Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    আবদুল হালিম এক পাতা গল্প73 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মায়া সভ্যতার ইতিহাস

    মায়া সভ্যতার উৎপত্তির ইতিহাস খুবই অস্পষ্ট এবং প্রায় অজানা। তবে পণ্ডিতরা এ বিষয়ে একমত যে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বহু শতাব্দী আগেই মায়ারা নতুন পাথর যুগের সভ্যতা আয়ত্ত করেছিলো। মায়া বিশেষজ্ঞদের মতে, খ্রীষ্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে মায়ারা কৃষি কাজ, মাটির পাত্র নির্মাণ প্রভৃতি আয়ত্ত করেছিলো। মায়া সভ্যতার মোটামুটি ইতিহাস জানা যায় ৩১৭ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে। এ সময়ের পরবর্তী ইতিহাসকে দুটো অংশে ভাগ করা চলে : মায়া সভ্যতার প্রথম স্তর (৩১৭-৯৮৭ খ্রীঃ) এবং মায়া সভ্যতার শেষ স্তর (৯৮৭- ১৬৯৭ খ্রীঃ)।

    ৩১৭ খ্রীষ্টাব্দের দিকে মায়া সভ্যতার প্রথম সূত্রপাত ঘটেছিলো সম্ভবত বর্তমান গুয়াতেমালার অন্তর্গত পিটেন অঞ্চলের নিম্নভূমিতে। মায়ারা যখন এখানে প্রথম আসে তখন এ অঞ্চলে এত গভীর বন ছিলো যে মায়া কৃষকদের বারবার গাছ কেটে আর গাছ পুড়িয়ে বন পরিষ্কার করতে হয়েছিলো। এভাবে কঠোর পরিশ্রম করে মায়ারা এ অঞ্চলে বন কেটে বসতি স্থাপন করে ও জমি আবাদ করে। মায়ারা ভুট্টা, শিম, লাউ, মিষ্টি আলু, টমাটো, কাসাভা প্রভৃতির চাষ করতো।

    মায়া সভ্যতার প্রথম স্তরে টিকল, কোপান, পালেদ্ধ প্রভৃতি শহরকে কেন্দ্ৰ করে মায়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো। এ আমলের মায়া সভ্যতার কেন্দ্রগুলো প্রধানত গুয়াতেমালাতেই অবস্থিত ছিলো। পালে শহরটি অবশ্য ছিলো মেক্সিকোতে। আর কোপান শহরটি ছিলো বর্তমান হণ্ডুরাস দেশে। তবে তখন এ পাশাপাশি দেশগুলো একই অঞ্চলের অন্তর্গত বলে গণ্য হতো।

    প্রথম পর্যায়ের মায়া সভ্যতায় সভ্যতা-সংস্কৃতির গভীর উৎকর্ষের প্রকাশ ঘটালেও, ৯৮৭ খ্রীষ্টাব্দের দিকে এ সভ্যতার অবনতি ঘটে। কোনো অজানা কারণে এ অঞ্চলের অধিবাসীরা সবগুলো শহরকে অকস্মাৎ পরিত্যাগ করে। কোনো কোনো পণ্ডিতের মতে, দীর্ঘকাল এক স্থানে চাষ করার ফলে জমি ক্রমশ নিষ্ফলা হয়ে পড়েছিলো, তখন বাধ্য হয়ে মায়ারা অনেক দূরে নতুন ও অনাবাদী জমিতে গিয়ে বসবাস করতে শুরু করেছিলো। এরপর মায়া সভ্যতার কেন্দ্রভূমি স্থানান্তরিত হয় আরও উত্তরের ইউকাতান উপদ্বীপে। এভাবে দশম শতাব্দীতে গুয়াতেমালা অঞ্চলে গড়ে ওঠা মায়া সভ্যতার প্রথম পর্যায়ের অবসান ঘটে।

    মায়া সভ্যতার দ্বিতীয় বা শেষ পর্যায়ে বর্তমান মেক্সিকোর পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ইউকাতান উপদ্বীপে নতুনভাবে মায়া সভ্যতার পুনর্জন্ম ঘটে। ইউকাতান উপদ্বীপটি ছিলো গুয়াতেমালা থেকে উত্তর দিকে। মায়া সভ্যতার প্রথম পর্যায়ে এ অঞ্চল মায়া সভ্যতার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো কিন্তু তখন এখানে মায়া সভ্যতার কোনো উন্নত প্রকাশ ঘটেনি।

    দশম শতকে গুয়াতেমালা অঞ্চলের মায়া অধিবাসীরা কোনো অজ্ঞাত কারণে ইউকাতান অঞ্চলে চলে যায়। তখন সেখানে মায়া সভ্যতার দ্বিতীয় পর্যায়ের উদয় ঘটে। এ পর্যায়ে ইউকাতান অঞ্চলে চিচেন ইটজা, মায়াপান, উক্সমাল প্রভৃতি নগরকে কেন্দ্র করে মায়া সভ্যতার বিকাশ ঘটে। দ্বিতীয় পর্যায়ের মায়া সভ্যতা ৯৮৭ খ্রীষ্টাব্দ থেকে ১৬৯৭ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিলো। তবে এ পর্যায়ের মায়া সভ্যতার বিকাশের ইতিহাস নিরবচ্ছিন্ন অগ্রগতির ইতিহাস নয়। ইউকাতান অঞ্চলের মায়া নগরগুলোর মধ্যে বহু শত বছর ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলেছিলো। পনেরো শতক থেকে ইউকাতান অঞ্চলের মায়া সভ্যতায় অবক্ষয় ও পতনের লক্ষণ ফুটে উঠতে থাকে। এক পর্যায়ে মায়াদের অভ্যন্তরীণ কলহ ও যুদ্ধের পরিণতিতে মায়াপান শহরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও মায়া সভ্যতা ১৬৯৭ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত টিকে ছিলো।

    কর্টেজের নেতৃত্বে স্পেনীয় সৈন্যরা যখন ১৫১৯ খ্রীষ্টাব্দে মেক্সিকোর আজটেক সাম্রাজ্যকে আক্রমণ করে তখন স্পেনীয়রা মায়াদের রাজ্য সম্পর্কে কোনো খোঁজ খবর পায় নি। ১৫২১ খ্রীষ্টাব্দে স্পেনীয়রা আজটেকদের পরাজিত করে মেক্সিকোর অধিপতি হয়। এরপর স্পেনীয়রা মধ্য মেক্সিকো থেকে দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে মায়াদের রাজ্য আক্রমণ করে। আবার পানামার অন্য একদল স্পেনীয় সৈন্যও মায়াদের রাজ্য আক্রমণ করতে এগিয়ে যায়। স্পেনীয়রা মায়াদের রাজ্য প্রথম আক্রমণ করে ১৫৫৯ খ্রীষ্টাব্দে। মায়াদের সাথে স্পেনীয়দের লড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলেছিলো। অনেক শহরের মায়ারাই দুর্গম অরণ্যে আশ্রয় নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৬৯৭ খ্রীষ্টাব্দে স্পেনীয়রা মায়াদের রাজ্য পুরোপুরি দখল করতে সক্ষম হয়। এভাবে ১৬৯৭ খ্রীষ্টাব্দে মায়া সভ্যতা চিরকালের মতো ধ্বংস হয়ে যায়।

    মায়া শিল্পকলা

    স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে মায়ারা পরম উৎকর্ষের পরিচয় দিয়েছে। মায়াদের মন্দির, প্রাসাদ, পিরামিড প্রভৃতি নির্মিত হতো এক একটা চত্বরকে ঘিরে। মায়ারা যে পিরামিড তৈরি করতো তা মিশরের যেসব পিরামিডের সাথে আমরা পরিচিত তার থেকে অন্য রকম ছিলো। মায়াদের পিরামিড ছিলো ধাপ-পিরামিড। প্রথমে মাটি বা পাথর ফেলে ফেলে উঁচু চৌকোনা ঢিবি বা পাহাড় তৈরি করা হতো। তাতে চারপাশ দিয়ে ধাপ কেটে কেটে ঢিবিটাকে ক্রমশ উপরের দিকে ছোট করে আনা হতো। তখন দেখলে মনে হতো যে একটা মাথা কাটা পিরামিডের উপর তার চেয়ে ছোট আরেকটা মাথা কাটা পিরামিড বসিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার উপর আরেকটা, তার উপর আরেকটা। এভাবে একটা ধাপ-পিরামিড তৈরি করা হতো যার উপর ভাগে থাকতো একটা চৌকোনা সমতল ভূমি। এ সমতল স্থানটার উপর একটা মন্দির তৈরি করা হতো। মন্দিরে ওঠার জন্য পিরামিডের গায়ে একটা সিঁড়ি নির্মাণ করা হতো। সমস্ত পিরামিডটিকে পাথরের ইটের আস্তরণ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হতো। এভাবে ধাপ-পিরামিড তৈরি করা হতো। মায়াদের ধাপ- পিরামিডের মাথায় থাকতো একটা মন্দির। এ ধাপ-পিরামিডগুলোর সাথে প্রাচীন ব্যবিলনিয়ার ডিগেগুরাট-মন্দিরের মিল আছে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে প্রাচীন মিশরেও প্রথম দিকে ধাপ-পিরামিড তৈরি করা হতো। প্রাচীন মিশরে শেষ পর্যায়ে জ্যামিতিক আকৃতির মসৃণ ও শীর্ষবিন্দুবিশিষ্ট পিরামিড তৈরি করা হতো। তবে মিশরে প্রথম পর্যায়ে নির্মিত ধাপ-পিরামিডের উপর অবশ্য কোনো মন্দির নির্মিত হতো না।

    মায়া আমলের ভাস্কর ও স্থপতিরা সাধারণত কাঠ ও পাথরের হাতিয়ার ব্যবহার করতেন। মায়ারা কোনো রকম ধাতুর হাতিয়ার ব্যবহার করতো না বলেই পণ্ডিতরা মনে করেন, কারণ মায়াদের কোনো শহরেই কোনো রকম ধাতুর হাতিয়ারের সন্ধান পাওয়া যায় নি। মায়াদের রাজ্যে চুনাপাথর প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেতো। চুনাপাথর পুরিয়ে মায়ারা চুন তৈরি করতো; এ চুনের সাথে পাথরের কুচি মিশিয়ে এক ধরনের সুরকি বা মশলা তৈরি করতো। পাথরের নুড়ির সাথে এ মশলা মিশিয়ে তা দিয়ে মায়ারা মজবুত দালান কোঠা তৈরি করতো। এসব দালান কোঠার দেওয়ালে তারা অবশ্য পাথরের ইটের আস্তরণ দিতো। মায়ারা দোতলা ও তিনতলা দালান তৈরি করতে পারতো।

    মায়াদের ভাস্কর্য প্রধানত তাদের স্থাপত্যকে অবলম্বন করেই গড়ে উঠছিলো I মন্দির ও পিরামিডের গায়ে ও ধাপগুলোকে অলংকৃত করার জন্য নানা রকম মূর্তি ও ছবি খোদাই করা হতো। মায়াদের পিরামিড, প্রাসাদ প্রভৃতির অলংকরণের জন্য মায়ারা দেবদেবীর মূর্তি বা দেবদেবীর সাথে সম্পর্কিত জীবজন্তু ও প্রাণীর মূর্তি নির্মাণ ও খোদাই করতো। ব্যাঙ, সাপ, জাগুয়ার এবং পাখি ছিলো দেবদেবতার সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রাণী। চিচেন ইটজা প্রভৃতি নগরে এসকল প্রাণী ও দেবদেবীর মূর্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। মায়ারা সুন্দর ছবি আঁকতে পারতো। তবে মায়াদের আঁকা কোনো দেওয়াল চিত্রের সন্ধান পাওয়া যায় নি। তবে মায়ারা মূর্তি ও দেয়ালের গায়ে সুন্দরভাবে রঙের প্রলেপ দিতে পারতো। মায়াদের বই বা পাণ্ডুলিপিতে অবশ্য ছবি থাকতো।

    মায়ারা চারকোণা পাথরের স্তম্ভ ও ফলকের উপরে নানা রকম বিবরণ ও সন- তারিখ খোদাই করে রাখতো। এসকল শিলালিপি ও পাথরের স্তম্ভ ৩ ফুট থেকে ২৭ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতো।

    মায়ারা সুন্দর ডিজাইনের কাপড় বুনতে পারতো, জেড পাথরের মূর্তি তৈরি করতো, মাটির চিত্রিত পাত্র তৈরি করতো এবং সোনা ও রূপার সুন্দর অলংকার তৈরি করতে পারতো।

    মায়াদের রাষ্ট্র ও সমাজ

    মায়াদের সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো অনেকগুলো স্বতন্ত্র ও স্বাধীন নগর-রাষ্ট্রকে ভিত্তি করে। এক একটা নগর-রাষ্ট্রে ২৫,০০০ বা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক লোক থাকতো। মায়াদের সমাজে সামাজিক শ্রেণীবিভাগ বিদ্যমান ছিলো। সবচেয়ে উঁচু শ্রেণীতে ছিলো অভিজাত ও পুরোহিত শ্রেণীর স্থান। তাঁদের নীচে ছিলো কৃষক, কারিগর ও ব্যবসায়ীদের স্থান। এদের নীচে ছিলো দরিদ্র ও সম্পত্তিহীন স্বাধীন মানুষের স্থান। সমাজের সবচেয়ে নীচে ছিলো দাস শ্রেণীর স্থান। মায়াদের রাজ্যের সবচেয়ে কঠোর পরিশ্রমের কাজ দাসদেরই করতে হতো।

    মায়াদের প্রত্যেক নগর-রাষ্ট্রে একজন করে শাসক বা রাজা থাকতেন। সামাজিক, ধর্মীয় ও যুদ্ধের ব্যাপারে রাজাই ছিলেন সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী নগর-রাষ্ট্রের অধীনস্থ গ্রাম ও ছোট ছোট নগরের জন্য গ্রাম-প্রধান বা নগর-প্রধান প্রভৃতিকে নিয়োগ করতেন ঐ নগর-রাষ্ট্রের রাজা। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাজা একটা পরামর্শ সভা বা উপদেষ্টা-পরিষদ গঠন করতেন। গ্রাম-প্রধানগণ, পুরোহিতগণ ও বিশিষ্ট পরামর্শদাতারা এ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হতেন। রাষ্ট্রের শাসন-কাজ পরিচালনার জন্য রাজা নানা পর্যায়ে শাসক ও প্রশাসক নিয়োগ করতেন। রাজার আত্মীয়স্বজনদের মধ্য থেকেই এ সকল শাসক-প্রশাসকদের নির্বাচন করা হতো। রাজা ও বিভিন্ন পর্যায়ের শাসক-প্রশাসকদের নিয়েই রাজ্যের অভিজাত শ্রেণী গঠিত হয়। রাজা মারা গেলে বা সিংহাসন ত্যাগ করলে তাঁর ছেলে রাজা হতেন। পুরোহিতদের মধ্যেও কাজের গুরুত্ব অনুসারে শ্রেণী বিভাগের প্রচলন ছিলো। সমাজে পুরোহিতদের স্থান ছিলো অভিজাত শ্রেণীর সমান স্তরে বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদেরও উপরে।

    মায়া অর্থনীতি

    কৃষিকাজ ছিলো মায়া অর্থনীতির ভিত্তি। মায়ারা বন পুড়িয়ে আর গাছ কেটে বন পরিষ্কার করতো, তারপর সে জমিতে চাষাবাদ করতো। মায়ারা লাঙল বা এজাতীয় কোনো চাষের যন্ত্র ব্যবহার করতো না। তারা প্রধানত কাঠের শাবল দিয়ে মাটিতে গর্ত করে তাতে বীজ রোপণ করতো। তবে মায়ারা পানি সেচের কৌশল জানতো। মায়ারা ভুট্টা, লাউ, সিম, মিষ্টি আলু, টমাটো, কাসাভা, মরিচ, নানা রকম ফল প্রভৃতির চাষ করতো। এবং মৌচাক থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করতো। মায়ারা টার্কি নামক এক জাতীয় মুর্গী পুষতো ও তার মাংস খেতো।

    মায়াদের সমাজে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছিলো। বড় বড় শহরগুলোতে নির্দিষ্ট দিন অন্তর হাট বা মেলা বসতো। ব্যবসায়ীরা হাঁটা পথেও মালপত্র নিয়ে আসতো, জলপথেও আনতো। নদীপথে যাওয়ার সময়ে বণিকরা বড় বড় নৌকায় মাল ভর্তি করে নিয়ে যেতো। মায়া কারিগররা পাথরের অস্ত্র, কাঠ, হাড়, পাথরের জিনিসপত্র ও পালকের টুপি প্রভৃতি তৈরি করতো। মায়ারা টাকা কড়ি বা ধাতুর মুদ্রা ব্যবহার করতো না। তারা কোকো ফলের দানাকে মুদ্রা বা টাকা হিসাবে ব্যবহার করতো।

    মায়ারা ধাতুবিদ্যা আয়ত্ত করতে পারেনি। এর অর্থ হলো তারা আকর গলিয়ে ধাতু নিষ্কাশণ করতে পারতো না বা ধাতুকে গলিয়ে ছাঁচে ঢালাই করতে পারতো না। তবে, আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, কোনোক্রমে তামা বা সোনা পেলে তারা তা দিয়ে গয়না বা ছোট ছোট ঘণ্টা তৈরি করতে পারতো। এ রকম সোনা বা তামা পাওয়া যায় পাহাড় ও মৃত আগ্নেয়গিরির গায়ের ভিতরের সোনা বা তামার শিরা থেকে। মায়ারা এ রকম তামা বা সোনার টুকরোকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে নির্দিষ্ট আকৃতির গয়না বা ঘণ্টা প্রভৃতি তৈরি করতে পারতো। মায়ারা অস্ত্র বা পাত্ৰ প্রভৃতি তৈরি করতো পাথর কেটে। মায়াদের অঞ্চলে অসিডিয়ান পাথর পাওয়া যেতো। অবসিডিয়ান হচ্ছে এক ধরনের প্রাকৃতিক কাঁচ। এ পাথরটা যেমন শক্ত, তেমনি ধারালোও হতে পারে। অবসিডিয়ান দিয়ে মায়ারা অস্ত্র এবং নানা ধরনের পাত্র এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি করতো।

    মায়াদের ধর্ম

    মায়ারা সূর্যের পূজা করতো। পিরামিডের মাথায় মায়াদের যে মন্দির থাকতো সেখানে সব সময় একটা পাথরের বেদী থাকতো। এ বেদীর উপরে সূর্য দেবতার উদ্দেশে মানুষকে বলি দেওয়া হতো। সূর্য ছাড়াও মায়ারা আরো অনেক দেবতার পূজা করতো। ধর্ম ছিলো মায়াদের সমগ্র জীবনযাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। মায়াদের ধর্ম চেতনা তাদের সমগ্র সামাজিক ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রিত করতো। মায়াদের রাষ্ট্রব্যবস্থাও পুরোহিততন্ত্র ও ধর্মতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো। মায়াদের সমাজে একমাত্র পুরোহিতরাই হায়ারোগ্লিফিক ধরনের অক্ষর লিখতে ও পড়তে পারতো। তাই মন্দিরের বা প্রাসাদের দেওয়ালে ও সামনের অংশে এবং শিলালিপিতে খোদাই করে লেখার কাজটা পুরোহিতরাই করতো। সমগ্র রাষ্ট্রীয় ভবন, পিরামিড, মানমন্দির প্রভৃতি নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব ও অধিকার ছিলো পুরোহিতদের হাতে। তাই মায়াদের সমগ্র জীবনধারার উপর পুরোহিতদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় ছিলো।

    মায়াদের রাজ্যে এক ধরনের বল খেলার প্রচলন ছিলো। বল খেলা হতো পাথর দিয়ে বাঁধানো একটা চত্বরে। চত্বরের চারদিক উঁচু দেওয়াল দিয়ে ঘেরা থাকতো। বলটা তৈরী হতো জমাট রবার দিয়ে; এর ব্যাস ছিলো প্রায় ৬ ইঞ্চি। খেলোয়াড়রা হাত দিয়ে বল ধরতে পারতো না, কেবল পশ্চাতদেশ দিয়ে বা কনুই দিয়ে বলটিকে আঘাত করা যেতো। জমাট রবারের বল অবশ্য মাটিতে পড়লে সহজেই লাফিয়ে উঠতো। তবে কখনও যদি বলটা ‘নিষ্প্রাণ’ হয়ে মাটিতে পড়ে যেতো বা পরে থাকতো, তাহলে যাদের দোষে বলটা ‘মরে’ যেতো সে দলের খেলোয়াড়দেরও দেবতার উদ্দেশে বলি দেওয়া হতো। খেলা ঠিকমত পরিচালিত হলেও অবশ্য এ উপলক্ষে এক বা একাধিক মানুষকে বলি দেওয়া হতো।

    এ বল খেলা ছিলো মায়াদের সমাজে এক গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দেওয়ালের উপরে নির্মিত প্রশস্ত আসনে বসে অভিজাত মায়ারা এ খেলা দেখতেন। সাধারণ নাগরিকরা নীচে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতেন। এ বল খেলা ক্রমশ মেক্সিকো অঞ্চলে ও পরবর্তীকালে আজটেকদের মধ্যে প্রচলিত হয়েছিলো। কোনো কোনো স্থানে দেওয়ালের গায়ে পাথরের গোলাকার চক্র বসানো থাকতো, যার মধ্য দিয়ে বলটাকে ফেললে খেলায় জিত হতো।

    মায়াদের জ্ঞানবিজ্ঞান

    মায়াদের ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য এবং কৃষিকাজের প্রয়োজনে জ্যোতির্বিদ্যার চর্চা এবং সময় নিরূপণের বিষয়ে তারা খুবই মনোযোগী ছিল। তারা চাঁদ, সূর্য ও নক্ষত্রকে পর্যবেক্ষণ করে জোতির্বিদ্যায় খুবই পারদর্শিতা অর্জন করেছিলো। মায়ারা তাদের জ্যোতির্বিদ্যার জ্ঞান প্রয়োগ করে একটা বার্ষিক পঞ্জিকা বা ক্যালেণ্ডার আবিষ্কার করেছিলো। মায়ারা দু রকম বছরের হিসাব রাখতো। একটা ছিলো পবিত্র বছর-এটা ছিলো ২৬০ দিনের। আরেকটা ছিলো সাধারণ হিসাবের বছর—এতে ৩৬০ দিনে বছর গণনা করা হতো এবং তার সাথে ৫টা অপয়া দিন যোগ করা হতো। অর্থাৎ সাধারণ হিসাবের বছর ছিলো ৩৬৫ দিনে। তাই বলা চলে মায়াদের ৩৬৫ দিনের সৌর বছরের হিসাব প্রায় নিখুঁত ছিলো। একটু হিসাব করলেই দেখা যাবে সাধারণ বছরের হিসেবে ৫২ বছরে যতদিন হয়, পবিত্র বছরের হিসেবে ৭৩ বছরে ততদিন হয় (কারণ, ৫২ × ৩৬৫ = ১৮৯৮০ দিন এবং ২৬০ × ৭৩ = ১৮৯৮০ দিন)। তাই মায়াদের গণনায় প্রতি ৫২ বছর অন্তর দুই ধরনের বছরের হিসাবে একই দিনে নববর্ষের শুরু হতো। এ দিনটিকে মায়ারা বিশেষ মর্যাদার সাথে উদযাপন করতো। মায়াদের গণনায় তাই ৫২ বছরের একটা কালচক্র ছিলো।

    মায়ারা লেখন পদ্ধতি এবং সংখ্যা লেখার পদ্ধতি জানতো। মায়া সভ্যতার প্রথম পর্যায়ে তারা শুধু পাথরের ফলকে ও মাটির পাত্রে খোদাই করে লিখতো। মায়া সভ্যতার শেষ পর্যায়ে তারা হাতে লেখা বইয়ে তাদের কথা লিখে রাখতো। মায়ারা চিত্রলিপি ও প্রতীকধর্মী লিপিতে লিখতো। প্রাচীন মিশরীয়রা যেমন এক এক রকম ছবি দিয়ে এক এক রকম শব্দ বা কথা বোঝাতো, মায়ারাও তেমনি এক একটি ছবি বা প্রতীক দিয়ে এক এক রকম শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বোঝাতো। অবশ্য মিশরীয়দের চিত্রলিপি আর মায়াদের চিত্রলিপি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। মায়াদের লেখা বা চিত্রলিপির অর্থ এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায় নি।

    স্পেনীয়রা যখন মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালা অঞ্চল অধিকার করে তখন মায়া অঞ্চলের নগরগুলোতে অজস্র হাতে লেখা বই ছিলো। মায়া পুরোহিতরা এ সব বই লিখেছিলেন। স্পেনীয় পাদ্রীরা এ সব বইকে ‘শয়তানের কাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। মাত্র তিনটি বা চারটি বই কোনো ক্রমে রক্ষা পেয়েছিলো। এ বইগুলো এখন ড্রেসডেন, প্যারিস এবং মাদ্রিদে আছে, কিন্তু এগুলো কেউ এখন পড়তে পারেন না। প্রথম দিকে ইউকাতান অঞ্চলে কয়েকজন স্পেনীয় পাদ্রী কষ্ট করে মায়া ভাষায় লেখা বই পড়তে শিখেছিলেন। কিন্তু তারপর এ বিদ্যা লোপ পেয়ে গেছে। এখন আর মায়ারা বা ইউরোপীয়রা কেউই সে ভাষা পড়তে পারেন না। তবে স্পেনীয় অধিকারের প্রথম অবস্থায় অর্থাৎ ষোল সতেরো শতকে মায়া শিলালিপির কতগুলো লেখা মায়া পুরোহিতদের সহায়তায় স্পেনীয় ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছিলো। তা থেকে মায়াদের সভ্যতা ও ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গেছে। তবে, মায়াদের ধর্ম, বিজ্ঞান, গণিত, চিকিৎসা-বিদ্যা প্রভৃতি বিষয়ক সব বই-ই ধ্বংস হয়ে গেছে।

    মায়ারা এক ধরনের সংখ্যা লেখার পদ্ধতি জানতো। মায়ারা শূন্য সংখ্যার ব্যবহার জানতো। স্থানীক অংক পাতন পদ্ধতির জ্ঞানও তাদের ছিলো। অর্থাৎ আমরা যেমন ১১১ লিখলে ডানদিক থেকে প্রথম ১ দিয়ে ১, দ্বিতীয় ১ দিয়ে ১০ এবং তৃতীয় ১ দিয়ে ১০০ বুঝাই, মায়ারাও অনেকটা এ ধরনের সংখ্যা পাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেতো। তবে আমাদের অংক লেখার ভিত্তি যেমন ১০, মায়াদের সংখ্যা লেখার ভিত্তি ছিলো ২০। আবার, আমরা যেমন ডান দিক থেকে শুরু করে বাঁ দিকে একক দশক বলে এগিয়ে যাই, মায়ারা তেমনি নীচে থেকে শুরু করে উপর দিকে এক, কড়ি এভাবে অংক লিখতো। অনেকে মনে করেন যে মায়ারা শূন্য ও স্থানিক পদ্ধতিতে অংক লেখার পদ্ধতি নিজেরাই আবিষ্কার করেছিলো। কিন্তু মায়াদের অনেক আগেই যে ব্যবিলনীয়রা শূন্য ও স্থানিক অংক পাতন পদ্ধতির আবিষ্কার করেছিলো তার প্রমাণ রয়েছে। (ব্যবিলনীয়রা অবশ্য ৬০ ভিত্তিক অংক পাতন পদ্ধতি অনুসরণ করতো।) এটা তাই অসম্ভব নয় যে ব্যবিলনীয় উৎস থেকেই মায়ারা শূন্য ও অংক লেখার পদ্ধতি শিখেছিলো। তবে এ বিষয়ে পণ্ডিতরা এখনও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন নি।

    মায়াদের রাজ্যে ছাত্রদের বিদ্যাশিক্ষার জন্য বিদ্যালয় ছিলো। তবে প্রধানত পুরোহিতদের জন্যই এ বিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। এ সব বিদ্যালয়ে কি কি শেখানো হতো তা জানা যায় নি; তবে সেখানে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বিষয়ে যে বিশেষভাবে শিক্ষা প্রদান করা হতো তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ধর্মীয় সংস্থার অন্তর্ভুক্ত মহিলাদের জন্য আলাদা মঠ ছিলো। মায়াদের মধ্যে পরবর্তীকালের আজকেটদের মতো যুদ্ধপ্রবণতা বা রণলিপ্সা ছিলো না। মায়াদের প্রয়াস প্রধানত শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্মের দিকেই নিয়োজিত হয়েছিলো। তবে মায়াদের কাছে যুদ্ধ একেবারে অজানা বিষয় ছিলো না। মায়াদের বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধও সংঘটিত হয়েছে। তাই মায়াদের সমাজে যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষাদানের ব্যবস্থাও ছিলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ত্রাহিমাম – সৌমিক দে
    Next Article ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    Our Picks

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026

    ঠাকুরমার ঝুলি – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

    March 20, 2026

    মায়া, আজটেক ও ইনকা সভ্যতা – আবদুল হালিম

    March 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }