Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1007 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শাস্তি

    বড়মামা সবে ঘুম থেকে উঠেছেন। রোজ ভোর চারটের সময় ওঠেন। আজ পনেরো মিনিট দেরি হয়ে গেছে। আমি আমার জাগায় শুয়ে লক্ষ রাখছি। মশারির ভেতর গ্যাঁট হয়ে বসে বালিশের তলা থেকে সোনার হাতঘড়িটা বের করে পেনসিল-টর্চের আলোয় সময় দেখলেন। মুখে একটা চুকচুক শব্দ হল। ঘড়িটা বালিশের তলায় রাখতে রাখতে নিজের মনেই বললেন, ‘কেন এমন হল! নিজের ঘড়ি লেট হল কেন? কেন স্লো যাচ্ছে! অয়েলিং করতে হবে।’

    বড়মামা বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই একটা ঘড়ি আছে। নিয়মে বেঁধে ফেলতে পারলে সময়ের এতটুকু নড়চড় হবার উপায় নেই। চারটে তো ঠিক চারটের সময়েই ঘুম ভাঙবে। দশটা তো ঠিক দশটার সময়েই ঘনঘন হাই উঠে জানিয়ে দেবে রাত দশটা বাজল। ঘুমোতে যাবার সময় হল। এইরকম আর কী। ঘড়ি না থাকলেও নিজের ঘড়ি জানিয়ে দেবে সময়।

    বড়মামা নিজের মনেই বলে উঠলেন, ‘বিমল, সাজা পেতে হবে। সময়ের খেলাপ হয়েছে। কোনও ক্ষমা নেই।’ নিজের দু’গালে চটাস চটাস করে চার-ছ’বার চড় মারলেন। মেরে বললেন, ‘তেমন জুতসই হল না। নিজের গাল তো! পক্ষপাতিত্ব হয়ে গেল। কাউকে দিয়ে মারাতে হবে।’

    মশারি তুলে নেমে এলেন বিছানা থেকে। আমার বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘এটারও খুব ঘুম বেড়েছে।’ মশারির মাথার দিকে এসে কপালে হাত রাখলেন। ‘বিলু, বিলু, গেট আপ।’

    আমি তো জেগেই ছিলুম। তড়াক করে উঠে বসলুম।

    বড়মামা এক ধমক লাগালেন, ‘কতদিন বলেছি, ওইভাবে আচমকা উঠবি না। ঘাড়ে খ্যাঁচকা লেগে যাবে। যাক, যা হবার তা হয়েছে, ভবিষ্যতে সাবধান।’ তারপর গলার সুরটা অন্যরকম করে বললে, ‘তুই আমার একটা উপকার করবি?’

    ‘বলো।’

    ‘তুই আমার দু’গালে সপাটে গোটাকতক চড় হাঁকড়াবি!’

    ‘সে আবার কী? এখনও ভালো করে ভোরের আলো ফোটেনি। তোমার মুখে এ কী কথা! গুরুজনের গালে চড় মারতে আছে?’

    ‘শোন, শোন, এ-চড় সে-চড় নয়। তুই আমার হয়েই আমাকে মারবি। এমন মারবি যেন পাঁচ আঙুলের দাগ বসে যায়।’

    ‘একসকিউজ মি।’

    ‘এই সামান্য উপকারটা করতে পারবি না?’

    ‘অ্যা’ম সরি।’

    ‘তুই একটা স্বার্থপর, আত্মপর, পরশ্রীকাতর, সেলফিস জায়েন্ট।’

    ‘হ্যাঁ তাই। বড়মামার গালে সাতসকালে চড়। পৃথিবীতে কেউ কোনওদিন শুনেছে!’

    ‘বেশ, আমি এই দেওয়াল থেকে ওই দেওয়াল, ষোলো ফুট তো হবেই। এই ষোলো ফুট আমি নাকখত দোব। তুই মলমটা রেডি রাখ।’

    ‘কী হয়েছে বলো তো?’

    ‘সিনস নাইটিন থার্টিফোর, আমি ভোর চারটের সময় উঠি। আজ পনেরো মিনিট লেট। হোয়াই লেট। হোয়াট ফর লেট। কেন এই আলস্য! আমার তমোগুণ বাড়ছে। চড়িয়ে ব্যাটাকে তাড়াতে হবে। তিন জোড়া চড় কষিয়েছি। তেমন সুবিধে হল না। নিজের গাল তো! দুই-দুই হয়ে গেল। তা তোকে বললুম। তুই তো জীবনে কারও উপকার করতে শিখলি না।’

    ‘তুমি অন্য উপকার বলো, আমি করে দোব। আচ্ছা, আমার কথা থাক, তুমি মাসিমা, মেজোমামাকে জিগ্যেস করে দেখো, মামার গালে ভাগনে কখনও চড় মারতে পারে?’

    ‘আহা, এটা তো ভাগনের চড় নয়, মামারই চড়।’

    ‘সাতসকালে আমার বাবা এই ক্যাচোরম্যাচোর আর ভাল্লাগে না। একদিন পনেরো মিনিট দেরিতে উঠেছ তো কী হয়েছে শুনি!’

    ‘কেন উঠব! সিনস নাইনটিন থার্টিফোর, আমি চারটের সময় উঠি। আমার ঘড়ি স্লো হয়ে গেছে।’

    ‘ফার্স্ট করে দাও।’

    ‘সে ঘড়ি আমার ভেতরের ঘড়ি।’

    ‘দম দেওয়া, না কোয়ার্জ-ব্যাটারি?’

    ‘আগে ভাবতুম দম, এখন মনে হচ্ছে ব্যাটারি।’

    ‘তা হলে ব্যাটারি পালটাও।’

    মেজোমামা পাশ দিয়ে যেতে যেতে থেমে পড়লেন, তারপর সুর করে গেয়ে উঠলেন, ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল…।’

    বড়মামা বললেন, ‘অ্যায়, শুরু হল। সব ব্যাপারে নাক গলানো চাই। ওই করে করে নাকটা তো নাকুমামার মতো হয়েছে। মেজোমামা না বলে নাকুমামা বলবি।’

    ‘বড়দা। নিজের নাক ভোঁতা বলে খাড়া নাকের সমালোচনা করো না। আমার এই নাক হল সেন্ট পারসেন্ট আর্য নাক। এইরকম নাক তুমি ইউরোপ-টিউরোপে পাবে।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যা, তোমার বিলিতি নাক নিয়ে তোমার নিজের কাজে যাও। আমরা এখন একটু ব্যস্ত আছি।’

    ‘কী একটা ব্যাটারি-ব্যাটারি কানে এল! তোমার সেই লঝঝড়ে গাড়ির ব্যাটারি! ও তোমার জীবনে ঠিক হবে না। মোটর গাড়ি বলে তোমাকে গচিয়েছে, আসলে ওটা ঠেলাগাড়ি। আগের জন্মে বিশ-বাইশ হাজার টাকা ধার ছিল, এ-জন্মে সেটা শোধ হল আর কি।’

    বড়মামা আমাকে বললে, ‘শিগগির তুলো নিয়ে আয়, তুলো।’

    মেজোমামা বললেন, ‘কেন, কেটেকুটে গেল নাকি?’

    আমিও ঠিক বুঝতে না পেরে জিগ্যেস করলুম, ‘তুলো কী হবে বড়মামা?’

    ‘কানে গুঁজব। বুঝতে পারছিস না, সাতসকালেই ও ঝগড়ার তাল খুঁজছে। কাল রাতে বিরিয়ানি খেয়েছে তো, হজম হয়নি।’

    মেজোমামা অমনি গান ধরলেন, ‘বকো আর ঝকো আমি কানে দিয়েছি তুলো/মারো আর ধরো আমি পিঠে বেঁধেছি কুলো।’

    হঠাৎ মাসিমা একতলা উঠোন থেকে চিৎকার করলেন, ‘বড়দা, তোমার সাইকেল? সাইকেলটা কোথায় গেল?’

    বড়মামা বললেন, ‘সাইকেল সাইকেলের জায়গায়।’

    ‘আজ্ঞে না, সেখানে নেই বলেই তো চ্যাঁচাচ্ছি।’

    ‘অ্যাঁ, সে কী! তা হলে রাত্তিরে কেউ নিয়ে গেল না তো। দ্যাখ দ্যাখ, আর কী কী চুরি হল! আর কিছু চুরি হয়নি, সাইকেলটাই শুধু গেছে?’

    মেজোমামা বললেন, ‘আমার নতুন জুতোজোড়া। জুতোটা আছে তো রে কুসি, না জুতো পরে সাইকেল চেপে চলে গেল?’

    বড়মামা কপালে দু’বার টুসকি মেরে তীরবেগে নীচের দিকে ছুটলেন। আমি আর মেজোমামাও দৌড়লুম পেছন-পেছন। মেজোমামা সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে বললেন, ‘আস্তে বড়দা, আস্তে। যা যাবার তা গেছে। তুমি আর পড়ে-ঝড়ে হাত-পা ভেঙো না।’

    বড়মামা তরতর করে সিঁড়ি দিয়ে নেমে সোজা সদরের দিকে ছুটলেন। আমি আর মেজোমামা পেছন-পেছন। মাসিমা বললেন, ‘কী হল? সাইকেলের শোকে সন্ন্যাস নেবে নাকি।’

    আমরাও ব্যাপারটা বুঝছি না। বড়মামা সোজা বাগানে। বাগান পেরিয়ে পথে। পিচের রাস্তার এক মাথা চলে গেছে গঙ্গার দিকে। বড়মামা সেই দিকেই প্রায় দৌড়ে দৌড়েই চললেন। একটু তফাতে থেকে আমি চিৎকার ছাড়লুম, ‘বড়মামা, আপনার পায়ে কিন্তু ঘরে পরার চটি। মাসিমা দেখলে খুব রেগে যাবেন কিন্তু। কাজটা কিন্তু ভালো হচ্ছে না।’

    মেজোমামা বললেন, ‘কী কিন্তু-কিন্তু করছিস? ভাষায় কিন্তুর ব্যবহার কমা।’

    ‘এ তো কথ্যভাষা।’

    ‘যখন লিখবি, কিন্তু আর এবং একদম কমিয়ে দিবি। কেমন? মনে থাকবে তো?’

    মেজোমামা অধ্যাপক তো, তাই সব সময় শেখাবার চেষ্টা। এই অবস্থায় কি কিছু শেখা যায়! বড়মামা আমাদের আগে-আগে প্রায় ছুটছেন। বোঝাই যাচ্ছে না ব্যাপারটা কী! কিছু বলছেনও না। চলেছেন আবার গঙ্গার দিকে।

    গঙ্গার ধারে ভুতো মল্লিকের বিখ্যাত সন্দেশের দোকান। এত বিখ্যাত যে দেশবিদেশ থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন। কাঁচাগোল্লা, রাতাবি, গোলাপি। সেসব যেমন নাম, তেমনই তার টেস্ট। বড়মামা সেই মিষ্টির দোকানের দিকে এগিয়ে চললেন।

    মেজোমামা বললেন, ‘দেখেছিস! বোধহয় স্বপ্নে মা-কালী এসে বলেছেন, বিমল মিত্তির, তুমি কাল সকালেই নিদ্রাভঙ্গের পর তোমার প্রাণের ভাই আর ভাগনেকে একতাল করে টাটকা নরমপাক কাঁচাগোল্লা খাওয়াবে। তাই একেবারে পড়ি কি মরি ছুটে এসেছে। নাও। গেড রেডি। হাত পরিষ্কার আছে তো!’

    আমরা বড়মামার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি। শুনলুম, বড়মামা ভুতোবাবুকে তড়বড় করে জিগ্যেস করছেন, ‘ভুতো, আমার সাইকেল?’

    ভুতোবাবু নিজের হাতে সন্দেশ মাখেন। কালো কাঠের বারকোশে অল্প-অল্প ডাবের জল মিশিয়ে ভুতোবাবু সন্দেশ ডলছিলেন। এই পাকের সন্দেশ সুবিখ্যাত—নাম ‘পলাশির যুদ্ধ’। ভুতোবাবু যেন আকাশ থেকে পড়লেন, ‘আপনার সাইকেল?’

    ‘হ্যাঁ, আমার সাইকেল। কাল রাতে তোমার এই দোকানের পাশটায় হেলান দিয়ে রেখেছিলুম।’

    ‘সে কী? ওখানে কেন রাখলেন?’

    ‘বাঃ, কোথায় তা হলে রাখব? তোমার দোকান থেকে সন্দেশ কিনলুম। তোমার মনে পড়ছে না?’

    ‘কেন পড়বে না! আধ কেজি ”আবার খাব” কিনলেন। আপনি আমার কত বড় খদ্দের!’

    ‘অ, তা তুমি আমাকে দেখলে, ”আবার খাব” দেখলে, আর আমার সাইকেলটা দেখলে না। এখন বলছ বড় খদ্দের।’

    ‘সন্দেশ কেনার পর আপনি কী করলেন?’

    ‘কী আবার করব, খেতে-খেতে, আপনমনে খেতে-খেতে, পায়ে পায়ে হেঁটে হেঁটে, বাড়ি চলে গেলুম।’

    ‘আর সাইকেল?’

    ‘সাইকেল তোমার এই দেওয়ালে ঠেসান দেওয়া ছিল।’

    ‘আপনি আমাকে একবারও বলেছিলেন?’

    ‘বলব কী করে? আমার কি খেয়াল ছিল! তুমি তো খেয়াল করবে!’

    ‘আপনি সাইকেলটা খোলা রাস্তায় ফেলে রেখে সন্দেশ খেতে-খেতে, বাড়ি চলে গেলেন। আশ্চর্য আপনি? সাইকেল কি ছাতা?’

    হইহই পড়ে গেল। ভুতোবাবু নেমে এলেন। কর্মচারীরা সব বেরিয়ে এল। সকলেই যে দেওয়ালে সাইকেলটা হেলান দেওয়া ছিল, সেই দেওয়ালটা গভীর মনোযোগে দেখতে লাগলেন।

    মেজোমামা বললেন, ‘কী বুঝছ ভাগনে? সবাই দেওয়ালে সাইকেলের ছাপ খুঁজছে।’

    দোকানের সকলেই বললেন, ‘নাঃ, সাইকেলটা গেছে।’

    বড়মামা বললেন, ‘সেটা আপনারা এখন বুঝলেন, আমি বুঝেছি একঘণ্টা আগে।’

    বড়মামা আবার হনহন করে হাঁটতে লাগলেন। আমাদের সঙ্গে একটাও কথা নেই। এবার চলেছেন উলটো দিকে, বাজারের দিকে। বড়মামা সোজা থানায় গিয়ে ঢুকলেন। ও.সি. বড়মামার বন্ধু। সব শুনে বললেন, ‘ডাক্তার, একে তো চুরি বলা যাবে না, এ তো তুমি সাইকেলটা জনসাধারণকে দানই করে দিয়েছে! আমি কাকে ধরব! ধরতে হলে ভুতো মল্লিককে ধরে এনে বেধড়ক পেটাতে হয়! সেটা কি ঠিক হবে! লোকটার অত নাম! বিখ্যাত সাপ্তাহিকে ওর নামে লেখা বেরিয়েছে।’

    ফিরে এসে বড়মামা আর বাড়ি ঢুকলেন না। বাগানে জামরুল গাছের তলায় বসলেন। মাসিমাও এসেছেন। জিগ্যেস করলেন, ‘কেসটা কি?’

    মেজোমামা বললেন, ‘বড়দা, আধসের সন্দেশ তুমি কিনলে?’

    বড়মামা গম্ভীর মুখে বললেন, ‘হ্যাঁ, কিনলুম।’

    মাসিমা বললেন, ‘আমি জানতে চাই সাইকেলটা কোথায়?’

    মেজোমামা বললেন, ‘আধসের ”আবার খাব” তুমি একা-একা খেলে? তাও রাস্তায়! আমাদের কথা তোমার একবারও মনে পড়ল না?’

    মাসিমা বললেন, ‘সন্দেশ পরে হবে, আমি জানতে চাই নতুন সাইকেলটা গেল কোথায়?’

    বড়মামা বললেন, ‘নীচের দিকে তো কারও নজর নেই, দরজা খোলা হাওদা পড়ে থাকে, কে কখন নিয়ে সটকেছে।’

    বড়মামা মিথ্যে বলছেন। আমি ‘ইঁ’ করে শব্দ করে ফেললুম। মেজোমামা বললেন, ‘ছিঃ ছিঃ, এত বড় ডাক্তার, ছোট বোনের ভয়ে ডাহা মিথ্যে কথা বলছে। আসল ঘটনা…।’

    মেজোমামা সব একটু-একটু করে বললেন। সন্দেশ কেনা, একা-একা রাস্তায় খেতে-খেতে, সাইকেল ভুলে চলে আসা।

    মাসিমা বললেন, ‘তোমরা শুনে রাখো, এই মাননীয় ভদ্রলোক অপরাধী। প্রথম অপরাধ, লোভী। লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। দ্বিতীয় অপরাধ, অসভ্যতা। অসভ্যের মতো, রাস্তায় হালুম-হালুম করে সন্দেশ খেয়েছে।’

    বড়মামা বললেন, ‘আলুরদম, কি ঘুগনি, কি ফুচকা খাইনি।’

    মেজোমামা বললেন, ‘হ্যাঁ, চুপ! একটাও কথা…।’

    মাসিমা একধমক লাগালেন, ‘চুপ। তুমি কথা বলার অধিকার হারিয়েছ।’

    মাসিমা বললেন, ‘আমি বিচার করছি, তোমাকে আর পাকামো করতে হবে না। বড়দা, তোমার তৃতীয় অপরাধ, তুমি মিথ্যেবাদী। তোমার চতুর্থ অপরাধ, দিন-দিন তুমি বেহেড হয়ে যাচ্ছ। তোমাকে আমরা বয়কট করলাম।’

    মাসিমা আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘চলে এসো তোমরা। এর সঙ্গে মিশলে খারাপ হয়ে যাবে।’

    দোতলার বারান্দা থেকে দেখছি, বড়মামা সারা বাগানে গোল হয়ে ছুটছেন। ছুটছেন আর ছুটছেন। ঘেমে গেছেন। হাঁপাচ্ছেন। তবু ছুটছেন। আমার পাশে বারান্দায় দু’পা তুলে খাড়া দাঁড়িয়ে আছে বড়মামার পেয়ারের কুকুর লাকি। বড়মামার কাছে যেতে পারছে না বলে কুঁকুঁ করছে।

    চিৎকার করে বললুম, ‘তুমি অত ছুটছ কেন?’

    হাঁপাতে-হাঁপাতে বললেন, ‘নিজেকেই নিজে শাস্তি দিচ্ছি।’

    ‘কখন থামবে?’

    ‘যতক্ষণ না সব পাপ ঘাম হয়ে ঝরে যাচ্ছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিউলি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }