Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    মণীন্দ্র দত্ত এক পাতা গল্প767 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কি ভাবে একখানি কৃষি-পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলাম

    কি ভাবে একখানি কৃষি-পত্রিকা সম্পাদনা করেছিলাম
    How I Edited an Agricultural Paper

    বিপদ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ হয়ে কৃষি-পত্রিকাখানির অস্থায়ী সম্পাদক-পদ আমি গ্রহণ করি নি। কোন স্থলবাসী মানুষই বিপদ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ হয়ে জাহাজের প্রধান নাবিকের পদ নিতে পারে না। কিন্তু তখন আমার যা অবস্থা তাতে মাইনের কথাটাই ছিল বড়। নিয়মিত সম্পাদক তখন ছুটিতে যাচ্ছিল, আর তার প্রস্তাবমতই চাকরিটা নিয়ে আমি তার জায়গায় বসলাম।

    পুনরায় কাজ করতে পারায় বেশ মজাই লাগছিল; অদম্য উৎসাহের সঙ্গে সারাটা সপ্তাহ কাজ করলাম। পত্রিকাটি ছাপতে গেল; আমার পরিশ্রম লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কিনা দেখবার জন্য বেশ কিছুটা উদ্বেগের সঙ্গেই একটা দিন কাটালাম। সূর্যাস্তের আগে আপিস ছেড়ে যাবার সময় সিঁড়ির নীচে জমায়েত একদল বয়স্কলোক ও ছেলে-ছোকরা একসঙ্গে সরে গিয়ে আমাকে পথ করে দিল। তাদের দু একজনকে বলতে শুনলাম, এই তিনি! স্বভাবতই ঘটনাটা আমার ভাল লাগল। পরদিন সকালেও সিঁড়ির নীচে অনুরূপ একটা দলকে দেখতে পেলাম। তাছাড়া, এখানে-ওখানে ইতস্তত দাঁড়িয়ে থাকা কিছু লোককেও দেখতে পেলাম। সকলেই আগ্রহের সঙ্গে আমাকে লক্ষ্য করছে। আমি এগিয়ে যেতেই তারা দলে দলে সরে গেল। শুনতে পেলাম একজন বলছে: চোখটা দেখেছে! আমার উপর যে সকলেরই দৃষ্টি পড়েছে আমি যেন সেটা দেখতেই পাই নি এমনই ভাব দেখালাম, কিন্তু মনে মনে বেশ খুসি হলাম। ভাবলাম, পিসিকে এর একটা বিবরণ লিখে পাঠাব। অল্প কয়েকটা সিঁড়ি পার হয়ে উপর উঠে দরজার কাছে পৌঁছতেই খুসির গুঞ্জন ও কলকঠের হাসি কানে এল। দরজা খুলতেই দুটি গেঁয়ো মত লোককে দেখতে পেলাম। আমাকে দেখেই তাদের মুখ শুকিয়ে গেল।

    আমি তো অবাক।

    আধ ঘণ্টার মধ্যেই একটি বুড়ো ভদ্রলোক ঘরে ঢুকল। মস্ত বড় দাড়ি বুকময় ছড়িয়ে পড়েছে, মুখোনি সুন্দর কিন্তু গম্ভীর। আমার আমন্ত্রণে ভদ্রলোক আসন গ্রহণ করল। মনে হল, একটা কোন উদ্দেশ্য নিয়েই সে এসেছে। টু পিটা খুলে মেঝেতে রাখল, আর তার ভিতর থেকে বের করল একখানি লাল রেশমি রুমাল ও আমাদের পত্রিকার একটি কপি।

    পত্রিকাটি কোলের উপর রেখে রুমাল দিয়ে চশমাটা মুছতে মুছতে সে বলল, আপনিই কি নতুন সম্পাদক?

    জানালাম, আমিই।

    এর আঘে কখনও কোন কৃষি-পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন?

    না, আমি বললাম।  এই আমার প্রথম উদ্যম।

    খুবই সম্ভব। কৃষির ব্যাপারে হাতে-কলমে কাজের কোন অভিজ্ঞতা আছে?

    না, তাও নেই।

    সহজ বুদ্ধি এই কথাই বলেছিল, চশমাটা চোখে দিয়ে একটু কড়া দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে বুড়ো ভদ্রলোক কথাগুলি বলল। তারপর পত্রিকাখানিকে সুবিধাজনক আকারে ভাঁজ করে আবার বলল, এই সহজ বুদ্ধি কিসে হল সেটা আপনাকে পড়ে শোনাতে চাই। এই সম্পাদকীয় রচনাটির কথা বলছি। মন দিয়ে শুনুন, আর ভাবুন আপনিই কথাগুলি লিখেছেন কি না।

    শালগম কখনও তোলা উচিত নয়, এতে এদের ক্ষতি হয়। কোন ছেলেকে পাঠিয়ে তাকে দিয়ে গাছটাকে নাড়া দেওয়াই ভাল।

    এবার বলুন তো এ বিষয়ে আপনার কি ধারণা?-কারণ আমি সত্যিই মনে করি যে আপনিই এটা লিখেছেন।

    আমার ধারণা? আমি তো মনে করি লেখাটা ভালই হয়েছে। বেশ অর্থপূর্ণ লেখা। কেবলমাত্র এই শহরেই যে আধ-পাকা অবস্থায় তুলে ফেলার জন্য লক্ষ লক্ষ ঝুড়ি শালগম নষ্ট করা হয়ে থাকে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। অথচ তারা যদি একটি ছেলেকে গাছে তুলে দিয়ে নাড়া দিত-

    আপনার ঠাকুরমাকে নাড়া দিক! শালগম গাছে ফলে না!

    ওহো, গাছে ফলে না! ফলে না বুঝি? আরে, কে বলেছে যে গাছে ফলে? কথাটা এখানে আলংকারিক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে, সম্পূর্ণ আলংকারিক। যার কিছুমাত্র জ্ঞানগম্যি আছে সেই বুঝবে যে আমি বলতে চেয়েছি, ছেলেটি লতাটাকে নাড়াবে।

    বুড়ো লোকটি তখন উঠে দাঁড়াল, পত্রিকাটাকে টুকরো-টুকরো করে ছিঁড়ল, সেগুলোকে পা দিয়ে মাড়াল, হাতের ছড়ি দিয়ে কিছু জিনিসপত্র ভাঙল এবং শেষ পর্যন্ত বলল যে একটা গরু যা জানে আমি তাও জানি না। তারপর সে বেরিয়ে গেল। যাবার আগে দরজাটা সশব্দে ভেজিয়ে দিল এবং এক কথায় এমন সব কাণ্ডকারখানা করে গেল যাতে আমার মনে হল যে কোন ব্যাপারে সে অসন্তুষ্ট হয়েছে। কিন্তু অসন্তুষ্টির কারণ অনুধাবন করতে না পারায় আমি তাকে কোন রকম সাহায্যই করতে পারলাম না।

    কিছুক্ষণ পরেই একটা লন্বা বিশ্রী দেখতে লোক ছুটে ঘরের মধ্যে ঢুকল। লম্বা চুলের গোছা কাধ পর্যন্ত ঝুলছে, এক সপ্তাহের খোঁচা খোঁচা দাড়ি সারা মুখের পাহাড়ে ও উপত্যকায় ছড়িয়ে আছে। ঘরে ঢুকেই সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে পড়ল। ঠোঁটের উপর আঙুল রেখে কোন কিছু শোনবার ভঙ্গীতে মাথা ও শরীরটা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ল। কোথাও কোন শব্দ নেই। তবু সে শুনছে। কোন শব্দ নেই। তখন দরজায় চাবি ঘুরিয়ে পা টি পে-টি পে আমার দিকে এগিয়ে এল এবং বেশ কিছুক্ষণ সাগ্রহে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে ভিতর থেকে আমাদের পত্রিকার একটি ভাঁজ করা সংখ্যা বের করে বলল:

    এই যে, এটা তো আপনারই লেখা। এটা পড়ে শোনান-তাড়াতাড়ি আমাকে স্বস্তি দিন। আমার কষ্ট হচ্ছে।

    পড়তে লাগলাম। যত পড়ছি ততই যেন লোকটা স্বস্তি ফিরে পাচ্ছে। দেখলাম, তার টান-টান মাংসপেশী গুলো ঢিলে হচ্ছে। মুখের। উপর থেকে দুশ্চিন্তা সরে যাচ্ছে, আর নির্জন প্রান্তরের বুকে সদয় জোছনার মত বিশ্রাম ও শান্তি ছড়িয়ে পড়ছে তার সারা মুখে:

    গুয়ানো একটি সুন্দর পাখি, কিন্তু তাকে পালন করতে হলে যথেষ্ট যত্ন আত্তির দরকার। জুনের আগে অথবা সেপ্টেম্বরের পরে তাকে আমদানি করা চলবে না। শীতের সময় তাকে গরম জায়গায় রাখতে হবে যাতে সে বাচ্চাদের তা দিতে পারে।

    ফসলের জন্য যে একটু বিলম্বিত মরশুম প্রয়োজন সেটা তো পরিষ্কার কথা। সুতরাং কৃষক যদি জুলাইয়ের পরিবর্তে অগস্ট মাসে। বীজতলা তৈরি করে ফসল বুনতে শুরু করে তাহলেই ভাল হয়।

    এবার লাউ-কুমড়োর কথা। এই ফলটি নিউ ইংলণ্ডের মফস্বল অঞ্চলের অধিবাসীদের খুব প্রিয়। ফলের কেক তৈরি করতে তারা বনকুল অপেক্ষা এই ফলটাই বেশী পছন্দ করে। আর সহজে ভালভাবে পেট ভরে বলে গরুর খাদ্য হিসাবেও রাস্পবেরি অপেক্ষা এটাকেই বেশী পছন্দ করে। উত্তরের মাটি তে ফলটা জন্মেও ভাল। কিন্তু অন্য গাছপালার সঙ্গে বাড়ির সামনের উঠোনে লাউ গাছ লাগানোর প্রথা এখন দ্রুত উঠে যাচ্ছে, কারণ এখন সকলেই স্বীকার করে যে ছায়া-তরু হিসাবে লাউ কোন কাজের নয়।

    এখন, যেহেতু গরম আবহাওয়া এগিয়ে আসছে এবং রাজহংসীরা ডিম পাড়তে শুরু করেছে-

    উত্তেজিত শ্রোতাটি গরম আবহাওয়া এগিয়ে আসছে এবং রাজহংসীরা ডিম পাড়তে শুরু করেছে-

    উত্তেজিত শ্রোতাটি আমার সঙ্গে করমর্দন করবার জন্য লাফ দিয়ে কাছে এসে বলল: বাস-বাস-এতেই হবে। আমি জানি এখন আমি ভাল হয়ে গেছি। কারণ আপনিও আমার মতই প্রতিটি অক্ষর ধরে ধরে পড়েছেন। কিন্তু হে অপরিচিত, আজ সকালে প্রথম এটা পড়েই আমি নিজেকে বললাম, আমার বন্ধুরা যতই আমার উপর নজর রাখুক এতকাল কথাটা আমি বিশ্বাস করি নি, কিন্তু এখন আমি বিশ্বাস করি যে আমি উন্মাদ; আর সেই জন্যই আমি এমন হট্টগোল শুরু করেছি যেটা দু মাইল দূর থেকে আপনি হয়তো শুনতে পেয়েছেন। এবং একজন কাউকে খুন করতে বেরিয়েছি-কারণ কি জানেন, আমি জানি যে আগে হোক আর পরে হোক সেটা ঘটবেই, কাজেই আমার শুরু করতে আর দোষ কি। নিশ্চিত হবার জন্য এই পত্রিকার একটি অনুচ্ছেদ আমি আবার পড়ি আর তার পরেই আমার। ঘরটা পুড়িয়ে দিয়ে এখানে চলে এসেছি। কয়েকজনকে খোঁড়া করেছি; আর একজন ভয়ে গাছে চড়ে বসেছে; ইচ্ছা করলেই সেখানে। তাকে ধরতে পারি। কিন্তু এখান দিয়ে যেতে যেতে মনে হল সম্পূর্ণ নিশ্চিত হবার জন্য এখানেই ঢুকে পড়া যাক। এবার আমি নিশ্চিত, আর তাই আপনাকে বলছি, সে লোকটার ভাগ্য ভাল যে সে গাছে চড়ে বসেছে। ফিরবার পথে তাকে আমি নির্ঘাৎ খুন করতাম। বিদায় মশাই, বিদায়; আমার বুক থেকে মস্ত বড় বোঝা আপনি নামিয়ে দিয়েছেন। আপনার একটি কৃষি-সংক্রান্ত প্রবন্ধের চাপ যখন আমার বুদ্ধি সইতে পেরেছে তখন আর কিছুই তাকে ঘায়েল করতে পারবে না। বিদায় মশাই।

    এই যে লোকটি মানুষকে খোঁড়া করে এবং ঘরে আগুন লাগিয়ে খোস মেজাজে আছে তার কথা ভেবে আমার কিছুটা অস্বস্তি বোধ হল, কারণ এ কথা না মনে করে আমি পারছি না যে তার এই সব কাজের মধ্যে অত্যন্ত দূরতম হলে ও আমার কিছুটা হাত রয়েছে। কিন্তু এ সব চিন্তা শীঘ্রই মন থেকে দূর হয়ে গেল, কারণ তখনই নিয়মিত সম্পাদক মশাই ঘরে ঢুকল।

    সম্পাদককে খুবই বিষণ্ণ, বিচলিত ও বিমর্ষ দেখাচ্ছিল।

    সেই বৃদ্ধ ও দুটি চাষী যুবক যে ধ্বংসকাণ্ড করে গেছে সে সব ভাল করে দেখে নিয়ে সে বলল: কাজটা খারাপ হয়েছে-খুবই খারাপ হয়েছে। একটা আঠার বোতল ভেঙেছে, ভেঙেছে জানালার ছখানা কাঁচ, একটা পিকদানি ও দুটো মোমবাতি-দান। কিন্তু সেটা খুব খারাপ কিছু নয়। পত্রিকাটির সুনাম নষ্ট হয়েছে- স্থায়ীভাবে। সেটাই ভয়ের কথা। এ কথা ঠিক যে আগে কখনও পত্রিকাটির এত চাহিদা ছিল না; এত বেশী সংখ্যায় কখনও বিক্রিও হয় নি, বা জনপ্রিয়তার এত উচ্চে ও কখনও ওঠে নি; কিন্তু বিখ্যাত হবার জন্য কেউ কি পাগল হতে চায়? চায় মনের সুস্থতার বিনিময়ে উন্নতি করতে? বন্ধু আমি সৎ লোক বলেই বলছি, বাইরের রাস্তা লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে, অনেকে বেড়ার উপর চড়ে বসেছে; তারা মনে করে যে আপনি পাগল, তাই তারা আপনাকে একবার দেখতে চাইছে। আর আপনার সম্পাদকীয় পড়বার পরে এ কথা তারা মনে করতেই পারে। সে সব লেখা সাংবাদিকতার এক চরম লজ্জা। এ ধরনের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতে আপনি পারেন এ ধারণা আপনার মাথায় এল কেমন করে? কৃষির প্রাথমিক কথাগুলোও তো আপনি জানেন না। লাঙলের শিরালা ও বিদে মইকে আপনি একই বস্তু মনে করেন; বলেন গরুদের খোলস ছাড়বার ঋতুর কথা; ভাল খেলা করতে পারে ও ইঁদুর ধরতে পারে বলে আপনি গন্ধগোকুলকে গৃহপালিত জীবে পরিণত করবার পরামর্শ দেন! গান-বাজনা শোনালে ঝিনুকরা চুপচাপ শুয়ে থাকবে-আপনার এ মন্তব্যও অবান্তর, সম্পূর্ণ অবান্তর। ঝিনুকরা কোন কিছুতেই বিরক্ত হয় না। তারা সব সময়ই চুপচাপ থাকে। গান-বাজনা নিয়ে তারা মাথাই ঘামায় না। হায় বন্ধু অজ্ঞানতা অর্জনকেই যদি আপনার জীবনের পাঠ্যবিষয় করতেন তাহলেও আজকের চাইতে অধিকতর সম্মানের সঙ্গে আপনি স্নাতক হতে পারতেন না। এ রকমটা আমি কখনও দেখি নি। সুপুরির ব্যবসা ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই মর্মে আপনি যে মন্তব্য করেছেন তাতে এই পত্রিকার মহা সর্বনাশ হয়েছে। আমি চাই, আপনি চাকরি ছেড়ে চলে যান। ছুটি তে আমার দরকার নেই-ছুটি পেলেও আমি তা ভোগ করতে পারতাম না। আপনাকে আমার আসনে রেখে তো কোন মতেই না। আপনি কখন কি সুপারিশ করে বসেন তাই নিয়ে সর্বক্ষণ আমাকে ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে। জমিতে বাগান করা শিরোনাম দিয়ে ঝিনুক-চাষের আলোচনা করেছেন, একথা ভাবলেই আমার ধৈর্যচ্যুতি ঘটে। আমি চাই আপনি চলে যান। কোন কিছুতেই আমি আর একটি দিনের জন্যও ছুটি নেব না। উ :! আপনি কেন বলেন নি যে কৃষির আপনি কিছুই জানেন না?

    আপনাকে বলব কি? আপনি তো খড়ের উঁটা, বাঁধা কপি, ফুল কপির বাচ্চা! এ ধরনের অদ্ভুত কথা এই আমি প্রথম শুনলাম। আপনাকে বলছি, আজ চোদ্দ বছর ধরে আমি সম্পাদকীয় কাজকর্ম করে আসছি; আর আজই আমি প্রথম এ রকম একটা বাজে মন্তব্য শুনলাম যে কোন সংবাদপত্রের সম্পাদনা করতে কাউকে কিছু জানতে হয়। আরে শালগম! দ্বিতীয় শ্রেণীর পত্র-পত্রিকার জন্য যত সব নাটকীয় সমালোচনা কে লেখে?কেন, একদল করিৎকর্মা মুচি আর সৌখিন মুর্দাফরাস-ভাল কৃষিকাজের আমি যতটা কাজনি তারাও তো ভাল অভিনয়ের ঠিক ততটাই জানে। পুস্তক সমালোচনা কারা করে? যে সব লোক কখনও একটা বইও লেখে নি। অর্থনীতি বিষয়ে ভারী ভারী প্রবন্ধকারা লেখে? এ বিষয়ে কিছু না জানবার সুযোগ যাদের সব চাইতে বেশী। রেড ইণ্ডিয়ান অভিযানের সমালোচক কারা? যে সব ভদ্রলোকরা আদিবাসীদের যুদ্ধের হল্লা আর তাঁবুর পার্থক্য বোঝে না, আদিম রণকুঠারধারীদের সঙ্গে যারা কোনদিন এক পা-ও হাঁটে নি, অথবা সন্ধ্যায় সমবেত শিবির-অগ্নি জ্বালাবার জন্য নিজেদের পরিবারের লোকের শরীর থেকে একটা তীরও খুলে নেয় নি। মদ্যপানবিরোধী আবেদন লেখে কারা? ভরা পান-পাত্র নিয়ে হৈ-চৈ করে কারা? কবরে যাবার আগে একটি দিনও যারা সুস্থভাবে নিঃশ্বাস টানে না তারাই। কৃষি-পত্রিকা কে সম্পাদনা করে-বলুন তো ওলমশাই? সাধারণত যে সব মানুষ কবিতা লিখতে পারে না, হলদে মলাটের উপন্যাস লিখতে পারে না, শহর-সম্পাদকের কাজ করতে পারে না, এবং সাময়িকভাবে দাঁতব্যশালায় যাবার হাত থেকে বাঁচতে শেষ পর্যন্ত কৃষির আশ্রয় গ্রহণ করে। আপনি আমাকে বোঝাতে চান সংবাদপত্রের কাজ! আরে মশাই, আমি তার আগাপাশতলা সব জানি। আমি বলছি, একটা লোক যত কম জানবে তত বেশী হৈ-চৈ ফেলে দেবে এবং তত বেশী মাইনে আদায় করে নেবে। ঈশ্বর জানেন, আমি যদি শিক্ষিত লোক না হয়ে মুগ্ধ হতাম, বিনীত না হয়ে বেহায়া হতাম, তাহলেই এই উদাসীন, স্বার্থপর জগতে নাম করতে পারতাম। এবার আমি বিদায় হচ্ছি। আপনি আমার প্রতি যে ব্যবহার করেছেন তারপরে আমার আর চলে যেতে আপত্তি নেই। কিন্তু আমার কর্তব্য আমি করেছি, যতটা সম্ভব আমার চুক্তিও পূরণ করেছি। আমি বলেছিলাম, আপনার পত্রিকাকে সব শ্রেণীর মানুষের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলব-আর তার করেছি। বলেছিলাম আপনার পত্রিকার প্রচার-সংখ্যা বিশ হাজারে তুলে দেব, আর দুসপ্তাহ সময় পেলে তাও করে দিতাম। আর যে শ্রেষ্ঠ পাঠক-শ্রেণী আপনাকে দিয়ে গেলাম এমনটি আজ পর্যন্ত কোন কৃষি-পত্রিকার ভাগ্যে জোটে নি-তার মধ্যে একজনও চাষী নেই, বা এমন কোন লোক নেই যে প্রাণের দায়ে তরমুজ-গাছ ও পীচ–লতার পার্থক্য বলতে পারে। আরে পিঠের গাছ, এই সম্পর্কচ্ছেদের ফেল আপনারই ক্ষতি হল, আমার নয়। বিদায়।

    তারপরই সেখান থেকে চলে এলাম।

    [১৮৭০]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleটারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ
    Next Article নাঙ্গা তলোয়ার – এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ

    Related Articles

    মণীন্দ্র দত্ত

    টারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }