Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1007 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মর্নিং ওয়াক

    ‘জানিস। এসব কুকুর হল জাতের কুকুর। তোর দেশি নিড়ি কদুকুর নয়। খাস জার্মান শেফার্ড ডগ। মাতৃভাষা জার্মান। অল্প সল্প সংস্কৃত বোঝে। উত্তিষ্ঠিত, বললে ওঠে। জাগ্রত বললে ঘেউ করে। প্রাপ্য বরান, বললেই লাফিয়ে বিস্কুট ধরে।’

    মেজোমামা বললেন, ‘সংস্কৃতে এতটা পারদর্শী হওয়ার কারণ?’

    বড়মামা হুঁহুঁ করে এক চিলতে ব্যঙ্গের হাসি ছেড়ে বললেন, ‘এই তো ভ্রাতা, তোমার শিক্ষার দৌড়! তুমি একজন নামকরা দর্শনের-অধ্যাপক, তোমার ছাত্র-ছাত্রীরা সব মুড়ি-মুড়কির মতো ডক্টরেট পায় অথচ তুমি জান না, সংস্কৃতের সঙ্গে জার্মানের কি সম্পর্ক। লজ্জা, লজ্জা, আরক্ত বদনে আমার হাঁড় হাঁউ করিয়া ক্রন্দন মিশ্রিত হাস্য করিবার ইচ্ছা হইতেছে।’

    মেজোমামা বললেন, ‘জল মিশ্রিত দুগ্ধের ন্যায়? অথবা তিন্তিড়ী বারিতে ভাসমান লোচিকার ন্যায়।’

    আমি পাশে বসেছিলুম বড়মামা কানে কানে জিগ্যেস করলেন, ‘দ্বিতীয়টা কি রে?’

    আমি বললুম, ‘এখন যেমন চলছে চালিয়ে যান, আমি পণ্ডিতমশাইকে জিগ্যেস করে পরে জানিয়ে দোব। এখন চালিয়ে যান। হেরে যাবেন না।’

    ভোরবেলা বাড়ির বাগানে বাঁধানো বকুলতলায় বসে এই সব হচ্ছে। আর বড়মামার সবচেয়ে আদরের অ্যালসেশিয়ান কুন্তলা কখন ছুটছে, কখন বসছে। একটু পরেই আমরা চারজন মর্নিংওয়াকে বেরবো। তখন কুন্তলার গলায় একটা বাহারি বগলশ আর খুব দামি চামড়ার তৈরি লম্বা বেল্ট পরানো হবে। বড়মামার হাতে থাকবে খুব সুন্দর একটা ব্যাটন।

    মেজোমামা তখন আমাকে বললেন, ‘ওই দ্যাখ, ওই দ্যাখ, লর্ড মাউন্ট ব্যাটন।’

    বড়মামা হঠাৎ একটা সত্য কথা বললেন, ‘দেখ মেজো, মর্নিং ওয়াক-এর চেয়ে মর্নিং স্লিপ অনেক ভালো; ভোরের মিষ্টি ঘুম।’

    মেজোমামা বললেন, ‘সে-কথাটা তো আমি আমার ছাত্রজীবন থেকে শুধু বলে আসছিলুম না করেও আসছিলুম, হঠাৎ তোমারই মাথায় ঢুকলো মর্নিং ওয়াক। তার ঠেলায় শরীরটাই নষ্ট হয়ে যেতে বসেছে। জান! কলেজের ক্লাসে আমার কী অবস্থা, থেকে থেকে হাই, বিরাট বিরাট হাই। কাঁহাতক চাপা যায়! তারপর ছেলেবেলা থেকে মা অভ্যাস করিয়েছিলেন, হাই তোলার সময় হাঁ-মুখের সামনে দু আঙুলে টুসকি। সেই অভ্যাস রক্তে চলে গেছে। মনে থাকে না ক্লাসে পড়াচ্ছি, থেকে থেকে হাই তুলছি আর টাস টাস করে টুসকি মারছি। ছাত্র ছাত্রীরা প্রথমে হাসাহাসি করত, এখন তারা সমবেত টুসকি মারে। ভেবে দেখ, তোমার এই মর্নিং ওয়াকের জন্যে আমার কি হেনস্তা! আমি একটা হেড অফ দি ডিপার্টমেন্ট!’

    বড়মামা বললেন, ‘আরে ধুর, সবাই নিজের দুঃখটাকে বড় করে দেখে, আমার কি হয়েছে শুনবি, আমি এত বড় একজন ডাক্তার…’ মেজোমামার যা স্বভাব, বড় মামাকে আর এগোতে না দিয়ে বললেন, ‘আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়, লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়।’

    অন্য সময় হলে লেগে যেত ধুমধাম। মাসিমাকে ছুটে আসতে হল সব ফেলে, বড়মামা এখন নিজের দুঃখের কথাটা বিনা বাধায় বলতে চান। তাই বললেন, ‘বেশ! কোনটা বাদ দেবো বল? ডাক্তার বাদ দিলে বড় থাকে, সেটা বেঠিক কিছু নয়, আমি তোর বড়। আর যদি বড় বাদ দিতে বলিস, তাহলে থাকে ডাক্তার। সেটাও অসত্য নয়। এখন বল, কোনটা থাকবে কোনটা যাবে?’

    ‘বড়টা তুলে নাও, ডাক্তারটা থাক।’

    ‘বেশ, আমি একজন ডাক্তার, আমার কি লজ্জা। রুগির বুকে স্টেথো বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি। ঝুঁকে দেখছিলুম। আমার মাথাটা সামনে ঝুঁকতে ঝুঁকতে রুগির বুকে। মাথা আর স্টেথিস্কোপ দুটোই পড়ে আছে বুকে। রুগির আত্মীয়স্বজন ভাবছে, কেস খুব সিরিয়াস। তোরা তো সবাই জানিস, আমি ফ্ল্যাট হয়ে ঘুমোলে নাকে পাখোয়াজ, আর বসে ঘুমোলে সেইটাই প্রেসার কুকার—সিঁ সিঁ। সবাই ভাবছে, শব্দটা আসছে রুগির বুক থেকে। কতক্ষণ ওইভাবে ছিলুম কে জানে, খেয়াল হতেই মাথা তুলে নিলুম। সবাই করুণ গলায় জিগ্যেস করলো, ডাক্তারবাবু বাঁচবে তো! আমি গম্ভীর মুখে বললুম, কেস খুব সিরিয়াস। ঘরে একটা বিচ্চু টাইপের বাচ্চা ছিল, সে কেবল বলতে লাগল, ডাক্তারবাবু, আপনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন? ডাক্তারবাবু আপনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন?’

    মেজোমামা জিগ্যেস করলেন, ‘রুগি পুরুষ না রমণী?’

    বড়মামা গম্ভীর গলায় বললেন, ‘রমণী!’

    মেজোমামা বললেন, ‘ছিঃ ছিঃ ছিছি। তুমি কোনদিন মারধোর খেয়ে মরবে।’

    ‘সবই তো ভাই এই মর্নিং ওয়াকের জন্যে!’

    ‘এই উৎপাতটাকে আমাদের জীবন থেকে হাটাও না।’

    ‘উপায় নেই রে ভাই, কুসি আমাদের খাওয়া বন্ধ করে দেবে। তোর আর আমার ভুঁড়ির সাইজ দেখছিস। তুই চিৎ হয়ে শুয়ে পায়ের আঙুল দেখতে পাস?’

    ‘তুমি পাও?’

    বড়মামা খুব দুঃখের গলায় বললেন, ‘না রে ভাই।’

    মেজোমামা বললেন, ‘আমি তো এখনো পাই, পরিষ্কার দেখতে পাই, তাহলে আমার আর মর্নিং ওয়াকের দরকার কি? কাল থেকে তোমার সঙ্গে আমি আর নেই।’

    বড়মামা কুঁক করে খানিক হাসলেন। সেই বিখ্যাত হাসি, যে হাসি শুনলে মাসিমা একেবারে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন। হাসি থামিয়ে বললেন, ‘বৎস। একদা আমিও অনুরূপই ভাবিতাম। তাহার পর প্রতিরাত্রেই ইঞ্চি ইঞ্চি করিয়া বৃদ্ধি পাইতে লাগিল। ইহা একপ্রকার বেলুন বিশেষ। বেলুন ফুঁ মারিতে হয়, ইহা অটোমেটিক। আর একবার বাড়িতে থাকিলে বাড়িতে থাকিবে, সেই বৃদ্ধি রোধ করিবার ক্ষমতা কাহারো নাই। কেশ বৃদ্ধি পাইলে কর্তন করা যায়, উদর বৃদ্ধি পাইলে কিছুই করিবার নাই। আজ তুমি তোমার পদত্রদ্বয় দেখিতে পাইতেছ, অচিরেই আর দেখিতে পাইবে না।’

    পেছন দিক থেকে মাসিমার গলা পেয়ে আমরা তিন জনেই চমকে উঠেছি, ‘এই তোমাদের মর্নিং ওয়াক হচ্ছে! মর্নিং ওয়াক থেকে ইভনিং ওয়াক, সেটাও হবে না, যা হবে আমি জানি—স্লিপ ওয়াক। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্নে হাঁটবে। তোমাদের দুজনের এত কী কথা থাকে বলো তো। সেই কখন উঠেছ। সবাই বেড়িয়ে ফিরছে, তোমরা এখনো বেরতেই পারলে না!’

    বড়মামা বললেন, ‘খেলতে নামার আগে বড় বড় খেলোয়াড়রা কী করে। ওয়ার্ম আপ। আমরা তাই করছি।’

    মাসিমা বললেন, ‘বসে বসে ওয়ার্ম আপ? এরপর তো শুয়ে পড়বে!’

    মেজোমামা বললেন, ‘ও ঠিক বোঝাতে পারলে না, ওয়ার্ম আপ নয় মোটিভেসান। মনকে দৃঢ় করছিলুম। প্রাতঃভ্রমণের সুফল ও কুফল সম্পর্কে দেশ বিদেশের মনীষীদের অভিমত। ওর অভিমত।’

    মাসিমা বললেন, ‘ওর আবার অভিমত কী? ও আবার মনীষী হল কবে?’

    মেজোমামা বললেন, ‘আহা, ও ডাক্তার তো! একজন নামকরা বড় ডাক্তার!’

    বড়মামা বিনয়ে গলে গিয়ে বললেন, ‘কি যে বলিস! বড় কেন ভাই, আমি একজন সামান্য চিকিৎসক।’

    মাসিমা বললেন, ‘কারো অভিমত শোনার প্রয়োজন নেই, আমার অভিমত শোনো। প্রাতঃভ্রমণের হাতে হাতে ফল—সুফল ও কুফল। করলে খেতে পাবে, না করলে উপবাস। মাছ, মাংস, ডিম, আইসক্রিম, ফুলকো লুচি, ছোলার ডাল। সেই বুঝে কাজ, এখানে বসে আড্ডা মেরে পুড়ুক করে পাঁচ মিনিট ঘুরে আসবে—ও চালাকি চলবে না। পাক্কা এক ঘণ্টা জোরে জোরে হাঁটা যতক্ষণ না নাভিশ্বাস বেরোচ্ছে।’

    বড়মামা বললেন, ‘নাভিশ্বাস বলিস না বোন! ওটি বেরিয়ে গেলে ডেড বডি। বল, হাঁসফাঁস।’

    ‘তোমাদের তো দু’পা হাঁটলেই হাঁসফাঁস।’ আমাকে বললেন, ‘তুই কড়া নজর রাখবি, আমাকে রিপোর্ট দিবি। রোববারে রোববারে আমি ভুঁড়ি মাপব। তখনই ধরা পড়ে যাবে।’

    মাসিমা চলে যেতেই দুজনে বলাবলি করলেন খুব দুঃখের গলায়, ‘দেখ ভাই, বোন ভালো, এত কড়া বোন কি ভালো!’

    ‘বরাত ভাই! সবই মানুষের বরাত!’

    গঙ্গার ধারটা ভারি সুন্দর। বিশাল ঘাসে ঢাকা একটা মাঠ। বড় বড় গাছ। গাছের তলায় তলায় বাঁধান বেদি। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা। বাঁধা নৌকো, ভাসা নৌকো। বাঁশ থেকে বাঁশে টেনে বাঁধা জাল। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হোঁত হোঁত করে হাটছেন এপাশ থেকে ওপাশে। এদিক থেকে ওদিকে তো ওদিক থেকে এদিক। সারা মাঠ জুড়ে ভয়ঙ্কর এক ব্যস্ততা। এরই মধ্যে একপাশে চলছে জগিং, যোগাসন। কয়েকজন ভীষণ বৃদ্ধ লাঠি ঠুকঠুক করে হাঁটছেন, দু দশ পা হেঁটেই থমকে দাঁড়াচ্ছেন, অসহায় মুখে এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন। দৃষ্টি কমে এসেছে। দেখার চেষ্টা করছেন সকালটা কেমন! একে অপরের খবর নিচ্ছেন। পরিচিত জন নিত্যানন্দের ভয়ঙ্কর অবস্থা। বাহাত্তর ঘণ্টা না কাটলে কিছুই হবে না, বলাই যাবে না, নিত্যানন্দ থাকবে কী যাবে। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য, ‘আর কি, আমাদেরও ডাক এল বলে।’ বলেই লাঠি উঁচিয়ে নবীন শক্তিতে দুজন দুদিকে হাঁটা দিলেন।

    বড়মামাকে হাঁটতে হচ্ছে না। কুন্তলা হিড় হিড় করে টানছে, বড়মামা টাল খেতে খেতে তার পেছনে পেছনে চলেছেন। মেজোমামাকে দেখে মনে হচ্ছে, মাঠে নয় বাড়ির দোতলার বারান্দায় দার্শনিক চিন্তা নিয়ে পায়চারি করছেন। মাঝে মাঝে দাঁড়াচ্ছেন, নিজের মনেই হাসছেন। এমন একটা জায়গা বেছেছেন যেদিকটা নির্জন। মেজোমামার সঙ্গে কেউ কোনও কথা বলেন না ভয়ে। সবাই জানেন, তিনি পৃথিবীতে থেকেও পৃথিবীতে থাকেন না। আর বড়মামার সঙ্গে কে কথা বলবে। সর্বক্ষণ বিশাল একটা কুকুর হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে চলেছে এদিক, ওদিক, ওদিক থেকে এদিক।

    অনেক দিন পর আজ বেড়াতে এসেছেন সমরবাবু। নামকরা ব্যক্তি। সারা জীবন ইওরোপেই কেটেছে। বৃদ্ধ বয়সে দেশ এমন টান মেরেছে সব ছেড়ে চলে এসেছেন। গঙ্গার ধারের পৈতৃক বাগান বাড়িটি অঢেল টাকায় মেরামত করে জাঁকিয়ে বসেছেন। নিরহঙ্কারী, সদা হাস্যমুখ মানুষ। আমাকে খুব ভালোবাসেন।

    বড়মামার বিব্রত অবস্থা দেখে সমরবাবু বললেন, ‘এটা তো ট্রেনড ডগ!’

    বড়মামা হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, ‘অবশ্যই। ব্যারাকপুরের স্কুল থেকে ট্রেনিং দিয়ে আনা।’

    ‘তা হলে অত কষ্ট করছেন কেন? বিলেতে সায়েবরাও কুকুর নিয়ে বেরোয়, বেল্টটেল্ট বাঁধে না। এ তো কুকুরের অপমান। বেল্ট খুলে দিন। মানুষের মতো স্বাধীনভাবে ঘুরতে দিন।’

    বড়মামা বললেন, ‘যদি কামড়ে টামড়ে দেয়।’

    ‘কেন কামড়াবে ট্রেনড ডগ! দিন খুলে দিন।’

    বড়মামার একটু ইতস্তত ভাব ছিল, তবু খুলে দিলেন। আমার মন বললে, কাজটা ভালো করলেন না। কতকগুলো ব্যাপারে কুন্তলার অ্যালার্জি আছে। একটা হল বেড়াল, সে দেশি, বিদেশি সব কুকুরেরই আছে। আর একটা হল গরু। সাদা মতো বিশাল, মন্থর গতি, বোকা বোকা চেহারার, বড় বড় চোখ ওই প্রাণীটিকে দেখলেই ট্রেনিং ফ্রেনিং সব ভুলে কুন্তলা সম্পূর্ণ উন্মাদ হয়ে যায়।

    এমনই বরাত, বেল্টটা খোলা মাত্রই হরেনদের অতি অবাধ্য সেই গরুটা মর্নিং ওয়াকে চলে এল। হরেনরা খুব ক্যালাস। বহুবার বলা হয়েছে, ভোরবেলা ওকে মাঠে আসতে দিও না, প্লিজ অনেক অসুবিধে আছে। শোনে না। যে হেতু পার্টি করে, সেই হেতু, সারা দেশ, আইন-কানুন সব তার। দেড় চোখে বিশ্রী ভাবে তাকিয়ে, কর্কশ গলায় বলবে, কার অসুবিধে, কিসের অসুবিধে! আমার গরুরও মর্নিং ওয়াক করার রাইট আছে। ওই মাঠটা কারুর একার নয়।

    সেই পলিটিক্যাল গরুটি গদাইলস্করি চালে মাঠে ঢুকল। আর সঙ্গে সঙ্গে কুন্তলা তার আদিমতায় ফিরে গিয়ে নেকড়ে বাঘের চেহারা নিল। এইবার পর পর যা হল তার ধারা বিবরণী :

    লেজ উঁচিয়ে চার পা তুলে সারা মাঠে গরু ছুটছে গোল হয়ে। কুন্তলা কখনো তার পেছনে, কখনো তার সামনে, যখন সামনে তখন ঝুল কেটে ঘেউ ঘেউ করে তার দৌড়ের দিক পরিবর্তন করে দিয়েই পেছন পেছন ছুটছে। বড়মামা একটা বেদীর ওপর উঠে প্রবল উত্তেজনায় গরুর বদলে নিজেই চিৎকার করছেন, ‘হেল্প, হেল্প!’ খেয়াল নেই, কুন্তলার বেল্টটা নিজের গলায় চড়িয়েছেন। মেজোমামা ধারে কাছে কোথাও নেই, মনে হয় গঙ্গার পাতায় নেমে গেছেন। উত্তেজনা, বিপদ, দুর্যোগ, অশান্তি একেবারেই সহ্য করতে পারেন না, সঙ্গে-সঙ্গে অম্বল, তারপরেই মাথা ধরা। একজন যোগাসনের পর শবাসনে ছিল, গরু তাকে টপকে চলে গেল, ঝাঁপিয়ে গেল কুন্তলা। ভাগ্য ভালো, বুকের মাঝখানে গরুর পা দুটো পড়লেই প্রকৃত শব। দুজন বৃদ্ধের একজন চিৎপাত, লাঠিটা মাঠের মাঝখানে, আর একজন বৃদ্ধ দূরে মোটামুটি নিরাপদ স্থানে দাঁড়িয়ে, গরুর উপকারিতা ও কুকুরের অনুপকারিতা সম্পর্কে অনর্গল বলে চলেছেন। গরু বৈদিক প্রাণী। বেদের কোথাও কুত্তার উল্লেখ নেই। মহাভারতে একবার মাত্র উল্লেখ আছে, সেও আসল কুকুর নয়, ছদ্মবেশী ধর্ম। একটা বাচ্চা আত্মরক্ষার আর কোনও উপায় না দেখে তারস্বরে কেঁদে চলেছে, আর তার বাবা একটা বেদীর ওপর দাঁড়িয়ে চিৎকার করে চলেছেন, ছুট্টে চলে আয়, গাধা কোথাকার ছুটে চলে আসতে পারছিস না!’ ভদ্রলোক ভীষণ রেগে গিয়ে বললেন, ‘আপনি আনুন না উপদেশ না দিয়ে!’ একজন বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘দেখছেন তো মেয়েটা ঘাবড়ে গেছে, মাঝমাঠে চোখ ঢেকে দাঁড়িয়ে আছে, ঝট করে কোলে তুলে নিয়ে চলে আসুন না!’ ভদ্রলোক বললেন, ‘মেয়েটা তো আপনার!’ তিনি বললেন, ‘পরোপকারে আবার আমার তোমার কী? আমার তোমার আসে কোথা থেকে!’ কুন্তলা গরু তাড়া করে একটা মজার খেলা পেয়ে গেছে। কুন্তলা বাচ্চা খুব ভালোবাসে। সে ফাঁক পেয়ে মেয়েটার সামনে একটুখানি দাঁড়িয়ে মেয়েটার গলা দুটো চুক চুক করে চেটে দিলে। মাঠে রোল উঠল, ‘খেয়ে ফেলল, খেয়ে ফেলল।’ বড়মামা সবার ওপরে গলা চড়িয়ে চিৎকার করছেন, ‘খাচ্ছে না, খাচ্ছে না। চাটছে।’ সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য, ‘কখনো চেটে খায়, কখনো খেয়ে চাটে।’

    স্পট জগিং আর ওয়াকিং এখন রানিং। সব এলোপাতাড়ি ছুটছে। গরুটা এইবার পাশের একটা থানায় হুড়মাড় করে পড়ে গেল। কুন্তলা খানার ধারে দাঁড়িয়ে ঝুল কেটে কেটে ঘেউ ঘেউ করছে। এটা তার আদরের ডাক। যেন বলতে চাইছে, বোকা মেয়ে, আমি তো তোর সঙ্গে খেলা করছিলুম গাধা! কে তোকে খানায় পড়ে যেতে বলেছিল!

    সব শান্ত! গরু খানায়। ভ্রমণকারিরা বিশ্রামরত। বড়মামা কুন্তলাকে বেল্টবন্ধ করেছেন। মেজোমামা আবার আবির্ভূত হয়েছেন। এইবার শুরু হল দ্বিতীয় পর্ব। হরেনদা লেটরাইজার, কারণ তাঁর ব্যবসাটাই এমন, ভয়ঙ্কর রাত জাগতে হয়। তবে ব্যবসাটা কি পরিষ্কার করে কেউ বলতে পারে না, তিনিও পারেন না। ঠেলে ঠুলে ঘুম থেকে তোলা হয়েছে। সকালবেলা তাঁর মুখটা বেশ আদুরে আদুরে দেখায়। তাঁর মুখের কনস্ট্রাকসানটা অবিকল চালতার মতো। ভগবান একপিস চালতা গাছ থেকে পেড়ে এনে একটুকরো হোসপাইপ ফিট করে ধরে সেঁটে দিয়েছেন।

    তিনি খানার ধারে দাঁড়িয়ে জনে জনে প্রশ্ন করতে লাগলেন, ‘কী করে হল? কেমন করে হল! মাতালরাই তো মাঝরাতে এটার মধ্যে পড়ে। পরশু রতন পড়েছিল। অ্যাঁ, এই গরুটা আমাকে পাগল করে ছাড়বে। এই সেদিন দাঁয়ের পাতকোতে পড়েছিল। দমকল কল করতে হল। এর চেয়ে একটা গাধা পোষা ভালো ছিল!’

    বড়মামা আগ বাড়িয়ে বললেন, ‘আই অ্যাম সরি হরেন!’

    হরেনদা তীব্র প্রতিবাদ করলেন, ‘না, না, ডাক্তারবাবু, এইরকম একটা গরুর মতো গরুর জন্যে আপনার সরি হবার কোনও কারণ নেই।’

    জনতা বললেন, ‘ডাক্তারবাবুর কুকুর তাড়া করে ফেলে দিয়েছে।’

    হরেনদা বললেন, ‘হতেই পারে না, ওই কুকুর আমি নিউ আলিপুরের কেজরিওয়ালদের বাড়ি থেকে বাচ্চা অবস্থায় এনে ডাক্তারবাবুকে দিয়েছি। ওর বংশলতিকা শুনলে সবাই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করবে। ওর ঠাকুরদা ছিল কেনসিংটন প্যালেসে, আর ক্রেমলিন প্যালেস থেকে এসেছিল ওর ঠাকুমা। এ কুকুর সে কুকুর নয় গো দাদা!’

    একজন বললেন, ‘তাহলে পড়ল কী করে।’

    হরেনদা বিপ্লবীর মতো বললেন, ‘স্বভাবে পড়েছে। মানুষ নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করে। ও থাক পড়ে, যখন ইচ্ছে হবে উঠে আসবে। আমার এখনো দুঘণ্টা ঘুম বাকি। আমি চললুম। হেলথ ইজ ওয়েলথ। এই ব্যাটা গরুর আমার ওয়েলথ নয়।’

    হরেনদার চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে গুঞ্জন উঠল, ‘যা ব্বাবা।’

    গরুটা বড় ফ্যাল ফ্যাল চোখে বড়মামার দিকে তাকিয়ে আছে। দু চোখে জলের ধারা। আমার পশুপ্রেমী বড়মামা এ দৃশ্য সহ্য করতে পারবেন কেন। খানার ওধারে দাঁড়িয়েছিল বড়মামার বড় পেয়ারের পরান আর তার দলবল। ওদের ক্লাবের নাম দুর্গতিনাশিনী। নন পলিটিক্যাল। ব্রত হল, জীবের দুর্গতি দূর করা। কথার কথা নয়, প্রকৃতই করে থাকে। আর যেটা থাকে, সবরকমের কালীপুজো, রক্ষাকালী, ফলহারিনী, রটন্তি। ঢালাও খিচুড়ি ভোগ! পাথরকোঁদা চেহারা পরানের। গঙ্গায় মাছ ধরে। বছরের প্রথম ইলিশটা বড়মামাকে নিবেদন করে যায়। দুর্দান্ত ছেলে।

    বড়মামা পরানের দিকে তাকিয়ে শুধু একটি কথাই বললেন, ‘অ্যাকশান।’

    সঙ্গে-সঙ্গে এসে গেল বাঁশ, দড়ি, প্লাস্টিক শিট, বাণ্ডিল-বাণ্ডিল খড়, সাবান, বালতি, বুরুশ, পাইপ। গরু উঠে এল। বড়মামা ভীষণ আবেগের গলায় বলতে লাগলেন, ‘ওমা, তোমার লাগেনি তো মা! তোমার লাগেনি তো মা।’

    গরুর ভাষা লেজে। কাদামাখা বিশাল লেজটি সপাং করে ঘুরিয়ে দিল। বড়মামার কর্দম, স্নান। পরান বললে, ‘ডাক্তারবাবু, একটা জিনিস শিখে রাখুন, গরুর লেজের দিকে কখনো দাঁড়াবেন না, সপাং করে মেরে দেবে। মাথার দিকে দাঁড়াবেন না, গুঁত্তে দেবে। সব সময় দাঁড়াবেন পেটের দিকে।’

    জল দিয়ে সাবান মাখিয়ে, খড় ঘষে শুরু হল গরুর চান। কত বছর চান করছে কে জানে। গরুটার সে কি আরাম! বড় মামা হঠাৎ বললেন, ‘আমাকেও চান করিয়ে দাও। এইসব নিয়ে বাড়ি ঢোকাটা ঠিক হবে না। বেশ তোড়ে জল আসছে পাইপে। প্রাথমিক ধোয়াটা হয়ে যাক। তারপর দেখা যাবে।’

    মেজোমামা মন্ত্রোচ্চারণের মতো বলে চলেছেন, ‘আমাদের একটা প্রেস্টিজ আছে তো।’

    কে কার কথা শোনে, যেন হোলি খেলা হচ্ছে। ‘কি আনন্দ! মায়ে পোয়ে স্নান, মায়ে পোয়ে স্নান।’ মেজোমামা যোগ করলেন, ‘স্নানান্তে বিচালি ভোজন।’

    এইবার শেষ দৃশ্য। ভিজে সপসপে বড়মামা বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে। অদূরে কুন্তলা বসে, আধ হাত জিভ বের করে হ্যা হ্যা করছে। মেজোমামা যথেষ্ট দূরে। সামনে গম্ভীর মুখে মাসিমা।

    মেজোমামা মিন মিন করে বললেন, ‘বিশ্বাস কর, আমি কিছু করিনি। একেবারে ইনোসেণ্ট।’

    মাসিমার এক ধমক, ‘চুপ। মর্নিং ওয়াক করতে গিয়েছিলে না জলে ডুবতে!’

    বড়মামা মিন মিন করে বললেন, ‘আমি কিছু করিনি, কুন্তলা…’

    মাসিমার আবার ধমক, ‘চুপ, মর্নিং ওয়াক বন্ধ। কাল থেকে ডন, বৈঠক।’

    মেজোমামা বললেন, ‘পাঁচশো টাকা দিয়ে এসেছে।’

    মাসিমা স্তম্ভিত হয়ে বললেন, ‘কেন?’

    ‘গোমাতার পুজো।’

    মাসিমা বললেন, ‘টাকা খোলাম কুঁচি। আজ থেকে এক মাস তোমাদের দুজনেরই কফি বন্ধ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিউলি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }