Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1007 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিতাইকাকু

    রবিবার। বড়মামার চেম্বার নেই। রোগেরও ছুটি। রুগিরও ছুটি। দোতলার হলঘরে বেশ বড় জমায়েত। জগন্নাথকাকু, বিকাশকাকু। আমাদের বাড়ির সবাই। পাড়ার আরও অনেকে। বিজ্ঞানের অধ্যাপক, গবেষক নৃপেনবাবু। বিজ্ঞান ছাড়া কিছুই বিশ্বাস করেন না। ভুরু কুঁচকে বসে আছেন। সবার থেকে আলাদা। কথায় কথায় বলেন, ‘কোয়ান্টাম থিওরি’। জ্যোতিষী নিতাইকাকুকে আজ দেখে নেবেন। বিজ্ঞানের শিলে ফেলে যুক্তির নোড়া দিয়ে থেঁতো করবেন।

    বিকাশকাকু বড়বাজারের সেরা দোকান থেকে এক ঝাঁকা খাস্তা কচুরি এনেছেন। আজ বিরাট ব্যাপার। এক রাউণ্ড চা হয়ে গেছে। নিতাইকাকু নিজের জীবনের গল্প বলছেন।

    বাবা বললেন, নিতাই তোর বিয়ে দোবো, মেয়েটা ভালো, পরিবার ভালো। একবার গিয়ে দেখে আয়।

    বিয়ে। বিয়ে করতে যাব কোন দুঃখে। সারাটা জীবন একটা মেয়েকে ঘাড়ে নিয়ে ঘোরা। আমি কি ঘোড়া!

    নৃপেনবাবু বললেন, ছিঃ, ছিঃ নারীদের আপনি বোঝা ভাবেন? নারী হল শক্তি। শক্তি স্বরূপিণী। কোয়ান্টাম ফিলড থিয়োরিতে শিব আর শক্তির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। সর্বত্র ঝিন ঝিন, রিন রিন, চিন চিন করে শক্তি কাঁপছে। ঢেউয়ের পর ঢেউ ঢেউ বেরোচ্ছে তরঙ্গের আকারে। জন্ম, মৃত্যু, মৃত্যু, জন্ম…।

    নিতাইকাকু বললেন, স্টপ, স্টপ। আমি আমার জীবনের কথা বলছি। বিয়ের কথা শুনে মার চম্পট। সোজা বীরভূমে। সেখানে অট্টহাস বলে একটা শক্তিপীঠ আছে। কারো ক্ষমতা নেই আমাকে খুঁজে পায়; সমস্যা হল, কোথায় থাকব? কী খাব? কুঠিয়ায় এক ভৈরবী। কী চেহারা। আগুন বেরচ্ছে শরীর দিয়ে। চোখ দুটো যেন হোমের শিখা! ভয় আর ভক্তি দুটোই হল। ভৈরবী ইশারায় কাছে ডাকলেন, বেশ করেছিস পালিয়ে এসেছিস? বিয়ে তোর সহ্য হবে না।

    খুব অবাক হয়ে গেলুম। কী করে জানলেন আমি পালিয়ে এসেছি! এর পরে যে-কথাটি বললেন, শুনে আমার মাথা ঘুরে গেল। বললেন, পূর্ব জন্মে তুই আমার স্বামী ছিলিস। এ জন্মে তুই আমার ছেলে হবি।

    বয়েস তখন কম। একপাশে বিরাট শ্মশান। চিতা জ্বলছে। চিতার কাঁপা কাঁপা আগুনে, মাথার ফেট্টি-বাঁধা কালো কালো কটা ছায়া মূর্তি বাঁশ হাতে দাঁড়িয়ে আছে। পাশ দিয়ে বসে যাচ্ছে অসম্ভব নোংরা, শীর্ণ একটা নদী। নদীর ওপারে, জঙ্গলে, একপাল শেয়াল মাঝে মাঝে ডেকে উঠছে। নদীর দিক থেকে রাতের ভারী বাতাসে পচা পচা একটা গন্ধ ভেসে আসছে।

    কুঠিয়ায় একটা প্রদীপ টিমটিম করে জ্বলছে। ঘরের উত্তরের দেয়াল ঘেঁষে টকটকে লাল তারা মায়ের মূর্তি। দেখলেই ভয় করে। তার ওপর এইসব কথা।

    সাধিকা বললেন, আর যে পালাতে পারবি না। তোকে আমি বেঁধে ফেলেছি।

    আমি তখন কাঁদছি—তুমি কি আমায় বলি দেবে!

    মুচকি হেসে বললেন, অবশ্যই! তবে দেহটা থাকবে।

    হঠাৎ বললেন, এই মাটির কলসিটা নিয়ে ওই নদীটায় চলে যা। জল নিয়ে আয়, মায়ের ভোগ রান্না হবে।

    বললুম, ও তো বিষাক্ত জল।

    সাধিকা বললেন, বিষ নিয়েই আমাদের কারবার।

    কলসি হাতে নদীর দিকে যাচ্ছি। চিতা নিবে গেছে। ফিন ফিন করে ধোঁয়া উঠছে। কুচকুচে কালো রাত। শবের সঙ্গে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা চলে গেছে। শব ভালো করে দাহ করা হয় না। আধপোড়া দেহ জলে ফেলে দিয়ে গেছে। বাকি কাজটা শেয়ালে করবে। সকালে শকুন আসবে ঝাঁকে ঝাঁকে। প্রথমে ভীষণ ভয় করছিল; হঠাৎ খুব সাহস এসে গেল। সব চেয়ে সাংঘাতিক কী হতে পারে মৃত্যু। মানুষ তো মরবেই। মরার জন্যেই পৃথিবীতে আসা। মৃত্যু আস্বাদন করব বলেই এই জীবন। জল নিয়ে ফিরে এলুম, তখন আর ঘেন্নাও করছে না। অন্ধকারে কলসিতে কী ভরেছি জানি না। সাধিকা বললেন, ওই কলসির জল এই কলসিতে ঢাল।

    অবাক কাণ্ড! প্রদীপের আলোয় দেখছি, কাঁচের মতো জল এই কলসি থেকে ওই কলসিতে পড়ছে। বিশাল চেহারার একটা লোক ভূতের মতো দাওয়ায় এসে দাঁড়াল। মনে হল কিরাত। সাধিকা জিগ্যেস করলেন, মাংস এনেছিস?

    মাংস এনেছে। কাঠের উনুনে আগুন জ্বলল। সাধিকা মায়ের ভোগ রাঁধতে বসলেন। কী তার স্বাদ! রাতে যখন খেতে বসলুম, তখন মনে হল এমন সুস্বাদু ভোগ আগে কখনো খাই নি। সাধিকা বললেন, ওই কম্বলটা পেতে শুয়ে পড়। অনেক রকম শব্দ শুনতে পাবে, ভয় পেয়ো না।

    শুয়ে পড়লুম। তন্দ্রা, ঘুম, ঘুম, তন্দ্রা এই রকম চলতে লাগল। হঠাৎ চোখ দুটো যেন ঝলসে গেল। ঘরে হাজার হাজার পাওয়ারের আলো জ্বলে উঠেছে। পূজার আসনে সাধিকা বসে আছেন সোজা। সাধিকা কোথায়! বাঘছালের আসনে বাঘ ছাল পরে বসে আছেন স্বয়ং মহাদেব। বিরাট আলোর উৎস হল মহাদেবের ত্রিশূল। আমার শরীর অসাড় হয়ে গেল। অচেতন হইনি; কিন্তু পাথর। সে এক অদ্ভুত উপলব্ধি! পাষাণী অহল্যার মতো। পাথর কিন্তু চেতনা আছে। সব বুঝতে পারছে। কালের পর কাল চলে যাচ্ছে। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ত। রামচন্দ্র এসেছেন, তাও বুঝতে পারছেন।

    ভোর হয়ে গেল। সব জড়তা চলে গেল। বাইরে এসে দেখছি সাধিকা ফুল তুলছেন। দিনের বেলা অনেক ভক্ত আসতেন। আর আসতেন দুটি বধূ। সকালে মায়ের পুজো হত খুব বড় করে। বড় করে ভোগ দেওয়া হত। ওই দুটি বউ যা খাটতেন সে বলার নয়, যেন দশভূজা। আর কাজ ছিল কাঠ কাটা। বহু দূরে একটা টিউবওয়েল ছিল, সেইখান থেকে জল বয়ে আনা। কিরাতের মতো ওই লোকটির নাম ছিল রাবণ। বড় ভালো মানুষ। সাধিকা মায়ের জন্যে জীবন দিয়ে দিতে পারত। বড় বড়গাছ একাই কেটে আনত জঙ্গল থেকে। মাঝে মাঝে কুটিয়ার ছাতে উঠে খড় বিছিয়ে দিত। চালের ওপর লাউ গাছ লতিয়ে দিয়েছিল। বড় বড় লাউ হত। নদী থেকে মাছ ধরে আনত।

    একদিন আলো দেখলুম, মহাদেবের শুভ্রজ্যোতিঃ। এরপরে দেখলুম কালীর কালো। সে যে কী ভয়ঙ্কর! আলোর কোনও ওজন নেই, কালোর ওজন আছে। আলো পাউডারের মতো, পরাগের মতো। কালো আলকাতরার মতো, জমাট রক্তের মতো।

    হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। অদ্ভুত শব্দ। যেন লোহার শেকল বাজছে। ভারী ভারী লোহার শেকল। চোখ মেলে কিছুই দেখতে পেলুম না। নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। মাটির বহু গভীরে কবরে চলে গেছি যেন। শ্বাস নিতে পারছি না। কনকনে ঠান্ডা। কালে কালে কে যেন বলছে, মৃত্যু—তুমি মরে যাচ্ছ। উঠে বসার চেষ্টা করলুম। পারলুম না। শেকলের শব্দ হল। কেঁদে ফেললুম—মা! এক বিন্দু আলো দেখাও। স্থির জোনাকির মতো, দূর আকাশের তারার মতো সেই ভয়ঙ্কর অন্ধকারে এক বিন্দু আলো ফুটলো। দেখি, মায়ের কালো কপালে তাঁর ত্রিনয়ন। টকটকে লাল মায়ের মূর্তি। নিরেট অন্ধকারে খোদাই করা। ‘মা’ বলে জ্ঞান হারালুম।

    ভোর হল। জ্ঞান ফিরে এল। সাধিকা মা ফুল তুলছেন, গান গাইছেন। আমি গিয়ে বললুম, মা! তুমি আমাকে এই সব দেখিও না। আমার ভয় করে, আমি মরে যাব মা।

    মা অদ্ভুত একটা কথা বললেন, না মরলে বাঁচবি কি করে! শেষ দর্শন বাকি আছে।

    অবশেষে সেই দর্শন হল। সে তো বলা যাবে না। কিছুই নেই। আপনারা ভাবার চেষ্টা করুন, ধারণা করার চেষ্টা করুন। কিছু নেই। কিছু থাকলে কিছু নেই, ধারণা করা যায়। আছে আর নেই, নেই আর আছে, এই দুটো মাত্রায় জগৎ বাঁধা। স্বামী বিবেকানন্দ একটা গানে বলার চেষ্টা করেছেন, নাহি সূর্য নাহি জ্যোতিঃ, নাহি শশাঙ্ক সুন্দর / ভাসে ব্যোমে ছায়াসম, ছবি বিশ্ব চরাচর / তারপর?

    অত্যন্ত কঠিন পর্যায়—ধারণার লয়। অস্ফুট মন আকাশে জগত সংসারে ভাসে, ওঠে ভাসে ডুবে পুনঃ অহং-স্রোতে নিরন্তর। আমি মানে আমার অস্তিত্ব, আমার অহঙ্কার আছে বলে তুমি আছ, একটা বিভেদ। আমি দেখছি তাই তোমাকে দেখাচ্ছে। আমার দর্পণে তুমি, তোমার দর্পণে আমি। এই জগৎ একটা আয়না। আয়নাটা ভেঙে গেলে কী আর রইল। এই যে ছায়া, সেই ছায়াদল আর থাকবে না। স্বামীজি লিখছেন—ধীরে ধীরে ছায়াদল, মহালয়ে প্রবেশিল, বহে মাত্র ‘আমি আমি’ এই অনুক্ষণ। ‘আমি’টা অর্থাৎ অনুভূতিটা রয়েছে তখনো—চেতনা। শেষ অবস্থা। তারপর? সে ধারাও বদ্ধ হল, শূন্যে শূন্যে মিলাইল, ‘অবাঙ-মনসোগোচরম’ বোঝে প্রাণ বোঝে যায়। এই শূন্য এক মহাবিজ্ঞান। শূন্য আর অনন্ত এক। উপনিষদ সেই মহাবিজ্ঞানের কথা বলছেন—পূর্ণস্য পুর্ণম আদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যপ তো সংস্কৃতে পূর্ণম শব্দে দুটি অর্থ—পূর্ণ এবং শূন্য। সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে ভাগ করলে অনন্তকে পাওয়া যায়।

    নৃপেনকাকু নড়েচড়ে উঠলেন। হাতে কাগজ ছেঁড়ার ভঙ্গি করে বললেন, আমার কোয়ান্টাম-এই আমি ছিঁড়ে ফেললুম। আজ থেকে আপনি আমার গুরু।

    নিতাইকাকু হাসতে হাসতে বললেন, আমি গুরু হওয়ার জন্যে পৃথিবীতে আসিনি। আমি চির-শিষ্য। আরও একশোবার আসব শিষ্য হওয়ার জন্যে। কত জানার আছে। শেখার আছে। পদার্থ হয়ে অপদার্থ। পদার্থ-বিদ্যার কিছুই জানি না। এই যে আপনার কোয়ান্টাম, আমার জ্ঞানে কালী। শিব থেকে নির্গত শক্তি। কালো কেন? সাধক আলো করবে বলে। সেই অন্ধকারে প্রবেশ করে সৃষ্টি আর স্রষ্টাকে জানবে। সাধকও তো বিজ্ঞানী। তফাৎ কোথায়? বিজ্ঞানী বলছে, আমি জানব। সাধক বলছে কৃপা করে আমাকে জানাও। এই সৃষ্টিতে তুমি আছ, আলোতে আছ, অন্ধকারে আছ। জড়ে আছ, জীবনে আছ। তুমি নেই তো, কিছুই নেই। সব কিছুই এখানে হচ্ছে, জন্ম হচ্ছে, মৃত্যুও হচ্ছে। এমন কি একটা পাথরের অস্তিত্বও পাথরে ঠাসা আছে। পৃথিবীতে দুটো শক্তি খেলা করছে—দেখার শক্তি আর দেখবার শক্তি। এইটাই হল ক্ষেত্র, আপনাদের পরিভাষায় ফিল্ড। গীতার ত্রয়োদশ অধ্যায়—ক্ষেত্র-ক্ষেত্রজ্ঞ বিভাগযোগ সকলেরই পড়া উচিত। অর্জুন শ্রীভগবানের কাছে জানতে চাইছেন—হে কেশব! প্রকৃতি ও পুরুষ, ক্ষেত্র ও ক্ষেত্রজ্ঞ, জ্ঞান আর জ্ঞেয় কি? আপনার পদার্থবিদ্যা বলছে, পদার্থ মানে শক্তি। ক্ষুদ্রতে ক্ষুদ্র শক্তি বৃহতে বৃহত। আর আপনাদের বিজ্ঞানী ডিবাক সাহেব বললেন, অণুর গঠন শুধু ইলেকট্রন নয় পেছনে অনুরূপ আরও একটা পদার্থ আছে, যেটা হল পজিট্রন। দুটিতেই বিদ্যুৎশক্তি, ওটিতে নেগেটিভ, এটিতে পজেটিভ। দূয়ে মিলে নিউট্রাল, শান্তি। তা না হলে প্রতিটি বস্তুই আমাদের ‘শক’ মারত। আমাদের শাস্ত্র এই অবস্থানকেই বলছেন পুরুষ আর প্রকৃতি। শিব আর কালী। সৃষ্টি। কালী শিবকে ত্যাগ করে বেরিয়ে এলেই সংহার মূর্তি।

    আমি তিন দিন ওই অবস্থায় পড়েছিলুম। দেহ আছে, প্রাণের লক্ষণ নেই; কিন্তু মৃত্যু নয়। চতুর্থ দিনে আমি ফিরে এলুম। কোথা থেকে এলুম বলতে পারব না। স্মৃতি ফিরিয়ে আনার জন্যে মা অনেক আয়োজন করে রেখেছিলেন। ঘট, ঘটি, বাটি, গেলাস, নুড়িপাথর, বড় পাথর, সাদা কাপড়, নীল কাপড়, গেরুয়া কাপড়। ফুল, ফল। প্রথমেই যা চোখে পড়ল, লাঠি কাঁধে মাথায় পাগড়ি বাঁধা একটা লোক কোথায় চলেছে। ওই লোকটাকে ধরে আমার অস্তিত্ববোধ ফিরে এল।

    নিতাইকাকু ঘড়ি দেখলেন, নাঃ অনেকটা বলেছি, অনেকক্ষণ বলেছি, আর না। এইবার আমরা কচুরি খাব, চা খাব। রোজকার জীবনের কথা বলব।

    নৃপেনকাকু বললেন, শুধু এই কথাটা বলুন, গ্রহ-নক্ষত্র কি মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে?

    আপনি বিজ্ঞানী। আমি আর এক বিজ্ঞানীর কথা বলছি—নিউটন। জ্যোতিষে তাঁর ভীষণ বিশ্বাস ছিল। রয়্যাল সোসাইটির সদস্য বিখ্যাত বিজ্ঞানীরা একদিন তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন আপনি জ্যোতিষ বিশ্বাস করেন? নিউটন চমৎকার উত্তর দিয়েছিলেন, আমি আপনাদের মতো বিশ্বে যা কিছু ঘটছে সবই অ্যাফলিডেন্ট, তা বিশ্বাস করতে রাজি নই, তাছাড়া শাস্ত্রটি আমি ভালো ভাবে পড়েছি, আপনারা পড়েন নি।

    অ্যাস্ট্রলজি পৃথিবীর প্রাচীনতম শাস্ত্র। বহু বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ, নামকরা মানুষ জ্যোতিষ বিশ্বাস করতেন, করেন, করবেন। বিদেশি কয়েকজনের নাম বলি, চসার, দান্তে, শেকসপিয়ার, ক্রমওয়েল, কোপারনিকাস, কেপলার, প্লেটো, বেকন। বিখ্যাত নষ্ট্রাদামুসের সমস্ত ভবিষ্যতবাণীই তো অ্যাস্ট্রলজি নির্ভর।

    চাঁদের উপাসনা থেকেই জ্যোতিষের জন্ম। ইতিহাসের আদিকাল। সভ্যতার আলো তখনো জ্বলেনি। দীর্ঘ রাত। সূর্যাস্তের পরেই অন্ধকার রাত। রহস্যময় চাদরের তলায় হারিয়ে গেল দিনের পৃথিবী। চতুর্দিকে গভীর অরণ্য। দীর্ঘ দীর্ঘ ঢেউয়ের লাইনটানা ভয়ঙ্কর সমুদ্র। সারাদিন ফুঁসছে। যোজনব্যাপী মরুভূমি। বালির ঢেউ। আকাশছোঁয়া পর্বতশৃঙ্গ। গড়িয়ে গড়িয়ে হিম-ঠান্ডা নেমে আসছে শ্বেত ভাল্লুকের মতো। দাঁতাল জানোয়ারের দল তেড়ে আসছে। অসহায় মানুষ। প্রকৃতির ওপর তখনো প্রভুত্ব বিস্তার করতে পারেনি। তখন। সেই বর্বর মানুষের দল স্নিগ্ধ চাঁদের দিকে তাকিয়ে বসে থাকত শুক্লপক্ষের রাতে। এ কী শোভা! ছ’হাজার বছর আগের, মানবচিত্র। মানুষ যত তার চেয়ে বেশি শ্বাপদের দল। মৃত্যুকে চারপাশে ছড়িয়ে রেখে বাঁচার চেষ্টা। মানুষ যত দেখছে তত দার্শনিক হচ্ছে, ভাবুক হচ্ছে। চাঁদই কারণ। মানুষ প্রথমে দার্শনিক, তারপর প্রযুক্তিবিদ, তারপর বিজ্ঞানী।

    ইতিহাসের কাল আসবে অনেক পরে। তার আগে দলে দলে মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম আসছে চলে যাচ্ছে। তারা অবাক হয়ে দেখছে। দিনের আকাশ, সূর্য। রাতের চন্দ্র। শীতল জ্যোৎস্না। অন্ধকার আকাশ পটে তারার শোভা। এ কি দুর্লঙ্ঘ্য নিয়মে জগৎ বাঁধা! উদয় অস্ত। ঋতুচক্রের পরিবর্তন। রাতের দৈহিক নিষ্ক্রিয়তার অবসরে কল্পনা কাজ করছে। ওই যে তারা দূর আকাশের তারামণ্ডল, ওদের এক একটা নাম রাখলে কেমন হয়। সেই জগতে পশুরাই প্রবল। মানুষ তখন পাশব-দেবতারই উপাসনা করত। তাদের নামেই তারকারা পরিচিত হল।

    পাঁচহাজার বছর আগে প্রাচ্যের পুরোহিতরা এই আঁকা, চন্দ্র, নক্ষত্রমণ্ডল দর্শন ও প্রাকৃতিক নানা ঘটনা দেখে, লিখে, মিলিয়ে, একটা সংযোগ খুঁজে পেলেন, অভ্রান্ত এক গণিত। তারই নাম ‘অ্যাস্ট্রোলজি’। নাঃ, আর না। দুটো খাস্তা কচুরিতে এত পোষায় না।

    বিকাশকাকু বললেন, আর কি খাবেন বলুন?

    নিতাইকাকুর হাসি হাসি মুখ হঠাৎ খুব থমথমে হয়ে গেল। নৃপেণবাবুকে বললেন, আপনি এখন বাড়ি যান। ডাক্তার আপনিও সঙ্গে যান। ওষুধের ব্যাগ, ইনজেকশানের সিরিঞ্জ যেন সঙ্গে থাকে।

    সারা ঘরে একটা ভয় নেমে এল। নৃপেনবাবু ঝট করে উঠে দাঁড়ানোর ফলেই বোধ হয় টলে গেলেন। বড়মামা টেবিলের ওপর থেকে ব্যাগটা তুলে নিয়ে আমাকে বললেন, চলে আয়।

    বড়মামা একবারই শুধু জিগ্যেস করলেন, কেউ কী অসুস্থ!

    নৃপেনকাকু বললেন, না তো!

    আমরা গেটের কাছ পর্যন্ত গেছি, নৃপেনকাকুর মেয়ে মাধুরী তীরবেগে বেরিয়ে আসছে। আমাদের দেখেই ভেঙে পড়ল—মা নেই। মা আর নেই!

    মাসিমা বললেন, জ্যোতিষকাকু আপনি খুব সাংঘাতিক। যদি জানতেই পারলেন চলে যাচ্ছে টেনে রাখলেন না কেন। অমন দেবীর মতো মেয়েটা চলে গেল। যাওয়ার বয়েস তো হয়নি।

    দেখো একটু আগে, কয়েক দিন আগে জানতে পারলে হয়তো আমি টপকে দিতে পারতুম। যেভাবে মানুষ খানা, কি গভীর গর্ত টপকে যায়, সেইভাবে। সামান্য সময়ের পরিচয়। হঠাৎ যখন দেখতে পেলুম, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। অনেকটা চলে গেছেন ওদিকে। লোকালয়ে আমার আর থাকা উচিত নয়। আমি আমার জায়গায় ফিরে যাই।

    সে হয় না, আমরা আপনাকে ছাড়ব না। আমাদের মন্দিরে মা বসবেন। আপনার সাধনপীঠ, চলে গেলেই হল। আমরা কার আদেশে চলব?

    তোমরা আমাকে এত ভালোবাস?

    শুধু ভালোবাসা? তার সঙ্গে শ্রদ্ধা।

    বড়মামা বিষণ্ণমুখে ঘরে ঢুকে বললেন, আজ তৃতীয় দিন। উপোস। কেউ কিছু খায়নি। নৃপেনও মরবে, মেয়েটাও মরবে। আপনারা সবাই রয়েছেন, আমি একটা সিদ্ধান্ত নিতে চাইছি।

    কী সিদ্ধান্ত?

    আমি বিয়ে দোবো।

    কার সঙ্গে কার বিয়ে?

    বিলুর সঙ্গে মাধুরীর।

    এত অল্প বয়েসে বিয়ে? মাধুরী গত বছর মাধ্যমিক পাস করে উচ্চমাধ্যমিক পড়ছে। বিলুর ফার্স্ট ইয়ার।

    আমাদের ঠাকুরদা এগারো বছর বয়েসে বিয়ে করেছিলেন। ঠাকুমার বয়েস তখন পাঁচ।

    ঠাকুমা একদিন রেগে গিয়ে ঠাকুরদার কবজিতে কামড়ে দিয়েছিল। সেই দাগ সারা জীবন ছিল।

    আমি বললুম, বিয়ে করবো না।

    বিয়ে করবি না মানে? এটা কি তোর মামার বাড়ি?

    মামার বাড়িই তো।

    এ মামার বাড়ি সে মামার বাড়ি নয়। বিলুর আমি বিয়ে দেবো। আমি ওই দৃশ্যটা ভুলতে পারছি না। শ্মশান থেকে ফিরে এসে দাঁড়ান মাত্রই মাধুরী ছুটে এসে বিলুর বুকে মাথা রেখে কাঁদতে লাগল। আমরা সবাই আছি, মাধুরী কিন্তু বিলুকেই সবচেয়ে আপনার ভাবল। মাধুরীর মায়ের আত্মা আমার কানে কানে বলে গেল, এরা দুজন। আমার বিরাট পরিকল্পনা। কেউ আমাকে চা দিচ্ছে না কেন?

    বলতে না বলতেই গান্ধারী চা নিয়ে এল। ক’দিন আগে রাসের মেলায় গিয়েছিল, বড়মামার জন্যে ঢাউস একটা কাপ কিনে এনেছে। ঘোর বেগুনি রং। বড়মামা বলেছিলেন, ফ্যান্টাস্টিক! তোর চয়েস আছে গান্ধারী।

    চায়ে চুমুক দয়ে বড়মামা বললেন, দুটো জীবন এক করার সঙ্গে সঙ্গে, দুটো বাড়িও এক করে দেবো। বিরাট বড় একটা সুড়ঙ্গ কাটাব। এ-বাড়ির এই ঘর থেকে নামবে, ও-বাড়ির ওই ঘরে গিয়ে উঠবে। সেইরকম হাইট হবে। হামাগুড়ি নয়, কমফর্টেবলি দাঁড়িয়ে হেঁটে হেঁটে যাওয়া যাবে। পাকা টানেল। চাপা আলো। সফট মিউজিক। বর ওই টানেল দিয়ে যাবে। বর-কনে ওই টানেল দিয়েই আসবে।

    বড়মামা ‘একসাইটেড’। বিকাশকাকু চলে গিয়েছিলেন। আমাকে বললেন, বিকাশকো বোলাও। আজ-বাদে কাল বিয়ে লোটকে বসে আছিস? নির্লজ্জ…।

    মাসিমা বললেন, যাদের বিয়ে তাদের একবার জিগ্যেস করা দরকার। যুগ বদলেছে। কেউ কোথাও মন দিয়ে বসে আছে কি না!

    নিতাইকাকু বললেন, বিয়েটা হবেই। তারপর হাসলেন। হাসিটা যেন কেমন!

    বড়মামা বললেন, আজই পাঁচিলটা ভাঙা করাব।

    মাসিমা অবাক হলেন, কোন পাঁচিল?

    আরে, আমার ঠাকুর্দা আর মাধুরীর ঠাকুর্দা গলায় গলায় বন্ধু ছিলেন। পাশাপাশি দুটো বাড়ি। একসঙ্গে তৈরি। একই কনট্র্যাকটার। একটা বেড়ালের জন্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। দু’বাড়ির মাঝখানে পাঁচিল উঠে গেল।

    বেড়াল?

    এ বাড়ির ঠাকুর্দা একটা কাবলি বেড়াল পুষেছিলেন। সেটা এ বাড়িতে চলে আসত। ঠাকমার আদরে সে আর ও বাড়িতে ফিরত না। এই নিয়ে অশান্তি বাড়তে বাড়তে পাঁচিল। পাঁচিল আমি ভাঙব।

    বড়মামা ফোন তুললেন, হ্যালো! কী হল। তোমারও আঠারো মাসে বছর। আজই ভাঙতে হবে। আরে মন্দিরটা তো তৈরিই হল না। ভাঙবে কি? ভাঙতে হবে পাঁচিল। উত্তর দিকে লম্বা বাউন্ডারি ওয়াল। আমাদের পাঁচিল আমরা ভাঙব, কার বাবার কী? কুইক। জলদি। আর তুমিও চলে এস। একটা সুড়ঙ্গ তৈরি করতে হবে। আরে টানেল, টানেল। টি.ইউ.এন.ল। তুমি এসো না। অ্যাঁ, অ্যাঁ, না করে।

    মাসিমা বললেন, পাঁচিলটাও ভাঙা কি খুব জরুরি?

    অফকোর্স। বিরাট একটা মাঠ বেরোবে। এদের ছেলে মেয়েরা খেলবে। দুটো গোল্ডেন রিট্রিভার কুকুর কিনে দেবো। একডজন টেনিস বল। একটা দোলনা বসিয়ে দেবো। একটা স্লিপ। সবুজ ঘাস। ফুলের বেড দিয়ে ঘেরা আর বাচ্চারা দৌড়চ্ছে। চিৎকার করছে। মাধুরী মা হয়েছে। গার্জেন বেঞ্চে বসে কমলা লেবু রঙের সোয়েটার বুনছে। কুসি দিদা হয়েছে, আমি দাদু। মাধুরীর মেয়েরা বড় হবে। ভালো মিশনারী স্কুলে পড়বে। সাদা পোশাক, নীল টাই, সাদা মোজা, ঝকঝকে কালো জুতো।

    মাসিমা বললেন, শুধু মেয়ে! ছেলে হবে না?

    ছেলে? ছেলের কী দরকার? মেয়েই ভালো। সুন্দরী সুন্দরী মেয়ে। খাড়া, খাড়া নাক, টানা টানা চোখ। সামান্য লালচে। সিংহের কেশরের মতো চুল। ছেলের কী দরকার! ভালো, ভালো জামাই।

    বড়মামা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, কুইক, কুইক। আমাদের একটা জায়গায় যেতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিউলি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }