Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1007 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বড়মামার দাঁত

    এক

    বড়মামার সাত সকালেই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লেন। মুখ দেখে মনে হচ্ছে, মেজাজ তেমন সুবিধের নয়। এই সময় কেউ সুপ্রভাত বললে, খ্যাঁক করে উঠবেন। পেয়ারের কুকুর লাকি, সুপ্রভাত জানাবার জন্যে সোফা থেকে নেমে এল তড়াক করে। এতদিন কুকুরের সঙ্গে থেকে কুকুরের ভাষা বুঝতে শিখে গেছি। কুকুরের ভাষা ল্যাজে। মুখ দিয়ে ঘেউ ঘেউ করে যা বেরায় তার কোনও মানে নেই। মানুষ যখন ঢেঁকুর তোলে তার কোনও মানে থাকে? একটাই মানে, পেট খুব ভরে গেছে। কুকুর কথা বলে ল্যাজে।

    লাকি সামনের দু’পা তুলে ধেই ধেই করে নাচছে, আর পুটুক পুটুক ল্যাজ নেড়ে বলছে—সুপ্রভাত, সুপ্রভাত।

    বড়মামা লাকিকে ইংরেজিতে এক ধমক লাগালন, স্টপ দ্যাট নুইসেনস। বলেই মনে পড়ল জীবজন্তুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে নেই, তারা মানুষ নয়, ছাত্র নয়, কর্মচারী নয়। সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করলেন, সরি, সরি লাকি। লাকি চক চক করে হাত চেটে দিয়ে জানিয়ে দিলে, ক্ষমা করলুম।

    বড়মামার ভুরু কুঁচকে আছে। আমার দিকে তাকালেন। এমন মুখ এর আগে আমি আর কখনও দেখিনি। বেশ ঘাবড়ে গেলুম। এ মুখ প্রধান শিক্ষকের হতে পারে, আমার বড়মামার কখনোই নয়।

    বড়মামা বললেন, হ্যাঁ, তুমি আমার একটা উপকার করতে পারবে?

    —বলুন।

    —ওই সাজিটা নাও।

    —ফুল তুলতে হবে?

    —ব্যস্ত হয়ো না। ওয়েট। কি করতে হবে, আমিই তো বলব।

    —না, সাজিতে তো ফুলই তোলে। তাই?

    —বড়মামা ভীষণ রেগে গিয়ে বললেন, তা হলে, তাই তোলো, আমার উপকার তোমাকে আর করতে হবে না।

    —আচ্ছা, বলুন, কি করতে হবে?

    —এক সাজি কচি কচি পেয়ারাপাতা তুলে নিয়ে এসো।

    —ছাগলকে খাওয়াবেন বড় মামা?

    —আবার প্রশ্ন!

    বড়দের কথাবার্তা বোঝা দায়। এই বলবেন, যতক্ষণ না বুঝবে ততক্ষণ প্রশ্ন করবে। প্রশ্নের খোঁচা মেরে মেরে সব কিছু জেনে নেবার চেষ্টা করবে। এই তো তোমাদের জানার বয়েস। আবার একবারের বেশি দুবার প্রশ্ন করলেই রেগে কাঁই।

    এক সাজি পেয়ারাপাতা এনে বড়মামার টেবিলে রাখলুম। আমার কাজ আমি করেছি। লাকি এসে পরিদর্শন করে গেল। কুরুরের সঙ্গে বসবাস করে আমি নিজেও একটা কুকুর হয়ে গেছি। অগৌরবের নয়, গৌরবের কুকুর। কুকুরের বোঝা আমিও বুঝি। কুকুর চোখ দিয়ে দেখে না, দেখে নাক দিয়ে। আমাদের বোধশক্তি যেমন মাথায়, কুকুরের বোধশক্তি তেমনি নাকে। নাক দিয়ে পাতা দেখে কুকুর সরে গেল, লক্ষ্মী মেয়ের মতো।

    বড়মামা চোখ বুজিয়ে ভুরু কুঁচকে বসেছিলেন। পাতা এসেছে শুনে, চোখ খুললেন। বেলপাতায় শিবপুজো হয়। পেয়ারাপাতায় কি পুজো, কি জানি! মুখের যা চেহারা, প্রশ্ন করে জানার সাহস আর নেই।

    বড়মামা টেবিলে একটা খবরের কাগজ বিছোলেন, তারপর মুঠো মুঠো পেয়ারা পাতা মুখে পুরে, চোখ বুজিয়ে চিবোতে শুরু করলেন। এ আবার কি ধরনের আয়ুর্বেদিক ব্রেকফাস্ট! চিবোনো পাতা ফেলতে লাগলেন কাগজে। লাকি পাশের চেয়ারে প্রসাদের লোভে এসে বসেছিল। অবাক হয়ে, বড়মামার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। লাকি বিস্কুট বোঝে, মাংস বোঝে, এমন সাত্ত্বিক আহার দেখে হাসি পাচ্ছে। মুখ দেখেই বুঝতে পারছি! বড়মামা বাগানের শামুকের মতো চিবিয়ে, চিবোনো পাতার একটা স্তূপ তৈরি করে ফেলেছেন।

    লাকি ভৌ করে প্রশ্ন করলে, এ তোমার ইচ্ছেটা কি?

    হঠাৎ বড়মামার কোঁচকানো ভুরু সমান হয়ে গেল। মেঘের ফাঁক দিয়ে রোদ ওঠার মতো, মুখে একটা হাসির ভাব খেলতে লাগল। যাক বাবা, বড়মামা এতক্ষণ পরে ফিরে আসছেন তাহলে!

    চোখ খুলে বললেন, ‘গোইং গোইং গান। চলে গেছে।’ প্রশ্ন করার সাহস ফিরে এল। ‘কি হয়েছিল বড়মামা? গলায় মাছের কাঁটা ফুটেছিল?’

    —না।

    —তা হলে শুঁয়াপোকা?

    —আজ্ঞে না। দাঁতের যন্ত্রণায় প্রাণ বেরিয়ে যাচ্ছিল। জব্দ করে ফেলেছি। ভেষজের কি গুণ দেখেছিস? আমি ডাক্তারি ছেড়ে এবার কবিরাজি ধরব। চরক সুশ্রুত। অ্যালোপ্যাথি বোগাস! কাল থেকে আমি মুঠো মুঠো ট্যাবলেট খেয়েছি। কিছুই হল না। পেয়ারা পাতার গুণ দেখ। দিশি দাওয়াই। বসবাস গাছে। তোরা সব সাহেব, বিলিতি বিলিতি করেই হেদিয়ে গেলি! আঃ মুখটা একেবারে ফ্রেস হয়ে গেল! মুখে যেন দুধের দাঁত ফিরে এলো।

    মাসিমা চা নিয়ে এলেন।

    বড়মামা বললেন, ‘এই নে তোর জন্যে কিছু বাঁচিয়ে রেখেছি।’

    —কি আবার বাঁচালে?

    —পেয়ারা পাতা। তোর দাঁত কন কন করছে না?

    —শুধু শুধু দাঁত কন কন করবে কেন?

    —বলা যায় না কুসি, করতেও পারে। কথায় বলে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। চিবিয়ে রাখ, চিবিয়ে রাখ। ভবিষ্যৎ ভেবে মানুষের কাজ করা উচিত।

    চায়ের কাপ রেখে মাসিমা চলে গেলেন। বড়মামার সারাদিনের সব উপদেশ পালন করতে হলে পাগল হয়ে যাবার সম্ভবনাই বেশি।

    বড়মামা চায়ে চুমুক দিয়ে মুখটা কেমন যেন করলেন। আর একর চুমুক খেয়ে বললেন, যার সঙ্গে যে জিনিস। চায়ের সঙ্গে বিস্কুটটাই চলে। পেয়ারা পাতার সঙ্গে চা তেমন জমে না। গাছে গাছে কি শত্রুতা দেখ। চা-ও গাছ, পেয়ারা-ও গাছ, দু’জনে তেমন মিল নেই। সব মানুষের স্বভাব পেয়ে যাচ্ছে।

    ধবাচুড়ো পড়ে বড়মামা মিলের হাসপাতালে চলে গেলেন। যে ক’টা পাতা বেঁচেছিল, যাবার সময় পকেটে পুরে নিয়ে গেলেন। বলা যায় না, আবার যদি কন কন করে। দাঁত নাকি মানুষের চেয়েও অপরাধপ্রবণ। সারা জীবনে অনেক পাপ কাজ করে। পাঁঠা চিবোয়, মুরগীর ঠ্যাং ভাঙে, মাছের জীবন নাশ করে। দাঁতের সব কাজই হল নাশকতামূলক। একটাও গঠনমূলক কাজের দৃষ্টান্ত নেই। সারাজীবন খিঁচিয়ে গেল, চিবিয়ে গেল, কামড়ে গেল। আর পাপের বেতন কি?

    উত্তরে বললুম, মৃত্যু।

    —রাইট। তাই মানুষের আগে দাঁত যায়।

    নটার সময় বড়মামা গেলেন। খেল শুরু হল, বেলা এগারোটা থেকে।

    প্রথমে এলেন এক ভোজপুরী হিন্দুস্থানী। বিশাল চেহারা। স্যাণ্ডো গেঞ্জি। বুকের ওপর পেতলের পদক। বাজখাঁই গলা। গলা শুনে মাসিমা ভয়ে দরজার আড়াল থেকে বললেন, ‘কি চাই?’

    —হ্যাঁ, লিজিয়ে, বলে দৈত্যের মতো লোকটি কাঁধ থেকে একগাদা ডালপালা উঠনে ফেললেন। ‘ডাগদার বাবুকে লিয়ে দাঁতন। কোঠারি আছে, কোঠারি?’

    লোকটির গলা বড়মামার ছটা কুকুরের ছ’রকম ডাকে ভালো করে শোনা যাচ্ছে না। মেজোমামা দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে; বারবার জিগ্যেস করছেন, ‘কি হল কি, ডাকাত পড়েছে। কি হল কি, ডাকাত পড়েছে?’

    আমরা যত বার বলছি, ‘না না দাঁতন এসেছে,’ কিছুতেই শুনতে পাচ্ছেন না। অনেক কষ্টে শোনানো গেল। তখন বললেন, ‘বসতে বলো, বসতে বলো।’

    কোঠারি কি জিনিস মাসিমার মাথায় ঢুকছে না। কোঠারি তো অবাঙালীদের একটা পদবী। কোঠারি এ বাড়িতে আসবেন কেন। বড়মামার মিলের ম্যানেজারের নাম কোঠারি হতে পারে।

    মাসিমা বললেন, ‘কোঠারি সায়েব মনে হয় মিলে আছেন।’

    —নেহি, নেহি কাটনেকা কোঠারি।’

    —ওঃ হোঃ কাটারি।

    লোকটা কাটারি নিয়ে বসে গেলেন নিম দাঁতন কাটতে। ছটা কুকুর চিল্লে কাবু হয়ে গেল। তিনটে বিরক্ত হয়ে তিন দিকে শুয়ে পড়ল, হাত পা ছড়িয়ে।

    পাতা ছাড়িয়ে সাইজ করে কেটেকুটে, বাণ্ডিল বেঁধে, মাল বুঝিয়ে দিয়ে লোকটি উঠে পড়লেন। হাতে ঘড়ি, কাঁধে তোয়ালে। একটা দাঁতন চিবোতে চিবোতে বাগানের রাস্তায় পড়ে বিকট সুরে গান ধরলেন, ‘আরে এ রাম ভজুয়ারে।’ দাঁতনমুখে সে এক বিকট গান। ঘুমন্ত কুকুর তিনটে তড়াক করে লাফিয়ে উঠে, আবার চেল্লাতে শুরু করল।

    আধঘণ্টা পরে ফেজ মাথায় এক ভদ্রলোক এলেন। মুখে চাপা দাড়ি, গায়ে চিকনের পাঞ্জাবি। তিনি এলেন স্কুটার চেপে। পেছনে একগাদা ডালপালা।

    আমাকে দেখে বললেন, ‘হাঁ, লিজিয়ে জনাব, ইয়ে ডকটর সাবকে লিয়ে।’ দোতলায় মেজোমামাকে দেখে বললেন, ‘সালাম আলেকুম প্রফেসার সাব।’

    একের পর এক আসতে লাগল, গাবভ্যারেণ্ডা, আসশ্যাওড়া, নিসিন্দা। উঠোনে একটা জঙ্গল তৈরি হয়ে গেল। মেজোমামা জিগ্যেস করলেন, ‘ব্যাপারটা কি রে কুসি? আজ কি বনমহোৎসব?’

    —না, মেজদা, বড়বাবুর দাঁতের যন্ত্রণা, এসব হল রুগীদের ভেট। বড়দাকে তো চেন! যার সঙ্গে দেখা হচ্ছে তাকেই হয়তো বলছে, দাঁতের যন্ত্রণায় কি করা যায় বল তো?

    —তা ডেনটিস্টের কাছে যাচ্ছে না কেন? দাঁতের যন্ত্রণায় একমাত্র দাওয়াই উপড়ে ফেলা।

    —দাঁড়াও, অতই সোজা! বড়দাকে চেন না। কবিরাজি হবে, হাকিমি হবে, টোটকা হবে, সন্ন্যাসী ধরবে, তন্ত্র হবে, তারপর একদিন উপড়ে আসবে। উনি তো ধাপে ধাপে উঠবেন।

    মেজোমামা বললেন, ‘ওকে চিনিস না, ভীতুর ডিম। কাটা ছেঁড়া নিপাতন উৎপাটনের নাম শুনলেই বড়বাবু কাত। নিজের শরীরে ওসব চলবে না, সব চলুক পরের শরীরে।’

    লাকি এসে একটা নিসিন্দের ডাল সামনের দুপায়ে চেপে ধরে হাড়ের মতো চিবোতে শুরু করলো।

    দুই

    বড়মামার দাঁতের অবস্থা ভীষণ শোচনীয়। ঠান্ডা জল সহ্য হচ্ছে না, গরম জলও নয়। কেবল বলছেন, বডি টেমপারেচার। মাসিমা গরম আর ঠান্ডা, ঠান্ডা আর গরম করতে করতে পাগল হয়ে গেলেন।

    খিঁচুড়ি ছাড়া অন্য কোনও খাদ্য দাঁত নিচ্ছে না।

    বসার ঘরে উপদেষ্টারা বড়মামাকে ঘিরে বসেছেন। তাঁদের চা চলছে, বিস্কুট চলছে, পাঁপড় চলছে। বড়মামা শুধু দেখে যাচ্ছেন আর শুনে যাচ্ছেন। মাঝে মাঝে দাঁতের গোড়ায় ক্লোভ অয়েল ঠুসছেন। অক্ষয়বাবু বললেন, ‘ওতে কিছু হবে না ডাক্তার। দাওয়াই আছে আমার বড় বউমার কাছে, দাঁড়াও এনে দি এক দলা।’

    রামবাবু বললেন, ‘জিনিসটা কি শুনি?’

    —তামাকের মাজন।

    —ও, গুড়াকু। অতি বাজে জিনিস। ডাক্তার খবরদার, ওর কথা শুনো না। একবার ধরেছ কি মরেছ।

    —হ্যাঁ, তুমি সব জেনে বসে আছ? মেয়েরা ব্যবহার করছে।

    —সে তো মাতঙ্গিনী হাজরা গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন। তোমার বউমা বীরাঙ্গনা হতে পারে, সবাই তো আর বীর নয়।

    দু’জনে ঝটাপটি বাধে আর কি, বড়মামা উহু, উহু করে উঠলেন।

    বসাকবাবু পকেট থেকে নস্যির ডিবে বের করে বললেন, ‘ডাক্তার গোড়ায় এক টিপ টিপে ধরো। একেবারে অব্যর্থ। আমাদের সাধন কি কষ্টই না পাচ্ছিল! সারা ঘরে কেঁউ কেঁউ করে ঘুরছে আর বলছে, এর চেয়ে আত্মহত্যা করা ভালো। পকেট থেকে এই ডিবে বের করে বললুম, এক টিপ লাগাও, চেপে ধরো দাঁতের গোড়ায়। দুম করে মাথা ঘুরে পড়ে গেল, এ যে র-অ। বাঘের নাকে গুঁজে দিলে জঙ্গল ছেড়ে পালাবে। পরের দিন দেখি কি, মোল্লারচকের সাধন মাংসের দোকানে লাইন দিয়েছে। আমাকে দেখেই ছুটে এসে পায়ের ধুলো নিয়ে বললে, ‘মামাবাবু, আপনি ধন্বন্তরি।’

    অক্ষয়বাবু বললেন, ‘ডাক্তার, তুমি একবার কর্নেল বিশ্বাসকে দেখাও।’

    বসাকবাবু বললেন, ‘সে হাত আর নেই, বয়েস হয়ে গেছে। দেখাতে হলে বোসই বেস্ট। সিকসটিতে আমার আক্কেল দাঁত এক ছুরির খোঁচায় এমন করে দিলে, বেরিয়ে এল, যেন খোল থেকে শামুক বেরলো।’

    রামবাবু বললেন, ‘এটা কত সাল? এইটটি টু। বাইশ বছর আগের হাত আর এখনকার হাত!’

    অক্ষয়বাবু বললেন, গুপ্তকে দেখাও। ছোকরার যেমন গুণ্ডার মতো চেহারা তেমনি অসুরের মতো শক্তি। একটানে শেকড়বাকড় সব উপড়ে আনবে।’

    বসাকবাবু বললেন, ‘পয়সা খরচ করে গুপ্তর কাছে যাবার কি দরকার, গুপে গুণ্ডার কাছে গেলেই হয়। দু-চারটে গদ্দরত্বম গরম কথা হল ফি। এক ঘুষিতে গোটা ছয়েক ঝরিয়ে দেবে।’

    সিদ্ধান্তে আসার আগেই সভা ভেঙে গেল।

    বড়মামা কুঁই কুঁই করতে করতে নিজের ঘরে চলে গেলেন। লাকিও চলল, পেছন পেছন ল্যাজ নাড়তে নাড়তে। ল্যাজের ভাষা, ‘কি করতে পারি, কি করতে পারি।’

    তিন

    রাত আটটা নাগাদ অবস্থা চরমে উঠল।

    দাঁতের গোড়া থেকে মন ঘোরাবার জন্যে, বড়মামা প্রথমে চালালেন স্টিরিও রেকর্ডপ্লেয়ার। প্রথমে শ্যামাসঙ্গীত। হল না। অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত, রবীন্দ্রনাথ। পরপর এলেন, চলে গেলেন। টপপা খেয়াল হান মানল। যাত্রাপালা, নটী বিনোদিনী। ওষুধ ধরল না। রাগপ্রধান, কিচ্ছু হল না। এল ইংরিজি, অ্যাবা, ভেনচারম রনগডউইল ওসিবিসা বনি এম। কিছুতেই হল না। টিভিতে বাংলাদেশ।

    মেজোমামা এসে বললেন, ‘নিউক্লিয়ার অ্যাটাক ছাড়া ও মন ঘুরবে না। যা বলি শোনো। আমার সঙ্গে ডক্টর পালের কাছে চলো। কোনও ভয় নেই।’

    মাসিমা বললেন, ‘আমি যাচ্ছি তোমার সঙ্গে। বাচ্চা ছেলেও দাঁত তোলাতে ভয় পায় না।’

    মেজোমামা বললেন, ‘তোলার কথা আসছে কেন? তোলার হলে তুলবে, না হলে ওষুধ দেবে।’

    শিশুকে যেভাবে ভোলায়, সেইভাবে ভুলিয়ে ভালিয়ে বড়মামাকে ডক্টর পালের চেম্বারে নিয়ে যাওয়া হল। পেছনে সাহস যোগাতে যোগাতে চললুম আমরা। মেজোমামা মাঝে মাঝে গীতার শ্লোকে আবৃত্তি করতে লাগলেন। শরীর হল আত্মার পোশাক। আত্মা এমন এক বস্তু, জলে গলে না, আগুনে পোড়ে না, অস্ত্রে কাটা যায় না। গুপে গুণ্ডা কিছু করতে পারে না। দাঁত আত্মা নয়। দাঁত হল পোশাকেরই একটা অংশ। দু’চারটে গেলে কিছু এসে যায় না। শেষ বয়েসে দাঁত পড়ে যাবেই। ঠাকুরদার পড়েছিল, বাবা পড়েছিল, মায়ের পড়েছিল, আমাদেরও পড়বে। দাঁত কখনও আপনার জন হয় না। হলে যন্ত্রণা দিত না। ভাগনে যেমন কখনও আপনার হয় না, দাঁতও সেইরকম।

    আমাকে আর প্রতিবাদ করতে হল না। মাসিমা-ই এগিয়ে এলেন, ‘মেজদা কথা যখন বলবে, একটু ভেবেচিন্তে, বুঝেসুঝে বলবে।’

    —কেন, কেন? অন্যায়টা আমি কি বলেছি? আমি শাস্ত্রের কথাই বলেছি। জন, জামাই, ভাগনা তিন নয় আপনা।

    —ওটা জন নয়, যম।

    —তুই আমার চেয়ে বেশি জানিস? জন মানে তৃতীয় ব্যক্তি, থার্ডপার্সন।

    —আজ্ঞে না, ওটা যম।

    —আজ্ঞে না ওটা জন।

    সারাটা পথ জনে আর যমে জমজমাট লড়াই চলল।

    ডক্টর পালের চেম্বার একেবারে ভর ভরাট। কাঁচের শো-কেসে তিনপাটি দাঁত, হাসছে না খিঁচিয়ে আছে বলা শক্ত। দাঁত একবারে মুখের বাইরে বেরিয়ে এলে তার ভাব আর ভাষা বোঝা যায়।

    বড়মামা গাড়ি থেকে নেমে চেম্বারের সিঁড়িতে পা রাখতেই ডাঃ পাল অ্যাপ্রন পরে ভেতর থেকে বেরিয়ে এলেন, ‘আরে ডাক্তার এসো, ডাক্তার এসো, কি সৌভাগ্য আমার।’

    লম্বা চওড়া, বিশাল চেহারা। আমেরিকার বাস্কেটবল প্লেয়ারদের মতো চিউয়িংগাম চিবোচ্ছেন। হাতে এত লোম, মনে হচ্ছে ভাল্লুকের হাত।

    বড়মামা ঢুকতে ঢুকতে বললেন, ‘দাঁত নিয়ে বড় কষ্ট পাচ্ছি ডাক্তার।’

    —আরে এ তো এক সেকেন্ডের ব্যাপার, ধরব আর টকাস করে তুলে দোব।

    বড়মামা থেমে পড়লেন। করুণ গলায় ডাকলেন, ‘কুসি, এই দ্যাখ, কি বলছে?’ মেজোমামা সাহস দিলেন, ‘আরে উনি তোমাকে ভয় দেখাচ্ছেন। তুললেই হল? আমরা আছি না।’

    কোণের দিক থেকে গালফুলো এক রুগী নাকিসুরে ডাকলেন, ‘ডাঁকতাঁর বাবু।’

    ডাঃ পাল ডাকে কোনও সাড়া দিলেন না।

    আমরা সদলে তাঁর ভেতরের চেম্বারে ঢুকে পড়লুম। দাঁত তোলার চেয়ারে বেল্ট বেঁধে একজনকে ফেলে রেখেছেন। বড়মামাকে সাধারণ একটা চেয়ারে বসিয়ে বললেন, ‘হাঁ করো, দেখি কি অবস্থা করে এনেছ? আমাদের কাছে তো সব শেষের সময় হরিনাম করতে আসে।’

    বড়মামা হাঁ করলেন। ডাঃ পাল টর্চের আলো ফেলে, লোহার একটা স্টিক দিয়ে দাঁত বাজাতে আরম্ভ করলেন। দাঁত যদি জলতরঙ্গ হত, এতক্ষণে শুরু হয়ে যেত কনসার্ট। রসগ্রহণ করলেও দাঁত বড় নীরস।

    বড়মামা হঠাৎ একসময় বাঘের মতো আর্তনাদ করে উঠলেন, আঁউ।

    ‘আ, হিয়ার ইজ দি কালপ্রিট। ব্যাটা, তুমি কোণে বসে কেরামতি দেখাচ্ছ। তোর একদিন কি আমার একদিন।’

    ভারী ওজন তোলার আগে মানুষ যেভাবে জোর নিঃশ্বাস নেয়, ডঃ পাল বুক চিতিয়ে সেইভাবে নিঃশ্বাস নিলেন। বড়মামা করুণ মুখে আমাদের দিকে তাকালেন।

    আমরা সমস্বরে বললুম, ‘কোনও ভয় নেই!’

    —তোমার ভয় করছে ডাক্তার! তা হলে দ্যাখো।

    হাতে একটা যন্ত্র নিয়ে চেয়ারের লোকটির দিকে তেড়ে গেলেন। পেছন দিকে থেকোঁর মাথাটা চেয়ার-এর উঁচু হেডরেস্টে ঠেসে ধরে, মুখে যন্ত্র পুরে ডালাখোলা বাকসের মতো হাঁ করিয়ে দিলেন। পাশের ট্রে থেকে চকচকে সাঁড়াশির মতো একটা যন্ত্র হাতে নিয়ে দাঁত চেপে ধরলেন। কড়াক করে একটা শব্দ হল।

    বড়মামা শিউরে উঠে চোখ বুজলেন। কড়মড় মড়ড় শব্দ হতে লাগল আর ডাক্তার রেগে রেগে বলতে লাগলেন, সব শেষ সময়ে এসে মরবে, আসবে একেবারে বারোটা বাজিয়ে।

    প্রচণ্ড এক হ্যাঁচকা টান মারলেন। লোকটির শরীর টান টান হয়ে গেল। সাঁড়াশির মুখে ধরা বর্শার ফলার মতো দাঁতের অংশ আকাশের দিকে তুলে ধরে বললেন, ‘শত্রুর শেষ রাখতে নেই।’

    দাঁতটা ঠকাস করে একটা ডিশে ফেলে দিয়ে, মুখে ফ্যাঁসফোঁস করে খানিকটা ওষুধ স্প্রে করে দিয়ে চেয়ার থেকে লোকটিকে মুক্ত করে দিলেন। তিনি সামনে কুঁজো হয়ে, টলতে টলতে ঘরের বাইরে চলে গেলেন।

    ডঃ পাল বললেন, ‘কি বুঝলে ডাক্তার?’

    বড়মামা চোখ ঢেকে বললেন—উঁ।

    —এ সব আমাদের কাছে জল ভাত। দাঁত একটা জিনিস! ধরো আর ফেলো। নাউ, কাম হিয়ার।

    বড়মামার চোখমুখ ছাইবর্ণ। আমাদের দিকে তাকাতে তাকাতে চেয়ারে গিয়ে বসলেন। পরীক্ষা-টরিক্ষা করে ডাক্তার পাল বসলেন।

    ‘দাঁড়াও, একটা ইনজেকশান দিয়ে ব্যাথাটা আগে কমাই। দাঁতটার অবস্থা তেমন ভালো নয় হে। ভেতর ভেতর বেশ বিগড়ে বসে আছে।’

    মাড়ির পাশে পাশে পুটপুট করে কয়েকবার ছুঁচ ফুঁড়লেন ডাক্তারবাবু। ইনজেকশানেও বড়মামার ভয়। সিঁটিয়ে আছেন।

    ইনজেকশান শেষ হতেই বড়মামা বললেন, ‘চলি তা হলে?’

    —ব্যস্ত হচ্ছ কেন ডাক্তার! একটু বসে যাও। সারারাত কষ্ট পাওয়ার চেয়ে দু’দশ মিনিট বসে যাওয়া ভালো। তুমি ওই ডেক চেয়ারে বোসো।

    বড়মামা বললেন। ডাঃ পাল চেয়ারে টেনে আনলেন এক মহিলাকে। সেই এক ব্যাপার। দাঁত আর দাঁতের মালিককে ধমক ধামক চলল। প্রতিবাদ করার উপায় নেই। মুখে যন্ত্র পোরা। ডাক্তারবাবু সাট করে এক টান মেরেই ইস ইস করে উঠলেন। তারপর ভদ্রমহিলার দাঁতের সারি থেকে এক হ্যাঁচকা টানে আর একটা দাঁত তুলে আনলেন।

    মহিলা ঘর ছেড়ে চলে যাবার পর ডাক্তারবাবু বললেন, ‘বুঝলে ডাক্তার, অ্যানেসথেসিয়ার এই দোষ, যার তুলছি সেও বোঝে না কি তুলছি, যে তুলছে সেও বোঝে না কি তুলছে! ইস, মহিলার একটা ভালো দাঁত টেনে তুলে দিয়েছি।’

    বড়মামা বললেন, ‘আমি এবারে উঠি ডাক্তার।’

    ‘উঠবে, উঠবে। জিভ দিয়ে দ্যাখো তো দাঁতের চারপাশটা বেশ অসাড় হয়েছে কি না!’

    বড়মামা বললেন, ‘জিভ নাড়াতে পারছি না, কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, এর চেয়ে ভালো আর কি হবে?’

    —তাই নাকি! কই দেখি, চেয়ারে একবার বোসো দেখি, একটু রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট করে দি। অসাড়ে ভালো হলে তো হবে না, সাড়ে ভালো হতে হবে তো।

    বড়মামা চেয়ারে বসলেন।

    মেজোমামা আর মাসিমা দু’জনে ফিস ফিস করলেন। কিছু একটা ষড়যন্ত্র চলছে। চোখে চোখে আঙ্গুলের ইশারায় কোন একটা পরিকল্পনা পাকা হতে চলেছে। এর মধ্যে একজন কিছুই জানে না, বাকি সবাই জানে। ঘরের বাতাস উৎকণ্ঠায় থম থম করছে। যে কোনও মুহূর্তে একটা খুন হবে। মানুষ নয়। খুন হবে একটা দাঁত। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে, বড়মামা, পালান।

    ডঃ পাল বললেন, ‘দেখি হাঁ কর তো ডাক্তার!’

    বড়মামা হাঁ করলেন।

    আমার চোখ ডাক্তার পালকে অনুসরণ করছে। তাঁর ডান হাতটা ধীরে ধীরে দাঁত তোলা সাঁড়াশির দিকে সরছে। অনর্গল কথা বলে চলেছেন, বড়মামাকে ভুলিয়ে রাখার জন্যে। ধীরে ধীরে সাঁড়াশিটা হাতে তুলে নিলেন। বড়মামাকে মাথার পেছন দিক থেকে আক্রমণ করবেন হঠাৎ!

    উত্তেজনায় আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। সাঁড়াশি উঠতে উঠতে বড়মামার ঘাড় পর্যন্ত উঠেছে।

    আর পারলুম না। ‘বড়মামা, সাবধান!’ বলে চেঁচিয়ে উঠলুম।

    আমার চিৎকার, আর দাঁত তুলে দেবার আতঙ্কে, বড়মামা একেবারে জেমস বণ্ডের মতো হয়ে গেলেন। চেয়ার চরকিপাক খেল। কি হচ্ছে বোঝার আগে বড়মামা বাঘের মতো লাফিয়ে উঠে সুইংডোর ঠেলে একেবারে রাস্তায়।

    বড়মামা ছুটছেন, দু’হাত পেছনে আমি ছুটছি। আমাদের পেছনে ধর ধর করে ছুটে আসছেন সাঁড়াশি হাতে ডেনটিস্ট, মেজোমামা, কয়েকজন পেশেন্ট। প্রাণভয়ের দৌড়ের সঙ্গে মিলখা সিংও পাল্লা দিতে পারবেন না।

    বাজার এলাকা ছাড়িয়ে, হাইওয়ে পেরিয়ে আমরা শুকচরে ঢুকে পড়েছি। পেছন থেকে গাড়ির শব্দ, হেডলাইটের আলো ভেসে এল। বড়মামা হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, ‘আমার গাড়ি চেপে আমাকেই ধরতে আসছে। কুইক, নেমে পড়ো ওই মাঠের ঝোপে।

    সাপের ভয় নেই, ব্যাঙের ভয় নেই। আমরা দুজনে ঝোপের মধ্যে। ওপরের রাস্তা দিয়ে সাঁ করে বেরিয়ে গেল বড়মামার গাড়ি। বড়মামা, ফিস ফিস করে বললেন, ‘তুই আমাকে বাঁচালি। মেজোকে বলিস, ভাগনেই একমাত্র আপনজন।’

    বড়মামা, ‘আপনার দাঁত?’

    ‘দাঁত? দাঁত এখন মুখ ছেড়ে মাথায় উঠে গেছে রে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিউলি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }