Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প165 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুর্গম দুর্গ – ১২

    বারো

    আধঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে গেল ওরা দ্বারোকায়। দুর্গ-তোরণের পঁচিশ গজের মধ্যে।

    ব্যাপারটা বিশ্বাস করতেই ভরসা পেল না রানা। সত্যিই তাহলে এত বাধা বিপত্তির পর পৌঁছেচে ওরা গন্তব্যস্থলে? এটা কি তাহলে সত্যিই একেবারে অসম্ভব ছিল না? তাহলে কি বাকি কাজটুকুও সম্ভব?

    গুহামুখে ঢোকার পরেই সবকিছু এত সহজ এবং স্বচ্ছন্দে ঘটে গেল যে অবিশ্বাসের ঘোরটা কিছুতেই কাটতে চাইছে না রানার। দোতলা বাড়ির জানালা দিয়ে বাইরের দিকে চাইলেই দেখা যাচ্ছে দুর্গ-তোরণ। উজ্জ্বল বাতি জ্বলছে সেখানে।

    গুহার মধ্যে ঢোকার পরই নাজির বেগ পড়ে গিয়েছিল মাটিতে। জখম পায়ে বহুক্ষণ দাঁতে দাঁত চেপে প্রতিকূল অবস্থার সাথে যুদ্ধ করেছে সে, আর পারল না। সেখানেই রয়ে যেতে চেয়েছিল সে। মাহবুবকে হত্যা করে সৈন্যরা এগিয়ে এলে ঠেকাতে পারবে সে। কিন্তু রাজি হয়নি রানা। কঠোর ভাবে বকা দিয়েছে ওকে। বুঝিয়ে কথা বলবার সময় ছিল না তখন। আপত্তি করবার সাহস পায়নি নাজির বেগ। আলতাফ আর মিশ্রী খানের সাহায্যে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগোতেই হয়েছে ওকে ওদের সঙ্গে। রানা বুঝল, আর কিছু নয়, ছুতো খুঁজছে সে আরও কিছু ভারতীয় সৈন্যকে হত্যা করবার। প্রতিহিংসার আগুন জ্বলছে ওর মনের মধ্যে সর্বক্ষণ।

    গুহা থেকে বেরিয়ে রাস্তার কাছাকাছি এসেই ঠোঁটে আঙুল রেখে সবাইকে চুপ করবার ইঙ্গিত করল ইশরাত। রানাও শুনতে পেল কয়েকজন লোকের কথাবার্তা। কয়েকটা ঝোপের আড়ালে দাঁড়িয়ে কারা যেন কথা বলছে। হাত তুলে থামতে বলল রানা দলের সবাইকে। কিন্তু ঠক্ করে একটা শব্দ এল কানে- অস্ফুট একটা গোঙানির শব্দও পেল সে। রেগে গেল রানা। পেছনে ফিরে এল সে কারণ অনুসন্ধান করবার জন্যে। দেখল মাটিতে পড়ে আছে নাজির বেগের জ্ঞানহীন দেহ। মিশ্ৰী খান বলল যে এত হঠাৎ থামতে বলায় ও টাল সামলাতে না পেরে ধাক্কা খেয়েছে নাজির বেগের সাথে, হাঁটু ভাঁজ হয়ে পড়ে গেছে তাই নাজির বেগ, এবং মাথাটা একটা পাথরের ওপর পড়ায় জ্ঞান হারিয়েছে। অজ্ঞান হওয়ার ভান করছে কিনা পরীক্ষা করে দেখল রানা নিচু হয়ে। হত্যার নেশা ওর রক্তে। ছুতো ধরে পিছিয়ে পড়বার চেষ্টা করতে পারে হয়তো। কিন্তু না। মাথার পেছনে ফোলা জায়গাটা দেখেই বুঝল রানা সত্যিই জ্ঞান হারিয়েছে সে।

    দশজন ভারতীয় সেপাই হেঁটে চলে গেল গল্প করতে করতে। রানাদের উপস্থিতি টের পায়নি ওরা। ইশরাত বলল এদিক থেকে যাতে ওরা বেরোতে না পারে খুব সম্ভব সেজন্যে পাঠানো হয়েছে ওদের। দ্বারোকার ব্রিগেডিয়ার ওদের সমস্ত সম্ভাব্য পথ বন্ধ করবার ব্যবস্থা করেছে। রানার কাছে কথাটা তেমন যুক্তিযুক্ত মনে হলো না। কিন্তু তর্ক না করে এগিয়ে গেল সে সামনে মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই রাস্তার ওপর দাঁড়ানো ট্রাক দেখতে পেল ওরা। দু’জন গার্ডের হাত-পা বেঁধে ঝোপের আড়ালে ফেলে দিতে লাগল আরও এক মিনিট, তারপর ছুটল ট্রাক চওড়া রাস্তা ধরে।

    পথে কোন বাধা পায়নি ওরা। মিলিটারি ট্রাকটা পেয়ে ভালই হয়েছে। রাত সাড়ে আটটা থেকে কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে দ্বারোকায়। সাড়ে আটটার অবশ্য দেরি আছে অনেক, তবু পায়ে হেঁটে এগোলে ধরা পড়বার সম্ভাবনা ছিল। ইশরাত বসেছে ড্রাইভিং সীটে, হেড লাইট অন করে দক্ষ হাতে চালিয়ে এসেছে সে এই মাইলখানেক রাস্তা। ছোট্ট শহর দ্বারোকা। সব কিছু ইশরাতের মুখস্থ। অনেকগুলো গলি-ঘুঁচি পেরিয়ে প্রায়-নির্জন একটা রাস্তা ধরে এগিয়ে এসে থেমেছে ওরা দোতলা এই বাড়িটার সামনে। লেফটেন্যান্ট আরীফের গোপন আস্তানা। নাজির বেগ টলতে টলতে পথ দেখিয়ে নিয়ে এসেছে ওদের দোতলায়। ইশরাত চলে গেছে ট্রাকটার একটা সুব্যবস্থা করতে।

    রানা ভাবল ইশরাতের কোনও বিপদ না হলেই হয়। দ্বারোকা পৌঁছে আবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে সে। সবই তার চেনা। রানাদের গাইড করবার ভার এখন ওর। ওকে ছাড়া এখন রানারা অন্ধের মত। তাই নিজের দায়িত্ব এবং ক্ষমতা সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন হয়ে উঠেছে সে দ্বারোকা পৌঁছেই। ট্রাকটাকে নিয়ে কি করতে যাচ্ছে তা-ও রানাকে জানাবার প্রয়োজন বোধ করেনি সে। ডাঙায় তোলা মাছকে আবার পানিতে ছেড়ে দিলে তার যেমন অবস্থা হয়, তেমনি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করছে ইশরাত দ্বারোকা পৌঁছে।

    রানা ভাবছে ইশরাতের কথা। ওর জন্যে উদ্বেগ অনুভব করল সে ওকে ছাড়া চলবে না, বা ওর সাহায্যের এখন খুব প্রয়োজন, সেজন্যে নয়। কেন জানি এক অদ্ভুত আকর্ষণ বোধ করছে রানা ওর প্রতি। মেয়ে বলে নয়, প্রথম দর্শনেই এই মিষ্টভাষী, সদা চঞ্চল, উৎসাহী মানুষটা ওর মনের মধ্যে একটা বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। নাজিরের জন্যে সে ভাবটা হয়নি। কোথায় যেন ইশরাতের সঙ্গে তার মস্ত তফাৎ আছে। দোষটা অবশ্য নাজিরের নয়- অবস্থার চাপে পড়ে সে ওরকম হয়েছে। ইশরাতের স্বতঃস্ফূর্ত প্রাণচাঞ্চল্য ক’জনের মধ্যেই বা আছে? ইশরাতের উপস্থিত বুদ্ধিরও তুলনা হয় না। দুটো আস্তানা আছে ওর দ্বারোকায়। ইচ্ছে করেই সে দুর্গের একেবারে গায়ে লাগানো একটা বাড়িতে এনে তুলেছে ওদের, ভারতীয় সৈন্যদের পক্ষে কল্পনা করাও কঠিন হবে যে দুর্গের এত কাছে এসে উঠতে পারে ওদের কম্যান্ডো গ্রুপ। অথচ এখান থেকে দুর্গরক্ষীদের গতিবিধি অনায়াসে লক্ষ করতে পারবে ওরা।

    বহুদিনের পুরানো বাড়ি। দেয়ালের চুন-সুরকি খসে লাল ইঁট দেখা যাচ্ছে জায়গায় জায়গায়। দোতলায় মস্ত একটা খালি ঘর। আলো জ্বালাবার উপায় নেই, জানালা দিয়ে যেটুকু বাইরের আলো আসছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে ওদের।

    নাজির বেগের সাহায্যে একতলায় ভাঁড়ার ঘর খুঁজে বের করে চিঁড়ে গুড় আর খাবার পানি জোগাড় করে নিয়ে এল মিশ্রী খান। পাশের বাড়ি থেকে এক ছড়া কলা চুরি করে নিয়ে এল নাজির বেগ পায়ের ভয়ানক জখম সত্ত্বেও।

    একরাত একদিন পর এই সাধারণ খাদ্যদ্রব্যগুলোর মধ্যেই অসাধারণত্ব আবিষ্কার করে পরম বিস্ময় প্রকাশ করল সবাই। মাটির কলসের ঠাণ্ডা পানিতে অমৃতের স্বাদ পেল ওরা।

    সটান মেঝেতে শুয়ে পড়ল মিশ্ৰী খান। বক সিগারেট ধরাল একটা। এই প্রথম স্পষ্ট এবং বিস্তারিত ভাবে ভেঙে বলল রানা সবাইকে দ্বারোকার দুর্গম দুর্গে প্রবেশের প্ল্যানটা। গলার স্বর খাটো করবার দরকার হলো না- রাস্তার ঠিক অপর পাশের বাড়িটায় ঘটাং ঘট খটাং খট মেশিন চলছে। একটা ডিমাই ফ্ল্যাট বেড আর একটা হাফ-ক্রাউন ট্রেড প্রিন্টিং মেশিন যেন পাল্লা দিচ্ছে একে অপরের সঙ্গে- কেহ কারে নাহি পারে সমানে সমান। ধীরে সুস্থে প্রত্যেককে বুঝিয়ে দিল রানা প্ল্যানটা, কাজ ভাগ করে দিল প্রত্যেকের মধ্যে, জিজ্ঞেস করে করে জেনে নিল সবাই সব কথা ঠিক মত বুঝেছে কিনা।

    ‘এইবার খানিক বিশ্রাম নিয়ে নেয়া যাক। এই আমাদের শেষ সুযোগ। আরীফ না আসা পর্যন্ত যে যত পারো গড়িয়ে নাও। আমি পাহারায় থাকলাম,’ বলল রানা।

    ‘আমি পাহারায় থাকব,’ তড়াক করে উঠে বসল মিশ্ৰী খান।

    ‘তোমাকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে, মিশ্রী…’

    ‘আপনার নিজের চেহারা নিজে দেখতে পাচ্ছেন না বলে এই কথা বলছেন, ওস্তাদ। দয়া করে কথা না বাড়িয়ে শুয়ে পড় ন ভালয় ভালয়, নইলে এই খোকাটা (আলতাফকে দেখিয়ে) জোর করে শোয়াবে। না, ওস্ত াদ, নিজের ওপর এভাবে অত্যাচার করবার কোনও অধিকার নেই আপনার।’

    রানা কি যেন বলতে যাচ্ছিল, আলতাফ বলল, ‘ঠিকই বলেছে মিশ্ৰী খান, আমাকে কি সত্যিই উঠতে হবে, মেজর?

    হেসে ফেলল রানা। পরাজয় স্বীকার করে নিল। মেঝের ওপর পিঠ ঠেকিয়েই উপলব্ধি করল সত্যি সত্যিই কতখানি পরিশ্রান্ত হয়েছে সে। ঠাণ্ডা মেঝেতে শুয়ে ঘুমে জড়িয়ে আসতে চাইল ওর চোখ। সাইলেন্সার ফিট্ করা পিস্তলটা নিয়ে উঠে গেল মিশ্ৰী খান জানালার পাশে। তিন মিনিটের মধ্যেই মিশ্রী খান ছাড়া আর সবাই ঘুমিয়ে পড়ল গভীর ঘুমে।

    কিন্তু কপালে যাদের বিশ্রাম নেই তারা শুধু শুধু বিশ্রাম নেবার চেষ্টা করলে পাবে কেন? পঁচিশ মিনিটের মধ্যে ফিরে এল ইশরাত জাহান। দরজায় মৃদু টোকা পড়তেই রানার ঘুম ভেঙে গেল। পিস্তল হাতে সন্তর্পণে এগোচ্ছিল মিশ্ৰী খান, রানাকে উঠে বসতে দেখে বলল, ‘দরজায় কে যেন টোকা দিল, ওস্তাদ।

    ‘খুব সম্ভব আরীফ। আমি দরজা খুলব নিচে গিয়ে, তুমি আড়ালে লুকিয়ে থাকবে প্রস্তুত হয়ে।’

    হাঁপাচ্ছে ইশরাত জাহান। ঢক ঢক করে প্রথমেই এক গ্লাস পানি খেলো সে।

    ‘বেঁচে আছ তাহলে এখনও, ছোকরা?’ মিশ্রী খানের কণ্ঠস্বরে স্নেহ ঝরে পড়ল। ‘ব্যাপার কি, হাঁপাচ্ছ কেন? তাড়া করেছিল কেউ?’

    ‘কে তাড়া করবে? আমার ছায়াও তো দেখতে পায়নি কেউ। মনে করলাম আমার জন্যে উদ্বিগ্ন হয়ে থাকবেন আপনারা, তাই সারাটা পথ দৌড়ে চলে এসেছি।

    ‘কোথা থেকে সারা পথ দৌড়ে এসেছ, আরীফ?’ জিজ্ঞেস করল আলতাফ। জেগে গেছে সে-ও।

    ‘সোমনাথের মন্দির থেকে। ডান দিকের রাস্তা ধরে দেড় মাইল দক্ষিণে। জঙ্গলের মধ্যে বহুকালের পুরানো ভাঙা একটা মন্দির। সাপের দৌর কেউ আর ঘেঁষে না ওইদিকে।

    ‘ওখানে গিয়েছিলে কেন?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘চিন্তা করে দেখলাম, গুহামুখে আমাদের জন্যে যে-সব সৈন্যরা অপেক্ষা করছে, ওরা যখনই টের পাবে যে ট্রাকটা খোয়া গেছে অমনি বুঝে ফেলবে যে কাজটা আমাদের। ঝোপের ধারের হাত-পা বাঁধা লোকগুলোও সেই সাক্ষ্যই দেবে। ওরা পরিষ্কার জেনে যাবে যে আমরা আর ওখানে নেই, চলে এসেছি শহরের দিকে।

    একটু থেমে সবার দিকে চাইল আরীফ। রানা বলল, ‘তা জেনে যাবে। তারপর?

    ‘তারপর সমস্ত দ্বারোকার প্রতিটা বাড়ি সার্চ করে খুঁজবে আমাদের। দ্বারোকায় না পেলে শহরের আশেপাশে খুঁজতে আরম্ভ করবে হন্যে হয়ে কিন্তু আগে খুঁজবে দ্বারোকায়। বাতাসের গন্ধ শুঁকেই বুঝলাম বৃষ্টি আসছে। অল্পক্ষণেই মেঘে ঢেকে যাবে চাঁদ।’

    ‘তাড়াতাড়ি কথা শেষ করো, আরীফ- তোমার সাত-কাণ্ড রামায়ণ শুনবার সময় নেই,’ রানা বলল নীরস কণ্ঠে।

    আহত হলো ইশরাত। বলল, ‘কথা প্রায় শেষ। যাতে প্রথমেই শহরে সার্চ না ক’রে গ্রামের দিকে সার্চ করে তার ব্যবস্থা করে দিয়ে এসেছি।’

    ‘কি করে?’ অবাক হলো রানা।

    ‘সে অনেক কথা, শুনবার সময় হবে কি?

    হেসে ফেলল রানা। বুঝল রাগ করেছে ইশরাত। ওর কাঁধে একটা হাত রেখে বলল, ‘আমাদের অবস্থা তো বুঝতেই পারছ, ইশ…আরীফ। সব কথা জানা-ও চাই, আবার সংক্ষেপ হওয়াও চাই। এখন প্রতিটা মুহূর্ত মূল্যবান। যে-কোন মুহূর্তে আমাদের সমস্ত প্ল্যান বদলাতে হতে পারে। কাজেই মান অভিমান…’

    ‘না। মান-অভিমানের কিছুই নেই। কিন্তু দেখতেই পাচ্ছেন, সব কথা সংক্ষেপে হয় না। সংক্ষেপে বললে সেটাকে আবার ব্যাখ্যা করতে হয়। যাক, যা বলছিলাম, আমি ভেবে দেখলাম, ওদের মনোযোগ যদি শহর থেকে দূরে সরিয়ে নিতে পারি তাহলে ঘণ্টা দুয়েকের জন্যে অন্তত আমরা নিশ্চিন্তে থাকতে পারব। তাই ট্রাকটা সোমনাথের মন্দির প্রাঙ্গণে নিয়ে গিয়ে ওটার ট্যাঙ্ক থেকে সমস্ত পেট্রল বের করে সারাটা গাড়ি আচ্ছামত ভেজালাম। তারপর আগুন ধরিয়ে দিলাম ওতে।’

    ‘আগুন ধরিয়ে দিয়েছ! কেন?’ আলতাফ জিজ্ঞেস করল।

    ‘কারণটা খুবই সহজ। উপত্যকার সৈন্যরা এতক্ষণে টের পেয়ে গেছে যে ট্রাকটা চুরি করেছি আমরা। আগুন দেখতে পাবে ওরা ওখান থেকে। সাথে সাথেই ছুটবে সোমনাথের মন্দিরের দিকে। আগুন না নেভা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। তারপর ট্রাকের মধ্যে মৃতদেহ বা হাড়গোড় কিছু না পেয়ে মন্দিরটা খুঁজবে তন্ন তন্ন করে। সেখানেও যখন কিছু পাবে না তখন আশেপাশের গ্রামগুলোতে খুঁজবে। সেখানেও নেই আমরা। তখন ওরা বুঝতে পারবে যে বোকা বানিয়েছি আমরা ওদের- আসলে শহরের মধ্যেই কোথাও আছি। শহরের দিকে তখন আসবে ওরা ধেয়ে, একটি বাড়িও বাদ দেবে না, এবং সারা শহর তন্ন তন্ন করে খুঁজে কি দেখবে ওরা? দেখবে, এখানেও নেই আমরা।’

    ‘ততক্ষণে খোদার কাছে চলে গেছি?’ টিটকারি মেরে বলল মিশ্ৰী খান।

    ‘না। সশরীরে বেঁচে আছি। বৃষ্টি নামবে অল্পক্ষণেই, মেঘে ঢেকে যাবে চাঁদ। এই অন্ধকারের মধ্যে বেমালুম গায়েব হয়ে যাব আমরা। টিএনটি লুকিয়ে রেখে আমরা সরে যাব এখান থেকে।

    ‘কোথায়?’ চমৎকৃত রানা জিজ্ঞেস করল।

    ‘কোথায় আবার? সোমনাথের মন্দিরে। কাল সকালের আগে ওরা কিছুতেই ওখানে আবার খোঁজ করবে না। নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নিতে পারব আমরা সেখানে।

    সপ্রশংস দৃষ্টিতে চেয়ে রইল রানা ইশরাতের দিকে। তারপর বলল, ‘এই কম্যাণ্ডো গ্রুপের নেতৃত্বের ভার তোমার ওপর না দিয়ে আমাকে দেয়া ভুল হয়ে গেছে কমোডোরের। চমৎকার প্ল্যান হয়েছে, আরীফ। জয়ের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি পরিষ্কার।’

    .

    তীরের মত চোখে মুখে এসে বিঁধছে বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটা। মাথাটা এক ঝাঁকুনি দিয়ে চোখের ওপর এসে পড়া একগুচ্ছ ভেজা চুল সরিয়ে দিল রানা। বাম হাতটা তুলে চোখ আড়াল করল। ভিজে চুপচুপে হয়ে গেছে সর্বাঙ্গ। দশ বারো ফুট উঁচুতে দুর্গ-প্রাচীরের মাথা।

    ‘মরে যাব, ওস্তাদ! এইটা ডিঙাতে হলে ঠিক মরে যাব। দেয়ালের সারা গায়ে কাঁচের টুকরো বসানো,’ কাঁদো-কাঁদো কণ্ঠে বলল মিশ্ৰী খান।

    গায়ে-গায়ে লেগে থাকা বাড়িগুলোর ছাত ডিঙিয়ে ডিঙিয়ে দেয়ালের সবচেয়ে কাছের বাড়িটার ছাতে এসে উপস্থিত হয়েছে রানা আর মিশ্রী খান। দুর্গ রক্ষার স্বার্থে কোনও বাড়িকেই দোতলার বেশি বাড়তে দেয়া হয়নি, প্রত্যেকটা বাড়িই দোতলা পর্যন্ত এসে ঠেকে গেছে। তাই কোন অসুবিধেই হয়নি ওদের এখানে পৌঁছতে। কিন্তু দেয়াল দেখেই দমে গেল মিশ্ৰী খান।

    ‘কিচ্ছু ভয় নেই, মিশ্রী। দেয়াল টপকাতে হবে না আমাদের। কাজের সুবিধার জন্যে এক্সপ্লোসিভের বাক্সদুটো শুধু দেয়ালের ওপর লুকিয়ে রাখব। ভয় নেই, আমিই যাব। তুমি বাক্সদুটো আমার পিঠে বাঁধবার আগে একবার ভাল করে চেক করে নাও, আমি হুকটা ততক্ষণে বাধিয়ে ফেলছি দেয়ালের মাথায়।’

    কিছুটা আশ্বস্ত হলো মিশ্ৰী খান। বলল, ‘কিন্তু, ওস্তাদ, দেয়ালটা কম হলেও পনেরো ফুট দূরে। রশিতে ঝুলে ওখানে যাবেন কি করে? ফিরবেনই বা কি করে?’

    ‘সে-সব তোমাকে ভাবতে হবে না। যা বলছি তাই করো।’

    মিশ্রী খান ঝুঁকে পড়ল বাক্সগুলোর ওপর। রানা হুক লাগানো রশিটা ছুঁড়ে দিল দেয়ালের দিকে। খটাং শব্দ করে আটকে গেল সেটা দেয়ালের মাথায়।

    হঠাৎ প্রায় অস্ফুট একটা বিস্ময়ধ্বনি বেরিয়ে এল মিশ্রী খানের মুখ থেকে। রানা ছুটে এল কাছে।

    ‘কি ব্যাপার, মিশ্রী?’

    ‘ওস্তাদ। বাক্সটা আমি নিজের হাতে গুছিয়েছিলাম। এটা সেই বাক্সই নয়!—এই যে, দাঁড়ান।’ কয়েক সেকেণ্ড ঘাঁটাঘাঁটি করে চাপা ক্রুদ্ধ স্বরে বলল, ‘নেই। পো-বার্নিং ফিউজটা নেই।’

    ‘কি যা-তা বলছ!’ ঝুঁকে পড়ল রানা। হাত চালিয়ে দিল বাক্সের মধ্যে ‘অসম্ভব কথা। যাবে কোথায়? তুমি তো নিজের হাতে প্যাক করেছিলে?

    ‘করেছিলাম। কিন্তু কোনও শুয়োরের বাচ্চা খুলেছিল এটাকে। নিশ্চয়ই কেউ…’

    ‘অসম্ভব! আজই দুপুরে তুমি খুলে সাজিয়েছ সব কিছু। তারপর থেকেই ওটা আরীফের পিঠে আছে সর্বক্ষণ। আরীফ কিছুতেই…’

    ‘এটা আরীফের কাজ নয়,’ গম্ভীর ভাবে উত্তর দিল মিশ্রী খান।

    ‘তাহলে? নিশ্চয়ই আছে। আবার খুঁজে দেখো, মিশ্রী।’

    ‘হাজার খুঁজলেও আর পাওয়া যাবে না, ওস্তাদ।’ মিশ্রীর কণ্ঠে অদ্ভুত একটা হতাশা ফুটে উঠল। ‘আমারই দোষ। আমারই সাবধান হওয়া উচিত ছিল।’

    ‘কি পাগলামি করছ, মিশ্রী। তোমার দোষ মানে? আমার সামনে প্যাকেট করেছ…’ থেমে গেল রানা কথার মাঝখানে। চট করে উঠে দাঁড়াল সে। কিন্তু অন্ধকারে কিছুই দেখা গেল না। দক্ষিণ দিক থেকে একটা গুলির শব্দ ভেসে এসেছে। ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে মিলিয়ে গেল শব্দটা। চারদিক আবার নিস্তব্ধ।

    এতক্ষণে আলতাফ আর নাজির বেগের রওনা হয়ে যাওয়ার কথা। সাগর পারে ইশরাতের দ্বিতীয় আস্তানা থেকে করাচির সাথে কথা বলে চলে যাবে ওরা সোমনাথের মন্দিরে। ইশরাত খাওয়া সেরে খানিকটা বিশ্রাম নেবে, রানা আর মিশ্রী খানের কাজ হয়ে গেলে ওদের পথ চিনিয়ে নিয়ে যাবে সেখানে- কথা ছিল এই রকম। তাহলে গুলির শব্দ কিসের? আলতাফরা গুলি ছুঁড়ল? কিংবা ধরা পড়ে গেল? নাকি কোনও রকম ফাঁদ? ওরা খোঁজ নিতে গেলেই ধরা পড়বে সেই ফাঁদে?

    এমনি সময় একটা মেশিনগান গর্জে উঠল। কান পেতে শুনবার চেষ্টা করছে রানা। বৃষ্টির জন্যে সব ঝাপসা হয়ে গেছে, কিছু দেখার উপায় নেই। এবার আরেকটা হালকা মেশিনগানের শব্দ কানে এল। তিন-চার সেকেণ্ড পরেই হঠাৎ এক সাথে থেমে গেল দুটো মেশিনগানই। কি ঘটছে ওখানে কিচ্ছু বুঝবার উপায় নেই। আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট করল না রানা।

    ‘জলদি, মিশ্ৰী!’ ফিসফিস করে বলল রানা। ‘আর সময় নেই। এগুলো সাথে নিয়ে যাচ্ছি আমরা। বেঁধে ফেলো। ওদিকে কিছু গোলমাল হয়েছে।’

    আধ মিনিটের মধ্যে দেয়াল থেকে হুক খুলে রশি পেঁচিয়ে ফেলল রানা। এক্সপ্লোসিভের বাক্স দুটো ব্যাগের মধ্যে ভরে তুলে নিল কাঁধে। নিঃশব্দ পায়ে দৌড়ে চলল ওরা ছাদ টপকে টপকে আস্তানার দিকে। ইশরাতও নিশ্চয়ই শুনতে পেয়েছে গুলির শব্দ?

    ছাতের ওপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল একটা ছায়ামূর্তি। মাত্র ছয় ফুট দূরে। ইশরাত কোথায়? এই লোক কিছুতেই ইশরাত হতে পারে না। ইশরাতের চেয়ে অনেক লম্বা। চওড়াও। চিতাবাঘের মত অতর্কিতে লাফিয়ে পড়ল রানা লোকটার ওপর। প্রচণ্ড এক ঘুসি খেয়ে চিৎ হয়ে পড়ে গেল ছায়ামূর্তিটা। সাথে সাথেই ওর বুকের ওপর চেপে বসে গলা টিপে ধরল মিশ্ৰী খান।

    মারাই যেত, কিন্তু হঠাৎ কি মনে হতেই ঝুঁকে মুখটা দেখবার চেষ্টা করল রানা। বিকৃত হয়ে গেছে মুখটা, চোখ দুটো ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে বাইরে- কিন্তু চিনতে পারল রানা।

    ‘মিশ্রী! থামো, থামো! ছাড়ো ওকে- ও নাজির বেগ।’

    রানার কথা শুনতে পেল না মিশ্ৰী খান। অদ্ভুত একটা জিঘাংসা জ্বলজ্বল করছে ওর দুই চোখে। আঙুলগুলো ক্রমেই বসে যাচ্ছে নাজির বেগের গলায়। দাঁতে দাঁত চেপে দেহের সমস্ত শক্তি দিয়ে টিপে ধরেছে মিশ্রী খান, বাহ্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে যেন ও।

    ‘ছাড়ো, মিশ্রী। আরে গর্দভ, ও নাজির বেগ। ছেড়ে দাও।’ মিশ্ৰী খানের কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল রানা। দুই হাতে মিশ্রীর কব্জি ধরে সরাবার চেষ্টা করছে সে হাত দুটো নাজিরের গলা থেকে। এবার সর্বশক্তি প্রয়োগ করল রানা, নইলে আর কয়েক সেকেণ্ডেই মৃত্যু ঘটবে নাজির বেগের।

    হঠাৎ বুঝতে পারল মিশ্ৰী খান। উঠে দাঁড়াল ওর বুকের ওপর থেকে ঘন ঘন শ্বাস পড়ছে ওর। নীরবে চেয়ে আছে সে নাজির বেগের দিকে।

    ‘কি হয়েছে তোমার, ক্যাপ্টেন মিশ্রী খান? কালা হয়ে গেছ, নাকি অন্ধ হয়ে গেছ?’ তিরস্কার করল রানা তীক্ষ্ণ কণ্ঠে।

    ‘কিছু একটা হয়েছিল হয়তো।’ ডান হাতে গাল ঘষল মিশ্ৰী খান। ‘আমি দুঃখিত, মেজর।’

    ‘আমার কাছে দুঃখ প্রকাশ না করে বরং ওর কাছে মাফ চাওয়া উচিত তোমার।’ নাজির বেগের দিকে চাইল রানা। উঠে বসেছে সে। গলার ওপর হাত বুলাচ্ছে।

    ‘মাফ চাওয়া-চাওয়ি পরেও হতে পারবে। ওকে জিজ্ঞেস করুন ও এখানে কেন, আর আরীফের কি হয়েছে।’

    রেগে গিয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিল রানা মিশ্রী খানকে। কি মনে করে সামলে নিল

    ‘আরীফ কোথায়, নাজির?’

    বহু কষ্টে কথা বলল নাজির বেগ। থেমে থেমে ঢোক গিলে গিলে। সব শুনে সমাধি-পাথরের মত স্তব্ধ হয়ে গেল রানা।

    ওকে আর আলতাফকে একটু এগিয়ে দিতে গিয়েছিল আরীফ, কিন্তু ডানধারের গলিটা পেরিয়েই সামনে পড়ে সাত-আটজন সৈন্য। আরীফ ওদের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে পথ মুক্ত করবার চেষ্টা করতে গিয়েছিল- মেশিনগানের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেছে ওর বুক। আলতাফ সব ক’জন সৈন্যকে হত্যা করে আরীফের দেহটা কাঁধে তুলে নিয়ে চলে গেছে সোমনাথের মন্দিরের দিকে। ও এসেছে খবর দিতে। বাঁচবে না আরীফ। এতক্ষণে নিশ্চয়ই মারা গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬১ – অপশক্তি

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }