Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    মণীন্দ্র দত্ত এক পাতা গল্প767 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এডোয়ার্ড মিলস্ ও জর্জ বেনটন: একটি কাহিনী

    এডোয়ার্ড মিলস্ ও জর্জ বেনটন: একটি কাহিনী
    Edward Mills and George Benton: A Tale

    দুজনের মধ্যে ছিল দূর সম্পর্ক-সাত পুরুষের ভাই-ভাই, বা ঐ রকম একটা কিছু। শিশু কালেই তারা বাবা-মাকে হারায় এবং নিঃসন্তান ব্রাট দম্পতি তাদের দত্তক নেয়, আর অচিরেই শিশু দুটির প্রতি তাদের খুব মায়া পড়ে যায়। ব্রান্ট দলপতি সব সময়ই তাদের বলত: পবিত্র হও, সৎ হও, মিতাচারী ও পরিশ্রমী হও, অপরের প্রতি বিবেচনাশীল হও, তবেই জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারবে। কথাগুলির অর্থ বুঝবার আগেই শিশু দুটি কে কয়েক হাজার বার তা শুনতে হল; প্রভুর প্রতি প্রার্থনা শিখবার আগেই তারা এই কথাগুলি আওড়াতে শিখে ফেলল; নার্সারীর দরজায় কথাগুলি লিখে দেওয়া হল, আর সম্ভবত তারা প্রথম পড়তেও শিখল এই কথাগুলি, এডোয়ার্ড মিস্-এর জীবনে এটাই হয়ে উঠল অপরিবর্তনীয় বিধান। বান্ট রা কখনও কখনও কথাগুলিকে একটু বদলে দিয়ে বলত: পবিত্র, সৎ, পরিশ্রমী ও বিবেচনাশীল হও, কখনও তোমাদের বন্ধুর অভাব হবে না।

    আশেপাশের সকলেই খোকা মিত্সকে ভালবাসত। সে যখন মিশ্রি খেতে চেয়ে না পেত, কখনও কেউ বোঝালে সে বুঝত এবং না পেয়েও খুসি থাকত। খোকা বেনটন যখন মিশ্রি খেতে চাইত তখন না পাওয়া পর্যন্ত সমানে কাঁদতে থাকত। খোকা মিস্ তার খেলনাগুলোকে যত্ন করে রাখত, আর খোকা বেনটন অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের খেলনা ভেঙে ফেলে এমন গোলমাল শুরু করে দিত যে বাড়ির শান্তি বজায় রাখতে ছোট্ট এডোয়ার্ডকেই বুঝিয়ে-সুঝিয়ে তার খেলনা বেনটনকে দিয়ে দেওয়া হত।

    ছেলেরা একটু বড় হয়ে উঠতেই জর্জি হয়ে উঠল অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ: সে নিজের পোশাকপত্রের মোটে ই যত্ন নিত না; ফলে প্রায়ই তার গায়ে উঠত ঝকঝকে নতুন জামা; কিন্তু এডি র বেলায় তা হত না। দুজন একসঙ্গে বাড়তে লাগল। এডি ক্রমাগতই ভাল হতে লাগল, আর জর্জি হতে লাগল দুশ্চিন্তার কারণ। সাঁতার কাটা, স্কেটিং করা, পিকনিক করা, ফ ল কুড়নো, খেলাধুলা করা-এমনই আব্দার করলে তাকে যদি বলা হয়, আমি চাই যে তুমি এটা করবে না বাস, তাই যথেষ্ট; কিন্তু জর্জি কোন কথাই শুনত না; তার যা চাই তা করতে দিতেই হবে, নইলে সে জোর করবে। স্বভাবতই এ সব কাজের সুযোগ-সুবিধা সে যত পেত তেমনটি কেউ পায় না। ভাল মানুষ ব্রান্ট রা গ্রীষ্মকালে রাত নটার পরে ছেলেদের বাইরে খেলতে দিত না; ঐ সময় তাদের শুতে পাঠানো হত; এডি ঠিক শুয়ে পড়ত, কিন্তু জর্জি প্রায়ই দশটা নাগাদ জানালা গলে বেরিয়ে যেত এবং মাঝরাত পর্যন্ত বাইরে স্ফুর্তি করে বেড়াত। জর্জির এই বদ অভ্যাস দূর করা অত্যন্ত কঠিন বুঝতে পেরে ব্রান্ট রা শেষ পর্যন্ত আপেল ও মার্বেল কিনে দিয়ে তাকে বাড়িতে রাখবার ব্যবস্থা করত। জর্জিকে সংশোধন করবার জন্য বৃথাই তারা তাদের সব সময় ও মনোযোগ ব্যয় করত; চোখের জল ফেলতে ফেলতে তারা বলত, এডি এত ভাল, এত বিবেচক ও সব দিক থেকে এত সুন্দর যে তার জন্য কোন খাটুনিই করতে হয় না।

    দেখতে দেখতে ছেলেদের কাজকর্মের বয়স হল; তাদের শিক্ষানবীশ হিসাবে পাঠানো হল; এডোয়ার্ড গেল স্বেচ্ছায়, আর জর্জকে পাঠানো হল ঘুষ দিয়ে, অনেক বলে-কয়ে। এডোয়ার্ড বিশ্বস্তভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে লাগল; ফলে তার জন্য ভাল মানুষ ব্রান্ট দের কোন খরচ ই লাগল না; কিন্তু জর্জ কাজ থেকে পালিয়ে যেত, আর তার ফলে তাকে খুঁজে পেতে এনে আবার ফেরৎ পাঠাতে মিঃ ব্রান্টের অর্থ ব্যয় হত, ঝামেলাও হত। এইভাবে সে আবার পালাতে লাগল-আবার টাকা ও ঝামেলা। সে তৃতীয় বার পালিয়ে গেল-এবার চুরি করে নিয়ে গেল কিছু ছোট খাট জিনিস। আবার মিঃ ব্রান্ট কে টাকা খরচ করতে হল, ঝামেলাও হল; তাছাড়া, মালিক যাতে চুরির জন্য ছেলেটি কে কোন রকম শাস্তি না দেয় তার জন্যও অনেক চেষ্টা করতে হল।

    এডোয়ার্ড ধীরস্থিরভাবে কাজ করতে লাগল এবং কালক্রমে তার মালিকের ব্যবসার পুরোপুরি অংশীদার হয়ে গেল। জর্জের কোন রকম উন্নতি হল না, প্রবীণ বাবা-মার দুশ্চিন্তা-দুর্ভোগের বোঝাই সে বাড়িয়ে চলল; তাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য তাদের নিত্যনতুন কৌশল আবিষ্কার করতে হত। বালক বয়সে এডোয়ার্ড রবিবার-বিদ্যালয়, বিতর্কসভা, ছোট খাট সেবা-প্রতিষ্ঠান, ধূমপান-নিবারণী সভা, অশ্লীলতা-বিরোধী সভা ইত্যাদিতে যোগ দিয়েছিল; এখন বড় হয়ে গির্জা, মিতাচারী সমিতি ও মানব উন্নতিমূলক নানাবিধ কাজে সাহায্য করতে লাগল। এসব কাজ করতে তাকে বলতেও হত না-স্বাভাবিক প্রবৃত্তি বশেই করত।

    শেষ পর্যন্ত বুড়ো-বুড়ি মারা গেল। উইলে প্রকাশ পেল এডোয়ার্ড-এর জন্য তাদের আন্তরিক গর্ব, আর তাদের যৎসামান্য সম্পত্তি দেওয়া হল জর্জকে-তারই সেটা প্রয়োজন, কিন্তু করুনাময় ঈশ্বরের উচ্ছায় এডোয়ার্ড-এর বেলা তা নয়। সম্পত্তি জর্জকে দেওয়া হল বটে, কিন্তু এক শর্তে-এই সম্পত্তির অর্থে তাকে এডোয়ার্ড–এর অংশীদারকে কিনে নিতে হবে, অন্যথায় সম্পত্তি চলে যাবে বন্দী-মিত্র সমিতি নামক একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের হাতে। বুড়ো একখানি চিঠি রেখে গেল, তাতে জানিয়ে দিল, তার প্রিয় পুত্র এডোয়ার্ড যেন তাদের স্থান গ্রহণ করে এবং তাদের মত করেই জর্জের উপর নজর রাখে ও আপদে-বিপদে তাকে রক্ষা করে।

    এডোয়ার্ড কর্তব্যবোধেই তাদের কথামত চলতে লাগল; আর জর্জও তার ব্যবসার অংশীদার হল। অংশীদার হিসাবে সে মোটেই দামী নয়; আগে থেকে তার মদ্যপানে আসক্তি জন্মেছিল, এবার সে পাড় মাতাল হয়ে উঠল; তার চেহারা-ছবিতেই সেটা অশোভনভাবে ফুটে উঠল। কিছুদিন হল একটি মিষ্টি ভাল মেয়ের সঙ্গে এডোয়ার্ড-এর প্রণয় চলছিল। তারা পরস্পরকে খুব ভালবাসত। আর-কিন্তু এই সময় জর্জ ভীষণভাবে মেয়েটির পিছনে লাগল; প্রথমে অনুনয়-বিনয় ও শেষ পর্যন্ত চোখের জলও ফেলতে লাগল। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে এডোয়ার্ড-এর কাছে গিয়ে বলল, এ অবস্থায় তার সুউচ্চ পবিত্র কর্তব্য অতি পরিষ্কার-নিজের স্বার্থপর বাসনাকে এই কর্তব্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে সে দেবে না; সে বেচারী জর্জ কে বিয়ে করে তাকে ভাল করে তুলবে। সে জানে, এতে তার হৃদয় ভেঙে যাবে, তবু কর্তব্য কর্তব্যই। কাজেই সে জর্জকেই বিয়ে করল। এতে এডোয়ার্ড-এর বুক বুঝি বা ভেঙে গেল, মেয়েটির অবস্থাও তথৈবচ। যাই হোক, এডোয়ার্ড ক্রমে সে ধাক্কা সামলে উঠল এবং আর একটি মেয়েকে বিয়ে করল–এ মেয়েটি ও খুবই চমৎকার।

    দুটি পরিবারেই সন্তানাদি হল। স্বামীকে ভাল করে তুলতে মেরি সাধ্যমত চেষ্টা করতে লাগল, কিন্তু ব্যাপার তখন অনেক দূর গড়িয়ে গেছে। জর্জ-এর মদ খাওয়া সমানেই চলতে লাগল, আর ক্রমে সে তার স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি দূব্যবহার শুরু করল। প্রতিবেশীরাও সাধ্যমত চেষ্টা করল, কিন্তু তার স্বভাব বদলাল না। বরং একটা নতুন পাপ তাকে ভর করল–ইদানিং সে গোপনে জুয়া খেলতে শুরু করেছে। ফলে তার অনেক টাকা ধার হল; কাউকে না জানিয়ে সে ব্যবসা বন্ধক রেখে টাকা ধার করতে লাগল এবং এই ব্যাপার এতদূর গড়াল যে একদিন সকালে শেরিফ এসে দোকানের কর্তৃত্ব নিয়ে নিল, আর দুই ভাই হল কপর্দকহীন।

    একেই দিনকাল খুব খারাপ, ক্রমে আরও খারাপ হতে লাগল। এডোয়ার্ড সপরিবারে একটা চিলেকোঠায় গিয়ে উঠল এবং কাজের খোঁজে সারা দিন পথে ঘুরতে লাগল। অনেকের কাছে ধর্ণা দিল, কিন্তু কাজ জুটল না। কত তাড়াতাড়ি লোকে তাকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে দেখে সে অবাক হয়ে গেল। এতদিন তার প্রতি লোকের যে আগ্রহ ছিল সেটা এত তাড়াতাড়ি উধাও হয়ে গেল দেখে সে যেমন অবাক হল, তেমনই মর্মাহত হল। তবু কাজ তার চাই-ই; কাজেই সব কিছু হজম করে সে কাজের খোঁজেই ফিরতে লাগল। অবশেষে একটা কাজ সে পেল; ইট মাথায় নিয়ে মই বেয়ে উপরে উঠতে হবে; তবু তাতেই সে কৃতজ্ঞ। কিন্তু সেই থেকেই সকলে যেন তাকে ভুলে গেল। বিভিন্ন নৈতিক প্রতিষ্ঠানে সে যে টাকা দিত তা না দিতে পারায় সেখান থেকে তার নাম কাটা গেল। ফলে তার লজ্জার আর সীমা-পরিসীমা রইল না।

    কিন্তু এডোয়ার্ড যত তাড়াতাড়ি জনসাধারণের মন থেকে মুছে গেল, ঠিক তত তাড়াতাড়িই জর্জ সেখানে নিজের আসন করে নিল। একদিন সকালে ছিন্ন বস্ত্রে মাতাল অবস্থায় তাকে একটা পতিতাপল্লীতে পাওয়া গেল। একটি মহিলা মিতাচার আশ্রয় সংস্থা তাকে দেখতে পেয়ে তুলে নিল, তার জন্য চাঁদা তুলল, সারাটা সপ্তাহ তাকে ভালভাবে রাখল, আর তারপরে তাকে একটা কাজ জুটিয়ে দিল। এই সবের একটা বিবরণও খবরের কাগজে ছাপা হল। ফলে এই অসহায় লোকটির প্রতি সকলের দৃষ্টি আকৃষ্ট হল; তাকে নানা ভাবে সাহায্য করতে ও উৎসাহ দিতে অনেক লোক এগিয়ে এল। দুমাস সে এক ফোঁটা মদ খেল না; ফুলে সে সকলেরই প্রিয়পাত্র হয়ে উঠল। তারপর আবার তার পতন হল-আবার পতিতাপল্লী; সকলেই দুঃখিত হল, হা-হুতাশ করল। সেই মহীয়সী ভগ্নী-সংঘ। আবার তাকে উদ্ধার করল। তারা তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করল, খেতে দিল, মন দিয়ে তার অনুতাপের করুণ বিলাপ শু নল, আবার তার চাকরিটা পাইয়ে দিল। এই ঘটনার বিবরণও খবরের কাগজে প্রকাশিত হল। মদের পাত্রের যুযুধান শিকার এই অসহায় জন্তুটির পুনরুদ্ধারকে কেন্দ্র করে গোটা শহর অনেক চোখের জল ফেলল। বেশ বড় করে একটা মিতাচার-সম্মেলন ডাকা হল; অনেক জ্বালাময়ী বক্তৃতা হল; তারপর সভাপতি বলল: এবার আমরা পাপীদের আহ্বান করছি; এমন একটা দৃশ্য আপনাদরে সামনে উপস্থিত করা হবে যা দেখে অনেকেই চোখের জল রুখতে পারবেন না। কিছুক্ষণ বাজ্ঞায় নীরবতার পরে মহিলা মিতাচার আশ্রয় সংস্থা-র জনৈক লাল পোশাকধারিণীর সঙ্গে মঞ্চের সামনে এসে হাজির হল জর্জ বেনটন। প্রতিশ্রুতি-পত্রে স্বাক্ষর করল। হাততালিতে বাতাস মুখরিত হল; প্রত্যেকেই আনন্দে চীৎকার করে উঠল। সভার শেষে সকলেই নতুন সদস্যটির সঙ্গে করমর্দন করল; পরদিন তার মাইনে বাড়ানো হল; সারা শহরে শুধু তারই কথা; সেই নায়ক। এ ঘটনার বিবরণও খবরের কাগজে প্রকাশিত হল।

    প্রতি তিন মাস অন্তর নিয়মিতভাবেই জর্জ বেনটন-এর পতন ঘটতে লাগল আর প্রতিবারই বিশ্বস্ত হাতে তাকে উদ্ধার করে এনে নতুন চাকরিতে বহাল করা হতে লাগল। শেষ পর্যন্ত তাকে সারা দেশ ঘুরিয়ে আনা হল; একজন সংশোধিত মাতাল হিসাবে সর্বত্র সে বক্তৃতা

    করল; তাকে মস্ত বড় বাড়ি দেওয়া হল; অনেক সোনাদানা সে সঞ্চয় করে ফেলল।

    সে সময়টা সে ভালভাবে থাকে সেই সময় সে স্বদেশে এত বেশী জনপ্রিয়তা অর্জন করল এবং সকলের এত বেশী বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠল সে একজন গণ্যমান্য নাগরিকের নাম ভাড়িয়ে সে ব্যাংক থেকে অনেক টাকা হাতিয়ে নিল। এই জালিয়াতির ফল ভোগ করার হাত থেকে তাকে বাঁচাবার জন্য প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা হল এবং আংশিক সফলও হল-মাত্র দু বছরের জন্য তাকে সংশোধনাগারে। পাঠিয়ে দেওয়া হল। এক বছর পরেই পরোপকারী সংস্থাটির নিরলস প্রচেষ্টা সাফল্যমণ্ডিত হল; পকেটে একখানি মার্জনা-পত্র নিয়ে সে বেরিয়ে এল সংশোধনাগার থেকে। বন্দী-মিত্র সমিতি দরজাতেই তার সঙ্গে দেখা করে একটা ভাল মাইনের চাকরি তাকে দিল; অন্য সব মহানুভব লোকরাও এগিয়ে এসে তাকে দিল পরামর্শ, উৎসাহ ও সাহায্য। অত্যন্ত প্রয়োজনে এডোয়ার্ড মিস্ একবার একটা চাকরির জন্য বন্দী-মিত্র সমিতি-তে দরখাস্ত করেছিল; কিন্তু আপনি কি কখনও কয়েদী ছিলেন? এই প্রশ্নটি ই তার আবেদন নাকচ করার পক্ষে যথেষ্ট বলে বিবেচিত হয়েছিল।

    এদিকে যখন এই সব চলছে, ওদিকে তখন এডোয়ার্ড মিলস্ শান্তভাবে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে। সে তখনও গরিব, তবে। একটা ব্যাংকের সম্মানিত ও বিশ্বাসভাজন ক্যাশিয়ার হিসাবে একটা মোটামুটি ভাল মাইনেই পায়। জর্জ বেনটন কখনও তার কাছে। যায় না, বা তার খোঁজ-খবর নেয় না। জর্জ প্রায়ই শহর থেকে বাইরে গিয়ে দীর্ঘ দিন কাটিয়ে আসে; তার সম্পর্কে নানা রকম খারাপ। কথা শোনা যায়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কিছুই জানা যায় না।

    একদা এক শীতের রাতে কয়েকটি মুখোশধারী চোর ব্যাংকে ঢুকে দেখে সেখানে এডোয়ার্ড মিস্ একা আছে। সিন্দুক খুলবার জন্য তারা এডোয়ার্ড-এর কাছে চাবির নম্বর জানতে চাইল। সে জানাতে অস্বীকার করল। তারা তাকে জীবনের ভয় দেখাল। সে বলল, মালিকরা তাকে বিশ্বাস করে, সুতরাং সে বিশ্বাস ভঙ্গ করতে পারবে না। দরকার হলে সে প্রাণ দেবে, কিন্তু যতদিন বেঁচে থাকবে বিশ্বাসভাজন হয়েই বাঁচবে; চাবির নম্বর সে কিছুতেই বলবে না। চোররা তাকে খুন করল।

    গোয়েন্দারা দুস্কৃতকারীদের খুঁজে বের করল; তাদের পাণ্ডা স্বয়ং জর্জ বেনটন। মৃত লোকটির বিধবা পত্নী ও পিতৃহীন সন্তানদের জন্য সকলের মনেই সহানুভূতি জাগল; দেশের সব খবরের কাগজই লেখা হল-নিহত ক্যাশিয়ারের বিশ্বস্ততা ও বীরত্বের স্বীকৃতির প্রমাণ হিসাবে মৃতের সহায়সম্বলহীন পরিবারের জন্য উদারভাবে অর্থ সাহায্য করা দেশের সবগুলি ব্যাংকের অবশ্য কর্তব্য। ফলে মোটা নগদ টাকা চাঁদা উঠল-একটি ব্যাংক উৰ্দ্ধসংখ্যা পাঁচ শ ডলার পর্যন্ত দিল। কিন্তু ক্যাশিয়ারের নিজের ব্যাংক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে জানাল যে, এই নিষ্কলংক কর্মীটি র নিজের হিসাবেই গোলমাল ছিল, আর ধরা পড়ে শাস্তির হাত থেকে রেহাই পাবার জন্য সে। নিজেই একটা মুগু ড় দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।

    জর্জ বেনটনকে বিচারের জন্য ডাকা হল। তখন বেচারি জর্জের প্রতি অনুকম্পায় সকলেই বিধবা ও তার সন্তানদের কথা ভুলে গেল। তাকে বাঁচাবার জন্য অর্থ ও প্রতিপত্তি দিয়ে যা করা সম্ভব সবই করা হল, কিন্তু সবই বৃথা হল; তার মৃত্যুদণ্ড হল। সঙ্গে সঙ্গে দণ্ডহাস অথবা ক্ষমা প্রদর্শনের জন্য আবেদনপত্র নিয়ে গভর্ণরকে ঘেরাও করা হল; আবেদনপত্রগুলি নিয়ে এল ক্রন্দনরতা বালিকারা; শোকার্ত বুড়িরা; বিপন্ন বিধবাদের প্রতিনিদিরা; ঝাঁকে ঝাঁকে বাপ-মাহারা শিশুরা। কিন্তু না, গভর্ণর-এই একটি ক্ষেত্রে-কোন কথা শুনল না।

    এতদিনে জর্জ বেনটন-এর ধর্মীয় অভিজ্ঞতা হল। সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল। সেদিন থেকে তার জেলখানার ঘর সব সময় বালিকা, স্ত্রীলোক ও তাজা ফুলে ভরে উঠতে লাগল; সারাদিন ধরে চলল প্রার্থনা, স্তব-গান, ধন্যবাদ জ্ঞাপন, ধর্মোপদেশ ও অশ্রুবর্ষণ; মাঝে। মাঝে জলখাবার জন্য সাময়িক বিরতি ছাড়া এই অনুষ্ঠান চলতে লাগল নিরবচ্ছিন্নভাবে।

    ফাঁসির মঞ্চ পর্যন্ত এই সব কাণ্ড-কারখানা চলতে লাগল; দেশের সব চাইতে মিষ্টি ও বিলাসকারীদের সমুখ দিয়ে জর্জ বেনটন কালো টুপি পরে সগর্বে স্বস্থানে চলে গেল। প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য তার সমাধিকে তাজা ফুলে ঢেকে দেওয়া হতে লাগল; মাথার দিককার পাথরে উপরের দিক লক্ষ্য করে একটা তীর-চিহ্ন দিয়ে এই কথাগুলি লিখে দেওয়া হল: তার যুদ্ধ সে ভালভাবেই করে গেছে।

    সাহসী ক্যাশিয়ারের সমাধির মাথার দিককার পাথরে লেখা হল এই কথাগুলি: পবিত্র, সৎ, মিতাচারী, ও বিবেচনাধীন হও, তাহলে কখনও-

    এ কথাগুলি লিখবার নির্দেশ কে দিয়েছিল তা কেউ জানে না, কিন্তু নির্দেশটা এই রকমই ছিল।

    লোকে বলে, ক্যাশিয়ারের পরিবার এখন খুবই দুঃস্থ অবস্থায় আছে; কিন্তু তাতে কি; বহু গুণমুগ্ধ লোক ভাবল যে এ রকম একটা বীরত্বপূর্ণ সৎকাজ কোন রকম পুরস্কার পাবে না এটা ঠিক নয়। সুতরাং তারা বিয়াল্লিশ হাজার ডলার চাঁদা তুলল-এবং সেই অর্থে একটি স্মৃতি-গির্জা নির্মাণ করল।

    [১৮৮০]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ
    Next Article নাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

    Related Articles

    মণীন্দ্র দত্ত

    টারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }