Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প165 Mins Read0
    ⤷

    দুর্গম দুর্গ – ১

    এক

    ঢাকা থেকে করাচি। করাচি থেকে টু-সীটার সী-প্লেনে করে চলেছে রানা কেটি বন্দর।

    আবোল তাবোল ভাবছে রানা। কী এমন ব্যাপার যেজন্যে এমন স্পেশাল ভাবে তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? এত তাড়াহুড়োই বা কিসের? ঢাকার পি. সি. আই. হেড অফিস জানিয়েছে পাকিস্তান ন্যাভাল ইন্টেলিজেন্সের বিশেষ অনুরোধে তাকে পাঠানো হচ্ছে করাচি। একটা অত্যন্ত জরুরী কাজে ছোট্ট একটা কম্যাণ্ডো গ্রুপকে লীড করতে হবে। আর কিছুই জানা যায়নি। অত্যন্ত গোপনীয় ব্যাপার। ওখানে পৌঁছে জানা যাবে সব।

    করাচি পৌঁছে টি-থারটি থ্রী জেট থেকে নেমে সী-প্লেনে ওঠা ছাড়া আর তেমন কিছুই ঘটল না। একজন মাঝ-বয়সী নেভী ক্যাপ্টেন এগিয়ে এসে হ্যাণ্ডশেক করলেন রানার সঙ্গে, বিনা বাক্যব্যয়ে নিয়ে গেলেন এঞ্জিন স্টার্ট দিয়ে রাখা সী-প্লেনের কাছে, কয়েকটা কাগজ ধরিয়ে দিলেন ওর হাতে। আবার হ্যাণ্ডশেক করে উঠে গেল রানা সিঁড়ি বেয়ে।

    কয়েকটা ডোশিয়ে। বোধহয় ওর গ্রুপের আর সবার। দেখা হওয়ার আগেই তাদের সম্পর্কে রানার যাতে মোটামুটি একটা ধারণা হয় সেজন্যে ওকে এগুলো দেয়া। সাথে প্রত্যেকের ছবি আছে একটা করে।

    প্রথমেই আছে পেশোয়ারী এক ছোকরার ছবি। মাহবুব চানন্। নেভির লেফটেন্যান্ট। রেডিও এক্সপার্ট। উর্দু, পশতু, ইংরেজি এবং কচ্ছ ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারে। হবি- মোটর এঞ্জিনিয়ারিং। গেরিলা ফাইটার হিসেবেও কৃতিত্ব আছে। দাড়ি গোঁফ কামানো পাতলা ছিমছাম চেহারা। চোয়ালের হাড় দুটো উঁচু। কিন্তু কম্যান্ড্রো মিশনে যাওয়ার জন্যে বয়সটা একটু কম বলে মনে হলো রানার। বাইশ কি তেইশ।

    তারপর আছে পাঞ্জাবী মিশ্রী খান। প্রকাণ্ড একজোড়া কালো গোঁফ। দেখলেই বোঝা যায় বহু ঘাটের পানি খেয়েছে। হাসিডসার মস্ত কাঠামো শরীরের। ফি ডিভিশনের আর্মি ক্যাপ্টেন। বয়স পঁয়তাল্লিশ। এক্সপ্লোসিভের ব্যাপারে অদ্ভুত এক প্রতিভা। পোয়াটেক বারুদ হাতে ধরিয়ে দিলেই বোম বানিয়ে ফেলবে। কর্মঠ এবং ভয়ঙ্কর লোক।

    আর তৃতীয় ছবিটা দেখে চমকে উঠল রানা। আলতাফ ব্রোহী! আর্মিতে থাকতেই পরিচয় ছিল রানার সঙ্গে। সিন্ধী। বয়স চল্লিশ বছর। করাচি পি. সি. আই.-এ কাজ করছে এখন। কয়েকটা অ্যাসাইনমেন্টে একসাথে কাজ করেছে ওরা। পরিচয়টা এখন বন্ধুত্বের পর্যায়ে চলে গেছে। প্রকাণ্ড চেহারা- যেমন লম্বা তেমনি চওড়া। তেমনি করিৎকর্মা। পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ গেরিলা ফাইটার। ‘রান অভ কাচে’র যুদ্ধে শত্রু লাইনের পেছনে চলে গিয়ে ভারতীয় সৈন্যদের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ভাল করেই চেনে ওকে রানা। ওকে দেখলে অসম্ভব শক্তিশালী একটা যুদ্ধের মেশিন ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না রানার।

    শেষ ছবিটা লেফটেন্যান্ট আরীফের। মেয়েলী চেহারা। ন্যাভাল ইন্টেলিজেন্সের স্পাই। ওর সম্পর্কে ডোশিয়ে দেখে তেমন বিশেষ কিছু জানা গেল না।

    প্রত্যেকটি লোক যুদ্ধ সংক্রান্ত কাজ করেছে। এই সব এক্সপার্টদের এখান ওখান থেকে কুড়িয়ে নিয়ে এসে একটা কম্যাণ্ডো গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু কোথায়, কি কাজে, কিভাবে নেতৃত্ব দিতে হবে জানা নেই ওর। কেটি বন্দরে পৌঁছলে হয়তো জানা যাবে। জানালা দিয়ে বাইরে চাইল মাসুদ রানা।

    .

    সিন্ধু নদের মোহনায় কেটি বন্দর। সমুদ্রের কাছাকাছি নদীর বিশাল বিস্তার। কেটি বন্দর মাইল খানেক থাকতেই নেমে পড়েছে প্লেন নদীতে। ডান ধারে তীরের ওপর কয়েকজন সামরিক পোশাক পরা লোক দাঁড়ানো। একটা তাঁবুও দেখা গেল মাঠের মধ্যে।

    ‘দিস ইজ কমোডোর জুলফিকার অভ ন্যাভাল ইন্টেলিজেন্স।’

    হাত বাড়িয়ে হ্যাণ্ডশেক করল রানা। শক্ত সমর্থ শক্তিশালী একটা হাত। বয়সের ভাঁজ পড়েছে গালে। ক্লিন শেভড্।

    ‘আপনার সহকারীদের সাথে দেখা হবে পরে, তার আগে আমরা দু’চারটে কথা সেরে নিতে চাই আপনার সঙ্গে। আসুন এদিকে।’

    রানার পেছন পেছন বাকি তিনজন অফিসারও এল তাঁবুর মধ্যে। সী- প্লেনটা ফেরত চলে গেল করাচি।

    ‘দ্বারোকা যেতে হচ্ছে আপনাকে,’ বললেন কমোডোর জুলফিকার একটা চেয়ারে বসে। রানাও বসল। তাঁবুর মধ্যে একটা টেবিল আর তার চারপাশে ক’টা চেয়ার ছাড়া আসবাব নেই আর। কমোডোরের টেম্পোরারী অফিস। স্থির দৃষ্টিতে রানার দিকে চেয়ে আবার আরম্ভ করলেন কমোডোর, ‘করাচি থেকে দুশ দশ মাইল দূরের এই নৌ-ঘাঁটিটা বরাবর আমাদের মাথা-ব্যথার কারণ। অত্যন্ত শক্তিশালী রাডারে ওরা ওখানে বসে করাচিতে পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের গতিবিধি লক্ষ করছে এবং চারদিকে ইনফরমেশন দিচ্ছে ওদের এয়ার ফিল্ড থেকে উঠে ভারতীয় বিমান বাহিনী করাচিতে বম্বিং করবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার ওপর ওখানে জমা হচ্ছে ওদের নৌবাহিনী- অতর্কিত আক্রমণে পাকিস্তান ন্যাভাল ফোর্সকে ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়ার জন্যে। কাজেই স্ট্র্যাটেজিক পজিশনে অবস্থিত এই নৌ-ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়া ছাড়া আর কোনও উপায় দেখতে পাচ্ছি না আমরা। দেরি হলেই হার হয়ে যাবে আমাদের।’

    ‘আমরা পাঁচজন গিয়ে…’

    ‘আপনাদের কাজ কেবল ওদের দুর্গম দুর্গে প্রবেশ করে চারটে অব্যর্থ কামান ধ্বংস করে দেয়া। ওগুলোর জন্যে দ্বারোকার আধমাইলের মধ্যে যাওয়া যাচ্ছে না। ওগুলোকে স্তব্ধ করে দিতে পারলে বাকি কাজ নির্বিঘ্নে সেরে আসতে পারবে পাকিস্তান নেভি। একাজের জন্যে শ্রেষ্ঠ যোগ্যতাসম্পন্ন তিনজন সহকারী পাচ্ছেন আপনি, দ্বারোকা পৌঁছে লেফটেন্যান্ট আরীফের সাহায্য পাচ্ছেন, কাজেই আমরা আশা করতে পারি সফল হতে পারবেন আপনি। গোটা দেশের নিরাপত্তা নির্ভর করছে এই কম্যাণ্ডো গ্রুপের নেতার ওপর, তাই আপনাকে বেছে নিয়েছি আমরা। আশা করি এই সম্মানের মর্যাদা রক্ষা করবেন।

    ‘চেষ্টার ত্রুটি হবে না, স্যার,’ বলল রানা বিনীত ভাবে।

    এবার ম্যাপ বের করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রত্যেকটি ব্যাপার আলোচনা করলেন কমোডোর। রানা অবাক হলো ভদ্রলোকের নিপুণ প্ল্যানিং এবং পরিচ্ছন্ন চিন্তা দেখে। সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ব্যাপারও দৃষ্টি এড়ায়নি ওঁর। দুই ঘণ্টা কখন পার হয়ে গেল বুঝতেই পারল না সে। কমোডোর জুলফিকারের প্রতিটি কথা স্রেফ হাঁ করে গিলে নিল মাসুদ রানা। পুরো প্ল্যানটা ভালভাবে বসিয়ে নিল মাথার মধ্যে।

    ‘উইশ ইউ বেস্ট অভ লাক, ইয়ংম্যান।’ রানার কাঁধের ওপর রাখলেন কমোডোর ডান হাত। ‘কাজটা ভয়ঙ্কর, দুঃসাধ্য এবং বিপদজনক। কিন্তু শুনেছি, কারও পক্ষে যদি সম্ভব হয় এ মিশন সফল করা, সে হচ্ছেন আপনি। আমার বিশ্বাস, আপনি পারবেন।’

    মাইল খানেক তফাতে একটা ডাক-বাংলো প্যাটার্নের কাঠের বাড়িতে নিয়ে আসা হলো রানাকে জীপে করে। পাঁচ মাইল দূরে আরব সাগরের বুকে ঝিলিমিলি এঁকে ডুবে যাচ্ছে সূর্যটা। চারদিকে কুয়াশা-কুয়াশা ধোঁয়াটে ভাব। উনিশশো পঁয়ষট্টি সালের সেপ্টেম্বর মাস। চোখ ফিরিয়ে নিয়ে ঢুকে পড়ল রানা বাড়ির ভেতর কমোডোর জুলফিকারের পেছন পেছন।

    সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে চলে গেলেন কমোডোর। এখন সব কিছুর ভার রানার ওপর। লেফটেন্যান্ট আরীফের সঙ্গে তার নিজেকেই পরিচয় করে নিতে হবে দ্বারোকায়।

    টেবিলে খাবার সাজানো রয়েছে। খাওয়া শেষ করে ওদের যেটুকু বলা দরকার বলবে রানা। তারপর নৌকোয় উঠে বাকি কথা হবে। আধঘণ্টার মধ্যে রওনা হতে হবে ওদেরকে।

    কিছুক্ষণ চুপচাপ একমনে খেল রানা। বুঝতে পারল আলতাফ ছাড়া আর সবাই লক্ষ করছে তাদের নতুন দলপতিকে। বুঝবার চেষ্টা করছে, মূল্যায়নের চেষ্টা করছে চোখে দেখে যতটুকু সম্ভব। এমন সময় ঘরে এসে ঢুকল একজন অপরিচিত সামরিক অফিসার। কাঁধের ওপর তিনটে স্টার দেখে বোঝা গেল আর্মি ক্যাপ্টেন, সদ্য প্রমোশন পেয়েছে। ফর্সা চেহারা, চাল চলনে একটা উদ্ধত ভাব। দেখেই আন্দাজ করা যায়, সেপাইদের যম।

    ‘কি ব্যাপার? এখনও খাওয়াই হয়নি আপনাদের? অথচ আপনাদের এই কোয়ার্টার ভ্যাকেট করবার কথা ছিল ছ’টার সময়। আমাকে আমার কোয়ার্টার থেকে বের করে দিয়ে যদি এ রকম অত্যাচার…’

    ‘আপনাকে চিনলাম না,’ গম্ভীর কণ্ঠে বলল রানা। লোকটার গলাটা খোনা, আর ব্যবহারে এমন একটা বিরক্ত বেপরোয়া তাচ্ছিল্যের ভাব রয়েছে যে দেখেই পা থেকে মাথা পর্যন্ত জ্বলে গেল রানার।

    ঝট করে ফিরল অফিসার রানার দিকে। ‘ও, আপনি বুঝি নতুন এসেছেন? তা আপনি কে শুনি?’

    ‘গেট আউট!’ আঙুল দিয়ে দরজা দেখিয়ে দিল রানা। ‘আমরা যতক্ষণ আছি কোন পঞ্চম ব্যক্তি চাই না। বেয়ারাকে পর্যন্ত ওই গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হুকুম দিয়েছি। আপনি এখন যেতে পারেন।

    ‘কি? আমার বাড়িতে বসে আমাকে গেট আউট?’ কট্‌ট্ করে চেয়ে রইল ক্যাপ্টেন রানার দিকে। রাগে লাল হয়ে গেছে সারা মুখ। আবার হাতের ইশারায় দূর হয়ে যেতে বলল ওকে রানা। ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেল সে ঘর ছেড়ে।

    ‘আজ আমরা কেন সমবেত হয়েছি জানার জন্যে নিশ্চয়ই আপনারা সবাই উৎসুক হয়ে আছেন। আমরা কেউ কাউকে চিনি না, পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গা থেকে আমাদের টেনে আনা হয়েছে একটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্যে। শত প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে সবার মনে। আমি আপনাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি একে একে। সম্মিলিত চেষ্টায় আমাদেরকে একটা অসাধ্য সাধন করতে হবে। খুলে বলছি, শুনুন…’

    .

    ‘গেছি রে গেছি, বাবা, নির্ঘাত মারা পড়েছি!’ ককিয়ে উঠল মিশ্ৰী খান। ‘এই সেপ্টেম্বরের তুফানের দিনে সামুন্দার? নৌকায়? উহ্!’ ফস্ করে দেশলাই জ্বেলে কিংস্টর্ক সিগারেট ধরাল সে একটা।

    ‘ক্যাপ্টেন খান ঠিকই বলেছেন,’ বলল মাহবুব চান। ‘মস্ত বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন আপনি, মেজর রানা। হুকুম করলে আমি নেভিগেট করব, কিন্তু পৌঁছতে পারব কিনা তাতে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।’

    ‘ঝুঁকিটা আমাদের নিতেই হবে। অন্য কোনও পথে আমাদের বিপদ আরও বেশি। আলতাফ, তুমি কোথায় চললে?’ কথাটা শেষ হবার আগেই ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে গেল আলতাফ ব্রোহী। দেখা দেখি তড়াক করে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল মিশ্ৰী খান। হাতে একটা পিস্তল।

    ‘মাহবুব, পাশের ঘর থেকে টর্চটা নিয়ে এসো। কুইক!’ বলে রানাও এক লাফে বেরিয়ে এল বাইরে।

    কিন্তু তখন দেরি হয়ে গেছে। আগেই টের পেয়ে গিয়েছিল, টর্চ আনতে আনতে বেড়া টপকে একশো গজ দৌড়ে চলে গেছে সে। দুটো গুলি ছুঁড়ল মিশ্রী খান- লাগল না একটাও। বেয়ারা দৌড়ে এগিয়ে এল। আলতাফকে দেখা গেল না কোথাও।

    ‘লোকটাকে চেনো?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘চিনি, হুজুর! ক্যাপ্টেন সাহেবের খানসামা, করিম। বোবা আর কালা।’

    ‘বোবা-কালা যদি হবে তো লুকিয়ে লুকিয়ে কি শুনছিল সে কান পেতে?’

    কোনও জবাব দিল না বেয়ারা। ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইল ওদের দিকে।

    ‘কোথায় গেছে তোমার ক্যাপ্টেন সাহেব?’

    ‘অফিসারস্ ক্লাবে।’

    ‘ডেকে আনো। পাঁচ মিনিটের মধ্যে আসতে বলবে।’

    বেয়ারা চলে যেতেই ফিরে এল ওরা ডাইনিং রূমে। একটা ইজি চেয়ারে শুয়ে পড়ল মিশ্রী খান। বলল, ‘ওকে ধরা না গেলে আমাদের রওনা হওয়ার কোনও মানে হয় না, ওস্তাদ। ব্যাটা স্পাই। আমার কোনও সন্দেহ নাই।

    গম্ভীর মুখে পায়চারি করল রানা কিছুক্ষণ। আবার চেয়ারে এসে বসে অপেক্ষা করছে আলতাফের। এমনি সময় হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকল একটা মিশমিশে কালো লোক। গেঞ্জি আর হাফ প্যান্ট পরনে। পেছনে ওর একটা হাত মুচড়ে ধরে ঢুকল আলতাফ ব্রোহী। অপর হাতে একটা ছোরা।

    ‘ব্যাটা ছোরা তুলেছিল! ওর কব্জিটা ভেঙেই ফেলেছি কিনা জানি না,’

    বলল আলতাফ।

    ‘কি নাম তোমার?’ জিজ্ঞেস করল রানা লোকটাকে। ‘কি করছিলে তুমি এখানে?’

    কোনও জবাব দিল না লোকটা। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাঁপাচ্ছে। খটাং করে মাথার পেছনে আলতাফের হাতের এক গাঁট্টা পড়তেই ককিয়ে উঠল তারপর ‘আঁউ-আঁউ’ করে বোবার মত বিকট শব্দ বের করল মুখ থেকে।

    ‘তোমাকে একটা প্রশ্ন করা হয়েছে, তার উত্তর দাও। তোমার অভিনয় দেখতে চাওয়া হয়নি।’ উঠে বসল মিশ্ৰী খান। ধীরে সুস্থে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে সে একটা সাইলেন্সার লাগাচ্ছে ওর পিস্তলের মুখে।

    আবার খানিকক্ষণ বিকট আওয়াজ বের করল সে মুখ দিয়ে। ওর পেছন দিকে কানের কাছে একটা শব্দ করল আলতাফ তুড়ি দিয়ে, কিন্তু যেন শুনতেই পায়নি এমন ভাবে সামনের দিকে চেয়ে রইল লোকটা। মাহবুবের মনে হলো নিশ্চয়ই লোকটা বোবা এবং কালা। বলেই ফেলল, ‘লোকটা সত্যি বোবা-কালা।’

    ‘হতে পারে, না-ও হতে পারে,’ বলল রানা। কিন্তু ও যে আড়ি পেতেছিল তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাছাড়া নিরপরাধ লোক এমন হঠাৎ ছোরাই বা বের করবে কেন? কাজেই আমরা যে বিরাট কাজে হাত দিয়েছি তাতে ঝুঁকি নেয়া চলবে না।’ হঠাৎ নিষ্ঠুর নির্দয় হয়ে উঠল রানার কণ্ঠস্বর, ‘আলতাফ!’

    ‘বলো, মেজর।’

    ‘ছুরি তো আছেই। ঝটপট কাজ সেরে ফেল। ঠিক হৃৎপিণ্ড আন্দাজ করে চালাবে।’

    একটা আতঙ্কিত চিৎকার বেরিয়ে এল মাহবুবের মুখ থেকে। লাফিয়ে উঠে দাঁড়াল সে। দড়াম করে উল্টে গেল চেয়ারটা। ‘কি করছেন, মেজর…’

    মুখের কথা বেধে গেল মাহবুবের। অবাক হয়ে দেখল ছুটে গিয়ে ধাক্কা খেল লোকটা কাঠের দেয়ালে। প্রাণভয়ে একটা হাত তুলে রেখেছে সে ওপরে। ঘরের কোণের দিকে সরে যাচ্ছে সে গুটিসুটি মেরে। সারা মুখে আতঙ্কের স্পষ্ট ছাপ। চোখ ফিরিয়ে দেখল বিজয়ীর হাসি আলতাফের মুখে, মিশ্রী খানও বুঝতে পেরেছে ব্যাপারটা। হঠাৎ নিজেকে আস্ত গর্দভ মনে হলো ওর। স্বভাবতই বেশি কথা বলে মিশ্ৰী খান। হা-হা করে হেসে উঠে বলল, ‘বোবা কালারও জানের ভয় আছে, বাবা। ভাল কায়দা করেছেন, ওস্তাদ।

    এমনি সময় ঘরে ঢুকল ক্যাপ্টেন বেয়ারার সাথে। ভুরু জোড়া কুঁচকে আছে। আক্রমন্ত্রক ভঙ্গি। ঢুকেই তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলল, ‘কি পেয়েছেন আমাকে, মি. মাসুদ রানা? যখন-তখন ডেকে পাঠাবার আপনি কে? ঘরটা আবর্জনামুক্ত হলো কিনা দেখতে এসেছি। আপনার কথা শুনতে আসিনি।’

    ‘এই লোকটা কে?’ কোণের দিকে ইঙ্গিত করল রানা।

    কোণের দিকে চেয়েই মুখের ভাব পাল্টে গেল ক্যাপ্টেনের। ‘আরে! করিম! আমার খানসামা। ও ওখানে কেন?’

    ‘দেয়ালে কান ঠেকিয়ে বাইরে থেকে আমাদের কথাবার্তা শুনছিল।’

    ‘আমি বিশ্বাস করি না।’

    ‘খবরদার, ক্যাপ্টেন!’ মিশ্রী খানের পিস্তলটা ক্যাপ্টেনের দিকে ধরা।

    ‘আমরা সবাই দেখেছি। ও কি আপনার স্পাই না ভারতের, কেবল তাই জানতে চাই আমরা।’

    অবাক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল ক্যাপ্টেন মিশ্রী খানের পিস্তলের দিকে। জোর করে হাসবার চেষ্টা করল সে। লাল হয়ে উঠল ওর ফর্সা মুখ। বলল, ‘বিশ্বাস করি না, তার কারণ লোকটা বোবা ও কালা।

    ‘বোবা কিনা জানি না,’ বলল রানা। ‘কিন্তু কালা যে নয় তার প্রমাণ আছে আমাদের কাছে।’ একটা হাত তুলে ক্যাপ্টেনকে থামিয়ে দিয়ে বলল, ‘আপনার সাথে এ ব্যাপারে তর্কাতর্কি করবার সময় আমাদের নেই। লোকটাকে এক্ষুণি অ্যারেস্ট করুন এবং অন্ততপক্ষে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যেন সে কারও সঙ্গে কথা বলতে বা দেখা করতে না পারে সেজন্যে নির্জন সেলে আটকে রাখুন। কথা বলতে পারুক আর না পারুক, লোকটা ভয়ঙ্কর।’

    ‘চমৎকার, চমৎকার!’ তিক্ত হাসি হাসল ক্যাপ্টেন। ‘একজন সিভিলিয়ানের হুকুম তামিল করতে হবে আমাকে। কোথাকার মাতব্বর এসেছেন আপনি.

    রানাকে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াতে দেখে থেমে গেল সে। টেবিলটা ঘুরে হেঁটে এসে ক্যাপ্টেনের এক ফুট দূরে থামল রানা। কঠোর দৃষ্টি ওর চোখে।

    ‘আপনার এই ব্যবহারের জন্যে ইচ্ছে করলেই কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারতাম- কিন্তু তা করব না। সময় নেই আমাদের হাতে। যা বলছি তাই করবেন আপনি, নইলে ডিমোশন তো হবেই, কোর্ট মার্শালও হতে পারে। কি? কর্নেলের সাথে দেখা করতে হবে, না আমার হুকুম তামিল করবেন?’

    বেত্রাহত কুকুরের মত কুঁকড়ে গেল ক্যাপ্টেন। বুঝল, মুখে যা বলছে কাজেও সেটা করে দেখাবার ক্ষমতা আছে এই লোকের। সবার সামনে এই চরম অপমান আর পরাজয়ে থরথর করে কাঁপতে থাকল সে বাঁশপাতার মত। কিন্তু অল্পক্ষণেই সামলে নিল নিজেকে।

    ‘ঠিক আছে। ঠিক আছে। অত সব ভয় না দেখালেও চলত। যা বলছেন তাই হবে। জানি, বেহুদা আপনার সন্দেহ, তবু…। বেয়ারা, দু’জন গার্ড ডেকে নিয়ে এসো।’

    ‘আপনার অপমানিত বোধ করবার কিছুই নেই, ক্যাপ্টেন,’ চট করে বলল মিশ্রী খান। ‘যাঁর হুকুম পালন করতে যাচ্ছেন তিনি বর্তমানে সিভিলিয়ান হলেও আর্মিতে আপনার চেয়ে এক র‍্যাঙ্ক ওপরে ছিলেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬১ – অপশক্তি

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }