খোলা রাখতে হবে। এই মুহূর্তে এ ব্যাপারে চীনের বিষয়টাই সব থেকে জরুরি, কিন্তু পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির কথাও বাদ দেওয়া যাবে না। তবে জার্মানির সমস্যাটা খুবই জটিল। এ বিষয়ে পরবর্তী একটি পরিচ্ছেদে আলোচনা করব আমি।

    রাষ্ট্রসংঘের বেশ কিছু ত্রুটি আছে। কিছু কিছু দেশকে নিজের অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যাপারটা তো আছেই, সেই সঙ্গেই কয়েকটি দেশের হাতে ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা থাকলে রাষ্ট্রসংঘের পক্ষে কিছুতেই বিশ্বসরকার গঠনের লক্ষ্যে এগোনো সম্ভব হবে না, আবার বিভিন্ন দেশের হাতে এখনকার মতোই অস্ত্রশস্ত্র থেকে গেলে ভেটো প্রয়োগের অধিকার বাতিল করাও কঠিন। জার্মানি সমস্যার মতোই এই বিষয়টিতেও কোনো সন্তোষজনক সমাধানে পৌঁছতে হলে প্রথমে নিরস্ত্রীকরণ সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছতে হবে।

    রাষ্ট্রসংঘের কিছু ত্রুটি আছে বলে সমন্বয় সংক্রান্ত যে কোনো কাজের সূত্রপাত ঘটানোর জন্য সেই উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো সমন্বয় কমিটি রাষ্ট্রসংঘের থেকে ভালোভাবে কাজ করতে পারবে। শুধুমাত্র পরামর্শ দেওয়ার ক্ষমতার অধিকারী এই ধরনের একটি সংস্থা যদি দক্ষতার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যায় তাহলে এক সময় পর্যাপ্ত নৈতিক কর্তৃত্ব অর্জন করতে পারবে, ফলে তার কোনো প্রস্তাব বাতিল করা কারুর পক্ষেই সহজ হবে না এবং সে এমন এক প্রভাবের অধিকারী হয়ে উঠবে যা বিশ্বসরকার গঠনের পথ প্রশস্ত করতে পারবে। এই ধরনের সংস্থার একটা বড় সুবিধা হলো–এতে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব নিতে পারবে নিরপেক্ষ দেশগুলো, কোনো বিষয়ে কোনো পক্ষের প্রস্তাব অপর পক্ষের থেকে বেশি যুক্তিসম্মত মনে হলে সেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়ে প্রস্তাবটি অনুমোদন করিয়ে নিতে পারবে তারা। আশা করা যায়, নিরপেক্ষ দেশগুলো কখনও এ পক্ষের প্রস্তাব সায় দেবে, কখনও ও-পক্ষের। তাছাড়া কখনও যদি দুটি পক্ষের মধ্যে কোনো এক পক্ষ নিরপেক্ষ দেশগুলোর বিরোধিতার সম্মুখীন হয় যে বিরোধিতার সামনে উভয় পক্ষকেই কখনও না কখনও পড়তে হবেই তাহলে দুই তরফের মধ্যে সালিশি করার ব্যাপারেও ওই সংস্থার নিরপেক্ষ প্রতিনিধিরা সহায়ক ভূমিকা নিতে পারবেন। কোনো বিষয়ে আলোচনায় পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যেকার তিক্ততা কমানোর জন্যও আবেদন জানানো যাবে নিরপেক্ষ দেশগুলোর কাছে এবং কোনো বিশেষ দৃষ্টিকোণে আবদ্ধ থাকার বদলে ধীরে ধীরে এক বিশ্বজনীন দৃষ্টিকোণে গড়ে তোলা সম্ভবপর হবে। পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যেকার কোনো সমস্যা অচলাবস্থায় পৌঁছে গেলে উভয় পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য সমাধানসূত্র নির্ণয়ের ব্যাপারেও বেশ বড় ভূমিকাই নিতে পারবে নিরপেক্ষ দেশগুলো। বিশ্বব্যাপী সুস্থিরতা গড়ে তোলার ব্যাপারে এইসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিরপেক্ষ দেশগুলোর দ্বারা সাধিত হতে পারে। আমার মতে, শান্তি সুরক্ষিত করার কাজে নিরপেক্ষ দেশগুলোকেই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে, আর সেই ধারণা থেকেই আমি মনে করি ব্রিটেন ন্যাটো জোট থেকে বেরিয়ে গিয়ে একটি নিরপেক্ষ শিবিরের সাহায্যে সুস্থিতি আনার কাজে ব্যাপৃত হলেই সবচেয়ে ভালো হয়। জাতীয় অহমিকা থেকে ব্রিটেনের অধিকাংশ বাসিন্দাই মনে করে এ ধরনের কাজ পশ্চিমী দুনিয়াকে দুর্বল করে দেবে, তবে কর্তৃত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত কট্টরপন্থী আমেরিকান বিশেষজ্ঞরা কিন্তু তা মনে করেন, না। তাছাড়া ব্রিটেন নিরপেক্ষ থাকলে যুদ্ধের পর ব্রিটেনের কিছু মানুষ বেঁচে গেলেও যেতে পারে। তবে ব্রিটেনের নিরপেক্ষতার পক্ষে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি হলো–নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে বিশ্বশান্তির ব্যাপারে ব্রিটেন যে ভূমিকা। পালন করতে পারবে, কোনো একটি শিবিরের অংশীদার হয়ে গেলে সে ভূমিকা পালন করা সম্ভব হবে না তার পক্ষে।

     

     

    এই অধ্যায়ে নিরস্ত্রীকরণ বা আঞ্চলিক সমস্যার বিষয়গুলো নিয়ে কোনো আলোচনা করিনি আমি, আলোচনা করেছি পূর্ব ও পশ্চিমের বৈরিতা হ্রাস করার কয়েকটি প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়ে। পরবর্তী পরিচ্ছেদগুলোতে নিরস্ত্রীকরণ ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়েই আলোচনা করার চেষ্টা করব আমি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশক্তি – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }