Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মান্না দে – সম্পাদনা অলক চট্টোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প178 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অনেক প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন – মানস চক্রবর্তী

    গভীর শোকের জন্য মানসিক প্রস্তুতিটা ছিলই৷ জুন মাসের মাঝামাঝি তিনি যখন ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন তখন থেকেই আশঙ্কাটা দানা বাঁধছিল মনে৷ তবে কি এবার…? মাঝে তো রটেই গেল যে তিনি নেই৷ কিন্তু বেঙ্গালুরুর নারায়ণ হৃদয়ালয়ের ডাক্তারদের ঐকান্তিক চেষ্টায় আশঙ্কার কালো মেঘটা আস্তে আস্তে সরে গেল৷ তিনি সুস্থ হওয়ার পথে৷ আবার খাচ্ছেন৷ লিকুইড৷ একটু-আধটু কথাও বলছেন৷ নিজের গানের ক্যাসেট শুনছেন৷ চোখ দিয়ে নেমে আসছে জলের ধারা৷ ছোট মেয়ে সুমিতা এবং ছোট জামাই জ্ঞানরঞ্জন হাসপাতালকে বলে রেখেছেন তাঁদের অনুমতি ছাড়া কাউকে যেন তাঁর ঘরে ঢুকতে না দেওয়া হয়৷ কলকাতা থেকে জনা দশেক ভক্ত এবং অনুরাগী তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন৷ হাসপাতাল চত্বর থেকেই ফিরে এলেন তাঁরা৷ শুধু দেখা করার অনুমতি পেলেন কবিতা কৃষ্ণমূর্তি৷ বড় মেয়ে সুরমার বন্ধু৷ কন্যাসমা কবিতার সঙ্গে কথাও হল কিছুক্ষণ৷

    মান্না দে তা হলে এবারের মতো বিপদটা কাটিয়ে উঠলেন৷ কোনও খবর নেই তাঁর৷ কোনও খবর না থাকা মানে খারাপ আর নেই৷ কিন্তু তিনি তো এখনও হাসপাতালে৷ বাড়ি ফিরবেন কবে? এই প্রশ্নের জবাব কেউই দিতে পারছেন না৷ শেষ পর্যন্ত এই উত্তরটা আর দিতে হল না৷ মান্না দে আর বাড়ি ফিরলেন না৷ ২৪ অক্টোবর, ২০১৩৷ ভোর রাতেই চিরবিদায় সুরসম্রাটের৷

    >> মনটা তৈরিই ছিল৷ তবু শেষ সংবাদটা মানতে কষ্টই হচ্ছিল৷ বয়স ৯৪+৷ অনুতাপ থাকার কথা নয়৷ তবু ছিলেন তো৷ ইদানীং ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না৷ তাঁর ল্যান্ডলাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল৷ যে বাড়িতে থাকতেন, সেখানে মোবাইল টাওয়ার মাঝে মাঝেই সমস্যা করত৷ তাই কথা বলতে বলতে বিরক্ত হয়ে উঠতেন৷ লাইন কেটে যেত৷

    >> স্ত্রী সুলোচনা চলে যাওয়ার পর (১৯ জানুয়ারি, ২০১২) থেকে মান্না দে বড্ড একা হয়ে যান৷ বাড়িতে গৃহবন্দীই বলা যায়৷ মেয়ে-জামাইরা তাঁদের কাজে ব্যস্ত৷ তাই তালা দিয়ে রেখে দেওয়া হত তাঁকে৷ ফোন প্রায় নেই৷ বহির্জগতের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই৷ এ যেন শেষ জীবনে ফতেপুর সিক্রিতে বন্দী সম্রাট সাজাহান৷ নিজের এই বন্দী জীবন নিয়ে এতটাই বিরক্ত ছিলেন যে খুব নিকটজনের কাছে চোখে জল নিয়ে বলতেন, ‘কেন যে মরছি না! আর ভাল লাগছে না৷’

    >> দুঃসংবাদটা সয়ে যাওয়ার পর এই কথাগুলোই মনে হচ্ছিল৷ শেষ জীবনটা এরকম কষ্টের মধ্যে না কাটলেই ভাল হত৷

    শেষ দেখা

    ২০১১-র পয়লা মে৷ বেঙ্গালুরুর ইন্দিরা নগরের বাড়িতে আমরা হাজির৷ একটু বেলাই হয়ে গিয়েছিল৷ বারোটা বেজে গেছে৷ আসলে আমাদের এক বন্ধুর স্ত্রী পায়েস রাঁধতে বসল৷ পায়েস তৈরি করতে একটু সময় তো লাগবেই৷ তা ছাড়া মান্নাদার বাড়িটাও শহর থেকে বেশ দূরে৷ আমরা পৌঁছবার আগেই প্রচুর ফোন এসেছে৷ আর সে-সব ধরতে ধরতে তিনি ক্লান্ত৷ আমরা গিয়ে বসতে না বসতেই আবার ফোন৷ উনি বললেন, ‘ফোনটা ধর৷ যা উত্তর দেওয়ার তুমিই দিয়ে দাও৷’ ফোনটা ধরলাম৷ বলাই বাহুল্য, তাঁকে চেয়েই ফোন৷ আমিই অনুরোধ করলাম৷ না বললেন না৷ শরীর যে তখন খুব ভাল ছিল তা নয়৷ কিন্তু মনটা ছিল ফুরফুরে৷ চেয়ারেই বসতেন৷ সামনে থাকত ওয়াকার৷ শেষ তিন বছর বাড়িতে ওয়াকার নিয়েই থাকতেন৷ তা গান হচ্ছে একটার পর একটা৷ বাজছে হারমোনিয়াম৷ হঠাৎ গান থামিয়ে প্রশ্ন, আচ্ছা আমার গান এত জনপ্রিয় কেন বলত? কঠিন প্রশ্ন? একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না৷ আমতা আমতা করে বললাম, আপনার গান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতোই বাণীপ্রধান গান৷ কথার সেখানে বিরাট ভূমিকা…৷

    আমাকে প্রায় থামিয়ে দিয়েই বললেন, ‘কথা পছন্দ না হলে আমি গাইবই না৷ কতবার যে পুলক-গৌরীকে আমি কথা পাল্টাতে বলেছি৷ এবং একটু-আধটু পাল্টানোর পর গানটা অন্য চেহারা নিয়ে নিয়েছে৷ আগে কথা তার পর তো সুর৷’ বলেই ধরলেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা সেই গানটা—

    লাল মেহেন্দির নকশা হাতে/ তুললে যখন গোলাপ কুঁড়ি/ বেশ মিষ্টি একটা আওয়াজ হল/ বাজল কটা কাচের চুড়ি/ তোমার নামটা কী গো বল সখী৷

    এরপর কেটে কেটে কথাগুলো বললেন অনেকটা আবৃত্তির মতো৷ তার পর আবার গানে ফিরলেন?

    কথায় কথায় উঠল রবীন্দ্রনাথের কথা৷ মান্না দে-র হৃদয়ের মানুষ৷ মান্না দে যে কত বড় রবীন্দ্রভক্ত ছিলেন তা তাঁর কাছের মানুষরা জানেন৷ বড় দুঃখ ছিল তাঁর৷ যে হেমন্ত, দেবব্রতর মতো রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে পারেননি৷ গেয়েছেন গোটা কুড়ি মতো গান৷ কিন্তু তাতে মন ভরেনি৷ ‘আরও অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়ার ইচ্ছে ছিল আমার৷ কিন্তু সেভাবে সুযোগ আসেনি৷ ভাবছি আবার যদি রেকর্ড করার সুযোগ থাকে তা হলে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইব৷’ এবং শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবস্থাও হয়েছিল৷ স্ত্রী বিয়োগের পর স্ত্রীকে উৎসর্গ করে চারটি আর দুটি রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে একটা অ্যালবাম বেরোবার প্রস্তুতিও ছিল সারা৷ ট্র্যাকও হয়ে গিয়েছিল৷ দেবপ্রসাদ চক্রবর্তীর লেখা গান৷ সুর নিজের৷ মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট শান্তনু বসুর৷ বেঙ্গালুরু থেকে রাতে টেলিফোনে সুর বার বার বদলাতেনও৷ রেকর্ড হওয়ার কথা ছিল বেঙ্গালুরুর বাড়িতেই৷ শেষ পর্যন্ত তা অবশ্য হল না৷ কোলন ক্যান্সারে ভোগা বড় মেয়ে সুরমাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই বলে যে আর চিকিৎসা করে লাভ নেই৷ এই খবরটা পেয়ে এতই ভেঙে পড়লেন যে রেকর্ডটা আর করা হল না৷

    সেদিনের সেই দুপুরে অনেকক্ষণ আড্ডা হওয়ার পর মান্নাদা বলেছিলেন, ‘আমি আবার গান করব৷ কলকাতায় যাব৷ তবে এবার এমন একটা অনুষ্ঠান করব যে শুধু হিন্দি গান গাইব৷ কলকাতার মানুষ আমার গোটা দশেক হিন্দি গানের অনুরোধ করে শুধু৷ কিন্তু আমার যে কত প্রিয় হিন্দি সিনেমায় গান আছে! এক একটা গান যেন এক একটা ইতিহাস৷ একটা গান তৈরির পিছনে কত যে গল্প৷ সেই গানগুলো নিয়েই একটা সন্ধে ভাল চলে যাবে৷’ দুঃখের কথা মান্না দে-র সেই আশাও পূর্ণ হয়নি৷ ২০১০-এর পয়লা মে মহাজাতি সদনে শেষ বারের মতো গান গেয়েছিলেন তিনি৷ প্রায় আড়াই ঘণ্টা, তারপর অনেকবার সম্মতি দিলেও শেষমুহূর্তে শারীরিক অক্ষমতার জন্য বাতিল হয়েছে৷

    পুলক-গৌরীপ্রসন্ন

    সেই ১৯৪৩ থেকে ২০০৯৷ মান্না দে গান গেয়েছেন৷ হিন্দি, বাংলা, গুজরাটি, মালয়ালি, মারাঠি, অসমিয়া, ভোজপুরী…৷ হিন্দি ফিল্মের গান দিয়ে শুরু৷ বাংলা গানে আসা দশ বছর পরে৷ এ ব্যাপারে তিনি ব্যতিক্রম৷ বঙ্গদেশ থেকে যাঁরাই মুম্বই গেছেন তাঁরা বাংলা দিয়েই শুরু করে পাড়ি দিয়েছেন মুম্বই৷ মান্না দে কাকার হাত ধরে শুরু থেকেই মুম্বই৷ বাবার ইচ্ছে ছিল সেজো ছেলে প্রবোধচন্দ্রকে উকিল বানাবেন৷ কিন্তু কাকা কৃষ্ণচন্দ্র দে-র উৎসাহে এবং মায়ের অনুমতি নিয়ে সুবোধচন্দ্র পাড়ি জমালেন বলিউডের উদ্দেশে৷ অবিভক্ত ভারত৷ সারা ভারতের শিল্পীদের মিলন মেলা তখন বোম্বে৷ কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা৷ তবু ওরই মধ্যে গুটিকয়েক বঙ্গসন্তান লড়ছেন৷ কৃষ্ণচন্দ্র দে, অনিল বিশ্বাস, শচীন দেব বর্মণ…৷ ওঁদেরই সঙ্গে তরুণ প্রবোধচন্দ্র৷ ডাক নাম মানা৷ আর ওই মানা থেকেই মান্না৷ মান্না দে৷ বলতেন, ‘আমার জন্ম পয়লা মে৷ যাকে বলে মে ডে৷ ও দিনটা আবার মহারাষ্ট্র দিবস৷ তার মানে মে মাসের প্রথম দিনটা হল মে ডে, মহারাষ্ট্র ডে এবং মান্না ডে৷

    ১৯৪৩-এ কাকার সুরে তমান্না ছবিতে একটা গান৷ আর একটু পরে রামরাজ্য ছবিতেও একটি৷ সুরকার শঙ্কর রাও ব্যস৷ তারপর দীর্ঘ সাত বছর বসে থাকা৷ ১৯৫০-এ মশাল ছবিতে ‘উপর গগন বিশাল’ গানের পর পায়ের তলায় একটু মাটি পাওয়া৷ সুর শঙ্কর জয়কিষান৷ তার পরেও লড়াই৷ লড়াই৷ আর লড়াই৷ সারা বছরে একটা কি দুটো গান৷

    এরই মধ্যে বাংলা বেসিক গানের ডাক এল৷ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা৷ নিজেই সুর করলেন৷ ‘কত দূরে আর নিয়ে যাবে বলো’৷ আর ‘হায় হায় গো রাত যায় গো’৷ সুর নিজেরই৷ বাঙালি তখন নতুন এক গায়ককে চিনল৷ পুলক বন্দ্যোপাধ্যায় এলেন আরও সাত বছর পরে৷ ‘আমার না থাকে যদি সুর’ এবং ‘জানি তোমার প্রেমের যোগ্য আমি তো নই’৷ ‘গৌরী আর পুলক৷ আমার গান জনপ্রিয় হওয়ার পিছনে ওদের অনেক ভূমিকা আছে৷ পরের দিকে একটা demarcation হয়ে গিয়েছিল ওদের৷ পুলক বেসিক গানে দুর্দান্ত৷ গৌরী আবার স্বচ্ছন্দ ফিল্মের গানে৷ ও ফিল্মের জন্য কী সব গান লিখেছে গৌরী৷ ওর গানের মধ্যে একটা নাটকীয়তা ছিল যেটা সিনেমার গানে খুব দরকার৷’

    মান্না দে নিজে মনে করতেন বাংলা গানে তাঁকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি (১৯৬৭) এবং এই ফিল্মের সব গানই গৌরীপ্রসন্নের৷ সুর করেছিলেন অনিল বাগচী৷ কঠিন রাগাশ্রিত সুর করতেন অনিলবাবু৷ কথা হচ্ছিল তাঁর সুযোগ্য পুত্র সুরকার-শিল্পী অধীর বাগচীর সঙ্গে৷ অধীরদা বলছিলেন, ‘মান্নাদা তো নোটেশন লিখে গান তুলতেন৷ ওই সময়ে পনেরো দিন টানা রিহার্সাল হয়েছিল৷ তা একদিন বাবাকে বললেন মান্নাদা, আপনি এত রাগ লাগিয়েছেন যে উত্তমকুমার লিপ দিতে গিয়ে মুশকিলে পড়বেন৷ আমি একটু রাগ কম লাগাচ্ছি৷’ আসলে ততদিনে মান্না দে রাজ কাপুরের লিপে অনেক গান গেয়ে ফেলেছেন যেগুলো সুপার-ডুপার হিট৷ তাই তিনি জানতেন বেসিক গান আর সিনেমার গানে কত তফাত৷ এবং পরবর্তীকালে বাংলা সিনেমায় এক নম্বর গায়ক হয়েছেন মান্না দে৷ সেই ১৯৬৭ থেকে টানা এক দশক৷ এবং এই সময়ে বেশিরভাগ হিট গানই গৌরীপ্রসন্নের লেখা৷ যেমন চিরদিনের, নিশিপদ্ম, স্ত্রী, মৌচাক, সন্ন্যাসী রাজা৷ এক একটা মাইল স্টোন৷

    পিছিয়ে কি ছিলেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ একেবারেই নয়৷ বাংলা সিনেমায় চিরকালীন রোমান্টিক গানের যদি র্যাঙ্কিং করতে হয়, তা হলে ১) এই পথ যদি না শেষ হয়, ২) কে প্রথম কাছে এসেছি এবং ৩) হয়ত তোমারই জন্য৷ প্রথমটি সপ্তপদীর৷ ডুয়েট গানটি গেয়েছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়৷ দ্বিতীয়টি শঙ্খবেলার৷ গেয়েছিলেন মান্না দে ও লতা মঙ্গেশকর৷ এবং তৃতীয়টি মান্না দে-র একক৷ ছবি তিন ভুবনের পারে৷ শঙ্খবেলার গানটি পুলকের লেখা৷ তিন ভুবনের পারের কথা ও সুর দুটোই সুধীন দাশগুপ্তের৷

    অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি এবং শঙ্খবেলা (১৯৬৮), মান্না দে-কে বাংলা ফিল্মে শক্ত মাটির ওপর দাঁড় করাল৷ শঙ্খবেলায় আরেকটি গান ছিল মান্নার৷ সেটিও পুলকের৷ আমি আগন্তুক, আমি বার্তা দিলাম৷

    ‘একদিন মুম্বইয়ে একটা ট্রাফিক সিগন্যালে গাড়ি দাঁড়িয়েছে৷ হঠাৎ দেখি জানালার কাচ নামিয়ে উত্তম বলছে, আরে মান্নাদা কী কঠিন গান গেয়েছেন বলুন তো? এই দেখুন আমি টেপ রেকর্ডারে গানটা শুনতে শুনতে যাচ্ছি৷ এই গানে লিপ দেওয়া খুব কঠিন কাজ৷’ স্মৃতিচারণ করেছিলেন মান্না৷ উত্তম এবং সৌমিত্র— দুই কিংবদন্তির লিপে গান গেয়েছেন মান্না৷ উত্তমের লিপে তাঁর গান বিশাল জনপ্রিয় হয়েছে৷ তবু মান্নার পছন্দের মানুষ হলেন সৌমিত্র৷ ‘উত্তম খুবই দরদ দিয়ে গাইত৷ স্ত্রী, সন্ন্যাসী রাজা দুর্দান্ত৷ দারুণ আটিস্ট৷ দর্শকদের পালস বুঝত৷ আর সৌমিত্র হচ্ছে সফিসটিকেটেড৷ ওর সঙ্গে কথা বললে বোঝা যায় ভীষণ শিক্ষিত৷ সৌমিত্রের মধ্যে একটি অন্যরকম ব্যাপার আছে৷ আমার খুব ভাল লাগে৷’ বলতেন মান্না দে৷ পুলকের কথায় ফিরি৷ পুলক আর মান্না যেন made for each other৷ মান্না দে-র জন্ম পয়লা মে, পুলকের জন্ম দোসরা মে৷ মান্না দে অনেক ফরমায়েশ করেছেন৷ ‘এরকম থিমে একটা গান লিখুন তো৷ আরে আমার বউ একবার ঝগড়া করে চলে গেল বাপের বাড়ি৷ আমি বললাম, পুলকবাবু এমন একটা গান লিখুন যে সুলোচনা যেন ফিরে আসে৷ তো উনি লিখলেন৷ সেই তো আবার কাছে এলে৷ তো সেই রেকর্ড পাঠালাম সুলোচনার কাছে৷ ফিরে এল ক’দিনের মধ্যে৷’

    একবার মান্না আর পুলক এক ভদ্রলোকের বাড়ির ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে ভুল করে অন্য একটা বাড়িতে ঢুকে পড়লেন৷ দরজা খুললেন এক সিন্ধ্রি মহিলা৷ অপরূপ সুন্দরী৷ দু’জনেই দুঃখ প্রকাশ করে ফিরে এলেন৷ মান্না দে বললেন, ‘এই মহিলাকে নিয়ে একটা গান হবে না কি?’ পুলক লিখলেন, ‘ও কেন অতো সুন্দরী হল/ অমনি করে ফিরে তাকাল/ দেখে তো আমি মুগ্ধ হবই৷’

    আরও এক দিন৷ বিমানে পাশাপাশি সিটে বসে আসছেন দু’জনে৷ একজন বিমান সেবিকাকে দেখে খুব ভাল লাগল মান্না দে-র৷ পাশে বসা পুলককে বললেন, ‘দেখছেন তো৷ কেমন লাগছে৷’ পুলক হাসি চেপে বললেন, ‘খুব সুন্দরী৷’ মান্না দে বললেন, ‘গান হবে নাকি?’ পুলক বললেন দেখি৷ ক’দিনের মধ্যেই গান লেখা হয়ে গেল৷ সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান কোর না/ আজ নিশীথে কাছে থাক/ না বোলো না৷

    শুধু একবারই পুলকের লেখা গান গাইতে পারেননি মান্না৷ সালটা ১৯৮৬৷ পুজোর গান নিয়ে পুলক হাজির মুম্বই৷ গানটা খুবই ভাল লাগল মান্নার৷ সুর করতে বসলেন৷ পুলক আসেন সকালে৷ দু’জনে বসে যান গান নিয়ে৷ তোমার বাড়ির সামনে দিয়ে/ আমার মরণ যাত্রা যেদিন যাবে/ তুমি দাঁড়িয়ে থেকো বারান্দাতে/ শেষ দেখাটা দেখতে পাবে৷ সুর করছেন মান্না দে৷ ঘর-গেরস্থালির কাজের মধ্যে সুলোচনা শুনছেন গানটা৷ কথাগুলো শুনছেন৷ মনে গেঁথে যায়৷ একদিন বলেই ফেললেন, ‘মানা, এই গানটা গেও না৷ গানটার মধ্যে একটা কু ডাক আছে৷’ কী আর করা? গানটা পুলককে ফেরতই দিয়ে দেন মান্না৷ পুলক গানটা নিয়ে যান কিশোরকুমারের কাছে৷ গানটা পছন্দ হয় কিশোরের৷ তখন মৃণাল বন্দ্যোপাধ্যায় সুর করছেন ‘তুমি কত সুন্দর’ ছবির৷ পুলকের গান মৃণালের পছন্দ৷ গান তৈরি হল৷ হিটও হল৷

    পরের বছর পুজোর আগেই অকালে চলে গেলেন কিশোরকুমার৷ মাত্র ৫৭ বছর বয়সে৷

    কেউ কথা রাখেনি

    বাংলা বেসিক গান কিংবা ফিল্মি গান দিয়ে মান্না দে-কে মাপতে যাওয়া মূর্খামি৷ ওটা সমগ্র মান্না দে-র একটা অংশ মাত্র৷ মান্না দে-র আসল জায়গা হল বলিউড৷ সেই ১৯৪৩ থেকে ২০০২— টানা ছয় দশক তিনি বলিউডের বাসিন্দা৷ এবং এক বারের জন্যেও মুম্বই ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি৷ শেষ পর্যন্ত অবশ্য স্ত্রী এবং ছোট মেয়ের চাপে তাঁকে যেতে হল বেঙ্গালুরু৷ তবে মুম্বইয়ের পাট চুকিয়ে যেতে তাঁর একেবারেই ভাল লাগেনি৷ অন্ধ কাকার হাত ধরে মুম্বই এসেছিলেন৷ প্রথম দিকে ঠাকুর-দেবতার ছবিতে গান করতে হত৷ পৌরাণিক ছবিতে নারদ, রাম, শ্রীকৃষ্ণ কিংবা কোনও রাজা-রাজড়ার লিপে গান গাইতে গাইতেই প্রতিষ্ঠা৷ কিন্তু নায়কের লিপে গান কোথায়? সেই পঞ্চাশ দশকের শুরুতে নায়ক তো তিনজন৷ দিলীপ কুমার, দেব আনন্দ এবং রাজ কাপুর৷ প্রথম জনের লিপে কোনও দিনই গান গাইবার সুযোগ হয়নি৷ দ্বিতীয় জনের লিপে এক আধটা৷ তবে রাজ কাপুরের লিপে বেশ কয়েকটি গান আছে যেগুলো কালের নিয়ম পেরিয়ে চিরদিনের হয়ে গেছে৷

    রাজ কাপুরের কথা উঠলে শ্রদ্ধায় আপ্লুত হতেন মান্না৷ বলতেন, ‘অসম্ভব sense of music ছিল রাজ সাবের৷ উনি নিজেই নায়ক, পরিচালক এবং প্রযোজক৷ আর গানের ব্যাপারে ভীষণ খুঁতখুঁতে৷ যতক্ষণ না পর্যন্ত নিজে সন্তুষ্ট হচ্ছেন ততক্ষণ মিউজিসিয়ানদের রেহাই নেই৷

    শ্রী ৪২০ ছবির রেকর্ডিং হচ্ছে৷ পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া৷ গীতিকার প্রদীপ৷ সুর শঙ্কর জয়কিষানের৷ ফ্লোরে হাজির রাজ কাপুর নিজে৷ সঙ্গে বেবি (নার্গিস)৷ আমার আর লতার ডুয়েট৷ কিন্তু অন্তরা আর সঞ্চারীর পর একটা হামিং আছে৷ কিন্তু কিছুতেই সেটা রাজ সাবের পছন্দ হচ্ছে না৷ সকাল দশটায় শুরু হয়েছে রেকর্ডিং৷ সন্ধে ছ’টা বাজে, তবু গান তৈরি হল না৷ সবাই ক্লান্ত, আমরা সন্ত্রস্ত৷ রাজ সাব কী করবেন কেউ জানে না৷ তখন আমি সাহস করে হামিংটা দিলাম৷ লা লা লা, লা লা…৷ পছন্দ হল রাজ সাবের৷ জড়িয়ে ধরলেন বেবিকে৷ গোটা ফ্লোরে স্বস্তি৷ ওই দিনই রেকর্ড করা হল৷ সবকিছু মিটতে রাত ন’টা৷

    বুট পালিশ ছবির রেকর্ডিং হচ্ছে৷ দিল কা হাল শুনে দিলওয়ালা৷ এই বার গানের মাঝে একটা হামিং ছিল… চু চু ক, চু চুক৷ রাজ সাবের নিজের দেওয়ার কথা৷ তিনি চেষ্টা করছেন৷ কিন্তু ঠিক হচ্ছে না৷ নিজেই বুঝতে পারছেন৷ অগতির গতি মান্না দে৷ ‘মান্নাদা৷ আপনি একটু চেষ্টা করুন৷’ মান্না চেষ্টা করলেন এবং পারলেন৷ রাজ কাপুর জড়িয়ে ধরলেন মান্না দে-কে৷ দু’গালে দুটো চুমু খেলেন টপাটপ৷ এবং বললেন, ‘আমি যত দিন সিনেমা করব, আপনার গান বাঁধা৷’ কথা রাখেননি রাজ৷ তাঁর ‘সঙ্গম’ ছবিতে গান গাইবার সুযোগ পাননি৷ এ নিয়ে বিস্তর দুঃখ ছিল মান্না দে-র৷ আবার ‘মেরা নাম জোকার’-এ মান্নার ভাগ্যে জুটল একটা গান৷ ‘এ ভাই জরা দেখখে চলো’৷ ওই ছবিতেই মুকেশের গলায় ‘জানে কাঁহা গয়ে ও দিন’ গানটাও সুপার হিট৷ কিন্তু সারা ভারত গাইল মান্না দে-র গানটাই৷ জুটল ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কারও৷

    রাজ কাপুরের মতোই মান্না দে-র শ্রদ্ধা শচীনকর্তার ওপর৷ সেই শুরুর দিন থেকে মান্নাকে ভ্রাতৃস্নেহে পালন করেছেন শচীন দেব বর্মণ৷ প্রবাসে দুই বাঙালি অনেক সংগ্রাম করেছেন৷ দু’জনেই ছিলেন ফুটবল পাগল৷ কর্তা ইস্টবেঙ্গলের সমর্থক, মান্না মোহনবাগানের৷ রোভার্স খেলতে দুই প্রধান মুম্বই গেলে দু’জনেই মাঠে যেতেন৷ এই ক্লাব ওই ক্লাবকে হারালে হাসিঠাট্টা, টিটকিরি চলত৷ একবার তো শচীনকর্তা রেগে গিয়ে বললেন, ‘মর তোরা, মোহনবাগান মোহনবাগান কইর্যা মর৷ গান বাজনা আর করতে হইব না৷’

    এক সময় দু’জনেই থাকতেন হোটেলের ভাড়া ঘরে৷ তো একদিন হোটেলের ঘরেই দুপুরের খাওয়া খেতে বসেছেন দু’জনে৷ হোটেল থেকে খাবার দিয়ে গেছে৷ শচীনকর্তা বললেন, মানা৷ ওই আলমারি থিকা ঘিয়ের শিশিটা লইয়্যা আয়৷ তোর বৌদি ঘি পাঠাইছে৷ এরপর মান্না বললেন, ‘তো আমি ঘিয়ের শিশিটা নিয়ে এলাম৷ শচীনদা নিজে একটু ঘি নিলেন চামচে করে৷ তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, একটু ঘি নিবি নাকি? থাক দরকার নেই৷ তুই এমনিই খা৷’

    এই ঘটনার অনেক পরে তখন দু’জনেই প্রতিষ্ঠিত৷ নিজেদের বাড়িঘর হয়ে গেছে৷ ভিলে পালেতে মান্না দে-র বাড়ির নাম আনন্দন৷ সন্ধ্যায় ফোন এল কর্তার৷ ‘তুই বাড়িতে আছিস তো৷ আমি আইত্যাছি৷’ তো আধ ঘণ্টার মধ্যে কর্তা এলেন৷ বললেন, ‘আমাকে একটা হুইস্কির বোতল আর জল দে৷ বউমাকে বল পাঁপড় ভাজতে৷’ এরপর এক চামচ হুইস্কিতে এক গ্লাস জল ঢেলে আর একটা সেঁকা পাঁপড়ে আঙুল নাড়তে নাড়তে তিন ঘণ্টা কাটিয়ে বাড়ি চলে গেলেন৷ আসলে দক্ষিণ ভারতের এক প্রযোজক নাছোড়বান্দা৷ তাঁর মালয়ালি ভাষায় ছবির সুর করে দিতে হবে৷ এক লক্ষ টাকা দেবে৷ কিন্তু ভাষার ওপর দখল নেই বলে সুর করতে রাজি হননি৷ কিন্তু সন্ধেয় সেই প্রযোজক আবার আসবেন বলে সকালে চলে গেছেন৷ তাকে এড়াতেই মান্নার বাড়িতে কর্তার অজ্ঞাতবাস৷ এহেন শচীনকর্তার কাছ থেকেও ‘ব্যথা’ পেতে হয়েছে মান্না দে-কে৷ ‘একদিন সাতসকালে শচীনদার ফোন৷ মানা, একবার আমায় বাসায় আয় তো৷ একটা ভাল সুর করছি৷ তোরে গানটা তোলাব৷ তড়িঘড়ি গেলাম৷ কর্তা সুর করলেন৷ আমি নোটেশন নিয়ে গানটা তুললাম৷ কর্তা বললেন, যা বাড়ি গিয়া প্র্যাকিটস কর৷ সুরটা খাসা হইবো৷ তুই গাইসিসও ভাল৷

    সন্ধ্যায় আবার কর্তার ফোন৷ ‘শোন, গানটা শেষ পর্যন্ত রফিকে দিয়াই গাওয়াইলাম৷ ভালই গাইসে রফি৷’ গানটা ছিল নাচে মন মেরা৷ ছবির নাম তেরি সুরত মেরে আঁখে৷ এই ছবিতেই মান্নার অবশ্য একটা গান ছিল৷ সেটাও সুপার হিট৷ পুছো না ক্যায়সে ম্যায়নে৷

    রফি-কিশোর-আশা-লতা

    মান্না দে বলতেন, ‘মহম্মদ রফি হচ্ছে ভারতের অল টাইম গ্রেট৷ ওইরকম সিঙ্গার আর ভারতে জন্মাবে না৷ অসাধারণ ক্ল্যাসিকাল গলা৷ পরের দিকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফাস্ট সং-ও গাইত৷ আর ছিল অসম্ভব সিরিয়াস৷ গান ছাড়া আর কিছু বুঝত না৷ কোনও রকম নেশা ছিল না৷ তবে খেতে খুব ভালবাসত৷ আমরা একবার শোলাপুর যাচ্ছি গান গাইতে৷ ফার্স্ট ক্লাসে আমি আর রফি৷ স্টেশন এলেই জানালা একটু তুলে যা-ই পাচ্ছে কিনে নিচ্ছে৷ আলুর দম, আলুকাবলি, ঝালমুড়ি, পাওভাজি৷ আমি বললাম, এত খাচ্ছ, গান গাইবে কী করে? বলল, হো জায়গা৷ আসলে ঈশ্বর দত্ত গলা৷ যা ইচ্ছে করতে পারত৷

    এই রফিই শেষদিকে গুমরে গুমরে মরে গেল৷ আরাধনার পর থেকে গোটা বলিউড ঝাঁপিয়ে পড়ল কিশোরের পিছনে৷ রফির গানের সংখ্যা কমতে লাগল৷ যে লোকটা দিনে দশ বারো খানা করে গান রেকর্ড করত, তার মাসেই দশটা গান নেই৷ আমাকে একদিন বলল, আরে মান্নাদা এসব ক্যায়া গানা হোতা হ্যায়? গাতা রহে মেরা দিল৷ ইতনা শোর মাচাতা হ্যায়৷ আমি বললাম, কী আর করবেন, মানিয়ে নিন৷ চলতি কী নাম গাড়ি৷ কিন্তু ওটা বলা সহজ৷ মেনে নেওয়া কঠিন৷ গোটা সত্তর দশকটা গুমরে গুমরে রফি আশি সালে মারাই গেল৷ অত কম বয়সে মৃত্যু ভাবাই যায় না৷’

    আর কিশোর কুমার? মান্না দে বলতেন, ‘ভার্সেটাইল জিনিয়াস৷ সব ধরনের গানেই স্বচ্ছন্দ৷ এক সময় ওরও খারাপ সময় গেছে৷ তখন সিনেমা প্রাোডিউস করেছে৷ তেমন গান ছিল না৷ সব রফিই গাইত৷ কিন্তু আরাধনার পর অন্য চিত্র৷ হিন্দি সিনেমায় তো দুটো যুগ৷ পঞ্চাশ থেকে সত্তরের কয়েক বছর আগে রফি৷ আর তারপর কিশোর৷’

    আর আপনি? ‘আমি হলাম ইটারনাল স্ট্রাগলার৷ আমার যুগ হবে কী করে? গানই তো নেই৷ একটা ছবিতে রফির গান আটটা৷ একটা আমার৷ একটা ছবিতে কিশোরের গান সাতটা৷ আমার সেই একটা৷ এমনকি রাজ সাহেবের ছবিতে মুকেশ সাত-আটটা গান গেয়েছে৷ আমার ভাগ্যে একটা৷ খুব বেশি গান আমি করার সুযোগ পাইনি৷ কিন্তু যা পেয়েছি তাতে ভারতবর্ষে যতদিন গানবাজনা থাকবে ততদিন মানুষকে আমার গান শুনতে হবে৷’

    কথার মাঝখানেই উঠত লতা-আশার প্রসঙ্গ৷ এই দুই কিংবদন্তি বোনের সঙ্গে মান্না দে-র দাদা-ভাইয়ের সম্পর্ক৷ তবে মান্নার দুর্বলতা একটু বেশি আশার ওপর৷ ‘লতা হচ্ছে নাইটিঙ্গল অফ ইন্ডিয়া৷ ওর গলায় সরস্বতী৷ ওর গলার মেলোডি অসাধারণ৷ পঁচিশ হাজার গান গেয়েছে এক জীবনে৷ সেই দশ-এগারো বছর বয়স থেকে সত্তর-পঁচাত্তর পর্যন্ত৷ ও যে সব নায়িকার লিপে গান গাইত, তাদের নাতনির বয়সী মেয়েদের লিপেও গান গেয়েছে৷ ভাবাই যায় না৷ তবে আশার ভার্সেটিলিটি অনেক বেশি৷ এক সময় ওকেও প্রচণ্ড স্ট্রাগল করতে হয়েছে৷ ওই মঙ্গেশকর পরিবার থেকে তেরো বছর বয়সে ভোসলের হাত ধরে বেরিয়ে না গেলে ও আশা ভোসলে হতে পারত না৷ সেই বোরিভেলি থেকে ট্রেনে করে আসত বাড়িতে দুই ছেলেমেয়েকে রেখে৷ প্রথম দিকে ওকে তো গানই দিত না৷ ও পি নৈয়ারই ওর কদর বুঝেছিল৷ তার পর পঞ্চম৷ পঞ্চমই আশাকে আশা করল৷’

    পঞ্চম আর আশার বিয়ের সময়েও মান্নার ভূমিকা ছিল৷ মান্না দে বলতেন, ‘ভূমিকা নয়৷ আশা আমাকে একটু মান্যিকরত৷ তা একদিন আমি স্টুডিওতে গেছি গান গাইতে৷ আশা ছিল তখন ওখানে৷ আমার সঙ্গে দেখা করে বলল, আপনি কি গান হয়ে গেলে বাড়ি চলে যাবেন? আমি বললাম, হ্যাঁ৷ ওরা সবাই জানত যে স্টুডিও থেকে সবসময় বাড়ি চলে যাই৷ তা আশা বলল, আপনার সঙ্গে আমার কথা আছে৷ একটু থাকবেন৷

    রেকর্ডিং-এর পর আশা এল৷ বলল, ‘আপনি তো জানেন, পঞ্চমের সঙ্গে আমার একটা চক্কর চলছে৷ আমি বললাম, সে তো সারা ভারতবর্ষ জানে৷ আশা বলল, আমরা বিয়ে করছি৷ আপনার আশীর্বাদ চাই৷ আমি বললাম, আঈ (মা) জানে? ও বলল হ্যাঁ৷ আমি বললাম দিদি জানে? আশা বলল, ‘ও চুরাইল কো কিঁউ বোলেগা?’ চুরাইল মানে হল ডাইনি৷ আমি বললাম না, না৷ তা হয় না৷ লতাকে অবশ্যই বল৷ ও তোমার দিদি৷ তা আমার কথায় আশা বিয়েতে বলেছিল লতাকে৷ আমার ভূমিকা ওইটুকুই৷’

    আশার মতো পঞ্চম মানে রাহুল দেব বর্মনও ছিলেন মান্নার খুবই স্নেহের৷ ‘আরে পঞ্চম তো বর্ন আর্টিস্ট৷ ওর বাবার চেয়েও বড় সুরকার৷ এ দেশের সর্বকালের সেরা সুরকারও বলা যায়৷ জন্মাবার পর খুব কাঁদত৷ ওর কাঁদার মধ্যেই শচীনদা একটা রাগের আওয়াজ পেতেন৷ একদিন বলেই ফেলেছিলেন, আরে এ তো পঞ্চম রাগে কাঁদছে৷ যা তোর নাম দিলাম পঞ্চম৷

    ভীষণ দুষ্টু ছিল পঞ্চম৷ আমাকে একদিন বলল, আমি তোমাকে আঙ্কল-টাঙ্কল বলতে পারব না৷ আমি মান্নাদাই বলব৷ ওর প্রথম ছবিতেই গাইয়েছিল আমাকে৷ তারপর পড়োশন তো ইতিহাস৷ অসম্ভব বৈচিত্র ছিল সুরের মধ্যে৷ ইন্ডিয়ান মিউজিকের ভাবটা অক্ষুণ্ণ রেখেও ওয়েস্টার্ন মিউজিককে মেশাত দুর্দান্তভাবে৷ সত্যিকারের জিনিয়াস ছিল ও৷ শেষ দিকটা মানসিক কষ্টে ছিল৷ চলেও গেল অকালে৷’

    সেই সব পুত্র কন্যারা

    একদিন জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা এই যে টিভি-তে এত রিয়্যালিটি শো হয়৷ তাতে শ্রদ্ধেয় শিল্পীরা বিচারক হয়ে বসেন৷ আপনাকে তো কোনও দিন বসতে দেখলাম না৷ মান্না দে বলতেন, ‘আমার কাছে প্রচুর অনুরোধ এসেছে৷ আমি কাউকেই হ্যাঁ বলিনি৷ তবে হ্যাঁ, বিচারকদের নিয়ে যদি কোনও রিয়্যালিটি শো হয়, তবে আমি বিচারক হতে রাজি আছি৷’ তারপর একটু থেমে বললেন, ‘একবার অবশ্য আমি একটা কম্পিটিশনে বিচারক হয়েছিলাম৷ কেরলে একটা কলেজের ছেলেমেয়েদের কম্পিটিশন৷ আমার সঙ্গে আরেকজন বিচারক ছিল দেব আনন্দ৷ একটা ছেলের গান শুনে দেব সাহেবের খুব ভাল লাগল৷ আমাকে বলল, লড়কা আচ্ছা গাতা হ্যায় মান্না দা৷ আমি বললাম হ্যাঁ৷ লেকিন থোড়া টিউনিং লাগে গা৷ দেব বলল, উসি লিয়ে তো আপ হ্যায়৷ শেষ পর্যন্ত ওই ছেলেটাই ফার্স্ট হল৷ ওর সঙ্গে কথা বললাম৷ কিছু পরামর্শও দিলাম৷ ছেলেটার নাম হরিহরণ৷

    পরবর্তী প্রজন্মের প্রতি ছিল মান্না দে-র অগাধ স্নেহ৷ প্রশংসায় তিনি ছিলেন অকৃপণ৷ সব সময় বলতেন, ‘এই ছেলেমেয়েগুলো আরও জনপ্রিয় হত, যদি আমাদের সময়কার গীতিকার আর সুরকার পেত৷’ কলকাতার হৈমন্তী শুক্লাকে ভীষণ ভালবাসতেন৷ রাতে ফোন করে অনেকক্ষণ গল্প করতেন৷ স্নেহ করতেন অজয় চক্রবর্তীকেও৷ বলতেন, ‘অজয় আমার চেয়ে অনেক বড় গায়ক৷’ মুম্বইয়ের ছেলেমেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে ভালবাসতেন কবিতা কৃষ্ণমূর্তিকে৷ বড় মেয়ে সুরমার বন্ধু ছিল কবিতা৷ সেই সূত্রে আলাপ৷ খুব ছোট বয়স থেকেই মান্না দে-র সঙ্গে বিদেশে গান গাইছেন৷ মেয়ের মতোই দেখেছেন সারা জীবন৷ সেই কবিতাকেই একদিন প্রচণ্ড বকলেন মান্না৷ দেওয়ালির সময় মিষ্টি নিয়ে ‘আঙ্কল’-কে প্রণাম করতে এসেছেন কবিতা৷ আর তাঁকে দেখেই ঝেঁঝে উঠলেন মান্না৷ ‘আরে তুমি ওই গানটা গাইলে কী করে? মেয়ে হয়ে ওই গানটা গাইতে তোমার লজ্জা করল না? কোনও মেয়ের কি গাওয়া উচিত ম্যায় চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত৷ খুবই খারাপ কাজ করেছ৷ কবিতা তখনও হাত থেকে মিষ্টির বাক্স রাখেননি৷ চোখে জল এসে গেল তাঁর৷ বাঁচালেন সুলোচনা৷ কোনও রকমে টেনে নিয়ে গেলেন ঘরের ভেতর৷ আবার এই কবিতা যখন কিংবদন্তি শিল্পী এল সুব্রহ্মনিয়ামকে বিয়ে করলেন খুব খুশি হয়েছিলেন মান্না৷ সপরিবারে উপস্থিত থেকে আশীর্বাদ করেছিলেন৷

    খুব ভাল লাগত সোনু নিগমের গান৷ বলতেন, ‘বয়সটা কম থাকলে ওর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়তে ভাল লাগত৷ এ রকম ক্ল্যাসিকাল বেস আজকালকার ছেলেমেয়েদের মধ্যে দেখা যায় না৷’ আর এ আর রহমান? ‘আরে ওই রকম বন্দে বলে টান দিলে মা তো পালিয়ে যাবে৷ তবে ওর প্রথম দিককার সুরগুলো খুবই ভাল৷ জয় হে অস্কার পেলেও ওই সুর আমার ভাল লাগেনি৷’ বর্তমানে মুম্বইয়ে প্রতিষ্ঠিত সুরকার বঙ্গসন্তান শান্তনু মৈত্রের খুব অনুরাগী ছিলেন মান্না দে৷ ‘বড় মিষ্টি সুর করে৷ অন্ত্যহীনের সুর খুব ভাল৷ কিন্তু দ্যাখো ওই ছবির জন্য সবাই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেল৷ ও-ই পেল না৷ ওই ছবিতে শ্রেয়া ঘোষাল খুবই ভাল গেয়েছে৷ ওর গান শুনে আমার যৌবনের লতা মঙ্গেশকরের মতো মনে হয়৷ মেয়েটা অনেক দূর যাবে৷’

    নতুন পরিচালকদের মধ্যে আদিত্য চোপড়াকে ভাল লাগত তাঁর৷ ‘যশ চোপড়ার ছেলে৷ বিখ্যাত বাবার ছেলে হলে তুলনা আসবেই৷ আদিত্য কিন্তু ওর বাবার মান রেখেছে৷ প্রথম ছবি থেকেই স্মার্ট৷’ আদিত্যর ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’-তে ওয়াক্ত-এর ‘অ্যা মেরি জোহরা জোবি’-কে ব্যবহার করা হয়েছিল৷ ‘আরে আমি তখন কলকাতায়৷ যশ চোপড়া ফোন করল৷ মান্নাদা ওই গানটা আরেকবার রেকর্ড করতে হবে৷ আমি বললাম আমার লিপে কে গাইবে? যশ বলল অমরীশ পুরী৷ আমি বললাম অমরীশ পুরীর লিপে আমি গাইব না৷ ওরা পুরনোটাই ব্যবহার করেছিল৷’ তবে এই দিক দিয়ে দেখতে গেলে মান্না দে-র সবচেয়ে প্রিয় ছিলেন সুপর্ণকান্তি ঘোষ৷ সুপর্ণ-র ডাক নাম খোকা৷ মান্না বরাবর খোকা বলেই ডাকতেন সুপর্ণকে৷ বলতেন, ‘ও তো আমার ছেলে৷’ ডাঃ নচিকেতা ঘোষের সুরে মান্না দে প্রচুর গান গেয়েছেন এবং এঁদের বেশিরভাগ গানই হিট৷ গৌরীপ্রসন্ন-পুলকের মতো নচিকেতা ঘোষ এবং সুধীন দাশগুপ্তের সুরে মান্না দে-র এত হিট গান আছে যে ওঁদের মধ্যে কে বড় সুরকার তা নিয়ে আলোচনা নিষ্প্রয়োজন৷ নচিকেতা যখন অকালে চলে যান তখন সুপর্ণর বয়স মাত্র সতেরো৷ তখনও তাঁর কলেজের পাঠ সাঙ্গ হয়নি৷ তবু ওই সুপর্ণকেই মান্না বেছে নিলেন তাঁর গানের সুরকার হিসেবে৷ ব্যালাডধর্মী সব গানগুলোই সুপর্ণর সুরে৷ ‘সে আমার ছোট বোন’, মা মা-গো মা, খেলা ফুটবল খেলা কিংবা কফি হাউসের সেই আড্ডাটা— মান্না-সুপর্ণ জুটির কালজয়ী গান৷ মান্নার প্রয়াণের পর সুপর্ণ যখন বলেন, ‘দ্বিতীয়বার পিতৃহারা হলাম’ তখন তা এক শতাংশও অতিশয়োক্তি মনে হয় না৷ শচীনদেব-রাহুলদের মতো পিতাপুত্রের সঙ্গে কাজ করেছেন৷ আবার সেরকমই নচিকেতা-সুপর্ণকান্তির সঙ্গে৷ এ ব্যাপারে মান্না মনে হয় ভূভারতে একম অদ্বিতীয়ম৷

    শেষ বিচারটা ঠিক হল না

    যৌবনে গেয়েছিলেন ‘প্রভু তোমার শেষ বিচারের আশায় বসে আছি’৷ ঠাকুরদেবতা মানতেন না৷ তাঁর কাছে সব দেবতাই ছিলেন তাঁর মা মহামায়া দে৷ প্রেমিকা সুলোচনা কুমারনকে যখন বিবাহ করবেন মনস্থ করেন তখন গোটা পরিবার বিরুদ্ধে ছিল৷ শুধু মা-র অনুমতি পেয়েছিলেন৷ আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি৷ সুলোচনা ছিলেন তাঁর ফ্রেন্ড, ফিলোজফার অ্যান্ড গাইড৷ ফুসফুসের সংক্রমণে যখন সুলোচনা শয্যাশায়ী তখন মান্না দে-কে দেখেছি তাঁর বুকে হাত বুলিয়ে দিতে৷ চোখভরা জল৷ পারলে স্ত্রীর ব্যথাটাও যেন নিজের বুকে নিয়ে নেন৷ ওই দৃশ্য দেখে চোখে জল নেমে আসে এমনিতেই৷ আর মনের মধ্যে গুনগুন করে ‘এরই নাম প্রেম’৷

    সুলোচনা চলে গেলেন ১৯ জানুয়ারি, ২০১২৷ দু’বছর পেরোবার আগেই অন্তর্ধান মান্নার৷ বেশিদিন দু’জনের বিচ্ছেদ হয়নি৷ তবে মান্নার শেষ জীবনটা, মনে হয়, ওভাবে অতিবাহিত হওয়া উচিত ছিল না৷ মেয়ে-জামাই তাঁকে তালা বন্ধ করে রেখে যেতেন৷ নিজেদের সময় মতো আসতেন তাঁরা৷ একদিন দুপুর একটা পর্যন্ত ব্রেকফাস্ট খেতে পাননি৷ নিজের মনের দুঃখের কথা টেলিফোনে জানিয়েছেন কলকাতার কাছের মানুষদের৷ ২০১৩-র পয়লা মে সুপর্ণ যেতে চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে৷ মান্না তাঁকে বারণ করেন, ‘খোকা, ডোন্ট কাম৷’ তখন থেকেই শরীর ভাঙতে শুরু করেছে৷ এর কিছুদিন পরেই হাসপাতালে৷ আর বাড়ি ফেরেননি৷ টিভি-তে দেখলাম শেষ যাত্রায় পঞ্চাশটা লোকও নেই৷ মাথায় কোথায় সেই টুপি? কোথায় তাঁর চশমা? ওগুলোই তো ছিল তাঁর ট্রেডমার্ক৷ ভি আই পি দূরের কথা, বেঙ্গালুরুর সাধারণ মানুষও তো নেই৷ আসলে বেঙ্গালুরু তো তাঁর জায়গা ছিল না৷ মুম্বই অথবা কলকাতা ছিল তাঁর জায়গা৷ তাই যেভাবে মান্না দে-র শেষ যাত্রা হওয়া উচিত ছিল তা হল না৷

    সারা জীবন নিজেকে যিনি বলেছেন ‘ইটারনাল স্ট্রাগলার’, বঞ্চিত হয়েছেন অনেক প্রাপ্য সম্মান থেকে, মরণের পরেও তাঁর গা থেকে সেই ট্যাগলাইনটা খোলা গেল না৷

    এই মৃত্যু উপত্যকা, মনে হয়, তাঁর দেশ ছিল না৷

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীরবে তোমায় দেখি – অর্পিতা সরকার
    Next Article বেগম আখতার – অলক চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }