Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মামা সমগ্র – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1007 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘরেই জামাই

    আমাদের পাড়ায় যে জায়গাটাকে আমরা চৌমাথা বলি সেখানে একই সঙ্গে একটা শীতলান্দির, একটা কালীবাড়ি ও একটা রাধাগোবিন্দের মন্দির আছে। সেই মোড়ের বাঁ পাশে পাঁচিল-ঘেরা যে বিশাল একটা বাগান বাড়ি আছে সেই বাড়িটিকে আমরা বলি মিত্তির বাড়ি। মিত্তিররা খুব বিখ্যাত লোক। পাড়ার লোক মিত্তিরদের খুব ভালোবাসে। প্রবীণ এবং নবীন সকলেই বলে মিত্তির বাড়ি আমাদের এই তল্লাটে একটা ল্যান্ডমার্ক। আমাদের এই গল্প সেই মিত্তির বাড়ির অন্দর মহল নিয়ে। বড় মজার বাড়ি। ভাইয়েরা খুব আমুদে। সকলেই সুপ্রতিষ্ঠিত। আর এক বোন যার নাম কুসুমিকা, পাড়ার সবাই তাকে কুসুদি বলে ডাকে।

    ঝকঝকে সকাল। আমার বড়মামা ডাক্তার, নাম বিমল মিত্তির। আজ মনে হয় কোথাও মেডিক্যাল কনফারেন্স আছে। বড়মামা তাই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সাজগোজে ব্যস্ত। একটা টাই নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে ফাঁস বাঁধবার চেষ্টা করতে করতে ক্ষেপে গিয়ে বললেন, ‘ধ্যাৎ তেরিকা, এত বয়েস হল এখনও টাই বাঁধাটাই শিখতে পারলুম না। আমার বাবাকে দেখ, ওই তো ছবি। কত ভাবে কত কায়দায় টাই বাঁধতে পারতেন! দিস সিম্পল মেকানিজম ফ্রাস্ট্রেটস অল মাই এফার্টস!’ বলতে বলতে আয়নার সামনে থেকে বাবার ছবিটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন বড়মামা। মুখ দেখে মনে হয় ভেতরে খুব ভাঙচুর চলেছে। বাবার ছবিটার দিকে একদৃষ্টে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলে উঠল, ‘ও ফাদার টিচ মি, হাউ টু নট এ টাই! বলেই মারল একটান। বড়মামার চোখ-মুখ বদলে গেল। টাই ফাঁস হয়ে এমন আটকাল আর খুলতে পারছে না। গলার কাছটা ফুলে ঢোল। চিৎকার করে ডাকছে, ‘কুসি, কুসি।’

    পাশের ঘর থেকে দৌড়ে চলে এল কুসি। বলল, ‘সাত-সকালে কী হল আবার!’

    বড়মামা দম আটকানো স্বরে বলল, ‘সেই ওল্ড প্রবলেম, লাগ লাগ লাগ…লাগিয়ে বসে আছি।’

    মাসি বলল, ‘শোন দাদা, টাই তোমার জিনিস নয়, স্কার্ফ মাফলার নিদেন একটা গামছা—এই নিয়ে থাকার চেষ্টা কর না। তোমাকে কতবার দেখিয়েছি টাইয়ের নট হবে আলগা ফাঁস। একটা পাশ ধরে টানবে খুস করে খুলে যাবে।’

    ‘আরে সাতটা থেকে তো সেই চেষ্টাই করছি এখন ঘড়িটা দেখ! ওদিকে আমার সেমিনার আরম্ভ হয়ে গেল। প্লিজ দে ভাই, শেষবারের মতো বেঁধে!’

    মাসি নিমেষের মধ্যে টাইটা বেঁধে ঠিকঠাক করে দিল। তারপর দাদার বুকে একটা চাপড় মেরে বলল, ‘নাউ ইউ আর রেডি। ইউ ক্যান গো।’

    বড়মামার বুকের ভেতরে সাবানের ফ্যানের মতো আবেগ যেন বুজকুড়ি মেরে উঠল। মাসির মাথাটাকে আচমকা বুকের কাছে টেনে নিয়ে বলে উঠল, ‘মেরি পেয়ারি বাচ্চে!’

    মাসি বাছুরের মতো গুঁতো মেরে বলে উঠল, ‘লেগে যাবে লেগে যাবে। মাথায় জবা আর কেশুতপাতা একসঙ্গে মেখেছি। যাহ, জামাটার সর্বনাশ হয়ে গেল বোধহয়!’

    বড়মামা মাসির মাথাটা ছেড়ে দিয়ে জামার দিকে তাকিয়ে তালি দিতে দিতে বলে উঠল, ‘বাঁচ গিয়া বাঁচ গিয়া!’

    মাসি বলল, ‘আর একটু হলেই যেত। শেষ রাতে লাগিয়েছি তো শুকিয়ে গেছে।’

    বড়মামা বলল, ‘তোর নাম বদলে রাখব ঘৃতকুমারী। আচ্ছা, গুডবাই।’

    কিন্তু বেরোবার মুখেই বাধা। এক হাতে একটা লম্বা কাগজের রোল অন্যহাতে বেত নিয়ে ধুতি পাঞ্জাবি পরা একটা লোক বড়মামাকে প্রায় ধাক্কা মেরে একতলার ড্রয়িং রুমে ঢুকে পড়ল। বাড়ির মালিক যেন সে এই রকম ভঙ্গি করে ঘরের মধ্যে পায়চারি করতে করতে বলতে লাগল, ‘ভূগোল, ভূগোল। বাঙালির ভূগোল জ্ঞান আর হবে না। কলকাতার বাইরে কিছু কি নেই গাধা! হিমালয় কোন দিকে বঙ্গোপসাগর কোন দিকে সে জ্ঞানটাও নেই উল্লুক। অ্যায় খাঁদু! অ্যায় খ্যাঁদা! আজ ওয়াল ম্যাপ এনেছি। দেয়াল, দেয়াল কোথায়?’

    বড়মামা যেন ঘোরের মধ্যে ছিল। কী ঘটতে চলেছে কিছুই বুঝতে পারছে না। সেমিনার তার মাথায় উঠেছে। সাহস করে বলল, ‘আপনি কে?’

    আগন্তুক ভদ্রলোকের এতক্ষণে যেন খেয়াল হল। বড়মামার দিকে কটমট করে তাকিয়ে পালটা প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি কে?’ তারপর নিজেই উত্তর দিলেন, ‘একালের অপদার্থ এক পিতা! সাজ দেখো, যেন মোড়ের কার্তিক! বারবাডোস কোথায়? বাঁকুড়া কোথায়? দাঁড়াও, ম্যাপটা ঝোলাই তারপর দেখাচ্ছি মজা! যার ছেলে গর্দভ, তার আবার সায়েব সাজা! উরুগুয়ে কোথায়!’

    ভদ্রলোকের চেঁচামেচিতে মাসিও এই ঘরে চলে এসেছে। সেও বড়মামারই মতো ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেছে। কোথাকার মাল যে কোনদিকে গড়াচ্ছে কেউই বুঝতে পারছি না। ভদ্রলোক এইবার মাসির দিকে তাকিয়ে বললে, ‘এদের বাড়িতে আবার কাজের লোক টেঁকে না। নিত্য নতুন! ওহে, হাঁ করে দাঁড়িয়ে না থেকে একটা পেরেক আর হাতুড়ি নিয়ে এসো। রাতারাতি ঘরের ভোল পালটে গেল। কালো টাকায় কী না হয়! কেবল ছেলেটাই মানুষ হয় না।’

    ভদ্রলোকের হাঁকডাক সারা বাড়িকে মাৎ করে দিয়েছে। ওপরে ছিল মেজমামা, ভেবেছে বাড়িতে বুঝি ডাকাত পড়েছে। দাড়ি কামাতে ঢুকেছিল বাথরুমে। সেখানে থেকে এক ছুটে সিঁড়িতে। নামতে নামতে বলছে, ‘কী রে, কী হল রে!’

    মেজোভাইকে নামতে দেখে বড়ভাই যেন বাঁচল। তারপর ইশারায় দেখাল, ‘এই যে!’

    আগন্তুক ভদ্রলোক এইবার মেজোমামাকে দেখে ফেলেছেন। ভুরু কুঁচকে বলছেন, ‘এই যে মোদক মশাই, দইতে কত আর দালদা চড়াবে? রসগোল্লায় সবেদা!’

    মেজোমামা সিঁড়ির শেষ ধাপে এসে বলল, ‘সর্বনাশ! বিখ্যাত শিক্ষক জগমোহন বোস! ছাড়া পেয়ে বেরিয়ে এসেছেন। ক্র্যাকড।’

    বীরের ভঙ্গিতে জগমোহন হাঁটছিলেন। মেজোমামার কথাটা কানে যেতেই খিঁচিয়ে উঠলেন, ‘কি বললে? তোমার চোদ্দ পুরুষ ক্র্যাকড। বেটা ময়রা! সন্দেশে ময়দা!’

    ঠিক সেই মুহূর্তে কাউকে কিছু বলতে না দিয়ে এক মহিলা এসে ঢুকলেন। আলুথালু শাড়ি। দেখলে মনে হয় গরীব। কিন্তু মহিলার মুখ জুড়ে ছেয়ে আছে প্রশান্তি। আক্ষেপ করে বলে উঠলেন, ‘উঃ, আর কত যন্ত্রণা দেবে ভগবান। দরজা যেই খোলা পেয়েছে ও অমনি চলে এসেছে। আপনারা কিছু মনে করবেন না। বড় ছেলেটা অ্যাকসিডেন্টে মারা গেল না!’

    মাসি বলল, ‘কী অ্যাকসিডেন্ট!’

    ভদ্রমহিলা বললেন, ‘ও তো ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ায়ার ছিল। পাওয়ার প্ল্যান্টে জেনারেটার ঠিক করতে গিয়ে কারেন্টে পুড়ে কাঠ কয়লা হয়ে গেল!’

    বড়মামার মনটা খারাপ হয়ে গেল। বলল, ‘থাক, থাক, ওসব কথা থাক!’

    ভদ্রমহিলা এবার জগমোহনবাবুর হাত ধরে আদর করে বললেন, ‘চলো, চলো, তোমার রাজহাঁস এসে গেছে। বিছানায় এই এত বড় একটা ডিম পেড়েছে।’ তারপর দুঃখ করে বলতে লাগলেন, ‘পাগলের সঙ্গে আমিও পাগল হলুম।’

    বড়মামা, মেজোমামা, মাসি জমা বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে। জগমোহনবাবুকে তাঁর স্ত্রী ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক যেন মনে হচ্ছে দস্যি ছেলেকে তার মা টেনে নিয়ে যাচ্ছে। চারিদিক নিস্তব্ধ। ঘরে শুধু সিলিং ফ্যানের আওয়াজ আবহাটাকে জীবন্ত করে রেখেছে।

    বড়মামা বলল, ‘নাঃ, মনটা বিগড়ে গেল।’

    মেজোমামা বলল, ‘কোথায় যাচ্ছ। একটু বসে যাও। না গেলেই নয়! দেখ, আমরা কেমন আছি? তোফা! চালাও পানসি বেলঘরিয়া! কেন বলত?’

    বড়মামা বলল, ‘বরাত! কপালে যা আছে লেখা তাই হবে সখা। কপাল গুনে ভাত, কপাল দোষে হাভাত! মনে আছে, ফট করে বাবা মারা যাওয়ার পর মায়ের স্ট্রাগল!’

    মেজোমামা বলল, ‘মনে আবার নেই! তোর আর আমার বয়েসের ডিফারেন্স কত? আর একটু হলেই তো যমজ হয়ে যেতুম!’

    ‘দেখ মেজো, তোর মেমারি ভীষণ উইক। কিচ্ছু মনে রাখতে পারিস না। সাধে আর্টসের লাইনে যেতে হল। আমি মাঠে ক্রিকেট খেলছি ট্যাঁ করে শব্দ হল। দৌড়ে এলুম দেখি তুই হয়ে বসে আছিস!’

    মেজোমামা বলল, ‘তোমার তখন বয়েস কত?’

    বড়মামা বলল, ‘দশটশ হবে।’

    মেজোমামা বলল, ‘তার মানে, আমি যখন জন্মালুম আমার বয়েস আট; কারণ আমি তোমার চেয়ে দু’বছরের ছোট।’

    বড়মামা জানতে চাইল, ‘তাহলে জন্মালটা কে?’

    মেজোমামা বলল, ‘ছেড়ে দাও। অতীত ভেবে লাভ নেই। কপালে লিখিতং ধাতা কোন শালা কিং করিষ্যতি!’

    ঠিক সেই সময়ে একজন এসে ঢুকলেন ঘরে। সুদর্শন চেহারা। পরনে ধুতি। উন্নত ললাট। তীক্ষ্ন নাসা। নাকের ফুটো দুটো নস্যি নেবার মতো ফাঁদালো। মাথায় টাক। যেন গাছপাকা পেয়ারা…।

    মেজোমামা চৌকাঠ পেরিয়ে এসে ভেতর থেকে ডাকছে, ‘আসুন, আসুন পণ্ডিতম। আসুন!’ তারপর দাদা ও বোনের দিকে ফিরে গর্বভরে বলে উঠল, ‘সেই যে বলছিলুম, ইন্টারন্যাশনাল জেট সেট জ্যোতিষী! প্লেনে আলাপ। প্লেনটা আটকে গেল না!’

    বড়মামা বলল, ‘কোথায়, আকাশে! ট্রাফিক জ্যাম!’

    মেজোমামা বিরক্ত হয়ে বলল, ‘আঃ, দাদা! আইয়ে, আইয়ে পণ্ডিতজি, প্লিজ প্লিজ…।’

    ‘ওয়েলকাম, ওয়েলকাম। জাস্ট নাও উই ওয়্যার সিকিং অফ বরাত!’

    পণ্ডিতজি ঘরে এসে পড়েছেন। খুব মার্জিত ভঙ্গিতে তাঁর চলন। কথা বলছেন যেন দৈব্যবাণী হচ্ছে। বললেন, ‘সৌভাগ্য বললেন। দেখুন ভাগ্য আসতে না আসতেই সৌভাগ্য!’

    মেজোমামা সবাইকে বলল, ‘ইনি সমস্ত গ্রহ নক্ষত্র চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলেছেন-সারডাস্ট! সমস্ত চক্রান্ত ফাঁস করে দিয়েছেন। কাউকে আর ট্যাঁ ফোঁ করতে হচ্ছে না। একটা রেভলিউশান। প্ল্যানেটদের সমস্ত অসভ্যতা বন্ধ। ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা! হেঃ!’

    বড়মামা অবাক হয়ে বলল, ‘সে কী রে! কী ভাবে করলেন পণ্ডিতজি? ভয়ঙ্কর রকমের ভয়ঙ্কর। কী বল মেজো! নাঃ, আর সেমিনারের বারোটা বাজল!’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘সত্যি সত্যি, বারোটা বাজালে সে তো সব কুছ হো হি যাতা। ছোটা কাঁটা ভি বড়া কাঁটাকে সাথ…মিলজুলকে এক! বেপারটা হল কি মানুষ আর ভগবান এক হয়ে গেলো।’

    মেজোমামা মুখ ফসকে বলে ফেলল, ‘লে হালুয়া!’

    পণ্ডিতজি নিজের মনেই বলে চলেছেন, ‘এটা কুছু না। মঙ্গল ভি একটু ঢিলা আছে। টাইট দেনে সে ঠিক হো জায়গা। চলনে ফিরনে সে হোঁচট লাগতা হ্যায় কেয়া?’

    মেজোমামা বলল, ‘আশ্চর্য! কী করে বললে?’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘ওই যো আপনে বোলা থা, লে হালুয়া। এ বাত আপ নেহি, আপনা আত্মা বোলতা হ্যায়।’

    বড়মামা খুব বিস্মিত। বলল, ‘কেয়া বাত!’

    পণ্ডিতজি এইবার পরিষ্কার বাংলায় বলতে শুরু করলেন। যেন খোলস ছেড়ে বেরলেন। বললেন, ‘আপনার স্মরণশক্তি কম। ভুলে যান। মনে রাখতে পারেন না।’

    বড়মামার ভিরমি খাওয়ার মতো অবস্থা। বলল, ‘এ বাব্বা! এ ডেনজারাস! মানুষ খুন করতে পারেন। ওরে! কে কোথায় আছিস!’

    বড়মামার আর্তনাদে উদ্ধারকর্ত্রীর মতো ছুটে এল গান্ধারী। এ বাড়ির সব কিছু সে। হাতে বড় গেলাসে এক গেলাস জল। বড়মামার মুখের সামনে ধরে বলল, ‘ফিল্টারের জল। গরম-ঠান্ডা মেশানো। বডি টেম্পারেচার।’

    বড়মামা বলল, ‘তোর কাছে আমি জল চেয়েছি!’

    গান্ধারী বলল, ‘ওই যে বলে মেঘ না চাইতেই জল!’

    বড়মামা বলল, ‘ওঃ, এগুলো সব পেকে ঝুনো হয়ে গেছে। ডাক সবাইকে। দ্যাখ কে এসেছেন! আমাদের কত সৌভাগ্য যে, দয়া করে এসেছেন! রাজা মহারাজারাই তো এঁকে ঘিরে থাকেন!’

    বড়মামা থামতেই এ ঘরে মাসি এসে পড়ল। পণ্ডিতজিকে আপাদমস্তক দেখে নিয়ে এক পাশে বসে পড়ল।

    পণ্ডিতজির মুখখানা সর্বদাই যেন আনন্দে চোবানো। বললেন, ‘আর বলেন কেন? রাজা মহারাজারাই আমাকে শেষ করে দিল। সাধারণ মানুষের কাছে আসতে চাই। নো উপায়! গেছি পশুপতিনাথে। নেপালের রাজার কানে খবরটা ঠিক চলে গেছে। আমারই দোষ। মাস্ক ব্যবহার করিনি।’

    মাসি মুগ্ধ হয়ে শুনছিল। অবাক হয়ে বলল, ‘মুখোশ! মুখোশ পরেন নি?’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘বালিকা! সুইট গার্ল। মুখোশ নয় দেহোশ!’

    বড়মামা ভুরু কুঁচকে বলল, ‘হোয়াটস দ্যাট!’

    পণ্ডিতজি এবার করলেন কি, কাঁধে ফেলা নিজের চাদরখানা নিয়ে আপাদমস্তক নিজেকে ঢেকে নিলেন। ঠিক যেন ব্যান্ডেজবাঁধা মমি! বললেন, ‘এটা দৃশ্য চাদর। অদৃশ্য চাদরে নিজেকে ঢেকে ফেলা। যেমন, পৃথিবী, সূর্যের আলো থেকে নিজেকে মেঘে ঢাকে।’

    মেজোমামা খুব বিনীতভাবে বলল, ‘এখন একটু করে দেখাবেন! খুব ইচ্ছে করছে।’

    পণ্ডিতজি একটু যেন বিরক্ত হলেন। মেজোমামার চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘অবিশ্বাস! ছিঃ, ছিঃ, ছিঃ। বিশ্বাসের পৃথিবীতে বসবাস করো বাবাজি!’

    কেসটা অন্য দিকে ঘুরে যেতে পারে দেখে মাসি বলল, ‘তারপর কী হল ভগবানজি!’

    মাসির কথায় তিনি বিরক্ত হলেন না বটে কিন্তু সম্বোধনটা ঠিক পছন্দ হল না তাঁর বললেন, ‘অতটা নয়। ভগবান সেই এক। আমরা দাসানুদাস। আমার গুরুজি আগমাচার্য ডমরুবল্লভ বলতেন পৃথিবীতে যত ভেড়া আছে, সেই ভেড়াদের সব লোম এক জায়গায় করে তার থেকে একটা লোম তুলে নাও। সেইটে তুমি।’

    কথাটা মেজোমামার মনের মতো হয়েছে। বলল, ‘কেয়া বাত!’

    বড়মামা বলল, ‘তারপর কী হল? নেপাল?’

    পণ্ডিতজি শান্ত স্বরে বললেন, ‘রাজার কাছে খবর চলে গেছে। মানে, আমার ‘ভাইব্রেশান!’

    মাসি অবাক। চোখ দুটো এত বড় করেছে যেন পায়রার ডিম! বলল, ভাইব্রেশান?’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘কলকাতায় ভূমিকম্প হল। কোথায় হল?’

    মেজোমামা বলল, ‘কলকাতায় হল।’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘কেয়া বাত! কলকাতায় হল না। হল তেজপুরে। সেই কম্পনে কলকাতা থরথর। মহারাজার হাওদা চড়ানো হাতি এসে হাজির। যেতেই হবে। নেপালের একটু ক্রাইসিস যাচ্ছে তো!’

    মাসি বলল, ‘হাতি কেন? রাজার তো মার্সিডিজ, রোলস সবই আছে!’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘আমি লোহার গাড়ি চড়ি না। চড়লে গাড়ি আর চলবে না। আমি ম্যাগনেট। আমার বাহন হাতি, ঘোড়া, কাঠের রথ, গরুর গাড়ি, পুনপুন, রাশিয়ায় শীতকালে স্লেজ, সুইজারল্যান্ডে স্কি।’

    মাসি একরাশ কৌতূহল ঠেলে বলল, ‘কলকাতায়?’

    পণ্ডিতজি বসেছিলেন খাড়া হয়ে। একটু পেছনে হেলে গিয়ে বললেন, ‘পদব্রজে। অস্ট্রেলিয়ার প্রাইম মিনিস্টার আমাকে একটা ঘোড়া দিতে চেয়েছিলেন। বলে দিয়েছি, না। এদেশে ঘোড়ায় চাপলে ডাকাত ভাববে। চম্বলের গব্বর সিং। সামান্য একটা উপহারের জন্যে অত বড় পুরস্কার।’

    বড়মামা বলল, ‘কী উপকার পণ্ডিতজি?’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘আরে ওর বউ দুর্ঘটনায় মরতই। এ দেশের মেয়ে তো! ভীষণ ডাকাবুকো। রোজই একটা না একটা কিছুতে রক্তপাত হবেই হবে। দেখলুম, মঙ্গলটা ড্যামেজ আছে। দিলুম অ্যামপুট করে!’

    মেজোমামা বলে উঠল, ‘অ্যাঁ! অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অ্যামপুট হয়! লেগ-অ্যামপুট। গ্রহও অ্যামপুট করা যায়? কেতা বাত।’

    পণ্ডিতজি সকলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কি বলেছিলুম? বিশ্বাস করবে না মানুষ। জ্যোতিষ ভাগ্যগণনা নয় বিজ্ঞান। টেকনোলজি।’ পণ্ডিতজির ডান হাতটা সোফার অনেকখানি জায়গা জুড়ে খেলা করছিল। সেই হাতে কী যেন একটা আটকেছে। ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে বললেন, ‘এটা কী?’

    সকলে সমস্বরে বলে উঠল ‘হুইশল!’

    পণ্ডিতজি শান্ত গলায় বললেন, ‘কী সামান্য, অথচ কী ভয়ঙ্কর!’

    গান্ধারি বলল, ‘হ্যাঁ, ঠিক, ঠিক। আমার কাকা হাবিলদার ছিল। ওই হুইশল গলায় আটকে মরে গেল।’

    পণ্ডিতজি তাকে পালটা প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি কীসে মরবে?’ বলেই আশ্বাস দিলেন, ‘বেটি তুই যে বড়লোকের বউ হবি। পুষ্পক রথে চড়ে স্বর্গে যাবি।’

    মাসি বলল, ‘ও তো আমাদের গান্ধারী!’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘গান্ধারী শুধু তোমাদের কেন? গান্ধারী সমগ্র ভারতের, মহাভারতের। ওর ভাইব্রেশান শুক্রের ভাইব্রেশান। কত মেগা হার্জ বলে দিচ্ছি।’ এইবার তিনি হুইশলটার ফুঁ মেরে বারকতক ফিরির ফিরির করে বাজিয়ে নিয়ে বললেন, ‘কী কেমন লাগছে গান্ধারী?’

    গান্ধারী বলল, ‘মনে হল কানের ভেতর একটা গোদা মতো ঝিঁ ঝিঁ পোকা ডাকছে।’

    পণ্ডিতজি খলবলিয়ে বলে উঠলেন, ‘ধরে গেছে। রেখে দাও। রাতে স্বপ্ন দেখবে। উলটো মহাভারত, সিংহাসনে ধৃতরাষ্ট্র। অন্ধ নয়। চোখ ভালো হয়ে গেছে। গোল্ড ফ্রেমের চশমা। পাশে তুমি গান্ধারী। চোখের ফেট্টি খোলা। ধৃতরাষ্ট্রের হাতে একটা আয়না। মাঝে মাঝে তোমার মুখের সামনে তুলে ধরছেন, আর তুমি তোমার মুখ দেখে বলছ…’

    বড়মামা আনন্দে পণ্ডিতজিকে থামিয়ে দিয়ে আহ্লাদে বলে উঠল, ‘কেয়া বাত!’

    কথা শুনতে শুনতে গান্ধারী যেন হস্তিনাপুরে চলে গিয়েছিল। হঠাৎ ধড়মড় করে উঠে পড়ে বলল, ‘যাঃ, পুড়ে গেল।’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘কী জতুগৃহ?’

    গান্ধারী বলল, ‘ডাল।’ বলেই দৌড় দিল।

    মেজোমামা দরজার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘লে হালুয়া!’ তারপর বলল, ‘আপনার যন্ত্রটা এনেছেন। গ্রহ অ্যামপুট করার যন্ত্র।’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘সে তো পেসমেকারের মতো। ব্রহ্মতালুতে ফিট করে রাখতে হয়। ভাইব্রেশান মেপে ঠিক করে দি। শুক্রগ্রহ যে তালে চলছে, তার উলটো তালে বেঁধে দিলেই, সেই পার্টিকুলার গ্রহটা শুকনো সুপুরি পাতার মতো খুস করে খুলে পড়ে যাবে।’

    বড়মামা বলল, ‘কোথা থেকে খুলে পড়ে যাবে? কোথায় পড়বে?’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘আঃ, এই সামান্য জিনিসটা…আচ্ছা, এই আমি কথা বলছি, এখানে ওখানে যাচ্ছি। রেগে যাচ্ছি, ধমকাচ্ছি। গেলাস পত্তর ভাঙছি। তারপর একদিন ফট।’

    মেজোমামা বলল, ‘মানে মরে গেলেন!’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘তখন আমি ছবি হয়ে ওই দেয়ালে। নড়ি চড়ি না। বে-বাক! গ্রহটাকে ছবি করে দেব। অর্থাৎ ওই গ্রহটার থ্রম্বোসিস, পক্ষাঘাত। এর নাম অ্যাস্ট্রোলজিক্যাল থ্রম্বোসিস! না, আমাকে এবার উঠতে হবে। ওদিকে মহাসমস্যা।’

    বড়মামা বললেন, ‘কোন দিকে?’

    পণ্ডিতজি বললেন, ‘ওই ভারতের লেজে! যুগে যুগে লঙ্কাকাণ্ড! চাটার্ড ফ্লাইটে সিলোন যেতে হবে। দেখি। বড় শক্ত কাজ। পুরো দেশটার ভাইব্রেশান পাল্টাতে হবে। একটা ট্রান্সমিটারের কাজ আর এটা ভূকম্পন মাপার যন্ত্রের কাজ। কঠিন কঠিন সব সমস্যা। সৃষ্টি থাকে কি যায়! আচ্ছা, এই হুইশলটা রাখো। ঘরের ওই ঈশানকোণে দাঁড়িয়ে, নিয়ম করে ঘণ্টায় ঘণ্টায় তিনবার, তিন মিনিট গ্যাপে গ্যাপে, তিনমাত্রা বাজাবে। আর ওই জায়গাটায় একটা বড়চাঁড়ালের গাছ।’

    মাসি জানতে চাইল, ‘গান্ধারীর কি হবে!’

    পণ্ডিতজি উঠে দাঁড়িয়েছেন। চাদরখানা অর্ধেক কাঁধে অর্ধেক হাতে। বললেন, ‘বিয়ে হবে।’

    মাসি আঁতকে উঠে বলল, ‘সে কী ওকে ছাড়াব কি করে! মিত্তির বাড়ি অচল হয়ে যাবে।’

    পণ্ডিতজি দরজার দিকে পা বাড়িয়েছেন। শরীর থেকে আভা যেন ঝরে ঝরে পড়ছে। চৌকাঠ পেরিয়ে পেছনে ফিরলেন। উদ্ভাসিত হাসি ছড়িয়ে বললেন, ‘ঘরজামাই হবে!’

    সকাল আর নাবালক নেই। বাইরে ভাদ্রের চরম রোদে মধ্যাহ্ন বেহুঁশ হয়ে আছে। মিত্তির বাড়ির অন্দরমহল যেন মশা মারার পাকানো কয়েল! মাসি ঘরময় পাক মেরে মেরে পায়চারি করছে আর বলছে, ‘ঘরজামাই। মানে ঘরেই জামাই।’

    মাসি ঘুরছে। পেছন পেছন দুই ভাই। যেন সংকীর্তনের দল বেরিয়েছে। দুই ভাইও আউড়ে যাচ্ছে। গান যেমন সমে এসে পড়ে ঠিক সেই ভাবে সমবেত কণ্ঠে বলছে, ‘ঘরেই জামাই, ঘরের জামাই, ঘরের…।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিউলি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি দমফাটা হাসি – সম্পাদনা : সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }