Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    মার্ক টোয়েন এক পাতা গল্প767 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘুঙড়ি কাশির ব্যাপারে ম্যাকউইলিয়ামস পরিবারের অভিজ্ঞতা

    ঘুঙড়ি কাশির ব্যাপারে ম্যাকউইলিয়ামস পরিবারের অভিজ্ঞতা
    Experience of the Mcwilliamses With Membranous Croup

    ঘটনাক্রমে কোন যাত্রাপথে নিউ ইয়র্ক-এর জনৈক সহৃদয় ভদ্রলোকের সঙ্গে লেখকের দেখা হয়েছিল; কাহিনীটি তার মুখেই শোনা।

    দেখুন, সেই ভয়ংকর দুরারোগ্য ঝিল্লির প্রদানজনিত ঘুড়ি কাশি কি ভাবে গোটা শহরটাকে ধ্বংস করে দিতে উদ্যত হয়েছিল এবং সব মায়েদের আতংকে উন্মাদপ্রায় করে তুলেছিল সে কথা বলবার আগে আমি গোড়ার কথায়ই ফিরে যাচ্ছি। ছোট্ট পেনিলোপ-এর দিকে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমি মিসেস ম্যাকউইলিয়ামসকে বললামঃ

    প্রিয়তম, আমি হলে কিন্তু মেয়েটি কে ঐ দেবদারুর কাঠি চুষতে দিতাম না।

    ধন আমার, এতে ক্ষতি কি হচ্ছে? মুখে এ কথা বললেও কার্যত সে চুষিকাঠি টা নিয়ে নিতে রাজী হল-অতি বড় যুক্তিপূর্ণ প্রস্তাবকেও। মেয়েরা কখনও বিনা তর্কে মেনে নিতে পারে না; মানে, বিবাহিতা মেয়েরা।

    আমি জবাব দিলাম, ভালবাসার ধন, একথা তো সকলেই জানে যে শিশু দের পক্ষে দেবদারুই হচ্ছে সব চাইতে পুষ্টিহীন কাঠ।

    আমার স্ত্রীর হাতটা থেমে গেল, কাঠি টা আর নেওয়া হল না। নিজেকে যথেষ্ট সংযত করে বললঃ

    হুবি, এর চাইতেও বেশী কিছু তুমি তো জান। আর সে কথা তোমার অজানা নয়। সব ডাক্তাররাই বলেন যে, দেবদারু কাঠে যে তার্পিন থাকে সেটা দুর্বল শিরদাঁড়া ও মূত্রাশয়ের পক্ষে উপকারী।

    ওহো-আমার তাহলে ভুল ধারনা ছিল। আমি জানতাম না যে আমাদের মেয়েটির মূত্রাশয় ও শিরদাঁড়ার রোগ আছে, আর বিখ্যাত ডাক্তারবাবুটি বলেছেন যে-

    কে বলল যে মেয়ের শিরদাঁড়া ও মূত্রাশয় খারাপ হয়েছে?

    সে কি গো, তুমিই তো বললে।

    কী আশ্চর্য! এরকম কোন কথাই আমি বলি নি।

    সে কি প্রিয়, দু মিনিট ও হয় নি এই তো তুমি বললে-

    রেখে দাও আমি কি বলেছি! কি বলেছি না বলেছি তা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই। মেয়েটি যদি ইচ্ছা করে একটু পাইন-কাঠি চুষে থাকে তাতে কোন ক্ষতি নেই। আর সেটা তুমি ভাল করেই জান। এটা ও চুষবেই! এই নাও তো মামণি!

    আর কোন কথা নয় প্রিয়। তোমার যুক্তির জোর আমি বুঝতে পেরেছি। আজই গিয়ে দুই-তিন বাণ্ডিল ভাল পাইন-কাঠির ওর্ডার দিয়ে আসব। আমার মেয়ে চাইবে আর আমি-

    দয়া করে তোমার আপিসে যাও তো, আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দাও। কেউ কিছু বললেই হল, অমনি তুমি তর্কের পর তর্ক জুড়ে দাও আর শেষ পর্যন্ত কি যে বল তা নিজেই বুঝতে পার না। হ্যাঁ, তাই তুমি কর!

    ঠিক আছে, তুমি যা বলছ তাই করব। কিন্তু তোমার শেষ কথাটির মধ্যে যে কোন যুক্তিই নেই-

    যা হোক, আমার কথা শেষ হবার আগেই সে মেয়েকে নিয়ে সগৌরবে নিষ্ক্রান্ত হল। আর রাতে খাবার সময় সে যখন সামনে এসে দাঁড়াল তখন তার মুখ কাগজের মত সাদা:

    ওঃ মার্টিমার, আবার একজন! ছোট জর্জি গর্ডনকেও ধরেছে।

    ঘুঙড়ি কাশি?

    ঘুঙড়ি কাশি।

    আশা আছে তো?

    কোন আশা নেই। ওঃ, আমাদের কি হবে!

    একটু পরে শুভরাত্রি জানাতা ও মায়ের পায়ের কাছে বসে যথারীতি প্রার্থনা জানাতে পেনিলোপকে নিয়ে নার্স ঘরে ঢুকল। এবার আমি ঘুমিয়ে পড়ব, বলতে বলতেই সে একটু কাশল! আমার স্ত্রী মৃত্যু-তাড়িতের মত চমকে সরে দাঁড়াল। কিন্তু পরমুহূর্তেই আত্মস্থ হয়ে যথাবিহিত কাজে মনোনিবেশ করল।

    তখনই হুকুম করল, শিশুটির বিছানা যেন আমাদের শোবার ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর সে হুকুম তামিল হল কি না দেখবার জন্য তখনই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। অবশ্য আমাকেও সঙ্গে নিয়ে গেল। অতি দ্রুত সব ব্যবস্থা করা হয়ে গেল। আমার স্ত্রীর সাজ-ঘরে নার্সের জন্য একটা খাঁটি য়া পাতা হল। কিন্তু তখনই মিসেস ম্যাকউ ইলিয়ামস্ বলে উঠল, আমরা যে অন্য ছেলের কাছ থেকে অনেকটা দূরে চলে এলাম; রাতের বেলায় তার মধ্যেও যদি রোগের লক্ষণ দেখা দেয় তখন কি হবে-বেচারি আবার ভয়ে একেবারে সাদা হয়ে গেল।

    তখন আমরা সেই ছোট বিছানা ও নার্সকে আমার ছেলেমেয়েদের ঘরেই ফেরৎ পাঠালাম এবং আমাদের বিছানাটা পাতলাম পাশের একটা ঘরে।

    ইতিমধ্যে মিসেস ম্যাকউইলিয়ামস্ আবার বলল, ধর পেনিলোপ-এর রোগ যদি ছেলেকে ধরে? একথা ভাবতেই তার মনে আবার ভয় ধরে গেল এবং আমরা সকলে মিলে ছোট বিছানাটা নার্সারিতে নিয়ে যাবার পথেই সে নিজে এসে সেটাতে হাত লাগাল এবং তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সেটাকে মাটিতে ফেলে দিয়ে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলল।

    আমি নীচে নেমে গেলাম; সেখানেও নার্সের থাকবার মত কোন জায়গা ছিল না। তাছাড়া, মিসেস ম্যাকউইলিয়ামস্ বলল, নার্সের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত প্রয়োজন। কাজেই মালপত্র নিয়ে আমরা আবার নিজেদের শোবার ঘরে ফিরে গেলাম, এবং ঝ ঞ তাড়িত পাখিদের নীড়ে ফেরার মত পরম সুখ লাভ করলাম।

    সব কিছু নিজের চোখে দেখবার জন্য মিসেস ম্যাক উইলিয়ামস পুনরায় নার্সারিতে গেল। একমুহূর্ত পরেই সভয়ে ফিরে এসে বলল, ছোট বাচ্চাটা এত ঘুমুচ্ছে কেন?

    আমি বললাম আরে বাবা বাচ্চারা তো সব সময় পাথরের মূর্তির মতই ঘুমিয়ে থাকে।

    জানি, জানি; কিন্তু এ ঘুমের একটা বৈশিষ্ট্য আছে। মনে হচ্ছে-মনে হচ্ছে সে নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাস টানছে। উঃ, এ যে সাংঘাতিক

    কিন্তু সে তো সব সময়ই নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাস টানে।

    আঃ, সেকথা আমি জানি। কিন্তু এখন যেন ব্যাপারটা খুবই ভয়াবহ বলে মনে হচ্ছে। তার নার্সটি ও অল্পবয়সী আর অনভিজ্ঞ। মারিয়া তার কাছে থাকুক, যাতে কোন কিছু ঘটলে সে দেখতে পারে।

    সেটা খুব ভাল কথা, কিন্তু তোমাকে সাহায্য করবে কে?

    আমার যেটুকু সাহায্য দরকার সে তো তুমিই করতে পারবে। যাই হোক, এরকম অবস্থায় সব কিছুই আমি নিজের হাতে করতে চাই, কারও সাহায্য চাই না।

    আমি বললাম, আমাদের ছোট রোগীটির পাশে জেগে বসে থেকে সে ক্লান্ত রাত কাটিয়ে দেবে আর আমি বিছানায় শুয়ে ঘুম দেব, সেটা যে আমার পক্ষে খুবই নীচ তার পরিচয় হবে। কিন্তু সে জোর করে আমাকে দিয়ে তাই করাল। কাজেই বুড়ি মারিয়া চলে গেল। এবং নার্সারিতে তার নিজের জায়গায়ই বহাল রইল।

    পেনিলোপ ঘুমের মধ্যে দুবার কাশল।

    আঃ, ডাক্তার এখনও আসছে না কেন! মার্টিমার, এ ঘরটা বড় গরম। সত্যি বড় বেশী গরম। রেগুলেটারটা অফ করে দাও-শিগগির!

    রেগুলেটারটা ঠেলে দিলাম; সঙ্গে সঙ্গে থার্মোমিটারটা দেখে নিয়ে অবাক হয়ে ভাবতে লাগলাম, একটি অসুস্থ শিশুর পক্ষে ৭০ ডিগ্রি কি বড় বেশী গরম।

    কোচয়ান খবর নিয়ে ফিরে এল, আমাদের ডাক্তারটি অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছে। মিসেস ম্যাকউইলিয়ামস্ মৃত্ম-শীতল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে মৃত-কঠিন গলায় বলল;

    এর মধ্যে নিয়মিত ইঙ্গিত রয়েছে। এটা পূর্বনির্দিষ্ট। এর আগে তো তিনি কখনও অসুস্থ হন নি। কখনও না। আমাদের যে ভাবে থাকা উচিত সে ভাবে আমরা থাকি কি মার্টিমার। এ কথা বার বার তোমাকে আমি বলেছি। এখন তার ফল ভোগ কর। আমাদের বাচ্চা কোনদিন ভাল হয়ে উঠবে না। নিজেকে যদি ক্ষমা করতে পার তো কর, আমি কখনও নিজেকে ক্ষমা করতে পারব না।

    তাকে আঘাত করবার ইচ্ছা আমার ছিল না; কোন রকম না ভেবেচিন্তেই বললাম, আমরা যে এ রকম সমাজবহির্ভূত জীবন যাপন করছি তা আমি জানতাম না।

    মার্টিমার! বাচ্চাদেরও তুমি এর মধ্যে জড়াতে চাও!

    সে কাঁদতে শুরু করে দিল। তারপর হঠাৎ চেঁচিয়ে বলল:

    ডাক্তার নিশচয় ওষুধ পাঠিয়েছেন!

    আমি বললাম, নিশ্চয়। তুমি কখন বলবার সুযোগ দেবে তার জন্যই তো অপেক্ষা করে আছি।

    ওগুলো আমাকে দাও। তুমি কি জান না যে এখন প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কিন্তু তিনি যখন জানেন যে এ রোগ দুরারোগ্য, তখন ওষুধ পাঠাবার দরকারটা কি ছিল?

    আমি বললাম, যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।

    আশা! মার্টিমার, যে সন্তান এখনও জন্মে নি তার মতই তুমি যা বলছ তার কিছুই তুমি জান না। তা যদি জানতে-এই তো। সেবন-বিধিতে লেখা রয়েছে, প্রতি ঘণ্টায় এক চা-চামচ ওষুধ খাওয়াতে হবে। ঘটায় একবার!-যেন বাচ্চাকে বাঁচাবার জন্য আমাদের হাতে একটা গোটা বছর পড়ে আছে! মার্টিমার, দয়া করে তাড়াতাড়ি কর! বেচারি মরতে বসেছে, ওর মুখে এক বড় চামচ ওষুধ দাও। তাড়াতাড়ি কর!

    সে কি প্রিয়ে, বড় চামচ ওষুধ দিলে-

    আঃ, আমাকে পাগল করে দিও না!…এই যে, এই যে আমার আদরের সোনা শুয়েছে; ওষুধটা বাজে, তেতো, কিন্তু মায়ের নয়নের মণি নেলির জন্য ওষুধটা ভাল-ওটা খেলে ও সেরে উঠবে। এই যে, এই যে সোনা, মায়ের বুকে ছোট্ট মাথাটা রেখে শুয়ে পড়, ঘুমিয়ে পড়। ওঃ, আমি তো জানি, সকাল পর্যন্ত ও বেঁচে থাকবে না! মার্টিমার, প্রতি আধ ঘণ্টা অন্তর বড় চামচের এক চামচ দিলে-ওঃ, বাছার আমার বেলাড়োনা দরকার; আমি জানি দরকার-আর একোনাইট ও। সব নিয়ে এস মার্টিমার। আহা, আমার মত চলতে দাও আমাকে। এ সব ব্যাপারে তুমি কিছু বোঝ না।

    এবার আমরা শুতে গেলাম। ছোট বিছানাটা রাখা হল আমার স্ত্রীর বালিশের লাগোয়া। এই সব গোলমালে আমার বড়ই ধকল গেছে, দুই মিনিটের মধ্যেই আমি প্রায় ঘুমিয়ে পড়লাম। মিসেস ম্যাকউইলিয়ামস্ আমাকে জানিয়ে দিল: প্রিয়তম, রেগু লেট রটা কি অন করা আছে?

    না।

    আমিও তাই ভেবেছিলাম। দয়া করে এখনই ওটা অন করে দাও। ঘরটা বড় ঠাণ্ডা।

    অন করে দিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। আবার আমার ঘুম ভাঙানো হল:

    প্রিয়তম, ছোট বিছানাটাকে তোমার খাটের দিকে টেনে নিতে তোমার আপত্তি আছে কি? এখানে ওটা রেগুলেটারের বড়ই কাছাকাছি রয়েছে।

    বিছানাটাকে টানতে গিয়ে ধাক্কা লেগে বাচ্চাটার ঘুম ভেঙে গেল। আমার স্ত্রী তাকে শান্ত করতে করতেই আমি আবার ঘুমে ঢুলে পড়লাম। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে তন্দ্রার আবছা কুয়াশার ভিতর দিয়ে এই কথাগুলি যেন অনেক দূর থেকে কানে এসে লাগল:

    মার্টিমার, ভাল হাঁসের চর্বি যদি পাওয়া যেত-একবার ঘণ্টাটা বাজাবে?

    ঘুমের মধ্যেই বাইরে বেরিয়ে গেলাম, একটা বিড়ালকে মাড়িয়ে দিলাম, প্রতিবাদে সেটা ফ্যাচ করে উঠল, আমিও তাকে একটা আচ্ছা লাথি কসাতাম, কিন্তু সেটা পড়ল গিয়ে একটা চেয়ারের উপর।

    আহা মার্টিমার, গ্যাসটা জ্বালাতে গেলে কেন? বাচ্চাটা জেগে উঠবে যে?

    আমার কতটা আঘাত লেগেছে সেটা দেখতে চাই ক্যারোলিন।

    ভাল কথা, চেয়ারটার দিকে তাকিয়ে দেখ-ওটার বারোটা বেজে গেছে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। বেচারি বিড়ালটা, ধর তুমি যদি-

    না, এই বিড়াল সম্পর্কে কোন কিছুই ধরে নিতে আমি রাজী নই। মারিয়াকে যদি এখানে থাকতে দেওয়া হত তাহলে এ সব কিছুই ঘটত না; এ সবই তো তার কাজ, আমার নয়।

    দেখ মার্টিমার, আমি মনে করি, এ ধরনের কথা বলতে তোমার লজ্জিত হওয়া উচিত। এমন একটা ভয়ঙ্কর সময় যাচ্ছে, আমাদের বাচ্চাটার এই হাল, আর আমার কথা মত দুএকটা টুকিটাকি কাজও তুমি করতে পারবে না এটা খুবই দুঃখের কথা!

    ঠিক আছে, ঠিক আছে, তুমি যা করতে বলবে তাই করব। কিন্তু এখন ঘণ্টা বাজিয়ে আমি কাউ কে পাব না। সবাই শুতে গেছে। হাঁসের চর্বি কোথায় আছে?

    নার্সারিতে ম্যান্টে লপিসের উপরে। পাটা বাড়িয়ে যদি মারিয়াকে বল–

    হাঁসের চর্বি এনে দিয়ে আবার ঘুমোতে গেলাম। আবার ডাক এল:

    মার্টিমার, তোমাকে বিরক্ত করতে আমি ঘৃণা বোধ করি, কিন্তু ঘরটা এত ঠাণ্ডা যে এটা লাগাতে পারছি না। আগুনটা জ্বেলে দেবে কি? সবই ঠিক আছে, শুধু একটা দেশলাইয়ের কাঠি ধরিয়ে দিলেই হল।

    শরীরটাকে টানতে টানতে এগিয়ে গিয়ে আগুন জ্বেলে দিলাম এবং বিরক্ত হয়ে সেখানেই বসে পড়লাম।

    মার্টিমার, ওখানে বসে থেকে আর মরণ ডেকে এন না। বিছানায় এস।

    পা বাড়াতেই সে বলল:

    কিন্তু এক মিনিট সবুর কর। বাচ্চাটাকে আরও ওষুধ দাও।

    দিলাম। এ ওষুধটা খেলেই বাচ্চারা কিছুটা ঝরঝরে হয়ে ওঠে। আর সেই সুযোগে সে জেগে উঠলেই বাচ্চাটার জামা খুলে আমার স্ত্রী তার সারা গায়ে হাঁসের তেল লাগাতে লাগল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার ঘুমিয়ে পড়লাম এবং যথারীতি আবার উঠতে হল।

    মার্টিমার, বাতাসের ঝাপ্টা লাগছে। আমি পষ্ট বুঝতে পাচ্ছি। এ রোগের পক্ষে ঠাণ্ডা বাতাস বড়ই খারাপ। দয়া করে ছোট বিছানাটা আগুনের কাছে সরিয়ে দাও।

    তাই দিলাম; আর সে কাজ করতে গিয়ে পাথরটায় ঠোক্কর খেয়ে সেটাকে আগুনের মধ্যে ছুঁড়ে দিলাম। মিসেস ম্যাকউ ইলিয়াস বিছানা থেকে লাফিয়ে উঠে সেটাকে উদ্ধার করল; কিছু কথা-কাটাকাটি ও হল। আবার যৎসামান্য একটু ঘুমিয়েই উঠতে হল; এবার বানাতে হল একটা মনের পুটি স। বাচচাটার বুকের উপর সেটা লাগিয়ে দেওয়া হল, তাতে যদি রোগ সারে।

    কাঠের আগুন স্থায়ী বস্তু নয়। প্রতি কুড়ি মিনিট অন্তর উঠে আমাকে নতুন করে আগুন জ্বালাতে হল, আর তার ফলে মিসেস ম্যাকউ ইলিয়ামস্-এর পক্ষে ওষুধ খাওয়াবার সময়ের ব্যাবধানটা দশ মিনিট করে কমে গেল, আর তাতেই সে মহা খুশি। আমিও মাঝে মাঝেই মনের বীজের পুটি সটা পাল্টে দিলাম, এবং বাচ্চাটার শরীরের যেখানে যেখানে ফাঁকা রয়েছে সেখানেই সরষের পুটিস বা অন্য ধরনের বেলেস্তারা লাগাতে লাগালাম। যা হোক, সকালের দিকে কাঠ ফুরিয়ে গেল এবং আমার স্ত্রী নীচ থেকে আরও কাঠ নিয়ে আসতে বলল।

    আমি বললাম, দেখ গো, ওটা বড় খাটুনির কাজ; তাছাড়া বাড়তি জামা-কাপড়ে বাচ্চাটা তো বেশ গরমই আছে। এখন বরং আর এক পর পুটি স লাগালে–

    আমার কথা শেষ হল না। বাধা পেলাম। কিছুক্ষণ নীচ থেকে কাঠ বয়ে আনলাম, আর তারপরই এমনভাবে নাক ডাকতে শুরু করলাম যেন আমার সব শক্তি-সামর্থ্য গলে জল হয়ে গেছে, মনও ঝিমিয়ে পড়েছে। দিনের আলো পরিষ্কার হয়ে ফুটে উঠতেই কে যেন। আমার ঘার চেপে ধরতেই হঠাৎ আমার জ্ঞান ফিরে এল। আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আমার স্ত্রী হাঁপাচ্ছে। তারপর কথা বলবার মত অবস্থা হতেই সে বলে উঠল:

    সব শেষ হয়ে গেছে! সব শেষ! বাচচাটা ঘামছে! আমরা কি করব?

    উঃ, তুমি আমাকে কি ভয় পাইয়ে দিয়েছ! কি যে করব কিছুই তো বুঝতে পারছি না। হয় তো জামাগুলো ছাড়িয়ে আবার একটু ঠাণ্ডা বাতাসে নিয়ে গেলে-

    উঃ, কী নির্বোধ! একমুহূর্ত সময় নষ্ট করো না। ডাক্তারের কাছে যাও। নিজে যাও। তাকে বল, জীবিত বা মৃত তাকে আসতেই হবে।

    বেচারি অসুস্থ লোকটি কে বিছানা থেকে টানতে টানতে নিয়ে এলাম। বাচ্চাটাকে ভাল করে দেখে সে বলল, মরবার কোন লক্ষণ নেই। আমার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করবার নয়, কিন্তু আমার স্ত্রী এতই পাগল হয়ে উঠল যেন তাকে ব্যক্তিগতভাবে অপমান করা হয়েছে। তখন ডাক্তার জানাল যে, গলায় সামান্য প্রদাহ বা অন্য কোন তুচ্ছ কারণেই কাশিটা হয়েছে। এ কথা শুনে আমার মনে হল, আমার স্ত্রী এখনই তাকে দরজাটা দেখিয়ে দেবে। এবার ডাক্তার বলল যে বাচ্চাটা আর একটু বেশী করে কাশলেই গোলমালটা কেটে যাবে; সুতরাং সে তাকে এমন একটা ওষুধ দিল যাতে সে ক্রমাগত কাশতে লাগল। আর তার ফলেই একটা ছোট কাঠের টুকরো বা ঐ রকম একটা কিছু বেরিয়ে এল।

    ডাক্তার বলল, বাচ্চাটির ঝিল্লির প্রদাহজনিত ঘুঙুরি কাশি মোটে ই হয় নি। সে পাইনের কাঠি বা ঐ রকম একটা কিছু চুষছিল এবং তারই একটা টুকরো গলায় আটকে গিয়েছিল। এতে তার কোন ক্ষতি করবে না।

    আমি বললাম, তা করবে না আমি জানি। আসলে ওতে যে তাৰ্পিন থাকে সেটা বাচ্চাদের কোন কোন অসুখের খুবই উপকারী। সে কথা আমার স্ত্রীই আপনাকে বলবে।

    আমার স্ত্রী কিন্তু কিছুই বলল না। ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নিয়ে সে ঘর থেকে চলে গেল। সেই থেকে আমাদের জীবনের এই একটি অধ্যায়ের কথা আমরা কখনও উল্লেখ করি না। সুতরাং গভীর অচঞ্চল প্রশান্তির ভিতর দিয়ে আমাদের জীবনের স্রোত বয়ে চলেছে।

    ম্যাকউইলিয়ামস্-এর মত এমন অভিজ্ঞতা খুব অল্প বিবাহিত লোকেরই হয়েছে; সুতরাং এই বইয়ের লেখক মনে করে যে এর অভিনবত্ব পাঠকের মনকে ক্ষণকালের জন্যও আকৃষ্ট করবে।

    [১৮৭৫]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঝাঁপতাল – মন্দাক্রান্তা সেন
    Next Article বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন – মুহম্মদ আবদুল হাই
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }