Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    মণীন্দ্র দত্ত এক পাতা গল্প767 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি আশ্চর্য স্বপ্ন

    একটি আশ্চর্য স্বপ্ন
    A Curious Dream

    [একটি নীতি-বাক্য সহ]

    গত রাতে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছি। মনে হল, আমি যেন দরজার সিঁড়িতে [কোন বিশেষ শহরে হয় তো নয়] বসে স্মৃতিচারণা করছি; তখন রাত প্রায় বারোটা কি একটা। আবহাওয়া স্বাস্থ্যপ্রদ ও সুন্দর। বাতাসে কোন মানুষের শব্দ শোনা যাচ্ছে না, এমন কি পায়ের শব্দও নয়। মাঝে মাঝে দূর থেকে ভেসে আসা কোন কুকুরের ফাঁকা ঘেউ ঘেউ ডাক এবং ততোধিক দূর থেকে আসা তার। অস্পষ্টতর জবাব ছাড়া আর কোন শব্দই সেই মৃত্যুব্ধ তাকে বিঘ্নিত করছে না। এমন সময় শুনতে পেলাম পথ দিয়ে যেন একটা কংকালের খট খট আওয়াজ এগিয়ে আসছে; ভাবলাম, কোন নৈশ গায়ক দলের কাঠের খঞ্জ নির শব্দ। এক মিনিট পরেই টুপি-পরা এবং শতছিন্ন ছাতাপরা শবাবরণে অর্ধেক শরীর ঢাকা একটা লম্বা কঙ্কাল বড় বড় পা ফেলে আমার পাশ দিয়ে এগিয়ে গিয়ে তারার অস্পষ্ট ধূসর আলোয় অদৃশ্য হয়ে গেল। তার ঘাড়ে একটা কীটে কাটা শবাধার ও হাতে একটা বাণ্ডিল। খট খট শব্দটা যে কিসের সেটা বুঝতে পারলাম; হাঁট বার সময় হাড়ের জোড়গুলিতে ঠোকাঠুকি লেগে এবং দুপাশের পাঁজরের উপর কনুই ঠুকে যাওয়ায়ই শব্দটা হচ্ছিল। বলতে পারি, বিস্ময় বোধ করেছিলাম। চিন্তা-ভাবনাগুলোকে গুছিয়ে নিয়ে এই অশরীরী আবির্ভাব কিসের হতে পারে সেটা বুঝে উঠবার আগেই আরও একজনের আসার শব্দ পেলাম-কারণ সেই খট খট শব্দটা আমার চেনা হয়ে গেছে। একটা। শবাধারের দুই-তৃতীয়াংশ তাঁর কাঁধে, আর পায়ের ও মাথায় দিককার কিছু তক্তা তার বগলে। খুবই ইচ্ছা হল তার মাথার ঢাকনার নীচ দিয়ে তাকিয়ে তার সঙ্গে কথা বলি, কিন্তু যেতে যেতে চোখের গর্তের ভিতর থেকে যে ভাবে সে তাকাল এবং বেরিয়ে-আসা দাঁতের পাটি যে ভাবে দেখাল তাতে মনে হল তাকে না আটকানোই ভাল। সে চলে যেতে না যেতেই আবার সেই শব্দ কানে এল এবং আবছা আলোর ভিতর থেকে আর একটি কঙ্কাল বেরিয়ে এল। মাথায় একটা ভারী কবরের পাথর বয়ে আনতে সে একেবারে কুঁজো হয়ে পড়েছে: দড়িতে বাঁধা একটা নোংরা শবাধারকে সে টেনে নিয়ে চলেছে। আমার কাছে পৌঁছে সে দু এক মুহূর্তের জন্য স্থির দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল; তারপর ঘুরে আমার কাছে এসে বলল:

    এটাকে একটু নামিয়ে দেবে কি?

    কবরের পাথরটাকে নামিয়ে মাটিতে রাখতে গিয়ে দেখলাম তার উপরে নাম লেখা রয়েছে জন বাক্সটার কপম্যান্ হাস্ট, আর মৃত্যুর তারিখ লেখা রয়েছে মে, ১৮৩৯। মৃত লোকটি শান্তভাবে আমার পাশে বসে পড়ল এবং হাত তুলে করোটি টা মুছল-পূর্বেকার অভ্যাসবশতই কাজটা সে করল, কারণ তার হাত থেকে কোন ঘাম ঝরতে দেখলাম না।

    বাকি শবাবরণটুকু টেনে নিয়ে চিন্তিতভাবে চোয়ালটা হাতের উপর রেখে সে বলল, খুব খারাপ। তারপর বাঁ পা-টা হাঁটুর উপর তুলে শবাধারের ভিতর থেকে একটা মরচে-পড়া নখ বের করে গোড়ালির হাড়টাকে অন্যমনস্কভাবে চুলকোতে লাগল।

    কি খুব খারাপ বন্ধু?

    ওঃ, সব কিছু সব কিছু। মনে হয় না মরাই ছিল ভাল।

    আমাকে অবাক করলে তো। এ কথা বলছ কেন? কোন ভুল-ভ্রান্তি ঘটেছে কি? ব্যাপার কি?

    ব্যাপার? এই শবাবরণ-এই ছেঁড়া কম্বলের দিকে তাকিয়ে দেখ। কবরের পাথরটাকেও দেখ। সব ভেঙে–চুরে গেছে। এই লজ্জাজনক পুরনো শবাধারটা দেখ। চোখের সামনে একটা লোকের সব সম্পত্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আর জিজ্ঞাসা করছ, ভুল-ভ্রান্তি ঘটেছে কিনা? আগুন আর গন্ধক!

    আমি বললাম, শান্তি হও, শান্ত হও। এটা খুবই খারাপ-নিশ্চয় খুব খারাপ। তবে এ পরিস্থিতিতে এ সব জিনিস নিয়ে তুমি যে মাথা ঘামাবে তা ভাবতে পারি নি। দেখ প্রিয় মহাশয়, মাথা আমি সত্যি ঘামাচ্ছি। আমার গর্বে আঘাত লেগেছে-বলতে পারি, আমার আরাম বিঘ্নিত হয়েছে-ধ্বংস হয়েছে। যদি অনুমতি কর তো আমার ইতিহাস তোমাকে বলব-এমনভাবে বলব যাতে তুমি বুঝতে পার, মাথার আবরণটাকে ঠেলে তুলে দিয়ে বেচারি কংকাল কথাগুলো বলল।

    বলে যাও, আমি বললাম।

    এখান থেকে একটা কি দুটো ব্লক আগে এই রাস্তারই একটা পুরনো লজ্জাজনক কবরখানায় আমি থাকি-এই যা, ঠিক ভেবেছিলাম উপস্থিতিটা সরে যাবে! নীচের দিক থেকে তিন নম্বর পাঁজরটা বন্ধু তোমার কাছে যদি থাকে তাহলে একটা দড়ি দিয়ে যদি আমার শিরদাঁড়ার সঙ্গে ওটা বেঁধে দাও, অবশ্য রূপোর তার হলেই ভাল হয়, কারণ ঘসে-মেজে রাখলে সেটা অনেকদিন টেকে আর দেখতেও ভাল হয়-ভাব তো, শুধুমাত্র উত্তরপুরুষের উদাসীনতা ও অবহেলার ফলে এই ভাবে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া, ভেঙে টুকরো-টুকরো হয়ে যাওয়া! আর বেচারি ভূতটা এমনভাবে দাঁত কড়মড় করে উঠল যে আমার গা গুলিয়ে উঠল, আমি কাঁপতে লাগলাম-কারণ কংকালের গায়ে মাংস বা চামড়া না থাকায় ব্যাপারটা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ঐ পুরনো কবরখানায় আমি থাকি; তিরিশ বছর ধরে আছি। আমি বলছি, আজ সব কিছুই বদলে গেছে। প্রথম যেদিন আমার এই পুরনো শ্রান্ত দেহটাকে ওখানে রেখেছিলাম, সেদিন দুশ্চিন্তা, দুঃখ, উদ্বেগ, সন্দেহ ও ভয়ের হাত থেকে চিরদিনের মত মুক্তি পেয়ে গেলাম এই মধুর চিন্তায় উজ্জীবিত হয়ে একটা লম্বা ঘুমের আশায় শরীরটাকে টানটান করে দিয়েছিলাম, আর শুয়ে শুয়ে কান পেতে পরম সন্তোষের সঙ্গে শুনছিলাম। সমাধি-খননকারীর কাজের শব্দ, শবাধারের উপর প্রথম এক কোদাল মাটি ফেলা থেকে শুরু করে ক্রমেই অস্পষ্ট হতে অস্পষ্টভাবে আমার নতুন বাসভবনের ছাদটাকে পিটিয়ে সমান করে দেওয়ার শব্দ পর্যন্ত-আঃ! সে কী আরাম! হায়রে! আজ রাতে যদি সে রকমটা আর একবার ঘট ত! আমার স্বপ্নাচ্ছন্ন অবস্থায়ই একটা হাড়-সর্বস্ব হাত সশব্দে আমাকে একটা থাপ্পড় মেরে বসল।

    হ্যাঁ মশাই, তিরিশ বছর আগে আমি ওখানে শুয়েছিলাম, আর বেশ সুখেই ছিলাম। কারণ তখন এটা ছিল গ্রামাঞ্চ ল-বড় বড় গাছপালা ছিল, ফুল ছিল, বাতাস ছিল; অলস বাতাসে পাতায় পাতায় মর্মর ধ্বনি উঠল; কাঠবিড়ালিরা আমাদের উপরে ও চারপাশে ঘুরে বেড়াত; কীট পতঙ্গরা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসত; আর সেই স্তব্ধ নৈঃশব্দ্যকে পাখিরা গানে গানে ভরে দিত। আহা, মৃত্যুর পরে দশটি বছর তখন কী আমারেই কাট ত! সব কিছুই মনোরম। প্রতিবেশীরাও ছিল ভাল; যে সব মৃত ব্যক্তিরা আমার কাছাকাছি থাকত তারা সকলেই ছিল শহরের সেরা পরিবারের লোক। উত্তরপুরুষরা তখন আমাদের জগতের কথা ভাবত। তারা আমাদের কবর গুলোকে খুব ভাল অবস্থায় রাখত; বেড়াগুলোকে নিখুঁতভাবে মেরামত করত, উপরকার বোর্ডটাকে রং করে বা চুণকাম করে রাখত, আর মরচে ধরতে বা নষ্ট হতে শুরু করলেই সেটা বদলে নতুন বোর্ড লাগিয়ে দিত; স্মৃতিফলকগুলোকে সোজা অবস্থায় রাখত, রেলিংগুলোকে ঝকঝকে করে রাখত, গোলাপের ঝড় ও অন্যান্য ঝোঁপ-ঝাড়কে কেটে হেঁটে সুন্দর করে রাখত; আ রাস্তাগুলোকে সব সময়ই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পাথর দিয়ে বেঁধে দিত। কিন্তু সেদিন আর নেই। বংশধররা আমাদের ভুলে গেছে। আমার এই বুড়ো হাতে উপার্জন করা টাকায় তৈরি মস্ত বড় বাড়িতে বাস করে আমার নাতি, আর আমি ঘুনোই এমন একটা অবহেলিত কবরে যেখানে আক্রমণকারী কীট রা আমার শবাবরণকে কেটে কেটে সেখানে বাসা তৈরি করে! আমি এবং আমার যে বন্ধুরা এখানে শায়িত রয়েছে তারাই এই সুন্দর শহরের পত্তন ও সমৃদ্ধি সাধন করেছি, আর আমাদের সেই সব বড়লোক সন্তানরা আজ আমাদের এমন একটা বিধ্বস্ত কবরখানায় ফেলে রেখেছে যাকে দেখে প্রতিবেশীরা অভিশাপ দেয় আর অপরিচিতরা নাক সিঁট কোয়। সেকাল আর একালের তফাৎটা দেখ-যেমন ধর: আমাদের সব গুলি কবরই গর্তের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে; মাথার উপরকার বোর্ড গুলো পুরনো হয়ে ভেঙে পড়েছে; রেলিংগুলো যেন এক পা আকাশে তুলে এদিক-ওদিক দুলছে; আমাদের স্মৃতিফলক গুলি ক্লান্তিতে হেলে পড়েছে; কবরের পাথরগুলো নৈরাশ্যে মাথা নীচু করে আছে; কোন রকম সাজ-সজ্জাই আর এখন নেই-গোলাপ নেই, ফুলের কেয়ারি নেই, পাথরে বাঁধানো পথ নেই; নয়নসুখকর কোন কিছুই নেই; এমন কি যে রং-হীন কাঠের বেড়াটা একদিন অন্য জন্তু-জানোয়ারের সঙ্গ থেকে ও অসতর্ক পদক্ষেপের হাত থেকে আমাদের পবিত্রতাকে রক্ষা করত, সেটা ভেঙে পড়ে রাস্তার উপর ঝুলছে, আর তার ফলে আমাদের এই অকিঞ্চিৎকর বিশ্রাম স্থানের উপর সকলের ঘৃণার দৃষ্টি আরও বেশী করে পড়েছে। তাছাড়া আমাদের এই দারিদ্র্য ও দুরবস্থাকে এখন আমরা অরণ্যের আড়ালেও ঢেকে রাখতে পারি না, কারণ শহর তার শীর্ণ হাত আমাদের বাসস্থানের দিকেও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    এবার তাহলে বুঝতে পারছ-দেখতে পারছ ব্যাপারটা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে। আমাদের বংশধররা যখন আমাদেরই টাকায় প্রাচুর্যের মধ্যে বাস করছে আমাদের চারপাশে, তখন মাথার খুলি ও হাড়কে একত্রে রাখতে আমাদের করতে হচ্ছে কাঠের সংগ্রাম। শুনলে অবাক হবে, আমাদের কবরখানায় এমন একটা কবরও নেই যেটা দিয়ে জল না পড়ে। রাতের বেলা বৃষ্টি হলেই আমাদের বেরিয়ে এসে গাছে উঠতে হয়-কখনও বা গলার নীচে ঠাণ্ডা জলের ফোঁটা পড়লে হঠাৎ আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। যে কোন বৃষ্টি-ঝরা রাতে। বারোটার পরে যদি সেখানে যাও তাহলে দেখতে পাবে, আমাদের মধ্যে অন্তত পনেরো জন একহাতে গাছের ডাল ধরে ঝুলে আছি, হাড়ের জোড়গুলি ভীষণভাবে শব্দ করছে, আর আমাদের পাঁজরের ভিতর দিয়ে বাতাস শোঁ-শোঁ করে বয়ে চলেছে। অনেক দিনই তিন-চার ঘণ্টা আমাদের এই ভাবে কাটাতে হয়, আর তারপরে ঠাণ্ডায় জমে কাঠ হয়ে নীচে নেমে আসি এবং পরস্পরের মাথার খুলি ধার করে নিয়ে যার যার কবর খুঁড়ে বের করে নেই-আমি মাথাটা পিছনে হেলিয়ে ধরছি, তাহলেই তুমি দেখতে পাবে খুলির মধ্যে কত পুরনো শুকনো মাটি জমে আছে-এর ফলে অনেক সময়ই মাথাটা কত যে ভারী লাগে! হ্যাঁ মশাই, অনেক দিনই ভোর হবার ঠিক আগে যদি তুমি সেখানে হাজির হও তাহলে দেখতে পাবে যে আমরা কবরের মাটি খুঁড়ছি, আর আমাদের শবাবরণগুলোকে বেড়ার উপর শু কোবার জন্য মেলে রেখেছি। আরে, একদিন আমার একটা চমৎকার শবাবরণ সেখান থেকে চুরিই হয়ে গেল-স্মিথ নামে। এক মক্কে ল সেটা নিয়ে গেল। ওই দূরের একটা গরীব মানুষদের কবরখানায় সে থাকে। আমার এ কথা মনে করবার কারণ কি জান? যেদিন আমি প্রথম তাকে দেখি সেদিন তার গায়ে একটা চৌখুপি শার্ট ছাড়া আর কিছুই ছিল না; কিন্তু নতুন কবরখানার একটা। সামাজিক মিলন-অনুষ্ঠানে যখন তাকে শেষ বারের মত দেখলাম তখন সেই ছিল সমবেত সকলের মধ্যে সবচাইতে সেরা পোশাকে সজ্জিত মৃতদেহ-আর এটাও খুবই অর্থপূর্ণ যে আমাকে দেখেই সে সেখান থেকে চলে গেল; আবার সম্প্রতি এখানকার একটি বুড়ি তার শবধারটি ই খুইয়েছে-সাধারণত কোথাও গেলে সেটাকে সে সঙ্গে করেই নিয়ে যায়, কারণ তার শ্লেষ্মর ধাত, আর রাতের বাতাস বেশী গায়ে লাগলেই তার সেই বাতের ব্যথাটা চাড়া দেয় যার প্রকোপেই তার মৃত্যুটা ঘটে ছিল। তার নাম হচকিস্-আন্না মাটি ডা। হকিস্-তুমি হয় তো তাকে চিনতেও পার। সামনের দুটো দাঁত এখনও আছে; বেশ লম্বা, কিন্তু এখন অনেকটা ঝুঁকে পড়েছে, বাঁ দিকে পাঁজরের একটা হাড় নেই; মাথার বাঁ দিক থেকে এক গুছি বিবর্ণ চুল ঝুলে আছে, এক গু ছি আছে মাথার ঠিক উপরে ডান কানের দিকটা ঘেঁসে; নীচের চোয়ালটী তার দিয়ে বাঁধা, আর বাঁ হাতের একটা ছোট হাড় কখন লড়াই করতে উড়ে গেছে; হাত দুটো বুকের উপর আড়াআড়িভাবে ভেঙে নাকের ছিদ্র দুটো আকাশের দিকে তুলে এক ধরনের ঝুঁকে ঝুঁকে হাঁঠে-হয় তো কোথাও না। কোথাও তাকে দেখেছ?

    ঈশ্বর না করুন! অনিচ্ছাকৃতভাবে কথাটা বলেই অপ্রস্তুত বোধ করলাম। তাড়াতাড়ি নিজের এই কঠোরতাকে শু ধরে নিয়ে বললাম, মানে আমি শুধু বলতে চাই যে সে সৌভাগ্য আমার হয় নি; ইচ্ছা করে তোমার বন্ধুর সম্পর্কে কোন রকম অসৌজন্যমূলক কথা আমি বলতে পারি না। তুমি বলছিলে যে তোমার শবাবরণটি চুরি হয়ে গেছে, কিন্তু এখন যেটা তোমার গায়ে রয়েছে তার ছিন্ন দশা দেখেও তো মনে হয় যে একসময় এটা খুব দামীই ছিল। তাহলে-

    আমার অতিথির মুখমণ্ডলের শুকনো হাড় ও কুঁচকানো চামড়ার একটা ভৌতিক পরিবর্তন দেখা দিল; মুচকি হেসে বেশ চতুর ভঙ্গীতে সে জানাল যে বর্তমান পোশাকটি যখন তার গায়ে উঠেছে ততক্ষণে পার্শ্ববর্তী কবরখানার জনৈক ভূতের একটি পোশাক খোয়া গিয়েছে। ব্যাপারটা বোধগম্য হল। তবু তার মুখভঙ্গী-বিশেষ করে তার হাসি আমার ভাল লাগছিল না। তাই তাকে কথা চালিয়ে যেতেই বললাম।

    কংকাল বলতে লাগল, হ্যাঁ বন্ধু যা বললাম সেটাই প্রকৃত অবস্থা। দুটি পুরনো কবর-একটি তে আমি থাকতাম, আর একটি খানিকটা দূরে-আমাদের বর্তমান বংশধরদের দ্বারা এতদূর অবহেলিত হয়েছে যে তাতে আর বাস করা যায় না। কংকালের নিজস্ব অসুবিধা তো আছেই-আর এই বর্ষায় সেটা কম কথা নয়-বর্তমান অবস্থায় সম্পত্তিরও বিস্তর ক্ষতি হচ্ছে। হয় আমাদের অন্যত্র চলে যেতে হবে, আর না হয় চোখের সামনে সব কিছু নষ্ট হয়ে যাওয়া দেখতে হবে। তুমি হয়তো বিশ্বাস করবে না, তবু এ কথা সত্য যে আমার পরিচিত কারও শবাধারই এখন ভাল অবস্থায় নেই। পাইন কাঠের বাক্সে বোঝাই হয়ে ভাড়াটে গাড়িতে চড়ে যারা এখানে আসে সেই নীচু শ্রেণীর লোকেদের কথা আমি বলছি না; আমি বলছি তোমাদের সেই সব উঁচু মাপের রূপোর কারুকার্য করা শবাধারের কথা যেগুলো কালো পালক মাথায় পরা শোভাযাত্রার আগে আগে আসে, আর যারা ইচ্ছামত কবরের জায়গা বেছে নিতে পারে-অর্থাৎ জার্ভিস, ব্লেড় সু ও বালিংদের কথাই আমি বলছি। সেই সবই আজ ধ্বংসের মুখে। তারাই ছিল আমাদের মধ্যে সব চাইতে শাঁসালো লোক। অথচ এখন তাদের দিকে তাকাও-একেবারেই রসহীন আর দারিদ্র্যপীড়িত। একজন ব্লেড সু তো জনৈক পরলোকগত নাপিতের কাছে দাড়ি। কামাবার সরঞ্জামের বদলে তার স্মৃতিফলকটাই বেচে দিল। অথচ একটি মৃতদেহের কাছে তার স্মৃতিফলকটি ই সব চাইতে গর্বের বস্তু। তার উপর খোদাই করা কথা গুলি পড়তে সে ভালবাসে। কোন রকম অভিযোগ না করেই বলছি, আমার বংশধররা এই পুরনো। পাথরটা ছাড়া আমার কবরে যে আর কিছুই দেয় নি তাতে আমার প্রতি খুবই খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে-তার উপরে আবার এই পাথরে কোন রকম গুণকীর্তনই লেখা নেই। একসময় এই পাথরটার গায়ে লেখা ছিল–

    ‘উপযুক্ত পুরস্করই সে পেয়েছে’

    লেখাটা দেখে প্রথমে খুবই গর্ববোধ হয়েছিল, কিন্তু যত দিন যেতে লাগল ততই দেখতাম আমার কোন পুরনো বন্ধু এখানে এলেই রেলিং-এর ভিতরে থুতনিটা গলিয়ে মুখ বাড়িয়ে এটা পড়ত আর তারপরে মুচকি হেসে খুসি মনে ফিরে যেত। কাজেই ঐ বোকাদের হাত থেকে রেহাই পাবার জন্যই লেখাটা আমি মুছে ফেলে দিলাম। কিন্তু একটি মৃত মানুষ তার স্মৃতিফলক নিয়ে খুবই গর্ববোধ করে। ঐ তো দূরে আধা ডু জন জার্ভিস তাদের পারিবারিক স্মৃতিফলকটি সঙ্গে নিয়েই চলে যাচ্ছে। একটু আগে স্মিথরাও চলে গেল তাদের স্মৃতিফলক নিয়ে। আরে, হিগিন্স যে, বিদায় পুরনো বন্ধু। উনি হলেন মেরিডিথ হিগিন্স-৪৪ সালে মারা গিয়েছিলেন-কবরখানায় আমাদের দলেই ছিলেন-খুব পুরনো পরিবার-ওর সঙ্গে আমার খুব ভাব-আমার কথা শুনতে পায় নি বলেই জবাব দিল না। আর তাই তোমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে পারলাম না বলে আমি দুঃখিত। ওকে দেখলে তোমারও ভাল লাগত। ও রকম বিকৃত, গাঁট–খোলা কংকাল তুমি কখনও দেখ নি। সে যখন হাসে, মনে হয় দুটো পাথরে ঘসাঘসি হচ্ছে, কিন্তু লোকটি খুব আমুদে। সে এমনভাবে কথা বলে যেন কেউ জানালার কাঁচের উপর নখ দিয়ে আঁচড়াচ্ছে। হেই জোন্স! উনি হলেন বুড়ো কলম্বাস। জোন্স-তার শবাচ্ছাদন তৈরি করতেই ব্যয় হয়েছিল চারশ ডলার-স্মৃতি-ফলকটার জন্য ব্যয় হয়েছিল সাতাশ শ। 2৬ সালের বসন্তকালের কথা। তখনকার দিনের পক্ষে সে এক এলাহি ব্যাপার। সব জায়গা থেকে মৃতরা এসে ভিড় করেছিল তার তৈজসপত্রাদি দেখতে। ঐ যে একটি কংকাল একা একা চলেছে, বগলে একটু করো বোর্ড, হাঁটুর নীচে কার পায়ের একটা হাড় নেই, সঙ্গেও কিছু নেই-দেখতে পাচ্ছ? উনি হলেন বাফ্টো ডালহৌসি-যত লোক আমাদের কবরখানায় ঢুকেছে তাদের মধ্যে কলম্বাস জোন্সের পরে। তিনিই ছিলেন সব চাইতে পরিপাটি সাজে সজ্জিত। আমরা সবাই চলে যাচ্ছি। আমাদের বংশধরদের কাছে যে ব্যবহার পাচ্ছি তা আর আমরা সইতে পারছি না। তারা নতুন নতুন কবরখানা খুলছে, কিন্তু আমাদের ফেলে রেখেছে অনাদৃত অবস্থায়। কিছু রাস্তা তারা। মেরামত করে, কিন্তু আমাদের রাস্তায়, বা আমাদের জিনিসপত্রে কখনও হাত দেয় না। আমার শবাধারটি ই দেখ-অথচ আমি বলছি এক সময়ে এটা একটা দেখবার মত আসবাব ছিল-শহরের যোন কোন বসবার ঘরে রাখলে এটা লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করত। যদি চাও তো এটা তোমাকে দিতে পারি-এটাকে মেরামত করার সামর্থ্য আমার নেই। তলাকার কাঠ টা নতুন লাগিয়ে নিও, উপরের কাঠটাও কিছুটা পাল্টাতে হবে, বাঁ দিকে একটা নতুন পটি বসিয়ে দিও, তাহলেই দেখতে একেবারে খাসা হবে। ধন্যবাদ দিতে হবে না-ওকথা বলো না-তুমি আমার সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করেছ, তাই আমাকে অকৃতজ্ঞ মনে করবার আগেই আমার যা কিছু আছে সব তোমাকে দিয়ে যাব। এই চাদরটা আমার বড়ই প্রিয়, তুমি যদি চাও-চাও না? বেশ, তোমার যেমন মর্জি, আমি শুধু ন্যায়পরায়ণ ও উদার হতে চেয়েছিলাম-আমার মধ্যো নীচ তা পাবে না। বিদায় বন্ধু এবার আমাকে যেতে হবে। জানি না-হয়তো অত রাতে আমাকে অনেকটা পথ চলতে হবে। শুধু একটি কথা নিশ্চিত জানি, আমি এবার যাত্রীদলে ভিড়েছি, ঐ পুরনো কবরে আর আমাকে ঘুমুতে হবে না একটা সম্মানজনক বাসস্থান না পাওয়া পর্যন্ত আমি চলতেই থাকব, তাতে যদি নিউ জার্সি পর্যন্ত পা চালাতে হয় তাও সই। সকলেই চলেছে। গত রাতের জমায়েতেই স্থির হয়েছে চলে যেতে হবে; তাই সূর্য উঠবার সময় হলে দেখা যাবে পুরনো গোরস্থানে একটা হাড়ও পড়ে নেই। হেলো, ঐ যে জনাকয় ব্লেড় সু যাচ্ছে; তুমি যদি পাথরটা তুলে নিতে একটু সাহায্য কর তাহলে আমিও ওদের দলে যোগ দিতে পারি। ওরা খুব বড় বংশের লোক। বিদায় বন্ধু।

    কবরের পাথটাকে ঘাড়ে নিয়ে ভাঙা শবাধারটাকে টানতে টানতে সে শোভাযাত্রার সঙ্গে যোগ দিল; বেশ আন্তরিক পীড়াপীড়ি সত্ত্বেও তার দানকে আমি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। যতদূর মনে হয় দুঘণ্টা ধরে এই বিষণ্ণ সমাজপরিত্যক্তের দল তাদের জিনিসপত্র নিয়ে সেখান দিয়ে যেতে লাগল, আর আমি বসে বসে করুণার চোখে তাদের দেখতে লাগলাম। তাদের মধ্যে যে দুএকজন অপেক্ষাকৃত যুবক এবং যাদের চেহারা ও অতটা বিধ্বস্ত নয় তারা রেলপথের মাঝ রাতে চলাচলকারী ট্রেনের খোঁজ-খবর করল; মনে হল বাকিরা রেলপথের কোন খবরই রাখে না; তারা বিভিন্ন শহরে ও নগরে যাবার রাস্তাঘাটের হদিস জানতে চাইল; তার মধ্যে অনেক শহর-নগরের নামই এখন আর মানচিত্রে পাওয়া যাবে না, দীর্ঘ ত্রিশ বছর আগেই সেগুলি মানচিত্র থেকে এবং পৃথিবী থেকেও উধাও হয়ে গেছে। ঐ সব শহর-নগরের কবরখানার বর্তমান অবস্থা কেমন, আর মৃতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের সুনাম তাদের আছে কিনা-সে সম্পর্কেও তারা খোঁজ-খবর নিল।

    সমস্ত ব্যাপারটাই আমাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করল; এই সব গৃহহারাদের জন্য আমার মনে সহানুভূতিও জাগল। যেন এ সবই বাস্তব ঘট না, যেন আমি মোটেই স্বপ্ন দেখছি না এমনিভাবে জনৈক মৃত যাত্রীকে আমার মনোভাব জানিয়ে বললাম, এই বিচিত্র ও একান্ত দুঃখদায়ক অভিযানের একটি বিবরণ প্রকাশ করবার ইচ্ছা আমার মাথায় ঢুকেছে; আরও বললাম, যদিও এর যথাযথ বর্ণনা আমি করতে পারব না, তবু মৃতদের প্রতি যাতে এতটুকু অশ্রদ্ধা প্রকাশ না পায় সে বিষয়ে আমি সতর্ক থাকব। কিন্তু একজন প্রাক্তন নাগরিকের রাজকীয় ধ্বংসাবশেষ আমার ফ টুকের উপর অনেকখানি ঝুঁকে পড়ে কানে কানে বলল;

    ও নিয়ে আপনি মাথা ঘামাবেন না। যে কবরখানা ছেড়ে আমরা চলে যাচ্ছি তাকে যারা এতদিন সহ্য করেছে, আজ সেই সব কবরখানায় যারা অবহেলিত ও পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে রইল তাদের সম্পর্কে যে যাই বলুক তাও তারা অবশ্য সহ্য করতে পারবে।

    ঠিক সেই মুহূর্তে একটা মোরগ ডেকে উঠল, আর সেই ভৌতিক শোভাযাত্রা অদৃশ্য হয়ে গেল, একটু করো ন্যাকড়া বা একখানি হাড়ও সেখানে পড়ে রইল না। আমার ঘুম ভেঙে গেল; দেখলাম, বিছানার বাইরে মাথাটা বেশ খানিকটা ঝুলিয়ে আমি শুয়ে আছি-এ অবস্থাটা হয় তো নীতি-বাক্য সমন্বিত স্বপ্ন দেখার পক্ষে উপযুক্ত, কিন্তু কাব্যের পক্ষে অনুকূল নয়।

    মন্তব্য: পাঠক নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে, তার নিজের শহরের কবরখানার রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা যদি ভাল থাকে, তাহলে এই স্বপ্ন তার শহরের বিরুদ্ধে মোটেই দেখা হয় নি; এ স্বপ্ন-বিবরণ বিশেষভাবে এবং একান্ত তিক্ততার সঙ্গে তার পাশ্ববর্তী শহরের বিরুদ্ধেই লিপিবদ্ধ করা হল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ
    Next Article নাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

    Related Articles

    মণীন্দ্র দত্ত

    টারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }