Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1007 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মেজোকে বড়র জুতো দান

    বড়মামার হঠাৎ কি যে হল। হঠাৎ নয়, জিনিসটা বেশ কিছুদিন মাথায় ঢুকছিল একটু একটু করে। যোগী পূর্ণানন্দের সঙ্গে পরিচয় হবার পর থেকে মাঝে মাঝেই বলতে শুরু করেছিলাম ‘জীবনটাকে একেবারে বদলে ফেলতে হবে। আকাশ থেকে শক্তি নামছে, সেই শক্তিকে ধরতে হবে, ধারণ করতে হবে। মৃত্যুকে জয় করতে হবে। তোর মেজোমামার মতো বিষয়ী স্বার্থপর লোকদের আমি দেখিয়ে দেবো, যোগের শক্তি কাকে বলে!’

    ‘সব ছেড়ে মেজোমামাকে কেন? যোগের শক্তি নেমে এলে সবাই দেখবে। শুধু মেজোমামা কেন বড়মামা!’

    ‘সেদিন সামান্য একপাটি চটির জন্যে কি সাংঘাতিক অপমান করল, তুই ভুলে গেলেও আমি ভুলিনি।’

    ‘মেমোমামার মাথার ঠিক ছিল না বড়মামা।’

    ‘মেজোর মাথা কবে ঠিক থাকে? সব সময়েই তো বাবুর হট হেড!’

    ‘সেদিন কিন্তু আপনার কুকুর ভীষণ অসভ্যতা করেছে।’

    ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে। মানুষের কাজ কী তোর মেজোমামা কোনও দিন করেছে? কুকুর মানুষ চেনে রে। তোর মেজোমামার মতো মানুষদের হাড়ে হাড়ে চেনে।’

    ‘কুকুর মানুষ চেনে ঠিকই তবে সবচেয়ে ভালো চেনে জুতো। আপনার চটি আর মেজোমামার চটি পাশাপাশি খোলা ছিল। চিনে চিনে ঠিক মেজোমামার চটিটাই ছিঁড়ে ফালাফালা করল কেন?’

    ‘কৃপণদের ওই অবস্থাই হয় রে। কোত্থেকে এক জোড়া কাঁচা চামড়ার চটি কিনে নিয়ে এল। ওয়ান পাইস ফাদার মাদারদের ওই হালই হয় রে। সস্তার তিন অবস্থা।’

    বড়মামার ঘরের বাইরে দিয়ে মেজোমামা ঠিক সেই সময়েই কি কারণে যাচ্ছিলেন কে জানে! শেষ কথাটা ঠিক কানে গেছে। মেজোমামা পর্দা সরিয়ে শরীরের ওপরের অংশটা ঘরে ঢুকিয়ে বললেন :

     

     

    ‘জুতোর আবার কাঁচাপাকা কী হে! এ কী পেয়ারা! ডাঁসা পেয়ারা পাকা পেয়ারা!’ মেজোমামা মাথাটা সরিয়ে নিচ্ছিলেন। বড়মামা ডেকে বললেন, ‘ওহে শোন শোন।’

    পর্দার বাইরে থেকে মেজোমামা বললেন, ‘কি আর শুনব? তোমার পক্ষপাতিত্ব আমার জানা আছে। কুকুর ছাড়া পৃথিবীতে তোমার আপনজন কে আছে! কুকুরপ্রেমী সুধাংশু মুকুজ্যে!’

    ‘শোনো, শোনো, শুনে যাও। তুমি অধ্যাপক হতে পারো, শিক্ষার কিন্তু অনেক বাকি আছে।’

    মেজোমামা পর্দা সরিয়ে ঘরের চৌকাঠের কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমি না হয় ওয়ান পাইস ফাদার মাদার, তুমি তো দাতা কর্ণ, তা তোমার পেয়ারের কুকুরদের রোজ একপাটি করে নতুন জুতো চিবোবার জন্যে কিনে দিলেই পারো, কৃপণের জুতো ধরে টানাটানি না করলেই হয়।’

    ‘ও যত জুতোই দাও, কাঁচা চামড়ার জুতো পেলে ওদের আর কাণ্ডজ্ঞান থাকে না।’

     

     

    ‘যে কুকুর জুতো খায় সে কুকুর অতি নিকৃষ্ট ধরনের কুকুর, নীচ জাতের কুকুর, নের অধম।’

    ‘তাই নাকি, বুলটেরিয়ার, ফক্স ফেরিয়ার, এসব হল নীচ জাতের কুকুর, আর তোমার জুতোটা হল উঁচু জাতের!’

    ‘কি বলে রে!’

    বড়মামা সমর্থন পাবার আশায় আমার দিকে তাকালেন। দু মামার সঙ্গেই আমার সমান ভাব। একটু পরেই মেজোমামা আমাকে মর্নিং শোতে ইংরেজী ছবি দেখাতে নিয়ে যাবেন। আবার বিকেলবেলা বড়মামা আমাকে গান্ধীঘাটে বেড়াতে নিয়ে যাবেন বলেছেন, বড়মামার নতুন মোটর সাইকেলে করে। মহা মুশকিল হয়েছে আমার। কোনও পক্ষেই সহজে যাবার উপায় নেই।

    মেজোমামা বললেন, ‘জুতোর জাত-ফাত আমি জানি না। ও নিয়ে মাথা ঘামাবার মতো সময়ও আমার নেই। জুতো পায়ে দিয়ে ফটাস ফটাস করে হাঁটা যায় ইটুকুই জানি। আর জানি কিছু জুতো আছে, পায়ে লাগে। পরলে কষ্ট হয়। কিছু আছে পায়ে লাগে না।’

     

     

    ‘অধ্যাপকদের ওইরকম জ্ঞান হওয়াই স্বাভাবিক। জুতো পায়ে দিয়ে নাকে চামড়ার বদগন্ধ পাও না?’

    ‘জুতো থাকবে পায়ে, নাক থেকে পায়ের দূরত্ব মিনিমাম সাড়ে চার ফুট। জুতো তো আর গোলাপ ফুল নয়, নূরজাহানের মতো নাকের কাছে কেউ বোঁটা ধরে বসে থাকবে!’

    ‘তোমার সঙ্গে আমি তর্কে পারব না। এই দেখ আমার জুতো। দস্তুরমতো পয়সা খরচ করে কেনা। পাকা চামড়ার জুতো। নাকের কাছে ধর…’

    বড়মামা জুতোটা পা থেকে খুলে নিজের নাকের কাছে ধরলেন, ‘কোনও গন্ধ পাবে না। রোজ পাউডার দিই বলে, একটু পাউডারের গন্ধ পাবে।’

    বড়মামা জুতোটা নাকের কাছে ধরে আছেন, এমন সময় মাসিমা ঘরে এলেন হাতে চায়ের ট্রে নিয়ে মাসিমা ট্রেটা আর একটা টেবিলে রাখতে বললেন, ‘উঁহু, উঁহু বড়দা, জুতো দিয়ে চা খেও না। বিস্কুট দিয়ে চা খেতে হয়।’

     

     

    বড়মামা মাসিমার নাকের কাছে জুতোটা ধরে বললেন, ‘কোন গন্ধ পাচ্ছিস কুসি!’

    মাসিমা মুখটা সরিয়ে নিয়ে বললেন, ‘একি, একি, পায়ের জিনিস নাকের কাছে কেন?’

    ‘একে কি বলে জানিস? হাতে পাঁজি মঙ্গলবার। তুই একবার ওর জুতোটা শুঁকে দেখ। আমি এখানে বসে গন্ধ পাচ্ছি। ভাগাড়ের পচা চামড়া দিয়ে তৈরি।’

    মেজোমামা বললেন, ‘তোমার ঘরে ডেকে এনে সাতসকালে এভাবে অপমান করার কি মানে হয় বড়দা?’

    ‘অপমান! এতে মান অপমানের কি হল শুনি! তোমাকে আমি শিক্ষা দিচ্ছি। জ্ঞান দিচ্ছি। যা এই বাচ্চা ছেলেটা জানে, তুই তা জানিস না।’

    মাসিমা বললেন, ‘তোমাদের দুজনে মুখোমুখি হলেই কী কথা কাটাকাটি! এখন দুজনে শান্তিতে একটু চা খাও দেখি। সাতসকালেই জুতো নিয়ে শুরু হল! এখনও সারাটা দিন পড়ে আছে।’

     

     

    মেজোমামা চটপট শব্দ করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। দরজার পর্দার কাঠটা খটাখট শব্দ করে উঠল। বাইরে থেকে হেঁকে বললেন, ‘কুসি, আমার চা-টা আমার ঘরে দে। আমার জুতোয় গন্ধ, আমার গায়ে গন্ধ। ওনার কুকুরের গায়ে আতরের গন্ধ।’

    বড়মামা প্রতিবাদ করে বললেন, ‘মিথ্যে বল না। তোমার গায়ে গন্ধ একথা কিন্তু একবারও আমি বলিনি।’

    ‘ওই হল। এরপর তোমার কুকুর যদি আমাকে আমাকে কামড়ে দেয়, তুমি বলবে তোর গাটা পচা চামড়া দিয়ে তৈরি। তুমি হলে ওয়ান আইয়েড বুল।’

    ‘তুমি হলে টু আইয়েড কাফ।’

    মাসিমা বড়মামাকে একটু ধমক দিলেন, ‘কি হচ্ছে বড়দা! এবার কিন্তু ভীষণ ছেলেমানুষী হয়ে যাচ্ছে।’

    ‘তুই বল কুসি, কাঁচা চামড়ার জুতো কিনেছে, কুকুর গন্ধ পেয়ে ছিঁড়ে দিয়েছে, তার আমি কি করব! আমার জুতো জোড়াও তো পাশে ছিল।’

     

     

    ‘কিছু মনে করো না বড়দা, তোমার সবক’টা কুকুরই ভীষণ শয়তান। সারা বাড়িতে একটা না একটা অনিষ্ট করে চলেছে। ওই তো ওঘরে সোফায় গদীটা ছিঁড়েছে।’

    বড়মামার মুখটা হঠাৎ খুব করুণ হয়ে গেল। মাসিমা চলে গেলেন। গুম হয়ে কিছুক্ষণ বসে থেকে, দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমাকে জিগ্যেস করলেন, ‘কে বলেছিলেন, জীবে দয়া করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর?

    ‘স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন বড়মামা।’

    ‘তাহলে দ্যাখ, মহাপুরুষের কথা যারা মেনে চলতে চায় তাদের কি অবস্থা হয়। সে একঘরে হয়ে যায়। তাকে ভাই এসে অপমান করে যায়, তাকে তার বোন এসে বলে আদিখ্যেতা। এই যাঃ।’

    বড়মামা চায়ের কাপটাকে বিষের কাপের মতো টেবিলে নামিয়ে রেখে, মহা অপরাধীর মতো মাথায় হাত দিয়ে বসে, মুখে চুক চুক শব্দ করতে লাগলেন।

     

     

    ‘কি হল বড়মামা?’

    ‘আর কি হল, সর্বনাশ হয়ে গেল রে, প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ হয়ে গেল।’

    ‘কি প্রতিজ্ঞা?’

    ‘আজ থেকে আমার চা ত্যাগ করার কথা। চা ত্যাগ, মাছ মাংস ত্যাগ। বিলাসিতা ত্যাগ।’

    বড়মামা যেভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন, একটু শান্ত করা দরকার। বললুম, ‘তাতে কি হয়েছে বড়মামা? ছুটির দিন আপনি বিশ কাপ চা খান, এখনও উনিশ কাপ বাকি। সেই উনিশ কাপ না হয় খাবেন না!’

    ‘তাহলে এই কাপটা খেয়ে নোব বলছিস? আর সিকি কাপ মাত্র পড়ে আছে। বড়মামা চোঁ করে চা-টা খেয়ে নিলেন। তারপর চোখ বুজিয়ে বসে রইলেন চুপ করে। অপরাধ করে ফেলেছেন। এখন চোখ বুজিয়ে ভগবানের কাছে ক্ষমা চাইছেন।

     

     

    মেজোমামার ঘরে ঢুকে দেখি সেখানে আর এক কাণ্ড চলেছে। মেঝের ওপর বেশ বড় করে খবরের কাগজ বিছিয়েছেন। তার ওপর পাশাপাশি দুপাটি চটি। মেজোমামার হাতে একটা স্প্রেয়ার। মুখের চেহারা বেশ কঠিন। ফ্যাঁস ফ্যাঁস করে বারকতক স্প্রে করে ছুটে জানালার দিকে চলে গেলেন, পাছে নাকে ঝাঁজ লেগে যায়। মেজোমামার আবার হাঁচির অসুখ আছে। ধুলো, স্প্রে, ফুলের গন্ধ, পাউডার, ধূপের গন্ধ সহ্য করতে পারে না। বড়মামা মেজোমামা এই ব্যামোর নাম রেখেছেন ঘোড়া রোগ। ঘোড়ারা নাকি এইভাবে ফ্যাঁচোর ফ্যাঁচোর করে অনবরতই হাঁচে।

    মেজোমামা শুনে বলেছিলেন, ‘গো-বৈদ্যরা এই কথাই বলবে, তবে প্রকৃত ডাক্তাররা এই অসুখের বেশ সভ্যভব্য নাম রেখেছেন—অ্যালার্জি। মানুষের চিকিৎসা করলে তুমিও জানতে, হাওয়েভার দেশে তো মানুষের সংখ্যা খুবই কম তাই ডাক্তার সুধাংশু মুকুজ্যে করে খাচ্ছে।’

    মেজোমামার কথা শুনে বড়মামা অবশ্য রাগ করেননি, হাসতে হাসতে বলেছিলেন, ‘গরুরাই গরুদের ভালো চেনে, তাই সারা দেশে তারা মানুষ দেখতে পায় না।’

     

     

    কিন্তু মেজোমামার এ কী কেরামতি!

    ‘মেজোমামা, জুতোয় কি ছারপোকা হয়েছে?’

    মেজোমামা জানলার কাছ থেকেই বললেন, ‘আগে এদিকে পালিয়ে আয় তারপর বলছি, ওদিকে কি উড়ছে দেখতে পাচ্ছিস না!’

    ‘ওতে আমার কিছু হবে না মেজোমামা।’

    ‘হলে তখন রক্ষে থাকবে না, বিগব্রাদার তেড়ে আসবে।’

    মেজোমামা রেগে গেলেই বড়মামাকে বিগব্রাদার বলেন! পুবের জানলা দিয়ে ঘরে বাঁকা হয়ে একফালি রোদ এসে মেঝের ওপর লুটিয়ে পড়েছে। সেই রোদের রেখায় অজস্র তেল মেশানো কীটনাশক পদার্থের কণা ভেসে বেড়াচ্ছে। খবরের কাগজে তেলের ছিটে ছিটে দাগ ধরেছে।

     

     

    জানলার দিকে সরে যেতেই মেজোমামা বললেন, ‘জুতোর গন্ধ মারছি। এরপর ওর ওপর এক টিন পাউডার ঢেলে, একমাস কাগজে মুড়ে ফেলে রেখে দেবো।’

    ‘তাতে কিছু হবে মেজোমামা?’

    ‘আলবাৎ হবে। ওর বাবা হবে। পাউডারে ঘামের গন্ধ চলে যায় জুতোর গন্ধ যাবে না?’

    ‘আমাদের সিনেমার কি হবে মেজোমামা?’

    ‘হবে, যাওয়া হবে। আমি তো আর বিগব্রাদারের মতো নই, কথায় কথা ব্লাফ। তুমি রেডি! আমি তো রেডি হয়েই আছি। পাঞ্জাবি চড়াবো, পুরনো স্লিপারটা পায়ে গলাব, আর বেরিয়ে পড়ব।’

    ‘আমিও রেডি। কেবল জুতোর ফিতে বাঁধতেই যা একটু সময় লাগবে।’

    ‘তুই চটি পরিস না কেন? চটি কত হাল্কা!’

     

     

    ‘বড়মামা বলেছেন, জুতো ছেড়ে চটি পরলে পা বাইশ শো বাইশ হয়ে যাবে, যেমন আপনার হয়েছে!’

    ‘কে বলেছে? বিগব্রাদার! বিগব্রাদার বলেছে—তাই না।’

    মেজোমামার চশমার কাচের আড়ালে বড় বড় চোখ আরও বড় বড় হয়ে উঠল। হাতের স্প্রেয়ারটা ঠক করে জানলার গবরেটে রাখলেন।

    এই রে, সেরেছে রে! আর এক অশান্তি পাকিয়ে উঠল। কেন মরতে বলতে গেলুম। মেজোমামা টেবিলের টানা থেকে একটা স্কেল বের করলেন। স্কেলটা হাতে নিয়ে সোজা বড়মামার ঘরে। আমাকেও পেছন পেছন যেতে হল। কি থেকে কি হয়ে যায়! সামাল দিতে হবে।

    বড়মামা চোখে একটা কালো গগলস লাগিয়ে চুপ করে চেয়ারে বসে আছেন। হাত দু’টো কোলের ওপর নেতিয়ে আছে। মনে হয় ধ্যানস্থ! চশমার আড়ালে চোখ দু’টো বোজানো মনে হয়। ঠিক তাই।

    মেজোমামা দুম করে ঘরে ঢুকতেই শান্ত গলায় জিগ্যেস করলেন, ‘কে এলি!’

    মেজোমামা কাজের মানুষ। উত্তর-টুত্তরের ধার ধারেন না। বড়মামার পায়ের কাছে উবু হয়ে বসে ডান পা-টা ধরে টানাটানি শুরু করেছেন। স্কেলের ওপর পা-টা তুলতে চাইছেন। মাপ নেবেন। বড়মামা চোখ খোলেননি। সেই একইভাবে বসে থেকে বলছেন, ‘কে সন্তু এলি? ঠিক আছে, ঠিক আছে, পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে হবে না, আশীর্বাদ করি দীর্ঘজীবী হ’ শরীর ভালো থাক, জীবনে উন্নতি হোক; ওভাবে পায়ে খোঁচা মারিসনি। নখটা আজ কাটবি। করছিস যখন দু’পায়েই প্রণাম কর। এক পায়ে প্রণাম কলে গোদ হয় না!’

    মেজোমামা ঝট করে নিজের পা-টাও মেপে নিলেন। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘এক সেণ্টিমিটার কম। বুঝলে, আমার পায়ের মাপ তোমার চেয়ে এক সেন্টিমিটার কম।’

    বড়মামা বললেন, ‘তাতে কি হয়েছে, জল পড়লে সব কাপড়ই একটু টেনে যায়। তোমার তো তবু এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে গেছে। আমার কি হয়েছে জানো, এই সেদিন যে নতুন পাঞ্জাবিটা করালুম, যেই জলে পড়ল, সঙ্গে সঙ্গে দু’দিক থেকে টেনে গিয়ে, হাত দুটো উঠে গেল কনুইয়ের কাছে। আর ঝুল? তুমি অবাক হয়ে যাবে, ভুঁড়ি বেরিয়ে পড়েছে। তুমি এক কাজ কর না, আমার আর একটা নতুন পাঞ্জাবি—ব্র্যাণ্ড নিউ। হাল্কা চাঁপা ফুলের মতো রং। ভারি সুন্দর মানাবে তোমাকে। তোমার চেহারাটা পাঞ্জাবিতে খোলে ভালো।’

    বড়মামা চেয়ার থেকে উঠে কাপড় আলমারির দিকে এগিয়ে গেলেন। মেজোমামা হাঁ করে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    বড়মামা আলমারি খুলে এ তাক সে তাক ঘেঁটে ফিকে হলদেটে রঙের একটা পাঞ্জাবি বের করলেন। বেশ সুন্দর দেখতে। পাঞ্জাবিটা ঝেড়ে পাট খুলে মেজোমামার হাতে দিয়ে বললেন, ‘এসব জিনিস প্রফেসারদেরই মানায়। রংটা দেখেছিস? তখন ঝোঁকে পড়ে নিজের জন্যে করিয়েছিলুম। একদিনও গায়ে উঠল না। কখন পরব বল? তুই পর। বেশ মানাবে তোকে। ফর্সা টকটকে চেহারা। মনে হবে ঠিক যেন সিল্কের পাঞ্জাবি পরেছিস।’

    মেজোমামা পাঞ্জাবিটা হাতে নিলেন। চমৎকার সেন্টের গন্ধ বেরোচ্ছে।

    বড়মামা জামাকাপড়ের মধ্যে খালি ধূপের প্যাকেট গুঁজে রাখেন।

    মেজোমামা—’তোমার পাঞ্জাবি আমার গায়ে হবে কি?’

    ‘আলবাৎ হবে। আমাদের দুজনেরই এক হাইট এক বুকের মাপ।’

    ‘কেবল পায়ের মাপটাই যা আলাদা।’

    ‘তা হতে পারে, কিছু মনে করিসনি, তোর পা দুটো একটু অডসাইজ, অনেকটা তুষার মানবের মতো।’

    ‘ওইটা তোমার কমপ্লিটলি ভুল ধারণা। তুষার মানবের মতো পা হল তোমার। ইয়া বাইশ শো বাইশ।’

    বড়মামা একটু শব্দ করে হেসে বললেন, ‘এই তো আমার পায়ের ধুলো নিলি। কি মনে হল তোর? মনে হল না যেন গৌরাঙ্গদেবের পায়ে হাত দিচ্ছিস? এসব পা ছবিতে দেখা যায়। শ্রীরামচন্দ্রের পা। তোর পা-টা রামায়ণেই পাবি! তবে এ পক্ষে নয় ও পক্ষে। রাবণ-টাবনের মনে হয় এই রকম পদযুগল ছিল।’

    মেজোমামার এক হাতে পাঞ্জাবি অন্য হাতে স্কেল। চোখ দুটো আবার বড় বড় হচ্ছে। মেজোমামা বললেন, ‘দেখেছ, আমার হাতে কি?’

    বড়মামা এতক্ষণে মেজোমামার হাতের স্কেলটার দিকে নজর পড়ল।

    ‘স্কেল দিয়ে কি করবি? পেটাবি নাকি?’

    মেজোমামা যেন একটু লজ্জিত হলেন, ‘ছি ছি, পেটাব কেন? স্কেল দিয়ে কেউ পেটায়! স্কেল হল মাপের জিনিস। তুমি যখন চোখ বুজিয়ে বসেছিলে তোমার পা-টা আমি মেপে ফেলেছি।’

    ‘জুতো কেনার জন্যে কেউ স্কেল দিয়ে পা মাপে? ভগবান তোকে কবে একটু সাধারণ বুদ্ধি দেবেন! মাথা বোঝাই অসাধারণ বুদ্ধি। আর আমার এখন জুতো কি হবে? আমার তিন চার জোড়া রয়েছে। জুতো দরকার তোর। আমার এই কুকুরটা, চার্লসটা, ওর স্বভাবটা বিশেষ ভালো নয় রে। খাস আইরিশ কুকুর হলে হবে কি, পশ্চিমবাংলার আবহাওয়ায় কী রকম বিগড়ে গেল। তা’ না হলে তোর জুতোটা ওভাবে চিবোয়! আমি তোকে এক জোড়া দামী স্লিপার প্রেজেন্ট করব। লি ওয়ার দোকানের হাল ফ্যাশানের স্লিপার। কাগজ কেটে মেপে তোর পায়ের মাপটা খালি আমাকে দিয়ে যা। ও, তুই তো আবার মাপ নিতেই জানিস না। স্কেল হাতে ঘুরছিস। দাঁড়া, আমি মাপটা একেবারে নিয়ে তোকে ছেড়ে দি।’

    মেজোমামার আবার কথা বন্ধ হয়ে গেছে। চোখ ছোট ছোট হয়ে এসেছে। বড়মামা একটা ফালি কাগজকে ভাঁজ করে করে সরু মতো করে মেজোমামার পায়ের কাছে উবু হয়ে বসেছেন। আমাকে বললেন, ‘টেবিলের ওপর থেকে পেনসিলটা দাও তো!’ পেনসিলটা হাতে নিলেন। মেজোমামাকে বললেন, ‘নাও, তোমার ডান পা-টা এই কাগজটার ওপর ফেলো।’

    মেজোমামা একটু ইতস্তত করছেন।

    ‘কি, হল কি তোমার? রাখো পা-টা রাখো।’

    ‘তুমি গুরুজন। তুমি আমার পায়ে হাত দেবে কী!’

    ‘অদ্ভুত তোর কথা! আমি যেমন তোর দাদা তেমনি তোর বন্ধু। আমার চেয়ে বড় বন্ধু তোর কে আছে রে ব্যাটা। নে, পা-টা রাখ? দেখছিস তখন থেকে উবু হয়ে বসে আছি। ভুঁড়িতে টেরিফিক চাপ পড়ছে।’

    মেজোমামা অবশেষে ডান পা-টা মেঝেতে পাতা ফালি কাগজটার ওপর রাখলেন। আঙুলটার মাথায় এই পেনসিলের দাগ দিলুম। নাও, পা তোলো।’

    মেজোমামা পা তুলে নিলেন। বড়মামা কাগজটা হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন।

    ‘এই হল তোমার পায়ের মাপ। এইবার আমি লি ওয়ার দোকানে গিয়ে এটা ফেলে দিয়ে বলব—জুতো নিকালো। সব কিছু শিখতে হয় প্রফেসার! এই কায়দাটা আমি শিখেছি আমার বাবার কাছ থেকে।’

    ‘আচ্ছা, এবার তোমার পা-টা ওর ওপর ফেল তো বড়দা। দাঁড়াও তার আগে তোমাকে একটা প্রণাম করি।’

    মেজোমামা বড়মামাকে প্রণাম করে উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললেন, ‘এটা আমি কার কাছে শিখেছি জানো? আমার বাবার কাছে।’

    ‘তোর আর আমার তো একই বাবা রে!’

    দু’মামা অবাক হয়ে দুজনের দিকে তাকিয়ে রইলেন। কত বড় এটা আবিষ্কার! কিছুক্ষণ পরে দুজনে হো-হো করে হেসে উঠলেন। আর ঠিক সেই সময় মাসিমা দুকাপ চা নিয়ে ঘরে ঢুকলেন। বড়মামা বললেন, ‘আঃ, জাস্ট ইন টাইম! তুই হাত গুনতে জানিস রে কুসি।’

    দুই মামাই চায়ের কাপ হাতে নিয়ে মুখোমুখি দাঁড়ালেন। ফুড়ুৎ ফুৎ করে চুমুকে চুমুকে চা চলছে দু’ভায়ের। আমেজে কারুর মুখেই কোনও কথা নেই। বড়মামাকে আমিই মনে করিয়ে দিলুম, ‘বড়মামা, আপনি কিন্তু আজ সকাল থেকে চা খাওয়া ত্যাগ করেছেন।’

    ঠোঁটের কাছে কাপটা ধরা ছিল। সবে আর একটু চুমুকের জন্যে প্রস্তুত হচ্ছিলেন। থেমে গেলেন। কাপটা নেমে এল। বড়মামার মুখটা ভীষণ করুণ দেখাচ্ছে। জিভ দিয়ে ঠোঁটটা দুবার চেটে নিলেন।

    ‘ইস! ভাগ্যিস মনে করিয়ে দিলি। প্রায় আধ কাপ চা খেয়ে ফেলেছি রে।’

    মেজোমামা বললেন, ‘এতে কিসের কী আছে? চা তো খাবারই জিনিস।’

    ‘আমি যে চা খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি রে।’

    ‘কেন, তোমার কি লিভার বিগড়েছে? না, রাতে ঘুম হচ্ছে না?’

    ‘না না, ওসব নয়। ধর্মীয় কারণে, ধর্মীয় কারণে।’

    ‘রাখো তোমার ধর্ম। কোন ধর্ম চা খেতে বারণ করেছে—এমন সাত্ত্বিক নির্ভেজাল পাতা ফোটানো জল! খেয়ে নাও।’ বড়মামা এক চুমুকে চা-টা খেয়ে নিলেন। খালি কাপটা রাখতে বললেন, ‘জয় গুরু।’

    মেজোমামা বললেন, নাও, জামা কাপড় পর। আমাদের সঙ্গে সিনেমায় যাবে। মর্নিং শো।’

    ‘সিনেমা? সিনেমা যে আর দেখবো না রে। দেখলেও ওই চৈতন্য মহাপ্রভু, কি বামাখ্যাপা কিম্বা যুগবতার জাতীয় ছবি। আমার গুরু পরমানন্দ…’

    ‘রাখো তোমার পরমানন্দ। এই নিয়ে তোমার সাতজন গুরু হল। কোন গুরুকেই তো শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারো না।’

    ‘না রে, এবার খুব ধরেছি। দুজনেই দুজনকে। মোক্ষম ধরেছি। একেবারে কাছিমের কামড়।’

    ‘ঠিক আছে, সে তোমরা কামড়াকামড়ি কর। এখন পাঁচ মিনিট সময় দিলুম, রেডি হয়ে নাও। নইলে চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যাবো।’

    ‘হ্যাঁ, বড়মামা’—বলে, আমি কোমর জড়িয়ে ধরলুম। ‘যেতেই হবে। যেতেই হবে।’

    তিনজনে পাশাপাশি বসে মজা করে সিনেমা দেখা হল। বড়মামা একবার ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আমরা প্রথমটায় বুঝতে পারিনি। মেজোমামা এক সময় বললেন, ‘কার যেন নাক ডাকছে!’

    ‘বড়মামার, মেজোমামা।’

    আমি বসেছিলুম মাঝখানে। মেজোমামা বললেন, ‘ডেকে দে। আস্তে একটা খোঁচা মার।’

    বড়মামা চোখ চেয়ে বললেন, ‘কি করব বল? এটা লাইন ইংরিজী বুঝতে পারছি না। অ্যামেরিকানরা কি ভাষায় কথা বলে বল তো? মেজোকে জিগ্যেস কর তো, ফাইটিং-টাইটিং কখন হবে?’

    ‘এইবার হবে, তুমি জেগে থাকো।’

    বড়মামা সাঁ করে এক টিপ নস্যি নিলেন। পর্দায় তখন সবে একটা প্লেন উড়ছে। শব্দে শব্দ মিলে গেল। তা না হলে ওপাশের লোকটি বড়মামার উপর বিরক্ত হতেন।

    বড়মামা হল থেকে বেরিয়ে বললেন, ‘বেশ জম্পেস বইটা।’

    মেজোমামা বললেন, ‘তুমি আর দেখলে কোথায়? তোমার তো নাক ডাকছিল।’

    ‘দূর, নাক ডাকবে কেন? নাকটা বুজে গিয়েছিল। যেই নস্যি নিলুম ছেড়ে গেল। ফাসক্লাশ হয়ে গেল। বড় দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলুম রে মেজো!’

    ‘কি আবার হল?’

    ‘ওই কুকুরটা। কুকুরটা দেখলি? মেমসাহেবের কোলে ছিল। ওই রকম একটা ল্যাপ ডগ কোথায় পাওয়া যায় বল তো?’

    আমরা বড়মামার গাড়িতেই এসেছি। গাড়ি স্টার্ট নিল। বড়মামার সেই এক কথা—একটা ল্যাপ ডগ…

    গাড়ি বাজারের রাস্তায় ঢুকতেই বড়মামা ড্রাইভারকে বললেন, ‘লি ওয়ার দোকানের সামনে দাঁড় করাও তো।’

    লি ওয়ার বউ লম্বা টেবিলে চুরি দিয়ে আনাজ কাটছিল। ভেতরের ঘরে সেলাই কল চলার খটখট আওয়াজ হচ্ছে। বড়মামা বললেন, ‘সায়েব কোথায়?’

    চীনেরা সবসময় যেন হেসেই আছে। হাসলে ওদের মুখে কী সুন্দর টোল পড়ে! চীনে মেমসাহেব ওদের দেশের ভাষায় তড়বড় করে কি সব বলতেই ভেতরের ঘর থেকে কাঁচি হাতে ঝকঝকে চেহারার এক চীনে সায়েব বেরিয়ে এলেন। বড়মামা বললে, ‘এই যে তাই চুং, এই মাপের তোমার তৈরি বেস্ট এক জোড়া চটি লাগাও।’

    চুং সাহেব কাগজটা হাতে নিয়ে অ্যালুমিনিয়ামের একটা স্কেলের ওপর ফেললেন। স্কেলটার একটা দিকের কোণাটা উঁচু। মেপে-টেপে স্ত্রীকে বললেন—নাম্বার সেভেন ডায়নামো।

    মেজোমামা বললেন, ‘দেখলে তো বড়দা, স্কেল দিয়েই পা মাপে।’

    ‘সে তো অ্যালুমিনিয়ামের একটা স্কেল, নট ইওর প্লাস্টিক।’

    মই বেয়ে ওপরে উঠে মহিলা একটা বাক্স ছুঁড়ে দিলেন। চীনে সায়েব খপ করে লুফে নিলেন। আমি শুধু অবাক হয়ে দেখছি, মহিলা কি করে খড়ম পায়ে অমন অক্লেশে মই বেয়ে ওপরে উঠলেন। জুতোটা ভারি সুন্দর। বড়মামা মেজোমামার হাতে জুতোটা দিয়ে বললেন, ‘কী, পছন্দ?’

    মেজোমামা লাজুক লাজুক মুখে বললেন, ‘বেড়ে দেখতে। একটু শুঁকে দেখব বড়দা?’

    ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, দেখ না, এসব পাকা চামড়ার জুতো।’

    মেজোমামা জুতো শুঁকছেন, সায়েব জিগ্যেস করলেন, ‘আপনি পরবেন বাবু?’

    বড়মামা বললেন, ‘হ্যাঁ, ওই তো পরবে।’

    সায়েব অবাক হয়ে বললেন, ‘তাহলে কাগজে মাপ এনেছেন কেন? দেখি, পা দেখি। পা থাকতে কাগজে কেন?’

    গাড়িতে বসে বড়মামা বললেন, ‘আই অ্যাম এ ফুল।’

    মেজোমামা বললেন, ‘আই অ্যাম অলসো এ ফুল।’

    দু’মামার মাঝখানে জুতোর বাক্স।

    দুজনে কোরাসে বললেন—’আমরা দুজনেই দুটো পাঁঠা। হে হে হে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিউলি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }