Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    মণীন্দ্র দত্ত এক পাতা গল্প767 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি ভূতের গল্প

    একটি ভূতের গল্প
    A Ghost Story

    ব্রড ওয়ে ধরে অনেকদূর গিয়ে একটা প্রকাণ্ড পুরনো বাড়ির একটা বড় ঘর আমি নিয়েছিলাম। আমি আসবার অনেক বছর আগে। থেকেই বাড়িটার উপরের তলাগুলো সম্পূর্ণ খালি পড়ে ছিল। বাড়িটাকে যেন ধূলো আর মাকড়শার জাল, নির্জনতা ও নীরবতার হাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রথম যেদিন সিঁড়ি বেয়ে আমার ঘরে উঠলাম, মনে হল আমি বুঝি গোরস্থানের ভিতর দিয়ে মৃত ব্যক্তিদের গোপনতাকে আক্রমণ করতে চলেছি। জীবনে এই প্রথম একটা কুসংস্মরণত ভয় আমাকে পেয়ে বসল; সিঁড়ির একটা অন্ধকার কোণে মোড় নিতেই একটা অদৃশ্য মাকড়শার জালের সূক্ষ্ম তন্তুগুলো যখন আমার মুখের উপর ঝুলে পরে সেখানে লেগে রইল, তখন আমি যেন ভূত দেখার মত শিউরে উঠলাম।

    ঘরের ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে সেই অপচ্ছায়া ও অন্ধকারকে বিদায় করে তবে স্বস্তি পেলাম। চুল্লিতে আরামপ্রদ আগুন জ্বলছিল; আরামের নিঃশ্বাস ফেলে তার সামনে বসে পড়লাম। দুঘণ্টা সেখানে বসে অতীতের কথা ভাবতে লাগলাম; মনে পড়ল কত অতীতের দৃশ্য; অতীতের কুয়াশা ভেদ করে ফুটে উঠল কত আধ-ভোলা মুখ; কল্পনায় শুনতে পেলাম সেই সব কণ্ঠ স্বর যা অনেকদিন আগেই। চিরকালের মত নীরব হয়ে গেছে, আর সেই সব পরিচিত গান যা এখন আর কেউ গায় না। আমার জাগ্রত-স্বপ্ন যখন ধীরে ধীরে করুণ থেকে করুণতর সুরে নেমে গেল, তখন বাইরের ঝড়ের হাহাকার পরিণত হল মৃদু বিলাপে, জানালার কাঁচের উপরে বৃষ্টির ক্রুদ্ধ। আঘাত অস্ফুট মৃদু শব্দে পরিণত হল, রাস্তার সব শব্দ একে একে থেমে গেল, এবং সর্বশেষ বিলম্বিত পথিকের দ্রুত পদশব্দও দূর হতে দূরে মিলিয়ে গেল; কোথাও একতি শব্দ রইল না।

    আগুনটা নিভে আসছে। একটা নির্জনতাবোধ যেন আমাকে জড়িয়ে ধরেছে। উঠে পোশাক ছাড়লাম, ঘরের মধ্যে চলাফেরা করলাম। পা টিপে টিপে, যা কিছু করছি সবই চুপি চুপি; যেন আমার চারপাশে এমন সব শত্রুরা ঘুমিয়ে আছে যাদের ঘুম ভাঙালে মারাত্মক বিপদ ঘটবে। বিছানায় শুয়ে পড়লাম; শুয়ে শুয়ে বৃষ্টির শব্দ, বাতাসের গর্জন ও অনেক দূরের সব জানালা বন্ধ করার অস্পষ্ট আওয়াজ শুনতে শুনতে এক সময় ঘুমিয়ে পড়লাম।

    গভীর ঘুমই ঘুমিয়েছিলাম, কিন্তু কতক্ষণ ঘুমিয়েছিলাম তা জানি না। হঠাৎ দেখি ঘুম ভেঙে গেছে। আর একটা রোমহর্ষক প্রত্যাশায় বুকটা ভরে উঠেছে। চারদিক স্তব্ধ। শুধু আমার বুকের ভিতরটা ছাড়া-সেখানে হস্পন্দনের শব্দ হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিছানার চাদরগুলো পায়ের দিকে নেমে যেতে লাগল, যেন কেউ সেগুলিকে ধরে টানছে! আমি নড়তে পারছি না; কথা বলতে পারছি না। কম্বলগুলো তখনও নেমে যাচ্ছে; আমার বুক পর্যন্ত খোলা হয়ে পড়ল। তখন অনেক চেষ্টায় সেটাকে চেপে ধরে মাথার উপর পর্যন্ত টেনে দিলাম। অপেক্ষা করে রইলাম, কান পাতলাম। অপেক্ষা করেই আছি। আবার সেই টান শুরু হল; একশ সেকেণ্ড ধরে আবার আমি জড়বৎ পড়ে রইলাম; শেষ পর্যন্ত আবার আমার বুক পর্যন্ত খোলা হয়ে পড়ল। শেষ পর্যন্ত শক্তি সঞ্চয় করে কম্বলটাকে যথাস্থানে টেনে এনে শক্ত হাতে চেপে ধরে রইলাম। অপেক্ষা করতে লাগলাম। আবার একটা আলতো টান অনুভব করলাম; সঙ্গে সঙ্গে মুঠোটাও শক্ত করলাম। আল্‌তো টান ক্রমে জোরদার হতে লাগল-আরও, আরও জোরদার হল। আমার হাত থেকে খসে গিয়ে এই তৃতীয়বার কম্বলটা পড়ে গেল। আমি আর্তনাদ করে উঠলাম। বিছানার পায়ের দিক থেকে জবাবে আর একটা আর্তনাদ উঠল। আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে লাগল। আমি তখন যেটুকু বেঁচে আছি, মরে গেছি তার চাইতে বেশী। ইতিমধ্যে ঘরের ভারী পায়ের শব্দ শুনতে পেলাম-মনে হল, একটা হাতির পা-মানুষের পায়ের মত মোটেই নয়। তবে শব্দটা আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে-এই যা ভরসা। শুনতে পেলাম, শব্দটা দরজার কাছে গেল, হুড়কো বা তালা না খুলেই বেরিয়ে গেল, দালান ও কড়িকাঠ নাড়াতে নাড়াতে দালান পার হয়ে গেল–আবার সেই সব্ধতা নেমে এল।

    উত্তেজনা প্রশমিত হলে নিজে নিজেই বললাম, এটা স্বপ্ন-একটা বীভৎস স্বপ্নমাত্র। এই কথা ভাবতে ভাবতে একসময় দৃঢ় প্রত্যয় জন্মাল যে সত্যি এটা স্বপ্নই ছিল; তখন একটা সুখকর হাসিতে আমার ঠোঁট দুটি ভরে উঠল; আবার খুসি হয়ে উঠলাম। উঠে একটা আলো জ্বালালাম; হুড়কো ও তালা যেমন ছিল তেমনই আছে; আর একটা স্বস্তির হাসি বুকের মধ্যে উথলে উঠে ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে। গড়িয়ে পড়ল। পাইপটা তুলে নিয়ে ধরালাম। তারপর আগুনের সামনে বসবার উপক্রম করতেই-আমার কাঁপা আঙুলের ফাঁক দিয়ে পাইপটা নীচে পড়ে গেল, গাল থেকে উবে গেল সব রক্ত, আঁতকে উঠতেই আমার শান্ত শ্বাস-প্রশ্বাসও থেমে গেল! অগ্নিকুণ্ডের পাশে ছাইয়ের উপর আমার পায়ের ছাপের পাশাপাশি আর একটা পায়ের ছাপ-ছাপটা এত বড় যে তার তুলনায় আমার পায়ের ছাপটা যেন কোন শিশুর! তাহলে সত্যি অতিথি এসেছিল; আর হাতির পায়ের শব্দের ব্যাপারটাও বোঝা গেল।

    আলো নিভিয়ে দিয়ে ভয়ে অবশ দেহ নিয়ে বিছানায় ফিরে গেলাম। বহুক্ষণ ধরে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে কান পেতে রইলাম। মেঝের উপর দিয়ে কোন ভারী দেহকে নেবার মত একটা ঘস্-ঘস্ আওয়াজ মাথার উপর শুনতে পেলাম। তারপর দেহটাকে ছুঁড়ে ফেলে। দেওয়া হল, আর তার ধাক্কায় আমার জানালাগুলো কেঁপে উঠল। বাড়িটার দূরবর্তী অংশ গুলোতে সশব্দে দরজা বন্ধ করার শব্দ শুনতে পেলাম। কিছুক্ষণ পরে পরেই শুনতে পেলাম, চুপি চুপি পায়ে কেউ যেন দালান দিয়ে ভিতরে ঢুকছে, আর বেরিয়ে যাচ্ছে, সিঁড়ি বেয়ে উঠছে আর নামছে। কখনও বা সেই শব্দ আমার দরজার কাছে এসে একটু ইতস্তত করে আবার চলে যাচ্ছে। দূরবর্তী দালান-পথে শিকলের অস্পষ্ট ঝন্‌ঝন্ শব্দ শুনতে পেলাম, কান পাতলাম; ঝন্‌ঝন্ শব্দ কখনও এগিয়ে আসছে-কখনও শ্রান্ত পায়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠছে; অপদেবতার প্রতিটি পদক্ষেপের তালে তালে বাড়তি শিকলের ঝন্‌ঝন্ শব্দ হচ্ছে। কিছু অস্পষ্ট কথাও কানে এল; অর্ধ-উচ্চারিত কিছু আর্তনাদকে যেন জোর করে স্তব্ধ করে দেওয়া হল; অদৃশ্য পোশাকের খসূ-খস্ শব্দ, অদৃশ্য পাখার শোঁ-শোঁ শব্দ। তখন মনে হল, কেউ আমার ঘরটাকে আক্রমণ করেছে-এখানে আমি একা নই। আমার বিছানাকে ঘিরে দীর্ঘশ্বাস ও শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ; রহস্যময় ফি সফি স্ কথা। ঠিক মাথার উপরে দেখতে পাচ্ছি সিলিং-এর গায়ে নরম প্রস্ফুরক আলোর তিনটি ছোট বৃত্ত মুহূর্তকাল সেখানে জ্বলতে জ্বলতে ঝুলে রইল, তারপর নীচে পড়ে গেল-দুটো আমার মুখের উপর, আর একটা বালিশের উপর। তরল পদার্থের মত চটচট করতে লাগল, গরম লাগল। আমার মন বলল, সেগুলো রক্তের ডে লা-আলো জ্বালিয়ে সেগুলো দেখার দরকারও বোধ করলাম না। তারপরই দেখলাম কতকগুলি অনুজ্জ্বল পাণ্ডুর মুখ, উর্ধে তোলা সাদা হাত, বিদেহী অবস্থায় বাতাসে ভাসছে; তারপরই অদৃশ্য হয়ে গেল। সব ফিসফিসানি, সব কণ্ঠ স্বর, সব শব্দ থেমে গেল। নেমে এল নিস্তব্ধতা। কান পেতে অপেক্ষা করতে লাগলাম। মনে হল, আলো দেখতে না পেলে আমি মরে যাব; ভয় আমাকে দুর্বল করে তুলেছে। ধীরে ধীরে উঠে বসলাম। মুখের উপর একটা চটচটে হাতের ছোঁয়া লাগল। আমার সব শক্তি নিমেষে উধাও হয়ে গেল; আহত পঙ্গুর মত বিছানায় পড়ে গেলাম। তখন পোশাকের খখস্ শব্দ শুনতে পেলাম-মনে হল সেটা দরজার ভিতর দিয়ে বাইরে চলে গেল।

    আবার সব কিছু শান্ত হলে রুগ্ন, দুর্বল দেহ নিয়ে গুঁড়ি মেরে বিছানা থেকে নামলাম; গ্যাসটা জ্বালাতে হাত কাঁপতে লাগল একশ বছরের বুড়োর মত। আলো দেখে মনে কিছুটা বল ফিরে এল। আসনে বসে ছাইয়ের উপরকার বড় বড় পায়ের কথাই যেন স্বপ্নের ঘোরে ভাবতে লাগলাম। দেখতে দেখতে সব কিছু কেমন ঝাপসা হয়ে এল। চোখ তুলে তাকালাম; গ্যাসের আলোও ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে। ঠিক সেই মুহূর্তে আবার সেই হাতির পায়ের শব্দ শুনতে পেলাম। সেটা আসছে-কাছে, আরও কাছে, ছাতা-পরা হল-ঘর পেরিয়ে; সেটা যত কাছে আসছে ঘরের আলো ততই ম্লান হতে ক্লানতর হচ্ছে। পায়ের শব্দ আমার দরজার কাছে এসে থামল-আলো কমতে কমতে একটা ঈষৎ নীল রঙে রূপান্তরিত হল; আমার চারপাশে সব কিছু যেন একটু ভৌতিক গোধূলির আলোয় আচ্ছন্ন। দরজা খোলে নি, অথচ বাতাসের একটা মৃদু ঝলক এসে আমার গালে লাগল; আমার সামনে এসে দাঁড়াল একটা প্ৰকাণ্ড ধোঁয়াটে দেহ। বিস্ময়-বিস্ফারিত চোখে তাকে দেখতে লাগলাম। একটা পাণ্ডুর আভা জিনিসটার উপর ছড়িয়ে পড়ল; ধীরে ধীরে সেই ধোঁয়া আকার গ্রহণ করল–একটা হাত দেখা দিল, তারপর দুটি পা, তারপর শরীর এবং সকলের শেষে বাপের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল একখানি বিষণ্ণ মুখ। জালের বাসা থেকে মুক্ত হয়ে মহামান্য কার্ডিফ দানবতার পেশীবহুল সুন্দর উলঙ্গ দেহ নিয়ে আমার মাথার উপরে দেখা দিল!

    আমার সব দুঃখ অন্তর্হিত হল-কারণ একটি শিশু ও জানে যে এই সদয় মুখ কারও কোন ক্ষতি করতে পারে না। আমার মনের খুসির ভাব তৎক্ষণাৎ ফিরে এল, আর তার সঙ্গে মিল রেখেই বুঝি গ্যাসের আলোটা আবার উজ্জ্বল দীপ্তিতে জ্বলে উঠল। এই দানব বন্ধুটিকে অভ্যর্থনা জানাতে পেরে আমি যত খুসি হলাম, কোন নির্জন সমাজ পরিত্যক্ত মানুষই সঙ্গ লাভ করে তত খুসি হয় না।

    আরে, এ সব তাহলে তুমি ছাড়া কেউ নয়? তুমি কি জান, দু তিন ঘণ্টা ধরে আমি ভয়ে মরতে বসেছিলাম? তোমাকে দেখে সত্যি খুব ভালো লাগছে। আহা, একট। এমন চেয়ার যদি থাকত-এখানে,ওটার মধ্যে বসতে চেষ্টা করো না!

    কিন্তু তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। আমি বাধা দেবার আগেই সে ওটার মধ্যে ঢুকতেই ওটা সবেগে নীচে নেমে গেল-জীবনে কখনও একটা চেয়ারকে ও ভাবে খা-খা হয়ে ভেঙে যেতে আমি দেখি নি।

    থাম, থাম, তুমি তো সব কিছু ধ্বংস-

    আবার অনেক দেরী। আবার একটা শব্দ, আর সঙ্গে সঙ্গে আর একটা চেয়ার ভেঙে খানখান।

    কী আশ্চর্য! তোমার কি বুদ্ধিশুদ্ধি কিছু নেই? তুমি কি এখানকার সব আসবাবপত্র ভেঙে ফেলতে চাও? এখানে, এখানে, ওরে কাঠ মুখখু-

    কিন্তু সবই বৃথা। আমি ধরে ফেলবার আগেই সে বিছানার উপর বসে পড়ল, আর সঙ্গে সঙ্গে সেটা একটা শোচনীয় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল।

    আচ্ছা, এটা কি রকম আচরণ তোমার? প্রথমে তো ঘরময় ঘুরতে ঘুরতে একগাদা ভবঘুরে ভূতকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে ভুয়ে আধ-মরা করে ফেললে; তার পরে এমন অশালীন পোশাক পরে এলে যা একমাত্র সন্ত্রান্ত রঙ্গমঞ্চ ছাড়া অন্য কোন সভ্য সমাজই বরদাস্ত করত না, এমন কি ঐ উলঙ্গ-বাহার বেশ যদি তোমার জাতির হত তাহলে সেটাও তারা বরদাস্ত করত না, তবু যাহোক করে আমি যেই সেটাকেও মেনে নিলাম অমনই তুমি তার প্রতিদানে বসবার মত যে আসবাব পাচ্ছ সেটাকেই ভেঙে চুরমার করে ফেলছ? কেন এ রকম করছ? যেমন নিজের ক্ষতি করছ, তেমনই আমারও ক্ষতি করছ। তোমার শিরদাঁড়ার শেষ প্রান্তটা ভেঙে ছ; জংঘাস্থিটা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে এমনভাবে ঘরময় ছড়িয়ে পড়েছে যে, একটা শ্বেত পাথরের উঠোনের মত দেখাচ্ছে। এর জন্য তোমার যে লজ্জিত হওয়া উচিত-সেটা বুঝবার মত বয়স তোমার হয়েছে।

    আচ্ছা, আর কোন আসবাব ভাঙ ব না। কিন্তু আমিই বা কি করব? একটা শতাব্দী ধরে একটু বসবার ফুঁ রসুৎ পেলাম না। তার চোখে জল এসে গেল।

    আমি বললাম, আহা বাছারে, তোমার প্রতি এতটা কঠোর হওয়া আমার উচিত হয় নি। হাজার হোক, তোমার বাপ-মা নেই। তবে এখানে মেঝেতে বস-আর কোন কিছুই তো তোমার ভর সইবে না-আর তাছাড়া, মাথার উপরে ওখানে বসে থাকলে তো তোমার সঙ্গে আমরা মিশতে পারব না; তাই আমার ইচ্ছা তুমি এখানে নীচে বস, তাহলেই ঐ উঁচু টু লটার উপর উঠে আমি তোমার মুখোমুখি বসে। গল্প করতে পারব।.

    সে মেঝেতে বসে পড়ল। আমার দেওয়া চুরুট ধরিয়ে আমার লাল কলটা গলার জড়িয়ে নিল এবং আমার স্নানের গামলাটাকে উল্টো করে শিরস্ত্রাণের মত মাথায় চাপিয়ে নিজেকে একটি দেখবার মত আরামদায়ক জীব করে তুলল। তারপর হাঁটু দুটো ভেঙে তার মৌচাকের মত গর্তওয়ালা অদ্ভুত পায়ের পাতা দুটোকে গরম করবার জন্য আগুনের দিকে মেলে ধরল।

    তোমার পায়ের পাতা ও পায়ের পিছন দিকটা ও রকম গর্ত আর কাটকাটা কেন?

    ও তো নারকীয় শীতের ফাটা-নিউয়েল-এর গোলাবাড়িতে বিশ্রাম করতে গিয়ে মাথার পিছন দিকটা পর্যন্ত সবটা শরীর ঐ ভাবে ফেটে গেছে। তবু জায়গাটা আমার খুব পছন্দ; লোকে যেমন নিজের পুরনো বাড়ি ভালবাসে, আমিও তেমনই ওই জায়গাটাকে ভালবাসি। সেখানে থেকে যে শান্তি পাই তেমন শান্তি আর কোথাও নেই।

    এইভাবে আধ-ঘণ্টা গল্প করবার পরে আমার মনে হল তাকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে। সেও সেই কথাই বলল।

    ক্লান্ত? তা হবে। এবার তোমাকে সব কথা বলব, কারন তুমি আমার সঙ্গে বড় ভাল ব্যাবহার করেছে। রাস্তার ওপাশে যাদুঘরে যে প্রস্তরীভূত মানুষটি আছে আমি তারই আত্মা। আমিকার্ডিফ দনব–এর ভুত। ওই দেহটি কে যতদিন করব না দিচ্ছে ততদিন আমার বিশ্রাম নেই। মানুষ যাতে আমার এই মনোবাসনা পূরণ করে সে জন্য আমার কি করা স্বাভাবিক বল? ভয় দেখিয়ে তাদের এ কাজে বাধ্য। করা–দেহটা যেখানে আছে সেখানেই ভয় করা! তাই তো রাতের পর রাত আমি যাদুঘরের উপরে ভয় করছি। অন্য সব ভুতদের সাহায্যই আমি পেয়েছি। কিন্তু তাতে কোন কাজ হল না। কারন মাঝ রাতে কেউ যাদুঘরে আসে না। তখন মনে হল, পথের মাঝ খানে। এই জায়গাটাতে একটু ভর করলে মন্দ হয় না। মনে হল, আমার কথাগুলি যদি কাউকে শোনাতে পারি, তাহলেই কাজ ফতে করতে পারব, কারণ পরোলোকে এসে আমি খুব ভাল সঙ্গীসাথী পেয়েছি। রাতের পর রাত আমরা এই ছাতা-পরা হল-ঘরের মধ্যে কাঁপতে কাঁপতে ঘুরে বেড়িয়েছি, পায়ের শিকল টেনে টেনে চলেছি, আর্তনাদ করেছি, ফি ফি স্ করে কথা বলেছি, সিঁড়ি দিয়ে উঠেছি আর নেমেছি, আর তাতেই বড় ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। কিন্তু আজ রাতে যখন তোমার ঘরে আলো দেখতে পেলাম, তখন নতুন উদ্যম নিয়ে নবীন উৎসাহে কাজে নেমে পড়লাম। কিন্তু আমি বড় ক্লান্ত-শ্রান্তিতে একেবারেই ভেঙে পড়েছি। তোমাকে মিনতি করছি, আমাকে কিছুটা আশা দাও!

    উত্তেজনায় আমার আসন থেকে ছিটকে পড়ে আমি চেঁচিয়ে বলে উঠলাম: এ যে ভয়ংকর বাড়াবাড়ি! এ রকমটা তো কখনও ঘটে নি! আরে ভুল-সর্বস্ব বুড়ো জীবাশ্ম, তোমার সব পরিশ্রম যে জলে গেছে-তুমি তো ভর করেছ তোমার একটা প্লাস্টারের মূর্তির উপর-আসল কার্ডিফ দানব তো রয়েছে আলবানী-তে। এমন ভুলটা করলে তুমি? তোমার নিজের দেহাবশেষকেও তুমি চেন না?

    কারও মুখে এতখানি লজ্জা ও শোচনীয় অপমানের দৃষ্টি আমি আগে কখনও দেখি নি।

    প্রস্তরীভূত মানুষটা ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল; বলল:

    ঠিক করে বল তো, এ কথা সত্য?

    আমি যেমন এখানে বসে আছি সেই রকম সত্য!

    মুখ থেকে পাইপটা নিয়ে সে ম্যান্টে ল-এর উপর রাখল, এক মুহূর্ত ইতস্তত করল (পুরনো অভ্যাসমত নিজের অজ্ঞাতেই যেখানে পাতলুনের পকেট থাকবার কথা সেখানে হাত দুটো ঢুকিয়ে দিল) এবং শেষ পর্যন্ত বলল:

    দেখ, এত অদ্ভুত আমার কখনও লাগে নি। প্রস্তরীভূত মানুষ সবাইকে বিক্রি করেছে, কিন্তু এবার দেখছি তার নীচে ফাঁকিবাজী এতদূর নেমে গেছে যে শেষ পর্যন্ত সে নিজের প্রেতাত্মাকেও বিক্রি করে দিয়েছে। দেখ বাবা, আমার মত একটি অসহায় বন্ধুহীন প্রেতাত্মার জন্য তোমার হৃদয়ে যদি এতটুকু করুণা থাকে তাহলে আজকের এই ঘটনা কখনও প্রকাশ করো না। ভাব তো, নিজে যদি নিজেকে এভাবে বোকা বানাতে তাহলে তোমার মনের ভাবটা কি হত।

    তার রাজকীয় পদশব্দ এক ধাপ এক ধাপ করে সিঁড়ি দিয়ে নেমে পরিত্যক্ত রাজপথে মিলিয়ে গেল। বেচারি! সে চলে যাওয়াতে আমার দুঃখ হল-আরও দুঃখ হল এই জন্য যে সে আমার লাল কম্বল ও স্নানের গামলাটাও সঙ্গে নিয়ে গেছে।

    *এটা ঘটনা। মূল নকল মূর্তিটা থেকে সুকৌশলে আর একটা নকল মূর্তি তৈরি করে সেটাকেই একমাত্র আসল কার্ডিফ-দানব হিসাবে নিউ ইয়র্ক-এ প্রদর্শিত হয়েছিল, আর ঠিক সেই একই সময়ে আলবনী-র যাদুঘরেও সে মূর্তি প্রচুর দর্শক আকর্ষণ করেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ
    Next Article নাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

    Related Articles

    মণীন্দ্র দত্ত

    টারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }