Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    মণীন্দ্র দত্ত এক পাতা গল্প767 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিখ্যাত গো-মাংস চুক্তির আসল ঘটনা

    বিখ্যাত গো-মাংস চুক্তির আসল ঘটনা
    The Facts in the Great Beef Contract

    যে ব্যাপারটি জনসাধারণের মনে যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, অনেক তিক্ততার সৃষ্টি করেছিল, এবং বিকৃত প্রতিবেদন ও বেপরোয়া মন্তব্যের দ্বারা উভয় মহাদেশের সংবাদপত্রের পাতা ভরে তুলেছিল, সে ব্যাপারে আমার যৎসামান্য অবদান যা ছিল সেটাকেই যথাসম্ভব অল্প কথায় জাতির সামনে উপস্থিত করতে চাই।

    এই দুর্বিপাকজনক বিষয়টির সূত্রপাত হয়েছিল এইভাবে-আর এখানে আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে নিম্নলিখিত প্রতিবেদনের প্রতিটি ঘটনার যথোচিত প্রমাণ পাওয়া যাবে সাধারণ সরকারের মহাফেজখানায়।

    নিউ জার্সির-র চেমুং জেলা-র রট রডামনিবাসী মৃত জন উইলসন ম্যাকেঞ্জি সাধারণ সরকারের সঙ্গে ১৮৬১ সালের ১০ই অক্টোবর নাগাদ এই মর্মে একটি চুক্তি করেছিল যে জেনারেল শেরমান-কে মোট ত্রিশ পিপে গো-মাংস সে সরবরাহ করবে।

    খুব ভাল কথা।

    গো-মাংসের যোগান নিয়ে সে শেরমান-এর উদ্দেশে যাত্রা করল, কিন্তু সে যখন ওয়াশিংটন-এ পৌঁছল তখন শেরমান মানাসাস-এ চলে গেছে; সুতরাং সেও গো-মাংসসহ সেখানে হাজির, কিন্তু কিঞ্চিৎ বিলম্বে; তার খোঁজে ন্যাশভিল গেল, ন্যাশভিল থেকে চাট্রানুগাতে, আর চাট্রানুগা থেকে আট লাণ্টা-কিন্তু কোথাও তাকে ধরতে পারল না। আটলান্টা থেকে নতুন করে যাত্রা শুরু করে সে সোজা সমুদ্রপথে তার পিছু নিল; এবারও তার পৌঁছতে কয়েকটা দিন দেরি হয়ে গেল; কিন্তু যখন সে শুনতে পেল যে শেরমান কোয়েকার সিটি  জাহাজে চেপে পবিত্র দেশ পরিভ্রমণে যাচ্ছে, তখন সেও জাহাজে চেপে বেইরুট যাত্রা করল; মনে ইচ্ছা, শেরমান-এর আগেই সেখানে পৌঁছে যাবে। গো-মাংস নিয়ে জেরুজালেম-এ পৌঁছে সে জানতে পারল, শেরমান মোটে ই কোয়েকার সিটি -তে চাপে নি; রেড ইণ্ডিয়ানদের সঙ্গে লড়াই করবার জন্য সমতল অঞ্চলে চলে গেছে। আমেরিকায় ফিরে এসে সে রকি পর্বতমালার উদ্দেশে যাত্রা করল। আটষট্টি দিন ধরে কঠোর পথ-পরিক্রমার পরে সে যখন শেরমান-এর হেড কোয়ার্টারের চার মাইলের মধ্যে পৌঁছল তখন রেড ইন্ডিয়ানরা তাকে আক্রমণ করে কুড়ুল দিয়ে তার মাথার চামড়া তুলে নিল, আর মাংসটাও হাতিয়ে নিল। একটা পিপে বাদে আর সবই তারা নিয়ে গেল। শেরমান-এর সৈন্যরা সেই পিপেটা দখল করে নিল, আর এই ভাবে মরতে মরতেও সেই সাহসী অভিযাত্রী তার চুক্তিটি আংশিকভাবে পূর্ণ করল। দিন-পঞ্জীর আকারে যে উইল সে রেখে গিয়েছিল তাতে ঐ চুক্তিনামাটাকে সে তার ছেলে বার্থোলোমিউ ডব্লু-কে দান করে গেল। বার্থোলোমিউ ডব্লু-ও নিম্নিলিখিত বিলটি তৈরি করে রেখে মারা গেল:

    খাদত যুক্তরাষ্ট্র সরকার

    প্রাপক নিউ জার্সির জন উইলসন ম্যাকেঞ্জি (মৃত)

    দং জেনারেল শেরমান-এর জন্য ত্রিশ ব্যারেল

    গোমাংসের মূল্য ১০০ ডলার হিঃ…….. ৩০০০ ডলার

    যোগ-ভ্রমণ ও পরিবহন ব্যয়… ১৪,০০০

    মোট … ১৭,০০০ ডলার

    পাওনা বুঝিয়া পাইলাম।

    সে তো মারা গেল; কিন্তু চুক্তিনামাটা দিয়ে গেল উইলিয়ম জে. মার্টিনকে; সেও বিলের টাকা আদায়ের চেষ্টা করতে করতেই মারা গেল। সে ওটা দিয়ে গেল বার্কার জে. অ্যালেনকে, আর সেও টাকা আদায়ের কাজে লেগে গেল। কিন্তু তার আগেই সে মারা গেল।

    বার্কার জে. অ্যালেন সেটা দিয়ে গেল অ্যাক্সন জি. রোজার্সকে; বিলের টাকা আদায়ের চেষ্টা করতে করতে সে নবম হিসাব-পরীক্ষকের আপিস পর্যন্ত এগোল; এমন সময় সমতাবিধায়ক মহান যমরাজ বিনা পরোয়ানায় হঠাৎ এসে তার পথও আটকে দিল। সে বিলটা রেখে গেল তার এক আত্মীয় কনেট কাট–এর প্রতিহিংসাপরায়ণ হপকিন্স-এর কাছে। সে টিকে রইল চার সপ্তাহে দু দিন; কিন্তু তার মধ্যেই সে কাজের মধ্যে এতদূর এগিয়ে গেল যে দ্বাদশ হিসাবরক্ষক পর্যন্ত পৌঁছে গেল। তার উইলে সে ঐ চুক্তির বিলটা দিয়ে গেল তার খুড়ো সদানন্দ জনসনকে। কিন্তু নামেই সদানন্দ। তার শেষ কথাগুলি হল: আমার জন্য কেঁদ না-আমি যেতেই চাই। বেচারি! সে সত্যি চলে গেল। তারপর সাতটি লোক উত্তরাধিকারসূত্রে সে চুক্তিনামাটা পেল, আর সাতজনই মারা গেল। শেষ পর্যন্ত সেটা এল আমার হাতে। ইণ্ডিয়ানা-র বেথলেহেম হুবার্ড নামক আমার এক আত্মীয়ের মারফ তই আমার হাতে এল। অনেকদিন পর্যন্ত তিনি আমার উপর বিরূপ ছিলেন; কিন্তু শেষ সময়ে তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন, সব কিছু ক্ষমা করলেন, আর কাঁদতে কাঁদতে গোমাংসের চুক্তিনামাটা আমাকে দিলেন।

    ঐ সম্পত্তিটা আমার হাতে আসার আগে পর্যন্ত এই হল তার ইতিহাস। এ ব্যাপারে আমার যা ভূমিকা এবার সেটাকেই সরাসরি জাতির সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করব। গো-মাংসের চুক্তিপত্র, মাইল হিসাবে ভাড়া ও যাতায়াত খরচের হিসাব-সব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করলাম।

    সে বলল, আপনার জন্য আমি কি করতে পারি?

    আমি বললাম, মহাশয়, ১৮৬১ সালের ১০ই অক্টোবর নাগাদ নিউ জার্সির চে মুং জেলার রটরডাম নিবাসী মৃত জন উইলসন ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে সাধারণ সরকারের চুক্তি হয়েছিল যে তিনি জেনারেল শেরমানকে মোট ত্রিশ পিপে গো-মাংস সরবরাহ করবেন-

    এখানেই আমাকে থামিয়ে দিয়ে প্রেসিডেন্ট সদয়ভাবে অথচ দৃঢ়তার সঙ্গে আমাকে তার কাছ থেকে বিদায় দিল। পরদিন আমি স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে দেখা করলাম।

    সে বলল, বলুন?

    আমি বললাম, মহামান্য মহাশয়, ১৮৬১ সালের ১০ই অক্টোবর নাগাদ নিউ জার্সি-র চেমুং জেলার নিবাসী মৃত উইলসন ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে সাধারণ সরকারের চুক্তি হয়েছিল যে তিনি জেনারেল শেরুমানকে মোট ত্রিশ পিপে গো-মাংস সরবরাহ করবেন-

    বাস, ওতেই হবে স্যার, ওতেই হবে; গো-মাংসের দরুণ চুক্তির ব্যাপারে এই আপিসের কিছুই করার নেই।

    অভিবাদন জানিয়ে বিদায় নিলাম। বিষয়টি নিয়ে অনেক ভাবনা-চিন্তা করে পরদিন নৌ-বিভাগীয় সচিবের সঙ্গে দেখা করলে সে বলল, তাড়াতাড়ি কথা শেষ করুন; আমার দেরি করিয়ে দেবেন না।

    আমি বললাম, মহামান্য মহাশয়, ১৮৬১ সালের ১০ই অক্টোবর নাগাদ নিউ জার্সির চেমুং জেলার রট রডামনিবাসী মৃত জন। উইলসন ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে সাধারণ সরকারের চুক্তি হয়েছিল যে তিনি জেনারেল শেরমানকে মোট ত্রিশ পিপে গো-মাংস সরবরাহ করবেন-

    দেখুন, এই পর্যন্ত বলেই আমাকে থামতে হল। জেনারেল শেরমান-এর দরুন গো-মাংসের চুক্তির ব্যাপারে তারও কিছু করবার নেই। আমি ভাবলাম, এ তো বড় আশচর্য সরকার। মনে হল, সরকার যেন গো-মাংসের দামটা না দেবার চেষ্টাই করছে। পরদিন গেলাম আভ্যন্তরীণ বিভাগীয় সচিবের কাছে।

    বললাম, মহামান্য মহাশয়, ১৮৬১ সালের ১০ই অক্টোবর নাগাদ-

    ওতেই হবে। আপনার কথা আগেই শুনেছি। আপনার ঐ কুখ্যাত গো-মাংস চুক্তিপত্র নিয়ে এখান থেকে কেটে পড়ুন। সেনাবাহিনীর খাদ্যের ব্যাপারে আভ্যন্তরীণ বিভাগের কিছুই করবার নেই।

    চলে গেলাম। কিন্তু এবার আমিও বেপরোয়া হয়ে উঠলাম। ঠিক করলাম, ওদের পিছনে লেগেই থাকব। যতক্ষণ না এই চুক্তির ব্যাপারে একটা ফয়সালা হয় ততক্ষণ এই ছিদ্রান্বেষী সরকারের প্রতিটি বিভাগে হানা দেব। হয় বিলের টাকা আদায় করব, আর না হয় তো আমার পূর্বগামীদের মতই সে চেষ্টায়ই প্রাণপাত করব। পোষ্টমাস্টার-জেনারেলকে আমন্ত্রণ করলাম; কৃষি বিভাগকে ঘেরাও করলাম; প্রতিনিধি সভার পীকারকে পথের মাঝ খানে পাকড়াও করলাম। গো-মাংসের সামরিক চুক্তির ব্যাপারে তাদের কারও কিছু করবার নেই। পেটেন্ট আপিসের কমিশনারকে ধরে বললাম, শ্রদ্ধেয় মহাশয়, ১৮৬১ সালের-

    জাহান্নামে যাক! শেষ পর্যন্ত ওই আগুনে গো-মাংস চুক্তি নিয়ে আপনি এখানে হানা দিয়েছেন? সেনাবাহিনীর দরুণ গো-মাংসের চুক্তির ব্যাপারে আমাদের কিছু করবার নেই।

    খুব ভাল কথা-কিন্তু গো-মাংসের দামটা তো কাউকে না কাউকে দিতেই হবে। আর সেটা এখনই দিতে হবে, নইলে এই পেটেন্ট

    আপিস ও এখানকার সব কিছু আমি বাজেয়াপ্ত করে নেব।

    কিন্তু প্রিয় মহাশয়-

    তাতে কোন তফাৎ হচ্ছে না মশায়। সেই গো-মাংসের দায় পেটেন্ট আপিসের, এটা আমার কথা; আর দায় হোক বা না হোক, পেটেন্ট আপিসকেই দামটা দিতে হবে।

    বিস্তারিত বিবরণে কাজ নেই। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ হল। পেটেন্ট আপিস জিতল। কিন্তু আমি খানিকটা সুবিধা পেয়ে গেলাম। আমাকে বলে দেওয়া হল, ট্রেজারি বিভাগই হল আমার সঠিক জায়গা। সেখানে গেলাম। আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করবার পরে ট্রেজারির প্রথম প্রভুর কাছে যাবার অনুমতি মিলল।

    বললাম, অতি গম্ভীর ও অতি শ্রদ্ধেয় মহামান্য সিনর, ১৮৬১ সালের ১০ই অক্টোবর নাগাদ জন উইলসন ম্যাক-

    ওই যথেষ্ট। আপনার কথা শুনেছি। ট্রেজারির প্রথম হিসাব পরীক্ষকের কাছে চলে যান।

    তাই গেলাম। সে আমাকে পাঠাল দ্বিতীয় হিসাব-পরীক্ষকের কাছে। দ্বিতীয় পাঠাল তৃতীয়ের কাছে, আর তৃতীয় পাঠাল শস্য-গোমাংস বিভাগের প্রথম কম্পট্রোলারের কাছে। এতদিনে কাজ শুরু হল। সে হিসাবের খাতা ও সব খুচরো কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখল, কিন্তু গো-মাংস-চুক্তির কোন কার্যবিবরণ খুঁজে পেল না। ঐ একই বিভাগের দ্বিতীয় কম্পট্রোলারের কাছে গেলাম। সেও হিসাবের বই ও খুচরো কাগজপত্র খুঁটিয়ে দেখল, কিন্তু ফল কিছু হল না। তবে আমি উৎসাহ বোধ করলাম। সেই এক সপ্তাহে আমি সে বিভাগের যষ্ঠ কট্রোলার পর্যন্ত পৌঁছে গেলাম; পরের সপ্তাহে পার হলাম দাবী বিভাগ আর তৃতীয় সপ্তাহে ফে লে-রাখা চুক্তি বিভাগের কাজও শেষ করে ফেললাম এবং বাতিল হিসাবের বিভাগ পর্যন্ত পৌঁছে গেলাম। সেখানকার কাজ শেষ করলাম তিন দিনে। আর একটি মাত্র স্থান বাকি। খুচরো ব্যাপার-এ কমিশনারকে ঘেরাও করলাম। বরং বলা উচিত তার করণিককে ঘেরাও করলাম-কারণ কমিশনার নিজে সেখানে ছিল না। সে ঘরে ষোলটি সুন্দরী তরুণী খাতা খুলে কি যেন লিখছিল, আর সাতটি সুযোগ্য তরুণ করণিক তাদের কেমন করে লিখতে হবে সেটা দেখিয়ে দিচ্ছিল। তরুণীরা পিছন ফিরে হাসছিল, আর করণিকরাও পাল্টা হাসিতে তার জবাব দিচ্ছিল; সকলেই বিয়ে-বাড়ির মত হাসি-খুসিতে মশগুল। দুতিনটি করণিক খবরের কাগজ পড়তে পড়তে আমার দিকে কড়া দৃষ্টিতে তাকাল; তারপর আবার যথারীতি পড়তে লাগল, কেউ কোন কথা বলল না। যাই হোক, আমার এই ঘটনাবহুল অভিযানে চতুর্থ সহকারী ছোট করণিক থেকে শুরু করে, শস্য-গো-মাংস বুরো-র প্রথম আপিসে পদাপর্ণের দিন থেকে বাতিল হিসাব বিভাগ-এর শেষ আপিসটি ছেড়ে আসা পর্যন্ত আগাগোড়াই এ-ধরনের কর্ম-তৎপরতায় আমি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলাম। এতদিনে এ সব কাজে আমি এতখানি দক্ষতা অর্জন করেছি যে দুই অথবা তিনবারের বেশী পা বদল না করেই কোন একটা আপিসে ঢু কে কোন করণিক এসে আমার সঙ্গে কথা না বলা পর্যন্ত আমি এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারি।

    এইভাবে চারবার পা বদল করে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকবার পরে আমি পাঠরত একটি করণিককে বললাম:

    বিখ্যাত যাযাবর মহাশয়, মহান্ তুর্কী কোথায় আছেন?

    আপনি কি বলছেন মশাই? আপনি কি বলতে চান? যদি এই ব্যুরোর প্রধানের কথা বলেন থাকেন তো বলি, তিনি বেরিয়ে গেছেন।

    আজ কি তিনি হারেম পরিদর্শনে যাবেন?

    যুবকটি কিছুক্ষণ হাঁ করে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে আবার খবরের কাগজ পড়ায় মন দিল। কিন্তু এ সব করণিকদের ব্যাপার-স্যাপার আমি জানি। নিউ ইয়র্ক থেকে আমি আর একটি ডাক আসার আসার আগে যদি তার কাগজ পড়া শেষ হয়ে যায় তাহলেই আমি নিরাপদ। তার কাছে আর মাত্র দুখানি খবরের কাগজ পড়তে বাকি আছে। কিছুক্ষণ পরেই দুখানি শেষ করে একটা হাই তুলে সে জানতে চাইল আমি কি চাই।

    সুবিখ্যাত ও সম্মানিত অকর্মা: ১৮৬১ সালের-

    আপনি তো সেই গো-মাংস চুক্তির লোক। আপনার কাগজপত্র দিন।

    কাগজপত্র নিয়ে অনেকক্ষণ দে সে নিজের সব কাগজপত্র খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল। শেষ পর্যন্ত সেই গো-মাংস চুক্তির হারানো দলিল-দস্তাবেজ সে খুঁজে পেল-যে পাহাড়ের উপর আমার অনেক পূর্বসুরী মাথা খুঁড়ে মরেছে সেটার হদিস সে বের করল। আমি খুবই অভিভূত হয়ে পড়লাম। আমার আহ্লাদও হল-কারণ এর পরেও আমি বেঁচে রয়েছি। আবেগের সুরে বললাম, ওটা আমাকে দিন। এবার সরকার একটা ফয়সালা করবেই। আমাকে সরিয়ে দিয়ে সে জানাল, এখনও কিছু কাজ বাকি আছে।

    বলল, জন উইলসন ম্যাকেঞ্জি কোথায়?

    মৃত।

    কখন তিনি মারা গেছেন?

    তিনি মোটে ই মারা যান নি-তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।

    কি ভাবে?

    আদিবাসীদের কুড়ুলে।

    কে কুড়ুল মেরেছিল?

    কেন, কোন রেড ইণ্ডিয়ানই নিশ্চয়। আপনি নিশ্চয়ই ভাবেন নি যে কোন রবিবার-বিদ্যালয়ের সুপারিন্টেন্টে এ কাজ করেছে?

    না। তাহলে একজন রেড ইণ্ডিয়ান, কি বলেন?

    তাই।

    তার নাম কি?

    তার নাম? তার নাম তো জানি না।

    নামটা অবশ্য জানতে হবে। কুড়ুল চালাতে কে দেখেছিল?

    আমি জানি না।

    আপনি নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না?

    তা যে ছিলাম না সে তো আমার চুল দেখেই বুঝতে পারছেন। আমি অনুপস্থিত ছিলাম।

    তাহলে আপনি কি করে জানলেন যে ম্যাকেঞ্জি মৃত?

    কারণ ঐ সময়ে তিনি নির্ঘাত মারা গিয়েছিলেন। আর সেই থেকে তিনি যে মৃত অবস্থায়ই আছেন সে কথা বিশ্বাস করবারও যথেষ্ট কারণ আছে। বস্তুত, তিনি যে মারা গেছেন সেটা আমি জানি।

    আমরা প্রমাণ চাই। সেই কুড়ুলধারীকে এনেছেন?

    এ রকম কথা কখনও আমার মাথায় আসে নি।

    সেই কুড়ুলধারীকে আনতেই হবে। রেড ইণ্ডিয়ান ও কুড়ুলধারীকে হাজির করতেই হবে। এই সব দিয়ে যদি ম্যাকেঞ্জির মৃত্যু প্রমাণ করা যায় তবেই আপনি কমিশনের সামনে আপনার পরীক্ষিত দাবী-পত্র পেশ করতে পারবেন এবং তার ফলে কাগজপত্র যে গতিতে অগ্রসর হতে থাকবে তাতে আপনার ছেলেমেয়েরা হয়তো তাদের জীবিতকালে সে টাকা পেয়ে ভোগ করতে পারবে। কিন্তু লোকটির মৃত্যুকে প্রমাণ করতেই হবে। আপনাকে আরও বলে রাখি, স্বর্গত ম্যাকেঞ্জি যাতায়াতে এবং মালপত্র আনা-নেওয়াতে যে অর্থ ব্যয় করেছেন সরকার কখনও সে টাকা দেবে না। কংগ্রেসের মারফতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে আপনি যদি একটা সাহায্যমূলক বিল মঞ্জুর করাতে পারেন তাহলে শেরমান-এর সৈন্যরা গো-মাংসের যে পিপেটা উদ্ধার করেছিল তার দাম হয়তো সরকার দিতে পারেন, কিন্তু বাকি যে উনত্রিশটা পিপে রেড় ইণ্ডিয়ানরা খেয়েছে তার দাম সরকার কদাচ দেবে না।

    তাহলে আমার প্রাপ্য হচ্ছে মাত্র একশ ডলার, আর তাও নিশ্চিত ব্যাপার কিছু নয়! সারা ইউরোপ, এসিয়া, ও আমেরিকা জুড়ে। ম্যাকেঞ্জি গো-মাংস নিয়ে ঘুরে মরল; এত দুঃখ-কষ্ট সইল। হাঁটাহাঁটি করল; বিলের টাকা আদায় করতে এতগুলি নির্দোষ মানুষ খুন হল-আর এই তার পরিণতি, আচ্ছা যুবক, শস্য-গো-মাংস বিভাগের প্রথম কম্পট্রোলার আমাকে এ কথাটা জানিয়ে দিলেন না কেন?

    আপনার দাবীর যাথার্থ্য সম্পর্কে তো তিনি কিছু জানতেন না।

    তাহলে দ্বিতীয় জন বললেন না কেন? বা তৃতীয় জন? এতগুলো বিভাগের কেউ আমাকে বললেন না কেন?

    তারা কেউই জানতেন না। আমরা রুটিন-মাফিক কাজ করে থাকি। আপনি রুটিনমত চলেছেন, আর যা জানতে চেয়েছিলেন তা জেনেছেন। এটাই শ্রেষ্ঠ পথ। এটাই একমাত্র পথ। এটা নিয়মমাফিক ও ধীরগতি কাজ বটে, কিন্তু এর ফলাফল নিশিচত।

    হ্যাঁ, নিশ্চিত মৃত্যু। আমাদের জাতির অনেকের ভাগ্যেই তাই ঘটেছে। মনে হচ্ছে, আমারও ডাক এসেছে। যুবক, আপনার চোখের নরম চাউনি দেখেই বুঝতে পারছি, শান্ত নীল চোখ আর কানের পিছনে ইস্পাতের কলম নিয়ে ওখানে যে উজ্জ্বল মূর্তিটি বসে আছে তাকে আপনি ভালবাসেন; তাকে আপনি বিয়ে করতে চান-কিন্তু আপনি গরীব মানুষ। এই যে, হাতটা বাড়ান-এই নিন গো-মাংস চুক্তিনামা; চলে যান, ওকে গ্রহণ করুন, সুখী হোন। ঈশ্বর আপনাদের আশীর্বাদ করুন।

    যে গো-মাংস চুক্তি নিয়ে এত কথা হয়েছে সে সম্পর্কে যা জানি সব বললাম। যে করণিককে সেটা দান করেছিলাম সেও মারা গেছে। সেই চুক্তি সম্পর্কে, অথবা তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও সম্পর্কে এর বেশী কিছুই আমি জানি না। আমি শুধু জানি, কোন লোক যদি দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে তাহলে অনেক পরিশ্রম, হাঙ্গামা ও বিলম্বে হলেও ওয়াশিংটন-এর গোলকধাঁধা আপিসের ভিতর দিয়ে সে তার অভিষ্ট বস্তুটি খুঁজে পেতে পারে; অবশ্য গোলকধাঁধা আপিসটি যদি একটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হত তাহলে প্রথম দিনেই সে তার কার্য উদ্ধার করতে পারত।

    [১৮৭০]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ
    Next Article নাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

    Related Articles

    মণীন্দ্র দত্ত

    টারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }